একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বাজাইল গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীকে(৪০) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় স্বগোত্রীয় দিনা সরকার(৩০) ও মণ্টু সরকারকে(৩২) জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি দক্ষিণ) গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার(১৫ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তিন জনকে আসামি করে রোববার(১৩ জুন) ভিকটিম(ওই নারী) বাদী হয়ে সখীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হওয়ায় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অপরাধ) মো. শরফুদ্দীনের তত্ত্বাবধানে একটি চৌকষ টিম গঠন করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত চৌকষ টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেলার মির্জাপুর ও নাগরপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ভিকটিমের স্বগোত্রীয় দিনা সরকার ও মণ্টু সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত দিনা সরকার ওই গ্রামের প্রকাশ সরকারের ছেলে ও মণ্টু সরকার স্বর্গীয় নারায়ন সরকারের ছেলে এবং ভিকটিমের(ওই নারীর) প্রতিবেশি।এজাহারভুক্ত অপর আসামি ময়নাল মিয়ার ছেলে সবদুল মিয়াকে(৩৫) গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
প্রকাশ, গত ১১ জুন(বৃহস্পতিবার) দিনগত গভীর রাতে সখীপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের বাজাইল বড়চালা গ্রামের দিনা চন্দ্র সরকার, মণ্টু চন্দ্র সরকার ও সবদুল মিয়া নামে তিন ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় ওই নারীর বাড়িতে যান। তারা ওই নারীকে ডেকে ঘরের বাইরে এনে জোর করে বাড়ির পাশের বনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ওই বখাটেরা ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ওই নারীর মুখম-লসহ শরীরের স্পর্শকাতর সহ নানা স্থানে কামড়ে জখম করে চলে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রুমি আক্তারের উপর যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনের প্রতিবাদ ও নির্যাতনকারী স্বামী স্কুল শিক্ষক মিজানুর রহমানের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল।মঙ্গলবার (১৫ জুন) পৌর সভার মোখতার ফোয়ারা চত্বরে সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়ে ঘন্টা ব্যাপি এ এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলর সাবেক কমান্ডার পৌর মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী সিকদার,সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ও গনি,সাবেক ডিপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল্লাহ মিয়া, নির্যাতিতা রুমির বাবা বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম কাজী বাদল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক, কামরুল হাসান আজাদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। এতে উপজেলার তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কাউন্সিলের নেতাকর্মী অংশ নেন। এ ঘটনায় ওই স্কুল শিক্ষককে স্কুল পরিচালনা কমিটি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৫ নভেম্বর মিজানুর রহমানের সঙ্গে উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নানের মেয়ে রুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রুমির বাবা মেয়েকে চার ভরি স্বর্ণালংকার দেন। বিয়ের পরের বছর মিজানুর একটি মোটরসাইকেল দাবি করেন। জামাতাকে দেড় লাখ টাকার একটি মোটরসাইকেলও কিনে দেন ওই বীরমুক্তিযোদ্ধা। ২০১৭ সালে রুমির গর্ভে কন্যাসন্তান আসে। অস্ত্রোপচারের জন্য শ্বশুরের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেন মিজানুর। দুই বছর আগে চাকরিতে সমস্যার কথা বলে শ্বশুরের কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন তিনি। চার মাস ধরে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করে স্ত্রী রুমিকে নির্যাতন করে আসছিলেন মিজানুর। না দেওয়ায় কিছুদিন আগে মিজানুর তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন।
প্রসঙ্গত: গত ৯ জুন বুধবার সখীপুর থানায় রুমি আক্তার বাদী হয়ে স্বামী মিজানুর রহমানকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে পুলিশ মামলার তিন ঘন্টার মধ্যে আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার ও আসামিসহ টাঙ্গাইল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটূক্তি করার কারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান স্বপনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।রোববার(১৩ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।তিনি টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ জুন প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় একটি জমি পরিমাপকে কেন্দ্র করে ওই জমির মালিকের জামাতার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন।
কথা বলার একপর্যায়ে তিনি তাঁকে বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মানি না’। তা ছাড়া তিনি নানা অশ্লীল বক্তব্য দেন।
তাঁর ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।অনেকেই তাঁকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ মজিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাফিজুর রহমান স্বপনকে দল থেকে বহিষ্কার করা না হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।
এর আগে গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তির কারণে ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ ছাড়া মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় শহরের আকুরটাকুর পাড়ার প্রয়াত আশরাফ চৌধুরীর জামাতা মফিজুর রহমান টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হাফিজুর প্রথমে ছাত্রদল ও পরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৪ সালের জুন মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
যোগদানের পরই তিনি প্রথমে পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পরে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। তিনি টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পর পর চার বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ, গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল মৌজায় অবস্থিত কড়িল(কুমরী) বিলের বাংলা ড্রেজার বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।
জানা যায়, ভিয়াইল মৌজার কুড়িল বিলের সরকারি খাস খতিয়ানের ভূমিতে কতিপয় দুস্কৃতকারী দুইটি বাংলা ড্রেজার বসিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলন করছে। পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল গ্রামের পশ্চিমে কুড়িল(কুমরী) বিলে বাংলা ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরি পাড়ায় বসবাসকারী ঘাটাইল উপজেলার আশারিয়া চালা গ্রামের সিদ্দিক হোসেনের ছেলে মো. আব্দুল লতিফ। তাকে সহযোগিতা করছেন ভিয়াইল গ্রামের মৃত কাজীম উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সাত্তার, নুর মোহাম্মদের ছেলে মজনু মিয়া ও নজরুল ইসলাম। অবৈধভাবে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের ব্যক্তি মালিকানাধীন আবাদী জমি ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে তারা অত্যন্ত দুর্ধর্ষ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামাকারী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়রা বাঁধা দিতে গেলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা নানা ধরণের হুমকি দিয়ে থাকে। এজন্য এলাকার জমির মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাদের ভয়ে ভীত হয়ে স্থানীয় প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে গত ৭ জুন(সোমবার) লিখিত আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশন(ভূমি) কমরুল হাসান জানান, ওই বিলে ইতোপুর্বে একাধিকবার বাংলা ড্রেজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দাখিলকৃত অভিযোগটি হাতে পেলে তিনি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাসিন্দা মৌসুমী মাহমুদা নামে এক নারী উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে জমি বিক্রির চেষ্টায় বাঁধা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার (১২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে তিনি ওই সংবাদ সম্মেলন করেন। মৌসুমী মাহমুদা শহরের ১৭ নং ওয়ার্ডের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মোহাম্মদ আলী শাহাজাদার মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মৌসুমী মাহমুদা জানান, উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য বিশ্বাস বেতকা মৌজায় নিজের ৬ শতাংশ বাড়ি বিক্রির চেষ্টা করেন। বাড়ি কেনার আগ্রহী ক্রেতারা তার সাথে কথা বলে চলে যাওয়ার পর বর্তমান কাউন্সিলর তাদের হুমকি-ধমকি দেন। ওই জমি কিনলে তাদের হাত-পা কেটে ফেলবে বলে হুমকি দেওয়ায় ক্রেতারা তার বাড়ি কিনতে আসেন না। কাউন্সিলর মোর্শেদ তার প্রায় কোটি টাকা মূল্যের বাড়িটি মাত্র ২০-২৫ লাখ টাকায় তার কাছে বিক্রি করতে বলেন। আতিকুর রহমান মোর্শেদকে বাড়ি দিতে অস্বীকার করায় তিনি অন্য কারও কাছে বাড়ি বিক্রি করলে তাকে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৌসুমী মাহমুদা আরও জানান, কাউন্সিলর মোর্শেদের হুমকিতে নিজের বাড়িতে তিনি বসবাস করতে পারছেন না। শহরে অন্যের ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মৌসুমী মাহমুদার মা মাহমুদা আলী, ভাবি সুমাইয়া আক্তার তৃষা ও তার দুই কন্যা শিশু।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামে জুয়ার আসর থেকে বুধবার (৯ জুন) সকালে ছয় জুয়াড়িকে ২৫ হাজার ৬০০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার দুপুরে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের হাওড়াপাড়া গ্রামের মৃত আদুর ছেলে সায়েদ আলী(৪৫), গোপালপুর গ্রামের মৃত আসক আলীর ছেলে জুলহাস(৪৪), শিহরাইল গ্রামের মৃত বিশার ছেলে ফজলু মিয়া(৩৫), একই গ্রামের মৃত
শাহজাহানের ছেলে মঞ্জুরুল(৪৫), বানিয়াফৈর গ্রামের মৃত আয়েদ আলীর ছেলে মুক্তার হোসেন(৫২) এবং নারান্দিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আ. খালেকের ছেলে মেছের আলী(২৬)।
এসময় জুয়া খেলার আসর থেকে নগদ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং এক বান্ডিল তাসসহ তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব কমন্ডার আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামের বটতলা রোড সংলগ্ন পাটক্ষেতে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ২৫ হাজার ৬০০
টাকা এবং এক বান্ডিল তাস সহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নামে কালিহাতী থানায় ১৮৬৭ সালের প্রকাশ্য জুয়া আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কলিয়া পূর্বপাড়া গ্রামে হুরমুজ আলী(৬০) নামে এক কৃষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) সকালে ঘরের ধর্ণার(আড়ার) সাথে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হুরমুজ আলীকে দুই ভাই আমজাদ ও জবেদ আলী এবং ভাতিজা আমিনুর রহমান আমীন ও ফায়েজ তাকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধর্ণার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। নিহত হুরমুজ আলী ওই গ্রামের মৃত চাঁন মাহমুদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পৈত্রিক ১০ শতাংশ ভূমি নিয়ে তিন ভাই আমজাদ, জবেদ আলী ও হুরমুজ আলীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রায় দেড় বছর আগে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা হলে হুরমুজের সাথে তার ভাই আমজাদ আলী ও জবেদ আলীর বিরোধ আরও বেড়ে যায়। গত রোববার৩০ মে) বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে হুরমুজ আলীকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমজাদ আলী আগামি সোমবার(৭ জুন) হুরমুজ আলীকে টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। এর আগেই বৃহস্পতিবার (৩ জুন) নিজ ঘরের ধর্ণার সাথে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় হুরমুজের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশটি উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রী সুরিয়া বেগম জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের সাথে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় তার স্বামী হুরমুজ আলীকে আমজাদসহ তার ছেলেরা হত্যার হুমকি দিচ্ছিল। তার স্বামী নতুন বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন। তারা পুরাতন বাড়িতে ছিলাম। এ সুযোগে তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত আমজাদ আলী বলেন, পৈত্রিক ১০ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে মামলা হলে গত রোববার গ্রাম্য সালিশে মিমাংসা করা হয়। হুরমুজ আলী অভিমানে আত্মহত্যা করেছে।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সড়কের পাশে আবারো মিললো নবজাতকের মরদেহ। এবার এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা সদরে। বুধবার (২ জুন) সকালে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার সড়কের পাশে দেলদুয়ার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন স্থান থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, মঙ্গলবার(১ জুন) রাতে কেউ মরদেহটি ওই স্থানে ফেলে রেখে গেছে।খবর পেয়ে নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রকাশ, গত সোমবার(৩১ মে) সকাল ১২টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জেলা সদরে অবস্থিত সিএন্ডবি রোডের গণপূর্ত বিভাগের কোয়াটারের সামনের সীমানা প্রাচীরের কাছে একটি ট্রান্সফরমারের নিচে পলিথিনে মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি নবজাতক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নুর-ই-খোদা রায়েজ নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, চিকিৎসকের অবহেলায় ওই বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ভাংচুর চালায়। এক পর্যায়ে নিহতের স্বজন ও হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার(১ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা না দিয়ে সিট না থাকায় মেঝের(ফ্লোরের) বিছানায় রাখা হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স একটি ইনজেকশন দিতে তার স্বজনদের কাছে চার হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পর অসুস্থ্য বীরমুক্তিযোদ্ধাকে ইনজেকশন দেওয়া হলেও কোন ডাক্তার তাকে দেখতে আসেন নি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ মারা যান। এ সময় বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে হাসপাতালের জানালা ভাংচুর করে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব কয়েকজন কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তিকে নিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর পাল্টা হামলা চালায়। এ হামলায় নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের মধ্যে অন্তত পাঁচ জন আহত হয়। পরে স্বজনরা বীরমুক্তিযোদ্ধার লাশ নিয়ে বাড়ি যেতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লাশ নিতে বাঁধা দেন। এ সময় আবার উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে নিহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ইমরান ৯৯৯- এ ফোন করেন। ৯৯৯- এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজের ছেলে ইমরান জানান, একজন বীরমুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মারাত্মক অন্যায় করেছে। মৃত্যুর পর বীরমুক্তিযোদ্ধার মরদেহ স্বজনদের নিতে না দিয়ে আরএমও ডা. সজিব চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তিনি আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা জানান, তার সামনেই হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লোকজন নিয়ে নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে আহত করেছে এবং মরদেহ নিতে বাধা দিয়েছেন। তিনিও অভিযুক্ত আরএমও’র শাস্তি দাবি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব জানান, রোগীর স্বজনরা অহেতুক হাসপাতালে ভাংচুর চালিয়েছে ও নার্সের শরীরে আঘাত করেছে। এ কারণে উপস্থিত হাসপাতালের স্টাফদের সাথে তাদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ করেননি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি তরুণীকে বিবস্ত্র করে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে দুই নারীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে দেশটির স্থানীয় পুলিশ। গ্রেফতারের সময় গুলিবিদ্ধ হয় টিকটক হৃদয় বাবু ও সাগর।
এই চক্রের অন্যতম মূলহোতা আশরাফুল মণ্ডল ওরফে ‘বস রাফি’সহ চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব দাবি করছে, রাফি (৩০) গত আট বছরে ৫০০ নারীকে ভারতে পাচার করেছে। ওই ৫০০ নারীকে যৌন কাজ করতে বাধ্য করা হয়। মানবপাচারকারী এ চক্রের সঙ্গে প্রায় ৫০ জন জড়িত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন সংস্থাটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন, মাত্র অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে নারীপাচারকারী আশরাফুল মণ্ডল ওরফে বস রাফি। আট বছর আগে থেকে ভারতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার। প্রথমে ব্যাঙ্গালুরুতে ট্যাক্সি চালিয়ে জীবন নির্বাহ করত সে। পরে হোটেলে রিসোর্ট কর্মচারী এবং কাপড়ের ব্যবসা করত।
গত দুই বছর আগে টিকটক হৃদয়ের সঙ্গে রাফির পরিচয় হয়। এরপর টিকটক হৃদয়ের মাধ্যমে প্রায় অর্ধশতাধিক তরুণীকে ভারতে পাচার করে সে।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের ভারতে পাচার করত রাফি। বাংলাদেশ থেকে তাকে নারীর যোগান দিত টিকটক হৃদয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ খুলে বিভিন্ন বয়সের নারী ও তরুণীদের সঙ্গে যোগাযোগ করত হৃদয়।
এই গ্রুপের মাধ্যমে তরুণীদের মডেল বানানোসহ ও বিভিন্ন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করত। পরবর্তীতে ভারতে বিভিন্ন সুপার শপ ও বিউটি পার্লারে চাকরি দেয়ার কথা বলে বস রাফির সহযোগিতায় এসব তরুণীদের পাচার করত।
র্যাব জানায়, এসব তরুণীদের ভারতে পাচারের পর প্রথমে একটি সেফ হাউজে নেওয়া হতো। সেখানে তাদের জোর করে মাদক সেবন করতে বাধ্য করানো হতো। মাদক সেবনের পর তাদের জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করে ভিডিও ধারণ করা হতো। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে ভয় দেখিয়ে তাদের পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল করা হতো।
র্যাব আরো জানায়, টিকটক হৃদয় বাবু ও আলামিনসহ এই চক্রটি ভারতের বেঙ্গালুরুর কোর্টলোর এলাকায় থাকত। সেখানেই রাফির আস্তানা। এই রাফির বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকায়। রাফিকে আলামিনরা বস বলে সম্বোধন করে।
র্যাব কর্মকর্তা কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, কলকাতায় সেফ হাউজে নিয়ে রাখা হতো নারীদের। এর পর সুযোগ বুঝে কলকাতা থেকে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের বেঙ্গালুরু পাঠানো হতো তাদের। বেঙ্গালুরু পৌঁছানোর পর রাফি তাদের গ্রহণ করে বিভিন্ন সেফ হাউজে নিয়ে রাখত। সেখানেই মাদকাসক্তে অভ্যস্তকরণ এবং নির্যাতনের মাধ্যমে যৌন পেশায় বাধ্য করানো হতো নারীদের। ক্ষেত্রবিশেষে এসব নারীদের অনেককে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতেন রাফি।
ভাইরাল সেই ভিডিওর বিষয়ে গ্রেফতার রাফি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ভারতে নির্যাতিত ওই তরুণী দুই বাংলাদেশি নারীকে দেশে পালিয়ে আসতে সহযোগিতা করেছিলেন। এজন্য তাকে অত্যাচার করা হয়। তাকেও বলা হয়, যদি তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে ভিডিও স্বজনদের কাছে পাঠানো হবে।
যশোরের সীমান্ত এলাকায় এ চক্রটির একটি সেইফ হাউজ রয়েছে বলে খবর পেয়েছে র্যাব। যা সাহিদা, সোনিয়া ও তানিয়া নামে তিনি নারীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তারা তিনজনই এই পাচারের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
সোনিয়া ও তানিয়া বর্তমানে বেঙ্গালুরে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন তাদের মা সাহিদা।
উল্লেখ্য, যৌন নির্যাতনের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেখানে তানিয়াকে দেখা গেছে। সেখানে নির্যাতনকারীদের সহযোগী হিসেবে দেখা গেছে তানিয়াকে।
মাত্র ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে চক্রটি রাফির কাছে বাংলাদেশ থেকে নারী পাচার করত বলে জানিয়েছে র্যাব।
সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে তিনটি ফার্মেসীকে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (৩১ মে) দুপুরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যান আদালত ওই জরিমানা করেন।
এ সময় র্যাব-১২ সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান ও র্যাব সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
অভিযানে টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালত পাড়ার স্বর্গীয় মনিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে অরুণ চন্দ্রের রিমু সিমু ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা, আদালত পাড়ার মৃত সজল আলীর ছেলে মো. আনিছুর রহমানের মধুবন ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা এবং সদর উপজেলার পিচুরিয়ার আবুল কাশেমের ছেলে আ. মজিদের কশেম ফার্মেসীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, ফার্মেসীগুলোতে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে ঔষধ আইন ১৯৪০ এর ১৮(গ) ধারায় জরিমানা পূর্বক সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। পরে জব্দকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সি-এন্ড-বি রোড ( বটতলা) থেকে এক নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। সোমবার (৩১ মে) ১২ টার দিকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। কন্যা শিশুটির লাশ নাভি কাটা এবং পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ রফিকুল ইসলাম ও রেজাউল করিম জানান, সি-এন্ড-বি রোড দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ দেখি পলিথিনে মোড়ানো একটি নবজাতকের লাশ। পরে ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। কোন পশু-পাখি যেন নবজাতকের লাশটি নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য আমরা এখানেই দাড়িয়ে ছিলাম।
টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার এসআই আব্দুল ওহাব জানায়, সাড়ে ১১ টার দিকে ৯৯৯ এ কল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নাভি কাটা পলিথিনে মোড়ানো একটি নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ দেখতে পাই। পরে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল করার জন্য পাঠিয়ে দেই। তিনি আরো জানায়, ধারনা করা হচ্ছে সকালের দিকে কোন এক সময় চলন্ত অটো রিক্সা অথবা সিএনজি থেকে লাশটি এখানে ফেলে গেছে। নবজাতকের লাশটি সুরতহাল করে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।