/ হোম / খেলাধুলা
অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজ জয় - Ekotar Kantho

অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজ জয়

একতার কণ্ঠঃ অতীতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ তো দূরে থাক, টি-টোয়েন্টিতে জয়ের দেখাও পায়নি বাংলাদেশ।ক্রিকেট খেলুড়ে শক্তিশালী এই দুই দলকে ঘরের মাঠে ডেকে এনে সিরিজে হারাল বাংলাদেশ।বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ডকে চলমান পাঁচ ম্যাচের সিরিজের চতুর্থ খেলায় ৩-১ ব্যবধানে হারাল টাইগাররা। সিরিজের শেষ ম্যাচটি শুক্রবার মিরপুরের একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নাসুম আহমেদের স্পিন আর মোস্তাফিজুর রহমানের গতির মুখে পড়ে ১৯.৩ ওভারে ৯৩ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। কিউইদের হয়ে উইলি ইয়াং একাই করেন ৪৬ রান। বাংলাদেশ দলের হয়ে চার ওভারে ১০ ও ১২ রান খরচায় সমান ৪টি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।

৯৪ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমেও ৬ ওভারে মাত্র ৩৭ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ৬৭ রানে নিজের ভুলে রান আউট হয়ে ফেরেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম।

এরপর আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড: ১৯.৩ ওভারে ৯৩/১০
বাংলাদেশ: ১৯.১ ওভারে ৯৬/৪ (রিয়াদ ৪৩*, নাঈম ২৯)।

ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৩:এএম ৫ বছর আগে
আর এক উইকেট নিলেই যে বিশ্বরেকর্ড গড়বেন সাকিব - Ekotar Kantho

আর এক উইকেট নিলেই যে বিশ্বরেকর্ড গড়বেন সাকিব

একতার কণ্ঠঃ অনেকের মতে রেকর্ড, মাইলফলক, ম্যান অব দ্য ম্যাচ আর সাকিব আল হাসান যেন মূদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের তকমা তার গায়ে লেগে আছে কয়েক বছর ধরেই।

প্রায় বেশিরভাগ ম্যাচেই তার অবদান থাকে। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হলে বোলিংয়ে তা পুষিয়ে দেন। কখনো বা উল্টোটাও ঘটে। আবার অনেক ম্যাচে দুই ডিপার্টমেন্টেই দারুণ কীর্তি দেখিয়ে দলের জয়ের নায়ক হয়ে উঠেন। এমন সব কীর্তি দেখাতে দেখাতে দারুণ দুটি মাইলফলকের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে সাকিব।

এর একটি হলো- আর মাত্র একটি উইকেট পেলেই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের বিশ্ব রেকর্ড গড়বেন সাকিব। ছুঁয়ে ফেলবেন শ্রীলংকার পেসার লাসিথ মালিঙ্গাকে। ৮৪ ম্যাচ খেলে ১০৭ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে শীর্ষ উইকেটধারী মালিঙ্গা। আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দুই উইকেট নিয়ে সাকিবের শিকার এখন ৮৬ ম্যাচে ১০৬টি।

অবশ্য মালিঙ্গাকে পেছনে ফেলে আরো অনেক দূর যাওয়া সক্ষমতা রয়েছে সাকিবের। কারণ লঙ্কান পেসারের ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ১০৭ উইকেটে। আর সাকিবের ক্যারিয়ারের আরো অনেকটা সময় পড়ে আছে।দুটি উইকেট নিয়ে আজই মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন সাকিব।

আর দুটি উইকেট নিলে মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে রেকর্ডটি শুধুই নিজের করে নেবেন সাকিব। তবে দুটি উইকেট নিলে সাকিব একটি মাইলফলক স্পর্শ করবেন। সাকিব হয়ে যাবেন আন্তর্জাতিকের তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৬০০ উইকেট শিকারি, ২৩তম বোলার আর দ্বিতীয় বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে।

উইকেট শিকারের দিক থেকে সাকিব অনেক আগেই টপকে গেছেন নিউজিল্যান্ডের তারকা পেসার টিম সাউদিকে। টি-টোয়েন্টিতে ৯৯ উইকেট নিয়ে তৃতীয় পজিশনে আছেন সাউদি। ৯৮ উইকেট শিকার করে চতুর্থ পজিশনে থেকে অবসরে গেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান মাত্র ৫১ ম্যাচে ৯৫ উইকেট শিকার করে পঞ্চম পজিশনে রয়েছেন।

বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে এ তালিকায় সাকিবের পরেই আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। কাটার মাস্টার খ্যাত এই পেসার ইতোমধ্যে ৪৯ ম্যাচে ৭১ উইকেট শিকার করেছেন।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:২৭:পিএম ৫ বছর আগে
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে র‌্যাংকিংয়ে ছয়ে উঠে গেল বাংলাদেশ - Ekotar Kantho

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে র‌্যাংকিংয়ে ছয়ে উঠে গেল বাংলাদেশ

একতার কণ্ঠঃ নিউজিল্যান্ডকে ৪ রানে হারিয়ে আইসিসির টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে ছয় নম্বর পজিশনে উঠে গেলে বাংলাদেশ। এর আগে কিউইদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় জিতে দশ নম্বর পজিশন থেকে সাতে উঠে যায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দলটি।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৪১ রান করে বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানে ইনিংস গুটায় নিউজিল্যান্ড। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৪ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৪২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২.৩ ওভারে দলীয় ১৬ রানে সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার রাচিন রবীন্দ্র। সাকিবের পর কিউই শিবিরে আঘাত হানেন মেহেদি হাসান। তার শিকার হন টম বান্ডেল। ৩.১ ওভারে দলীয় ১৮ রানে ফেরেন এ ওপেনার।

১৮ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তৃতীয় উইকেটে উইলি ইয়াংকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক টম ল্যাথাম।

ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটির বিচ্ছেদ ঘটান সাকিব। তার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ২৮ বলে ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইয়াং। ১০.৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৬১ রান।

পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারো সেই নাসুম আহমেদের স্পিনে বিভ্রান্ত হন কলিন ডি গ্রান্ডহোম। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১ রানে করে নাসুমের বলে আউট হওয়া নিউজিল্যান্ডের এ তারকা ব্যাটসম্যান এদিনও সেই একই বোলারের স্পিনে শিকার হন। দ্বিতীয় ম্যাচে ফেরেন ১০ বলে মাত্র ৮ রান করে। তার বিদায়ে ১৪.২ ওভারে ৮৫ রানে ৪ উইকেট হারায় কিউইরা।

নাসুমের পর কিউই শিবিরে আঘাত হানেন মেহেদি হাসান। তার বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন হেনরি নিকোলাস। ১৫.৩ ওভারে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন নিকোলাস।

এরপর কলিন ম্যাককলিনচকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ২৮ বলে ৪৫ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক টম ল্যাথাম। এই জুটিই দলকে জয়ের পথে নিয়েছিল।

শেষ ওভারে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম চার বলে দেন ৭ রান। পরের দুই বলে কিউইদের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। পঞ্চম বলটি ‘নো’ করেন ফিজ। শেষ দুই বলে নিউজিল্যান্ডকে ৮ রান করতে হতো। পঞ্চম বলে দুই রান নেয় নিউজিল্যান্ড।

জয়ের জন্য শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে হতো নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ল্যাথামকে। কিন্তু তিনি এক রানের বেশি নিতে পারেননি। ৪ রানের জয় পায় টাইগাররা।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৪১ রান করে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এছাড়া ৩৩ রান করেন আরেক ওপেনার লিটন দাস।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুভ সূচনা করে বাংলাদেশ। লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ওপেনিংয়ে ৯.৩ ওভারে স্কোর বোর্ডে ৫৯ রান যোগ করেন নাঈম।

২৯ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩৩ রান করে রাচিন রবিন্দ্রর স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ফেরেন লিটন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১ রানে আউট হয়েছিলেন তিনি।

লিটন আউট হওয়ার পর তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিপদে পড়েন মুশফিকুর রহিম। রাচিন রবিন্দ্রর বলে গোল্ডেন ডাক পান জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক।

চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ বলে ১২ রান করে ফেরেন সাকিব আল হাসান। তার বিদায়ে ৭২ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ দল।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান সংগ্রহের চেষ্টা করতে গিয়ে আউট হন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। রাচিন রবিন্দ্রর করা বলটি বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন এ ওপেনার। ৩৯ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ৩৯ রান করে ফেরেন তিনি।

নাঈম আউট হওয়ার পর ৩ বলে ৩ রান করে ফেরেন আফিফ হোসেন। তার বিদায়ে ১৬.২ ওভারে ১০৯ রানে বাংলাদেশ হারায় পঞ্চম উইকেট।

এরপর নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ২২ বলে ৩২ রান যোগ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন সোহান। তিনি ফেরেন ৯ বলে ১৩ রান করে। ৩২ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন রিয়াদ।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৪১:এএম ৫ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডকেও মাটিতে নামাল টাইগাররা - Ekotar Kantho

অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডকেও মাটিতে নামাল টাইগাররা

একতার কণ্ঠঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলকেও মাটিতে নামাল টাইগাররা।নিউজিল্যান্ডকে সর্বনিম্ন ৬০ রানে অলআউট করে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় ৭ উইকেটের সহজ জয় পায় টাইগাররা।

এর আগে অস্ট্রেলিয়াকে সর্বনিম্ন ৬২ রানে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দলটি। অসিদের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ।

বুধবার( ১ সেপ্টেম্বর) নিউজিল্যান্ডকে ৬০ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে ৭ উইকেটের জয়ে সিরিজে ১-তে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে টাইগার স্পিনার মেহেদি হাসান, সাকিব আল হাসান, নাসুম আহমেদের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে মাত্র ৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড।এরপর হেনরি নিকোলসকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে দলকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন অধিনায়ক টম লাথাম। পঞ্চম উইকেটে তারা সর্বোচ্চ ৩৪ রানের জুটি গড়েন।

৪ উইকেটে ৫৩ রান করা দলটি এরপর মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬.৫ ওভারে ৬০ রানে অলআউট হয়।৬১ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৪.৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় পেলেও শুরুতেই বিপাকে পড়েছিল বাংলাদেশ।২.৫ ওভারে মাত্র ৭ রানে সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও লিটন কুমার দাস।এরপর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৩২ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। ৩৩ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই অলরাউন্ডার।

সাকিব আউট হওয়ার পর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম। ১৬ ও ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক-রিয়াদ।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:৪২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

একতার কন্ঠঃ  দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইলে জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(৩১ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা পুলিশ সুপার ও টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জিত কুমার রায়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফুটবল এসোসিয়েশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইব্রাহীম নেসার, সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা ও তারেক মাহমুদ পুলু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল, জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী নুসরাত এদীপ লুনা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রেফারী টাইগার নজরুল ইসলাম।

সাধারন সভায় সর্বসন্মতিক্রমে আগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বেরের মধ্যে নতুন কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। ওই কমিটি গঠন ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির আহ্বায়ক হচ্ছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) কাজি নুসরাত এদিব লুনা। সদস্য হচ্ছেনঃ টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট আলী ইমান তপন,।

পরে মধ্যন্ন ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২১ ১১:৫৬:পিএম ৫ বছর আগে
এক পলকে দেখে নিন বিশ্বকাপের সময়-সূচি - Ekotar Kantho

এক পলকে দেখে নিন বিশ্বকাপের সময়-সূচি

একতার কণ্ঠঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে অক্টোবরে। ভারতে করোনাভাইরাস বেশি সংক্রমিত হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ হবে আরব আমিরাতে। তবে আয়োজক সেই ভারতই থাকছে।

বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। শুরুতেই হবে বাছাই পর্বের দুই গ্রুপের খেলা।

প্রথম রাউন্ড ‘বি’ গ্রুপের খেলা ১৭ অক্টোবর আর এ গ্রুপের খেলা শুরু হবে ১৮ অক্টোবর। প্রথম রাউন্ডের খেলা শেষ হবে ২২ অক্টোবর।

প্রথম রাউন্ডে ‘বি’ গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ, স্কটল্যান্ড, ওমান ও পাপুয়া নিউগিনি। আর প্রথম রাউন্ডে ‘এ’ গ্রুপে খেলবে শ্রীলংকা, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া।

এই দুই গ্রুপের সেরা দুটি করে দল যাবে মূলপর্বে। ২৩ অক্টোবর শুরু হবে ১২ দলের ‘সুপার টুয়েলভ’ রাউন্ড। এই পর্বে সরাসরি খেলবে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দল।

১৪ নভেম্বর দুবাইয়ে সন্ধ্যা ৬টায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ১০ ও ১১ নভেম্বর দুটি সেমিফাইনাল হবে।

সুপার টুয়েলভ গ্রুপ ওয়ানে আছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের সঙ্গে যোগ দেবে প্রথম রাউন্ডে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ দল।

আর সুপার টুয়েলভ গ্রুপ দুইয়ে ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানের সঙ্গে থাকবে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ দল।

বাছাই পর্ব সূচি

১৭ অক্টোবর : ওমান-পাপুয়া নিউগিনি (বিকাল ৪টা), ভেন্যু : আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ওমান
বাংলাদেশ-স্কটল্যান্ড (রাত ৮টা), ভেন্যু : আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ওমান
১৮ অক্টোবর: আয়ারল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
শ্রীলংকা-নামিবিয়া (রাত ৮টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
১৯ অক্টোবর: স্কটল্যান্ড-পাপুয়া নিউগিনি (বিকাল ৪টা), ভেন্যু : আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ওমান
ওমান-বাংলাদেশ (রাত ৮টা), ভেন্যু : আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ওমান
২০ অক্টোবর: নামিবিয়া-নেদারল্যান্ডস (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
শ্রীলংকা-আয়ারল্যান্ড (রাত ৮টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
২১ অক্টোবর: বাংলাদেশ-পাপুয়া নিউগিনি (বিকাল ৪টা), ভেন্যু : আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ওমান
ওমান-স্কটল্যান্ড (রাত ৮টা), ভেন্যু : আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ওমান
২২ অক্টোবর: নামিবিয়া-আয়ারল্যান্ড (বিকাল ৪টা), ভেন্যু : শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
শ্রীলংকা-নেদারল্যান্ডস (রাত ৮টা), ভেন্যু : শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ

সুপার-১২ সূচি

২৩ অক্টোবর: অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
২৪ অক্টোবর: এ-১ ও বি-২ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
ভারত-পাকিস্তান (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই

২৫ অক্টোবর: আফগানিস্তান-বি-১ (রাত ৮টা) ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
২৬ অক্টোবর: দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড (রাত ৮টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
২৭ অক্টোবর: ইংল্যান্ড-বি-২ (বিকাল ৪টা ), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
বি-১ ও এ-২ (রাত ৮টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
২৮ অক্টোবর: অস্ট্রেলিয়া-এ-১ (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
২৯ অক্টোবর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বি-২ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
আফগানিস্তান-পাকিস্তান (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
৩০ অক্টোবর: দক্ষিণ আফ্রিকা-এ-১ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড (রাত-৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
৩১ অক্টোবর: আফগানিস্তান-এ-২ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
ভারত-নিউজিল্যান্ড (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
১ নভেম্বর: ইংল্যান্ড-এ-১ (রাত ৮টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
২ নভেম্বর: দক্ষিণ আফ্রিকা-বি-২ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
পাকিস্তান-এ-২ (রাত ৮টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
৩ নভেম্বর: নিউজিল্যান্ড-বি-১ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
ভারত- আফগানিস্তান (রাত ৮টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
৪ নভেম্বর: অস্ট্রেলিয়া-বি-২ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
ওয়েস্ট ইন্ডিজ-এ-১ (রাত ৮টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
৫ নভেম্বর: নিউজিল্যান্ড-এ-২ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
ভারত-বি-১ (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
৬ নভেম্বর: অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা (রাত ৮টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
৭ নভেম্বর: নিউজিল্যান্ড-আফগানিস্তান (বিকাল ৪টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
পাকিস্তান-বি-১ (রাত ৮টা), ভেন্যু: শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ
৮ নভেম্বর: ভারত-এ-২ (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
১০ নভেম্বর: প্রথম সেমিফাইনাল (রাত ৮টা), ভেন্যু: শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আবুধাবি
১১ নভেম্বর: দ্বিতীয় সেমিফাইনাল (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই
১৪ নভেম্বর: ফাইনাল (রাত ৮টা), ভেন্যু: দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অগাস্ট ২০২১ ০৮:০১:এএম ৫ বছর আগে
জার্সি বিক্রি করেই মেসির ৪০ বছরের বেতনের সমান আয়! - Ekotar Kantho

জার্সি বিক্রি করেই মেসির ৪০ বছরের বেতনের সমান আয়!

একতার কণ্ঠঃ স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে লিগ ওয়ানের ক্লাব পিএসজিতে যোগ দিয়েছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। পিএসজিতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেসি হয়ে গেলেন ক্লাবটির সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া খেলোয়াড়।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা বেশ কিছু ফরাসি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলছে, পিএসজি থেকে বার্ষিক ৪০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০০ কোটি) করে পাবেন আর্জেন্টাইন এ অধিনায়ক। এছাড়া সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, পিএসজি থেকে কোনোপ্রকার বোনাস নেবেন না সাবেক এ বার্সা লিজেন্ড।

বার্ষিক ৪০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের মাধ্যমে মেসি প্যারিসের ক্লাবটির সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাছাড়া ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে লিগ ওয়ানের সর্বোচ্চ বেতন এখন মেসির। একই ক্লাবের ফুটবলার নেইমারের বার্ষিক ৩৬.৮ এবং এমবাপ্পের ২৫ মিলিয়ন ইউরো উপার্জনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন এ ফরোয়ার্ড।

তবে মজার ব্যাপার হলো, আর্জেন্টাইন এ তারকাকে দলে ভেড়ানোর পর তার ৩০ নম্বর জার্সি বিক্রি করেই পিএসজি ও নাইকির যৌথ আয় আসবে ১ হাজার ৫৮০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় ১৫ হাজার ৭২৪ কোটি টাকারও বেশি)। যা বর্তমান সময়ের হিসেবে পিএসজিতে মেসির প্রায় ৪০ বছরের আয়!

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) আর্জেন্টিনার বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ভেরোনিকা ব্রুনাতি তার টুইটার একাউন্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।

ওই টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “মেসির প্রতিটি পিএসজি জার্সির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮ ইউরো। আর ‘নাইকি’ অনুমান করেছে যে, তারা এই মৌসুমে ১০ মিলিয়ন ‘মেসির পিএসজি জার্সি’ বিক্রি করবে! অংকটা এবার করুন… এটা মেসির চুক্তির থেকেও অনেক বেশি। ”

এর আগে আর্জেন্টাইন এ তারকাকে দলে ভেড়ানোর পর নিজেদের অফিসিয়াল অনলাইন স্টোরে তার ৩০ নম্বর জার্সি বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে ফরাসি জায়ান্টরা। ৯২ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১০,৭৩৫ টাকা) চড়া মূল্যেও রেকর্ড পরিমাণ সময়ে মাত্র ২০ মিনিটের মাথায় জার্সিটির স্টক ফুরিয়ে যায়। অথচ মেসির জার্সির দাম ছিল নেইমার-এমবাপ্পে-রামোসদের চেয়ে দেড় গুণ বেশি! তবে এর দাম দোকানভেদে এখন আরও বেশি রাখা হচ্ছে।

সংবাদ সূত্র-বাংলা নিউজ ২৪.কম

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অগাস্ট ২০২১ ০১:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
বার্সেলোনা ছাড়ায় ৩টি রেকর্ড ভাঙা হলো না মেসির - Ekotar Kantho

বার্সেলোনা ছাড়ায় ৩টি রেকর্ড ভাঙা হলো না মেসির

একতার কণ্ঠঃ মেসি এখন থেকে খেলবেন ৩০ নম্বর জার্সিতে। প্রিয় ১০ নম্বর জার্সি ফেলে এসেছেন প্রিয় দল বার্সেলোনায়। নতুন দল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।

দীর্ঘদিনের দলের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করার যন্ত্রণা মেসিকে পোড়াচ্ছে। তবে এ নিয়ে বিমোহিত যে, বন্ধু নেইমারের সঙ্গে আবারও জুটি বাঁধবেন। পিএসজি সমর্থকরা মেসি-নেইমার যুগলবন্দির নৈপুণ্য দেখার অপেক্ষায়। ফ্রান্সের রাজধানীতে উন্মাদনা বয়ে যাচ্ছে। এমন উৎসাহ-উদ্দীপনার মাঝেই আলোচনায় এসেছে বার্সায় কী কী ফেলে এলেন লিওনেল মেসি। চলতি মৌসুমে বার্সায় থাকলে মেসি আরও কয়টি রেকর্ড জমা করতে পারতেন নিজের ঝুলিতে?

সে হিসাব করতে গেলে তিনটি রেকর্ড চলে আসছে চোখের সামনে, যা অধরা রয়েই গেছে মেসির।

১. পিএসজিতে চলে আসায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলা তারকা রায়ান গিগসের একটি রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েও সেটিকে ভাঙা হলো না মেসির।

ম্যানইউর হয়ে রায়ান গিগস জিতেছেন ৩৬ ট্রফি। মেসি জিতেছেন ৩৫টি। পিএসজিতে মেসি যোগ দেওয়ার পর নির্দিষ্ট একটি ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি ট্রফি জয়ের রেকর্ড গিগসের নামেই রয়ে গেল। মেসি থেকে গেলেন দ্বিতীয় স্থানে।

২. মাত্র দুটি ম্যাচের জন্য বার্সার হয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের একটি রেকর্ড গড়া হলো না মেসির। ১৫১টি ম্যাচ খেলে বার্সার হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড জাভির। যেখানে মেসি খেলেছেন ১৪৯টি। ১৩০ ম্যাচ খেলে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা আছেন তিনে।

৩. লা লিগা শিরোপা ছোঁয়ার রেকর্ডেও পিছিয়ে মেসি। লা লিগায় সর্বোচ্চ ১২ ট্রফি জিতেছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক খেলোয়াড় পাবো জেন্তো। ১০টি শিরোপা জিতে মেসির অবস্থান দ্বিতীয়।

সংবাদ সূত্র- যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অগাস্ট ২০২১ ০৭:৩৯:পিএম ৫ বছর আগে
প্রথম জয়ের মধুর স্বাদ পেল বাংলাদেশ - Ekotar Kantho

প্রথম জয়ের মধুর স্বাদ পেল বাংলাদেশ

 একতার কণ্ঠঃ  অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অবশেষে জয় পেল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এই প্রথম অসিদের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা।

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। এই জয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল টাইগাররা।

মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান করে বাংলাদেশ।

সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে নাসুম আহমেদের স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ১০৮ রানে অলআউট হয় অসিরা।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৩২ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলে উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মেহেদী হাসানের স্পিন বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার অ্যালেক্স কেরি।

দলীয় ১০ রানে স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন অন্য ওপেনার জশ পিলিপি। মেহেদির মতো সাকিব আল হাসানও প্রথম বলে সাফল্য পান। এ বাঁ-হাতি স্পিনারের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ময়েস হেনরিক্স।

২.১ ওভার তথা ১৩ বলে দলীয় ১১ রানে ৩ উইকেট পতনের পর অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন মিসেল মার্শ।

চতুর্থ উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়ে নাসুম আহমেদের দ্বিতীয় শিকার হন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ওয়েড। তিনি ২৩ বলে মাত্র ১৩ রান করে ফেরেন।

মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

৩.৩ ওভারে দলীয় ১৫ রানে জশ হ্যাজলউডের গতির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সৌম্য। ৯ বলে মাত্র ২ রান করে ফেরেন এ ওপেনার।

দলকে খেলায় ফেরানোর আগেই বিপদে পড়েন অন্য ওপেনার নাঈমও। দলীয় ৩৭ রানে ২৯ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় ৩০ রান করে অ্যাডাম জাম্পার স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ফেরেন টাইগার এ ওপেনার।

জশ হ্যাজলউডের করা আগের বলেটি ডিপ ব্যাকওয়ার্ স্কয়ারের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকান বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ঠিক পরের বলে লং অপের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে হেনরিকসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন রিয়াদ। ১২.২ ওভারে দলীয় ৭৩ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক (২০)।
ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ বলে ৩ রান করা নুরুল হাসান সোহান ফেরেন ৪ বলে ৩ রান করে।

১৬.৬ ওভারে দলীয় ১০৪ রানে হ্যাজলউডের তৃতীয় শিকারে পরিনত হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাকিব আল হাসান। তার আগে ৩৩ বলে তিন চারে ৩৬ রান করেন সাবেক এ অধিনায়ক।

সাকিব আউট হওয়ার পর ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেননি শামিম হোসেন। ৩ বলে ৪ রান করে মিসেল স্টার্কের বলে বোল্ড হন তিনি।

ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন আফিফ হোসেন। তার আগে ১৭ বলে তিন বাউন্ডারিতে করেন ২৩ রান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২১ ০৩:৫৫:এএম ৫ বছর আগে
শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার - Ekotar Kantho

শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার

একতার কণ্ঠ: খেলা শেষ! লাখো কোটি চোখ খুঁজে ফিরছে লিওনেল মেসিকে। বছরের পর বছর ধরে এই একটি দৃশ্যের জন্য অপেক্ষা করেছিল তারা। লিওনেল মেসির একটি আন্তর্জাতিক ফাইনাল জয়। মেসির হাতে আন্তর্জাতিক শিরোপা-সম্ভবত ২১ শতকে সম্মিলিতভাবে দেখা সবচেয়ে বড় স্বপ্নগুলোর একটি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের অনেক সমর্থকও এবার মেসির হাতে একটা শিরোপা দেখতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে! মেসি এখন কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন। মারাকানার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে তাঁর দল আর্জেন্টিনা।

সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও চারবার ফাইনালে উঠলেও প্রতিবারই ফিরতে হয়েছে ব্যর্থ হয়ে। তবে এবার আর হতাশ হতে হয়নি আলেবিসেলেস্তাদের। ব্রাজিল থেকে শিরোপা হাতে নিয়েই ফিরবে তারা।

মারাকানায় ম্যাচ শুরুর আগে করোনা মহামারিতে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক। উভয় পক্ষই চেষ্টা করে প্রেসিংয়ে গিয়ে প্রতিপক্ষের পরিকল্পনার নষ্ট করতে। প্রথম দিকে বল দখলে ব্রাজিলের চেয়ে কিছুটা এগিয়েই ছিল আর্জেন্টিনা। তবে তাতে ব্রাজিলকে তেমন বিপদে পড়তে হয়নি। দ্রুতই লড়াইটা সমান সমান করে নেয় ব্রাজিলও। ম্যাচের প্রথম সুযোগটা পায় ব্রাজিলই। কাছাকাছি গিয়েও শটটা ঠিকঠাক নিতে পারেননি নেইমার। এ সময় বেশ কিছু হাফ চান্স তৈরি করেও গোল করতে পারেনি ব্রাজিল।

তবে ২২ মিনিটে ভুল করেননি আনহেল দি মারিয়া। প্রতি আক্রমণে দি পল লম্বা করে বল বাড়ান ডি মারিয়াকে লক্ষ্য করে। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রেনান লোদির ভুলে দি মারিয়া ঠিকই বল পেয়ে যান। এগিয়ে আসা গোলরক্ষক এদেরসন মাথার ওপর দিয়ে দারুণভাবে লব করে লক্ষ্যভেদ করেন এই পিএসজি তারকা। ২৯ মিনিটে আবারও গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যান মারিয়া। তবে এবার ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারদের ফাঁদ এড়াতে পারেননি তিনি।

৩৪ মিনিটে নেইমারকে বিপজ্জনক জায়গায় ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন লেয়ান্দ্রো পেরেদেস। তবে ফ্রি কিক থেকে সুবিধা আদায় করতে ব্যর্থ হন নেইমার। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও আর্জেন্টিনাকে বিপদে ফেলার মতো তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ব্রাজিল। নেইমারসহ ব্রাজিলের আক্রমণভাগকে ঠিকই বোতলবন্দী করে রাখতে সক্ষম হয় আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডাররা।

বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়াতে রবার্তো ফিরমিনোকে মাঠে নামান তিতে। আক্রমণ–প্রতি আক্রমণে জমে উঠে লড়াই। তবে সমতা ফেরাতে উন্মুখ ব্রাজিল পর পর কয়েকটি আক্রমণে কোণঠাসা করে ফেলে আর্জেন্টিনাকে। ৫৪ মিনিটে রিচার্লিসন বল জালে জড়ালেও অফ সাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। একটু পর আবারও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে পরীক্ষায় ফেলেন রিচার্লিসন।

৬৪ মিনিটে বিপজ্জনকভাবে ব্রাজিল ডি–বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন মেসি। তবে তাকে ঠেকিয়ে দেয় ব্রাজিল ডিফেন্ডাররা। দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে। এ সুযোগে ব্রাজিল চেষ্টা করে আক্রমণে গিয়ে সুযোগ তৈরির। কয়েকবার কাছাকাছিও গিয়েছিল তারা। শেষ দিকে গ্যাব্রিয়েল বারবোসার শট ফিরিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ৮৮ মিনিটে গোল পেতে পারতেন মেসিও। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় নেইমারদের।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুলাই ২০২১ ১১:৩০:পিএম ৫ বছর আগে
বঙ্গমাতা ফুটবলে ঢাকা বিভাগে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা দল চ্যাম্পিয়ন - Ekotar Kantho

বঙ্গমাতা ফুটবলে ঢাকা বিভাগে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা দল চ্যাম্পিয়ন

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্র্রমিলা ফুটবল দল ২-১ গোলে কিশোরগঞ্জ জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রোববার (২৭ জুন) বিকালে ঢাকা পল্টন মাঠে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আয়োজনে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

খেলার শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা দলের  রিতু আক্তার প্রথমে গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। কিশোরগঞ্জ জেলা দল খেলায় পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধের জন্য পাল্টা আক্রমন করে খেলে কিশোরগঞ্জ দলের সালমা আক্তার গোল করে (১-১) খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনে। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে টাঙ্গাইল জেলা দলের সুরমা খাতুন গোল করে দলকে (২-১) এগিয়ে নেয়। এরপর কিশোরগঞ্জ জেলা ফুটবল দল পাল্টা আক্রমন করে খেলেও কোন গোল করতে পারেনি।  খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল ২-১ গোলে জয় লাভ করে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওযা গৌরব অর্জন করে ।

এছাড়া একই দিন সকাল ১০টায় সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দল ফরিদপুর জেলা  দলকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের হয়ে যারা খেলছে তারা হলোঃ সাদিয়া আক্তার( অধিনায়ক), রিতু আক্তার, সেলিনা আক্তার, রুপা আক্তার, ইতি আক্তার, সুরমা আক্তার, দৃষ্টি আক্তার, লিজা খাতুন, মরিয়ম বিনতে হান্না, শায়লা শবনম তন্নী(গোল কিপার) আশা আক্তার, আলমিনা আক্তার ও ইউসা হালিম।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কামরুন নাহার খান মুন্নী ও ম্যনেজার হিসেবে আছেন জাহিদ তারেক খান জুয়েল।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুন ২০২১ ০৪:১০:এএম ৫ বছর আগে
বঙ্গমাতা ফুটবল প্রতিযোগিতায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা দল সেমিফাইনালে - Ekotar Kantho

বঙ্গমাতা ফুটবল প্রতিযোগিতায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা দল সেমিফাইনালে

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দল সেমিফাইনালে উঠেছে।শনিবার (২৬ জুন) দুপুরে ঢাকার “পল্টন মাঠে” অনুষ্ঠিত “খ” গ্রুপের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা কোয়ার্টার ফাইনালে শরিয়তপুর জেলা দলকে ৯-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারায়।

খেলায় টাঙ্গাইলে স্টাইকার রিতু আক্তার হ্যাটট্রিক করে। এছাড়া দলীয় অধিনায়ক সাদিয়া আক্তার ২টি, সেলিনা আক্তার ২টি ও রুপা আক্তার ১টি করে গোল করে।

অপরদিকে, বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবলের বালক বিভাগের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে টাইব্রেকারে শরিয়তপুর জেলা (অনুর্ধ্ব-১৭) বালক দলের কাছে ৫-৪ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে খেলায় ১-১ গোলে ড্র হলে খেলা টাইব্রেকারের গড়ায়।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের হয়ে যারা খেলছে তারা হলোঃ সাদিয়া আক্তার( অধিনায়ক), রিতু আক্তার, সেলিনা আক্তার, রুপা আক্তার, ইতি আক্তার, সুরমা আক্তার, দৃষ্টি আক্তার, লিজা খাতুন, মরিয়ম বিনতে হান্না, শায়লা শবনম তন্নী(গোল কিপার) আশা আক্তার, আলমিনা আক্তার ও ইউসা হালিম।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কামরুন নাহার খান মুন্নী ও ম্যনেজার হিসেবে আছেন জাহিদ তারেক খান জুয়েল।

রবিবার (২৭ জুন) সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল ফরিদপুর জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ দলের মোকাবেলা করবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২১ ০২:৪৭:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।