একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিলে আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকের গুলিতে যুবলীগ নেতাসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, কর্মী সিয়াম ও রোকন মিয়া। তাদের মধ্যে রোকনুজ্জামানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ওই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মামুনুর রশিদ জানান, রাতে বাঘিলে নৌকার পক্ষে তার সমর্থকরা মিছিল বের করে। এসময় বর্তমান এমপি ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকরা মিছিলে অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন জানান, রাত ১১টি ৩০ মিনিটে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কেন মিছিল করা হয়েছে? নৌকার পক্ষের লোকজন ঈগলের অফিস ভাংচুর করে এই নাটক সাজিয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় যারা আহত হয়েছে, তারা কেউ যুগনি এলাকার লোক নয়। এরা সবাই বহিরাগত। ঈগলের অফিস রাতে ভাঙচুর করার সাথে সাথেই সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আশা করি, সুষ্ঠ তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে টাঙ্গাইল-৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হন ছানোয়ার হোসেন। তবে এবার তাকে সরিয়ে ওই আসনে মামুনুর রশিদকে নৌকার মাঝি করেছে আওয়ামী লীগ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রশান্ত মোদক (৩০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে মধুপুর পৌর শহরের টেংরি কাঁঠাল তলী মোড় এলাকার শাহজাহান আলীর বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান ।
প্রশান্ত মোদক ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার কাঁচারি পাড়া এলাকার সুনীল মোদকের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, প্রশান্ত মোদক মধুপুরের টেংরি কাঁঠালতলী মোড়ের শাহজাহান আলীর বাসায় ভাড়া থাকতো। তার বন্ধুরা তাকে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে না পেয়ে তার ভাড়া বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করে। কোন সাড়া না পেয়ে ঘরে ঢুকে তার মরদেহ দেখেতে পায়। এসময় পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ফয়সাল আহমেদ (১৮) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেঙ্গর গ্রামের একটি বাগান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফয়সাল আহমেদ উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেঙ্গর গ্রামের মোঃ রমজান আলীর ছেলে। সে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো বলে জানা গেছে।
স্থানীয় মেম্বার মোঃ সহিদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ফয়সাল নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর সে আর বাড়ি ফিরে না আসায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে তার আত্মীয়-স্বজন । শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন ধলাটেঙ্গর গ্রামের একটি বাগানে ফয়সালের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ফয়সাল রাজমিস্ত্রির কাজ করতো।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে লাশ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন কিন্তু আমাদের তদন্ত চলছে। অতি দ্রুত আমরা হত্যার কারণ উদঘাটন করে আসামিদের আইনের আওতায় আনবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও গাড়িসহ মনির (২৫) নামের এক মাইক্রোবাসের চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে গোপালপুর থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাইক্রোবাসের চালক মনির উপজেলার সমেশপুর গ্রামের লোকমানের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সরকারের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গোপালপুর পৌরসভার থানা সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালায়। এ সময় দেশীয় অস্ত্রবহনকারী মাইক্রোবাসটিকে থামানোর জন্য সিগনাল দেওয়া হয়। সিগনাল দিলে গাড়িতে থাকা দুইজন পালিয়ে যায়। পরে অস্ত্রসহ চালককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল হাসান এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে র্যাব ও পুলিশের সহায়তায় ওই মাইক্রোবাস চালককে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেন। পরে তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আসামিকে এখনো পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কম্পানি অধিনায়ক মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত মনিরকে গোপালপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ভারতীয় মালিকানাধীন কোম্পানি একটি ওয়ার হাউসে ডাকাতির মামলায় টাঙ্গাইলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চাঁদপুর জেলার পুরান বাজার এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), জামালপুর জেলার পোড়াভিটা গ্রামের স্বজলের ছেলে ফরহাদ ওরফে ফারুক (৩৩) এবং ময়মনসিংহের বালিয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (২৭)।
মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ও বুধবার (২০ ডিসেম্বর) গাজীপুর জেলার বাইমাইল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকালে লুষ্ঠিত ৩ হাজার ৯১৩ কেজি এ্যালুমিনিয়ামের বিদ্যুতিক তার উদ্ধারসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার আরও জানান, গত ১২ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার বিক্রমহাটিতে ভারতীয় মালিকানাধীন কোম্পানির একটি ওয়ার হাউসে ১ হাজার ২০০ মিটারের বিদ্যুতিক তার, মোবাইল ও সিসি ক্যামেরা ডাকাতি করে নিয়ে যায়।
তিনি জানান, এ ঘটনার পর টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে সাইফুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর ২ জনের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। এই ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৩ মাসের ব্যবধানে একটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মাইজবাড়ী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার মাদারিয়া গ্রামের রহিজ উদ্দিনের ছেলে নাজমুল (২৫) ও মাইজবাড়ী গ্রামের সোবহান (২০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাতের কোন এক সময় উপজেলার মাইজবাড়ীর একটি দোকানের টিনের বেড়া কেটে দোকানে প্রবেশ করে নগদ টাকা চুরি করে দুর্বৃত্তরা। এসময় ঘটনাস্থলের কয়েক স্থানে রক্ত পড়ে থাকতে দেখে ধারণা করা হয় টিনের বেড়া কাটার সময় তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে রক্ত ঝরেছে।
পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে দুইজন চোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনের হাত ও পায়ের বিভিন্ন অংশে কাটার দাগ রয়েছে। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরি করার কথা স্বীকার করেছে তারা।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, দোকানে চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দায় স্বীকার করেছে। চুরির ২৩ হাজার টাকার মধ্যে ২২ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না সেটি তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর তালা ভেঙে একই দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছিল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পারিবারিক কলহের জেরে দাদাকে হত্যার অভিযোগে নাতি মফিজুলকে গ্রেপ্তার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।
বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকালে উপজেলার পাঠন্দ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মফিজুল উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার স্বরূপপুর গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাজ্জাদ হোসাইন জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামি মফিজুল পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পাঠন্দ এলাকা থেকে বুধবার বিকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) নিহতের মেয়ে নুরবানু বাদী হয়ে মফিজুলকে আসামি করে কালিহাতী থানায় মামলা দায়ের করেন।
প্রকাশ, রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আনছের আলীর সাথে তার ছেলে ও নাতির ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে আনছের আলীর মাথায় পিঁড়ি দিয়ে আঘাত করে নাতি মফিজুল। এতে তার মাথা থেঁতলে যায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা শেষে বের হওয়ার পর সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারকে মারধর ও তার গাড়িতে হামলার ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার শওকত সিকদার এই হামলার জন্য টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের অনুসারীদের দায়ী করেছেন।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার দিনব্যাপী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগ বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তরা, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন।
সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশেষ বর্ধিত সভা চলাকালে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারের বক্তৃতা চলাকালে দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের তাকে ধমক দিয়ে বসতে বলেন। এ সময় দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে বর্ধিত সভা শেষে প্রেসক্লাব থেকে বের হয়ে শওকত সিকদার তার জিপ গাড়ির কাছে আসেন। এ সময় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তার গাড়ির দিকে ধেয়ে আসেন। তখন শওকত সিকদার প্রাণের ভয়ে গাড়িতে উঠে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ওই গাড়ির ওপর হামলা করে এবং সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত সিকদারকে এলোপাথারি লাথি ও কিলঘুষি দিয়ে আঘাত করেন এবং গালাগালি করেন। পরে তিনি গাড়িটি নিয়ে দ্রুত প্রেসক্লাব এলাকা ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের অনুসারী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানের নির্দেশে তার কর্মীরা আমার গাড়িতে হামলা ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে। হামলার বিষয়টি আমি দলের নেতাদের জানিয়েছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসান বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ বিষয়ে আমি বা আমার কোন লোকজন জড়িত না। অন্যরা কেউ করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের জানান, শওকত সিকদারের গাড়িতে হামলা হয়নি। তবে বিচ্ছিন্নভাবে গাড়িতে দুই চারটা থাপ্পর দিয়েছে বলে শুনেছেন। এ ব্যাপারে তিনি আর কোন মন্তব্য করবেন না বলে জানান। তবে তিনি অনুসন্ধান করছেন, কারা এটা করেছেন।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনুপম শাহজাহান জয়। সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার অনুপম শাহজাহান জয়ের পক্ষের নেতা হিসেবে পরিচিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ মা, তার দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯-এ কল পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং দুই জনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মধুপুর পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে।
নির্যাতিতরা হলেন- একই গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী শাফিয়া বেগম (৫৫), বড় ছেলে আলমগীর হোসেন, ছোট ছেলে জুব্বার আলী ও আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম।
ছেলে আলমগীর ও জুব্বারের সঙ্গে প্রতিবেশী মৃত আবু সেকের ছেলে কালু মিয়া ও তার ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। ২৩ বছর বাটোয়ারা মামলা চলার পর চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি আদালত আলমগীর ও জুব্বাররের পক্ষে রায় দেন। রায় পেয়ে জমির খাজনা খারিজ করেন তারা। মাঠ ও প্রিন্ট পর্চা তাদের নামেই রয়েছে।
প্রতিপক্ষ কালু মিয়া শেখ, ভাই আজগর, সামাদ এ নিয়ে গত কয়েক মাস আগে ওই জমির মালিক দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদন করেন। আদালত স্থানীয় সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আলমগীর, জুব্বাররা কাগজপত্রের ভিত্তিতে ১৪৪ ধারার বিপরীতে জজ কোর্টে আপিল করেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পরিবারে উত্তেজনা চলছিল।
মঙ্গলবার সকালে কালু মিয়া গং ৬০ শতক জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এসময় আলমগীর ও জুব্বার বাঁধা দিতে গেলে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রড ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন। এসময় তাদের মা শাফিয়া এগিয়ে এলে তাকেও গাঁছে বেঁধে রাখা হয়। শাশুড়িকে রক্ষায় এগিয়ে এলে আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগমকেও হাত পা বেঁধে বসিয়ে রাখা হয় জমিতে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পরে মধুপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। তবে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়ে তিনি জানেন না। এধরনের কোনো ঘটনা হয়ে থাকলে এবং কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শশুর বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মোস্তফা কামাল (৪২) নামের এক ব্যক্তি ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ফলদা ঘোনাপাড়ায় শশুর বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মোস্তফা কামাল পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের আনন্দপাড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে। তিনি সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশের ধারণা, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে সে আত্মহত্যা করেছে। মরদেহের পকেটে একটি ‘চিরকুট’ পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোস্তফা কামালের স্ত্রী রুনা খাতুনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, মোস্তফা কামাল ও স্ত্রী রুনা খাতুনের ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ায় প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এতে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে শশুর বাড়িতে এসে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে আত্মহত্যা করে।
মোস্তফা কামালের বড় ভাই সাজেদুল করিম জানান, পরকীয়া নিয়ে ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। যে কারণে কামাল হতাশগ্রস্থ হয়ে তার স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁছিয়ে ফাঁস দিতে পারে বলে ধারণা করছি।
ফলদার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাছে মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ্ বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তার পকেট থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে স্ত্রীর পরকীয়া করার বিষয়টি লেখা ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেনীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন। ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
দন্ডিত যুবক শহীদুল ইসলাম খোকন (২৩)। তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শেখ শিমুল গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ জানান, ভিকটিম ঘাটাইল উপজেলার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ১০ম শ্রেনির শিক্ষার্থী। দন্ডিত শহীদুল ইসলাম খোকন ভিকটিমের প্রতিবেশি চাচাতো ভাই। সেই সুযোগে খোকন ভিকটিমের বাড়িতে ও মাদ্রাসায় যাওয়া আসার পথে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতো। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। সেই সর্ম্পকের সূত্র ধরে ২০২১ সালের ১ অক্টোবর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে খোকন নিজের বাড়িতে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।
তিনি জানান, এরপর সুযোগ পেলেই দন্ডিত খোকন ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি ছাত্রীর পরিবারের লোকজন জানতে পারলে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিসের ব্যবস্থা করা হয়। তখন খোকন তাকে বিয়ে করবে এবং ওই অনাগত সন্তানকে স্বীকৃতি দিবে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে খোকন মাদ্রাসা ছাত্রীকে বিয়ে না করে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, পরে ওই ছাত্রীর মামা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২০২২ সালের ২০মে ঘাটাইল থানায় শহীদুল ইসলাম খোকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই ছাত্রী পুত্রসন্তান জন্ম দেন। ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি খোকন ওই শিশুর জৈবিক পিতা বলে প্রমানিত হয়। তদন্ত শেষে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদনপত্র জমা দেন। পরে এই মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় শহীদুল ইসলাম খোকনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় বিচারক।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ। সহযোগিতা করেন সহকারি সরকারি কৌঁসুলি আব্দুর রহিম ও মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস। এ মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ইলিয়াস খান পারভেজ।
একতার কণ্ঠঃ নবম দফায় বিএনপি’র হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি শুরুর আগে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় মহাসড়কের পাশে রাখা বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে বাসটির অধিকাংশ পুড়ে গেলেও কোনো হতাহত হয়নি।
সোমবার(২৭ নভেম্বর )রাত সাড়ে ১১টা দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ডুবাইল ইউনিয়নের নাটিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোস্তাফিজুর রহমান জানান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, বাসটি টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে মির্জাপুর ও সখিপুর রোডে যাতায়াত করে থাকে। মাঝে মাঝে মির্জাপুরের বিভিন্ন গার্মেন্টসের কর্মীদেরও নিয়ে আসা যাওয়া করে বাসটি।
তিনি আরও জানান,সোমবার পোশাক কর্মীদের নামিয়ে বাসটি নাটিয়াপাড়া মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখাছিল। পরে হঠাৎ রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসে ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা হেলপার বাবলু মিয়া আগুন দেখতে পান।”
তার চিৎকারে আশেপাশে থাকা মানুষরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাসের হেলপার বাবলু মিয়া বলেন, “মহাসড়কের পাশে বাস দাঁড় করিয়ে রেখে আমি ঘুমিয়ে যাই। কিছুক্ষণ পরে দেখি বাসের পিছনে আগুন।”
দেলদুয়ার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রাসেল মিয়া বলেন, “স্থানীয়রা সংবাদ দিলে আমরা ১৫ মিনিটের মধ্যে এসে বাসটির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। বাসে শুধু হেলপার ছিলেন, তিনি আগুন দেখেই বের হয়ে আসেন তাই কোনো হতাহত নেই।”তবে বাসের ভেতর অনেকাংশই পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি।
ওসি মোস্তাফিজুর বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, নাশকতা সৃষ্টির জন্য বাসটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।