একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার(১৮ মে) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের নোয়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, আফজাল হোসেন ও আমির হোসেন। তারা দিনাজপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চকদফরপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিহতরা সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই।
স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার আউলিয়াবাদ বাজারে ঘর ভাড়া নিয়ে সেখানে থেকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটার কাজ করতো তারা। পরে শনিবার ভোরে বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের নোয়াবাড়ী গ্রামের হযরত আলীর ধান ক্ষেতে তাঁরা ৬ জন শ্রমিক ধান কাটতে ব্যস্ত ছিল। এসময় বৃষ্টি শুরু হলে ধান ক্ষেত থেকে দৌঁড়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় আফজাল ও আমীরের ওপর বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন জানান, সকালে কয়েকজন শ্রমিক হযরত আলীর ক্ষেতে ধান কাটতে যান। এসময় গুড়িগুড়ি বৃষ্টি সাথে বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরো চারজন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
কালিহাতী থানার এসআই রাজীব জানান, নিহতের স্বজনরা অপমৃত্যু মামলা দায়ের করলে ওসি স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও নাগরপুর উপজেলার ২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ জন এবছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও কেউ পাস করতে পারেনি।
প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- কালিহাতী উপজেলার সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয় ও নাগরপুর উপজেলার ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা।
জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাগেছে, সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ছিল ৩ জন ও নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল ২৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এসব শিক্ষার্থীর কেউ পাস করতে পারেনি।
স্থানীয়রা জানায়, ২০০৪ সালে সোমজানি গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আব্দুল বাসেত তার নিজ নামে ‘ডা. ক্যাপ্টেন আব্দুল বাসেত ইবনে আইনউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে এটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল। পরে উচ্চ বিদ্যালয় করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর ৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে আসা বন্ধ করে দেন।
স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতা বিরোধী ভূমিকা পালন করেছেন- এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালে তার নাম স্কুল থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। নামকরণ করা হয় ‘সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয়’। স্থানীয়দের ভাষায়, স্কুলে নিয়মিত ক্লাস হয় না। দুই চারজন শিক্ষার্থী এলেও শিক্ষকরা আসেন না।
স্কুলের শিক্ষক মো. মুছা মিয়া জানান, এমপিওভুক্ত না হওয়ায় কোনো শিক্ষক স্কুলে যান না। কাগজে কলমে তারা ওই স্কুলের শিক্ষক। কিন্তু বাস্তবে করোনাকালীন সময়ের পর থেকে কেউ স্কুলে যান না। মাঝে মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক গিয়ে খোঁজ-খবর নেন।
তিনি আরও জানান, নিজে রতনগঞ্জ বাজারে ওষুধের দোকান করেন। অন্য শিক্ষকরা কেউ কোচিং সেন্টার অথবা অন্য কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রজ্জাক জানান, বিনা বেতনে শিক্ষকরা থাকতে চান না। এবার যে তিনজন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল তারা কর্মজীবী। তাই ভালো ফলাফল করতে পারেনি।
জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, এবার জেলায় এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০টি। মাদ্রাসায় পাশের হার ৭৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২২টি।
এছাড়া টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নরিল্যা আ. খা. মহিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং গাড়াখালি বালিকা দাখিল মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।
নাগরপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাদির আহমদ জানান, ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার ২৭ শিক্ষার্থীর একজনও কেন পাস করলো না এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। যেহেতু তিনি নতুন যোগদান করেছেন- তাই প্রতিষ্ঠানের বিগত ফলাফলের বিষয়ে অবগত নন। প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কাভার্ডভ্যান ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাক চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দু’জন।
মঙ্গলবার (৭ মে) ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের সরাতৈল টাওয়ার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে সাময়িক ভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের চার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে উত্তরবঙ্গ ও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পরিবহনগুলো এলেঙ্গা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক ব্যবহার না করে এলেঙ্গা-ভুঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করে।
এছাড়া দুর্ঘটনার পরই ক্ষতিগ্রস্ত দুটি যান উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ। গাড়ি দুটি সড়ক থেকে অপসারণের পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া জানান, ঢাকাগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে উত্তরবঙ্গগামী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাক চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
তিনি আরও জানান, কাভার্ডভ্যানের চালকসহ আরও দু’জন গুরুতর আহত হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ট্রাকচালকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে তীব্র তাপদাহে তৃষ্ণার্ত রিক্সা, ভ্যান-অটো চালক, পথচারী এবং বয়স্কদের মাঝে বিশুদ্ধ পানীয় জল ও স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (৫ মে) দুপুরে কালিহাতী উপজেলা চত্বর, বাসস্ট্যান্ড ও শহীদ শফি সিদ্দিকী চত্তরে প্রায় ১ হাজার বোতল বিশুদ্ধ জল ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মনিরুজ্জামান মতিন, সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান শেলী, সাধারণ সম্পাদক মুনসুর হেলাল বাদশা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, কার্যকরী সদস্য রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী, দাস পবিত্র ও সদস্য নাহিদ খান প্রমুখ।
এ মানবিক কর্মসূচিতে একত্মতা ঘোষণা করে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা, বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসমত আলী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফাতেমা খাতুন বৃষ্টি।
ভ্যান চালক রহমত আলী বলেন সাংবাদিকদের এ উদ্যােগ খুবই প্রশংসনীয়। তৃষ্ণায় এক বোতল পানি পেয়ে আমি আনন্দিত।
রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যরা ভবিষ্যতেও এধরনের মানবিক কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে সোহাগ নামে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৫ মে) বিকেলে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বন বিভাগের বিশ্রামাগারের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহাগ মিয়া (২০) কালিহাতী পৌরসভার সোনা খড়িল্লা এলাকার লিটন মিয়ার ছেলে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর সাজেদুর রহমান জানান, এলেঙ্গা থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের কালিহাতী বন বিভাগের বিশ্রামাগারের সামনে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চালক সোহাগ গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহাগকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (২৭ এপ্রিল) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রবিবার দুপুরে অপহরণ, ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করাসহ নগদ ৫’শ টাকা আদায়ের অভিযোগে ৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী যুবক মো. রুবেল রানা।
গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই সরকার দলীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন- সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ও হাতিলা গ্রামের ধীনেশ সরকারের ছেলে প্রশান্ত সরকার (৩৫), ইউনিয়ন ছাত্রীগের সাধারণ সম্পাদক ও হাতিলা গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (৩০), ধীরেন চন্দ্র মন্ডলের ছেলে প্রতিক কুমার সরকার (২৩), অজিবর রহমানের ছেলে রিমন মিয়া (২১)।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন- আইনুদ্দিনের ছেলে সবুজ (২১), চাঁদ মাহমুদের ছেলে রনি (২৩), জুলহাস মিয়ার ছেলে রাব্বি (২১) ও আজগর আলীর ছেলে সুজন (২১)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন।
তিনি জানান, পাশের কালিহাতী উপজেলার বিনোদ লুহুরিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রুবেল রানা হাতিলা গ্রামের শশুর কান্দু মিয়ার বাড়িতে যাওয়ার পথে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে অপহরণ করেন আটককৃতরা। মুক্তিপণের জন্য রাত প্রায় দেড়টা পর্যন্ত অপহৃতের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় তারা। এ সময় অপহৃত রুবেলের কাছে থাকা ৫’শ টাকা ছিনিয়ে নেয় অপহরণকারীরা। ঘটনাটি রাতেই অপহৃতের ভাই বাবু পুলিশকে জানায়। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে অপহৃত রুবেলকে উদ্ধার করাসহ অভিযুক্তদের আটক করে। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অপহৃত রুবেল নিজে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা অপরহণ ও চাঁদা দাবির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও জানান ওসি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নবনির্মিত মসজিদের নাম পরিবর্তন না হলে কর্তৃপক্ষকে মারধরের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মুতালিব হোসেন নামের এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। সদর উপজেলার গালা ও মগড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুই গ্রামের নামে নির্মিত হচ্ছে ওই মসজিদ।
মসজিদটি মগড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বড়বাশালিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সম্প্রতি দেওয়া সেই হুমকির অডিও ও ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় মুসুল্লীসহ দুই গ্রামবাসি।
বড়বাশালিয়া দক্ষিণপাড়া ঈদগাঁ মাঠ আর গত ঈদুল ফিতরের পরের দিন স্থানীয় মাজেদার চা স্টলে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে মসজিদ নির্মাণে সম্পৃক্ত মুসুল্লীদের মারধরের হুমকি দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান বলে জানিয়েছেন মসজিদ নির্মাণে সংশ্লিষ্টরা।
তাদের অভিযোগ, দুই গ্রামবাসির মসজিদ নির্মাণ ও নামকরণ নিয়ে কোন প্রশ্ন না থাকলেও জনপ্রতিনিধির ক্ষমতাবলে নাম পরিবর্তনের অজুহাত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছেন ওই ইউপি চেয়ারম্যান।
অ্যাডভোকেট মোতালিব হোসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি টাঙ্গাইল টাঙ্গাইল আদালতে আইন পেশায় নিয়োজিত।
স্থানীয়রা জানায়, ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী দূর্গাপুর-বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের দূর্গাপুরের নেতৃবৃন্দ ও মগড়া ইউনিয়নের বড় বাশালিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের নেতৃবৃন্দ। মোট ১৪ শতাংশ জমিতে নির্মিত হচ্ছে মসজিদটি। উদ্যোগের সিদ্ধান্ত অনুসারে বড়বাশালিয়া গ্রামের আজিজুর রহমান মসজিদের নামে ১০ শতাংশ জমি দান করেন। বাকি ৪ শতাংশ জমি দূর্গাপুরের নেতৃবৃন্দ দান করেন। এছাড়াও মসজিদ নির্মাণে অধিকাংশ অর্থায়ন করছেন দূর্গাপুরের গ্রামবাসি। চলতি বছরের ৯ মার্চ থেকে যথারীতি নবনির্মিত ওই মসজিদে নামাজ আদায়ও শুরু করেছেন স্থানীয় মুসুল্লীরা।
মুসুল্লীদের অভিযোগ, মসজিদের নামকরণ নিয়ে দুই গ্রামবাসি একমত থাকলেও ইউপি চেয়ারম্যান একাই বির্তক সৃষ্টি করছেন। মসজিদ নির্মাণের উনার কোন ভূমিকা না থাকলেও জোড়পূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বড়বাশালিয়ার একক নামে মসজিদটি নির্মাণের দাবি করছেন তিনি। মসজিদ আল্লাহর ঘর, এটি কারো ব্যক্তি সম্পদ নয়। মসজিদ নিয়ে উনার এমন নোংরা রাজনীতি মেনে নেয়া যায় না। ৬ মাস আগেও ইউপি চেয়ারম্যান একক সিদ্ধান্তে ও নতুন করে নির্মাণের নামে ভেঙে ফেলেছেন গ্রামবাসির একমাত্র বড়বাশালিয়া দক্ষিণ পাড়া বায়তুন নাজাত জামে মসজিদ।

মগড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মসজিদের মুসুল্লী মো. মাজেদুর রহমান বলেন, আমার চাচা আজিজুর রহমান মসজিদের জন্য একাই দিয়েছেন ১০ শতাংশ জমি, বকি ৪ শতাংশ জমি দিয়েছেন দূর্গাপুরের মানুষ। এটি দুই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা। দুই গ্রামের নামে মসজিদের নামকরণ হওয়া নিয়ে সমস্যা কি? আমরা দুই গ্রামের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে মসজিদেও নাম দিয়েছি দূর্গাপুর বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।
মসজিদের মুসুল্লী মো.ওয়াজেদ আলী বলেন, পূর্ব পুরুষের সমন্বয় অনুসারে আমরা এই দুই ইউনিয়নের মানুষ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দুই গ্রামের যৌথ নাম ব্যবহার করে আসছি। সেই নিয়ম মেনেই এই মসজিদটিও নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ঈদুল ফিতরের পরের দিন মাজেদার চা স্টলে আমাদের হাত পা কেটে নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন চেয়ারম্যান মোতালিব। সেই বক্তব্যের অডিও রেকর্ড আমাদের কাছে আছে। আমরা শান্তি চাই বলে এখনও কোন আইনগত ব্যবস্থা নেইনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ব্যক্তি আক্রশ নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। এ এলাকায় যৌথ নামে আর কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে বাঁশি বড়বাশালিয়া কবরস্থান। বাঁশি কালিহাতী উপজেলা আর বড়বাশালিয়া টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গ্রাম। এছাড়াও রয়েছে বড়বাশালিয়া দূর্গাপুর মসজিদ ও বড়বাশালিয়া ধলিহাটা মসজিদ। ওই প্রতিষ্ঠান গুলো নাম নিয়ে কোন সমস্যা না হলেও এই মসজিদের নামকরণ নিয়ে সমস্যা কি?
দূর্গাপুর-বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সেক্রেটারী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান মোতালিবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তখন কারো কোন প্রশ্ন ছিল না। মসজিদটি দুই গ্রামের হওয়ায় এবং দুই গ্রামে কোন মানুষ যেন নিজের মনে করে অন্যকে ছোট না করতে পারে সেজন্যই মসজিদটির নামকরণ হয়েছে দূর্গপুর বড়বাশালিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। দুই গ্রামের নামকরণ নিয়ে এখন কেন প্রশ্ন উঠছে। চেয়ারম্যান মোতালিব কেন মুসুল্লীদের হাত পা কেটে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন সেটি আমি জানিনা।
তিনি আরও বলেন, আমরা এক সমাজের মানুষ, রাগ ও ক্ষোভে মোতালিব ওই বক্তব্য দিলেও আমি মনে করি, তেমন কিছুই হবে না।
এ বিষয়ে ফোনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি মগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোতালিব হোসেন।
একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস- মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো রনি হোসেন নামে এক মোটরসাইকেল চালকের নিহতের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের সরাতৈল নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোঃ রনি হোসেন (৩০) কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর এলাকার চাঁদ প্রামাণিকের ছেলে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর আশরাফ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী বাসটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সরাতৈল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয় মোটরসাইকেল চালক। মোঃ রনি। এ সময় তার সাথে থাকা একজন আরোহীও আহত হয়।
তিনি জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থেকে আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই জনকে উদ্ধার করা হয়।পরে গুরুতর আহত মোটরসাইকেল চালক রনিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।হাসপাতাল নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ফলে যাত্রী ও চালকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পরিবহনগুলো সড়কে নির্বিঘ্নে মহাসড়কে যাতায়াত করছে।
মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়। পরে তা বেড়ে ১৭ কিলোমিটারে দাঁড়ায়।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোরে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে কয়েকটি যানবাহন বিকল এবং একটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এরপর থেকে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুপুর ২টার পর থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এরআগে যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো মানুষ। যানজটের ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা পরিবহনগুলো বঙ্গবন্ধু সেতু
পূর্ব-ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক মহাসড়ক ব্যবহার করে।
টাঙ্গাইল ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) রফিকুল ইসলাম সরকার জানান, মহাসড়কে গাড়ি বিকল ও একটি সড়ক দুর্ঘটনার কারণে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসনে বঙ্গবন্ধু সেতু উত্তরবঙ্গমুখী ওয়ানওয়ে করে দেওয়া হয়। পরে দুপুরের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হতে থাকে। বতর্মানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪৩০ বস্তা অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি দুটি ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে কালিহাতী থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত ৭ জনের তাৎক্ষণিকভাবে নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী থানার এসআই মিন্টু ঘোষ জানান, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থেকে ৪৩০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ দুটি ট্রাক কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত শিশু একাডেমী মিলনায়তনে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট আয়োজিত এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম টুটুলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার নিপুণ হোসাইন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, সদস্য আশিকুর রহমান পলাশ, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আরমান কবীর সৈকত, কালিহাতী প্রেসক্লাবের সভাপতি রঞ্জন কৃষ্ণ পণ্ডিত, সাবেক সভাপতি শাহ্ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মুশফিকুর রহমান মিল্টন, ক্লিন টাঙ্গাইলের সভাপতি শাহীন চাকলাদার, সেন্টার ফর রুরাল ডিজেবল ডেভলপমেন্ট (সিআরডিডি) টাঙ্গাইলের সভাপতি এইচ.কে ইউসুফ জাই প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করেন হাফেজ মাওলানা মো. ফজলুল হক।
এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সকল সদস্য ও ১২টি উপজেলার সভাপতি-সম্পাদকসহ বিপুল সংখ্যক জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ দৈনিক সমাচার পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি, কালিহাতী প্রেসক্লাবের সদস্য ও উওর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের দপ্তর-সম্পাদক হারুনুর রশীদ আর নেই।
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন ।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। সে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুরিয়া এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে।
মৃত্যুকালে তিনি ৬ বছরের ১ ছেলে, তিন বছরের ১ মেয়ে, স্ত্রী, বাবা-মা, বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
হারুনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাতে রমজানের সেহরি ও ফজরের নামাজ আদায় করার পর হারুন হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে। পরে তার বুকের ব্যথা আরো প্রচন্ড হলে দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর জেনারেল হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করে। পরে সেখানে কিছুটা সুস্থ্য হওয়ার পর তাকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। বাড়িতে আসার পর হারুন আবার অসুস্থ্য হয়ে পড়লে রবিবার (৩১ মার্চ) তাকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে তারাবির নামাজের পর তার গ্রামের বাড়ি কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুরিয়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
সাংবাদিক হারুনের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ ও সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন, উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নুরে আলম সিদ্দিকী, টাঙ্গাইলের লোকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রতিদিনের টাঙ্গাইল২৪.কমের সম্পাদক সন্তোষ কুমার দত্ত, কালিহাতী প্রেসক্লাবের সভাপতি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত ও সাধারন সম্পাদক মোল্লা মুশফিকুর মিল্টন প্রমূখ।