একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মুরগির ফার্মে কাজ করার সময় সাপের ছোবলে লাভলু খন্দকার (৩০) নামের এক মুরগী ফার্ম মালিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার(২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার জামাল হাটখুরা পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাভলু ওই এলাকার খন্দকার মোতালেব মিয়ার ছেলে।
এ প্রসঙ্গে লাভলুর চাচাতো ভাই ও ত্রিশাল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, লাভলুর দুই হাজার সেটের একটি লেয়ার মুরগির ফার্ম রয়েছে। সোমবার সকালে ফার্মে লাভলূ মুরগির খাবার দিতে যায়। যাওয়ার পথে হঠাৎ তাকে একটি বিষধর সাপে ছোবল দেয়। ছোবলের সাথে সাথে লাভলুর শরীরের যন্ত্রণা শুরু হয়। প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে লাভলুর মৃত্যু হয়।
নিহত লাভলু বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক। এ ঘটনায় ওই পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের পাঁচজন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উভয়পক্ষ সখীপুর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগও করেছেন।
জানা যায়, হাতিবান্ধা গ্রামের আবদুল মালেক (৪০), আবদুল আজিজ (৪৫), আবদুল আলীম (৪২) এবং বড়ভাই আবদুল হাকীমের (৫৫) মধ্যে জমির ভাগ-ভাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে মাত্র ১০ শতাংশ জমি নিয়ে ওই দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের সময় দা’-শাবলের আঘাতে বড়ভাই আবদুল হাকীম, তার স্ত্রী মালেকা বেগম ও মেয়ে মাহমুদা আহত হন।
অন্যদিকে, ওই সংঘর্ষে অপরপক্ষের আবদুল আজিজ ও আবদুল আলীম আহত হয়ে হাসপতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে আবদুল আজিজের বাম হাত ভেঙে গেছে।
এ ঘটনায় আবদুল হাকীমের মেয়ে মাজেদা আক্তার অপরপক্ষের আবদুল আজিজের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার বাদী হয়ে সখীপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
সখীপুর থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বলেন, মূলত পৈত্রিক সম্পত্তি ভাগ নিয়ে ভাইদের মধ্যে বিরোধ।
আমরা দুই পক্ষেরই অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গত মঙ্গলবার ( ২০ এপ্রিল) সখীপুর পৌরসভার জামতলা এলাকার একটি বাসায় আটক রেখে তিন বন্ধু মিলে রাতভর ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় বুধবার( ২১ এপ্রিল) বিকেলে গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ সিয়াম (২১) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই গৃহবধূর বাড়ি ঘাটাইল উপজেলায়।
পুলিশ ও গৃহবধূর বাবার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূর্ব পরিচিত হওয়ায় ওই গৃহবধূকে সিয়াম ফোন করে সখীপুরে নিয়ে আসেন। পরে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে সিয়ামের চাচাত ভাইয়ের বাসায় আটক রেখে সিয়াম ও তার দুই বন্ধু জয় (২০), সুমন (২১) মিলে জোরপূর্বক রাতভর ধর্ষণ করে। বুধবার ভোরে সিয়াম মোটরসাইকেলযোগে ওই গৃহবধূকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে যায়।
এ সময় গৃহবধূ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিৎকারে লোকজন সিয়ামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আহত গৃহবধূকে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই গৃহবধূ দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে তার বাবা জানান।
সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) লুৎফুল কবির বলেন, এ ঘটনায় সিয়াম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে ট্রাক চাপায় তিন বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কচুয়া- কীর্তণখোলা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম কামরুল ইসলাম। সে কচুয়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে।স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।
জানা যায়, সকাল ১১টায় উপজেলার কচুয়া-কীর্তণখোলা চৌরস্তা সড়কের পাশে খেলা করছিলো কামরুল। এ সময় কীর্তণখোলা বাজার থেকে আসা গরুভর্তি একটি ট্রাক শিশুটিকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে, সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে সাইদুল হক বলেন, ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে চাঁদাবাজি মামলায় পিতা শামসুল আলম (৬৫) পুত্র সরোয়ার আলমকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। পরে সোমবার(১৯ এপ্রিল) সকালে তাদের টাঙ্গাইল আদালতে উপস্থিত করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ । তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবজি, জমি লুট,অগ্রণী ব্যাংক নলুয়া বাজার শাখায় ৬লাখ টাকার ঋণ খেলাপি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
প্রকাশ, রবিবার (১৮ এপ্রিল) শামসুল আলমের ভাই স্কুল শিক্ষক শামীম আল মামুনের দায়ের করা চাঁদাবাজি মামলায় তাদেরকে উপজেলার বহুবিয়া চতলবাইদ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বলেন, চাঁদাবাজি মামলায় বাপ- বেটাকে গ্রেফতার করে সোমবার সকালে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মসজিদে ইফতার মাহফিলে লাইট লাগানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৯জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার(১৬ এপ্রিল) জুম্মার নামাজ শেষে পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের গড়গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া নালারচালা জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সখীপুর থানায় বিল্লাল ভূইয়া ও শামছুল হক বাদী হয়ে পৃথক দু’টি মামলা করেছেন।
পুলিশ বিল্লাল ভূইয়ার মামলার প্রধান আসামি শামছুল হকের ছেলে শহিদুর মিয়া (৩৫) এবং তার ভাই সোহাইল ওরফে শুভকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের গড়গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া নালারচালা জামে মসজিদে ইফতার মাহফিলে লাইট লাগানোকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার হেলাল ভূইয়া এবং শামছুল হকের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে পরেরদিন ১৬ এপ্রিল শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় শামছুল হকের ছেলে শহিদুর রহমান, সোহাইল ওরফে শুভ মসজিদে ঢুকে হেলাল ভূইয়ার উপর হামলা চালায়। পরে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি ফেরার পথে শহিদুর তার হাতে থাকা দা দিয়ে হেলাল ভূইয়ার মাথায় আঘাত করলে পরক্ষণে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে হেলাল ভূইয়া (৪৫), তার ছেলে শাহিন ভূইয়া (৩১) এবং কিতাব আলীর ছেলে কামাল মিয়া (৩৮) আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হেলাল ভূইয়ার মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওই ঘটনায় অপর পক্ষের শাকিল মিয়া (২৮), সাব্বির হোসেন (২৪), শাহজাহান মিয়া (৫৮), শহিদুর রহমান (৩৫), হাজেরা বেগম (২৭) এবং জাদরিল মিয়া (২৪) আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) এএইচ এম লুৎফুল কবির বলেন, মসজিদে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের মামলা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠিয়েছে। বাকীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এক ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নিজেকে নারী সাজিয়ে এক যুবককে বিয়ে করে এলাকায় তুলকালাম সৃষ্টি করেছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে গণধোলাই দিয়ে এলাকা ছাড়া করে।
বুধবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার দাড়িয়াপুর ফালু চাঁনের মাজারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে বর জুবায়ের হোসেন (২৫) বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিনমাস আগে ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আলতাফ আলী (৩৫) নিজেকে কবিরাজ পরিচয় দিয়ে দাড়িয়াপুর মাজারপাড় এলাকায় আসে। ওই কবিরাজ মাঝেমধ্যে শাড়ী পরেও এলাকায় ঘুরাফেরা করত। সে সন্তানহীন মহিলাদের সন্তান দানের ঝাড়ফুঁক দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন বাড়িতে গত তিনমাস ধরে অবস্থান করছে। এরই মধ্যে ওই এলাকার কৃষক রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের হোসেনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। জুবায়ের ও তার পরিবারকে কবিরাজ আলতাফ আলী টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বলেন- ‘আমি রাত ১২টার পর মেয়ে মানুষে রূপান্তরিত হবো, আমাকে বিয়ে করলে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হবেন’।
গত ১৩ এপ্রিল রাতে জুবায়ের ও কবিরাজ আলতাফের সম্মতিতেই তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলে। এতে লোভে পড়ে জুবায়েরের পরিবারেরও সম্মতি ছিল বলে জানা গেছে। বুধবার সকালে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে ওই কবিরাজকে ধরে এনে পড়নের শাড়ী-ব্লাউজ খুলে গণধোলাই দিতে থাকে।
পরে দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ, সাবেক চেয়ারম্যান শাইফুল ইসলাম শামীম, সানোয়ার হোসেন মাস্টার ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কবিরাজকে গণধোলাই থেকে রক্ষা করেন।
স্থানীয়রা দাবি করেন, দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের কাজী মাসুদ রানা একলাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে পড়িয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে কাজী মাসুদ রানার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একটি বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে হবে বলে আমাকে ওই এলাকায় যেতে বলা হয়েছিল। ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়ের (পাত্রীর) জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে বলি। পরিচয়পত্র দিতে না পারায় আমি সঙ্গে সঙ্গে ফিরে এসেছি। রেজিস্ট্রি বা বিয়ে পড়ানোর তো কোনো প্রশ্নই উঠেনা। কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।
সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর স্থানীয়রা ওই কবিরাজকে হিজরা দাবি করেন। পরে স্থানীয়দের অনুরোধেই তাকে ওই এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
কবিরাজ আলতাফের পরিবারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ভাতিজা ইয়ামিন ফোন ধরেন। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আলতাফ আলী আমাদের এলাকায়ও (ঘাটাইল) কবিরাজি করত। কিন্তু সে একটি ছেলেকে বিয়ে করবে এটা মেনে নিতে পারছিনা।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে মাকে বেঁধে রেখে ছিনতাই করা শিশু জুনায়েদকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে দেলদুয়ার উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রাম থেকে পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সখীপুর থানার পুলিশ যৌথ অভিযানে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পিবিআই টাঙ্গাইলের এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশুটি বর্তমানে পিবিআই টাঙ্গাইলের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, সখীপুর থানা পুলিশ ও পিবিআই যৌথ উদ্যোগে সোমবার (৫ এপ্রিল) রাত ১০টা থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুকে বিক্রি করার জন্য তারা জাঙ্গালিয়া গ্রামে নিয়ে রেখেছিলো। বিক্রির আগেই উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় কালিহাতীর হাবলা গ্রামের পরান ডাকাত ও তার স্ত্রীসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।
প্রকাশ, গত বুধবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা এলাকার ট্রাকচালক আছর উদ্দিনের ঘরে সিঁধ কেটে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রী কল্পনা আক্তারের মুখ বেঁধে আড়াই মাসের শিশু জোনায়েদকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) শিশুর মা কল্পনা আক্তার বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সিঁধ কেটে জুনায়েদ নামের এক দুই মাসের শিশু চুরি হয়েছে। উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামে বুধবার (৩১মার্চ) গভীর রাতে এ মর্মান্তিক চুরির ঘটনা ঘটে।জুনায়েদ ওই গ্রামের ট্রাক চালক আছির উদ্দিনের ছেলে । এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
শিশুর মা কল্পনা আক্তার জানান, স্বামীর ট্রাক চালাতে যাওয়ায় বুধবার রাতে তিনি ওই শিশুকে নিয়ে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুইজন চোর সিঁধ কেটে তার ঘরে ঢুকে। সে হঠাৎ জেগে ওঠায় একজন চোর তার মুখ চেপে ধরে, মুখে গামছা বাধে। আরেকজন চোর শিশুকে কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। চোররা পালিয়ে গেলে আমার ডাকাডাকিতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। চুরি যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ওসমান (২৮) নামের এক বিদ্যুৎ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকালে উপজেলার প্রতিমা বংকী পল্লীবিদ্যুৎ সাবস্টেশনের পশ্চিম পাশেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওসমান ধনবাড়ী উপজেলার হাসমত আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই পল্লী বিদ্যুতের নিওট্রাল তার টাঙানোর কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। এক পর্যায়ে দুই শ্রমিক বিদ্যুতায়িত হয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। পরে আহত ওসমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কারিজ জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই ওসমানের মৃত্যু হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের প্রতিমা বংকী অভিযোগ কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্বাধীনতা দিবস থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু ছিল। ঠিকাদার আমাদের না জানিয়েই লাইনে কাজ করছিল। তাছাড়া নিওট্রাল লাইনে বিদ্যুৎ থাকার কথা নয়। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো বাড়ির সার্ভিস লাইন থেকে তারটি বিদ্যুতায়িত হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অধীনস্থ কল্যাণ তহবিলের সভাপতির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা নানা অনিয়ম দুর্নীতি অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
শনিবার(১৩ মার্চ) দুপুরে সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের উপজেলার কচুয়া বাজার চৌরাস্তা মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ছয় শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত তুলা মিয়াকে তহবিলের সভাপতির পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত তুলা মিয়া উপজেলার কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
সমাবেশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন, কাইয়ুম হুসাইন, মিজানুর রহমান, একে ফজলুল হক, মতিউর রহমান ভূঁইয়া, ফরমান আলী, আতিকুল হক ছমির, লাল মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ মিয়া এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের সদস্য গোলাম কিবরিয়া বাদল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষকরা জানান, কল্যাণ তহবিলের সভাপতি মো. তুলা মিয়া (সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের) ২৭ লাখ ৪৬ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করেছে। আগামী সাতদিনের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ না করলে শিক্ষক-কর্মচারীরা কঠোর আন্দোলনে যাবেন।
তারা আরও বলেন, কচুয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তুলা মিয়া সমিতির কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার কাছে থাকা ওই তহবিলের প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়ায় ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও তিনি উল্টো বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষকের নামে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কল্যাণ তহবিলের সমুদয় কাগজপত্র, এফডিআর, রেজিস্টার, ব্যাংক চেকবই ফেরত দিচ্ছেন না। টাকা আত্মসাতের বিষয়ে সংগঠনের ৮ শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা আরও জানান, ইতোমধ্যে উপজেলার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী অবসরে চলে গেছেন।
তুলা মিয়া ওই টাকা ও কাগজপত্র না দেওয়ায় অবসরে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে কল্যাণ তহবিলের প্রাপ্ত টাকা বিতরণও করা যাচ্ছেনা।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রলোভন দেখিয়ে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার( ২ মার্চ) বিকালে ধর্ষণের শিকার এক শিশুর বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।অভিযুক্ত হায়দার আলী (৪৮) উপজেলার দামিয়া এলাকার আবদুল কদ্দুস মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত হায়দার আলী দীর্ঘদিন ধরে কচুয়া বাজারে মনোহারী দোকান করে আসছিল। সে দুই সন্তানের জনক।
এ প্রসঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনি জানান, ব্যবসায়ী হায়দার আলী প্রতিবেশী দুই শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে ফুঁসলিয়ে তার নিজ ঘরে ডেকে নেয়। সেখানে প্রথমে শিশু দু’টিকে ধর্ষণ করে বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পরে একাধিকবার ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশু দু’টি অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়।
সখীপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই বদিউজ্জামান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে। শিশু দু’টিকে ডাক্তারি পরীক্ষা জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই দুই শিশু অভিভাবকদের হেফাজতে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, পুলিশ অভিযুক্ত হায়দার আলীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।