একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিলিমপুর ইউনিয়ন। বুধবার(২ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তীব্র প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ন ফাইনাল মাচে ট্রাইব্রেকারে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা ক্রীড়া সংস্থা টাঙ্গাইল এই জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট(অনুর্ধ্ব-১৭) এর আয়োজন করে।
খেলার শুরু থেকে দু’দলই আক্রমন পাল্টা আক্রমন করে খেলে কাঙ্খিত গোল বের করার চেষ্টা করতে থাকে। সিলিমপুর ইউনিয়নের স্টাইকার আকাশ খেলার ১৩ মিনিটের সময় চমৎকার দুরপাল্লার শটে কাতুলী জালে বল পাঠিয়ে দিয়ে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। খেলায় পিছিয়ে পড়ে কাতুলী ইউনিয়ন গোল করে খেলার সমতার আনার চেষ্টা করতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের সময় কাতুলী ইউনিয়নের রিফাতকে সিলিমপুর ইউনিয়নের ডিবক্স্রে মারাত্বক ফাউল করলে পেনাল্টি পেলে রেজাউল তার থেকে গোল করে(১-১) খেলায় সমতা আনে। এরপর খেলার ১৬ মিনিটের সময় সিলিমপুরের ডিবক্স্রে রানাকে ফাউল করলে আবারো কাতুলী আবারো পেনাল্টি পায়। পেনাণ্টি থেকে রেজাউল গোল করে(২-১) দলকে এগিয়ে নেয়।
সিলিমপুর ইউনিয়ন গোল পরিশোধের জন্য একচেটিয়া আক্রমন করতে থাকলে খেলার শেষ মুর্হুতে সিলিমপুরের শামীম চমৎকার শটে কাতুলীর জালে বল পাঠিয়ে (২-২) সমতা আনলে নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হয়ে যায়। শিরোপা নির্ধারনী পেনাল্টি শুটআউটে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
সিলিমপুর ইউনিয়নের পক্ষে জাহিদ, শান্ত, শাওন, জাহিদুল, জাফর ও সাব্বির গোল করে। আর কাতুলী ইউনিয়নের পক্ষে সুজন, রেজাউল , রিফাত হাসান, রানা ও মুন্না আহমেদ গোল করে।
খেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহাজান আনছারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, কাতুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক তারকা ফুটবলার বজলুর রহমান ও গোবিন্দ চন্দ্র।
খেলা আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক জাহিদ তারেক খান জুয়েল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন ধারা ভাষ্যকার অনিক রহমান বুলবুল।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে কাতুলী ইউনিয়ন ২-০ গোলে করটিয়া ইউনিয়নকে হারিয়ে নকআউট ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে। রবিবার (৩০ মে) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে উপজেলা পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বরণে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হলো উপজেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা টাঙ্গাইল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান আনছারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান মজনু এবং কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন।
কাতুলী বনাম করটিয়া মধ্যকার খেলায় ১৪ মিনিটের সময় করটিয়া ইউনিয়নের ডি-বক্স্রের জটলা থেকে কাতুলী ইউনিয়নের মধ্যমাঠের খেলোয়ার রিফাত হাসান প্লেসিং শটে গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়।করটিয়া ১ গোল খেয়ে খেলায় পিছিয়ে পড়ে বিক্ষিপ্ত ভাবে পাল্টা আক্রমণ করে খেলতে থাকে। ১৭ মিনিটের সময় পাল্টা আক্রমণে কাতুলী ইউনিয়নের লেফট উইংগার রিফাত মিয়া প্রায় ৩০ গজ দুর থেকে গোল বারে শট নিলে, বলটি বাঁক খেয়ে ক্রস বারে লেগে জালে ঢুকে যায়। ফলে কাতুলী ইউনিয়ন ২-০ গোলে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীর্য়াধে করটিয়া ইউনিয়ন তুলনামূলক ভাল খেলেও কোন গোল না করায় খেলায় ফিরতে পারেনি। কাতুলী ইউনিয়ন পাল্টা আক্রমণ করে আর গোল করতে না পারলে করটিয়া ইউনিয়ন ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে মাঠ ত্যাগ করে।কাতুলী ইউনিয়ন ম্যাচে জয়লাভ করে নকআউট ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে।
আগামীকাল সোমবার (৩১ মে) দ্বিতীয় ম্যাচে কাকুয়া ইউনিয়ন ও সিলিমপুর ইউনিয়ন মুখোমুখি হবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ১০৭ রানের লিড সামনে রেখে দ্বিতীয় সেশনে খেলতে নামে বাংলাদেশ। দলের রান যখন ৫২ ঠিক তখন ফিফটি তুলে নেন তামিমও। দলের রানের সাথে তার ফিফটির ব্যবধান ছিল মাত্র ২ রানের। আর তামিমের এই ইনিংসই ভেঙে দিয়েছে ১৩১ বছরের পুরনো রেকর্ড।
টেস্টে দলের অর্ধশতক পার করা ও ব্যাটসম্যানের অর্ধশতক হাঁকানোর সময় রানের ব্যবধানের সবচেয়ে কম রেকর্ড এটিই। এত বছর ধরে এই রেকর্ড যৌথভাবে দখলে ছিল প্রয়াত অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান জন জেমস লায়ন্সের। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১০০ রানে চা বিরতির পর বৃষ্টির কারণে আর খেলা গড়ায়নি মাঠে।
৯৮ বলে ১০ চার ও ৩ ছয়ে তামিম তামিম ৭৪ ও মুমিনুল ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। প্রথম দিন টসে জিতে বাংলাদেশ ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ৫৪১ রান তুলে ইনিংস ঘোষনা করে। জবাবে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস ৮ উইকেটে ৬৪৮ রানে ইনিংস ঘোষনা করলে ১০৭ রানে পিছিয়ে থেকে পঞ্চম দিন মধ্যাহ্ন বিরতির পরে মুমিনুলেরা ব্যাটিংয়ে নামে।
শুরুতেই ১ ও ০ রানে ফেরেন সাইফ-শান্ত। এ দিন প্রথম সেশনে পাঁচ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ সেরা করুণারত্নে সর্বোচ্চ ২৪৪ ও সিলভা ১৬৬ রানের ইনিংস খেলেন। তাসকিন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ( বিসিবি) আয়োজিত বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের ২০২১ মৌসুমের প্রথম আসরের ট্রফি ঘরে তুললো টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৮ জাতীয় ক্রিকেটের( ঢাকা বিভাগ উত্তর) ফাইনাল ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা দল শক্তিশালী ময়মনসিংহ জেলা দলকে অনায়াসে ২০ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে এই গৌরব অর্জন করে।
যে সব তরুন ক্রিকেটারদের সাফল্যের জন্য টাঙ্গাইল জেলার এই গৌরব অর্জন তারা হলোঃ টাঙ্গাইল জেলার অধিনায়ক ও তরুন লেগস্পিনার ইমতিয়াজ আহমেদ, সহ-অধিনায়ক বাহাতি ওপেনার খন্দকার তাসিন মাহতাব, উইকেট কিপার গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ, , অলরাউন্ডার মাইন উদ্দিন, দিব্য কর্মকার, মিডিয়াম ফাস্ট বোলার তারেক মিঞা , ফেরদৌস হাসান লিমন, সুমন মিঞা, মাহির আশহাব , সাজ্জাদ হোসেন এবং পেসার সাদিদ দিপ।
এদিকে দিনের শুরুতে টসে হেরে যায় টাঙ্গাইল জেলা দল। টসে জয়ী ময়মনসিংহ জেলা দলের অধিনায়ক সামিউল ইসলাম সামি টাঙ্গাইলকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রন জানায়। আমন্ত্রন গ্রহন করে টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান করে।
অলরাউন্ডার মাইন হোসেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করে। এছাড়া ওপেনার তাসিন মাহতাব ২৮ ও সুমন মিঞা ২৩ রান করে।বোলিংয়ে ময়মনসিংহ জেলা দলের অফ স্পিনার সাকিন ৪৩ রানে ৩টি উইকেট দখল করে।
১৭৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ জেলা দল ৪৯ ওভারে সব ক’টি উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান করে ।ফলে ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা দল তাদের চির প্রতিদ্বন্দী ময়মনসিংহ জেলা দলকে ২০ রানের ব্যবধানে হারিয়ে তাদের কাঙ্খিত বিজয় অর্জন করে। ব্যাটিংয়ে ময়মনসিংহ দলের মাহিন আহমেদ সর্বোচ্চ ৩১ রান করে।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ ৩টি, লিমন ও তাসিন ২টি করে উইকেট দখল করে।
ফাইনাল খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দলের মাইন হোসেন ৬০ রান ও ২৫ রানে ১টি উইকেট দখল করায় ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা দলের সঙ্গে কোচ হিসেবে ছিলেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান ও অফিসিয়াল হিসেবে ছিলেন মোঃ সামছুল হক।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দলকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৮ ঢাকা বিভাগ (উত্তর) ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ফাইনালে উঠেছে টাঙ্গাইল জেলা দল।
বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) প্রতিযোগিতা ফাইনালে মুখোমুখি হবে ময়মনসিংহ জেলা দল ও টাঙ্গাইল জেলা দল।
বুুধবার(৩১ মার্চ) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ২য় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় টাঙ্গাইল জেলা দল ও নরসিংদী জেলা দল।
খেলার শুরুতে টস জয়ী নরসিংদী ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা দলের পেস ও স্পিন বোলিংয়ের তান্ডবে ৩৮ ওভার ৫ বলে সব ক’টি উইকেটে হারিয়ে নরসিংদী জেলা মাত্র ৮৯ রান করে।
দলের পক্ষে ব্যটসম্যান শামীম সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন। এছাড়া চঞ্চল ১৪ ও দিপু ১১ রান করেন।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল জেলা দলের পেসার তারেক ১১ রানে ৩টি উইকেট দখল করে। এছাড়া অধিনায়ক স্পিনার ইমতিয়াজ, লিমন ও দিব্য সরকার যথাক্রমে ১৮,১১ ও ১৯ রানের বিনিময়ে ২টি করে উইকেট দখল করে।
৮৯ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দল ২৫ ওভার ১ বলে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে ফাইনাল নিশ্চিত করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের বাহাতি ওপেনার তাসিন মাহতাব সর্বোচ্চ ৫১ বলে ২৯ রান করেন। এছাড়া টাঙ্গাইল দলের উইকেট রক্ষক গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করেন।
বোলিংয়ে বিজিত নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দলের দিপু ৩২ রানে ২টি উইকেট দখল করে।
স্কোরঃ নরসিংদী ৩০.৫ ওভার ৮৯/১০,
ব্যাটিংঃ আবিদ ৯, জয় ৭, সালাউদ্দিন ০, নিহার ০, বাদশা ০, শামীম ২৫, আকরাম ৬, চঞ্চল ১৪, দিপু ১১, শফিক ৩, মাহিম ০, বোলিংঃ তারিক ৭-১-১১-৩, লিমন ৮-১-১৯-২,তাছিন ৪-১-৮-০, ইমতিয়াজ ৭-২-১৮-২, দিব্য সরকার ২.৫-০-৩-২, মাইন ৩-০-১২-০ ও সুমন ২-২-১২-০ টাঙ্গাইল ২৫.১ ওভার ৯১/৩ ব্যাটিংঃ গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ ২০, তাসিন ২৯, মাহির ০, দিব্য ৮(অপঃ) ও লিমন (অপঃ)
আম্পায়ারঃ বিশ্বজিৎ রায় সুমন ও মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাবকে ১ উইকেটে পরাজিত করেছে সিটি ক্লাব ।সিটি ক্লাবের এই জয় দ্বিতীয় রাউন্ডে “খ”গ্রুপের হিসাবকে জটিল করে লীগকে আরো আর্কষনীয় করে তুলেছে।
রবিবার (২৮ মার্চ ) সকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের “খ” গ্রুপের ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাব ও সিটি ক্লাবের মুখোমুখি হয়। খেলায় টস জয়ী থানাপাড়া ক্লাবের অধিনায়ক আরিফ প্রথমে ব্যাটিং করার সিন্ধান্ত নেয়।
থানা পাড়া ক্লাব ৪৯ ওভার ১ বল খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে ২৬০ রান করে। নির্ধারিত ৫০ ওভারের ৫ বল বাকি থাকতেই থানা পাড়া ক্লাব অল আউট হয়ে যায়।
দলের পক্ষে ডান হাতি অলরাউন্ডার রাফসান জানি সর্বোচ্চ ৬৬ রান করে। এ ছাড়া থানা পাড়া ক্লাবের পক্ষে ব্যাটসম্যান শাহিন ৪৯ ও বাহাতি অলরাউন্ডার নাসিউল হক সানি ঝড়ো গতির ব্যাটিংয়ে ৪৫ রান করে। নাসিউল হক সানির ব্যাটিংয়ে দর্শনীয় ৪টি ছয়ের মার ছিল।
অপর দিকে সিটি ক্লাবের ডানহাতি মিডিয়াম পেসার রিজান হোসেন ৮ ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে ৩ ইউকেট দখল করে। দলের আরেক লেগ স্পিনার দেবাশীষ সরকার ১০ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে ৩ ইউকেট দখলে নেয়।
জবাবে সিটি ক্লাব শুরুতে ওপেনার জনির উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশ জাতীয় (অনুর্দ্ধ-১৭) দলের ক্রিকেটার রিজান হোসেন ও দলের ইউকেট কিপার আরিফুল ইসলাম মুন ৫৯ রানের চমৎকার কেমিও জুটি দলের প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন।
মনু আউট হয়ে গেলেও রিজান হোসেন, অপর দুই ব্যটসম্যান দেবাশীষ ও সোহাগকে নিয়ে চমৎকার ব্যাটিং জুটি করে দলীয় রান ১৭০ নিয়ে যায়। দলীয় ১৭০ রানে রিজান ফিরে গেলেও সোহাগ, জিহাদ ও উত্তমের ব্যাটিংয়ে ৪৬ ওভার ৫ বলে ২৬২ রান করে জয়ের লক্ষে পৌছায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ বলে ৮৪ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে রিজান হোসেন। এছাড়া আরিফ হোসেন মুন ৪০, জিহাদ ৩৩, দেবাশীষ ২৫ ও উত্তম ১২ রান করে।
বোলিংয়ে থানা পাড়া ক্লাবের বিজয় ও রাফসান যথাক্রমে ৩১ ও ৫১ রান দিে ৩টি করে উইকেট দখল করে। এছাড়া সাদ্দাম, শাহিন ও উদয় ১টি উইকেট দখল করে। থানাপাড়া ৩টি খেলায় অংশগ্রহন করে একটিতে জয় ও একটি পরাজয় এবং এক ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যাক্ত হওয়ায় ৩ পয়েন্ট এবং সিটি ক্লাব ৩ ম্যাচে অংশ নিয়ে দুটি জয় ও একটিতে পরাজয়ে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। খেলায় আম্পায়ার ছিলেন তমাল বিহারী দাস ও আমিনুর রহমান। স্কোরে ছিলেন রাজিব খান।
উল্লেখ্য, সকালে সিটি ক্লাবের স্বতাধিকারী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান তার দলের খেলা উপভোগ করতে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আসেন। তিনি সিটি ক্লাবের খেলোয়ার, কর্মকর্তা ও কোচের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ও মতবিনিময় করেন। পরে তিনি ভিআইপি গ্যালারিতে বসে বেশ কিছু সময় দলের খেলা উপভোগ করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ইয়াং টাইগার’স অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় (ঢাকা বিভাগ উত্তর) টাঙ্গাইল জেলা গাজীপুর জেলাকে ১১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচে জয়ের ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (২৭ মার্চ) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে “খ” গ্রুপের শেষ দিনের খেলায় মুখোমুখি হয়েছিল টাঙ্গাইল জেলা দল বনাম গাজীপুর জেলা ক্রিকেট দল।সকালে টস জয়ী টাঙ্গাইল প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। টাঙ্গাইল জেলা দল দিনের নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে দিব্য সরকার সর্বোচ্চ ৭৬ রান করে। এ ছাড়া টাঙ্গাইল দলের অপর দুই ব্যাটসম্যান নাঈম ৩৭ ও লিমন ৩৩ রান করে।
জবাবে গাজীপুর জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ৩৮ ওভার তিন বল খেলে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৬ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক বাহাতি স্পিনার ইমতিয়াজে ঘূর্ণি বলের সামনে গাজীপুর জেলা দল কোন ব্যাটসম্যান দাড়াতেই পারেনি। ইমতিয়াজ একাই ৫টি ইউকেট লাভ করে।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ১০ ওভার বল করে ২০ রানে ৫টি উইকেট দখল করে। এছাড়া টাঙ্গাইল দলের অলরাউন্ডার নাঈম ও মাইন হোসেন ২টি করে উইকেট দখল করে। খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায় ইমতিয়াজ আহমেদ। ফলে খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ১১৭ রানে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে।
ইতিপূর্বে টাঙ্গাইল জেলা দল গ্রুপ পর্বে তাদের প্রথম ম্যাচে নেত্রকোনা জেলা দলকে ১৫ রানে এবং শেরপুর জেলাকে ৩ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের টিম অফিসিয়াল হিসেবে আছেন, সামছুল হক ও ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন এবং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ আরাফাত রহমান।
আগামী ৩১ মার্চ বুধবার কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ” ক” গ্রুপের রানার-আপ নরসিংদী জেলা ক্রিকেট দলের সাথে সেমিফাইনাল মুখোমুখি হবে।
আগামী ১ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসক ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়রের ফুটবল দলের মধ্যে এক উত্তেজনাপূর্ণ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। শুক্রবার(২৬ মার্চ ) বিকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও টাঙ্গাইল পৌরসভার আয়োজনে এই ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়।
দু’দলেই ১১ জনের বেশী খেলোয়াড় নিয়ে খেলেও দলকে বিজয়ী করতে পারেনি। জেলা প্রশাসক ফুটবল দলের অধিনায়কত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম এবং টাঙ্গাইল পৌরসভার পক্ষে অধিনায়কত্ব পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর।
আক্রমন পাল্টা আক্রমন করে খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ৯ মিনিটের সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে টাঙ্গাইল জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তা নুর আলম প্রথম গোল করে। খেলায় পিছিয়ে পড়ে পৌর মেয়র ফুটবল দল এক চেটিয়ে আক্রমন করে খেলে খেলার শেষ দিকে রিপন কুমার সরকার প্লেসিং শটে সমতা সূচক গোলটি করেন। গোল পরিশোধের পর দু’দলই আক্রমন করে খেলেও গোল করতে না পারলে খেলা ড্র হয়।
খেলা শেষে দু’দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম।
খেলায় অংশগ্রহনকারী উল্লেখ যোগ্য খেলোয়াড় হলো জেলা প্রশাসকের দলের পক্ষে এ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল গফুর, নুর আলম, আনিসুর রহমান আলো, সাংবাদিক ইফতেখারুল অনুপম ও বিপ্লব সরকার প্রমুখ।
পৌর মেয়রের পক্ষে মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিন, মুন্না চৌধুরী, রকি হায়দার, ফারুক হোসেন, পৌরসভার কর্মকর্তা রুবেল মিয়া, আম্পায়ার রিপন কুমার সরকার, ক্রিকেট কোচ ইসলাম খান, জাহিদ হাসান, সুমন হাসান ও সাংবাদিক মোজাম্মেল হক।
খেলায় রেফারী ছিলেন তুহিনুর রহমান সেলিম এবং সহকারী রেফারী ছিলেন সালাউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দল ইয়াং টাইগারর্স অনুর্দ্ধ-১৮ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় উত্তেজনাপূর্ণ এক ম্যাচে শেরপুর জেলাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে। মঙ্গলবার(২৩ মার্চ) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ঢাকা বিভাগের(উত্তর) “খ” গ্রুপের তৃতীয় দিনের ম্যাচে শেরপুর জেলা দলকে ৩ রানে পরাজিত করে টাঙ্গাইল জেলা দল। এই জয় টাঙ্গাইল জেলা দলের সেমিফাইনাল খেলার পথ সহজ করে দিয়েছে।
সকালে টস জিতে টাঙ্গাইল জেলা দলেল অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহম্মেদ ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ব্যাটস ম্যানদের ব্যার্থতায় টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাট করতে পারিনি।
টাঙ্গাইল ৩৮.৫ ওভারে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৫ রান করে। দলের পক্ষে বাহাতি ওপেনার তাসিন মাহতাব সর্বোচ্চ ২২ রান করে। এছাড়া আরেক ব্যাটসম্যান দিব্য কর্মকার ১৭ রান করে।
শেরপুর জেলা দলের পক্ষে বোলার ফারুক ও রাজিন যথাক্রমে ৬ ও ৮ রান দিয়ে ৩টি করে উইকেট লাভ করে।
জবাবে ১০৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শেরপুর জেলা দল ৪০.৩ ওভারে সব ক’টি উইকেট হারিয়ে ১০২ রান করে।
টানটান উত্তেজনা পূর্ণ এই ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দল শেরপুর জেলা দলকে ৩ রানে পরাজিত করে।
শেরপুর জেলা দলের পক্ষে জীয়ন সর্বোচ্চ ৩৩ ও সিফাত ৩২ রান করে।
বোলিংয়ে বিজয়ী দলের তারেক ১০ রানে ২টি, তাসিন ১৪ রানে ২টি ও মাইন ২২ রানে ২টি করে উইকেট দখল করে।
এছাড়া দলীয় অধিনায়ক ইমতিয়াজ ২৩ রানে ১টি একটি ইউকেট দখল করে।
আগামী বৃহস্পতিবার(২৫ মার্চ) টাঙ্গাইল জেলা দল গাজীপুর জেলা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ান হওয়ার ক্রিকেটীয় লড়াই লড়বে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ইয়াং টাইগার অনুর্দ্ধ-১৮ ডিভিশনাল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার উদ্বোধণী দিনে জয় পেয়েছে টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলা।শনিবার(২০ মার্চ )বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত ইয়াং টাইগার অনুর্দ্ধ-১৮ ডিভিশনাল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ঢাকা ডিভিশন উত্তরের দু’টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে “ক”গ্রুপের খেলায় ময়মনসিংহ ৩ উইকেটে নরসিংদী জেলা পরাজিত করে শুভ সূচনা করেছে । অপর দিকে, কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে “খ” গ্রুপের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা ১৫ রানে নেত্রকোনা জেলাকে পরাজিত করেছে।
কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা প্রথমে ব্যাটিং করে ৪১.২ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের স্কোর এক পর্যায়ে ৩৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৯ রান ছিল।
তারপরও ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে ৪১.২ ওভারে ১৩৮ রান করতে সমর্থ হয়। দলের পক্ষে মাইনুল সর্বোচ্চ ৪১ রান করে।এছাড়া ফেরদৌস ৩৪ ও তাসিন ১৯ রান করে। নেত্রকোনার পক্ষে বোলিংয়ে শেখ আওয়াল ১৬ রানে ৬টি এবং আহনাফ নাবিদ ২৯ রানে ৩টি উইকেট দখল করে।
বোলিংয়ের শুরুতেই টাঙ্গাইল জেলার ইমতিয়াজ ও তারেকের চমৎকার বোলিংয়ে নেত্রকোনা ১৮ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়।সেই চাপ নেত্রকোনা আর সামাল দিতে না পারলে নেত্রকোনা ৪৪.৪ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করে। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল ১৫ রানে জয় লাভ করে।
নেত্রকোনা জেলা দলের পক্ষে শাহিদ সর্বোচ্চ ৬৪ ও ফাহিম ২২ রান করে। টাঙ্গাইল জেলার পক্ষে ইমতিয়াজ ২০ রানে ৩টি উইকেট দখল করে। এছাড়া তারেক ২৪ রানে ২টি এবং ফেরদৌস ২১ রানে ২টি করে উইকেট দখল করে।
টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে টস জয়ী নরসিংদী জেলা প্রথমে ব্যাটিং করে ৪৭.৩ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান করে।দলের পক্ষে সিরাজুল ৩০ ও সালাউদ্দিন ২৯ রান করে। বোলিংয়ে ময়মনসিংহের শামুসর রহমান ১৯ রানে ৩টি উইকেট দখল করে। জবাবে ময়মনসিংহ জেলা ৪৩.২ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান করে। দলের পক্ষে রোহান সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে। বোলিংয়ে নরসিংদী জেলার পক্ষে চঞ্চল ৩৬ রানে ৪টি উইকেট এবং তানজীন ২৫রানে ৩টি উইকেট দখল করে।
আগামী ২৩ মার্চ কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে শেরপুর জেলার বিপক্ষে এবং টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহ জেলা খেলবে মানিকগঞ্জের বিপক্ষে।
ঢাকা ডিভিশন নর্থের “ক” গ্রুপের দলগুলো হল ময়মনসিংহ জেলা, নরসিংদী জেলা, কিশোরগঞ্জ জেলা ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং “খ” গ্রুপের দল গুলো হল টাঙ্গাইল জেলা, নেত্রকোনা জেলা, গাজীপুর জেলা ও শেরপুর জেলা।
কিশোরগঞ্জের জেলা স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল ম্যাচে অংশগ্রহন করবে দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ান ও রানারআপ দল।
এর পূর্বে সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে “খ” গ্রুপের খেলার উদ্বোধন করে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ আনিসুর রহমান আলো, টাঙ্গাইল জেলা কোচ আরাফাত রহমান ও ধারাভাষ্যকার তমাল বিহারী দাস।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রফিক-সঞ্জয় ট্রফি টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। শুক্রবার(১৯ মার্চ) বিকালে উপজেলার গোবিন্দাসী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রফিক-সঞ্জয় স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করা হয়।
আয়োজক কমিটির আহ্বয়াক আব্দুল লতিফ তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হয়ে লীগের উদ্বোধন করেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকরাম উদ্দিন তারা মৃধা। বিশেষ অতিথি, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন, উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক আরজু, ভূঞাপুর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম কিসলু, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রবি সহ স্থানীয় নানা শ্রেনী-পেশার মানুষ ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় বৃন্দ।
আহ্বয়াক আব্দুল লতিফ তালুকদার জানান- রফিক-সঞ্জয় স্মৃতি পরিষদের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে এই খেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট মানুষদের মাঝে বিনোদন ও অনুপ্রেরণা যোগাবে।
প্রসঙ্গত, রফিক-সঞ্জয় ট্রফিটুর্নামেন্টে সোনালী অতীত লিজেন্ডস, হাই স্কুল ডিনামাইট ও সুপার স্টার প্রাথমিক শিক্ষকের তিনটি দল অংশ গ্রহণ করবেন। উদ্বোধনী টুর্নামেন্ট ম্যাচে প্রথম দিনে সোনালী অতীত লিজেন্ড বনাম সুপার স্টার প্রাথমিক শিক্ষক দল অংশ গ্রহণ করে।