/ হোম / আইন-আদালত
অসুস্থ‌তা জনিত কারণে আ’লীগ নেতা বড় ম‌নিরকে কারাগার থেকে হাসপাতালে ভর্তি - Ekotar Kantho

অসুস্থ‌তা জনিত কারণে আ’লীগ নেতা বড় ম‌নিরকে কারাগার থেকে হাসপাতালে ভর্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আ‌ওয়ামী লী‌গের সহ-সভাপ‌তি গোলাম কিব‌রিয়া বড় ম‌নিরকে কারাগার থে‌কে হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করা হ‌য়ে‌ছে।

সোমবার (১৫ মে) রাত সা‌ড়ে ৯টার দি‌কে অসুস্থ‌তা জনিত কার‌ণে জেলা কারাগার থে‌কে তা‌কে ২৫০ শয‌্যা বি‌শিষ্ট টাঙ্গ‌াইল ‌জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করা হ‌য়ে‌ছে।
বর্তমা‌নে গোলাম কিব‌রিয়া বড় ম‌নির টাঙ্গ‌াইল ‌জেনা‌রেল হাসপাতা‌লের ৩য় তলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন।

এর আগে বেলা সা‌ড়ে ১১ টার দিকে এক কিশোরীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় অতি‌রিক্ত চিফ জু‌ডি‌শিয়াল ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেট আদাল‌তে হা‌জির হ‌য়ে জা‌মিন আবেদন কর‌লে বিচারক মাহমুদুল মহসীন জা‌মিন নামঞ্জুর ক‌রে কারাগা‌রে পাঠা‌নোর আদেশ দেন।

গোলাম কিবরিয়া বড় মনির টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই এবং জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা কারাগা‌রের জেল সুপা‌র মো. মকলেছুর রহমানের বক্তব‌্য জান‌তে তার মুঠোফোনে যোগা‌যোগ করা হ‌লে তি‌নি রি‌সিভ ক‌রেন‌নি। কিছুক্ষণ পর আবার যোগা‌যোগ করা হ‌লে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

২৫০ শয‌্যা বি‌শিষ্ট টাঙ্গ‌াইল ‌জেনা‌রেল হাসপাতা‌লের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সা‌দিকুর রহমান জানান, রাত সা‌ড়ে ৯টার দি‌কে আওয়ামী লীগ নেতা বড় ম‌নির‌কে হাসপাতা‌লে আনা হয়। হাসপাতা‌লের বি‌শেষজ্ঞ চি‌কিৎসক তার শরী‌রের পরীক্ষা-‌নিরীক্ষা কর‌ছেন। কোন সমস‌্যার কার‌ণে তা‌কে হাসপাতা‌লে আনা হ‌য়েছে পরে বিস্তা‌রিত জানা যা‌বে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়েছে। এদিকে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা বলে প্রমাণ পেয়েছে মেডিকেল বোর্ড। এছাড়াও ওই কিশোরী গত ৬ এপ্রিল দুপুরে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২৩ ১২:১২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড়মনি কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড়মনি কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ কিশোরী ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ মে)দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রূপম কুমার দাস তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনি কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জামিন নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আদালতে হাজির হন। বড়মনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড়মনি কিশোরী ধর্ষণ মামলায় হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। কিন্তু গত ৩০ এপ্রিল চেম্বার জজ আদালত চার সপ্তাহের জামিন স্থগিত করে ২ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। গত রোববার ছিল ২ সপ্তাহের শেষ দিন। টাঙ্গাইল আদালতের একজন আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে গত রোববার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সোমবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে বড়মনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থণা করেন। এসময় অর্ধ শতাধিক আইনজীবী তার জামিন শুনানিতে অংশ নেন। বাদী পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধীতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য,গত ৫ এপ্রিল রাতে এক কিশোরী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়া বড়মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও মারধর ও ধর্ষণে সহযোগিতা করার জন্য আসামি করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী (১৭) অভিযোগ করেন, গোলাম কিবরিয়া তার পূর্বপরিচিত। গত ১৭ ডিসেম্বর তাকে শহরের আদালত পাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন ও আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। পরে আপত্তিকর ওই ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ওই কিশোরী মামলায় উল্লেখ করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি গোলাম কিবরিয়া জানার পর সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে কিশোরী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ তাকে শহরের আদালত পাড়ায় গোলাম কিবরিয়ার শ্বশুরবাড়িতে নেয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে আবার ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর ওই কিশোরী গত ৬ এপ্রিল বেলা তিনটার দিকে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেসকে জান্নাত রিপা ওই কিশোরীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে কিশোরীকে তার এক আত্মীয় শামীমা আক্তারের কাছে জিম্মায় দেন আদালত। ওই সময় ডাক্তারী পরীক্ষায় ওই কিশোরী ২৫ সপ্তাহের অন্তঃস্বত্তা বলে জানান টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সাদেকুর রহমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৩ ১০:২০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদের আত্মসমর্পণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদের আত্মসমর্পণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। বৃহস্পতিবার(১১ মে) সকালে শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।

তানভীর আহম্মেদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেন। রিমান্ড চাইতে বিলম্ব হওয়ায় টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলাম শাহেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশদেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, গত শনিবার বিকেলে মা ও দুই ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরার মা আবেদা বেগম বাদী হয়ে মনিরার স্বামী শাহেদকে প্রধান আসমী করে তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত তিন চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে। শাহেদ আত্মগোপন করায় পুলিশ চেষ্টা করেও শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার শাহেদ স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেছে। কিন্তু আদালত শাহেদকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে শাহেদের থাকার ঘর থেকে স্ত্রী মনিরা বেগম ও দুই শিশু সন্তান মুশফিক (৮) এবং দুই বছর বয়সী মাশরাফির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মনিরা বেগম একই গ্রামের পার্শ্ববর্তী মৃত মকবুল হোসেন খান ও আবেদা বেগমের মেয়ে। হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ সাবেক পুলিশ সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য ফজলু মিয়ার ছেলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. মে ২০২৩ ০৫:১৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে আ.লীগ নেত্রীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে আ.লীগ নেত্রীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক ও ডেকোরেটরের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ভ্রাম্যমান আদালতে এ জরিমানা করা হয়।

জানা যায়, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মাঠে ঈদুল ফিতরের দিন থেকেই বৈশাখী মেলা চলছিলো। এসএসসি পরীক্ষার কারণে মেলাটি বন্ধ করে দেন উপজেলা প্রশাসন। মেলা বন্ধ হওয়ায় স্টলের ব‍্যবহৃত বাঁশ শহীদ বেদিতে রাখা হয়।

সোমবার মহান মে দিবস উপলক্ষে উপজেলা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পরে সামাজিক যোগাযোগ ম‍াধ‍্যম ফেসবুকে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে বৈশাখী মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব‍্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব‍্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির ও তার স্ত্রীর জামিন স্থগিত - Ekotar Kantho

ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির ও তার স্ত্রীর জামিন স্থগিত

একতার কণ্ঠঃ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির ও তার স্ত্রী নিগার আফতাবকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে তাদের আগামী ‍দুই সপ্তাহের মধ্যে টাঙ্গাইলের আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

তাদের জামিন স্থগিতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (৩০ এপ্রিল) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির ও তার স্ত্রী নিগার আফতাবকে হাইকোর্টের চার সপ্তাহের জামিন দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ইকবাল কবির ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

পরে এই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়েছে। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা বলে প্রমাণ পেয়েছে মেডিকেল বোর্ড। মামলা হওয়ার পরদিন ওই কিশোরী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২৩ ১০:৩৬:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কোটি টাকার হেরোইনসহ ব্যবসায়ী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কোটি টাকার হেরোইনসহ ব্যবসায়ী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার (১১৫০ গ্রাম) হেরোইনসহ মানিক চান সওদাগর (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব।

রবিবার (২৩ (এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তি রাজশাহী জেলার দূর্গাপুর উপজেলার গৌরীহারা গ্রামের স মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের রবিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হামিদপুর বাজার এলাকা হতে ১১৫০ গ্রাম হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মানিক চান সওদাগরকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা। আটককৃত ব্যক্তি রাজশাহী জেলা হতে মাদকদ্রব্য হেরোইন সংগ্রহ করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি নিয়ে এসেছিল। সে আন্ত:জেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সদস্য।
র‌্যাব আরো জানায়,সে দীর্ঘদিন যাবত অভিনব কায়দায় মাদকদ্রব্য টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কালিহাতী থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২৩ ০৭:২৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পোড়া তেলে চিপস তৈরি, কারখানা মালিককে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পোড়া তেলে চিপস তৈরি, কারখানা মালিককে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য তৈরি, মেয়াদউত্তীর্ণ তারিখ না থাকা, ক্ষতিকারক রঙ ও পোড়া তেল ব্যবহার করে চিপস তৈরির অপরাধে দুই কারখানা মালিককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া ও সল্লা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত দুই কারখানা হলো- সাদেক বেকারী ও মেসার্স মম ফুড প্রোডাক্টস।

অভিযান পরিচালনা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জানান, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য তৈরি ও পোড়া তেল ব্যবহার করে চিপস তৈরি করায় সাদেক বেকারীকে ৫ হাজার টাকা এবং মেসার্স মম ফুড প্রোডাক্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. এপ্রিল ২০২৩ ০৩:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
ধর্ষণ মামলায় আগাম জামিন পেলেন আ’লীগ নেতা বড় মনি ও তাঁর স্ত্রী - Ekotar Kantho

ধর্ষণ মামলায় আগাম জামিন পেলেন আ’লীগ নেতা বড় মনি ও তাঁর স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনি এবং তাঁর স্ত্রী নিগার আফতাব হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি ইকবাল কবির ও এ কে এম রবিউল হোসেনের আদালত তাঁদের চার সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।

গোলাম কিবরিয়া টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির ভাই ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব।

গোলাম কিবরিয়ার আইনজীবী মো. এহসান হাবিব জানান, গোলাম কিবরিয়া ও তাঁর স্ত্রী নিগার আফতাবকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন আদালত। চার সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই তাঁদের টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

শুনানিতে গোলাম কিবরিয়ার পক্ষে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির, সাবেক সহসভাপতি শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, ৫ এপ্রিল রাতে এক কিশোরী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী (১৭) অভিযোগ করেন, গোলাম কিবরিয়া তার পূর্বপরিচিত। গত ১৭ ডিসেম্বর তাকে শহরের আদালত পাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে গোলাম কিবরিয়া ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন ও আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। পরে আপত্তিকর ওই ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ওই কিশোরী মামলায় অভিযোগ করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি গোলাম কিবরিয়া জানার পর সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে কিশোরী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ তাকে শহরের আদালত পাড়ায় গোলাম কিবরিয়ার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে গোলাম কিবরিয়া আবার ধর্ষণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. এপ্রিল ২০২৩ ০২:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নোংরা পরিবেশে ‘কাপ দই’ তৈরির অভিযোগে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নোংরা পরিবেশে ‘কাপ দই’ তৈরির অভিযোগে অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদনহীনভাবে ‘কাপ দই’সহ বিভিন্ন ধরণের বেকারি পণ্য সামগ্রী তৈরির অপরাধে মেসার্স মনচুরি সুইটস এন্ড বেভারেজকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়।

রবিবার (৯ এপ্রিল) উপজেলার হরিপুর এলাকায় দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত ভেজাল বিরোধী তদারকিমূলক এই অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম।

এ বিষয়ে শিকদার শাহীনুর আলম জানান, অনুমোদনহীনভাবে বেকারী সামগ্রী তৈরি, মোড়কে উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ ও মূল্য না দেওয়ার অপরাধে মেসার্স মনচুরি সুইটস এন্ড বেভারেজকে ৪০ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে মাইকিং করে প্রচারণা, লিফলেট ও প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২৩ ১০:০৭:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অটোচালককে গলা কেটে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটোচালককে গলা কেটে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে অটো ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা ঈমান আলী (৩৮) নামে এক অটোচালককে গলা কেটে হত্যা করেছে।

শুক্রবার(৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার পোড়াবাড়ি আঞ্চলিক সড়কে খাগড়াটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত ঈমান আলী উপজেলার দড়িচৈথট্র গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। সে পেশায় একজন অটোচালক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা)।

সে শুক্রবার রাতে উপজেলার গারোবাজার থেকে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। ফেরার পথে রাত অনুমান ১০টার সময় অটোরিকশা নিয়ে পোড়াবাড়ি-গারোবাজার সড়কের খাগড়াটা এলাকায় পৌঁছলে ছিনতাইকারীরা সড়ক অবরোধ করে তার অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় অটোচালক ঈমান আলী বাধা দেয়। তখন ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমান আলীর গলায় আঘাত করলে তার শ্বাসনালি কেটে যায়। সে আহত অবস্থায়ই অটোরিকশা চালিয়ে লোকালয়ে চলে আসে ও চিৎকার দেয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে গেলে ছিনতাইকারীদল পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঈমান আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, লাশের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২৩ ০৯:০৭:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কারাগারে লাল মিয়া (৩৮) নামে এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। টাঙ্গাইলের জেল সুপার মকলেছুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

লাল মিয়া বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে।

জেল সুপার জানান, লাল মিয়া অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৭ টায় তার মৃত্যু হয়। আইনী পক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ জুন বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা মনিরুজ্জামান নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে তার ভায়রাকে আমৃত্যু কারাদন্ড এবং শ্যালিকাসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদন্ডের কথা রায়ে বলা হয়েছে।

এরআগে ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাসাইলের কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূঁইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া নিখোঁজ হন। তিনদিন পর পাশের মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূঁইয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে এ হত্যার সঙ্গে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ইসলাম, শ্যালিকা আলো বেগমসহ আরো কয়েকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ৮ জুন এই রায় দেন বিচারক।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মো. শামছু মিয়ার ছেলে রেজাউল ইসলাম রেজাকে আমৃত্যু দন্ড এবং রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২৩ ০২:০৫:এএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৫টি ভেকু বিনষ্ট - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৫টি ভেকু বিনষ্ট

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলনের দায়ে পৃথক পৃথক স্থানে টাঙ্গাইল জেলা ও কালিহাতী উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৫টি ভেকু, ১টি ড্রেজার মেশিন ও ১ হাজার ফুট পাইপ লাইন বিনষ্টসহ দুইজনকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পৌলী নদীতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক ও সিনথিয়া হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় ভ্রাম্যমান আদালত পৌলী নদীর পশ্চিম পাশে অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ৩টি ভেকু বিনষ্ট করে। পরে দুইজনকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জরিমানা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বিশ্বাস বেতকার সিদ্দিকুর রহমান রানাকে ১ লাখ ও কালিহাতী উপজেলার পৌলী গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলামকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অপরদিকে একই সময়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার চরভাবলা হাকিমপুর এলাকায় একটি ভেকু ও বাঁশি এলাকায় একটি ভেকু এবং একটি ড্রেজার মেশিনসহ এক হাজার ফুট পাইপ লাইন বিনষ্ট করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাহিদ হোসেন জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মাটি কাটা বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৩ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।