ভোটার নাই তাই এক কি.মি. সড়কের উন্নয়ন হচ্ছেনা


৯ আগস্ট ২০২১ | ৬৩৪ বার পঠিত
Ekotar Kantho

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বরুহা বাজার।পাশেই দেলদুয়ার উপজেলার গোমজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়ক। মাঝখানে প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক। সড়কটি পাকাকরণ না হওয়ায় ছয় গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

জানাগেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বরুহা বাজারের পরেই দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানী গ্রামের উত্তর পাশ দিয়ে দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁচা সড়ক। সড়কটির দুপাশে কোন বসতবাড়ি নেই, তাই আটিয়া ইউনিয়ন তথা দেলদুয়ার উপজেলার ভোটারও নেই। সড়কটি দিয়ে সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা, কুইচামারী ও চরপাড়া এবং দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানী, পাথরাইল ইউনিয়নের বান্দাবাড়ি ও বরুটিয়া গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ায় তারা সংক্ষিপ্ত সড়ক হিসেবে ওই কাঁচা সড়কটি ব্যবহার করে থাকে। বর্ষাকালে কাঁদা ও শুকনো মৌসুমে ধূলাবালি মাথায় নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

সরেজমিনে গোমজানী গ্রামের মো. জুলু মিয়া, মো. লিটন আহাম্মেদ; বরুহা গ্রামের মো. মফিজ উদ্দিন, আফছার আহাম্মেদ, চাকুরিজীবী শারমিন আক্তার, কুইচামারী গ্রামের কলেজছাত্রী তমা আক্তার, গৃহবধূ রহিমা বেগম, বান্দাবাড়ি গ্রামের আনিসুর রহমান, সাহান হাসান , রেজাউল করিম সহ অনেকেই জানান, এক কিলোমিটার ওই কাঁচা সড়কের দুই পাশে কোন বসতবাড়ি না থাকায় ভোটারও নেই। তাই স্থানীয়দের অতিপ্রয়োজনীয় হওয়া স্বত্বেও ওই সড়কটি দীর্ঘদিন যাবত অবহেলিত। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাধ্য হয়ে আশপাশের ছয়টি গ্রামের মানুষকে ৩-৫ কিলোমিটার ঘুরে সীমাহীন দুর্ভোগ সহ্য করে বরুহা বাজার ও আটিয়ায় সুফি সাধক আলী শাহান শাহ্ধসঢ়;‌ বাবা আদম কাশ্মিরীর মাজার সহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়।

সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শামীম আল মামুন জানান, বরুহা থেকে গোমজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়ক পর্যন্ত কাঁচা সড়কটির এক কিলোমিটারের প্রায় পুরোটাই দেলদুয়ার উপজেলায় পড়েছে। ফলে সদর উপজেলা বা স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষে প্রকল্প দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। ওই সড়ক দিয়ে আশপাশের ছয় গ্রামের মানুষ চলাচল করলেও ভোটার না থাকায় দেলদুয়ার উপজেলা প্রশাসন কোন উদ্যোগ নিচ্ছেনা। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও সড়কটি পাকাকরণে কোন আগ্রহ নেই।

আটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম মল্লিক জানান, তিনি ভোটারের কথা বিবেচনায় না নিয়ে জনস্বার্থে সড়কটিতে মাটিভরাটের মাধ্যমে উঁচু করেছেন। পাকাকরণের এখতিয়ার তার নেই। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে কথা বলে পাকাকরণের উদ্যোগ নেবেন।


ফেসবুকে আমরা...

কপিরাইট © ২০২১ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।