/ হোম / দেলদুয়ার
টাঙ্গাইলে মাসহ ২ ছেলের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাসহ ২ ছেলের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাসহ দুই শিশু সন্তানের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার(৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের চকতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান তাহমিনা হক।

তিনি জানান, শনিবার সন্ধ্যায় চকতৈল গ্রামের শাহেদের স্ত্রী মনিরা বেগম(২৫) তার দুই ছেলে মুশফিক (৫) ও মাশরাফিকে (২) হত্যা করে নিজে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের তিনজনের লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে দেলদুয়ার থানা পুলিশ লাশ তিনটি উদ্ধার করে।

তবে একসঙ্গে দুই ছেলেকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা নাকি তাদেরকে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি হত্যা করেছে এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।

স্থানীয়দের ধারণা, তিনজনকে হত্যা করে সিঁদ কেটে কেউ পালিয়ে গেছে।

এদিকে হত্যার আলোচনা উঠায় নিহত মনিরা বেগমের স্বামী শাহেদ পলাতক রয়েছে। ফলে সন্দেহের তীর শাহেদের দিকে। শাহেদ দেউলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ফজলুর ছেলে।

স্বামীর আত্মগোপন ও মনিরা বেগমের ঝুলন্ত লাশ মাটিতে লেগে থাকায় সন্দেহের গভীরতা বাড়ছে।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, আমি ঘটনাস্থলে। লাশ তিনটি উদ্ধার হয়েছে। স্বামী শাহেদ পলাতক রয়েছ। শাহেদকে খুঁজে পেলে এবং লাশ তিনটি ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মে ২০২৩ ০৩:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ধলেশ্বরী নদীতে অজ্ঞাত যুবকের (৩৫) লাশ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ইশাপাশা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত উদ্ধারকৃত লাশটির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়ার জমি সংলগ্ন প্রবাহমান ধলেশ্বরী নদীতে যুবকের লাশটি ভেসে উঠে। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, ময়না তদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাত যুবকের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যুবকটিকে কে বা কারা হত্যা করে লাশটি ফেলে রেখে গেছে। এ বিষয়ে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. এপ্রিল ২০২৩ ০২:০৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শ্বাশুড়ির সামনেই স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শ্বাশুড়ির সামনেই স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে শ্বাশুড়ির সামনেই স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্বামী। রবিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের কুপাখী গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে।

নিহত ওই গৃহবধূর নাম সুমিতা (৩৮)। তিনি জেলার মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা ইউনিয়নের পাকুল্যা গ্রামের মৃত সমেজ উদ্দিনের মেয়ে।

এ ঘটনায় নিহত সুমিতার স্বামী মিনজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর আগে সুমিতা’র সঙ্গে দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের কুপাখী গ্রামের মৃত আজগর মিয়ার ছেলে মিনজু মিয়ার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে।

সম্প্রতি মিনজু মিয়া শ্বশুড় বাড়ির ওয়ারিশ সম্পত্তি এনে দেওয়ার জন্য স্ত্রীকে চাপ দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিণ্যের সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে কয়েকদিন আগে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন স্বামী মিনজু মিয়া।

পরে সুমিতা বোনের বাড়ি পাশের উপজেলা মির্জাপুরের মহেড়া গ্রামে আশ্রয় নেন। শনিবার(৮ এপ্রিল) কৌশলে ভগ্নীপতি আমির হোসেনের মাধ্যমে মোবাইলে স্ত্রীকে বাড়িতে আসতে বলে মিনজু। সরল বিশ্বাসে সুমিতা তার বোন ববিতা ও তার মা হালিমাকে সাথে নিয়ে শনিবার স্বামীর বাড়ি আসে।

রবিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্বামী মিনজু মিয়া গাছ কাটায় ব্যবহৃত রডের তৈরি ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপাতে থাকে স্ত্রী সুমিতাকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় বাঁধা দিলে মা হালিমা ও বোন ববিতা আহত হন।

সুমিতার মা হালিমা বেগম জানান, মেয়েকে তার সামনেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার মেয়ের চিৎকারে স্থানীয় কেউ এগিয়ে আসেনি। ওয়ারিশের সামান্য কিছু টাকার জন্য তাদের তিন জনকেই হত্যা করতে চেয়েছিল মিনজু মিয়া।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘাতক স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২৩ ০১:৪০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলের পুকুরের মাটি বিক্রির অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলের পুকুরের মাটি বিক্রির অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান, ইউপি চেয়ারম্যান রামপ্রসাদ সরকার রাস্তা সংস্কারের নামে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে স্কুলের পুকুর থেকে মাটি কাটা শুরু করেন। এখন তার লোকজন রাতে মাটি কেটে বিক্রি করছেন।

পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা পুকুরের মাটি কেটে বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গত ২৬ মার্চ দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন দিক ঘিরে রয়েছে বড় একটি পুকুর। বৃষ্টি ও বন্যার কারণে পুকুরে পাড় ভেঙে পড়েছে। স্কুলের পূর্বপাশের একটি রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য গত মাসে সরেজমিন স্কুল পরিদর্শন করেন। সে সময় তিনি রাস্তা সংস্কারের জন্য বলে আসেন। ১০/১২ দিন আগে ইউপি চেয়ারম্যান রামপ্রসাদ সরকার স্কুলের পুকুরের মাটি কেটে পুকুরের পাড় বাঁধানো এবং রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু করেন। কিন্তু এখন সেই পুকুরের মাটি কেটে বাইরে বিক্রি করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দুপুরে সরেজমিন পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পুকুরটিতে এখন পানি নেই। পুকুর পাড়ের বিভিন্ন অংশ থেকে মাটি কাটার চিহ্ন রয়েছে। দুই জায়গা দিয়ে পুকুরে ট্রাক্টর ও ভেকু (মাটি কাটার যন্ত্র) নামানোর জন্য রাস্তা করা হয়েছে। উত্তর পূর্ব পাশে নামানো রয়েছে একটি ট্রাক্টর চালিত ট্রলি। পশ্চিম দিকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যানের অনুসারী ১০/১২ জন যুবক মাটি কাটার কাজ তদারকি করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১০/১২ দিন আগে মাটি কাটা শুরু হয়। দিনে মাটি কেটে পুকুরের পাড় বাঁধাই ও রাস্তা সংস্কার করা হয়। কিন্তু রাতভর মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করা হয়। রাত ১টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ট্রাক্টর চালিত ট্রলি দিয়ে মাটি পাচার করা হয়। এলাকাবাসীর বাঁধার মুখে কয়েক দিন মাটি কাটা বন্ধ ছিলো। গত ২৪ মার্চ থেকে আবার মাটি কাটা শুরু হয়েছে। যেহেতু, চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে মাটি বিক্রি হচ্ছে তাই স্থানীয় লোকজন মানুষ কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দ্বীনবন্ধু প্রামানিক জানান, রাস্তা সংস্কার ও পুকুরের পাড় বাঁধানোর জন্য মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেখান থেকে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে কিনা তা আমার জানা নেই।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নীল কমল বসাক জানান, রাতভর মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। পুকুর গভীর হচ্ছে। বর্ষায় স্কুলের স্থাপনা ও যে রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে তা হুমকির মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। এলাকাবাসী বাঁধা উপেক্ষা করে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে।

পাথরাইল ইউপি চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ সরকার জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই পুকুরের মাটি কেটে রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। মাটি বিক্রির যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।

দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা আলী জানান, পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে রাতে মাটি কাটার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে সেখানে যেন রাতে পুলিশের টহল টিম থাকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২৩ ০২:৫৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাড়িতে প্রেমিকাকে দেখে পালাল প্রেমিক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাড়িতে প্রেমিকাকে দেখে পালাল প্রেমিক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক প্রেমিকা অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় প্রেমিকসহ পরিবারের সবাই ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন, উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে ইলিয়াস।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অনেক দিন ধরে ইলিয়াসের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইলিয়াস আমার সঙ্গে অনেকবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করেছে। প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে আমাদের বাড়িতে ইলিয়াসের যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি আমাকে এড়িয়ে চলায় মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিয়ের দাবিতে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছি।

ভুক্তভোগীর মা ডলি বেগম জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে ইলিয়াসের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জানি। পার্শ্ববর্তী সবাই তাদের চলাফেরা করতে দেখেছে। আমার বাড়িতেও ইলিয়াসের আসা-যাওয়া ছিল। প্রথম পর্যায়ে মেয়েকে বাধা দিয়েছি। এতে কয়েকবার গলায় ফাঁস দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

তিনি আরও জানান, ইলিয়াস বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রতারণা করায় মেয়ে বাড়িতে না জানিয়ে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছে। আমরা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও মেয়ে বাড়ি আসছে না।

অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে তালা থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে অভিযুক্ত ইলিয়াসের বাড়ি গিয়ে মেয়ের অবস্থান কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু শিশু ও নারী বিষয়ক ঘটনা মীমাংসা করার অধিকার আমাদের নেই। মেয়ের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করলে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মার্চ ২০২৩ ০৩:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পৃথক পৃথক স্থান থেকে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন মৃধা।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের গাছ কুমুল্লি গ্রামের মৃত দুখিরাম ঘটকের স্ত্রী রাসমণি ঘটক (৪৫) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাসমণি ঘটক রান্না ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে বলে দেলদুয়ার থানা সুত্রে জানা যায়।

অপরদিকে উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের স্বল্প বড় টিয়া গ্রামের মৃত শওকত আলীর মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী সাথি আক্তার (১৫) তার নিজ বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস নেয়। পরে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুজনেই আত্মহত্যা করেছে। থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৩:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যুবক হত্যার জেরে মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যুবক হত্যার জেরে মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মর্জিনা নামের চিহ্নিত এক মাদক কারবারির বাড়ির পাশ থেকে ২০ বছর বয়সী রায়হান নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা মাদক কারবারির বাড়ি-ঘর ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।

শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের গাদতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রায়হান দেলদুয়ার সদর ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।

এদিকে পুলিশ রায়হানের লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের পাথরাইল-গাদতলা সড়কের স্থানীরা একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হয় রায়হানকে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।

স্থানীয়দের ধারণা, মাদক কিনতে এলে দর-নামেলায় মর্জিনার পরিবার বা কোন লোক দিয়ে রায়হানকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর থেকে তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।

নিহতের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রায়হান শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারে রায়হানের লাশ পাওয়া গেছে। পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে রায়হানের লাশ শনাক্ত করেন।

মাদক কারবারি মর্জিনার বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, তিনি একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। মাঝে মাঝে পুলিশ তাকে আটক করে। আবার জামিনে বেড়িয়ে এসে মাদক কারবারি শুরু করে। গত ১০/১২ দিন আগে মর্জিনা পুলিশের কাছে আটক হয়েছে। তার তিন ছেলে রয়েছে। তাদের নামেও মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে। তার পিতা মৃত মুসলেম উদ্দিনও মাদক কারবারি ছিলেন। এ ঘটনায় মর্জিনার বাড়ির পাশে মৃত মুসলিম উদ্দিনের বাড়িও ভাংচুর করার চেষ্টা করে বিক্ষুব্ধরা।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা(পিপিএম) জানান, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রায়হানের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে।

তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে রাতে মাদক সেবন নিয়ে কথাকাটাকাটির জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটছে। পরে নিহতের লাশ মাদক ব্যবসায়ী মর্জিনার বাড়ির সামনে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি আরো জানান, এদিকে এঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে তারা মাদক ব্যবসায়ী মর্জিনার বাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

মামালার বিষয়ে তিনি জানান, নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ময়না তদন্তের শেষে মামলা এজাহার হবে। মর্জিনা গত ১০/১২ দিন আগে মাদক মামলায় আটক হয়ে জেলখানায় রযেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৫৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক সড়কে ভূমি অধিগ্রহন, দুই পাশে স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক সড়কে ভূমি অধিগ্রহন, দুই পাশে স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক

একতার কণ্ঠঃ চলতি বছরের জুন মাসের আগেই আরিচা-(বরঙ্গাইল)-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়ক নির্মানে জন্য অধিগ্রহণ করা হবে সড়কের দুপাশের জমি।

এ খবর পেয়েই অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশায় এই আঞ্চলিক সড়কের দু’পাশে রাতারাতি গড়ে উঠছে অসংখ্য স্থাপনা। কয়েকটি দালালচক্র অনুমোদনহীনভাবে নিম্নমানের কাঁচামাল এবং ব্যবহার অযোগ্য পুরান ও চিকন রড ব্যবহার করে নির্মাণ করছে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা।

এতে করে ভূমি অধিগ্রহণের মুল্য বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসব ঘটনায় ভূমি অধিগ্রহনের জন্য প্রস্তাবিত সড়কে নতুন নির্মানাধীন দালান ও অবকাঠামো নির্মানে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ করেছেন টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস করে ঢাকার কতিপয় দালালচক্র জমির মালিকদের টাকা দিয়ে বিপুল পরিমান ক্ষতিপুরণের আশায় এসব স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মান করছে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) অনুমোদন দিয়েছে আরিচা (বরঙ্গাইল) ঘিওর- দৌলতপুর -নাগরপুর -টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প। ৫৮ দশমিক ৫শ কিলোমিটরা দীর্ঘ ও ৩৩ ফুট প্রশস্ত সড়ক উন্নীতকরণের এই প্রকল্পের টাঙ্গাইল অংশে রয়েছে ৪০ কিলোমিটার এলাকা এবং মানিকগঞ্জ অংশে রয়েছে ১৮ দশমিক ৫শ কিলোমিটার ।

নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ছয়শ ৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে শুধু ভূমি অধিগ্রহনেই ধরা হয়েছে ছয়শ ৯৩ কোটি ৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এই মহাসড়কে দুইটি আরসিসি গার্ডার, ১৫টি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও ১৯টি নতুন কালভার্ট ও সাতটি কালভার্ট সম্প্রসারণ করা হবে।

২০২২ সালের ১ জানুয়ারী কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্ত এক বছর অতিক্রান্ত হলেও প্রকল্পটির নির্মাণ কাজই শুরু হয়নি। চলতি বছর থেকেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এই মহাসড়ক উন্নীতকরনের কাজ।
মহাসড়ক আইন অনুযায়ী সড়কের দুপাশের অন্তত ১০ মিটার দূরত্বে স্থাপনা নির্মাণের নিয়ম রয়েছে। কিন্ত কেউ নিয়মের তোয়াক্কাই করছে না।

টাঙ্গাইল-আরিচা প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের সময় সরকার থেকে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ লাভের আশায় মহাসড়কের দুপাশে স্থাপনা নির্মানের হিড়িক পড়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বাড়ি-ঘর, মার্কেট। মহাসড়ক হওয়ার খবর শুনেই গত দুই থেকে তিনমাস যাবৎ চলছে এসব স্থাপনা তৈরির কাজ। এছাড়াও ভূমি উচ্চ মুল্যে ক্রয় বিক্রয় করে ওই মৌজার গড়মুল্য বৃদ্ধি করছে। ফলে ভূমির অধিগ্রহণ মুল্যে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অধিগ্রহণের মুল্যে বৃদ্ধি পেলে অনুমোদিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় বৃদ্ধি এবং ভূমি অধিগ্রহণ খাতে অতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন হবে। এতে করে সময়মত প্রকল্প বাস্তবায়ন আটকে যেতে পারে।

এঘটনায় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবুল হাসেম গত ১৯ জানুয়ারী আঞ্চলিক সড়কের পাশে নতুন দালান ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার পরও প্রায় শতাধিক স্থাপনার নির্মাণ কাজ চলছে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী মহল এসকল স্থাপনা নির্মাণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এছাড়াও ঢাকা থেকে একটি দালালচক্র এসে মহাসড়কের পাশে যাদের বাড়ি রয়েছে তাদের বুজিয়ে ক্ষতিপুরণের অর্ধেক টাকা দেওয়ার শর্তে স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মাণ করছে। নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে রাতারাতি গড়ে উঠা এসব স্থাপনার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। কোন প্রকার নিয়মের তোয়াক্কা না করেই এসব স্থাপনা নির্মাণের ফলে অধিগ্রহণের সময় আর্থিকভাবে সরকার ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি হওয়ার আশংকা রয়েছে।

মহাড়কের প্রায় ৩০ কিলোমিটার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কের আটিয়া ইউনিয়নের সিলিমিপুর থেকে শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনা নির্মান। সিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে মজনু মিয়া, কেজি স্কুলের পাশে বালু ও ইট ব্যবসায়ী লালচান মিয়া, আজগর আলী, লিটন মিয়া গত দুই মাসে পাকা দালান নির্মান করেছেন।
এছাড়াও সিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ড থেকে একটু এগিয়ে গেলেই চোখে পড়বে বিশাল দোতলা দালান। ওই দালানের মালিক এনজিও কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান। এলাসিন মওলানা ভাসানী ডিগ্রি কলেজের একটু আগে ঠাকইজোড়া এলাকায় রাস্তা ঘেষেই নির্মান করা হয়েছে দোতলা ও একতলা দুটি দালান। ক্ষতিপুরণের টাকার অর্ধেক দেওয়ার শর্তে জয়নাল শিকদারকে ওই দালান নির্মান করে দিয়েছেন নাটিয়াপাড়ার একজন দালাল। তার নাম মৃনাল। ওই বাড়ির এক গৃহিনী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তার শ্বশুরকে দালালচক্রটি নানাভাবে বুজিয়ে দালান করে দিয়েেেছ।

তারা বলেছে, আপনিও লাভবান হবেন আমরাও লাভবান হব। জমিতো সরকার নিয়ে যাবে। পরে তো কিছু পাবেন না। ওই দালালচক্রটি আলামিন, আনোয়ার, মিলন, বুদ্দু, লিয়াকত হাতেম, সাইফুল, মহব্বত , মজিবুর, এশাদ, নজরুল দানেজ ও আলী হোসেনের জমিতে টাকা দিয়ে পাকা দালান করে দিয়েছে।

এলাসিন ঘাটপার এলাকায় যুগল নামের এক ব্যক্তি গত কয়েকদিনে একতলা দালান উঠিয়েছেন। ছানু নামের অপর ব্যক্তি দিয়েছেন বিশাল লম্বা দেয়ালের টিনশেড ঘর। নাগরপুরে সড়কের পাশে খোরশেদ মার্কেট ও ডাঙ্গা এলাকায় আবিদ ইটভাটার মালিক শহিদ মিয়া ও কয়েকজনে মিলে অন্তত ১০ থেকে ১২টি দোতলা ও একতলা দালান নির্মাণ করেছেন।

সহবত ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ইব্রাহিম মিয়া এমপি রোডের মাথায় রাস্তার সাথে অবৈধভাবে একতলা ভবন নির্মাণ করেছেন।

নির্মাণাধীন ওই ভবনের শ্রমিক জানান, এক মাস আগে ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এই ভবন নির্মানের টাকা মেম্বারকে ঢাকার এক ব্যক্তি দিয়েছেন। শুনেছি ক্ষতি পুরনের টাকা পেলে তিনি অর্ধেক নিবেন।

ঠাকইজোড়া গ্রামের ওবায়দুল্লাহ মিয়া বলেন, রাস্তার পাশেই আমার ২০ শতাংশ জমিতে বাড়ি। ঢাকা থেকে কয়েক ব্যক্তি প্রাইভেটকার নিয়ে এসে আমাকে তাগাদা দিচ্ছে। বলছে চাচা আপনার বাড়িতে দোতলা একটি দালান করে দেই। আপনার কোন টাকা লাগবে না। অধিগ্রহনের টাকা পেলে আপনি পাবেন অর্ধেক আর আমরা অর্ধেক। আমি তাতে রাজি হয়নি।

আটিয়া ই্উনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক বলেন, মহাসড়কের জমি অধিগ্রহণের অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের আশায় কিছুদিন ধরে রাতারাতি একতলা থেকে ৪ তলাবিশিষ্ট এসব ভবন নির্মিত হচ্ছে । এতে এই সড়কের জমি অধিগ্রহণের সময় সরকারের বাড়তি অর্থ ব্যয় হবে। প্রকৃত জমির মালিকরা একটা নির্দিষ্ট কমিশন পেলেও সরকারের মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেবে জড়িত এসব দালাল চক্রের সদস্যরা। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস রয়েছে ঢাকার কতিপয় এসব দালালচক্রের। কারণ উচ্চ পর্যায় থেকে ক্ষতিপুরণের আশা না পেলে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে টাকা বিনিয়োগ করতেন না।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবুল হাসেম বলেন, ভূমি অধিগ্রহনভুক্ত জমিতে নতুন করে কেউ যাতে অবকাঠামো নির্মাণ করতে না পারে তার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। এছাড়াও ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুরো মহাসড়কের ভিডিও রেকর্ডিং রয়েছে। নতুন করে যারা স্থাপনা করেছেন সেগুলোর ভিডিও করা হবে। যারা অধিক টাকার আশায় ভবন নির্মাণ করছেন তারা কেউ ক্ষতিপুরণ পাবেন না।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহঃ আলিউল হোসেন জানান, প্রকল্প প্রস্তাবের সময় সড়কের পাশের আগের অবস্থা ভিডিও রেকর্ডিং করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। নতুন করে সড়কের পাশে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলেই সে ক্ষতি পুরণ পাবে না। চলমান এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলা ভূমি বরাদ্ধ কমিটির সভায় সিদ্ধান্তের পরই ভূমি অধিগ্রহন শুরু হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:২১:এএম ৩ বছর আগে
আটিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা - Ekotar Kantho

আটিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিয়োগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃৃৃস্পতিবার সকালে বার্ষিক এ ক্রীড়া প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন আটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠতা ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক মল্লিকের সভাপতিত্বে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মমর্তা( ইউএনও) ফারহানা আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুজিবুল আহসান,আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন আজাদ, আটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. ইকবাল হোসেন খান, আরফান মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নারায়ন চন্দ্র দে দুলাল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জিত কুমার পাল,সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শাররীক শিক্ষক মো. রাসেল মিঞা। পরে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পাুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও ভাষা সৈনিক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এদিকে শামসুল হকের আমেরিকা প্রবাসী দুই মেয়ে প্রায় ৭০ বছর পর প্রথমবারের মত টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার কদিমহামজানি যোকারচর কবরস্থানে বাবার কবর জিয়ারত ও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের পর কারাবন্দি শামসুল হকের স্ত্রী আফিয়া খাতুন দুই শিশু কন্যা নিয়ে দেশ ত্যাগ করেন।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ার)দুপুরে শামসুল হকের দুই মেয়ে হারবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. শাহিন ফাতেমা দিল ও নাসার এ্যাস্ট্রোফিজিসিয়েস্ট ড. শায়েকা দিল ভার্টিলেক তাদের আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় লোকজন নিয়ে কবর জিয়ারত করেন। তারা বাবার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে তারা শহরের জেলা সদরে অবস্থিত শামসুল হক তোরণে পুস্পস্তবক অর্পন এবং এলেঙ্গায় অবস্থিত শামসুল হক মহাবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা সেখানে বাবার জন্মদিনের কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করেন।

এসময় শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডাঃ সাইফুল ইসলাম স্বপন ও সাধরন সম্পাদক আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার মোল্লা, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম শিবলী সাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গতঃ ২০০৭ সালের ২৩ জুন “নিঁখোজের ৪২ বছর পর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন ও কবরের সন্ধান লাভ” শিরোনামে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। সংবাদটি সেসময় দেশের রাজনীতিতে সাড়া ফেলে। এর পর থেকেই প্রতিবছর শামসুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী ও জন্মবার্ষিকী নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ক্ষমা পেলেন বিদ্রোহী নির্বাচন করা চার উপজেলা চেয়ারম্যান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ক্ষমা পেলেন বিদ্রোহী নির্বাচন করা চার উপজেলা চেয়ারম্যান

একতার কণ্ঠঃ দল থেকে অব্যহতি প্রাপ্ত টাঙ্গাইলের তিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক একজন চেয়ারম্যানকে ক্ষমা ঘোষনা করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে তাদের ক্ষমার বিষয়টি জানানো হয়। ভবিষ্যতে দলের স্বার্থ পরিপন্থি ও শৃংখলা ভঙ্গ না করার শর্তে তারা এ ক্ষমা পেয়েছেন।

ক্ষমাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলা আওয়ামী আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ, কালিহাতী উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম এবং বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন তারা। দুএকজনকে স্থানীয় সংসদ সদস্য সরাসরি মদদ ও সহয়োগিতা করেন। এরমধ্যে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ছাড়া অপর তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতাপুর্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে তারা বিজয়ী হন। এঘটনায় দলের মধ্যে তৈরী হয় ব্যাপক গ্রুপিং এবং অন্তদ্বন্দ। বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে উপজেলা থেকে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের মূলস্রোতে ধাক্কা লাগে। ফলে তাদেরকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি উঠে। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ফেব্রয়ারীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভায় ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দে সিদ্ধান্তক্রমে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শৃংখলা ভঙ্গ করায় ওই চারজনকে দলের সকল পদ ও দলীয় কাযক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

ক্ষমাপ্রাপ্তির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের স্বার্থ আদর্শ শৃংখলা, তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষনাপত্র পরিপন্থি সমপৃক্ততার জন্য ইতিপুর্বে ওই চারজনকে দল থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। তারা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছন। দোষ স্বীকার করে তারা ভবিষ্যতে এ ধরণের কর্মকান্ডে আর যুক্ত না হওয়ার লিখিত অঙ্গিকার করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরণের সংগঠন রিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

দেলদুয়ার উপজেলা পরিসদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ জানান, ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে আমার রাজনৈতিক হাতেখড়ি। প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি থেকে জেলা আওয়ামী লীগে স্থান পেয়েছিলাম। সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজনীতি করে যেতে চাই। দলের আদর্শ নীতি মেনেই ভবিষ্যতে পথ চলবো। আমাকে ক্ষমা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

কাজী অলিদ ইসলাম জানান, ক্ষমা চেয়ে দলের কাছে আবেদন করেছিলাম। অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ক্ষমা করেছে। আমি কৃতজ্ঞ ও খুশি।

অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম জানান, সারাজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। গত উপজেলা নির্বাচনে কর্মীদের অনুরোধ আর আমার আবেগে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি অনুতপ্ত। শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও দলীয় শৃংখলা বজায় রাখতে আর কখনো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাবো না।

ক্ষমাপ্রাপ্তদের অনুসারিরা বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন। যাতে তারা ভবিষতে আর কোন ধরনের বিশৃংখলা ঘটানোর সাহস না পায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই সদস্য আহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই সদস্য আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত শামছুল হক সেতুর আশপাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দেলদুয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র দুই সহযোগী নিরাপত্তা কর্মী রাজু আহম্মেদ ও এলাসিন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শাহাদত হোসেন।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার উদ্যোগ নিলে এ হামলা চালান অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা।

দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করে দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী একটি চক্র। এ ব্যাপারে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রশাসন। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই মাটি উত্তোলনকারীরা টের পেয়ে তাদের সরঞ্জাম নিয়ে চলে যায়। ফলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার দুপুরে মাটি কাটা বন্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সূচি রানী সাহা তার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে রওনা দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই শামছুল হক সেতুর টোল প্লাজার উত্তর পাশের সড়কে মাটি উত্তোলনকারীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) সূচি রানি সাহা অক্ষত থাকলেও তার দুই সহযোগী নিরাপত্তা কর্মী রাজু আহম্মেদ ও এলাসিন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শাহাদত হোসেন গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা কাঠের চলা ও লাঠি দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটায়। এক পর্যায়ে তারা অজ্ঞান হয়ে পড়লে হামলাকারীরা চলে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা আলী বলেন, ঘটনা জানার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি বহনের কাজে নিয়োজিত ২টি ট্রাক আটক করা হয়েছে। এ সময় ট্রাকের চালকরা পালিয়ে যাওয়ায় থানা পুলিশের সহায়তায় রেকারের মাধ্যমে ট্রাক ২টিকে প্রশাসনের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জানুয়ারী ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।