/ হোম / লাইফ স্টাইল
টাঙ্গাইলে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি(বিআরটিএ) টাঙ্গাইল সার্কেলের আয়োজনে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশু একাডেমি মিলনায়তনে মঙ্গলবার(৫ অক্টোবর) দিনব্যাপী ওই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহমুদ হাসান। টাঙ্গাইল সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. আলতাব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিআরটিএ টাঙ্গাইল সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক বশির উদ্দিন আহমেদ, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই-প্রশাসন) মো. জানে আলম ভূইয়া, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার আব্দুল আজিজ প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে বাস, ট্রাক ও মাইক্রোবাস সহ বিভিন্ন যানবাহনের ১৫০ জন চালক অংশ নেন। চালকদের ট্রাফিক আইন, দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা সহ দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে করণীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২১ ০২:৪৭:এএম ৫ বছর আগে
সঞ্চয়পত্র: মুনাফার হার কমিয়েছে সরকার - Ekotar Kantho

সঞ্চয়পত্র: মুনাফার হার কমিয়েছে সরকার

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশে পাঁচ ধরণের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।মঙ্গলবার(২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর তথ্য দিয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে পাঁচ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র এবং পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এই হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এই মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে।

ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের মধ্যে ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক সাধারণ হিসাবের মুনাফার হার অপরিবর্তিত থাকলেও, মেয়াদী হিসাবের মুনাফার হার কমেছে।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র:

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। নতুন নিয়মে যাদের এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক:

তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য চার শতাংশ। সেটি এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। আর এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র

অবসরভোগীদের জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এতদিন ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যেত। এখন এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে এই হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

পরিবার সঞ্চয়পত্র:

পাঁচ বছর মেয়াদি এই সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এখন এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই হার সাড়ে ৯ শতাংশ।

ডাকঘর সঞ্চয় পত্রঃ

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদী হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে বর্তমানে মুনাফার সাড়ে ৭ শতাংশ, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এই হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এই মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে।

সংবাদ সূত্র- বিবিসি বাংলা

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:১৯:পিএম ৫ বছর আগে
ঘণ্টা বাজছে আরেক বড় প্রতারণার - Ekotar Kantho

ঘণ্টা বাজছে আরেক বড় প্রতারণার

একতার কণ্ঠঃ সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করে ‘রিং আইডি’। ফেসবুকের মতো এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও বিনামূল্যে ভয়েস ও ভিডিও কল, মেসেজিং ও গোপন চ্যাটিং করা যায়। কানাডায় নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হলেও এর প্রায় সব কার্যক্রম বাংলাদেশ ঘিরে। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বলা হলেও মূলত বাংলাদেশিদের জন্যই তৈরি হয়েছে রিং আইডি। এখানে সোশ্যাল কমার্স (সামাজিক বাণিজ্য) নামে গ্রাহকদের কাছে পণ্য বিক্রি করা যায়। এসব পণ্যের দাম বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে চলতি বছরের মার্চে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থের বিনিময়ে ব্যাপক পরিসরে গ্রাহক বানানোর কাজ শুরু করলে দেখা দেয় সন্দেহ।

অর্থ আয়ের লোভনীয় অফার দিয়ে তরুণ, ছাত্র ও গৃহিণী, বিশেষ করে বিশাল বেকার জনগোষ্ঠীকে সহজেই আকৃষ্ট করছে কথিত সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মটি। অর্থের বিনিময়ে ‘এজেন্ট’ ও ‘ব্র্যান্ড প্রমোটার’ নামে সদস্য বানিয়ে এরই মধ্যে হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রাহকের এ টাকা লোপাট হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এটিও এক ধরনের পঞ্জি স্কিম। এদের কাজের ধরন বহু স্তর বিপণনের (এমএলএম) সঙ্গে মিলে যায়। রিং আইডি কয়েক মাস আগে একটি ‘সেবা’ চালু করেছে, যার মাধ্যমে শুধু বিজ্ঞাপন দেখেই আয় করা যায়। এ জন্য যারা বিজ্ঞাপন দেখে আয় করতে চান, তাদের একটি আইডি কিনতে হয়। এদের বলা হয় ব্র্যান্ড প্রমোটার। আর এই প্রমোটার সংগ্রহের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয় এজেন্ট। এজেন্টদেরও নিয়োগ পেতে বড় অঙ্কের টাকা দিতে হয়। এজেন্টরা পান বিভিন্ন ধরনের কমিশন।
কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশি শরিফ ইসলাম ও আইরিন ইসলাম দম্পতি রিং আইডির প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠানটির একমাত্র অফিস ঢাকার গুলশানে; যেখানে ৫০ জনের মতো কর্মী কাজ করছেন। রিং আইডি কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের প্ল্যাটফর্মে দুই কোটির বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছেন, যাদের ৯৫ ভাগই বাংলাদেশি।

চলতি বছরের ২৮ মার্চ ‘কমিউনিটি জব’ নামে বিশেষ সেবা চালু করে রিং আইডি। এর আওতায় এজেন্ট ও ব্র্যান্ড প্রমোটার নিয়োগ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে কয়েক হাজার এজেন্টের পাশাপাশি পাঁচ লক্ষাধিক ব্র্যান্ড প্রমোটার যুক্ত হয়েছেন প্ল্যাটফর্মটিতে। এজেন্ট ও ব্র্যান্ড প্রমোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এজেন্ট হতে একেকজনকে এক থেকে পাঁচ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে। এজেন্টদের কাজ ব্র্যান্ড প্রমোটার নিয়োগ করা; তার বিনিময়ে কমিশন নেওয়া। ব্র্যান্ড প্রমোটারের দুটি ক্যাটাগরি- গোল্ড ও সিলভার। যথাক্রমে ২২ ও ১২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ব্র্যান্ড প্রমোটার হতে পারেন গ্রাহকরা।
সংশ্নিষ্টরা বলছেন, এরই মধ্যে গোল্ড ক্যাটাগরিতে চার লাখ ব্র্যান্ড প্রমোটার নিয়োগ দিয়ে ৮৮০ কোটি টাকা তুলেছে রিং আইডি। পাশাপাশি এজেন্টসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আরও অন্তত ২০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

“আমাদের একটা শ্রেণি বিনা পরিশ্রমে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ আয়ের স্বপ্ন দেখে, কেউ যদি এরকম কোনো অফার দেয়, তারা লুফে নেয়। কিন্তু যাচাই করে না কিংবা বোঝে না, এভাবে বৈধভাবে কেউ দিনের পর দিন অর্থ দিতে পারে না। একটা সময় ওই কোম্পানি উধাও হয়ে যায়। তখন সবাই হায় হায় করতে থাকে”

যা করছে রিং আইডি :তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে রিং আইডি খানিকটা ভিন্ন আঙ্গিকে এমএলএম পদ্ধতির ব্যবসাই করছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে তিন ক্যাটাগরিতে এজেন্ট হওয়া যায়। এর মধ্যে ডায়মন্ড ক্যাটাগরির এজেন্ট হতে পাঁচ লাখ টাকা, গোল্ডেন দুই লাখ টাকা এবং সিলভার ক্যাটাগরির এজেন্ট হতে এক লাখ টাকা দিতে হচ্ছে। এজেন্ট হওয়ার পর তারা রিং আইডির অফিসিয়াল প্রতিনিধি হিসেবে ব্র্যান্ড প্রমোটার নিয়োগ করতে পারেন। ১২ হাজার টাকায় সিলভার এবং ২২ হাজার টাকায় গোল্ড ক্যাটাগরির ব্র্যান্ড প্রমোটার নিয়োগ করেন তারা। এ ছাড়া এক বছরের জন্য ২৫ হাজার টাকায় ভিভিআইপি এবং ১৫ হাজার টাকায় ভিআইপি সদস্যপদ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রবাসী ক্যাটাগরিতে বিনিয়োগ করেও প্রতিদিন এক হাজার টাকা আয়ের লোভনীয় অফার রয়েছে। এ ছাড়া ‘সোশ্যাল কমার্স’ নামে পণ্য বেচাকেনায়ও এসব এজেন্ট ও ব্র্যান্ড প্রমোটারদের জন্য রয়েছে কমিশন। ব্র্যান্ড প্রমোটারদের লেনদেনের অধিকাংশই হচ্ছে বিকাশ ও নগদের মতো ওয়ালেটে।
লোভের ফাঁদে বেকার ও তরুণরা :রিং আইডির অফারে দিনে সর্বোচ্চ ১০০টির মতো বিজ্ঞাপন দেখলেই মিলছে ৫০০ টাকা! প্রতিটি বিজ্ঞাপন দেখার বিনিময়ে পাঁচ টাকা আয় করতে পারছেন ব্র্যান্ড প্রমোটাররা। গোল্ড ক্যাটাগরিতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০টি এবং সিলভার ক্যাটাগরিতে প্রতিদিন ৫০টি বিজ্ঞাপন দেখার সুযোগ রয়েছে। এভাবে গোল্ড ব্র্যান্ড প্রমোটাররা দিনে ৫০০ টাকা এবং সিলভাররা ২৫০ টাকা আয় করেন। এজেন্টদের বিনিয়োগ বেশি, আয়ও বেশি।

প্রতি ব্র্যান্ড প্রমোটার নিয়োগে এজেন্টরা পান ৮ শতাংশ কমিশন। এভাবে রেফার সিস্টেমে ব্র্যান্ড প্রমোটারদেরও আয়ের সুযোগ রয়েছে। একজন গোল্ড প্রমোটার নিয়োগ করলে কমিশন বাবদ এজেন্ট পায় এক হাজার ৭৬০ টাকা। ব্র্যান্ড প্রমোটাররা বিজ্ঞাপন দেখে অর্জিত অর্থ এজেন্টের মাধ্যমে তুললে তারা পান ৪ শতাংশ কমিশন। তেমন কোনো পরিশ্রম ছাড়াই অর্থ আয়ের লোভে একেকজন সদস্য ৫-১০টা, এমনকি ৫০টা পর্যন্ত ব্র্যান্ড প্রমোটার আইডি কিনছেন। অনেকেই একাধিক এজেন্ট আইডি কিনছেন।

গোল্ড ক্যাটাগরির ৫০টি আইডি কিনেছেন দিনাজপুরের এক যুবক। তিনি  জানান, রিং আইডিতে গত এপ্রিল মাসে তিনি ১১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। ৫০টা আইডিতে তার প্রতিদিন ২৫ হাজার টাকা আয় হওয়ার কথা। শুরুতে মাস দুয়েক ঠিকঠাক টাকা তুলতে পেরেছেন। কিন্তু এখন ঝামেলা হচ্ছে। এজেন্টরা চাহিদা মতো ক্যাশআউট দিচ্ছে না। সরাসরি অফিসিয়াল ক্যাশআউট করতে গেলে রিং আইডির সার্ভার ব্যস্ত দেখাচ্ছে।
টাকা তুলতে এমন নানা ঝামেলার কথা সমকালকে জানিয়েছেন অনেকেই। টাকা ফেরত পাওয়া নিয়েও অনেকে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাগুরার এক ডায়মন্ড এজেন্ট জানান, তিনি ১০ লাখ টাকায় দুটি ডায়মন্ড এজেন্ট আইডি নিয়েছেন। তাদের সরাসরি কোনো অর্থ দেয় না রিং আইডি। ব্র্যান্ড প্রমোটার নিয়োগ করে প্রাপ্ত কমিশন থেকে তাদের অর্থ তুলতে হয়।
রিং আইডি প্রতারণা করতে পারে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, খুব তাড়াতাড়ি এমনটা হবে না। এর মধ্যেই বিনিয়োগ লাভসহ উঠিয়ে আনা যাবে।

শরিফ-আইরিন দম্পতি :ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম শরিফ ইসলামের। তার পরিচিতজনরা জানায়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করা শরিফ ইসলাম ২০০৫ সালে পিআর (পারমানেন্ট রেসিডেন্স) ভিসায় কানাডায় যান। আইরিন ইসলাম কানাডার কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ব্যাচেলর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ওই সময় বিয়ে করেন তারা। কানাডায় চাকরির পাশাপাশি আইরিন শরিফ ইসলামের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক নানা উদ্যোগ শুরু করেন।

আইজিডব্লিউ এবং আইসিএক্স প্রতিষ্ঠান খুলে কল জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ রয়েছে এই দম্পতির বিরুদ্ধে। কল জালিয়াতি, সরকারের বকেয়া পরিশোধ না করা এবং আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠান ভিশনটেল ও আইসিএক্স প্রতিষ্ঠান ক্লাউডটেলের বিরুদ্ধে করা একাধিক মামলায় আইরিন ইসলাম ও শরিফ ইসলাম ২০১৬ সালে জেল খেটেছেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মামলায় ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠান ভিশনটেল এবং আইসিএক্স প্রতিষ্ঠান ক্লাউডটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফ ইসলাম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আইরিন ইসলাম। ২০১৫ সালের ১৬ জুন ভিশনটেলের লাইসেন্স বাতিল করে কমিশন।

বিটিআরসি সূত্র সমকালকে নিশ্চিত করেছে, শরিফ-আইরিন দম্পতি ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে মামলাটির স্থগিতাদেশ (স্টে অর্ডার) নেয়। বিটিআরসি এরপর স্থগিতাদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করলেও এ মামলায় পরবর্তী শুনানি হয়নি।
বিজ্ঞাপন দেখে আয়ের সুযোগ কতটা :বিজ্ঞাপন দেখে বৈধ পথে আয়ের সুযোগ আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ফ্রিল্যান্সার ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার আল আমীন কবির সমকালকে বলেন, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান তার পণ্যের প্রচারণার জন্য বিনিয়োগ করতে পারে। অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রদর্শনে বিশ্বজুড়ে সিপিএম (কস্ট পার মিল বা প্রতি হাজারে খরচ) স্বীকৃত পদ্ধতি। নির্দিষ্ট পণ্য কিংবা ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে এ ধরনের পদ্ধতি ব্যবহূত হয়। এটা বৈধ, স্বল্প পরিসরে এটা হয়। তবে একটি প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার মানুষকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে প্রতিদিন ৫০০ কিংবা এক হাজার টাকা আয়ের সুযোগ করে দেবে- এটা বাস্তবতা বিবর্জিত। যখন কোনো প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কর্মকাণ্ড করবে, তখন বুঝতে হবে কোথাও গলদ আছে।

দেশের অন্যতম শীর্ষ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটিভ আইটির কর্ণধার মনির হোসেন বলেন, দক্ষতা অর্জন ছাড়া বিজ্ঞাপন দেখে আয় করার অফার একমাত্র প্রতারণার উদ্দেশ্যেই দেওয়া যায়। আমরা এক সময় ডুল্যান্সার নামে একটি কোম্পানির এ ধরনের অপতৎপরতা দেখেছি। তারা একটা সময় পর গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা লোপাট করে পালিয়েছে। রিং আইডি এখন যা করছে, তা কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়।

রিং আইডি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য :প্রায় দুই মাস ধরে রিং আইডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফ ইসলাম এবং প্রধান নির্বাহী আইরিন ইসলাম কানাডায় রয়েছেন। রিং আইডির বিষয়ে শরিফ ইসলামের সঙ্গে কয়েক দফায় মেসেঞ্জার কলে কথা হয়। তিনি বলেন, তাদের প্ল্যাটফর্মে দুই কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছেন, যার মধ্যে দুই লাখ ব্র্যান্ড প্রমোটার আর এজেন্ট রয়েছেন ৫০০ থেকে ৬০০ জন। কর্মী আছেন ৫০ জন।
দুই কোটিরও বেশি ব্যবহারকারীর প্ল্যাটফর্ম এত কম সংখ্যক কর্মীতে কীভাবে চলে- এমন প্রশ্নের জবাবে শরিফ বলেন, বিনিয়োগ না পাওয়ায় অর্থ সংকটে আছি। জাপানসহ একাধিক বিদেশি বিনিয়াগকারী গ্রুপের সঙ্গে আলাপ চলছে। অচিরেই নতুন বিনিয়োগ ঢুকবে বলে আশা করছি।
কমিউনিটি জব প্রসঙ্গ তুললে তিনি বলেন, ‘এটা সাময়িক, আমরা নতুন এজেন্ট ও ব্র্যান্ড প্রমোটার নেওয়া দ্রুত বন্ধ করে দেব।’
বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন :বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মের আড়ালে কেউ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে কিনা কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে কিনা তা সরকারের সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খতিয়ে দেখা উচিত। প্ল্যাটফর্মটি কোনো রকম অবৈধ পন্থা অবলম্বন করলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। আর যদি বৈধভাবে সব কিছু হয়ে থাকে, তবে জবাবদিহি নিশ্চিত করে নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান সমকালকে বলেন, রিং আইডির বিষয়ে বিস্তারিত জানা নেই। তবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আড়ালে গ্রাহকের অর্থ হাতিয়ে নিলে পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, রিং আইডির বিষয়ে আমাদের কাছে এখনও কোনো অভিযোগ আসেনি। এখানে অবৈধ কিছু ঘটে থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি দেখবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আমাদের একটা শ্রেণি বিনা পরিশ্রমে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ আয়ের স্বপ্ন দেখে, কেউ যদি এরকম কোনো অফার দেয়, তারা লুফে নেয়। কিন্তু যাচাই করে না কিংবা বোঝে না, এভাবে বৈধভাবে কেউ দিনের পর দিন অর্থ দিতে পারে না। একটা সময় ওই কোম্পানি উধাও হয়ে যায়। তখন সবাই হায় হায় করতে থাকে।

সংবাদ সূত্র- সমকাল অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কনভেনশন সেন্টারের উন্নয়নে এসি দিল ওয়ালটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কনভেনশন সেন্টারের উন্নয়নে এসি দিল ওয়ালটন

একতার কণ্ঠঃ ওয়ালটন গ্রুপের উদ্যোগে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কনভেনশন সেন্টারের উন্নয়নে চারটি ( চার টনের) এসি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলে প্রেস ক্লাবে ওয়ালটনের পক্ষ থেকে এসিগুলো হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর অহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, ওয়ালটন সিএসআর কমিটির সদস্য সচিব এবং ওয়ালটন সিএসআর এন্ড ওয়েলফেয়ার সেকশন ইনচার্জ মো. সাফায়েত হুদা, পিন্সিপাল অফিসার ফেন্সী ইসলাম, ওয়ালটন টাঙ্গাইল প্লাজার ম্যানেজার অনুপ কুমার সাহাসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ জানান, ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বিভিন্ন সময়ে উন্নয়নের জন্য নানাভাবে সহয়োগিতা করে আসছে। এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে ওয়ালটন আন্তঃউপজেলা প্রেসক্লাব ক্রিকেট টুনামেন্টসহ অভ্যন্তরীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সহযোগিতা করে থাকে। ওয়ালটনের এই ধারাবাহিক সহাযোগিতার কারণে ওয়ালটন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম নূরুল আলম রেজভীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন (সামাজিক ও অবকাঠামো) শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল পৌরসভার মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনলাইনে অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক রাকিব আহসান, নগর পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক শাকিল আক্তার, সহকারী অধ্যাপক শেমন্তী আজিজ, নগর পরিকল্পনা বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া আফরোজ।

এছাড়া পৌরসভা মিলনায়নে ১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর উল্কা বেগমসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তরা বলেন, ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ দেশ। তবে দুর্যোগের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া, এগুলোর প্রভাব বা ক্ষয়ক্ষতি থেকে সর্বোচ্চ মাত্রায় রক্ষা পাওয়া, ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা এবং তা পুষিয়ে নিয়ে পুনরায় জনগণকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সে লক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের মোকাবেলায় সবাইক কাজ করতে হবে। একই সাথে সকলের সহযোগিতায় ভূমিকম্পের বড় ধরনের ক্ষতিক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১২:এএম ৫ বছর আগে
সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র ‘গলুই’: শুটিং এ টাঙ্গাইলে আসছেন শাকিব খান - Ekotar Kantho

সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র ‘গলুই’: শুটিং এ টাঙ্গাইলে আসছেন শাকিব খান

একতার কণ্ঠঃ কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছে প্রথমবারের মতো অনুদানের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। খোরশেদ আলম খসরু প্রযোজিত শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ পরিচালনা করছেন এস এ হক অলিক। সম্প্রতি জানা গেছে সিনেমাটি নিয়ে নতুন খবর। প্রকাশিত খবরে প্রকাশ যমুনার চর থেকে শুরু হচ্ছে শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ এর দৃশ্যধারনের কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শাকিব খানের নায়িকা হয়ে পর্দায় আসছেন পূজা চেরী।

জানা গেছে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ এর দৃশ্যধারনের কাজ। ম্যাসব্যাপী সিনেমাটির দৃশ্যধারন হবে  টাঙ্গাইল ও জামালপুরের বিভিন্ন লোকেশনে। প্রথম দিন জামালপুরের যমুনার চর এলাকায় শুরু হবে দৃশ্যধারন। আর এই লটের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার সময়ের সবচেয়ে বড় তারকা শাকিব খান।

এ প্রসঙ্গে একটি অনলাইন পত্রিকার সাথে আলাপকালে এস এ হক অলিক বলেন, ‘আমাদের টানা শুটের পরিকল্পনা আছে জামালপুর ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন লোকেশনে। ৩৫ থেকে ৪০ দিন লাগবে সিনেমাটির শুট করতে। অভিনয় শিল্পীরা যাওয়া-আসার মধ্যে থাকবেন, যাঁর যখন শুট, তখন তিনি যোগ দেবেন।‘ তবে শাকিব খান ছাড়া সিনেমাটির অন্য শিল্পীদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চান না এই নির্মাতা। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘সিনেমাটিতে কারা অভিনয় করছেন, সেটি মহরত অনুষ্ঠানেই জানাতে চাই; সেটি শুট শুরুর কয়েক দিন আগে ঢাকায় করা হবে।’

ছবির নাম ‘গলুই’ রাখা হয়েছে নৌকা চালানোর জন্য যে গলুই লাগে তা থেকে। নৌকা বাইচ, একজন মাঝির জীবন জীবিকা, প্রেম, ভালোবাসার মাধ্যমে সমাজের প্রতিচ্ছবি উঠে আসবে ‘গলুই’ সিনেমায়। সিনেমাটিতে একজন মাঝির চরিত্রে অভিনয় করবেন ঢাকাই সিনেমার সময়ের সেরা নায়ক শাকিব খান। প্রযোজক সূত্রে জানা গেছে সিনেমাটি ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৬০ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছে।

প্রসঙ্গত, শাকিব খান এবং পূজা চেরী ছাড়াও সিনেমাটিতে আরো অভিনয় অভিনয় করছেন আজিজুল হাকিম ও ফজলুর রহমান বাবু। আর সিনেমাটির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ এবং হাবিব ওয়াহিদ সহ অনেকেই।

উল্লেখ্য যে, এস এ হক অলিক একাধারে নাটক এবং সিনেমা নির্মান করে থাকেন। অলিক পরিচালিত ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’ সিনেমা দুটি দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলো। এছাড়া অলিক এর আগে সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়ে ‘আরো ভালোবাসব তোমায়’ নামের একটি সিনেমা নির্মান করেছিলেন। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিলো এই সিনেমাটি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৪৫:এএম ৫ বছর আগে
দীর্ঘ ২১ বছর পর ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার অপারেশন - Ekotar Kantho

দীর্ঘ ২১ বছর পর ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার অপারেশন

একতার কণ্ঠঃ নানা জটিলতায় প্রায় দুই যুগ ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারসহ সব ধরনের অপারেশন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। অবশেষে দীর্ঘ ২১ বছর পর সিজার অপরেশন শুরু হয়েছে। এই  উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভূঞাপুরবাসী। রবিবার( ৫ সেপ্টেম্বর) দু’টি সিজারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রথম দিনে করা দু’টি সিজারের দু’জনেই সুস্থ আছেন। তাঁরা দু’জন হলেন, উপজেলার পূর্ব ভূঞাপুরের আসাদুজ্জামানের স্ত্রী হ্যাপি আক্তার (২৫) এবং পাশের ঘাটাইল উপজেলার যোগিহাটি গ্রামের মোস্তফার স্ত্রী তাহমিনা খাতুন (২০)।

সিজার দুটি সম্পূর্ণ করেন ডা. মোছা. সালমা জাহান। এ সময় তাঁকে সহযোগিতা করেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. খন্দকার সাঈদ হোসেন, অ্যানেসথেসিয়া ডা. মো. আজিজুল হক, আরএমও ডা. এনামুল হক ও ডা. নিশাদ সাইদা।

সিজারিয়ান দম্পতি ও তাঁদের পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বাইরের অন্যান্য ক্লিনিকের চেয়ে এখানে টাকা কম খরচ হয়েছে ও সিজারের সময়ও কম লেগেছে। মা ও নবজাতক দু’জনেই সুস্থ আছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. এএফএম সাহাবুদ্দিন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহীউদ্দিন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:২১:এএম ৫ বছর আগে
 টাঙ্গাইলে শিশু ও নারীর উন্নয়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

 টাঙ্গাইলে শিশু ও নারীর উন্নয়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ‘শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম পঞ্চম পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার সত্যেন্দ্র নাথ পাল, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি জে সাহা জয় প্রমুখ।

জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের যৌথ আয়োজনে ওই সমাবেশে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:১৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে

একতার কণ্ঠঃ উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে টাঙ্গাইলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার(২৬ আগস্ট) সকালে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার ধলেশ্বরীতে ৪ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেণ্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) জানায়, গত দুই দিন যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকার পর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের করণে জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। ফলে জেলার চরাঞ্চল, নিম্নাঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদী তীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, কালিহাতী, বাসাইল, ভূঞাপুর, মির্জাপুর, বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইল পাউবো ও কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়লেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীসহ জেলার সব নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদীর পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
বয়ঃসন্ধিকালে ব্রণের সমস্যায় কী করবেন - Ekotar Kantho

বয়ঃসন্ধিকালে ব্রণের সমস্যায় কী করবেন

একতার কণ্ঠঃ ব্রণের সমস্যায় কমবেশি সবাইকে পড়তে হয়। বিশেষ করে বয়ঃসন্ধিকালে কিশোরী-কিশোরীদের এই সমস্যা দেখা যায়। ব্রণ সাধারণত মুখে দেখা গেলেও অনেক সময় মাথা, পিঠ ও ঘাড় ও বুকেও দেখা দিতে পারে। আমাদের দেশে ছেলেদের ১৬ থেকে ১৯ বছর বয়সে ও মেয়েদের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। ২০ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময় থেকে ব্রণ হওয়ার হার কমে যেতে থাকে। তবে অনেকে পরিণত বয়সেও এই সমস্যায় ভুগেন।

ব্রণের সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন আল-রাজী হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিদারুল আহসান।

কারণ

* টিনএজারদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকালে অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের আধিক্য।

* মাসিক বা গর্ভাবস্থায় হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন।

* কসমেটিক, বিশেষ করে ঘন ঘন ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার বা মেকআপের প্রভাব।

* জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, স্টেরয়েড, খিঁচুনি বা মানসিক রোগের ওষুধ ইত্যাদির প্রভাব।

* অত্যধিক গরম বা বেশি ঘর্মাক্ত হওয়া।

* তেলতেলে চুল ও মাথার খুশকি।

* মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া।

* কেরোসিন বা কয়লার (যেমন, ফার্নিচারের বার্নিশ) প্রভাব।

* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব ও নারীদের মাসিক ঋতুস্রাবের সঙ্গেও ব্রণের সম্পর্ক রয়েছে।

ধরন

ব্রণের নানা ধরন রয়েছে। ছোট ছোট গোল ফুসকুড়ি, লালচে ছোট ছোট গোটা, আবার পুঁজপূর্ণ বড় বড় চাকাও হতে পারে। ব্রণ টিপলে ভাতের দানার মতো বের হয়ে আসে। কিছু ব্রণ খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়। এতে ত্বকে ছিদ্রও দেখা দিতে পারে। কারও কারও মুখে ব্রণের তীব্রতা বেশি থাকলে তা এবড়োথেবড়ো দেখায়।

চিকিৎসা

সচেতনতার মাধ্যমেই বেশিরভাগ ব্রণ দূর করা যায় বা কমানো যায়। তবে আক্রান্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে ডার্মাটোলজিস্ট বা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়। চিকিৎসা না করালে অনেক সময় ব্রণ ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি, বিশেষ করে ত্বকে গভীর প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য মলম প্রয়োগ, অ্যান্টিবায়োটিক অথবা রেটিনয়েডজাতীয় ওষুধ সেবনের প্রয়োজন হতে পারে।

* মাথায় খুশকি থাকলে অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করে খুশকি দূর করুন।

* অ্যালার্জি না থাকলে বেনজাইল পার-অক্সাইড লোশন ব্যবহার করতে পারেন।

কিছু ভুল ধারণা

অনেকে ব্রণ হলে মুখে সাবান ব্যবহার বন্ধ করে দেন অথচ এ সময় সাবান দিয়ে মুখ ধুলে উপকার হয়, কেননা সাবান মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করে এবং লোমকূপ পরিষ্কার রাখে।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২১ ১০:২১:পিএম ৫ বছর আগে
কিভাবে বুঝবেন সন্তান মাদকাসক্ত - Ekotar Kantho

কিভাবে বুঝবেন সন্তান মাদকাসক্ত

একতার কণ্ঠঃ মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে আগে জানতে হবে মাদকাসক্তি কী? নেশায় জড়িয়ে পড়া বা মাদকাসক্তি একটি ব্যাধি। সাধারণত চিকিৎসাবিদ্যায় মাদকাসক্তিকে বলা হয়, ক্রনিক রিলাক্সিং ব্রেইন ডিজিজ বা বারবার হতে পারে এমন স্নায়ুবিক রোগ।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য ও পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন ব্যক্তিকে মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত করার কিছু শর্ত আছে। প্রথমত, যেকোনো উপায়েই হোক নেশাদ্রব্য সংগ্রহ করতে হবে, যেটিকে ইংরেজিতে ক্রেভিং বলে। দ্বিতীয়ত, নেশাবস্তু গ্রহণের মাত্রা ক্রমশ বাড়িয়ে দেয় বা বাধ্য হয়, যেটিকে টলারেন্স বলা হয়। তৃতীয়, নেশাবস্তুর প্রতি দৈহিক এবং মানসিক নির্ভরতা গড়ে ওঠে। নেশাবস্তুটি গ্রহণ করতে না পারলে তার দৈহিক ও মানসিক অবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হয়।

ভয়াবহ সংবাদ হলো, গোটা বিশ্বের মতো আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ১৮ বছরের বেশি ৩ দশমকি ৩০ শতাংশ, ১২-১৭ বছর বয়সী ১ দশমিক ৫০ ও ৭-১১ বছর বয়সীদের মধ্যে ০ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষ মাদকাসক্ত। অর্থাৎ, ৭ বছরের শিশুও মাদকাসক্ত হয়েছে এমন প্রমাণ রয়েছে। সার্বিকভাবে দেখা যায়, পুরুষদের মধ্যে ৪ দশমিক ৮০ এবং নারীদের ০ দশমিক ৬০ শতাংশ মাদকাসক্ত।

মাদকাসক্তদের মধ্যে গাঁজায় আসক্ত ৪২ দশমিক ৭০, মদে ২৭ দশমিক ৫০, এমফেটামিন জাতীয় ওষুধে ১৫ দশমিক ২০, আফিম জাতীয় দ্রব্যে ৫ দশমিক ৩০ এবং ঘুমের বড়ি বা ট্যাবলেট খায় ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ জরিপ থেকে আমরা আমাদের দেশে মাদকাসক্তের সার্বিক একটা চিত্র বুঝতে পারি।

খুব ভয়ের ব্যাপার হলো, দেশের তরুণ-তরুণী কিংবা কিশোর-কিশোরীরা মাদকে বেশি আসক্ত হচ্ছে। দেশে মাদকাসক্তের প্রায় ৬৩ শতাংশ তরুণ-তরুণী। কিশোর বা তরুণদের ক্ষেত্রে সঙ্গত কারণেই আমরা বলে থাকি, ওদের আবেগ অনিয়ন্ত্রিত এবং বয়সটিতে বন্ধুদের প্রভাব অনেক বেশি থাকে। এদের মধ্যে অনেকেই নিছক কৌতূহলের বশে নেশা করে। অনেকের ক্ষেত্রে সামাজিক বা ব্যক্তিগত কোনো হতাশা থেকে শুরু হয়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত হয়েও অনেকে কিন্তু মাদকে ঝুঁকে পড়ে। দেশে নানা জাতীয় মাদকের সহজলভ্যতাও মাদকাসক্তির অন্যতম কারণ।

এ ছাড়া মাদকাসক্তের পেছনে পারিবারিক অনেক কারণও আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। যেমন, কোনো সংসার বা পরিবারে পারিবারিক কলহ দিনের পর দিন চলতে থাকে, মা-বাবা কিংবা বড় ভাই-বোনদের কেউ মাদকাসক্ত, মা-বাবার সাথে শিশু-কিশোর বয়সে সন্তানের স্নেহপূর্ণ সম্পর্কের ঘাটতির কারণেও মাদকে আসক্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এখন আসা যাক তরুণ-তরুণীরা মূলত কোন কোন মাদকে আসক্ত হয়। সাম্প্রতিক ডিএসএম-৫ বা ডায়াগনোস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিস-অর্ডারসের পঞ্চম সংস্করণে ১০টি দ্রব্যকে মাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো, অ্যালকোহল বা মদ, ক্যাফেইন, ক্যানাবিস বা গাঁজাজাতীয় দ্রব্য, হ্যাল্যুসিনোজেনস বা বিভ্রম সৃষ্টিকারী দ্রব্য (এলএসডি, বিভিন্ন ধরনের ইনহ্যাল্যান্টস অর্থাৎ যেগুলো শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয়), অপিওয়েডস বা আফিম জাতীয় দ্রব্য, সিডেটিভ বা উত্তেজনা প্রশমনকারী দ্রব্য (ঘুমের ওষুধ, হিপনোটিকস বা সম্মোহক পদার্থ), অ্যানজিওলাইটিকস বা উদ্বেগ প্রশমক দ্রব্য, স্টিম্যুলেন্টস বা স্নায়ু উত্তেজক দ্রব্য (অ্যামফিটামিন জাতীয় দ্রব্য বা কোকেইন) এবং বিভিন্ন তামাকজাতীয় দ্রব্য।

সূত্র: ডক্টর টিভি

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২১ ০৫:০৯:এএম ৫ বছর আগে
চুলের পুরো দায়িত্ব মেথির ওপর ছেড়ে দিন - Ekotar Kantho

চুলের পুরো দায়িত্ব মেথির ওপর ছেড়ে দিন

একতার কণ্ঠঃ চুলের সমস্যা নিয়ে প্রায় সবাই চুলচেরা বিশ্লেষণ করে একটি ছোট রচনা লিখতে পারবো। তবে চুলের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে কী করছি এই প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই খুব দীর্ঘ হবে না।

চুলের যত্ন নিতে যারা একটু অলস, তেমন কিছুই করতে চান না, আবার ঘন-মজবুত- লম্বা-ঝলমলে-সুন্দর চুলও চান, তারা সারাবছর মেথির ওপর ছেড়ে দিন চুলের পুরো দায়িত্ব। কারণ মেথি ব্যবহারে-

• চুল পড়া বন্ধ হয়, চুলের গোঁড়া মজবুত রাখে
• চুলের অকাল্পক্কতাও রোধ করে
• নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুল ঘন হয়
• স্ক্যাল্পের শুষ্কতা দূর হয়, খুশকির যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি মেলে
• আর ঝলমলে-সিল্কি চুল তো মাত্র কয়েক বারেই পাওয়া যায়।
চুল সুন্দর রাখতে মেথি যেভাবে ব্যবহার করতে হবে
• ৩ চামচ নারকেল তেল ও ২চামচ মেথি জ্বালিয়ে ব্লেন্ড করে রাখুন
• এই তেল মাথায় ম্যাসাজ করে ঘণ্টা দুই রেখে শ্যাম্পু করে নিন

• সপ্তাহে একবার রাতে আধা কাপ মেথি ভিজিয়ে রেখে সকালে পেস্ট করে নিন
• এবার একটা ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে পুরো চুলে ভালো করে লাগিয়ে আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

মেথি পেস্ট করতে ঝামেলা মনে হয়ে, বাজার থেকে মেথির গুঁড়া কিনে নিতে পারেন। মাত্র একমাস ধৈর্য ধরে মেথি দিয়ে চুলের একটু যত্ন নিন, আর অনেক বেশি সুন্দর দীর্ঘ-মসৃণ-ঘন চুল পান।

সংবাদ সূত্র- বাংলা নিউজ২৪.কম

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অগাস্ট ২০২১ ০৯:৩৭:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।