/ হোম / দেলদুয়ার
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক ও হেলপার নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক ও হেলপার নিহত

একতার কন্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাক চালক ও হেলপার নিহত হয়েছেন। রবিবার( ৫ সেপ্টেম্বর) সকালে  ওই দুর্ঘটনা ঘটে।গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আজিজুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ট্রাকচালক মমতাজ মিয়া (৩৫) দিনাজপুর সদরের চপরামপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে। দুর্ঘটনায় নিহত ট্রাক চালকের সহকারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক টাঙ্গাইলের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটি  মহাসড়কের ডুবাইল এলাকায় পৌঁছলে সামনে থাকা অপর একটি ট্রাক ও একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাকটি সড়ক ডিভাইডার এর উপরে উল্টে যায়। মাইক্রোবাসটিও দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ওই ট্রাকচালক মমতাজ মিয়া ও তার সহকারী।

এ বিষয়ে গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আজিজুল হক জানান, নিহত ট্রাকচালকের সহকারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনা কবলিত দু’টি ট্রাক ও মাইক্রোবাসটি পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রী খুন হওয়ার তিন দিন পর স্বামীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রী খুন হওয়ার তিন দিন পর স্বামীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্ত্রী খুন হওয়ার তিন দিন পর প্রধান আসামি স্বামী আলফাজ মিয়া (৪৫) আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।সোমবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার এলাসিন গ্রামে নিজ বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আলফাজ মিয়া উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের আগ-এলাসিন গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে উপজেলার এলাসিন গ্রামের বানিছ মিয়ার স্ত্রী ও ছয় সন্তানের জননী ভানু বেগমকে বিয়ে করেন একই এলাকার আফাজ উদ্দিন। পরে স্বামী-স্ত্রী মিলে আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে কেয়ারটেকারের কাজ নেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তাদের মধ্যে কলহ বাঁধে। পরে আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমের পুকুর থেকে ভানু বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ের জামাই আল আমিন বাদি হয়ে দেলদুয়ার থানায় আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত ২০ আগস্ট আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমের পুকুর থেকে স্ত্রী ভানু বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান আসামি ছিলেন স্বামী আলফাজ মিয়া।সোমবার(২৩ আগস্ট) সকালে আফাজ উদ্দিনের নিজ বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২১ ০১:১০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ উঠেছে।শুক্রবার (২০ আগস্ট) উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের কসবা আটিয়া গ্রামের আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী মো. আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে।

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে এলাসিন ইউনিয়নের এলাসিন গ্রামের বানিছ মিয়ার স্ত্রী ছয় সন্তানের জননী ভানু বেগমকে (৫৫) ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন একই এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে মো. আফাজ উদ্দিন।

পরে স্বামী-স্ত্রী আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এসে কেয়ারটেকারের কাজ নেন। অভিযোগ রয়েছে, পালিয়ে আসার সময় ভানু বেগম প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো মোটা অংকের টাকা ও মেয়েদের স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে আসেন।এ ঘটনার ১৫ দিন পর ভানুর সাবেক স্বামী মো. বানিছ মিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভানুর বড় ছেলে মো. শরিফ মিয়ার অভিযোগ, রাতে আফাজ তার মাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে খুন করে লাশ বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে ফেলে পালিয়ে গেছে।

বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা শুক্রবার সকালে ভাসমান অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।এ ব্যাপারে ভানুর বড় মেয়ের জামাতা আল আমিন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২১ ০২:২৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) রাত দেড়টায় ওই তিন যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হচ্ছেন উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাসির মিয়া (২২), বাবুল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ পারভেজ মিয়া (৩৪) ও কাশেম মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আক্কাস মিয়া (২৩)।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে, তিন বন্ধু মিলে তাদের এক বন্ধু, নাসিরের মনোহারি দোকানে বসে মদপান করেন। এসময় মদের বিষক্রিয়ায় তিনজনই অচেতন হয়ে গেলে স্থানীয়রা পরিবারকে খবর দেয়। পরে পরিবার তাদের টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসির এবং পারভেজকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর চিকিৎসারত অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে আক্কাসও মারা যায়।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, রাতে তিন বন্ধু মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০৫:০০:পিএম ৫ বছর আগে
ভোটার নাই তাই এক কি.মি. সড়কের উন্নয়ন হচ্ছেনা - Ekotar Kantho

ভোটার নাই তাই এক কি.মি. সড়কের উন্নয়ন হচ্ছেনা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বরুহা বাজার।পাশেই দেলদুয়ার উপজেলার গোমজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়ক। মাঝখানে প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক। সড়কটি পাকাকরণ না হওয়ায় ছয় গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

জানাগেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বরুহা বাজারের পরেই দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানী গ্রামের উত্তর পাশ দিয়ে দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁচা সড়ক। সড়কটির দুপাশে কোন বসতবাড়ি নেই, তাই আটিয়া ইউনিয়ন তথা দেলদুয়ার উপজেলার ভোটারও নেই। সড়কটি দিয়ে সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা, কুইচামারী ও চরপাড়া এবং দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানী, পাথরাইল ইউনিয়নের বান্দাবাড়ি ও বরুটিয়া গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ায় তারা সংক্ষিপ্ত সড়ক হিসেবে ওই কাঁচা সড়কটি ব্যবহার করে থাকে। বর্ষাকালে কাঁদা ও শুকনো মৌসুমে ধূলাবালি মাথায় নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

সরেজমিনে গোমজানী গ্রামের মো. জুলু মিয়া, মো. লিটন আহাম্মেদ; বরুহা গ্রামের মো. মফিজ উদ্দিন, আফছার আহাম্মেদ, চাকুরিজীবী শারমিন আক্তার, কুইচামারী গ্রামের কলেজছাত্রী তমা আক্তার, গৃহবধূ রহিমা বেগম, বান্দাবাড়ি গ্রামের আনিসুর রহমান, সাহান হাসান , রেজাউল করিম সহ অনেকেই জানান, এক কিলোমিটার ওই কাঁচা সড়কের দুই পাশে কোন বসতবাড়ি না থাকায় ভোটারও নেই। তাই স্থানীয়দের অতিপ্রয়োজনীয় হওয়া স্বত্বেও ওই সড়কটি দীর্ঘদিন যাবত অবহেলিত। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাধ্য হয়ে আশপাশের ছয়টি গ্রামের মানুষকে ৩-৫ কিলোমিটার ঘুরে সীমাহীন দুর্ভোগ সহ্য করে বরুহা বাজার ও আটিয়ায় সুফি সাধক আলী শাহান শাহ্ধসঢ়;‌ বাবা আদম কাশ্মিরীর মাজার সহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়।

সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শামীম আল মামুন জানান, বরুহা থেকে গোমজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়ক পর্যন্ত কাঁচা সড়কটির এক কিলোমিটারের প্রায় পুরোটাই দেলদুয়ার উপজেলায় পড়েছে। ফলে সদর উপজেলা বা স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষে প্রকল্প দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। ওই সড়ক দিয়ে আশপাশের ছয় গ্রামের মানুষ চলাচল করলেও ভোটার না থাকায় দেলদুয়ার উপজেলা প্রশাসন কোন উদ্যোগ নিচ্ছেনা। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও সড়কটি পাকাকরণে কোন আগ্রহ নেই।

আটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম মল্লিক জানান, তিনি ভোটারের কথা বিবেচনায় না নিয়ে জনস্বার্থে সড়কটিতে মাটিভরাটের মাধ্যমে উঁচু করেছেন। পাকাকরণের এখতিয়ার তার নেই। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে কথা বলে পাকাকরণের উদ্যোগ নেবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২১ ০৩:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাদ্রাসার জমির বিরোধে দাঙ্গা-হাঙ্গামার আশঙ্কা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাদ্রাসার জমির বিরোধে দাঙ্গা-হাঙ্গামার আশঙ্কা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নে একটি মাদ্রাসা নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাতশ্রী জামে মসজিদ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। ৩০০ পরিবারের সমাজ থেকে ৫০টি পরিবার আলাদা হওয়ায় ওই সমাজে দুই পক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে এসে দাঙ্গা-হাঙ্গামার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, বিগত ১৯৯৬ সালের ১৬ জুন তাতশ্রী মৌজার ১৮১ ডিপি খতিয়ানের (সাবেক খতিয়ান ১৩৯) ৪৬৮ হাল দাগের (সাবেক দাগ ২৯৭) ২৪ শতাংশ ভূমি স্থানীয় পাঁচ ব্যক্তি তাতশ্রী দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসার নামে ওয়াক্ফ দলিলমূলে দান করেন।

২০০৫ সালে মাদ্রাসার আয় বাড়ানোর জন্য পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট একতলা মার্কেট নির্মাণ করা হয়। মার্কেটের কক্ষগুলোর মধ্যে স্থানীয় আব্দুল কাইয়ুম দুইটি ও ওসমান গনি একটি দোকান ভাড়া নেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দোকান তিনটি যথারীতি ভাড়া পরিশোধ করে পরিচালনা করা হয়। পরে কৌশলে দোকানের ভাড়া দেওয়া বন্ধ করে দিয়ে ওসমান গনি ও তার দুই ভাই বাদী হয়ে দোকান ঘরের মালিকানা দাবি করে টাঙ্গাইলের সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা(নং-৮/২০২০খ্রি.) দায়ের করেন।

মামলার নোটিশ পাওয়ার পর মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে একাধিকবার বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হয়। সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল(শুক্রবার) বাদ জুমআ তাতশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে লাউহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ফিরোজের সভাপতিত্বে এক গ্রাম সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। সালিশে মাদ্রাসার দোকান ওসমান গনি মাদ্রাসা কমিটির কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ওসমান গনির দখলে থাকা দোকানটি তালাবদ্ধ করে রেখেছেন।

তাতশ্রী দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মো. মনির উদ্দিন, স্থানীয় সাহাদাৎ হোসেন খান, তোফায়েল আহাম্মেদ, নুরনবী আলামিন, আবুল হাসেম মিয়া সহ গ্রামের অনেকেই জানান, তাতশ্রী জামে মসজিদের আওতাভুক্ত সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দান-অনুদানে দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসার মার্কেটটি নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া দুখী হাজী এবতেদায়ী মাদ্রাসার নামে ২৪ শতাংশ ভূমির বিএস রেকর্ড রয়েছে। ভূমির খাজনা-খারিজ ও ডিসিআর মাদ্রাসর সাধারণ সম্পাদকের নামে রয়েছে।

মামলার অন্যতম বাদী ইয়াছিন আলী জানান, পৈত্রিকসূত্রে তারা মাদ্রাসার ২৪ শতাংশের মধ্যে ১২ শতাংশের মালিক। তার চাচা মরহুম খোরশেদ আলী জীবদ্দশায় তার বাবা আহাদ আলীর অংশ সহ মাদ্রাসায় ওয়াক্ফ করে গেছেন। তাই তারা ভূমির স্বত্ত্ব দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

লাউহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ফিরোজ জানান, তাতশ্রী দুখী হাজী মাদ্রাসার ভূমি যথারীতি ওয়াক্ফকৃত। গ্রাম্য সালিশে মাদ্রাসার মার্কেটের দোকান মাদ্রাসা কমিটির কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে মাদ্রাসাটি ‘দুখী হাজী’র নামে প্রতিষ্ঠা করায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অসুস্থ থাকায় বিষয়টি সমাধান হয়নি, দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বিষয়টির মিমাংসা করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অগাস্ট ২০২১ ০৩:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সিরিঞ্জে করোনা ভ্যাকসিন রেখে শুধু সূচ পুশ করায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সিরিঞ্জে করোনা ভ্যাকসিন রেখে শুধু সূচ পুশ করায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিরিঞ্জে করোনার ভ্যাকসিন রেখে সূচ পুশ করার ঘটনায় সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান মঙ্গলবার(৩ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টাঙ্গাইলের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম, জেলা ইপিআই কর্মকর্তা মো. সোলাইমান ও দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শামিম সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করে। তদন্ত প্রতিবেদনে সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিনের নামে আনিত অভিযোগের সত্যতা
নিশ্চিত হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে তিনি মঙ্গলবার সকালে সুপারিশ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

প্রকাশ, রোববার(১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২নং বুথে টিকা দিচ্ছিলেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন। এ সময় সাজেদা আফরিন টিকা গ্রহণকারীদের শরীরে ভ্যাকসিন প্রবেশ না করিয়ে শুধু সূচ পুশ করে সিরিঞ্জ ফেলে দিচ্ছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় এক যুবকের নজরে আসে। তিনি ঘটনাটি আবাসিক চিকিৎসক ডা. শামিমকে জানালে তিনি পরিত্যক্ত সিরিঞ্জগুলো বাছাই করে ২০টি সিরিঞ্জের ভেতর সম্পূর্ণ ভ্যাকসিনের উপস্থিতি দেখতে পান। সূচ পুশ করা হলেও শরীরে ভ্যাকসিন প্রবেশ করানো হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত হন।

এ ঘটনায় সোমবার(২ আগস্ট) তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২১ ০৩:১৩:এএম ৫ বছর আগে
জমে উঠেছে ‘ভুরভুরিয়া’ গরু-ছাগলের হাট - Ekotar Kantho

জমে উঠেছে ‘ভুরভুরিয়া’ গরু-ছাগলের হাট

একতার কণ্ঠঃ জমে উঠেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ভুরভুরিয়া গরু-ছাগলের হাট। প্রতিবারের মতো এবছরও কোরবানীর পশুর ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে এই হাট।বাদ যায়নি পাইকার ও দালালদের আনাগোনা।আসন্ন ঈদুল-আজহা উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলায় বেশ কয়েকটি কোরবানীর পশুর হাট বসানোর অনুমোদি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ভুরভুরিয়ায় অবস্থিত গরু-ছাগলের হাট অন্যতম ।

শনিবার(১৭ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে এই পশুর হাটটি।চলবে আগামী মঙ্গলবার(২০ জুলাই) ঈদুল-আজহার আগের দিন পর্যন্ত।এ হাটের সাথে টাঙ্গাইল,মানিকগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো।টাঙ্গাইল-নাগরপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে, টাঙ্গাইল সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দুরে এই হাটের অবস্থান ।ফলে হাট বসার দ্বিতীয় দিনেই রবিবার(১৮ জুলাই) গরু-ছাগল নিয়ে হাজির জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধারন কৃষক-খামারী। আদরে পালন করা খাসি নিয়ে হাটে হাজির বেশ কয়েকজন গৃহবধু।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভুরভুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রায় ২ একর জায়গায় বসেছে গরুর হাট। বিদ্যালয় মাঠের পাশে মাছ বাজারে বসানো হয়েছে ছাগলের হাট। বিদ্যালয় ভবনেই পাইকার ও বিক্রেতাদের থাকার ব্যবস্থা করেছে হাট কতৃপক্ষ। যে কোন মূল্যের গরুর জন্য রওনা(খাজনা) ৫ শত টাকা আর ছাগল-খাসির জন্য ৩ শত টাকা ধার্য করেছেন হাট কতৃপক্ষ। এতে হাটে পশু কিনতে আশা ক্রেতাগণ অত্যন্ত খুশী। ইতিমধ্যে সারি সারি কোরবানীর গরুতে ভরে গেছে হাট প্রাঙ্গন। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে পশু কেনা নিয়ে দরদাম চলছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকে করে গরু এনে নামাচ্ছেন খামারীগণ।বেশ একটা উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায় হাট জুড়ে। পাশের মাছের বাজারে বসেছে ছাগল-খাশির হাট। এখানে বেশ কয়েকজন গৃহবধু খাসি নিয়ে এসেছেন বেচার জন্য। খাশির হাটও জমজমাট।

টাঙ্গাইল শহরের মুসলিম পাড়া থেকে হাটে গরু কিনতে আসা রাশেদ সিদ্দিকি বলেন,তিনি প্রতি বছর এই হাট থেকে কোরবানীর গরু কেনেন। এবার তিনি দেখতে এসেছেন গরুর দাম কেমন যাচ্ছে। যদি দামে মিলে যায় তবে এখান থেকেই এ বছরও কোরবানীর গরু কিনবেন।

তিনি আরো বলেন, এখানে যে কোন মূল্যের গরুর রওনা(খাজনা) মাত্র ৫ শত টাকা। যোগায়োগ ব্যবস্থাও ভালো। সহজেই গরু কিনে বাড়ী ফেরা যায়। হাট ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত ভালো। করোনা কালে শহরের ভিড় এড়িয়ে তাই আগে ভাগেই তিনি খোলামেলা এই হাটে এসেছেন কোরবানীর গরু কেনার জন্য।

এ ছাড়া পাথরাইল ইউনিয়নের বান্দাবাড়ী গ্রামের তাহেরুল ইসলাম,রেজাঊল করিম ও এনামুল হক পাশের অলোয়া বকুলতলী গ্রামের মোঃ ফজলুল হক, নাগরপুরের ভাররার আব্দুল মান্নান, বাঘিল ইউনিয়নের পাইকমুড়িল গ্রামের কবির খান, কাতুলির চৌবাড়ীয়া গ্রামের রাশেদ দেওয়ান জানান, এখানে অন্যন্য হাটের তুলনায় কোরবানীর পশুর দাম তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো, কোন ধরনের উটকো ঝামেলা নেই এই হাটে। তাই প্রতি বছর এই হাটেই আসেন তারা কোরবানীর গরু-ছাগল কিনতে।

গরু বিক্রেতা বান্দাবাড়ী গ্রামের আনোয়ার হোসেন বেপারী, সিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা গ্রামের মোনসের আলী গরু নিয়ে এসেছেন এই হাটে। আশা করছেন, তাদের গরু ভালো দামে বিক্রি হয়ে যাবে। ক্রেতার উপস্থিতি নিয়ে তারা সন্তষ্ট। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি গরু বিক্রি করেছেন তারা।

সিলিমপুর ইউনিয়নের চর পাকুল্ল্যা গ্রামের গৃহবধু হামিদা বেগম তার আদরে লালন-পালন করা খাসি নিয়ে এসেছেন ভুরভুরিয়া হাটে। তিনি তার খাসির দাম চাচ্ছেন ১৬ হাজার টাকা। তার আশা, এই দামেই তিনি খাসিটি বিক্রি করতে পারবেন।

বরুহা গ্রামের মীর শফিকুল ইসলাম জানান, এবছর কোরবানী দেওযান জন্য ১২ হাজার ৭ শত টাকা দিয়ে একটি খাসি কিনেছেন এই হাট থেকে। বাড়ি ফেরার পথে জানালেন, হাটের পরিবেশ ভালো। কোন রকম ঝামেলায় পড়তে হয়নি খাসি কিনতে গিয়ে।

ভুরভুরিয়া হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ শামিম-আল-মামুন জানান, ২০১১ সালে ভুরভুরিয়া হাটটি জেলা প্রশাসনের অনুমোদি নিয়ে বসানো হয়।হাটের আয়ের টাকা দিয়ে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নিম্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেওয়া হয়।বিদ্যালয়টি এমপিও ভূক্ত না হওযায় হাটের আয়ের টাকা দিয়েই বিদ্যালয়ের সমস্ত ব্যয় নির্বাহ করা হয়।অন্য কোন খাতে এই হাটের আয়ের টাকা ব্যয় করা হয় না।

উল্লেখ,সরকারি হিসেবে জেলায় কোরবানির জন্য ৮৪ হাজার ২২০টি(গত দুই বছরের অনুপাতে) পশুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে এর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানাগেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় ছোট-বড় ৬ শতাধিক গরু মোটাতাজা করণের খামার রয়েছে। খামারগুলোতে ৯৫ হাজার ২০০ কোরবানির গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জেলার কৃষক পর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার পশু মোটাতাজা করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২১ ০৪:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত যুবকের হাতে নির্মাণ শ্রমিক খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত যুবকের হাতে নির্মাণ শ্রমিক খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় শরিফ মিয়া (৩০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে মো. মোন্তাজ মিয়া নামে এক মাদকাসক্ত যুবককে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের মুশুড়িয়া গ্রামে ওই খুনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, মুশুড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের নেশাগ্রস্থ ছেলে মো. মোন্তাজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে হাতে দা নিয়ে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মুশুড়িয়া দক্ষিণপাড়া খেলার মাঠে মো. সোনা মিয়ার ছেলে নির্মাণ শ্রমিক শরিফকে পেয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এসময় শরিফের গলার বেশিরভাগ অংশই কেটে যায়। এ অবস্থায় দৌড়ে মাঠের পাশে সোমেজ সিকদারের বাড়ির উঠানে গিয়ে পড়ে যান তিনি। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

সোমেজ সিকদার জানান, রাতে শব্দ পেয়ে ঘুম থেকে জেগে বাইরে এসে দেখেন যে পাশের বাড়ির মোন্তাজ হাতের দা ঘুরাচ্ছেন। বাড়িতে রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন শরিফ। এসময় তারা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে জড়ো হন। মোন্তাজ পরে বাড়ি গিয়ে দা হাতে ঘরের ভেতর অবস্থান নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার দা’য়ের কোপে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনায় জড়িতকে গ্রেফতার করা হয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার(১৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুলাই ২০২১ ০৩:৪৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনা পরিস্থিতি উর্দ্ধমূখী, নতুন করে ১৪৫ জন আক্রান্তঃ মৃত্যু ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনা পরিস্থিতি উর্দ্ধমূখী, নতুন করে ১৪৫ জন আক্রান্তঃ মৃত্যু ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৫ জনের দেহে  করোনা ভাইরাস  সনাক্ত হয়েছে। যা শতকরা ৪৩ দশমিক ২৮শতাংশ । এ ছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউপি চেয়্যারম্যন মৃত্যু বরণ করেছেন ।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য মতে, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৮২ জন, কালিহাতীতে ৩৪ জন, মির্জাপুরে ৯ জন, দেলদুয়ারে ৪ জন, ধনবাড়িতে ১৪ জন ও ভূঞাপুরে ২ জন রয়েছেন।

এ নিয়ে  শুক্রবার( ১৮ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৫৯৭০ জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ৪৩৮৬ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪৪৮ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫১৬৪ জন।এ পর্যন্ত সর্বমোট মৃত্যু ৯৬ জন।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন জানান, গত একমাসে জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রকপ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ৩০ ভাগের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। আমরা কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি। আগামী রবিবার( ২০ জুন) মিটিং এর মাধ্যমে লকডাউনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এদিকে শুক্রবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার নাটশালা নিবাসী ৬ নং দিঘলকান্দী ইউনিয়নের দুইবারের সফল বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম  শুক্রবার বেলা আনুমানিক ১১টার সময় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।  তার পরিবারের  বেশ কয়েকজন সদস্যও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২১ ০১:০১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়কের পাশে আবারো মিললো নবজাতকের মরদেহ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়কের পাশে আবারো মিললো নবজাতকের মরদেহ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সড়কের পাশে আবারো মিললো নবজাতকের মরদেহ। এবার এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা সদরে। বুধবার (২ জুন) সকালে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার সড়কের পাশে দেলদুয়ার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন স্থান থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, মঙ্গলবার(১ জুন) রাতে কেউ মরদেহটি ওই স্থানে ফেলে রেখে গেছে।খবর পেয়ে নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রকাশ, গত সোমবার(৩১ মে) সকাল ১২টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জেলা সদরে অবস্থিত সিএন্ডবি রোডের গণপূর্ত বিভাগের কোয়াটারের সামনের সীমানা প্রাচীরের কাছে একটি ট্রান্সফরমারের নিচে পলিথিনে মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি নবজাতক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুন ২০২১ ০২:২১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চায়ের দোকানে জুয়ার আসরঃঃপাঁচ জুয়াড়ি আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চায়ের দোকানে জুয়ার আসরঃঃপাঁচ জুয়াড়ি আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল  ইউনিয়নের কুমুরিয়া গ্রামে মঙ্গলবার(২৫ মে) ভোরে একটি চায়ের দোকানে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জুয়াড়িকে আটক ও তিন হাজার ২৯০টাকা জব্দ করা হয়েছে। গোপনে খবর পেয়ে র‌্যাব-১২’র সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে ওই অভিযান চালানো হয়।

আটককৃতরা হচ্ছেন- দেলদুয়ার উপজেলার কুমুরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. শওকত আকবর(৪৫), মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. সুমন মিয়া(২৫), মৃত মনতাজ মন্ডলের ছেলে মো. শাহীন মন্ডল(২৮), মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. হুমায়ুন কবির(৫০) ও মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. বাবুল মিয়া(২৯)।

র‌্যাব-১২’র সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান জানান, গোপনে খবর পেয়ে কুমুরিয়া গ্রামের জনৈক মো. হারুন অর রশিদের চায়ের দোকানের ভেতরে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত জুয়াড়িদের আটক করা হয়। এ সময় জুয়ার আসর থেকে এক বান্ডেল তাস ও নগদ তিন হাজার ২৯০ টাকা জব্দ করা হয়। পরে দেলদুয়ার থানায় ১৮৬৭ সালের বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইনের ৪ ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে আটককৃতদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মে ২০২১ ০১:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।