/ হোম / মধুপুর
মধুপুর বনের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে বন বিভাগের নানা উদ্যোগ - Ekotar Kantho

মধুপুর বনের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে বন বিভাগের নানা উদ্যোগ

 

একতার কণ্ঠঃ মধুপুরে বনের হারানো ঐতিহ্য ফিরাতে শাল বনের সাথে মানান সই দেশী প্রজাতির বৃক্ষ রোপন কার্যক্রম শুরু করেছে বন বিভাগ। জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীর খাদ্যের সংস্থান, নিরাপদ আবাস্থল টেকসই বনের জন্য বেত ও ভেষজ বৃক্ষের সমন্বয়ে বাগান করা হচ্ছে। টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের এ বনায়ন কার্যক্রমে মধুপুর শাল বনের হারানো ঐতিহ্য ফিরে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

বন বিভাগের দোখলা রেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল বন বিভাগের মধুপুরের দোখলা রেঞ্জের অরণখোলা মৌজায় সুফল প্রকল্পের মাধ্যমে ১শ হেক্টর দেশী নানা প্রজাতির ফলজ ও ৫০ হেক্টর বেত বাগান করা হয়েছে। জবর দখল রোধ, জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন্য প্রাণীদের খাদ্যের সংস্থান, নিরাপদ আবাস্থল, বনের মধ্যে বেড়া হিসেবে বেত রোপন ও ভেষজ গাছের সমন্বয়ে এ বাগান করা হয়েছে।বনের ঐতিহ্য ফিরাতে ও পশু খাদ্যের জন্য দেশী প্রজাতির লটকন, ঢেউয়া, জলপাই, গোলাপজাম, তিতিজাম, ঢাকিজাম, কালোজাম, আমলকি, কাঠ বাদাম, তেঁতুল, চাপালিশ, বহেড়া, পেয়ারা, গাদিলা, নেওউর, গাব, আতাফল, জামরুল ও চালতা সহ নানা প্রজাতির ফলজের ১শ হেক্টর বাগান করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে সৃজিত বাগানে ফুল-ফল আসতে শুরু হয়েছে। ফুল ও ফলে বাগান সমৃদ্ধ হলে বন্য প্রাণীদের খাদ্যের সংস্থান হবে। এই বনের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ হবে। বন রক্ষার পাশাপাশি জবর দখল রোধ হয়ে ফিরে আসবে মধুপুর শাল বনের হারানো ঐতিহ্য ।

সম্প্রতি টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক ড. মো.আতাউল গনি, টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো.জহিরুল হক, মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন সুফল প্রকল্পের এ বাগান পরিদর্শন করেন।এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

দোখলা রেঞ্জকর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, সুফল প্রকল্পের মাধ্যমে দোখলা রেঞ্জে ১শ হেক্টর ফলজ ও ৫০ হেক্টর বেত বাগান সৃজন করা হয়েছে।জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পশুখাদ্য ও নিরাপদ আবাস স্থলের জন্য দেশী প্রজাতির বহেড়া, আমলকি, কাঠবাদাম, জাম চালতা সহ আরো ২৫-৩০ প্রজাতির ফলজ বাগান করা হয়েছে। শাল বনের জীবন্ত বেড়া হিসেবে বেত বাগান করা হয়েছে। বাগানে ফুল-ফল ধরা শুরু হয়েছে।এ বাগান সমৃদ্ধ হলে মধুপুর বন তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে বলে তার ধারনা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৩৫০ কেজি চোরাই রাবারসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৩৫০ কেজি চোরাই রাবারসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের সরকারি রাবার বাগান থেকে চুরি হওয়া অপরিশোধিত ৩৫০ কেজি রাবারসহ আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পীরগাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রাজ্জাক(৪২) একই উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের পীরগাছা গ্রামের আমির আলীর ছেলে।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার গোলাম ফারুকের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পীরগাছা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ৩৫০ কেজি অপরিশোধিত চোরাই রাবার সহ আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে মধুপুর মামলা দায়ের পূর্বক তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খাদ্যে ভেজাল মেশানোর দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খাদ্যে ভেজাল মেশানোর দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে খাদ্যে ভেজাল মেশানোর দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার(৭ সেপ্টেম্বর)দিন ব্যাপী টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলায় ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক  ইফতেখারুল আলম রিজভী ওই ভ্র্যাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।।

এ প্রসঙ্গে ইফতেখারুল আলম রিজভী জানান, মঙ্গলবার দিনব্যাপী পৃথক দুটি অভিযানে জেলার মধুপুর এবং ধনবাড়ী উপজেলায় খাদ্যে ভেজাল এবং বিষাক্ত রাসায়নিক মেশানোর দায়ে মোবাইল কোর্ট  পরিচালনা করে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় ধনবাড়ীর বেদারপাড়ায় একটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ৩০ হাজার টাকা, একই উপজেলার মেসার্স মনছুর সুইটস এন্ড বেভারেজকে  ৫০ হাজার টাকা ও মধুপুরের কাইতকাইয়ের মীম ফুড প্রোডাক্টস নামক প্রতিষ্ঠানকে  ১৫হাজার টাকা সহ মোট ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন(বিএন) সহ বিপুল সংখ্যাক র‌্যাব সদস্য উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৫৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ীতে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ীতে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরের অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমের বাড়ীতে হামলা, ভাংচুরসহ আদিবাসী নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত মিথ্যা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার জলছত্র বাজারে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশে দাঁড়িয়ে অরণখোলা ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে ওই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ, আচিক-মিচিক সোসাইটি, জলছত্র হরিসভা উন্নয়ন প্রকল্প, জলছত্র ট্রাক ড্রাইভার্স ইউনিয়ন, কোচ আদিবাসী সংগঠনসহ প্রায় ৩০টি সংগঠনের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করে।

প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আব্দুল গফুর মন্টু, মধুপুর ইউপি চেয়ারম্যন সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা খান বাবলু, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আদিবাসী নেত্রী পিউ ফিলোমিনা ম্রং, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক দেবদাস, জলছত্র ট্রাক ড্রাইভার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কোচ আদিবাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ বর্মণ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য আদিবাসী নেত্রী শান্তি সাংমা প্রমুখ। এ সময় সকলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার ও হামলার প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন, অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম।

প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু, ইউপি চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মহিষমারা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুল মোতালেব, শোলাকুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, বেড়িবাইদ ইউপি চেয়ারম্যান জুলহাস উদ্দিন, ফুলবাগচালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনুসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে এক কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে সকাল সাড়ে দশটা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত মানববন্ধনে অংশ নেয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্থানীয় জনৈক ফেসবুক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সমাজের সম্মানীত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানহানিকর মিথ্যা বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষকে হয়রানি করছে। সম্প্রতি অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মানহানিকর স্ট্যাটাস ও বাড়ীতে হামলা করে। তারা এ ফেসবুকারের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।

তারা আরো বলেন,  তার স্ট্যাটাসে আদিবাসীও স্থানীয়দের মধ্যে চরম বিভেদ সৃষ্টি হচ্ছে। তারা এ হীন কর্মের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সমাবেশ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধম্যে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২১ ১১:১৬:পিএম ৫ বছর আগে
মধুপুর বনাঞ্চলে সুফল প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

মধুপুর বনাঞ্চলে সুফল প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের অরণখোলা রেঞ্জে রোববার(২৯ আগস্ট) সকালে বন অধিদপ্তরের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য আকতার হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কুড়াগাছা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক সরকার, মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির সভাপতি বাতেন তালুকদার, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল্লাহ ফকির, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির অংশিদার রেজাউল করিম প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অরণখোলা রেঞ্জ অফিসার এসএম আব্দুর রশিদ। প্রকল্প বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন ইএসডিও’র প্রতিনিধি আহসান হাবিব নয়ন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট সিটি কমিউনিটি দরিদ্র সনাক্তকরণ কমিটি(সিআইপি) গঠন করা হয়। সভায় চাপাইদ, অরণখোলা ও পিরোজপুর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২১ ০১:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর সুজন হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর সুজন হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার চাঞ্চল্যকর ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি সুজন হত্যা মামলার নিরপেক্ষ পুনঃতদন্ত ও আসামি পক্ষের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(২৪ আগষ্ট) সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে নিহত সুজনের পরিবার ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদসম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন মামলার বাদী ধলপুর গ্রামের মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, তার ভাই সুজন মিয়া একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। একই গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে মহির উদ্দিনের সাথে বিদুৎতের মিটার সংযোগ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। ওই কথা কাটাকাটির জের ধরে গত ৩ জানুয়ারি একই গ্রামের রেজাউল করিম (৩৫), মো. উজ্জল মিয়া (৩২), মো. শামীম(৩০), মো. ইউসুব আলী(৫০), মো. ইয়ামিন(২৮), মহির উদ্দিন(৫০), বাদশা মিয়া (৫৫), মো. রাসেল(২২), মো. সেলিম মিয়া(৩০), রুহুল আমিন(২৬), জয়নাল আবেদীন(৪৬), রেজিয়া বেগম(৪৫)ও বোয়ালী গ্রামের আ. জলিলসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করে। এ বিষয়ে মধুপুর থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি বলেন, মামলার আসামিদের মধ্যে বর্তমানে পাঁচজন জেল-হাজতে রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধুপুর থানার এসআই আল আমিন (বর্তমানে কালিহাতী থানায় কর্মরত) তদন্ত শেষে ৭ জনকে বাদ দিয়ে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। চার্জশীটে বাদির অভিযোগ যথাযথভাবে উপস্থাপন না হওয়ায় তিনি আদালতে নারাজী আবেদন দাখিল করেন। আদালত নারাজী গ্রহন করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেয়।

বাদি আরও বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে সঠিকভাবে তদন্ত না করে এজাহারভুক্ত আসামীদের বাদ দিয়ে চার্জসীট দাখিল করেছেন। বর্তমানে বাদ পড়া আসামিরা নানাভাবে হুমকি- ধমকি দিচ্ছে। আসামিরা সুজন হত্যা মামলার বাদি পক্ষকে চারটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত সুজনের বাবা নজর আলী, মাতা ফাতেমা, বোন চায়না বেগম, ভাই দুলাল, আয়নাল হকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অগাস্ট ২০২১ ০৩:১৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেড় হাজার কেজি চোরাই রাবার সহ এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেড় হাজার কেজি চোরাই রাবার সহ এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামে বৃহস্পতিবার(১২ আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৬১০ কেজি অপরিশোধিত(কাঁচা) চোরাই রাবার সহ মো. বিল্লাল হোসেন(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত মো. বিল্লাল হোসেন ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের মৃত ছাবেদ আলী শেখের ছেলে।

র‌্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে এক দল র‌্যাব ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে মো. বিল্লাল হোসেনের বাড়ির ভেতর উঠানে মজুদ করে রাখা সরকারি বাগানের অপরিশোধিত(কাঁচা) এক হাজার ৬১০ কেজি(মূল্য প্রায় তিন লাখ ২২ হাজার টাকা) চুরিকৃত রাবার জব্দ করা হয়। এ সময় মো. বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মো. বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বাগান থেকে অপরিশোধিত রাবার চুরি করে বিক্রি করছেন বলে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২১ ০২:২৫:এএম ৫ বছর আগে
১৩৩ বছর পর টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ে দেখা মিলল ‘প্রজাপতি বাদুড়’ - Ekotar Kantho

১৩৩ বছর পর টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ে দেখা মিলল ‘প্রজাপতি বাদুড়’

একতার কণ্ঠঃ একশ ত্রিশ বছরের বেশি সময় পর দেখা মিলল বিপন্ন প্রজাতির ‘প্রজাপতি বাদুডের’।দক্ষিণ ও দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার এই বাদুড়টি দেখা গেছে টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রানিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. মনিরুল হাসান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তিনি জানান, ১৩৩ বছর পর দেখা মিলেছে ‘পেইন্টেড ব্যাট’ বা ‘প্রজাপতি বাদুড়’ নামে প্রানিটির। গত ৭ জুন টাঙ্গাইলের মধুপুর জাতীয় উদ্যানের একটি কলাগাছের পাতায় এটিকে দেখা যায়।

অধ্যাপক মনিরুল বলেন, ‘তার গবেষণা সহকারী লজেশ মৃরের সূত্রে খোঁজ পান এই বিরল প্রজাতির বাদুড়ের।এরপর মধুপুরে এ বাদুড়ের সন্ধান পাই এবং ছবি তুলতে সক্ষম হই।’

তিনি আরো জানান,২০১৫ সালে প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) এবং বাংলাদেশ সরকারের বন বিভাগ প্রস্তুতকৃত বিপন্ন প্রানিদের ‘রেড লিস্ট’ প্রকাশিত হয়। সেখানে এ বাদুড় সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।

এদিকে ১৮৮৮ সালে যুক্তরাজ্যের প্রানিবিজ্ঞানী ডব্লিউ টি বেনফোর্ড এর লেখা ‘ফনা ইন ব্রিটিশ ইন্ডিয়া’ নামে প্রানিবিষয়ক একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। যেখানে ব-দ্বীপের ঢাকা অঞ্চলে ‘প্রজাপতি বাদুড’ দেখা যায় বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এরপর শেষ কবে এ অঞ্চলে এই প্রজাতি বাদুড় দেখা গিয়েছিল সে সর্ম্পকে নিশ্চিত কোন তথ্য নেই। সে হিসাবে ধরে নেওয়া যায়, ১৩৩ বছরের বেশি সময় পর দেখা মিলল প্রজাপতি বাদুড়ের।

অধ্যাপক হাসান খান বলেন, ‘বড় সুসংবাদ যে, এই বাদুড় আমাদের দেশে এখনো টিকে আছে। যেহেতু মধুপুর গড় এলাকায় এর সন্ধান পেয়েছি, সেহেতু দেশের অন্য বনেও থাকতে পারে। ফলে এটি দেখলে যাতে কেউ একে ধরা বা মারার চেষ্টা না করে। কারণ বাদুড় এমনিতেই একটি উপকারী প্রানি। এই প্রজাতির বাদুড় ক্ষতিকর অনেক পোকা খেয়ে মানুষের উপকার করে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুলাই ২০২১ ১০:৩৮:পিএম ৫ বছর আগে
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্কুল-কলেজ, ব্রিজ-কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট, অবকাঠামোর উন্নয়নসহ কৃষির উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।

রবিবার ( ৩০ মে) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী ও মধুপুরে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন এবং নিরাপদ সবজি প্রকল্প পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী যার-যার অবস্থানে থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে এসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করারও আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, কার্যকর গবেষণা করে ধান, গম, ভুট্টা, শাকসবজি, ফলমূল, পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদের উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। এ জন্য আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কৃষিতে বিপ্লব এনেছেন। সব রকম সহযোগিতা দিয়ে কৃষকের পাশে থেকেছেন। তার লক্ষ্য শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনই নয়, বরং কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকের জীবনমানকে উন্নত করা। তার স্বপ্ন হলো সারা পৃথিবীতে আমাদের দেশে উৎপাদিত নিরাপদ শাকসবজি, ফলমূল, মাছ-মাংস, হাঁস-মুরগি রপ্তানি করা।

ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামছুল আরেফিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউর রহমান গণি, ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ, মধুপুর-ধনবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিনা আক্তার, মহিলা ভাইস চেয়ারমান জেব-উন-নাহার লিনা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন কালু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মে ২০২১ ০২:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে সফল ভাবে পার্পেল পটেটোর আবাদ - Ekotar Kantho

মধুপুরে সফল ভাবে পার্পেল পটেটোর আবাদ

একতার কন্ঠঃ মন মাতানো ফ্লেভারের কফি, সুমিষ্ট ড্রাগন, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মাল্টার পর এবার পুষ্টিকর পার্পেল পটেটো চাষে সফলতা দেখিয়েছেন এক অদম্য কৃষক। এ কৃষকের নাম সানোয়ার হোসেন। বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা গ্রামে।

গ্রাজুয়েশনের পর সানোয়ার শিক্ষকতা শুরু করেন। কিন্তু বছর না ঘুরতেই সেটি ছেড়ে বাপ-দাদার জীবিকা কৃষিকেই জীবিকা হিসেবে বেছে নেন। পারিবারিকভাবে পাহাড়ি লাল মাটির ছয় একর জমিতে বরাবরই আনারস আবাদ হয়। সেটির পাশাপাশি নতুন করে চার একরে মাল্টা, এক একরে ড্রাগন, তিন একরে কফি, বাতাবি লেবু, অ্যারাবিয়ান খেজুর ও পেঁপের আবাদ যোগ করেন তিনি। গতবার এক কৃষিবিদের মাধ্যমে আমেরিকান জাতের পার্পেল পটেটো বা বেগুনি আলুর কন্দ সংগ্রহ করেন। সেটি লাগান এক একর জমিতে। শতাংশে ফলন পেয়েছেন দুই মণ। কেজিতে বিক্রি ১০০ টাকা দরে। আকর্ষণীয় রং আর ব্যতিক্রম স্বাদের দরুন বেচাবিক্রিতে কোনো সমস্যা হয়নি। সানোয়ার জানান, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক নয়, নিরাপদ ও জৈব কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আনারসসহ বৈচিত্রময় ফল ও ফসল আবাদ করেন তিনি। বাড়িতে রয়েছে গরুর খামার। সেটির গোবরে তৈরি হয় কম্পোস্ট সার।

পার্পেল চাষ সম্পর্কে জানান, মধুপুরের পাহাড়ি এলাকায় শ্রাবণ-ভাদ্রে মাসে বাগান থেকে আনারস তোলার পর এমনিতেই চার মাস জমি পতিত থাকে। সেই জমিতে মধ্যবর্তী ফসল হিসেবে সহজেই পার্পেল আবাদ সম্ভব। খরা প্রতিরোধক হওয়ায় সেচ এমনকি সারও লাগে না। পোকামাকড়ের উপদ্রব তো নেই-ই। আলু তোলার পর জমিতে লতানো গাছ গবাদিপশুর উত্তম খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়।

একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত পুষ্টিবিদ ড. আবু রায়হান জানান, বিশ্বে ৪০০ রকমের মিষ্টি আলুর মধ্যে জাপানি এবং আমেরিকান জাতের বেগুনি আলু বা পার্পেল পটেটো সবচেয়ে পুষ্টি সমৃদ্ধ। আঁশ সমৃদ্ধ এ আলুতে প্রচুর শর্করা ছাড়াও পটাশিয়াম, ভিটামিন এ বি সি বিটা ক্যারোটিন এবং প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি কোষের ক্ষয়রোধ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।সনাতন রীতিতে খাওয়া ছাড়াও ভেজিটেবল, স্যুপ এবং সালাদের সঙ্গেও এটি চলে।

মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার এরশাদ আলী জানান, দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি পার্পেলসহ যে কোনো মিষ্টি আলু চাষের উপযোগী। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর কন্দ বা চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়। আগে নদীতীরের পলি মাটিতে এর আবাদ হতো। এখন সানোয়ার হোসেনের মতো খামারিরা মধুপুরের লাল মাটিতে লাভজনক ফসলের তালিকায় পার্পেলকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। খামারের একই জমিতে পর্যায়ক্রমিকভাবে ফল ও ফসল আবাদ করে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। পুষ্টিকর পার্পেল এলাকায় সাড়া ফেলেছে।

মধুপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, মধুপুর গড়ে প্রায় ৫০ একরে মিষ্টি আলুর আবাদ হয়। তবে পার্পেল জাতের আবাদ এবারই প্রথম। মধ্যবর্তী বা একক ফসল হিসেবে পার্পেলের বানিজ্যিক চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। শতভাগ বিশুদ্ধ খাবার হিসেবে বিদেশে রফতানির সুযোগও রয়েছে। চাষিদের আবাদে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এজন্য ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প’ নেওয়া হয়েছে। হাতে-কলমে শিক্ষার জন্য প্রদর্শনী প্লটও করা হয়েছে। পার্পেল ছাড়াও বারী উদ্ভাবিত দুটি উফসি জাতকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মে ২০২১ ০১:২৫:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড় - Ekotar Kantho

মধুপুরে মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে কোভিড-১৯ ভীতি উপেক্ষা করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের লক্ষ্যে কেনাকাটায় মহাব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মধুপুরবাসী। সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ জারির পরও মধুপুররবাসীর মধ্যে যেন কোনো ধরনের করোনা ভীতি নেই। এই সংকটকালেও নিশ্চিন্তে ঈদের কেনাকাটা করছেন তারা।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিভিন্ন বয়সী মানুষ তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছেন। প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের জনসমাগম চোখে পড়ার মতো। এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো তাড়না চোখে পড়েনি। কিছু কিছু মার্কেটে পা ফেলার জায়গাও পাওয়া খুবই মুশকিল হয়ে পড়েছে।

মধুপুরের পাইলট সুপার মার্কেট, সরকার মার্কেটসহ অন্যান্য মার্কেটগুলোতেও একজনের সঙ্গে আরেকজনের গা ঘেঁষে ঘেঁষে চলতে দেখা গেছে। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে ঈদ শপিংয়ে মার্কেটে আসা শিশুদেরকেও মাস্ক পড়তে দেখা যায়নি।

মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভীড় দেখা গেলেও বেচাকেনার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় খুবই কম বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্রেতাদের ভীড় অনেক বেশি। কিন্তু বেচা-বিক্রি অনেক কম। যে পরিমাণ জনসমাগম রয়েছে সবাই যদি একটি করে জিনিসও কিনতেন তাহলে আমাদের দোকানের জিনিসপত্র অনেক কমে যেত। কেনাকাটা হচ্ছে কম, অধিকাংশই শুধু জিনিসপত্র দেখছেন।

সরেজমিনে মধুপুরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একপ্রকার হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। কেউ নিজস্ব গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছেন মার্কেটে। কেউ যাচ্ছেন অটোরিকশা কিংবা রিকশায়। তবে এখন আর কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই মানুষের মধ্যে। স্বাস্থ্যবিধি কেউ কেউ মানছেন আর কেউ বা মানছেন না, যারা মানছেন না তাদেরকে বাধ্য করাররও যেন কেউ নেই।

মধুপুরের সরকার মার্কেটের কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের শপিং করতে এসেছেন তারা। করোনার মধ্যেও তো ঈদ করতে হবে। এ কারণেই কিছু কেনাকাটা করতে এসেছেন। তবে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘোরাঘুরি কম করছেন, পছন্দ হলেই কিনে নিচ্ছেন পছন্দের পোশাক বলে তারা জানান। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও অনেকে শপিংমলগুলোতে ঘুরতে বেরিয়েছেন। দেখছেন নতুন কী কী কাপড়-চোপড় কিংবা জিনিসপত্র এসেছে। এতে করেও লোকজনদের ভিড় বাড়ছে।

মধুপুরের সাথী মোড়ের ফুটপাতের কাপড় বিক্রেতাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, গত কদিনে লকডাউনে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন বসতে পারছি। তবে আজ ক্রেতা অনেক। বিক্রিও মোটামুটি আগের দিনের তুলনায় ভালোই হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুলাই ২০২৪ ০৫:০৯:পিএম ৫ বছর আগে
সরকারের নানামুখী উদ্যোগে ধান উৎপাদন প্রতি বছর বাড়ছে :: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সরকারের নানামুখী উদ্যোগে ধান উৎপাদন প্রতি বছর বাড়ছে :: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, এবছর সারা দেশে আনন্দমুখর পরিবেশে বোরো ধান কাটা চলছে।সরকারের নানামুখী উদ্যোগ ও ভর্তুকি দেওয়ার ফলে ধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন প্রতি বছর বাড়ছে। বিশেষ করে চার দফায় সারের দাম কমানো বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় শতভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। প্রতি বছর হাওর এলাকায় আগাম বন্যায় ধান তলিয়ে যায়- এবার সে আশঙ্কা নেই। আশা করা যায় সারাদেশে সফলভাবে ধান কাটা শেষ করা যাবে।মন্ত্রী বলেন, এখন দেশে বোরো মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ধান হয়। এক সময় এ মৌসুমে তেমন কোন ধান হত না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, সেচের মূল্য হ্রাস, সারের দাম নিয়ন্ত্রণ, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ সহজলভ্যকরণ এবং নতুন নতুন উন্নত জাতের ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী শুক্রবার(৭ মে) বিকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ব্রাহ্মণবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে মধুপুর কৃষক লীগ আয়োজিত “ধান কাটা উৎসব” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মধুপুর উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক এসএম মঈনুল ইসামের সভাপতিত্বে ধান কাটা উৎসবে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও মধুপুর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি, মধুপুর উপজেলাপরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম হিরণ, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল ইসলাম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শামস উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন আকন্দ, মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মো. শহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, আনিছুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনায় করেন, মধুপুর উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মহসীনুল কবীর।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২১ ০৩:৫৭:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।