একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ “খেলাধুলায় বাড়ে বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল” স্লোগানে মুজিব শতবর্ষ ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(১২ মার্চ) রাতে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুরে একুশে জাগরণ যুব সংঘ খেলাটির আয়োজন করে।
ফাইনালে টীম লায়নকে হারিয়ে টীম সোনার বাংলা বিজয়ী হয়। খেলায় মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। এদিকে খেলা উপলক্ষ্যে এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।
ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক রতনের সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মজনু। খেলাটির উদ্বোধন করেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম শফি।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাপলা যুব সংঘের সভাপতি আব্দুল মান্নান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক চন্ডীচরণ তালুকদার, নারান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ, ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি এ.কে ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী, ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ও শামসুল হক, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, নারান্দিয়া টিআরকেএন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক নির্জন কুমার ভৌমিক, নারান্দিয়া নির্মাণ প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোজাম্মেল হাসান বাদল, ইব্রাহীম মিয়া, মাসুদ সরকার প্রমুখ। খেলা পরিচালনা করেন সরকারি শামসুল হক কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক মাসুদ ভূইয়া। সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন- ক্লাবের আহ্বায়ক কৌশিক আহমেদ, সদস্য সচিব ইয়ামীন মিয়া এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মাঈন উদ্দিন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দলে ডাক পেয়েছে টাঙ্গাইল ক্রিকেটের বিস্ময় বালক ডান হাতি ব্যাটিং অলরাউন্ডার রিজান হোসেন (১৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান।
জানা গেছে, গত ২ মার্চ (মঙ্গলবার) বাংলদেশ ক্রিকেট বোর্ড অনুর্দ্ধ-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দল গঠনের জন্য ৩০ জন ক্রিকেটারের প্রাথমিক নামের তালিকা তাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে রিজান হোসেনের।
গত ১০ মার্চ (বুধবার) মিরপুরে অবস্থিত ক্রীড়া পল্লীতে রিজানের করোনা পরীক্ষা করা হয়। করোনা ফলাফল নেগেটিভ হওয়ায় রিজান এখন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)তে বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৭ দলের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবলুর তত্বাবধানে দশ দিনের নিবিড় প্রশিক্ষনে রয়েছে।
টাঙ্গাইলে এই কিশোর ক্রিকেটার রিজান হোসেন ইতিপূর্বে বাংলাদেশ জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৫ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলে টাঙ্গাইল জেলার সুনাম কুড়িয়ে এনেছে। এবার অনুর্দ্ধ-১৭ দলে ডাক পেলেন তিনি ।
টাঙ্গাইল বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে অতিপরিচিত মুখ রিজান হোসেন টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৬ দলের অধিনায়ক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়ও টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ দলের অধিনায়ক হিসেবেও সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
গত ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে রিজানকে সিটি ক্লাব নিলামে ৪১ হাজার টাকায় দলে ভিড়িয়েছে। প্রিমিয়ার লীগে এই টাকাই তৃতীয় সর্বোচ্চ দর এবং কিশোর ক্রিকেটারদের মধ্যে রিজানের দাম সবোর্চ্চ উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ ও বিপিএল খেলা টাঙ্গাইলের কৃতি ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন মিলন(ছক্কা মিলন) বলেন, রিজান অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার। তারা যখন ক্রিকেট খেলেছেন, টাঙ্গাইলে ক্রিকেট প্রশিক্ষনের সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত। এখন অনেক ধরনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সঠিক ভাবে প্রশিক্ষন পেলে টাঙ্গাইল থেকে আরো অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার বের হয়ে আসবে।তিনি রিজানের সাফল্য কামনা করেন।
বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান জানান, রিজানের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী দিক হল পরিস্থিতি বুঝে ক্রিকেট খেলে । শারীরিক সামর্থ্যও অনেক। তার দৃঢ বিশ্বাস সঠিক ভাবে প্রশিক্ষন নিলে রিজান ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সামর্থ্য রাখে রিজান ।
ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ও ক্রিকেট সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে ক্রিকেটার তৈরি হয়ে আসছে। অনেক দিন হলো, বাংলাদেশ দলে টাঙ্গাইলের কোন ক্রিকেটার নেই। রিজান সেই শূন্য স্থান পূরণে সক্ষম হবে। ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে রিজানকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে ৯ মার্চ (মঙ্গলবার) শুরু হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগ। উদ্বোধনী খেলায় অংশ গ্রহন করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কাপাপো ক্রীড়া চক্র ও ইষ্টান স্পোর্টিং ক্লাব।ইতোমধ্যে জেলা ক্রীড়া সংস্থা এই লীগের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
টাঙ্গাইল ক্রিকেটের ১০টি প্রভাবশালী ক্লাবের অংশ গ্রহনে শুরু হতে যাওয়া এই প্রিমিয়ার লীগকে ঘিরে টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম পাড়ায় এখন সাজ-সাজ রব।
সরেজমিনে রবিবার (৭ মার্চ) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে গিয়ে দেখা যায়, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট পরিষদের কর্মকর্তাগণ এবং ক্লাব অফিসিয়াল ব্যস্ত তাদের শেষ মূহূর্তের প্রস্তুতিতে।মাঠে অনুশীলনে ব্যস্ত বিভিন্ন ক্লাবের ক্রিকেটারগণ ।পুরো মাঠ জুড়ে রয়েছে নানা রংয়ের পোশাক পরা বিভিন্ন ক্লাবের কিশোর, তরুন ও প্রবীন ক্রিকেটারদের ভীড়। এ যেন এক ক্রিকেট মহা উৎসবের প্রস্তুতি চলছে। অনেকদিন পর টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে বসেছে নবীন-প্রবীন ক্রিকেটাদের মেলা।
স্টেডিয়ামের আউট ফিল্ডে এক দিকে অনুশীলনে ব্যস্ত থানা পাড়া ক্লাব ও কাপাপো ক্রীড়া চক্রের ক্রিকেটাররা। অন্যদিকে অনুশীলন করছে প্যাড়াডাইসপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব, ইষ্টান স্পোর্টিং ক্লাব সহ লীগে অংশগ্রহনকারী প্রায় সব ক্লাব । কঠোর অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছেন এই সব ক্লাবের খেলোয়াররা। আরো বেশি ব্যস্ত সময় পার করছেন পিচ কিউরেটর হায়দার আলী। দু’জন সঙ্গীকে নিয়ে তিন শ’ কেজি ওজনের রোলার দিয়ে পিচ ঠিক করছেন। এ ছাড়া দু’টি স্পন্সর প্রতিষ্ঠান হ্যাবিট টাঙ্গাইল ও হক ব্রাদার্সের কর্মচারীগন ক্রিকেট মাঠের চারিদিকে বিলবোর্ড বসাতে ব্যস্ত।
এই সব আয়োজন যাদের জন্য সেই ক্রিকেটারদের অনুভুতি অত্যন্ত আনন্দের। মারুফ স্মৃতি ক্লাবের উলফাৎ হোসেন সজিব, থানা পাড়া ক্লাবের তাসিন মাহতাব, টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাবের সাদ্দাম খান, স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাবের মুরাদ রহমান বলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ধন্যবাদ এই ধরনের জাঁকজমক পূর্ন ক্রিকেটলীগ আয়োজন করার জন্য। গত তিন মাস ধরে ক্রিকেটারগন ব্যস্ত সময় পার করছে। প্রথমে গত বছরের ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, তার পর প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ শেষ হয়েছে।
এই সব প্রতিভাবান তরুন ক্রিকেটারদের প্রত্যাশা, আগামী ৯ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে টাঙ্গাইলের ক্রিকেটারগণ তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারবে। বাংলাদেশের ক্রিকেট অনেক দুর এগিয়েছে। তাদের আশা, টাঙ্গাইলের ক্রিকেটও এগিয়ে যাবে অনেক দুর ।
প্যাড়াডাইস পাড়া স্পোটিং ক্লাবের অফিসিয়াল ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন ও থানা পাড়া ক্লাবের এরফানুল করিম খান আজমি বলেন, অনেক দিন পর রঙ্গিন পোশাকে লীগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এটা অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। প্রিমিয়ার ডিভিশনে অংশ গ্রহন করা প্রতিটি ক্লাব খেলোয়াদের পারিশ্রমিক প্রদানের ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক। আশা করি, এবার প্রিমিয়ার ডিভিশনের প্রতিটি খেলা হবে প্রতিদ্বদ্ধিতাপূর্ন। প্রতিটি ক্লাব স্পোটিং মনোভাব নিয়ে লীগে অংশ গ্রহন করবে।
এ প্রসঙ্গে জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক ও ক্রিকেট উপ-পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন বলেন, দীর্ঘ পরিকল্পনা নিয়ে টাঙ্গাইল ক্রিকেট উপ-পরিষদ এগোচ্ছে। বিশেষ করে, পাইনিয়ার ক্রিকেট লীগ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার। যে লীগে নতুন নতুন দল অংশ গ্রহনের সুযোগ পাবে। ফলে তৈরি হবে ক্রীড়া সংগঠক ও নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটার। প্রতিবছর এই রকম ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও লীগ আয়োজন করতে পারলে, টাঙ্গাইলের ক্রিকেটাদের সুযোগ হবে ঢাকার বিভিন্ন লীগে অংশ গ্রহন করার। সকল মহলের সহযোগীতা পেলে টাঙ্গাইলের ক্রিকেটকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু বলেন, অন্যন্য খেলা গুলোর সাথে ক্রিকেটের উপরও জোর দিচ্ছে জেলা ক্রীড়া সংস্থা। ইতোমধ্যে ভলিবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তুতি চলছে কাবাডি টুর্নামেন্ট আয়োজনের। বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের পর দ্বিতীয় বিভাগ ও পাইনিয়ার ক্রিকেট লীগের আয়োজনের প্রস্তুতিও চলছে বলে তিনি আরো জানান। টাঙ্গাইলের প্রতিভাবান ক্রিকেটারগন যেন ঢাকার বিভিন্ন লীগে অংশ গ্রহন করতে পারে সে বিষয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, এবার প্রিমিয়ার ডিভিশনে ৫০ ওভারের খেলায় ব্যবহার করা হবে সাদা বল। এ ছাড়া প্রতিটি দল সাদা পোশাকের পরিবর্তে গাঁয়ে জড়াবে রঙ্গিন পোশাক । এবার বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান হচ্ছে , হ্যাবিট ও হক ব্রাদার্স।
বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার লীগে অংশ গ্রহনকারী ১০টি ক্লাব হচ্ছেঃ ’ক’- গ্রুপে কাপাপো ক্রীড়া চক্র, ইষ্টান স্পোর্টিং ক্লাব, প্রগতিশীল স্বদেশী সংঘ, টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাব, প্যাড়াডাইসপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব।
’খ’- গ্রুপে থানা পাড়া ক্লাব, ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, সিটি ক্লাব, স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব, মারুফ স্মৃতি ক্লাব।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে আগামী ৫ মার্চ (শুক্রবার) শুরু হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে অংশ গ্রহনকারী ১০টি ক্লাবের দল গঠনে উদ্দেশ্য ক্রিকেটারদের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(২৭ ফেব্রয়ারী) সকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম অডিটোরিয়ামে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।
জমজমাট এই নিলামে সর্বোচ্চ দাম উঠেছে অলরাউন্ডার নাজমুল হোসেন মিলনের( ছক্কা মিলন)।মিলনকে ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব ৬৫ হাজার টাকায় দল ভূক্ত করেন।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের টাঙ্গাইলের তারকা ক্রিকেটার মেহেদী মারুফকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকায় দলে টানে মারুফ স্মৃতি ক্লাব(করটিয়া)।
তৃতীয় সর্বোচ্চ দাম উঠেছে বাংলাদেশ অনুর্দ্ধ-১৫ দলের হয়ে খেলা রিজান হোসেনের। রিজানকে ৪১ হাজার টাকায় দলভূক্ত করেছে সিটি ক্লাব।
টাঙ্গাইলে আরেক তারকা ক্রিকেটার জয়রাজ শেখ ইমনকে ২৫ হাজার টাকায় ইষ্টার্ন স্পোর্টিং ক্লাব (থানা পাড়া) দল ভূক্ত করে।
এছাড়া ২৪ হাজার টাকায় আরেক ক্রিকেটার রাফসান জানীকে থানাপাড়া স্পোর্টি ক্লাব দলভূক্ত করে ।
এ ছাড়া মারুফ স্মৃতি ক্লাব ক্রিকেটার সাজিকে ৩২ হাজার টাকায়, থানাপাড়া ক্লাব ক্রিকেটার শাহীনকে ৩১ হাজার টাকায়, স্কয়ার ক্লাব ক্রিকেটার রজিনকে ৪০ হাজার টাকায় , ইস্টার্ন স্পোটিং ক্লাব আদনানকে ২৪ হাজার টাকায়, থানাপাড়া ক্লাব ইমতিয়াজকে ৩১ হাজার টাকায় কিনে নিয়েছে। এ ছাড়া থানাপাড়া ক্রিকেটার সানি ও মারুফ স্মৃতি সংঘ রানাকে ২০ হাজার টাকা দর হাকিয়ে কিনে নিয়েছে।
এবার দল গঠনে নিলামে সবোর্চ্চ খরচ করেছে থানাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব। তাদের দল গঠন করতে গুনতে হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এ ছাড়া মারুফ স্মৃতি ক্লাবের দল গঠন করতে খরচ ১ লাখ ৪৮হাজার টাকা। ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব খরচ করতে হয়েছে ১লাখ ৪৪ হাজার টাকা এবং থানাপাড়া ইষ্টার্ন স্পোটিং ক্লাবের খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুর রৌফ খানের সভাপতিত্বে খেলোয়াড় নিলামটি পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক ও ক্রিকেট উপ-পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অর্থ সম্পাদক আনিছুর রহমান আলো, সদস্য জহিরুল হক সম্রাট শামসুল হক শামসু, দৈনিক মজলুমেরকণ্ঠ পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টাল টি-নিউজের স্পোর্টস রিপোর্টার মোজাম্মেল হক, সাবেক ক্রিকেটার আব্দুর রহমান, জর্জ এবং রিপন সরকার। এসময় বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার লীগে অংশগ্রহনকারী ১০টি দলের র্কমকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খেলোয়ার নিলামের পর বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে অংশগ্রহন করা ১০টি দলকে লটারীর মাধ্যমে খেলার ফিক্চার নির্ধারন করার জন্য “ক” ও “খ” দু’টি গ্রুপে ভাগ করা হয়॥
“ক”গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কাপাপো ক্রীড়া চক্র,ইর্ষ্টান র্স্পোটিং ক্লাব, প্যাড়াডাইস পাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, প্রগতিশীল স্বদেশী সংঘ ও টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাব।
“খ” গ্রুপে থানাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, সিটি ক্লাব, মারুফ স্মৃতি ক্লাব ও স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব রয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ মার্চ শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশনের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াবে। ৫০ ওভারে, সাদা বল ও রঙ্গিন ড্রেসে ১০টি দল জাঁকজমক এই প্রিমিয়ারলীগে অংশ গ্রহন করবে।
অংশ গ্রহন কারী দল গুলো হচ্ছেঃ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, কাপাপো ক্রীড়া চক্র,ইর্ষ্টান র্স্পোটিং ক্লাব, প্যাড়াডাইস পাড়া স্পোটিং ক্লাব, প্রগতিশীল স্বদেশী সংঘ ও টাঙ্গাইল ক্রিকেট ক্লাব। থানাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, সিটি ক্লাব, মারুফ স্মৃতি ক্লাব ও স্কয়ার ক্রিকেট ক্লাব রয়েছে।
স্পোর্টস ডেস্ক : সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার রেশ না কাটতেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল। আগামী ২০ মার্চ থেকে শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। এর পর ২৮ মার্চ থেকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশ।
২০১৯ সালের মার্চে ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলা হওয়ায় সফর শেষ না করেই দেশে ফিরেছিলেন তামিম, মুশফিকরা। প্রায় দুই বছর বিরতির পর আবারও নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছেন তারা। আগামী ১৩ মার্চ থেকে বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফর শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে সবাইকে খেলার জন্য প্রস্তুতি হতে সিরিজ এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ডে গিয়ে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকবে বাংলদেশ দলের ক্রিকেটাররা।
এরই মধ্যে দল গোছানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন নির্বাচকরা। যদিও ক্যারিবিয়ানদের কাছে টেস্ট সিরিজে হতাশ হওয়ার পর অনেক চটেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ক্রিকেটে অনেক পরিবর্তন আনার আভাস দেন তিনি। টিম ম্যানেজমেন্টেরও একহাত নেন বিসিবি সভাপতি। টিম নির্বাচন ঘিরেও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। সব মিলিয়ে ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরের দলে পরিবর্তন আসতে পারে। সম্ভাব্য ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে থাকা ক্রিকেটাররা ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন। টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার পর এক সপ্তাহের বেশি সময় হাতে পাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে এ সময় দেশের মাটিতে কোনো প্রস্তুতি ক্যাম্প গড়ছে না টাইগাররা।
বিসিবি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করেই ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা করেনি বিসিবি। নিউজিল্যান্ডে গিয়েই বাড়তি অনুশীলনে নিজেদের ঝালিয়ে নেবেন তামিম-মাহমুদউল্লাহরা। অবশ্য নিউজিল্যান্ড সফরে খেলবেন না সাকিব আল হাসান। তৃতীয় সন্তানের বাবা হতে যাচ্ছেন তিনি। পরিবারের পাশে থাকতে ছুটি নিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ খেলে পিঠের ব্যথায় ভুগছিলেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাকে ঘিরে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে বিসিবির পক্ষ থেকে জানা গেছে, নিউজিল্যান্ড সফরে মাহমুদউল্লাহকে পাওয়া নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই।
এদিকে নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়ার আগেই করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে ক্রিকেটারদের। টিকা নেওয়ায় ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে খেলোয়াড়েদের মধ্যে। তবে কোনো ক্রিকেটারকে টিকা নিতে বাধ্য করা হচ্ছে না। আগামীকাল নাম দেওয়া আগ্রহী ক্রিকেটারদের টিকা দেওয়া হবে। বিশেষ ব্যবস্থায় কোচিং স্টাফদেরও টিকা দেওয়া হবে।