একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যৌতুকের মামলায় মো: গোলাম মোস্তফা (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার (৩০ আগস্ট ) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাহবুবুর রহমান এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে গোলাম মোস্তফাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গোলাম মোস্তফার বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার হবিবপুর গ্রামে। সে ওই এলাকার মো: হাবিবুর রহমানের ছেলে।
টাঙ্গাইলের স্পেশাল সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো: আব্দুর রহিম জানায়, গোলাম মোস্তফা ময়মনসিংগ জেলার মুক্তাগাছা থানার ঘোষবাড়ী এলাকার আব্দুল খালেকের মেয়ে মোছাঃ রায়হানুল জান্নাত পুন্নি (২৭) কে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে পুন্নির বাবা গোলাম মোস্তফাকে মোটর সাইকেল, স্বর্নালংকার ও জায়গা কেনার জন্য অনেক টাকা দিয়েছেন। এরপর পুন্নিকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক বাবদ পাঁচ লাখ টাকা আনতে বলে।
তিনি আরও জানান, এতে পুন্নি অপারগতা প্রকাশ করলে যৌতুকের জন্য গোলাম মোস্তফা অমানবিক নির্যাতন শুরু করে। পরে পুন্নির বাবা খবর পেয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে মধুপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরবর্তীতে মধুপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে মধুপুর থানার এস আই জুবাইদুল হক তদন্ত শেষে আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র প্রেরণ করেন। পরে আদালত মামলার সকল স্বাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন ২০০৩ এর ১১ (গ) ধারায় বুধবার (৩০ আগস্ট) এ রায় দেন।
বাদী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইলের স্পেশাল সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো: আব্দুর রহিম। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন জিয়ারত আলী।
পরে আসামীকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা জামায়াতের আমীর খন্দকার আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ঘাটাইলের আনেহলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার আনেহলা থেকে আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করা হয়। ৭ থেকে ৮ মাস আগের একটি নাশকতার মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি তিনি।
তিনি আরও জানান, বুধবার (৩০ আগস্ট) তাকে কোর্টে চালান করে দেয়া হবে। আব্দুর রহিমের সাথে আরো কয়েকজন ছিলেন। অভিযানের সময় টের পেয়ে তারা পালিয়ে যান।
জামায়াতে ইসালামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমীর আহসান হাবীব মাসুদ জানান, আব্দুর রহিম একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি স্কুলে তার অফিসে কাজ করছিলেন। শুধুমাত্র হয়রানী করার উদ্দেশে বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাকে দ্রুত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অস্বাভাবিক মূল্যে ডাব বিক্রি করায় শহরের চারটি ডাবের দোকানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।
শাহীনুর আলম জানান, শহরের বটতলা, পাঁচআনি ও জেনারেল হাসপাতালের সামনে ডাবের দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর মধ্যে বটতলা বাজারে ডাব বিক্রির মূল্যতালিকা না থাকা ও বেচাকেনার রশিদ সংরক্ষণ না করায় অনিক ফল ভাণ্ডারকে দুই হাজার টাকা, পাঁচআনি বাজারে সোহরাবের ডাবের দোকানকে তিন হাজার টাকা, জেনারেল হাসপাতালের সামনের রাসেল ফল ভাণ্ডারকে ৫০০ টাকা ও ফরিদ ডাব ঘরকে ৫০০ টাকা মোট ছয় হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।
তিনি জানান, বাজার তদারকিমূলক ওই অভিযানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সহায়তা করে। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার শুভল্যা এলাকা থেকে গত ২২ আগষ্ট ছিনতাই চক্রের চার জন সদস্য র্যাব পরিচয় দিয়ে ১৯ লক্ষ ১৯ হাজার ২০০ টাকা ছিনতাই হওয়ার ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন, ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানার নারায়নপুর গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে সফর উদ্দিন মুন্না (২২) ও কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিগাও গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে শামীম আহমেদ সবুজ (৩৩)।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীসহ ৪ ডাকাত দল গত ২২ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের শুভুল্যা নামক এলাকা থেকে র্যাব পরিচয়ে বিনিময় বাসে উঠে। বাসে থাকা ভিক্টিম হেলাল মোল্লাকে বাস থেকে নামিয়ে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে হাতে হ্যান্ডকাফ পড়ায়। পরে তার সাথে থাকা ১৯ লাখ ১৯ হাজার ২০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। কিছু দুরে গিয়ে হেলাল মোল্লাকে মহাসড়কের একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরদিন ২৩ আগষ্ট হেলাল মোল্লা মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার প্রেক্ষিতে ডিবি ও মির্জাপুর থানা পুলিশের একটি টিম একজনকে ময়মনসিংহ ও অপরজনকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেফতারকৃতদের সাথে থাকা একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ ৩৭৫০৭০), ক্যাপ, চশমা, বাঁশের লাঠি, গামছা, মোবাইল, ছিনতাইকৃত টাকায় কেনা একটি মোটরসাইকেল ও ১ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে আসামীদের ১০ দিন রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এ হত্যা মামলা ৬ মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্ব্বোচ আদালত।
রবিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম।
এর আগে গত ১৯ জুলাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে জামিন আবেদন করায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।
বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে এই হত্যায় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় আমানুর ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ওরফে কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ শ্যামা রংয়ের গোলগাল সুন্দর চেহারার শিশুটি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। বয়সের তুলনায় একটু বেশিই বেড়ে উঠেছে। স্কুলপর্যায়ে ক্রিকেট আর ফুটবল খেলে কুড়িয়েছে সবার ভালোবাসা। এবার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের স্ট্রাইকার হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পুরস্কারও পায়। সেই শিশুটি ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়ে একবারে চুপসে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সেই ধর্ষণচেষ্টার একমাত্র আসামি আদালত থেকে জামিন পেয়ে গলায় ফুলের মালা ও ব্যান্ডপার্টি নিয়ে গ্রামে নাচগান করার অভিযোগ উঠেছে। ওই শিশুর মা এবং মামলার বাদীর বাড়ির আঙ্গিনায় গিয়ে আসামি ও তার সঙ্গীরা নেচে গেয়ে হই-হুল্লোড় করে। এমন ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত আলেফ শেখ গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের উড়িয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ও মুদি দোকানদার।
মামলা সূত্রে জানা যায়, চতুর্থ শ্রেণির ওই শিশু ছাত্রীকে গত ২৪ জুলাই দুপুরে কাঁঠাল খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নির্জন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালায় গ্রামের মুদি দোকানী আলেফ শেখ। কান্নাকাটির শব্দে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আলেফ শেখ পালিয়ে যায়। ওই দিন বিকালে মামলা হলে পুলিশ আলেফ শেখকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।
মামলার বাদী এবং ভুক্তভোগীর মা শনিবার (২৬ আগস্ট) গোপালপুর থানায় দায়ের করা এক অভিযোগে জানান, গত বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিন নিয়ে রাত নয়টায় আলেফ শেখ গলায় মালা পরিহিত অবস্থায় ব্যান্ডপার্টি নিয়ে গ্রামে প্রবেশ করে। ব্যান্ডপার্টির সঙ্গে তার সাথে থাকা শিপন মিয়া, করিম মিয়া, আয়নাল হকসহ শতাধিক উৎসুক জনতা যোগ দেন। তারা নেচে গেয়ে পুরো গ্রাম প্রদক্ষিণ করে। এক পর্যায়ে আলেফ শেখ দলবল নিয়ে বাদীর বাড়ির আঙ্গিনায় নাচ শুরু করে। পাশাপাশি গালিগালাজ ও মারধরের হুমকি দেয়। এ অবস্থায় দিনমজুর বাবা-মা অসহায় ভুক্তভোগী শিশুটিকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশের সহযোগিতা চাচ্ছেন।
হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এবং উড়িয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা আলীম হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রাত দশটায় ব্যান্ডপার্টি এবং কিছু মানুষের হইচইয়ে ঘুম ভেঙে যায়। বাইরে বেরুলে আলেফ শেখের কয়েক জন অনুসারী জানান, মিথ্যা মামলায় একমাস জেল খাটার পর শেখ সাহেব জামিন পেয়েছেন। তাই মনের সুখে তারা সবাই ব্যান্ডপার্টির সুরে আনন্দ প্রকাশ করছেন।
ধর্ষণচেষ্টার পর শিশুটি এমনিতেই মুষড়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর ওই শিশুসহ পুরো পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
উড়িয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা সাহার আলী, ইব্রাহীম খলিল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, শিশু নির্যাতনের মামলায় আদালত থেকে জামিন পেয়ে গলায় মালা জড়িয়ে ব্যান্ড পার্টির তালে তালে নেচে গেয়ে এমনভাবে আনন্দ করাটা কোনো সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে না। শেখ সাহেব প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তার অপকর্মের প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।
একই গ্রামের মকবুল হোসেন বলেন, যখন তখন যাকে তাকে ধরে মারধর করে আলেফ। মুখের ওপর গালিগালাজ করে। মুখ খারাপের কারণে এলাকার লোকজন তাকে ভয় পায় ও এড়িয়ে চলে। আগে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে কোনো পার্টির সঙ্গে যুক্ত নেই।
উড়িয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামসুন্নাহার ও আসিয়া বেগম জানান, শিশুটি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বেশ ভালো। এমন ঘটনায় শিশুটি এমনিতেই নিষ্প্রভ হয়ে গেছে। কয়েকদিন সে স্কুলে আসেনি। ব্যান্ডপার্টির ঘটনায় ওই শিশু ও তার অসহায় পরিবার নিরপত্তাহীনতায় ভুগছে। এসবের প্রতিকার হওয়া দরকার।
ব্যান্ডপার্টির প্রধান কালিহাতী উপজেলার পশ্চিম নারান্দিয়া গ্রামের বাসিন্দা অনিক লাগাচি জানান, উড়িয়াবাড়ী গ্রামের আলেফ শেখ বৃহস্পতিবার ধর্ষণচেষ্টা মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। শেখ সাবের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান রতন আমাদের ব্যান্ডপার্টিকে তিন হাজার চারশ টাকায় ভাড়া করেন। রাত নয়টায় আমরা ওই গ্রামে যাই। রাত ১২টা পর্যন্ত সারা গ্রাম ঘুরে বাদ্যবাজনা বাজিয়ে সকলকে আনন্দ দেই।
হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান তালুকদার জানান, ধর্ষণচেষ্টার মামলায় জামিন পেয়ে কোনো আসামি এভাবে বাদ্যবাজনা বাজিয়ে আনন্দ করেন বলে আমার জানা নেই। এতে ভুক্তভোগী শিশুটি আরও নিরাপত্তাহীনতা এবং সম্মানহানির অবস্থায় পড়ে যাবে।
মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুয়ারা ময়না জানান, তালিকাভূক্ত শিশু ফুটবলার এ শিশুটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় আমরা তাকে হয়তো হারাতে বসেছি। তিনি এ ঘটনার তদন্ত এবং শাস্তি দাবি করেন।
অভিযুক্ত আলেফ শেখের বক্তব্য নিতে ফোন করা হলে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলাসহ খারাপ আচরণ করে সে।
মামলার তদন্তকারী অফিসার হেমনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাব-ইন্সপেক্টর বশির আহমেদ জানান, জামিন পাওয়ার পর বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে গ্রামে আনন্দ উৎসব করার অভিযোগ সত্য। এমনটি কখনো প্রত্যাশিত নয়। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার সত্যতা মিলেছে। দুই একদিনের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সময় আসামি দলবল নিয়ে বাদী ও ভুক্তভোগীর বাড়িতে চড়াও হয়ে গালিগালাজ ও মারধরের হুমকির অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ এর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার নলুয়া বাজারে বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রশাসনের ব্যবস্থায় সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা ও প্রতিশ্রুত সেবা না দেওয়ার কারনে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জানা গেছে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে একটি টীম বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নলুয়া বাজারে একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় প্রতিশ্রুত সেবা না দেয়ায় এ্যানি ডেন্টাল কেয়ারকে ৫ হাজার টাকা ও সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা, বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রচুর পরিমানের মূল্য বিহীন ঔষধ সংরক্ষণ, মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা (অবৈধ্যভাবে নামের আগে ডাক্তার লেখা/ভূয়া ডাক্তার) করায় রোকেয়া ডেন্টাল ক্লিনিককে ২০ হাজার টাকাসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থায় মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়িদের ক্রয়/বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে হ্যান্ড মাইকের সহায্যে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট, প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়।
এই তদারকিমূলক অভিযানে সহায়তা করেন টাঙ্গাইলের জেলা পুলিশ। জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করা ও প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৩ আগস্ট) বিকালে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের গোবিন্দাসী বাজারে এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অর্থদণ্ড প্রাপ্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন- গোবিন্দাসী বাজারের মো: বেলাল হোসেন ও মো. আলমগীর। এদের মধ্যে বেলালকে ৩ হাজার ও আলমগীরকে ২ হাজার টাকা, মোট ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার। এতে উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান খান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার জানান, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০-এর মাধ্যমে গোবিন্দাসী বাজারের দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।
সাকিব মিয়া বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে তার সহযোগি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গত ১৬মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হন। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাদিপক্ষের আইনজীবী জিনিয়া বখশ বলেন, মামলার প্রধান আসামি সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে মামলার বাকি দুই আসামি সাইদুল ও শাহেদ ১৫দিন কারাভোগের পর নিম্ন আদালত থেকে ২৩ জুলাই ফের জামিন পান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দুই ব্যবসায়ীকে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন টাঙ্গাইল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রামপুর ভাসানী মার্কেটে এ অভিযান পরিচালনা করেন তাঁরা।
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারি পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে একটি টিম উপজেলার রামপুর ভাসানী মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় সংরক্ষণ মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা, নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এল.পি.জি. গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, লাইসেন্স ছাড়া এবং গ্যাসের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ না রাখায় রাহাত গ্যাস স্টোরকে ১০ হাজার ও মাসুদ এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।
তবে অভিযানের সংবাদ পেয়ে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দ্রুত উধাও হয়ে যায়।
এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে হ্যান্ড মাইকের সাহায্যে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট, প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়।
জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এই তদারকিমূলক অভিযানে সহায়তা করেন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ককে জেরে ডেকে এনে প্রেমিকাকে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণের মূলহোতা মোহাম্মদ আলীকে শুক্রবার ( ১৮ আগস্ট) ভোরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ আলী(২৫) উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার মহেলা এলাকার সেকান্দর আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাযিল ইউনিয়নের এক তরুণীর সঙ্গে কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে গত সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের কথা বলে নিয়ে আসে। পরে ভুক্তভোগীকে উপজেলার পৌলী এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রেমিক মোহাম্মদ আলী । ধর্ষণের পর তার বন্ধু সোহেলের কাছে ভুক্তভোগী তরুণীকে তুলে দেয়। বন্ধু সোহেলও ওই তরুনীকে ধর্ষণ করে।
এ সময় ভুক্তভোগীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে পুলিশকে সংবাদ দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগী ওই তরুণীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশ আরো জানায়,ভুক্তভোগী তরুণীর পিতা থানায় প্রেমিক মোহাম্মদ আলী (২৫) ও বন্ধু সোহেল (৩০)কে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে কালিহাতী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে এসআই সাজ্জাত হোসেন ও এএসআই রাকিবুল ইসলামের একটি পুলিশী টীম উপজেলার দুর্গাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামী মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বুধবার গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামীর বন্ধু ফটিকজানী গ্রামের শাজাহানের ছেলে সোহেল রানা (৩০) কে আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়। ভিকটিম ওই তরুণীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ মোবাইলে প্রেম করে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলি এলাকায়।
সোমবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে পৌলি এলাকায় সড়ক ও জনপথের (সওজ) একটি ইয়ার্ডের পরিত্যক্ত ঘরে ধর্ষণের শিকার হয় ওই তরুণী।
এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ। এ ঘটনার প্রধান আসামি প্রেমিক মোহাম্মদ আলী (৩০) পলাতক রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত প্রেমিকের বন্ধু মো. সোহেল রানা (২৩) সে এলেঙ্গা পৌরসভার ফটিকজানী এলাকার মো.শাজাহানের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের এক তরুণীর সঙ্গে কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের সেকান্দার আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলীর সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের কথা বলে নিয়ে আসে প্রেমিক।
তিনি আরও জানান, পরে ওই তরুণীকে উপজেলার পৌলি এলাকায় সড়ক ও জনপথের (সওজ) ইয়ার্ডের পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রেমিক মোহাম্মদ আলী । ধর্ষণের পর প্রেমিকের বন্ধু সোহেলের কাছে ওই তরুণীকে রেখে চলে যায় সে।
তিনি জানান, পরে সোহেলও ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও প্রেমিকের বন্ধু সোহেল রানাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
তিনি আরও জানান, ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর পিতা সোমবার বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) ওই তরুণীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আটককৃত সোহেল রানাকে বুধবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অভিযুক্ত প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।