একতার কণ্ঠঃ কোলেস্টেরল আমাদের শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোষের দেয়ালগুলোকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করে এবং বেশ কয়েকটি হরমোন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। কিন্তু শরীরের যে কোনো কিছুর মতোই ভুল জায়গায় অত্যধিক কোলেস্টেরল জমা হলে বা কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেই সমস্যা তৈরি হয়।
উচ্চমাত্রার লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (এলডিএল) নামের কোলেস্টেরল রক্তনালীর দেয়ালে জমার ফলে ধমনি, স্ট্রোক, হার্টঅ্যাটাক এবং কিডনিসহ নানারকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই আমাদের উচিত আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ে সতর্ক থাকা। এ জন্য আজ জানুন যে ৫ প্রাকৃতিক উপায়ে কমবে কোলেস্টেরলের মাত্রা—
১. ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার
ওমেগা-৩ ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটগুলোর একাধিক ডবল বন্ড রয়েছে, যা তাদের শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের চেয়ে আলাদাভাবে আচরণ করে। গবেষণায় দেখা যায় যে, পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
২. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার
দ্রবণীয় ফাইবার জাতীয় খাবার খেলে তা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে। আর আপনার অন্ত্রে বসবাসকারী উপকারী ব্যাকটেরিয়া দ্রবণীয় ফাইবার হজম করতে পারে। আসলে এটি সেই ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব পুষ্টির জন্যও প্রয়োজন। আর এসব ভালো ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক ক্ষতিকারক ধরনের লিপোপ্রোটিন ও এলডিএলের মাত্রা কমায়।
৩. ব্যায়াম
ব্যায়াম করলে তা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে। এটি শুধু শারীরিক সুস্থতাই উন্নত করে না; বরং স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে, ক্ষতিকারক এলডিএল কমায় এবং উপকারী এইচডিএল বাড়াতেও উপকারী হিসেবে কাজ করে।
৪. ধূমপান এড়ানো
ধূমপান বিভিন্ন উপায়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়াও এটি শরীরে কোলেস্টেরল পরিচালনা করে তা পরিবর্তন করে।
তাই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে চাইলে ধূমপান এড়াতে হবে।
৫. ওজন কমানো
ডায়েটিং বা ওজন কমালে তা আপনার শরীর থেকে কোলেস্টেরল শোষণ করে। এ নিয়ে ৯০ জন প্রাপ্তবয়স্কের দুই বছরের গবেষণায় দেখা গেছে যে, কোনো ডায়েটে ওজন কমানোর খাদ্য কোলেস্টেরল শোষণকে বাড়িয়েছে এবং শরীরে নতুন কোলেস্টেরল তৈরিও কমিয়েছে।
তথ্য-সূত্র: হেলথলাইন ডটকম
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসাভাড়া নিয়ে ৮ মাস ঘর সংসার করার অভিযোগ ওঠেছে রাবিব নামের এক কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে। বিয়ের দাবিতে গত দুইদিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন এক কলেজ ছাত্রী (১৯)।
পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাহার্তা রামখা পাড়া কটাবাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনার পর থেকে প্রেমিক জাকারিয়া ইসলাম রাব্বী লাপাত্তা।রাব্বী ওই গ্রামের প্রবাসী লুৎফর রহমানের ছেলে এবং সরকারি মুজিব কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী।
সোমবার(১৫ নভেম্বর) বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, রাব্বিদের বাড়ির প্রতিটি ঘরের দরজা বন্ধ করে ভেতরে অবস্থান করছেন বাড়ির অন্য সদস্যরা। আর বাইরে এক কাপড়ে বসে অনশন করছেন ওই কলেজছাত্রী। স্থানীয়রা তাকে দেখতে ভিড় করছেন। খাবার দেয়া হয়েছে কী না জানতে চাইলে মেয়েটি কান্নায় ভেঙে পড়েন। জানান ঘরে ঢুকার চেষ্টা করলে তাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন রাব্বির পরিবারের লোকজন। বিয়ে না করা হলে তিনি এ বাড়িতেই আত্মহত্যা করবেন বলে জানান।
জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে রাব্বির এক বন্ধুর মাধ্যমে মুঠোফোনে প্রথম পরিচয় হয় আবাসিক মহিলা অর্নাস কলেজ পড়–য়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে। এক পর্যায়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পৌরসভার উত্তরা মোড় আবদুস সালামের বাসা এবং ক্যাপ্টেনমোড় ঐশিদের বাসা ভাড়া নিয়ে ৮ মাস স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঘর সংসার করেন তারা। বার বার বিয়ের চাপ দিলেও নানা তাল বাহান শুরু করেন রাবিব। নিরুপায় হয়ে রবিবার(১৪ নভেম্বর) থেকে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন ওই কলেজছাত্রী।
এ ব্যাপারে রাব্বির দাদা আবদুর রহমান বলেন, নাতি অন্যায় করেছে মাতাব্বররা যে ব্যবস্থা নেবেন আমরা তা মেনে নেব।
ওই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান বলেন, গত রাতে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হয়। পরে ছেলে পক্ষের অনিহার কারণে নিষ্পত্তি সম্ভব হয়নি।স্থানীয় কাউন্সিলর ফজলুর রহমান বলেন,স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সুষ্ঠু ব্যবস্থা না হলে আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা লেবু মিয়া।
সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে সাইদুল হক ভূইয়া বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সরকারি ফজিলাতুন নেসা মুজিব মহিলা কলেজে ছাত্রীদের টিকটক ও লাইকি ভিডিও তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহীদুজ্জামান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) কলেজের অধ্যাপক শহীদুজ্জামানের সই করা একটি নোটিশ টাঙানো হয় প্রতিষ্ঠানে।
নোটিশে বলা হয়, কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী সম্প্রতি কলেজ পোশাক (ইউনিফর্ম) পরিধান করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে টিকটক ও লাইকি ভিডিও তৈরি করছে। যা কলেজের সুনামের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে কলেজে স্মার্টফোন নিয়ে আসা সম্পূর্ণ নিষেধ। জরুরি প্রয়োজনে বাটনফোন ব্যবহার করা যেতে পারে।
কোন ছাত্রীকে টিকটক বা লাইকিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেলে বা কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অধ্যাপক মো. শহীদুজ্জামান বলেন, ‘করোনার পর কলেজ খুলে দেওয়ায় কিছু ছাত্রী স্মার্টফোন সঙ্গে এনে টিকটক বা লাইকি ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এটা কলেজের সুনাম ক্ষুন্ন করে। ছাত্রীদের সচেতন করতে আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। কেউ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ কোমা শব্দটির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত। মূলত কোমা হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যেটি দীর্ঘস্থায়ী অচেতনতা বা অজ্ঞান হয়ে থাকার মতো অবস্থার সৃষ্টি করে। এমনটি হলে মানুষের চেতনা কাজ করে না। তাই তারা জেগেও উঠতে পারে না।
এ সমস্যাটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বিশেষ করে মাথায় জোরে আঘাত পেলে, স্ট্রোক, মস্তিষ্কের টিউমার, বিভিন্ন ড্রাগ বা অ্যালকোহল গ্রহন বা নেশা, ডায়বেটিস বা বিভিন্ন অন্তর্নিহিত অসুস্থতার কারণেও এটি হতে পারে।
কোমা হচ্ছে একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি অবস্থা। এটি হলে তা সেরে ওঠাও অনেক কষ্টকর। আর এটি মস্তিষ্ককে অকেজো করে দেওয়া ও মৃত্যু ঘটানোর মতো পর্যায়ে যেতে পারে। তাই জীবন এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সংরক্ষণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ জন্য নিজেকে সচেতন রাখতে জেনে নিন যেসব কারণে চলে যেতে পরেন কোমায়—
১. মস্কিষ্কে আঘাত
বেশিরভাগ কোমাই মস্তিষ্কে সজোরে আঘাত পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। তাই সচেতন থাকতে হবে যাতে মস্তিষ্কে আঘাত না লাগে।
২. স্ট্রোক
মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ হ্রাস বা বাধাগ্রস্ত হলে, রক্তবাহী ধমনীর পথ সংকীর্ণ হলে বা রক্তনালী ফেটে গেলে স্ট্রোক হয়। আর এ রকম বড় ধরণের স্ট্রোকের কারণে মানুষ কোমায় চলে যেতে পারে।
৩.টিউমার
মস্তিষ্কের ভিতর অনেকের টিউমার হয়ে তাকে। আর এ ধরনের টিউমারের কারণে অনেক সময় রোগীকে কোমায় চলে যেতে হতে পারে।
৪. ডায়াবেটিস
ডায়বেটিসের সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা হটাৎ খুব বেশি হয়ে গেলে অথবা খুব কম হয়ে গেলে কোমা হতে পারে।
৫. অক্সিজেনের অভাব
ডুবে যাওয়া থেকে উদ্ধার করা অথবা হার্ট অ্যাটাকের পরে পুনরুজ্জীবিত হওয়া ব্যাক্তিদের মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিতে পারে। আর এর ফলেও কোমা হতে পারে।
৬. সংক্রমণ
এনসেফালাইটিস এবং মেনিনজাইটিসের মতো সংক্রমণের ফলে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ডের কর্ড বা মস্তিষ্কের চারপাশের টিস্যু ফুলে যায়। আর এমন সংক্রমণের গুরুতর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের বড় ক্ষতি বা কোমা হতে পারে।
৭. খিঁচুনি
খিঁচুনির মাত্রা অনেক বেড়ে গেলে বা গুরুতর হয়ে গেলে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।
৮. টক্সিন
কার্বন মনোক্সাইড বা সীসার মতো বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং এর পরিণতিতে কোমায় চলে যেতে পারেন।
৯. মাদক এবং অ্যালকোহল
বিভিন্ন ওষুধ, নেশাজাত দ্রব্য এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণের কারণে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।
সংবাদ সূত্র- যুগান্তর আনলাইন
একতার কণ্ঠঃ নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, যেসব মানুষ প্রক্রিয়াজাত মাংস, রেডমিট, চিনি বেশি খান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ২১ শতাংশ বেড়ে যায় এবং তাদের হৃদরোগের ঝুঁকিও অন্যদের তুলনায় বাড়ে ২২ শতাংশ।
নতুন গবেষণাটিতে আরো জানা গেছে, যারা খাদ্যশস্য, শিম জাতীয় খাবার, মাছ, সবজি বেশি খান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি ও হৃদরোগের হার যথাক্রমে ১৭ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ কমে যায়। গবেষণাপত্রটি আমেরিকান জার্নাল ‘সার্কুলেশন’ এ প্রকাশিত হয়েছে।
খাবার ও দীর্ঘায়ুর সম্পর্ক: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বার বার এটা বলে আসছেন- আমরা যা খাই, তার সঙ্গে সার্বিক সুস্থ থাকার ব্যাপারটা জড়িত। নতুন প্রকাশিত গবেষণাটির জন্য গবেষকরা বিশ্বের সেসব এলাকায় জরিপ চালিয়েছেন যেখানে মানুষ বেশি দিন বাঁচে। আর সেই গবেষণায় জানা গেছে সেসব এলাকার মানুষ সবাই প্রায় একই ধরনের খাবার খান, যা তাদের দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য। বিশ্বের সেসব এলাকাকে ব্লু জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেখানকার মানুষরা সাধারণত শিম জাতীয় খাবার বেশি খান।
ব্লু জোন ডায়েট কী?: ব্লু জোন হলো বিশ্বের কয়েকটি স্থান যেখানকার মানুষ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন ও যাদের আয়ু বেশি হয়। সেসব এলাকার মধ্যে আছে- গ্রিসের ইকারিয়া দ্বীপ, ইতালির সার্ডিনিয়া, জাপানের ওকিনাওয়া, কোস্টারিকার নিকোয়া উপত্যকা। সেখানকার মানুষদের খাদ্য তালিকায় আছে উদ্ভিজ্জ খাবার, যাতে প্রতিদিনের খাবারের ৯৫ শতাংশই হয় সবজি, ফল, খাদ্যশস্য ও শিমজাতীয় খাবার। ব্লু জোন এলাকার মানুষজন সাধারণত মাংস, দুধ ও চিনি জাতীয় খাবার ও কোমল পানীয় পরিহার করেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারও খান না সেসব এলাকার মানুষ।
শিম জাতীয় খাবার কীভাবে আয়ু বাড়ায়?: ব্লু জোন এলাকার মানুষরা সাধারণত প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ শিম জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। শিম জাতীয় খাবার যেমন- শিম, মটর, ছোলা আর ডাল খান ব্লু জোন এলাকার মানুষ। আর সেসব খাবারে প্রোটিন ও ফাইবার থাকে বেশি, চিনি ও ফ্যাট থাকে কম। প্রোটিন শরীরের মাংসপেশি তৈরি করে, ওজন ঠিক রাখে। আর ফাইবার হাইপার টেনশন, হজমের সমস্যা, ডায়াবেটিসের সমস্যা, হতাশা দূর করে। শিমে পলিফেনল নামের একটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, গবেষকরা বলছেন আয়ু বাড়ার ক্ষেত্রে এটি বেশ সহায়ক।
একতার কণ্ঠঃ বর্তমানে হাড়ের সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। বিশেষ করে বয়স বেড়ে গেলে এ সমস্যাটি আরও বেশি হয়ে ওঠে। এর কারণ হচ্ছে— বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাড়ও ক্ষয় হতে থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যালসিয়াম ও ফসফেট এমন দুটি খনিজ, যা স্বাভাবিক হাড় গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমাদের বাড়ন্ত বয়সে ও যৌবন সময়ে শরীর হাড় গঠন করতে এ খনিজগুলো কাজ করে।
এমনও অনেক খাবার আছে যেগুলো হাড়ের ক্ষতি করে। সচেতন হতে আজ জানুন এমন কিছু খাবার যেগুলো হাড়ের ক্ষতি করে-
১. লবণ
অতিরিক্ত লবণ খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম কমে যেতে পারে। আমাদের শরীরে প্রতিদিন ২৪০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম প্রয়োজন। আমরা যে কেবল খাবার লবণের মাধ্যমে সোডিয়াম গ্রহণ করি তা কিন্তু নয়। কিছু খাবারে প্রাকৃতিকভাবে লবণ থাকে, যার ফলে শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম চলে আসতে পারে। তাই ক্যালসিয়ামের ক্ষতি এড়াতে পরিমিত পরিমাণে লবণ খেতে হবে।
২. সোডা
মিষ্টিযুক্ত কোমল পানীয় ও বায়ুযুক্ত পানীয় শরীরে ক্যালসিয়ামের ক্ষয় ঘটায় এবং তা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়। এসব পানীয়তে ফসফরিক অ্যাসিড থাকায় তা ক্যালসিয়ামের দ্রুত ক্ষতি হতে পারে।
৩. ক্যাফেইন
প্রতিদিন ১০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফেইন শরীরে গেলে তা কিছু ক্যালসিয়ামের ক্ষতি করতে পারে। শুধু কফির মাধ্যমেই শরীরে ক্যাফেইন খাওয়া হয় তা কিন্তু নয়। বরং কিছু আইসড টি, এনার্জি ড্রিংকস এবং অন্যান্য পানীয়র মাধ্যমেও ক্যাফেইন শরীরে যেতে পারে।
৪. অ্যালকোহল
অ্যালকোহল শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণকে বাধা দেয় এবং হাড় গঠনের খনিজগুলোকে সঠিকভাবে শোষণ করতে বাধা দেয়। এর কারণে হাড় দ্রুত দুর্বল হয়ে যায়। এ ছাড়া হাড় ফ্রাকচার হলে তা নিরাময়ের সময় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে অ্যালকোহল।
সংবাদ সূত্র- যুগান্তর আনলাইন
একতার কণ্ঠঃ লিভার আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি আমাদের শরীরে ৫০০টিরও বেশি কাজ করে থাকে। শরীরে রক্ত পরিশোধন, শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেওয়া, হজমের জন্য পিত্ত উৎপন্ন করা, শরীরে ভিটামিন এ, ডি, ইসহ বিভিন্ন উপাদান ধরে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে লিভার।
ক্যালিফোর্নিয়ার হেলথউইনস কোচিং অ্যান্ড কনসালটিংয়ের মালিক ও নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ান এবং পুষ্টিবিদ জানা মোয়ারার বলছেন, কার্যত শ্বাস নেওয়া ছাড়া শরীরের সব কিছু করতে লিভার গুরুত্বপূর্ণ।
তাই নিজেকে সুরক্ষিত ও সুস্থ রাখতে লিভার ভালো রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজ জানুন এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো আপনার লিভার ভালো রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
খাবার গুলো হলঃ–
১. কফি
কফি আমাদের লিভারের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে। ডায়েটিশিয়ান জেমি হিকির বলছেন, কফি দীর্ঘস্থায়ী লিভারের রোগ, সিরোসিস— এমনকি লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে চিনি ছাড়া ও ব্ল্যাক কফি খেলে এটি চর্বি এবং কোলাজেন উৎপাদনে বাধা দিয়ে লিভারকে সাহায্য করে।
২. বেরিজাতীয় ফল
বিভিন্ন বেরিজাতীয় ফল যদিও আমাদের দেশে অতোটা প্রচলিত না, তার পরও এখন এসব ফলের দেখা মেলে বাজারে। এর মধ্যে রয়েছে স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাম্পবেরি ইত্যাদি। এসব ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও পানি থাকে। এ কারণে এসব ফলগুলো লিভারের জন্য অনেক উপকারী ভূমিকা রাখে।
৩. চর্বিযুক্ত মাছ
মাছের ফ্যাট বা চর্বি লিভারের জন্য অনেক উপকারী। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকায় তা লিভারের জন্য অনেক ভালো। ট্যাম্পার গ্যাস্ট্রো এমডির সহকারী চিকিত্সক কাইল হ্যারিস বলছেন, রাতের খাবারে চর্বিযুক্ত মাছ লিবারের জন্য অনেক উপকারি হতে পারে।
৪. পানি
পানি আমাদের কাছে অনেক সাধারণ মনে হলেও এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষ করে এটি লিভারের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পানি আমাদের শরীরে খাবারকে হজম করতে সাহার্য করে এবং লিভারকে তার কাজ ভালোভাবে করতে সহায়তা করে।
৫. অলিভ ওয়েল
যদিও আমাদের দেশে খাবারের জন্য অলিভ ওয়েল অতোটা প্রচলিত না, তবে এটি লিভারের জন্য অনেক উপকারী। এতে অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যেটি লিভার ও শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
৬. বাদাম ও শশ্য
বিভিন্ন বাদাম ও মটরশুটি, মশুর ডাল, চিনাবাদাম ইত্যাদি শশ্যের মিশ্রণে ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে। এ কারণে এগুলো লিভারের জন্য উপকারী হওয়ার পাশাপাশি হার্টেরও অনেক উপকার করে বলে বলছেন হিকি।
ওয়ার্ল্ড জার্নাল অফ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির ২০১৫ সালের রিপোর্ট অনুসারে জানা যায়, আখরোট জাতীয় বাদাম লিভারের রোগে আক্রান্তদের সুস্থতায় বেশ সাহায্য করতে পারে।
তথ্যসূত্র: ইউএস নিউজ ডটকম
একতার কণ্ঠঃ বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি ফেসবুক ব্যবহারকারীরা একটি নোটিফিকেশন পাচ্ছেন। যা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মনে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। অ্যাকাউন্ট নিরাপদে রাখতে ‘ফেসবুক প্রোটেক্ট’ করতে হবে এমন বার্তা পাচ্ছেন অনেকে। এ ফিচার চালু না করলে লক হবে অ্যাকাউন্ট, এমনটাই জানাচ্ছে ফেসবুক।
ফেসবুক জানিয়েছে, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ফেসবুক প্রোটেক্ট নামে একটি ফিচার ‘টার্ন অন’ বা ‘চালু’ না করলে অ্যাকাউন্টটি লক হয়ে যাবে। মূলত অ্যাকাউন্টকে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে ফেসবুক প্রোটেক্ট নামে নতুন একটি ফিচার আনছেন তারা। এটি একটি ভলান্টারি প্রোগ্রাম, যা নির্বাচনী প্রার্থী, তাদের প্রচারণা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অ্যাকাউন্টকে বাড়তি সুরক্ষা দেবে।
অনেকেরই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হচ্ছে। হ্যাকাররা মূলত যে অ্যাকাউন্টগুলোর অনেক বেশি ফলোয়ার থাকে, গুরুত্বপূর্ণ পেজ পরিচালনা করে কিংবা যার কমিউনিটি গুরুত্ব রয়েছে; সেগুলোর প্রতি আগ্রহী হয়। এ ধরনের টার্গেটেড অ্যাটাক বা উদ্দেশ্যপূর্ণ হামলা রোধ করতেই উন্নত নিরাপত্তার প্রোগ্রামটি চালু করার অনুরোধ করেছে ফেসবুক।
আইডি প্রোটেক্ট করবেন যেভাবে
যারা ফিচারটি চালু করতে পারবেন, তারা ফেসবুকের মাধ্যমেই তা জানতে পারবেন। যারা এর আওতায় পড়বেন, তারা ফেসবুকের সেটিংসে গিয়ে সিকিউরিটি অ্যান্ড লগ-ইন অপশনে গেলে ফেসবুক প্রোটেক্ট নামে অপশন পাবেন। সেখান থেকে ফেসবুক প্রোটেক্ট অপশন অন করা যাবে।
এছাড়াও ফিচার চালু করতে ফেসবুকে প্রবেশ করলে কোড যাবে ব্যবহারকারীর নাম্বারে। সেটি দেওয়ার পর আগের মতোই ফেসবুক চালাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।
প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির নির্বাচনের সময় সেখানকার প্রার্থীদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের সুরক্ষায় প্রোগ্রামটি তৈরি করা হয়েছিল। পরে এটি কানাডায় চালু করা হয়। ২০২১ সালে এটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য সরবরাহ করা হবে।
বাংলাদেশে কেউ কেউ এ ধরনের নোটিফিকেশন বা ই-মেইল পেয়েছেন বলে জানা গেছে। আবার অনেকেই এ ধরনের নোটিফিকেশন পাননি। তবে এ বিষয়ে আপডেটও ফেসবুকের মাধ্যমেই জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক।
সূত্র: বিবিসি
একতার কণ্ঠঃ ২০০৫ সালে রোমে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের এক সম্মেলন থেকে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার চালু করা হয়।নেদারল্যান্ড ভিত্তিক শিশু অধিকার সংগঠন ‘কিডস রাইটস’ এই পুরস্কার প্রদান করে। প্রতিবছর একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী পুরস্কারটি হস্তান্তর করেন।
এ বছর ‘শিশুদের নোবেল’খ্যাত এই পুরষ্কারটির জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক ভাবে মনোনিত হয়েছেন টাঙ্গাইলের মেধাবী কিশোর ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম।
১৭ বছর বয়সী সিয়াম এ বছর বাংলাদেশ থেকে তার সংগঠন One Step For Tomorrow এর জন্য মনোনিত হয়েছেন।তিনি Education এবং Violence এই দুই ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছেন। শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে তার সংগঠন। One Step For Tomorrow সংগঠনটির সিইও হওয়ায় ‘কিডস রাইটস’ আর্ন্তজার্তিক এই সংগঠনটি সিয়ামের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মনোনিত করেছেন।
টাঙ্গাইলের কৃতি কিশোর ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম ঢাকা নটর ডেম কলেজ থেকে এ বছর এইচ এস সি পরীক্ষার্থী।তিনি ২০১৯ সালে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ফাইভ (গোল্ডেন) পেয়ে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেছেন।সিয়াম কিশোর আলো বুক ক্লাব, প্রথম আলো বন্ধুসভা, সেভ দ্যা স্টুডেন্টসহ অনেক সংগঠনের সাথে জড়িত।
দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়, সিয়ামের জন্ম কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের রৌহা গামে। বাবা মুহাম্মদ রমজান আলী , পারখী মনির উদ্দিন পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মা ফিরোজা আক্তার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকা। ছোট ভাই ফাহাদ আহম্মেদ শাফি টাঙ্গাইল প্রি ক্যাডেট স্কুলের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র। সিয়ামের পরিবার বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় থাকেন।
এ প্রসঙ্গে ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম বলেন,“ এই অনুভুতি এটা তো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আলহামদুলিল্লাহ, এরকম বিশ্বমঞ্চে নিজেকে দেখতে পেরে আমি অবশ্যই আনন্দিত। আমার বেড়ে ওঠা অজপাড়া গায়ে তাই স্বভাবতই আমার জানা বাংলাদেশের শিশুরা কত প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যায়। ছিন্নমূল শিশুরা কিভাবে দিনাতিপাত করছে। নিজের জায়গা থেকে আমার সংগঠন One Step For Tomorrow এর সকল স্টেপারদের সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করে যেতে চাই আজীবন। যদিও পুরষ্কার কিংবা সম্মাননা লক্ষ্য নয় তবুও সাদাত ভাই, গ্রেটা কিংবা মালালা ইউসুফজাইয়ের মতো আইকনদের পরবর্তী প্রজন্ম হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হয়। সবাইকে সাথে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে চাই স্বপ্নের পৃথিবী। আজীবন বুকে ধারণ করতে চাই স্টেপার মূলমন্ত্র ” Let’s make dreaming world visual together.
উল্লেখ্য, কিডস রাইটস ফাউন্ডেশন হল নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত একটি শিশুদের সহায়তা এবং অ্যাডভোকেসি সংস্থা।ফাউন্ডেশনটি ২০০৩ সালে মার্ক দুলার্ট এবং ইনেগ ইকিংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ডেসমন্ড টুটুকে উদ্ধৃত করে বলেছে, “কিডস রাইটস পুরোপুরি নির্বাককে কণ্ঠ দেওয়ার চেষ্টা করছে।”সংস্থার লক্ষ্য হ’ল বিশ্বজুড়ে দুর্বল শিশুদের সহায়তা ও ক্ষমতায়ন করা, ছোট-ছোট স্থানীয় প্রকল্পগুলির জন্য তহবিল সংগ্রহ করা এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলির মাধ্যমে শিশুদের অধিকারের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
একতার কণ্ঠঃ ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন দুজন সাংবাদিক। তাঁরা হলেন ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা ও রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ। শুক্রবার(৮ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শান্তিতে এবারের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।
নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, যা গণতন্ত্র ও টেকসই শান্তির অন্যতম পূর্বশর্ত, তার পক্ষে লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে মারিয়া ও দিমিত্রিকে এবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
১৯৩৫ সালের পর এই প্রথম শান্তিতে নোবেল পেলেন কোনো সাংবাদিক। ১৯৩৫ সালে জার্মান সাংবাদিক কার্ল ফন অসিয়েতস্কি শান্তিতে নোবেল পান।
মারিয়ার ক্ষেত্রে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, তিনি তাঁর জন্মস্থান ফিলিপাইনে ক্ষমতার অপব্যবহার, সহিংসতার ব্যবহার ও দেশটিতে ক্রমেই বেড়ে চলা কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ব্যবহার করছেন।
দিমিত্রি ক্ষেত্রে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, তিনি তাঁর দেশ রাশিয়ায় ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে কয়েক দশক ধরে বাক্স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করছেন।
শান্তিতে নোবেলজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির। সব নোবেল পুরস্কার সুইডেনের স্টকহোম থেকে ঘোষণা দেওয়া হলেও শান্তি পুরস্কার ঘোষণা দেওয়া হয় নরওয়ের অসলো থেকে। কাজটি আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছাপত্র অনুযায়ীই করা হয়।
২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পায় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। ক্ষুধা নিরসনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডব্লিউএফপিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়ে। তার আগের বছর ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলী। শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ জন্ম নিবন্ধন করার জন্য আমাদের অনেক ভুগান্তির স্বীকার হতে হয়।এখন ডিজিটাল ইউনিয়ন সেন্টার, অনলাইন সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
দোকানে বা নিজ মোবাইলে ঘরে বসে আপনি আপনার নিজের বা শিশুর জন্য জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন। আর নয় ঘুরাঘুরি সেবা পাবে নিজ পরিবার।
১) নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন
http://bdris.gov.bd/br/application
২) জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন
http://bdris.gov.bd/br/correction
৩) জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসন্ধান
http://bdris.gov.bd/br/search
৪) জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা
http://bdris.gov.bd/br/application/status
৫) জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট
http://bdris.gov.bd/application/print
৬) জন্ম নিবন্ধন সনদ পুনঃ মুদ্রন
http://bdris.gov.bd/br/reprint
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সঙ্গে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার। আর তাই প্রায় ১৪শ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার ।মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত চলতি অর্থ বছরের ৫ম একনেক সভায় টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালিয়া-কালামপুর সড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত করতে ১ হাজার ৪৩৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
একনেক চেয়ারপার্সন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত চলতি অর্থ বছরের ৫ম একনেক সভায় এই প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি সভায় যোগ দেন। নগরীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিবর্গ, প্রতিমন্ত্রীগণ, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবর্গ ও সচিবগণ সভায় যোগ দেন।
সড়ক পরিবহন এবং মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প কাজ সম্পন্ন হলে,টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালিয়া-কালামপুর সড়কে যান চলাচল নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন হবে এবং এতে সময়ও কম লাগবে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, আজকের সভায় ৬ হাজার ৫৫১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট নয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে চারটি প্রকল্প নতুন এবং ৫টি প্রকল্প সংশোধিত।
মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৩ হাজার ৭৪২ কোটি ২৯ লাখ টাকা সরকারের পক্ষ থেকে, ২৬ কোটি ২২ লাখ টাকা সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি ২ হাজার ৭৮২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা প্রকল্প সহায়তা হিসাবে পাওয়া যাবে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও বলেন, সড়ক পরিবহন এবং মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প কাজ সম্পন্ন হলে,টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লোহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালিয়া-কালামপুর সড়কে যান চলাচল নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন হবে এবং এতে সময়ও কম লাগবে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
বাকি প্রকল্পগুলো হচ্ছে- ৭৩.৪৪ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ৫টি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, পেভমেন্ট প্রশস্তকরণ ও জোরদারকরণ, এক গ্রেড পৃথক ইন্টারসেকশন এবং একটি ইউলুপ অথবা আন্ডারপাস নির্মাণ, ৩১টি আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ, ১৩.২৬ লাখ কিউবিক মিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও ড্রেন নির্মাণ।