একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শহীদ শেখ কামালের ম্যুরালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে টাঙ্গাইলে।
শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামের সামনে এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, জেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিম্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন প্রমূখ।
এর আগে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একই স্থানে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনকে সাথে নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। এরপরই পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগসহ দলটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
উল্লেখ্য,টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থা উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে শেখ কামালের ম্যুরালটি নির্মিত হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ সম্প্রতি মেয়ের বাবা হয়েছেন বাংলাদেশ দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। ২৯ এপ্রিল নিজের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে মেয়ের বাবা হওয়ার খবরটি তাসকিন নিজেই জানিয়েছেন।
তিনি লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমত ও আপনারদের সবার দোয়ায় আমি সুন্দর কন্যা সন্তানের বাবা হলাম।
শনিবার এক টেলিভিশন প্রোগ্রামে প্রথমবারের মতো মেয়ের নাম প্রকাশ করেন তাসকিন। মেয়ের নাম ফাতেমা আহমেদ তাইবা। তাসকিন জানান, সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু এবং স্ত্রী নাঈমা দুজনই সুস্থ আছেন।
এর আগে ২০১৮ সালে প্রথম পুত্র সন্তানের বাবা হন তাসকিন। ছেলের নাম রাখেন তাসফিন আহমেদ।
একতার কণ্ঠঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, বাংলাদেশে এমন কোনো মানুষ নেই যে চাপে নেই। দেশের সবাই চাপে আছে। সরকারি দলের চাপ আছে বিরোধী দলের কাছে, আবার বিরোধী দলের চাপ আছে সরকারি দলের কাছে। আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না। প্রতিবাদ করি দেশের জন্য, ব্যক্তি স্বার্থে না।মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ‘ডুবাইল ক্রিকেট লীগ’ ম্যাচ চলাকালীন তিনি এসব কথা বলেন।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে সোনার বাংলার কথা বলা হয়, সেই সোনার বাংলার জন্য একজন সোনার মানুষ হতে চাই। তরুণদের বলতে চাই, সোনার মানুষ ছাড়া কোনো দিন সোনার বাংলা বানানো সম্ভব না। দলেও যদি সোনার মানুষ না থাকে তাহলে দলটিও ভালো চলবে না।তিনি আরও বলেন, এলাকায় একটি মাঠ না থাকলে এলাকাটি বেশি দিন বাঁচতে পারে না। তরুণ সমাজ মাদকে আসক্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে এলাকায় খেলাধুলার মাঠ না থাকা। মাঠের মধ্যে বাণিজ্য মেলা, গরু-ছাগলের হাট-বাজার বসানো হচ্ছে। এতে তরুণরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং মাদকে আসক্ত হচ্ছে।ব্যারিস্টার সুমন বলেন, মনের মধ্যে যদি থাকে আপনি কবে এমপি হবেন, মন্ত্রী হবেন, এই মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে সোনার বাংলা বানানো সম্ভব না। সোনার বাংলা গড়তে হলে বাংলাদেশকে মনের মধ্যে ধারণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান মারুফ, ডুবাইল জাগরণী সমাজ কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি মোন্তাজ আলী, ব্যবসায়ী মো. ফয়সাল, ব্যারিস্টার মনির হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এক প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(২৮ মার্চ) দুপুরে কালিহাতী আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ওই প্রীতি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহন করে কালিহাতী থানা দল ও কালিহাতী প্রেস ক্লাব দল।
আরো পড়ুনঃ সংসদে ‘গণমাধ্যম কর্মী (চাকরির শর্তাবলি) বিল-২০২২’ উত্থাপন
খেলায় টসে জিতে কালিহাতী থানা দল ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। কালিহাতী থানা খেলায় নির্ধারিত ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান তুলতে সমর্থ হয়।
জবাবে কালিহাতী প্রেস ক্লাব ১১৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রান করে। ফলে ম্যাচে কালিহাতী থানা দল ২৯ রানে জয় লাভ করে।
খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান। খেলা শেষে ম্যান অব দি ম্যাচ এর হাতে ট্রফি তুলে দেন কালিহাতী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন।
বিজয়ী কালিহাতী থানা পুলিশ দলকে জয়ের ট্রফি তুলে দেন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকা ও বিজয় টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জ্বল।
এ ছাড়া টুর্নামেন্টে রানার-আপ কালিহাতী প্রেসক্লাবকে ট্রফি তুলে দেন দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ইমরুল হাসান বাবু
উল্লেখ্য, মাঠে শত-শত ক্রিকেট প্রেমী উপস্থিত থেকে খেলাটি উপভোগ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসের গলফ ক্লাবে তিনদিন ব্যাপী হ্যাবিট বৈশাখী কাপ গলফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। টুর্নামেন্টটিতে শতাধিক গলফার অংশ নিয়েছেন।
আরো পড়ুনঃ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের:কৃষিমন্ত্রী
শনিবার (১৯ মার্চ) সকালে গলফ টুর্নামেন্টটির উদ্বোধন করেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নূর-এ-আলম মোহাম্মদ যোবায়ের সারোয়ার। এ টুর্নামেন্টে শতাধিক গলফার অংশগ্রহণ করেছেন।
এ সময় টুর্নামেন্টের আয়োজক প্রতিষ্ঠান হ্যাবিটের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঘাটাইল শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসের গলফার ছাড়াও ঢাকা, সাভার, ময়মনসিংহ বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসসহ দেশের অন্যান্য গলফ ক্লাবের গলফাররা এ টুর্নামেন্টে অংশ নেন।
গলফ টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতায় প্রথম দিনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন লে.কর্নেল ইমতিয়াজ মাহমুদ। এ সময় গ্রস ট্রফি অর্জন করেছেন কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম। ১৯ পদাতিক ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নূর-এ-আলম মোহাম্মদ যোবায়ের সারোয়ার পুরস্কার বিতরণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সখীপুরে ‘বঙ্গবন্ধু বাসাইল-সখীপুর হাফ ম্যারাথন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে সখীপুর উপজেলার কোকিলাপাবর এলাকায় শহীদ মিনার চত্বর থেকে শুরু হয়ে আমতৈল ঘুরে একই জায়গায় গিয়ে এ ম্যারাথন শেষ হয়। এতে দেশের ৫ শতাধিক রানার অংশগ্রহণ করেন। কাকডাকা ভোরে পাহাড়ি জনপথের পিচঢালা রাস্তায় নারী-পুরুষ রানারদের ম্যারাথন দেখতে সড়কের দু’পাশে মানুষের ঢল নামে।
বাসাইল-সখীপুর রানার্সের উদ্যোগে এ ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। এতে পৃষ্টপোষকতায় ছিলেন ডেসকো বোর্ডের পরিচালক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি ম্যারাথনটির উদ্বোধন করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন করটিয়া সা’দত কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আলীম মাহমুদ, বোয়ালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সাইদ আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদের সহধর্মিনী রুনা লায়লা রুমা প্রমুখ। পরে সেখানে আলোচনা সভা শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
দীর্ঘদিন করোনার কারণে ঘরবন্দি থাকার পর ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি রানাররা। প্রতিবছরই এ ম্যারাথন আয়োজনের দাবি তাদের।

সিলেট থেকে আসা নারী রার্নার নাছরিন বেগম বলেন, ‘আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকি। এছাড়াও দেশের বাইরেও ম্যারাথনে অংশ গ্রহণ করেছি। এসব প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে আমি একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছি। সখীপুরের ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত।’
ঢাকা থেকে আসা মাফিয়া ইসলাম উর্মি বলেন, ‘সখীপুরে গজারী বনের ভিতর দিয়ে এমন ম্যারাথনের আয়োজন মনোমুগ্ধকর। গতবছরও এখানে ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। ছোট বেলা থেকেই বাবা-মায়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যারাথনে অংশ গ্রহণ করে আসছি। প্রথম হয়ে পুরষ্কারও পেয়েছি একাধিকবার। সখীপুরের পরিবেশটা অনেক সুন্দর। তাই প্রতিবছর এখানে ম্যারাথন আয়োজন করার দাবি জানাচ্ছি।
ম্যারাথনের পৃষ্টপোষক ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিনটিকে উৎসবমূখর করার জন্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এ দিন ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগেও ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত, দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন মুক্ত এবং বাল্যবিয়ে মুক্ত করার লক্ষে এমন আয়োজন। সকলের সহযোগিতা পেলে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ সম্প্রতি টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাঁয়ে ফুটবল নিয়ে অনুশীলনে ব্যস্ত এক ঝাঁক প্রবীণ ফুটবলার। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে প্রায় ৩০ জন সাবেক ফুটবলার। তারা ঘাম ঝরাচ্ছেন, হাক-ডাক করছেন, এ যেন রীতিমতো বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ গ্রহনের প্রস্ততি নেওয়ার মতো অবস্থা।সকালে হাটতে ও ব্যায়াম করেতে আসা লোকজন রীতিমতো অবাক। বিষয়টি কি? এতো প্রবল উত্তেজনা নিয়ে রীতিমতো কিশোরদের মতো ফুটবল অনুশীলন করছেন কেন তারা ? প্রতিটি দলের রয়েছে ম্যানেজার ও কোচ। টাঙ্গাইলের প্রবীণ ফুটবলারগণ রীতিমতো ফুটবল জ্বরে কাপঁছেন।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার(১৫ই মার্চ) সন্ধায় শুরু হচ্ছে শেখ কামাল ফ্লাড লাইট মিনি ফুটবল টুর্ণামেন্ট। ১৬ টি দলের অংশ গ্রহনে এই টুর্ণমেন্টির আয়োজক মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে টি-নিউজ বিডি ডটকম ও টিসি ভিশন। চল্লিশ উর্দ্ধ সাবেক ফুটবলাদের জন্য এই টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হলেও অনেকে ফুটবলার না হয়েও শখের বসে দলে নাম লিখিয়েছেন। প্রতিটি দলে পাঁচ জন করে ফুটবলার অংশগ্রহন করেতে পারবে। মিনি গোল বারে খেলা হবে। মাঠের পরিধিও কমিয়ে আনা হয়েছে।মাঠের মাপ হচ্ছে লম্বায় ৯০ ফুট ও প্রস্থে ৫৫ ফুট। প্রতিদিন ৪টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ৪০ মিনিটিরে এই খেলায় মাঝে ১০ মিনিটের বিরতি রয়েছে। উদ্ধোধনী ম্যাচে অংশ গ্রহন করবে সু-প্রভাত ক্লাব ও সৈয়দ জালাল আলী সমিতি।
অংশগ্রহনকারী ১৬ টি দল হচ্ছেঃ “ক” গ্রুপঃ- সু-প্রভাত ক্লাব, সৈয়দ জালাল আলী সমিতি, আমরা সু-প্রভাত, দেহগড়ি শরীর চর্চ্চা ক্লাব।
“খ” গ্রুপে আছে, রংধনু রাইডারর্স, সোনালী অতীত ভুঞাপুর উপজেলা, ফাইভ স্টার সু-প্রভাত, সোনালী সকাল ক্রীড়া সংঘ।“গ” গ্রুপে আছে, শুভ সকাল, নূরা পাগলা, টাঙ্গাইল ব্যাডমিন্টন ক্লাব, শতায়ু ক্লাব।
এ ছাড়া “ঘ” গ্রুপে আছে, বাসাইল সোনালী অতীত ক্লাব, ফাষ্ট ডিভিশন সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড, কে এস পি ক্লাব ও আরামবাগ ক্লাব।
এ প্রসঙ্গে শুভ সকাল ক্লাবের আব্দুর রৌফ(৬২), শতায়ু ক্লাবের আব্দুর রহমান, সু-প্রভাত ক্লাবের জাহিদ তারেক খান জুয়েল(৫৫),সোনালী সকাল ক্লাবের গোলাম ফারুক(৫৫), টাঙ্গাইল ব্যাডমিন্টন ক্লাবের মো. মোতালেব খান(৪৮) বলেন, চল্লিশ উর্দ্ধ সাবেক ফুটবলাদের জন্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট প্রবীণ সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন তাদের জন্য এটা অতিরিক্ত পাওয়া ।আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ, আমাদের এই ধরনের টূর্ণামেন্টে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আশা করি, প্রতি বছর এই টুর্ণামেন্ট আয়োজন করা হবে।
টুর্ণামেন্ট আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব শাহ্ আজিজ তালুকদার বাপ্পী জানান, শিশু-কিশোর ও যুবকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফুটবল লীগ ও টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রবীণদের জন্য এই ধরনের টুর্ণামেন্ট এর আয়োজন সাধারনত করা হয় না। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতি বছর এই ধরনের টুর্ণামেন্টের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টের চেয়ারম্যান ওবায়েদ নিজাম। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর হাসান টিটু, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গ্রান্ডস কমিটির ম্যানেজার আব্দুল বাতেন ও সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাইফুল ইসলাম।
এর আগে শুক্রবার( ৪ মার্চ) সকালে হেলিকপ্টার যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অবতরন করলে টাঙ্গাইল ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক মাতিনুজ্জামান সুখন ও ইফতেখারুল অনুপম ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।
ওবায়েদ নিজাম টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম পরিদর্শন কালে বলেন, তিনি মাঠ ও মাঠের সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্ট, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে আয়োজন বড় বাঁধা টাঙ্গাইল শহরে ভালো মানের একটা পাঁচতারা হোটেল নেই। তারপরও তিনি আশাবাদী টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের।
তিনি আরো বলেন, দ্রুততম সময়ে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামকে আর্ন্তজাতিক মানের স্টেডিয়ায় করার জন্য যা দরকার তা পূরণ করা হবে। তিনি টাঙ্গাইল ক্রিকেট দলের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে সফলতার জন্য অভিনন্দন জানান।
একতার কণ্ঠঃ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু হওয়ার আগের আলোচনাটা ছিল একেবারেই স্পিন–কেন্দ্রিক। আফগানদের তিন স্পিনার নিয়েই ছিল বাংলাদেশ দলের যত পরিকল্পনা সিরিজের আগে দুই দিনের অনুশীলনে স্পিনারদের বিপক্ষেই বেশি ব্যাটিং করে সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানরা।
কিন্তু বুধবার (২৩ ফেব্রয়ারি) জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ হলো ঠিক উল্টোটা। আফগান–স্পিন ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই বাংলাদেশ দলের ওপরের সারির ছয় ব্যাটসম্যান আউট! ২৮ রান তুলতেই প্রথম ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। সেটি ৪৫ রানে ৬ উইকেট হতে বেশি সময় লাগেনি। আফগানদের ছুঁড়ে দেওয়া ২১৬ রানের লক্ষ্যটা তখন অসম্ভবই মনে হচ্ছিল।
ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে উঠে দাঁড়ানোর অনেক গল্প আছে। আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের গল্পটাও ঠিক তেমনই। ওপরের সারির ছন্দে থাকা ব্যাটসম্যানরা যখন ড্রেসিংরুমে, তখন সপ্তম উইকেট জুটিতে আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ ঘুরে দাঁড়ালেন। সেটিও কী দারুণভাবে! ব্যাটিংয়ের কর্তৃত্ব, শৈল্পিক দিক, চোখের আনন্দ—সবই ছিল দুজনের জুটিতে।
কিন্তু ম্যাচের অবস্থা আফিফ-মিরাজদের ব্যাটিং দক্ষতার বাইরেও চাপের মুখে পারফর্ম করার পরীক্ষা নিচ্ছিল। মুজিব-রশিদদের কতক্ষণ সামলে খেলতে পারেন দুজন? ধরে খেলতে গিয়ে রান রেট যদি বেড়ে যায়? পাল্টা আক্রমণে আবার আউটের ঝুঁকিও থাকে। দুজনের মধ্যে একজন আউট হলেই বাংলাদেশ দলের নড়বড়ে লোয়ার অর্ডারের দুয়ার খুলে যাবে। ঝুঁকির অলিগলি পেরিয়ে কীভাবে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় এসব ভাবনার ঝড় নিশ্চয়ই ছিল দুজনের মস্তিস্কে বয়ে যাচ্ছিল।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
তবে সেটি মাঠে করে দেখানো চাট্টিখানি কথা না। তখনো প্রতিপক্ষের তিন মূল বোলারের ৩০ ওভার শেষ হওয়া বাকি। ম্যাচের এমন অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পক্ষে বাজি ধরার পক্ষে আশাবাদী লোক সহজে খুঁজে পাওয়ার কথা না। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বশেষ সিরিজে আফিফ ছোট ছোট ইনিংসে দেখিয়েছিলেন তাঁর সামর্থ্যের ঝিলিক। কিন্তু এর আগে ৮ ওয়ানডে খেলে আফিফের ছিল না কোনো ওয়ানডে অর্ধশতক। মিরাজের সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংসটি এসেছিল ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

৭ রানের জন্য সেঞ্চুরি না করেই অজেয় আফিফ
আজ সেই আফিফই হয়ে উঠলেন ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটসম্যান। উইকেটের চারপাশে রান করে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরালেন ম্যাচের ভাগ্য। আক্রমণের সঙ্গে রক্ষণের দুর্দান্ত মিশেল দেখিয়ে দিলেন নিজের ওয়ানডে সামর্থ্য। মিরাজ ছিলেন তাঁরই আদর্শ সঙ্গী। পয়েন্ট ফিল্ডারের ঘুম হারাম করে কাট শটের নানা পদ দেখিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। পুল শটেও খুঁজে পেয়েছেন বাউন্ডারি।

আফিফের সঙ্গে ১৭৪ রানের জুটি গড়লেন মিরাজ
দুজনের এক-দুই রান নেওয়ার ক্ষেত্রে বোঝাপড়া ছিল এক কথায় দুর্দান্ত। কদিন আগেই চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে বিপিএলে খেলেছেন দুজন। কে জানে, বোঝাপড়াটা হয়তো সেখান থেকেই শুরু! সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ড ১৭৪ রানের অপরাজিত জুটি সেটারই প্রমান। তাতে বাংলাদেশ দলও সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে।
সংবাদ সূত্র-প্রথম-আলো
একতার কণ্ঠঃ ইয়াং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৬ জোনাল ক্রিকেটে সেন্টাল জোনের প্রথম সেমিফাইনালে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে টুর্ণামেন্টের ফাইনালে উঠেছে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দল।
বৃহস্পতিবার(১৭ ফেব্রয়ারি) গোপালগঞ্জ শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৫০ ওভারের এই খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দলের স্পিনারদের কাছে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের কোন ব্যাটসম্যান দাঁড়াতেই পারেনি। শুধুমাত্র মুন্সিগঞ্জ দলের ওপেনার শাহিনুল ইসলাম ৫৫ বলে ৩১ রান করতে সমর্থ হয়। টাঙ্গাইলের স্পিন দাপটে মাত্র ৩৩ ওভারে ১০৭ রানে থেমে যায় মুন্সিগঞ্জ জেলা দল। খেলায় টাঙ্গালের বাহাতি অফ স্পিনার রাদিল ৫ উইকেট ও খন্দকার তুহিন ৩ উইকেট লাভ করে।
সকালে টসে জিতে মুন্সিগঞ্জ জেলা দল টাঙ্গাইল জেলা দলকে ফিল্ডিং এর আমন্ত্রন জানায় । টাঙ্গাইল জেলা দলের পেসাররা সকালের বাতাসের আর্দ্রতার সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের স্কোর দাড়ায় ১০ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে ৪৮ রান।
এর পর টাঙ্গাইল জেলা দল স্পিন আক্রমন শুরু করে। প্রথম দিকে টাঙ্গাইল দলের স্পিনাররা সাফল্য পাচ্ছিল না। ফলে ২৩ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের রান গিয়ে দাড়ায় ৭৯।
এর পর টাঙ্গাইল জেলা দলের তুরুপের তাস দুই স্পিনার রাদিল ও খন্দকার তুহিন ঝলসে উঠে। রাদিল ৯ ওভার বল করে একটি মেডেন সহ মাত্র ১৪ রান দিয়ে ৫টি উইকেট লাভ করে। অপর প্রান্তে আরেক স্পিনার খন্দকার তুহিন মাত্র ৭ ওভার ৫ বল করে চারটি মেডেন সহ ১৩ রান দিয়ে ৩ টি উইকেট শিকার করে। এ পর্যায়ে মুন্সিগঞ্জ মাত্র ৩৩ ওভার খেলে সব কটি উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করতে সক্ষম হয়।
১০৮ রানের জয়ের র্টাগেটে খেলতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা দলের দুই ওপেনার ফাইয়াজ হাসান বাঁধন এবং মেহেদি হাসান ভালোই সামাল দেয় মুন্সিগঞ্জ জেলা দলের পেস বোলিং আক্রমণ।দলের রান যখন ৪৩ তখন ওপেনার বাঁধন রান আউটের শিকার হয়।
এর পর মধ্যাহ্ন বিরতির পর খেলা শুরু হলে টাঙ্গাইল জেলা দল অল্প সময়ের ব্যবধানে আরো দুইটি উইকেট হারায়। টাঙ্গাইল জেলা দলের তৃতীয় উইকেট জুটি রিফাত বেগ ও মুনতাসির রহমানের দৃঢ় ব্যাটিং এর ফলে আর কোন উইকেট না হারিয়েই টাঙ্গাইল জেলা দল জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
রিফাত বেগ ৩৮ বলে ২৪ রান ও মুনতাসির রহমান ২৪ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকে। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল ৭ উইকেটের বিশাল জয় লাভ করে।
খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের বাহাতি অফ স্পিনার রাদিল।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দলের খেলোয়ার গন হচ্ছেনঃ দেবাশিষ সরকার(অধিনায়ক) সামিউল সানমুন(উইকেট রক্ষক) রিফাত বেগ, মেহেদি হাসান, ফাইয়াজ আহমেদ বাঁধন, খন্দকার তুহিন, রাদিল, মুনতাসির রহমান, আবিদ মিঞা, আমির হামজা ও ইমরুল হাসান।
টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন. জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ভ্রমর চন্দ ঘোষ ঝোটন। আর কোচের দায়িত্ব পালন করছেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা দলের ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।
টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে টাঙ্গাইল জেলা দলের খেলা উপভোগ করেন।
প্রকাশ, শুক্রবার(১৮ ফেব্রয়ারি) ময়মনসিংহ জেলা দল ও ফরিদপুর জেলা দলের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দলের সাথে ,আগামী রোববার(২০ফেব্রয়ারি) গোপালগঞ্জ শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা দলের সাথে টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মেগা নিলামের পর্দা নেমেছে। রোববার (১৩ ফেব্রয়ারি) ব্যাঙ্গালুরুতে দুই দিনব্যাপী আইপিএল নিলাম শেষ হয়।
নিলাম থেকে মোট ২০৪ জন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন খেলোয়াড় ডাক পেয়েছেন বিদেশি কোটায়।
এবারের নিলামে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মোট ৫৫১ কোটি ৭০ লাখ রুপি খরচ করেছে। সবচেয়ে বেশি ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ঈশান কিষাণ। ভারতীয় ব্যাটারকে কিনেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ কোটি রুপিতে পেসার দীপক চাহারকে কিনেছে চেন্নাই সুপার কিংস। এছাড়া তৃতীয় সর্বোচ্চ ১২ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে ভারতীয় ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ারকে কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে পাঞ্জাব কিংসে গেছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোন। বিদেশিদের মধ্যে লঙ্কান অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ১০ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে কিনেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এছাড়া একই মূল্যে ক্যারিবীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নিকোলাস পুরানকে কিনেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বিক্রি হওয়া ১০ দলের স্কোয়াড (মূল্য ভারতীয় রুপিতে)।
চেন্নাই সুপার কিংস
আগের ধরে রাখা: মহেন্দ্র সিং ধোনি (১২ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৬ কোটি), মইন আলি (৮ কোটি), রুতুরাজ গায়কোয়াড় (৬ কোটি)।
নিলামে: তুষার দেশপান্ডে (২০ লাখ), আম্বাতি রায়াড়ু (৬ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক চাহার (১৪ কোটি), কেএম আসিফ (২০ লাখ), ডোয়াইন ব্র্যাভো (৪ কোটি ৪০ লাখ), রবীন উথাপ্পা (২ কোটি), কে ভগত বর্মা (২০ লাখ), ক্রিস জর্ডান (৩ কোটি ৬০ লাখ), এন জগদীশান (২০ লাখ), হরি নিশান্ত (২০ লাখ), প্রশান্ত সোলাঙ্কি (১ কোটি ২০ লাখ), মুকেশ চৌধুরী (২০ লাখ), শুভ্রাংশু সেনাপতি (২০ লাখ), অ্যাডাম মিলিন (১ কোটি ৯০ লাখ), মিচেল স্যান্টনার (১ কোটি ৯০ লাখ), ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস (৫০ লাখ), ডেভন কনওয়ে (১ কোটি), সমরজিত সিং (২০ লাখ), রাজবর্ধন হাঙ্গার্গেকার (১ কোটি ৫০ লাখ), মহিশ থিকসানা (৭০ লাখ), শিবাম দুবে (৪ কোটি)।
দিল্লি ক্যাপিটালস
আগের ধরে রাখা: রিশাভ পান্ত (১৬ কোটি), আকসার প্যাটেল (৯ কোটি), পৃথ্বী শ (৭ কোটি ৫০ লাখ), আনরিক নরকিয়া (৬ কোটি ৫০ লাখ)।
নিলামে: শার্দুল ঠাকুর (১০ কোটি ৭৫ লাখ), মিচেল মার্শ (৬ কোটি ৫০ লাখ), মুস্তাফিজুর রহমান (২ কোটি), কেএস ভরত (২ কোটি), ডেভিড ওয়ার্নার (৬ কোটি ২৬ লাখ), কুলদীপ যাদব (২ কোটি), অশ্বিন হেব্বার (২০ লাখ), কমলেশ নাগারকোটি (১ কোটি ১০ লাখ), সরফরাজ খান (২০ লাখ), ভিকি ওস্তওয়াল (২০ লাখ), টিম সেফার্ত (৫০ লাখ), লুঙ্গি এনগিড়ি (৫০ লাখ), প্রবীণ দুবে (৫০ লাখ), রোভম্যান পাওয়েল (২ কোটি ৮০ লাখ), যশ ধুল (৫০ লাখ), রিপল প্যাটেল (২০ লাখ), ললিত যাদব (৬৫ লাখ), চেতন সাকারিয়া (৪ কোটি ২০ লাখ), খলিল আহমেদ (৫ কোটি ২৫ লাখ), মনদীপ সিং (১ কোটি ১০ লাখ)।
গুজরাট টাইটানস
আগের ধরে রাখা: হার্দিক পান্ডিয়া (১৫ কোটি), রশিদ খান (১৫ কোটি), শুবমান গিল (৮ কোটি।
নিলামে: নূর আহমেদ (৩০ লাখ), জেসন রয় (২ কোটি), মোহাম্মদ শামি (৬ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল তেওয়াটিয়া (৯ কোটি), অভিনব সাদারঙ্গানি (২ কোটি ৬০ লাখ), লকি ফার্গুসন (১০ কোটি), আর সাই কিশোর (৩ কোটি), বরুণ অ্যারন (৫০ লাখ), গুরকিরাত সিং (৫০ লাখ), ম্যাথিউ ওয়েড (২ কোটি ৪০ লাখ), ঋদ্ধিমান সাহা (১ কোটি ৯০ লাখ), ডেভিড মিলার (৩ কোটি), প্রদীপ সাঙ্গওয়ান (২০ লাখ), আলজারি জোসেফ (২ কোটি ৪০ লাখ), যশ দয়াল (৩ কোটি ২০ লাখ), দর্শন নালকান্ডে (২০ লাখ), বিজয় শঙ্কর (১ কোটি ৪০ লাখ), জয়ন্ত যাদব (১ কোটি ৭০ লাখ), ডমিনিক ড্রেকস (১ কোটি ১০ লাখ)।
কলকাতা নাইট রাইডার্স
আগের ধরে রাখা: আন্দ্রে রাসেল (১২ কোটি), বরুন চক্রবর্তি (৮ কোটি), ভেঙ্কাটেশ আইয়ার (৮ কোটি), সুনিল নারাইন (৬ কোটি)।
নিলামে: শিবম মাভি (৭ কোটি ২৫ লাখ), শেল্ডন জ্যাকসন (৬০ লাখ), প্যাট কামিন্স (৭ কোটি ২৫ লাখ), শ্রেয়াস আয়ার (১২ কোটি ২৫ লাখ), নীতিশ রানা (৮ কোটি), আমান খান (২০ লাখ), উমেশ যাদব (২ কোটি), মোহম্মাদ নবি (১ কোটি), রমেশ কুমার (২০ লাখ), টিম সাউদি (১ কোটি ৫০ লাখ), অ্যালেক্স হেলস (১ কোটি ৫০ লাখ), স্যাম বিলিংস (২ কোটি), অশোক শর্মা (২০ লাখ), প্রথম সিং (২০ লাখ), অভিজিৎ তোমর (২০ লাখ), চামিকা করুণারত্নে (৫০ লাখ), বাবা ইন্দ্রজিত (২০ লাখ), রসিখ দার (২০ লাখ), অনুকুল রায় (২০ লাখ), রিঙ্কু সিং (৫৫ লাখ), আজিঙ্কা রাহানে (১ কোটি)।
লখনউ সুপার জায়ান্টস
আগের ধরে রাখা: লোকেশ রাহুল (১৭ কোটি), মার্কাস স্টয়নিস (৯ কোটি ২০ লাখ), রবি বিষ্ণই (৪ কোটি)
নিলামে: আবেশ খান (১০ কোটি), কুইন্টন ডি’কক (৬ কোটি ৭৫ লাখ), মার্ক উড (৭ কোটি ৫০ লাখ), মণীশ পান্ডে (৪ কোটি ৬০ লাখ), জেসন হোল্ডার (৮ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক হুডা (৫ কোটি ৭৫ লাখ), ক্রুণাল পান্ডিয়া (৮ কোটি ২৫ লাখ), অঙ্কিত রাজপুত (৫০ লাখ), মায়াঙ্ক যাদব (২০ লাখ), এভিন লুইস (২ কোটি), করণ শর্মা (২০ লাখ), কাইল মায়ের্স (৫০ লাখ), আয়ূস বাদোনি (২০ লাখ), মহসিন খান (২০ লাখ), মনন ভোরা (২০ লাখ), শাহবাজ নদিম (৫০ লাখ), দুশমন্ত চামিরা (২ কোটি), কৃষ্ণাপ্পা গৌতম (৯০ লাখ)।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স
আগের ধরে রাখা: রোহিত শর্মা (১৬ কোটি), জাসপ্রিত বুমরাহ (১২ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (৮ কোটি), কাইরন পোলার্ড (৬ কোটি)।
নিলামে: বাসিল থাম্পি (৩০ লাখ), মুরুগান অশ্বিন (১ কোটি ৬০ লাখ), ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৩ কোটি), ইশান কিষাণ (১৫ কোটি ২৫ লাখ), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন (৭৫ লাখ), আরিয়ান জুয়াল (২০ লাখ), অর্জুন তেন্ডুলকার (৩০ লাখ), হৃত্বিক শোকিন (২০ লাখ), রাহুল বুদ্ধি (২০ লাখ), রমনদীপ সিং (২০ লাখ), আনমোলপ্রীত সিং (২০ লাখ), মোহাম্মাদ আরশাদ (২০ লাখ), রিলি মেরেডিথ (১ কোটি), টিম ডেভিড (৮ কোটি ২৫ লাখ), টাইমাল মিলস (১ কোটি ৫০ লাখ), ড্যানিয়েল স্যামস (২ কোটি ৬০ লাখ), জোফ্রা আর্চার (৮ কোটি), সঞ্জয় যাদব (৫০ লাখ), তিলক বর্মা (১ কোটি ৭০ লাখ), মায়াঙ্ক মার্কান্ডে (৬৫ লাখ), জয়দেব উনাদকাট (১ কোটি ৩০ লাখ)।
পাঞ্জাব কিংস
আগের ধরে রাখা: মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৪ কোটি), আর্শদিপ সিং (৪ কোটি)।
নিলামে: জিতেশ শর্মা (২০ লাখ), শাহরুখ খান (৯ কোটি), জনি বেয়ারস্টো (৬ কোটি ৭৫ লাখ), হরপ্রীত ব্রার (৩ কোটি ৮০ লাখ), শিখর ধাওয়ান (৮ কোটি ২৫ লাখ), ইশান পোড়েল (২৫ লাখ), কাগিসো রাবাদা (৯ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল চাহার (৫ কোটি ২৫ লাখ), প্রবসিমরন সিং (৬০ লাখ), বেনি হাওয়েল (৪০ লাখ), ভানুকা রাজাপাক্ষে (৫০ লাখ), অথর্ব টাইডে (২০ লাখ), ন্যাথান এলিস (৭৫ লাখ), অংশ প্যাটেল (২০ লাখ), বলতেজ ধান্ধা (২০ লাখ), ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায় (২০ লাখ), বৈভব আরোরা (২ কোটি), প্রেরক মানকাড় (২০ লাখ), ঋষি ধাওয়ান (৫৫ লাখ), রাজ বাওয়া (২ কোটি), সন্দীপ শর্মা (৫০ লাখ), ওডিন স্মিথ (৬ কোটি), লিয়াম লিভিংস্টোন (১১ কোটি ৫০ লাখ)।
রাজস্থান রয়্যালস
আগের ধরে রাখা: সাঞ্জু স্যামসন (১৪ কোটি), জশ বাটলার (১০ কোটি), যাশাসবি জয়সওয়াল (৪ কোটি)।
নিলামে: কেসি কারিয়াপ্পা (৩০ লাখ), রিয়ান পরাগ (৩ কোটি ৮০ লাখ), ট্রেন্ট বোল্ট (৮ কোটি), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫ কোটি), যুজবেন্দ্র চাহাল (৬ কোটি ৫০ লাখ), শিমরন হেটমায়ার (৮ কোটি ৫০ লাখ), প্রসিধ কৃষ্ণা (১০ কোটি), দেবদূত পাডিক্কাল (৭ কোটি ৭৫ লাখ), ডারিল মিচেল (৭৫ লাখ), রাসি ভ্যান ডার দাসেন (১ কোটি), ন্যাথান কুল্টার-নাইল (২ কোটি), জিমি নিশাম (১ কোটি ৫০ লাখ), শুভম গারওয়াল (২০ লাখ), কুলদীপ যাদব (২০ লাখ), তেজস বরোকা (২০ লাখ), ধ্রুব জুরেল (২০ লাখ), করুন নায়ার (১ কোটি ৪০ লাখ), কুলদীপ সেন (২০ লাখ), অরুনয় সিং (২০ লাখ), ওবেদ ম্যাককয় (৭৫ লাখ), নভদীপ সাইনি (২ কোটি ৬০ লাখ)।
রয়্যাল চালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু
আগের ধরে রাখা: বিরাট কোহলি (১৫ কোটি), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ কোটি), মোহাম্মদ সিরাজ (৭ কোটি)।
নিলামে: ফ্যাফ ডু’প্লেসি (৭ কোটি), অনূজ রাওয়াত (৩ কোটি ৪০ লাখ), জোস হ্যাজেলউড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), আকাশ দীপ (২০ লাখ), শাহবাজ আহমেদ (২ কোটি ৪০ লাখ), দীনেশ কার্তিক (৫ কোটি ৫০ লাখ), হার্ষাল প্যাটেল (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ডেভিড উইলি (২ কোটি), লুবনিথ সিসোদিয়া (২০ লাখ), সিদ্ধার্থ কাউল (৭৫ লাখ), করন শর্মা (৫০ লাখ), অন্নেশ্বর গৌতম (২০ লাখ), চামা মিলিন্দ (২৫ লাখ), জেসন বেহরেনডার্ফ (৭৫ লাখ), শেরফান রাদারফোর্ড (১ কোটি), ফিন অ্যালেন (৮০ লাখ), মহিপাল লোমরোর (৯৫ লাখ)।
সানরাইজার্স হায়দারাবাদ
আগের ধরে রাখা: কেন উইলিয়ামসন (১৪ কোটি), আব্দুল সামাদ (৪ কোটি), উমরান মালিক (৪ কোটি)।
নিলামে: নিকোলাস পুরান (১০ কোটি ৭৫ লাখ), জগদীশা সূচিত (২০ লাখ), শ্রেয়াস গোপাল (৭৫ লাখ), কার্তিক তিয়াগী (৪ কোটি), ওয়াশিংটন সুন্দর (৮ কোটি ৭৫ লাখ), ভুবনেশ্বর কুমার (৪ কোটি ২০ লাখ), টি নটরাজন (৪ কোটি), প্রিয়ম গর্গ (২০ লাখ), অভিষেক শর্মা (৬ কোটি ৫০ লাখ), রাহুল ত্রিপাঠী (৮ কোটি ৫০ লাখ), ফজলহক ফারুকি (৫০ লাখ), গ্লেন ফিলিপস (১ কোটি ৫০ লাখ), বিষ্ণু বিনোদ (৫০ লাখ), সৌরভ দুবে (২০ লাখ), শশাঙ্ক সিং (২০ লাখ), আর সামর্থ (২০ লাখ), সিয়ান অ্যাবট (২ কোটি ৪০ লাখ), রোমারিও শেফার্ড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), মারকো জানসেন (৪ কোটি ২০ লাখ), এডেন মার্করাম (২ কোটি ৬০ লাখ)।
সংবাদ সূত্র- বাংলা-নিউজ-২৪.কম
একতার কণ্ঠঃ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ও দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছে আফগানিস্তান দল। শুক্রবার (১১ ফেব্রয়ারি) রাতে বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর কন্ডিশনিং ক্যাম্পের জন্য সিলেটে অবস্থান করছে আফগানিস্তান বহর।সিরিজ দুটি উপলক্ষে সোমবার (১৪ ফেব্রয়ারি) দুপুরে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
ওয়ানডে সিরিজের জন্য দুজনকে রিজার্ভে রেখে হাশমতউল্লাহ শহিদিকে অধিনায়ক করে ১৬ সদস্যের দল দিয়েছে এসিবি। দলে আছেন মুজিব উর রহমান ও রশিদ খানের মতো অন্যতম তারকা।
টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য অধিনায়ক করা হয়েছে অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীকে। সেখানেও ১৬ সদস্যের দল দিয়েছে এসিবি। তবে রিজার্ভ নেই।
একনজরে বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল
ওয়ানডে দল
হাশমতউল্লাহ শহিদি (অধিনায়ক), রহমত শাহ (সহ-অধিনায়ক), আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ফরিদ মালিক, ফজল হক ফারুকি, গুলবদীন নাঈব, ইব্রাহিম জাদরান, ইকরাম আলী খিল, মোহাম্মদ নবী, মুজিব উর রহমান, নাজিবউল্লাহ জাদরান, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, রশিদ খান, রিয়াজ হাসান, শহিদউল্লাহ কামাল ও ইয়ামিন আহমেদজাই।
রিজার্ভ: কায়েস আহমেদ ও সেলিফ সাফি।
টি-টোয়েন্টি দল
মোহাম্মদ নবী (অধিনায়ক), আফসার জাজাই, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, দারউইশ রাসুলি, ফরিদ আহমেদ মালিক, ফজল হক ফারুকি, হযরতউল্লাহ জাজাই, করিম জানাত, মুজিব উর রহমান, নাজিবউল্লাহ জাদরান, নিজাত মাসিদ, কাইস আহমেদ, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, রশিদ খান, শরাফুদ্দিন আশরাফ ও উসমান ঘানি।
ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ হবে চট্টগ্রামে ২৩ ফেব্রুয়ারিতে। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি হবে ৩ মার্চে ঢাকায় মিরপুরে।