একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মারিয়া আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(১৮ আগস্ট) রাতে মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের গোড়াকী গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মারিয়াকে হত্যার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বড় ভাই মারুফ হোসেন।
পুলিশ ও মারিয়ার পরিবার জানান, গত ৭ মাস আগে তরফপুর ইউনিয়নের ডৌহাতলী গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের গোড়াকী গ্রামের বাবর আলী ওরফে বাবু খানের সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছেলে শাকিল খানের সঙ্গে বিয়ে হয়।
বিয়ের কয়েক দিন পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে শাকিল মাঝে মধ্যে মারিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। বিয়ের দুই মাস পর শাকিল সিঙ্গাপুর চলে যান। বিদেশ থেকেও শাকিল তার স্ত্রী মারিয়াকে মুঠোফোনে গালিগালাজ করতো।
বৃহস্পতিবার রাতে মারিয়া লাশ তার বসত ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।
মারিয়ার বড় ভাই মারুফ হোসেন জানান, রাতে খবর পেয়ে আমরা বোনের বাড়ি গিয়ে দেখি ঘরের দরজা খোলা। মারিয়া ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল কিন্তু পা খাটের মধ্যে ভাঁজ হয়ে আছে।ওরা আমার বোনকে হত্যার পর ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি বোনের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে শাকিল খানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
লতিফপুর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মো. আমিন উদ্দিন জানান, শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে মারিয়ার ভালো সম্পর্ক ছিল। তবে স্বামীর সঙ্গে মারিয়ার কি হয়েছে তা তিনি বলতে পারবেন না।
লতিফপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন রনি জানান, পুলিশ মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।
মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার মো. আরিফ তালুকদার জানান, সুরতহাল শেষে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ধর্ষণে এক স্কুলছাত্রী (১২) সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এ ঘটনায় তার দুলাভাই সবুজ মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
বুধবার (১৭ আগস্ট) সকালে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃত সবুজ মিয়া ঘাটাইল উপজেলার গর্জনা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে।
জানা গেছে, আটককৃত সুবজ প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে করেন। প্রায় সাত মাস আগে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন তিনি। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে সবুজ। পরে ভয় দেখিয়ে এভাবে তাকে আরো চার থেকে পাঁচ বার ধর্ষণ করে। এতে ভুক্তভোগী শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হলেও বাড়ির লোকজন টের পাননি।
এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটি অসুস্থ হলে, পরিবারের সদস্যরা অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে দুলাভাই সবুজ তাকে ধর্ষণ করেছে বলে জানায়। পরে পরিবারের লোকজন কৌশলে সবুজকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে আনেন। এর আগে ভুক্তভোগীর বাবা সবুজের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাতে পুলিশ শ্বশুরবাড়ি থেকে সবুজকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে সবুজকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শ্যালিকাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। বুধবার সকালে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
তিনি আরো জানান,একই সঙ্গে সবুজকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সাংবাদিকদের মাঝে করোনাকালীন সময়ে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে প্রণোদনার(দ্বিতীয় পর্যায়) চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ওই চেক সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক(সার্বিক) আমনুল ইসলামের সভাপতিত্বে চেক প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সহকারী কমিশনার দ্বীপ ভৌমিক প্রমুখ।
এ সময় টাঙ্গাইল সদর ও মির্জাপুর উপজেলার ২২ জন সাংবাদিককে করোনাকালীন প্রণোদনার ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের চেক প্রদান করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের সোনালিয়া চকবাজার এলাকায় নিখোঁজ হওয়ার ৩ দিন পর গজারি বন থেকে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওই এলাকার মৃত মো. জগু মিয়ার ছেলে মো. জরু মিয়া (৬০)।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,পারিবারিক কলহের জের ধরে নিহত ওই ব্যাক্তি বুধবার (৩ আগষ্ট) বিকাল থেকে নিখোঁজ। নিহত ব্যাক্তির আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে অনেক খুঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায় নি।
আরো জানা যায়,নিহত ব্যাক্তির ছোট ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য স্থানীয় এক আদম ব্যাবসায়ীকে আনুমানিক ৪ লক্ষ টাকা দিয়েছে। এখন ওই আদম ব্যাবসায়ী বিদেশ পাঠাচ্ছে না বলে জানা যায়। এ টাকা নিয়েও পরিবারে অনেক কথা-কাটাকাটি হয় বলে জানান নিহতের পরিবার।
শুক্রবার (৫ আগষ্ট) আনুমানিক সকালে নিহত ব্যাক্তির বাড়ির দক্ষিণ দিকের গজারি বনের পাশে ধানের জমিতে শ্রমিকরা কাজ করতে যাওয়ার পর তারা জমির পাশে বনের ভেতর দেখতে পায় মৃত ব্যাক্তি।পরে তাদের ডাকচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে স্থানীয়রা উপজেলার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নদীতে গোসল করতে এসে প্রিয়াঙ্কা বণিক (৬) নামে একটি শিশু নিখোঁজ হয়েছে।
শুক্রবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রিয়াঙ্কা মির্জাপুর উপজেলার সাহাপাড়া গ্রামের প্রবীর বণিকের মেয়ে।
জানা গেছে, সকালের দিকে প্রিয়াঙ্কা তার দাদীর সঙ্গে লৌহজং নদীর দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির ঘাটে গোসলে নেমে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়।
খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল মির্জাপুরে এসে নদীর ওই স্থানের আশপাশে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
মির্জাপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র তাপস সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে হারুন অর রশিদ (৪০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২০ জুলাই) বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার পাকুল্যা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হারুন অর রশিদ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সুবিথ গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা টুটুল বলেন, ‘সকালে হারুন মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেলে আহত হন তিনি। স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে থেমে থাকা ট্রাকে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৬ জুলাই) ভোর সাড়ে চারটার দিকে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা মনসুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাসের কমপক্ষে ১০ যাত্রী আহত হন। তাদের কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ঢাকাগামী থেমে থাকা বালুভর্তি একটি ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বিনিময় পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে ঢাকার দিকে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
এতে যানজটে আটকা পড়ে কর্মস্থলগামী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর মির্জাপুর থানা পুলিশ রেকারের সাহায্যে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি সরিয়ে নিলে সকাল পৌনে ৭টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা টুটুল জানান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ পুলিশ সুপার (এসপি) দেওয়ান লালন আহমেদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বাদ আসর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত আইজিরা, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানরা, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা, মরহুমের সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজন জানাজায় অংশনেন।
জানাজা শেষে আইজিপি মরহুমের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, এসবির অতিরিক্ত আইজি ও পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অন্যান্য নেতারা, ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত আইজি মোহাম্মদ আলী মিয়া, ২৪তম বিসিএস ফোরাম, ২৪তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ এবং গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
পরে একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল মরহুমকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। তাকে টাঙ্গাইলে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
আইজিপির শোক
পুলিশ সুপার দেওয়ান লালন আহমেদের মৃত্যুতে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোক বাণীতে আইজিপি বলেন, দেওয়ান লালন আহমেদ একজন প্রতিভাবান কর্মকর্তা ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে আমরা একজন দক্ষ কর্মকর্তাকে হারালাম।
আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. কামরুজ্জামান জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশে কর্মরত পুলিশ সুপার (এসপি) দেওয়ান লালন আহমেদ (৪৩) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুর দেড়টায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
তিনি ঢাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তরে পুলিশ সুপার (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) পদে কর্মরত ছিলেন।
তিনি বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থতাবোধ করলে তাকে দ্রুত রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, এক বোন ও এক ভাইসহ আত্মীয়-স্বজন ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার ছাঁওয়ালী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মো. নুরুল ইসলাম এবং মাতা মরহুমা রওশন আরা বেগম।
দেওয়ান লালন আহমেদ ২৪তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে ২০০৫ সালের ২ জুলাই সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি এ বছর জুলাই মাসের ৭ তারিখে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তরে যোগদান করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন-নাটোর জেলার বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৩৬) ও আরিফুল (৩৫)।
শুক্রবার (৮ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার জামুর্কী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গোড়াই হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. বিল্লাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারা দুজন মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকা থেকে নাটোরে যাচ্ছিলেন। জামুর্কী এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এ সময় একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপরজন কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দেওভোগ দক্ষিণপাড়া এলাকার ক্লু-লেস হযরত আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টাঙ্গাইল।
হত্যাকান্ডে জড়িত নিহত হযরত আলীর নাতি আসিফকে গ্রেফতার করেছে পিআইবি। সোমবার (৪ জুলাই) দুপুরে এক প্রেসবিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য জানান পিবিআই।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হযরত আলী ও তার বড় ছেলে জাহাঙ্গীর এবং নাতি আসিফ কুমুল্লির বিলে নিজেদের জায়গায় পানি সেচে মাছ ধরতে যায়। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয় হযরত আলী। পরে ২০২১ সালের ৩ মার্চ সকালে বাদীর চাচাতো ভাই মোস্তফা ঘটনাস্থলের পাশে ইরি ক্ষেতে সার দিতে গিয়ে দূর্গন্ধ পায়। পরে সে তার ক্ষেতের পাশে পুকুরে কচুরী পানার মধ্যে একটি লাশ দেখতে পায়। এ সময় তার ডাক- চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে বাদী সুজন মোল্লা তার পিতার লাশ সনাক্ত করে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় অজ্ঞাতনামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে। পিবিআই এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীনের দিক নির্দেশনায় তথ্য প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার আশরাফুল কবির ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি এলাকা থেকে আসিফ (১৮) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া আসিফ জানায়, হযরত আলী, সে ও তার মামা জাহাঙ্গীর মোল্লা ঘটনার রাতে মাছ ধরতে যায়। পরে জাহাঙ্গীর পিছন থেকে হযরত আলীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এ সময় আসিফকে তার মামা জাহাঙ্গীর হত্যার বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করে এবং লাশ গুম করার জন্য সহযোগিতা করতে বলে। লাশ গুম করতে যদি সহযোগীতা না করে তাহলে তাকেও হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেয় জাহাঙ্গীর। পরে আসিফ ও তার মামা হযরত আলীর লাশ পুকুরের এক পাশে কচুরি পানা দিয়ে ঢেকে রাখে এবং রক্ত পানি ও কাঁদা দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখে। পরে তারা বাড়ি চলে যায়।
টাঙ্গাইল পিবিআই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, জায়গা জমির ভাগ বাটোয়ার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাপ-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আর এ কারণেই এই হত্যাকান্ড। রোববার(৩জুলাই) হত্যাকান্ডে জড়িত হযরত আলীর নাতি আসিফকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহত হযরত আলীর বড় ছেলে জাহাঙ্গীর মোল্লা আগে থেকেই কারাগারে রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানতে পেরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন খালেদা আক্তার (৩২) নামের এক গৃহবধূ।শনিবার (২৫ জুন) সকালে জয়দেবপুর-যমুনা সেতু রেল সড়কের মির্জাপুর উপজেলার ধেরুয়া রেল সেতু এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।
খালেদা উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রশিদ দেওহাটা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের প্রথম স্ত্রী।
এলাকাবাসী জানান, রশিদ দেওহাটা গ্রামের হালিম মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন মীর দেওহাটা গ্রামের খালেদা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। আনোয়ার দুই বছর আগে রশিদ দেওহাটা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মেয়ে রাশেদা আক্তারকেও গোপনে বিয়ে করেন। বিষয়টি গত এক সপ্তাহ আগে প্রথম স্ত্রী খালেদা জানতে পারেন। এরপর থেকে তাদের সংসারে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
শনিবার সকালে এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধেরুয়া রেল সেতু এলাকায় ঈশ্বরদী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ঢাকা কমিউটার (৯৯) ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন খালেদা।
গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও রশিদ দেওহাটা গ্রামের বাসিন্দা মো. কামরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে মির্জাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. কামরুল হাসান জানান, খবরটি গাজীপুরের জিআরপি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) ও ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে একই দিন ভোরে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ঘাটাইল উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. আরিফুজ্জামান পলাশ (৩৫), গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মো. বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. কামরুজ্জামান শান্ত (২৪)।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস ও এক হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘জব্দকৃত আইসের বাজার মূল্য ২৫ লাখ টাকা। ইয়াবার বাজার মূল্য তিন লাখ টাকা। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মির্জাপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।’