/ হোম / মধুপুর
প্রেমিকার অন্যত্র বি‌য়ে,  ঢাবি শিক্ষার্থী টাঙ্গাইলের প্রিতমের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

প্রেমিকার অন্যত্র বি‌য়ে, ঢাবি শিক্ষার্থী টাঙ্গাইলের প্রিতমের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপু‌রে প্রেমিকার অন্যত্র বি‌য়ে হ‌য়ে যাওয়ায় প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ (২১) নামে ঢাকা বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত‌্যা ক‌রে‌ছেন। রোববার (০৬ ফেব্রুয়া‌রি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি বিষপান করেন। পরে ময়মন‌সিংহ মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জ হাসপাতা‌লে নেওয়ার প‌থে তার মৃত্যু।

প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ মধুপুর পৌরসভায় সাথী সি‌নেমা হল রো‌ডের পা‌র্শ্বের উত্তম কুমার সিং‌হের ছে‌লে। তিনি ঢাবির চারুকলা বিভা‌গের স্নাতক (সম্মা‌ন) শেষ ব‌র্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গে‌ছে, টাঙ্গাইলের কুমু‌দিনী সরকারি ম‌হিলা ক‌লে‌জের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল প্রিতমের। সম্প্রতি মেয়েটির অ‌ন‌্যত্র বি‌য়ে হ‌য়ে যায়। প্রেমিকা‌কে হারানোর বেদনা ও ক্ষোভে রোববার(৬ ফেব্রয়ারি) রাতে নিজ বাড়িতে ইঁদু‌র মারার বিষপান করে আত্মহত‌্যার চেষ্টা ক‌রেন প্রিতম। এতে তিনি অসুস্থ‌ হ‌য়ে পড়‌লে প্রথ‌মে তাকে মধুপুর উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কম‌প্লে‌ক্স ভ‌র্তি ক‌রে। প‌রে তার শা‌রীরিক অবস্থার অবন‌তি হ‌লে উন্নত চি‌কিৎসার জন‌্য ময়মন‌সিংহ মে‌ডি‌কেল কলেজ হাসপাতা‌লে নেওয়ার প‌থে তার মৃত‌্যু হয়। প‌রে সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বি‌কে‌লে টাঙ্গাইলের রানিদিনমনি মহাশ্মশান ঘা‌টে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

মধুপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়া‌র্ডের কাউন্সিলর বাবলু আকন্দ বলেন, প্রেমঘ‌টিত কার‌ণে প্রিতম আত্মহত‌্যা ক‌রে‌ছেন ব‌লে জানতে পে‌রে‌ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:২৯:এএম ৪ বছর আগে
দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশে এখন আর কেউ না খেয়ে থাকে না।

এখন প্রধানমন্ত্রী মানুষের বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে কাজ করছেন। ঘরহীনকে ঘর দিচ্ছেন, যাতে করে কেউ ঘরহীন, গৃহহীন না থাকে। এ দেশে কেউ ঘরহীন থাকবে না।

শনিবার (৫ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের মধুপুরে শোলাকুড়িতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিতরণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। মধুপুর উপজলা প্রশাসন ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মধুপুরের আদিবাসী গারোদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, বাঙালি, গারো, হাজং, চাকমা, মারমাসহ অবাঙালি ও সকল ধর্মের বর্ণের সবাই মিলে আমরা একটা পরিবার। বর্তমান সরকার আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু কিছু এনজিও আদিবাসীদের উন্নয়নের নামে বিদেশি সাহায্য এনে নিজেদের ব্যক্তিগত উন্নয়নে ও বাড়ি-গাড়ি কেনায় তা ব্যয় করছে। এ ব্যাপারে আদিবাসীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, গারোদের ওপর বন বিভাগের অযৌক্তিক মামলা প্রত্যাহারে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। কোনো গারোকে তার বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে না এবং কেউ বন বিভাগের অযৌক্তিক মামলার মাধ্যমে হয়রানির শিকার হবেন না।

অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন, পৌরসভার মেয়র মো. সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহম্মেদ নাসির, শোলাকুড়ি ইউপির চেয়ারম্যান আখতার হোসেন প্রমুখ  উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:২৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নতুন করে ৭৩ জন করোনা আক্রান্ত,শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৭৩ জন করোনা আক্রান্ত,শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৭৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২১৫ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৭৩ জনের করোনা সনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ৩৩ দশমিক ৯৫ ভাগ।সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান,  এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ২১৬ জন।আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৫৮ জন, দেলদুয়ার উপজেলায় ৩ জন, সখীপুর ২ জন, কালিহাতী ৩জন , মধুপুর ৪জন, ভূঞাপুর ২ জন ও গোপালপুর উপজেলায় ১ জন নিয়ে মোট ৭৩ জন।

তিনি আরো জানান, আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ১৬ হাজার ৬৭৫ জন।তবে ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যাননি। জেলায় সর্বমোট করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬০ জন।

অপরদিকে, টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের তিনজন স্টাফ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সোমবার নারী ও শিশু আদালতের সকল বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আদালতে তালা ঝুলছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আলী আহমেদ জানান, আদালতের তিনজন স্টাফ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারনে সকল বিচারিক কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জানুয়ারী ২০২২ ১২:১৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও শিশুসহ নিহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও শিশুসহ নিহত ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপু‌রে পিকআপের ধাক্কায় সিএন‌জি চালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হ‌য়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন মহিলা ও এক শিশু রয়েছে। শুক্রবার (৭ জানুয়া‌রি) সকাল ৭টার দি‌কে মধুপুর বাসস্ট‌্যান্ড সংলগ্ন রুপালী ফি‌লিং স্টেশ‌নের কা‌ছে ওই ঘটনা ঘ‌টে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তা‌রিক কামাল।

নিহত পুরু‌ষের বা‌ড়ি শেরপু‌রের শ্রীবরদী উপ‌জেলায়, এবং শিশু ও নারীর বা‌ড়ি জামালপু‌রের দেওয়ানগঞ্জ উপ‌জেলায়। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তা‌রিক কামাল  জানান, দুর্ঘটনায় শিশু ও তার মাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ত‌বে তা‌দের প‌রিচয় পাওয়া যায়‌নি। দুর্ঘটনা কব‌লিত প‌রিবহনগু‌লো জব্দ ক‌রে থানায় আনা হ‌য়েছে।

একতার কণ্ঠ

তিনি আরো জানান, নিহত‌দের প‌রিচয় শনা‌ক্তের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জানুয়ারী ২০২২ ০৬:৩৭:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ইয়াসমিন (১৯) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি টানপাহাড় এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ইয়াসমিন ওই এলাকার আব্দুল লতিফ মৃধার মেয়ে।

গৃহবধূর চাচা জুলহাস উদ্দিন জানান, কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি গ্রামের হাসু মিয়ার ছেলে নুরুন্নবীর সাথে পারিবারিকভাবে ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে ইয়াসমিনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার উপর নির্যাতন করত। এক বছর আগে ইয়াসমিন একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ধরাটি টানপাহাড় এলাকায় একটি জলপাই গাছের নিচে ইয়াসমিনকে রক্তাক্ত অচেতন অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়াসমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

গৃহবধূর শাশুড়ি নূরজাহান বেগম জানান, তাদের নতুন বাড়িতে কাজ চলছে। এ জন্য তিনি সেখানেই ছিলেন। ছেলের বউ বাড়িতে একাই ছিল। কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে তা তিনি বলতে পারছেন না।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামাল জানান, বিকেলে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা আব্দুল লতিফ মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২১ ০৪:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যার পর সেতুর রেলিংয়ে ঝুলাল ভ্যানচালকের লাশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যার পর সেতুর রেলিংয়ে ঝুলাল ভ্যানচালকের লাশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় চানমিয়া চানু (৬০) নামে এক ভ্যানচালক খুন হয়েছেন। তাকে হত্যা করে সেতুর রেলিংয়ে ঝুলিয়ে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা বলে জানান স্থানীয়রা। বুধবার (১৩ অক্টোবর) সকালে পলাইআটা-ধলপুর সেতুতে ঝুলন্ত অবস্থায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।কুড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী  ওই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত চান মিয়া কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামের পলাইআটার মৃত জুব্বার মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন।

কুড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী জানান, সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিনের কাছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গামছায় পা বাঁধা অবস্থায় নেটের প্লাস্টিক রশিতে ঝুলে থাকা চানুর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) তারিক কামাল জানান, দুপুর ১২টার দিকে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২১ ১২:৩০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত নাতির হাতে বৃদ্ধা দাদী খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত নাতির হাতে বৃদ্ধা দাদী খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় সেফাতন নেছা খান (৯০) নামে এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ওই বৃদ্ধার নাতি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করেছেন স্থানীয়রা। রবিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের মহিষমারা গ্রামের বাগানবাড়ি চৌরাস্তা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

মৃত সেফাতন নেছা খান ওই গ্রামের মৃত সিরাজ খানের স্ত্রী। ঘাতক নাতির নাম মঞ্জুর হোসেন (২৫)। তিনি সেফাতন নেছার ছেলে মনসুর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, মঞ্জুর মাদকাসক্ত। তিনি নেশার টাকার জন্য দাদির কাছে টাকা চেয়েছিলেন। না পেয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা ধারণা করছেন।

নিহতের স্বজনের বরাতে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামাল জানান, সেফাতন নেছা বাড়িতে একা ছিলেন। দুপুর ১২টার দিকে তার নাতি মঞ্জুর হোসেন তার কাছে টাকা দাবি করেন। সেফাতন নেছা টাকা দিতে অস্বীকার করলে মঞ্জুর একপর্যায়ে কুপিয়ে প্রথমে সেফতন নেছাকে আহত ও পরে তাকে গলাকেটে হত্যা করেন। সেফাতন নেছার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসার পর মঞ্জুর পালিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে। তারা হত্যাকারীকে আটক করার অভিযানে আছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২১ ০১:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বপ্নের আগর বাগান করে দুঃস্বপ্ন দেখছে মালিকরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বপ্নের আগর বাগান করে দুঃস্বপ্ন দেখছে মালিকরা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের পাহাড়িয়া অঞ্চল মধুপুর ও ঘাটাইলের বাগান মালিকরা স্বপ্নের আগরগাছের বাগান করে এখন দুঃস্বপ্ন দেখছে। চারা লাগানোর ১০ বছরে বড় হয়ে পরিপক্ক হয়ে সুগন্ধি কষ বেড়োনোর কথা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পাড় হওয়ায় পরও তার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছেনা।

গাছগুলো পরিপক্ক হতেই আরও ৫-৬ বছর সময় লাগবে বলে বন বিভাগ সাফ বলে দিয়েছে। ফলে স্বপ্নের আগর বাগান তাদের কাছে এক দুঃস্বপ্নের গাছে পরিণত হয়েছে।

জানাগেছে, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বনবিভাগ আগর বনায়নের প্রকল্প হাতে নেয়। আগর মূলত একটি গাছের নাম। আগর শব্দের আভিধানিক অর্থ উৎকৃষ্ট বা সুগন্ধবিশিষ্ট কাঠ। ওই সময় মধুপুর ও ঘাটাইলের পাহাড়ি অঞ্চলের লালমাটির বেশ কিছু এলাকায় আগরের বাগান করা হয়।

এক প্রকার জোর করেই তাদের দিয়ে আগরের বনায়ন করানো হয়েছিল। মূল্যবান আগরগাছের বাগান করলে তাড়াতাড়ি ধনী হওয়া যাবে। ১১ বছরের মধ্যে গাছগুলোতে নম্বর দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৩-১৪ বছরেও গাছে নম্বর ফেলানো হচ্ছে না। এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বনবিভাগকে বার বার অনুরোধ করা হয়েছে।

ওই সময় বন বিভাগ থেকে বলা হয়েছিল, আগর চাষ দারুণ লাভজনক। এর কাঠ বিশেষ কায়দায় খ-বিখ- করে প্রসেসিংয়ের পর এর নির্যাস বাস্পীভবন ও শীতলীকরণের মাধ্যমে দামি সুগন্ধি আতর, ওষুধ, সাবান, শ্যাম্পু, পারফিউম এবং অবশিষ্ট অংশ আগরবাতি বানানোর কাজে ব্যবহৃত হবে।

এভাবে আগর চাষে বাগান মালিকদের ভাগ্য বদল হবে। সে সময় ভাগ্য বদলের স্বপ্নে অনেকেই আগর চাষ করেছিল। বর্তমানে গাছের বয়স ১৩-১৪ বছর হলেও আগরগাছগুলো এখনও পরিপক্ক বা কষ বেড় হওয়ার উপযুক্ত হয়নি। বনবিভাগ বাগানের আগরগাছ থেকে কষ বের করার জন্য পেরেক মারার কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।

আগর গাছের কোন নাম্বারিংও করেনি। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলায় আগরগাছ প্রসেসিংয়ের কোনো কারখানা নেই। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় কারখানা থাকলেও ফরেস্ট ট্রানজিট রুলসের কারণে সেখানে গাছ সরবরাহ করা কষ্টসাধ্য।

সরেজমিনে জানা যায়, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় সারি সারি আগরগাছ দাঁড়িয়ে আকাশ ছোঁয়ার চেষ্টা করছে। তবে গাছগুলো এখনও পরিপক্ক বা প্রসেসিং করার উপযোগী হয়নি।

রোপণের সময় বন বিভাগ জানিয়েছিল, আগর চারা লাগানোর ১০ বছরের মধ্যে তা প্রসেসিংয়ের পর কষ থেকে সুগন্ধি তৈরি করা হবে- যার দাম লাখ লাখ টাকা, কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।

ঘাটাইলের সাঘরদিঘী রেঞ্জের কামালপুর গ্রামের বাগান মালিক কামরুল হাসান জানান, তিনি দেড় একর পৈত্রিক সম্পত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খাস হওয়ার ভয়ে এক রকম বাধ্য হয়েই আগরগাছের বাগান করেন। যদিও বাগান করতে তখন তাকে লাখ লাখ টাকা লাভের স্বপ্ন দেখানো হয়।

কিন্তু লাভ তো দূরের কথা দীর্ঘ ১৩-১৪ বছরেও আগরগাছ পরিপক্কই হয়নি। দেড় একর জায়গায় আগরগাছ লাগিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এটা থেকে কোনো আয় হবে কি না সন্দেহ রয়েছে। শুধু তিনি নন এলাকার অনেকেই আগরগাছ লাগিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

তিনি জানান, আগরগাছ সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা ছিল না। বনবিভাগ জানিয়েছিল, এই গাছ থেকে এক ধরণের সুগন্ধি বের হবে- যা অনেক মূল্যবান।

কামরুল হাসান জানান, এক প্রকার জোর করেই তাদের দিয়ে আগরের বনায়ন করানো হয়েছিল। মূল্যবান আগরগাছের বাগান করলে তাড়াতাড়ি ধনী হওয়া যাবে। ১১ বছরের মধ্যে গাছগুলোতে নম্বর দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১৩-১৪ বছরেও গাছে নম্বর ফেলানো হচ্ছে না। এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বনবিভাগকে বার বার অনুরোধ করা হয়েছে।

সাঘরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. ওয়াজেদ আলী ও ভুক্তভোগী অপর বাগান মালিক আব্দুল খালেক জানান, আগর গছের জন্য যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল তা তিন বছর আগেই পাড় হয়েছে। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে আগরগাছের বাগান করা হয়েছিল।

বনবিভাগ বলেছিল এগুলো থেকে বহু টাকা আয় হবে। তখন বনবিভাগের সঙ্গে বাগান মালিকদের দলিলের মাধ্যমে চুক্তিনামা হয়েছিল। সেখানে গাছের ১০ বছরের মেয়াদ ছিল। কিন্তু এখন ১৩-১৪ বছর পাড় হলেও গাছের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। প্রথম দিকে বনবিভাগ খোঁজ-খবর নিলেও গত কয়েক বছরে তারা কোনো খোঁজই নেয়নি।

তারা জানান, ওই ভূমিতে অন্যান্য গাছ, বিভিন্ন সবজি বা ফল জাতীয় গাছ লাগালে ১৩ বছরে অনেক লাভবান হতে পারতেন। আগরগাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কষ বের হতে তারা দেখেন নাই। এ বিষয়ে বনবিভাগ কোন উদ্যোগও নেয়নি।

মধুপুর উপজেলার কুড়াগাছা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক জানান, বনবিভাগের প্রভাবে দীর্ঘ একযুগ আগে তিনি দেড় বিঘায় আগরগাছ লাগিয়েছেন। আগর গাছে না কি সোনা ফলে- সোনার দামে তো দূরের কথা, সস্তা জ্বালানি কাঠ হিসেবেও ওই গাছ বিক্রি করা যাচ্ছে না।

টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক জানান, মধুপুর ও ঘাটাইলের পাহাড়িয়া অঞ্চলে সরকারি আগর প্রকল্পের গাছ এখনও পরিপক্ক হয়নি। তাদের আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে। এখনও আগর প্রডাশনের অবস্থায় আসেনি।আগর সত্যিই অতি মূল্যবান গাছ। যখন আগর প্রডাকশন হবে তখন তাদের ভুল ভেঙে যাবে। তারা লাভবান হবেন।তিনি আরও জানান, আগর গাছগুলো তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। গাছগুলো এখনও যথেষ্ট চিকন এবং অপরিপক্ক। পরিপক্ক হতে আরও সময় দিতে হবে।

আগামি ৫-৬ বছরের আগে গাছ পরিপক্ক হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। জেলায় প্রসেসিংয়ের ব্যবস্থা করা হলে তা থেকে খুব একটা লাভবান হওয়া যাবে না। গাছগুলো থেকে পুরোপুরি লাভবান হতে হলে মৌলভীবাজারে পাঠাতে হবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২১ ০১:৪২:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুৃপুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুল ইসলাম (১৬) নামে দশম শ্রেনীর এক ছাত্র নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ফুলবাগচালা ইউনিয়নে কালিয়াকুড়ি নামক স্থানে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।রফিকুৃল ইসলাম কালিয়াকুড়ি গ্রামের ময়েন উদ্দিনের ছেলে এবং কালিয়াকুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার ফুলবাগচালা ইউনিয়নের কালিয়াকুড়ি জামালের মোড় নামক স্থানে রাস্তার পাশে বসে দশম শ্রেনীর ছাত্র রফিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে গেমস খেলছিল। হঠাৎ বেপোরয়া গতিতে একটি মাইক্রো (হায়েচ) রফিকুলের উপর দিয়ে তুলে দেয়। স্থানীয়রা গুরতর আহত অবস্থায় রফিকুলকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। গাড়ী চালক সুভকচনা গ্রামের সালেম মারাকের ছেলে ফারুক নকরেককে স্থানীয়রা আটক করে।

ঘটনার ধামাচাপা দিতে তরিঘড়ি করে স্থানীয় ফুলবাগচালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনু, সদস্য ময়নাল হক ও মোস্তফা মিয়া পরিষদে বসে নিহতের পিতা ময়েন উদ্দিন, অভিযুক্ত গাড়ী চালক ফারুক নকরেক, তার পিতা সালেম মারাকসহ স্থানীয় আধিবাসী নেতা তুষার নকরেক মধ্যস্থতায় মাঝরাত পর্যন্ত সালিশী বৈঠক করে। বৈঠকে নিহত রফিকুলের পিতাকে ক্ষতিপুরণ বাবদ ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা দেওয়ার সাব্যস্ত হয়। শনিবার কোন রকম ময়না তদন্ত ছাড়াই দুর্ঘটনায় নিহত রফিকুল ইসলামের মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ময়নাল হক বলেন, সালিশের মীমাংসার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান জানেন।

ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনু সালিশে মীমাংসার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সালিশের সময় আমি অন্য রুমে ছিলাম, সিদ্ধান্তটি ইউপি সদস্য ময়নাল হক, মোস্তফা মিয়া, আদিবাসী নেতা তুষার নকরেক, গাড়ী চালক ফারুক নকরেক ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকায় মীমাংসা করেন।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) তারিক কামাল জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি তিনি জানেন, নিহতের পিতা মামলা না করায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। তবে ঘটনার বিষয়ে সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।

 

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৪৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার পাচ্ছেন ছড়াকার কাশীনাথ মজুমদার পিংকু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার পাচ্ছেন ছড়াকার কাশীনাথ মজুমদার পিংকু

একতার কণ্ঠঃ শিশুসাহিত্যে জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার-২০২১ এর জন্য মনোনিত হয়েছেন ছড়াকার ও সাংবাদিক কাশীনাথ মজুমদার পিংকু। শিশুসাহিত্যে জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখায় তরুন ক্যাটাগরিতে তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনিত করা হয়েছে । মঙ্গলবার(২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে  টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম বাদল স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞতিতে ওই তথ্য জানানে হয়।

আগামী ৮ অক্টোবর টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক ও জাতিসত্তার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদার কাছ থেকে তিনি এই পুরস্কার গ্রহন করবেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে থাকার কথা রয়েছে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. ফজলুর রহমান খান ফারুক  ও সভাপতিত্ব করার  কথা রয়েছে টাঙ্গাইলের জেলাপ্রশাসক ডক্টর. মো. আতাউল গনির।

প্রকাশ, কাশীনাথ মজুমদার পিংকু ১৯৭৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর মধুপুর উপজেলা সদরের স্বনামধন্য চৌধুরী বাড়িতে  মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। পিংকু’র বাবা গোপীনাথ মজুমদার এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক এবং তার মা এলেঙ্গা জিতেন্দ্রবালা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র শিক্ষিকা। কাশীনাথ মজুমদার পিংকু বর্তমানে এলেঙ্গাস্থ লুৎফর রহমান মতিন মহিলা কলেজে ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্যের সহকারী অধ্যাপক হিসেকে কর্মরত আছেন। এ পর্যন্ত তার ৫টি ছড়াগ্রন্থ, ২টি গল্পগ্রন্থ এবং ১টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

ইতিপূর্বে তিনি ছড়াসাহিত্যে অবদানের জন্য মাটির মা ফাউন্ডেশন প্রদত্ত ‘ কাব্যতীর্থ” সম্মাননা এবং ছোটগল্পে বাংলাদেশ রাইটার্স ইউনিয়ন প্রদত্ত ‘ অমরাবতী পান্ডুলিপি পুরস্কার লাভ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায় :: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায় :: কৃষিমন্ত্রী

একতার কন্ঠঃ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নির্বাচনে আসে না- বরং নির্বাচনকে ভয় পায়। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে চোরাগলি পথে ক্ষমতায় আসতে নানা পায়তারা করছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসতে হলে তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের ভোটে জয়ী হয়েই আসতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে কোন নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। সেটি সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। বাংলাদেশে কোন নিরপেক্ষ সরকার হবে না। কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। বাংলাদেশে হবে সাংবিধানিক সরকার। সংবিধানের আলোকে আগামী দিনের নির্বাচন হবে।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। যে নির্বাচন কমিশনের উপরে কোন সরকার, কোন প্রধানমন্ত্রী, কোন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নাই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সামরিক বাহিনী স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। এর ফলে সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের এখনও আড়াই বছর সময় রয়েছে। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারো বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে।

বিএনপির প্রতি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ভয় আপনারা দেখাবেন না। কারণ আন্দোলন দেখে আমরা ভয় পাই না।

আপনাদের আন্দোলন ২০১৩ সালে মোকাবিলা করেছি, ২০১৬ সালেও করেছি। হেফাজতকে মোকাবিলা করেছি। ইনশাল্লাহ আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এখন অনেক সক্ষমতা। তারা অনেক সুশৃঙ্খল, তারা অনেক বড় বড় দায়িত্ব পালন করেছে। জঙ্গীদের মোকাবিলা করে সারা পৃথিবীতে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রশংসা অর্জন করেছে।

শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মধুপুর পৌরসভা মিলনায়তন, দুপুরে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ ও টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিনিটি পৃথক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপির দুঃশাসন, অপশাসন, সন্ত্রাস ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করার কারণে তাদের পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে গেছে। তাদের সাথে জনগণ নেই। তারা আন্দোলনের ডাক দিলে জনগণ সাড়া দেয় না।

বিএনপি ২০১৫ সালে ৯০ দিনের হরতাল-অবরোধের নামে ৫০০ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। এর চেয়ে বর্বরতা ও সহিংসতা কি হতে পারে? শ’ শ’ গাড়ি পুড়িয়েছে। ৯০ দিন দেশকে অচল করে রেখেছিল। সে সকল সন্ত্রাস মোকাবেলা করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের জন্য সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশ প্রশংসিত হচ্ছে। সারা পৃথিবী আমাদেরকে স্যালুট করে।

আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড. রাজ্জাক বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি- রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ সহায়তা করা এবং সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেওয়া। রাজনৈতিকভাবে যদি কোনো আন্দোলন আসে, তাহলে আমরা সেই আন্দোলকে মোকাবিলা করব।

সংসদ ভবন এলাকায় জিয়াউর রহমানের কবরের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জিয়ার কবর নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। আমরা শুনেছি, অনেক বিএনপি নেতা বলেছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদও বলেছে- যে লাশটি এসেছিল সে লাশটি নাকি একজন সেনা কর্মকর্তার। তবে সেটি জিয়ার কি না, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে অভুতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশে আজ খাদ্যের কষ্ট ও হাহাকার নেই। করোনা মহামারীর মধ্যেও উন্নত দেশের মানুষ হিমশিম খাচ্ছে।

জীবন ও জীবিকাকে সমন্বয় করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে একটি সুন্দর অবস্থানে রেখেছে- যে কারণে দেশে বিপর্যয় নেমে আসেনি।

পরে তিনি টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সবুর খান বীর বিক্রমের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

জেলা শ্রমিক ফেডারেশনর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বালা মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, জেলা আ’লীগের

সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, বিশিষ্ট কবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, ৭১’- এ কাদেরিয়া বাহিনীর বেসামরিক প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মো. এনায়েত করিম প্রমুখ। সভায় শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে শনিবার সকালে মন্ত্রী মধুপুর পৌরসভা মিলনায়তনে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:১০:এএম ৫ বছর আগে
সুযোগ সন্ধানীদের কোনভাবেই দলীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া যাবেনা :: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সুযোগ সন্ধানীদের কোনভাবেই দলীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া যাবেনা :: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দীর্ঘ দেড় বছরে ধরে চলা মহামারী করোনার প্রকোপে আওয়ামী লীগের অনেক জেলা, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির সম্মেলন শেষ করা যায়নি।

বর্তমানে অনেক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। এখন করোনার সংক্রমণ অনেকটা কমে এসেছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ শুরু করার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করে দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। একইসাথে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগসহ দলের সহযোগী সংগঠনকেও আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দলের নতুন কমিটিতে তৃণমূলের পরীক্ষিত-নিবেদিত ও দু:সময়ে যারা পাশে ছিল- সেসব ত্যাগী কর্মীদেরকে দলে জায়গা করে দিতে হবে। অসৎ, সুযোগ সন্ধানী ও সুদিনের মৌমাছির মতো যারা দলে ভিড়েছে- তাদেরকে কোনভাবেই নতুন কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে না।

এছাড়াও কমিটিতে স্থান দিতে পারিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক আদর্শ বিবেচনায় আনতে হবে। বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ড. রাজ্জাক বলেন, সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা যাতে বিজয়ী হতে পারে- সেলক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সবাইকে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। যারা আওয়ামী লীগ করেও নৌকার প্রার্থীদের হারানোর চেষ্টায় বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক দেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল। আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জাতীয় স্বার্থে যে কোন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। আওয়ামী লীগ জাতীয় স্বার্থে কখনও কোনদিন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে না।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের নামে গাড়িতে, বাড়িতে, রাস্তায় নিরপরাধ মানুষকে পুড়িয়ে মারার আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যমূলক কর্মকান্ড থেকে আপনারা বিরত থাকুন।

আগামী ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। দেশের জনগণ আপনাদেরকে ভোটে বিজয়ী করলে আমরা আপনাদেরকে স্বাগত জানাব।

কিন্তু আন্দোলন-সংগ্রামের নামে সন্ত্রাস-নৈরাজ্যমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানোর দিবাস্বপ্ন ভুলে যান, বিএনপির সে শক্তি নেই।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ। বিশেষ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।