/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল

একতার কণ্ঠঃ ভোটারের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অভিযোগে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পদত্যাগকারী উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

জানা যায়, ঠান্ডু মনোনয়নপত্রে ভোটারের স্বাক্ষরে ভূঞাপুর উপজেলার মাদারিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আরফান আলী সেকের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে আরফান আলী সেক স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, ওই ব্যক্তি স্বাক্ষর দেওয়ার পর অস্বীকার করছেন। তবে তার বাড়িতে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আমি আপিল করবো।

আরফান আলী সেক বলেন, আমি কোথাও স্বাক্ষর দেই নাই। তবে আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে। আমি এটার সুষ্ঠু বিচার চাই।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম জানান, ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর আবেদনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর করে জমা দিয়েছেন। সেখান থেকে ১০ ভোটারের স্বাক্ষর ও তথ্য যাচাই বাছাই করার জন্য অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। সেখানে ৯টি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, তবে একটি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়নি। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন যাচাই বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। পরে আইন অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৩০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিলেন শুক্লা সিরাজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিলেন শুক্লা সিরাজ

একতার কণ্ঠঃ হেভিওয়েট প্রার্থীতে সরব হয়ে উঠেছে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার য়ার শেষদিন (৩০ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইনের কার্যালয়ে দেখা গেছে এ আসনের সকল হেভিওয়েট প্রার্থীদের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সমর্থকসহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা। এর মধ্যে আকর্ষণ হয়ে উঠেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়ার সিরাজ (শুক্লা)।

তিনি স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আর বিএনপি’র সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মরহুম শাহজাহান সিরাজের মেয়ে। ব্যারিস্টার সারওয়ার সিরাজ (শুক্লা) গুলশান সোসাইটি ঢাকার মহাসচিব। তিনি সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

হভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে দুপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেন এ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাত বারের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, এরপরে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, সরকারি সাদত কলেজের সাবেক ভিপি তার ছোট ভাই শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, লতিফ সিদ্দিকীর সহধর্মিণী ও সাবেক এমপি লায়লা সিদ্দিকী আর সমর্থকদের নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, একই আসনের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকী পরিবারের আরও এক আলোচিত রাজনীতিবিদ ও সাবেক ছাত্র নেতা মুরাদ সিদ্দিকী। তিনি টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এছাড়াও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তৃণমূল বিএনপি’র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম, সুপ্রিম পার্টি (ন্যাপ) শুকুর মাহমুদ, জাসদ প্রার্থী এস.এম মোস্তফা, জাতীয় পার্টি (জেপি) সাদেক সিদ্দিকী। এর আগে ২৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী আর জাকের পার্টির প্রার্থী মোনতাজ আলী।

মনোনয়নপত্র জমা শেষে ব্যারিস্টার সারওয়ার সিরাজ (শুক্লা) বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত না। আমি সমাজ সেবা আর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ করি। কালিহাতীর মানুষের সাথে আমার নাড়ীর সম্পর্ক। মানুষের চাহিদা ও স্থানীয় বাস্তবতা থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত আমি ২৩ নভেম্বর নিয়েছি এবং মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। জন্মের পর থেকেই নানা ধরণের চাপ নিয়ে বড় হয়েছি। বিজয় নিয়ে আমি শতভাগ আশাবাদি। তারণ্যের প্রতীক হিসেবে তিনি নতুন প্রজন্ম, দল মত নির্বিশেষে সকল নর-নারীর ভোট প্রার্থণা করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৫৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মসজিদের বারান্দা থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মসজিদের বারান্দা থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ মসজিদের বারান্দা থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, তার বয়স আনুমানিক ৭৫ বছর। তিনি পেশায় একজন ভিক্ষুক। এ ঘটনায় পুলিশ অজ্ঞাত ওই বদ্ধের পরিচয় শনাক্তের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার আওতাধীন কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের গোহালিবাড়ীস্থ জোকারচর বাসস্ট্যান্ড মসজিদের বারান্দা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় দেড় বছর ধরে সেতু পূর্ব থানা ও জোকারচরসহ আশপাশের এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতো সে। তার কোনো থাকার জায়গা ছিলোনা। দিন শেষে গোহালিয়াবাড়ীস্থ জোকারচর বাজার মসজিদের বারান্দায় ঘুমাতো। কেউ তার পরিচয় জানতো না।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মসজিদের টিউবওয়েলের পানি নিয়ে বারান্দায় হাত-মুখ ধোয়ার সময় হঠাৎ সেখানে মাটিতে পড়ে গিয়ে মারা যায় সে। পরে স্থানীয়রা বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশকে খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করে তার মরদেহ থানায় নিয়ে যান।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহাগ চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরিচয় শনাক্তের জন্য কাজ করছে পুলিশ। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২৩ ১২:০০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে মনোনয়নপত্র কিনলেন ৫৮ প্রার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে মনোনয়নপত্র কিনলেন ৫৮ প্রার্থী

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। ইতোমধ্যে ২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৫৮টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), জাসদ, বাংলাদেশ বিকল্পধারা, বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল মনোনীত প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। একই সাথে ২ জন মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন- টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে ড. আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ), মোহাম্মদ আলী (জাতীয় পার্টি), রফিকুল ইসলাম (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে তানভীর হাসান ছোট মনির (আওয়ামী লীগ), খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল (স্বতন্ত্র ), ইউনুছ ইসলাম তালুকদার (স্বতন্ত্র), মাসুদুল হক মাসুদ (স্বতন্ত্র), এমরান হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র) হুমায়ুন কবির তালুকদার (জাতীয় পার্টি) ও এনামুল হক মনজু (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান (আওয়ামী লীগ), বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), জাকির হোসেন (বিএনএম), আমানুর রহমান খান রানা (স্বতন্ত্র), ফরিদা রহমান খান (স্বতন্ত্র), সাখাওয়াত খান সৈকত (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল) ও আব্দুল আজিজ খান (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু (আওয়ামী লীগ), আবদুল লতিফ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র), মুরাদ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র), ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী (জাতীয় পার্টি), সারওয়াত সিরাজ (স্বতন্ত্র), মোন্তাজ আলী (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন (আওয়ামী লীগ), মুরাদ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র), জামিলুর রহমান মিরন (স্বতন্ত্র), ছানোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র), খন্দকার আহসান হাবিব (স্বতন্ত্র), মোজাম্মেল হক (জাতীয় পার্টি), তৌহিদুর রহমান চাকলাদার (বিএনএম), মেহেরনিগার হোসেন তন্ময় (স্বতন্ত্র), শরিফুজ্জামান খান (তৃণমূল বিএনপি) ও দুলাল মিয়া (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে আহসানুল ইসলাম টিটু (আওয়ামী লীগ), মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), তোফায়ের আহমেদ (স্বতন্ত্র), সৈয়দ মাহমুদুল ইলাহ (স্বতন্ত্র), খন্দকার ওয়াহিদ মুরাদ (স্বতন্ত্র), আব্দুল হাফেজ বিলাস (স্বতন্ত্র), জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম (স্বতন্ত্র), তারেক শামস খান (স্বতন্ত্র), রাকিব হোসেন (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন) ও আব্দুল করিম (বিএসপি)।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে খান আহমেদ শুভ (আওয়ামী লীগ), মোশারফ হোসেন (স্বতন্ত্র), গোলাম নওজব চৌধুরী (বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি), রূপা রায় চৌধুরী (বাংলাদেশ কংগ্রেস), রাফিউর রহমান খান ইউসুফজাই (স্বতন্ত্র), মীর এনায়েত হোসেন মন্টু (স্বতন্ত্র), জহিরুল ইসলাম জহির (জাতীয় পার্টি), মোক্তার হোসেন (জাকের পার্টি), আরমান হোসেন তালুকদার (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) ও মঞ্জুর রহমান মজনু (জাসদ)।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে অনুপম শাহজাহান জয় (আওয়ামী লীগ), আবুল হাসেম (বাংলাদেশ বিকল্পধারা), বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) ও আব্দুল জলিল (জাকের পার্টি)।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৩২:এএম ২ বছর আগে
ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না: কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচনে যাইনি, যাচ্ছি না। নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে এটা স্বত:সিদ্ধ কথা। বিএনপি এখন দেশের কথা ভাবছে না। তারা আন্তর্জাতিক ক্ষমতা দ্বারা সরকারে যেতে চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। পরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। আর প্রচুর পরিমান ভোটার এলে গ্রহনযোগ্যতা পাবে। কোন দল এলো আর কোন দল এলো না এটা আমার কাছে বড় কথা না। বড় কথা হচ্ছে সরকারি প্রভাব মুক্ত স্বত:স্ফুর্ত নির্বাচন হলো কি না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে এসে তাদের ইচ্ছেমত প্রার্থীদের ভোট দিতে পারলো কি না এটাই হচ্ছে আমার কাছে বড় কথা। দেশের আজকে অস্থিতিশীল অবস্থা। এখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়া দরকার।

এসময় কৃষক শ্রমীক জনতা লীগের জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন করাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন করাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেনীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাহবুবুর রহমান এ রায় দেন। ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

দন্ডিত যুবক শহীদুল ইসলাম খোকন (২৩)। তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শেখ শিমুল গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ জানান, ভিকটিম ঘাটাইল উপজেলার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ১০ম শ্রেনির শিক্ষার্থী। দন্ডিত শহীদুল ইসলাম খোকন ভিকটিমের প্রতিবেশি চাচাতো ভাই। সেই সুযোগে খোকন ভিকটিমের বাড়িতে ও মাদ্রাসায় যাওয়া আসার পথে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতো। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। সেই সর্ম্পকের সূত্র ধরে ২০২১ সালের ১ অক্টোবর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে খোকন নিজের বাড়িতে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

তিনি জানান, এরপর সুযোগ পেলেই দন্ডিত খোকন ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি ছাত্রীর পরিবারের লোকজন জানতে পারলে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিসের ব্যবস্থা করা হয়। তখন খোকন তাকে বিয়ে করবে এবং ওই অনাগত সন্তানকে স্বীকৃতি দিবে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে খোকন মাদ্রাসা ছাত্রীকে বিয়ে না করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পরে ওই ছাত্রীর মামা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২০২২ সালের ২০মে ঘাটাইল থানায় শহীদুল ইসলাম খোকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা না নেওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই ছাত্রী পুত্রসন্তান জন্ম দেন। ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি খোকন ওই শিশুর জৈবিক পিতা বলে প্রমানিত হয়। তদন্ত শেষে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদনপত্র জমা দেন। পরে এই মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় শহীদুল ইসলাম খোকনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমেদ। সহযোগিতা করেন সহকারি সরকারি কৌঁসুলি আব্দুর রহিম ও মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস। এ মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ইলিয়াস খান পারভেজ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৩ ০১:০৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহাসড়কের পাশে রাখা বাসে অগ্নিসংযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহাসড়কের পাশে রাখা বাসে অগ্নিসংযোগ

একতার কণ্ঠঃ নবম দফায় বিএনপি’র হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি শুরুর আগে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় মহাসড়কের পাশে রাখা বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে বাসটির অধিকাংশ পুড়ে গেলেও কোনো হতাহত হয়নি।

সোমবার(২৭ নভেম্বর )রাত সাড়ে ১১টা দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ডুবাইল ইউনিয়নের নাটিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোস্তাফিজুর রহমান জানান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, বাসটি টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে মির্জাপুর ও সখিপুর রোডে যাতায়াত করে থাকে। মাঝে মাঝে মির্জাপুরের বিভিন্ন গার্মেন্টসের কর্মীদেরও নিয়ে আসা যাওয়া করে বাসটি।

তিনি আরও জানান,সোমবার পোশাক কর্মীদের নামিয়ে বাসটি নাটিয়াপাড়া মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখাছিল। পরে হঠাৎ রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসে ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা হেলপার বাবলু মিয়া আগুন দেখতে পান।”

তার চিৎকারে আশেপাশে থাকা মানুষরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বাসের হেলপার বাবলু মিয়া বলেন, “মহাসড়কের পাশে বাস দাঁড় করিয়ে রেখে আমি ঘুমিয়ে যাই। কিছুক্ষণ পরে দেখি বাসের পিছনে আগুন।”

দেলদুয়ার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রাসেল মিয়া বলেন, “স্থানীয়রা সংবাদ দিলে আমরা ১৫ মিনিটের মধ্যে এসে বাসটির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। বাসে শুধু হেলপার ছিলেন, তিনি আগুন দেখেই বের হয়ে আসেন তাই কোনো হতাহত নেই।”তবে বাসের ভেতর অনেকাংশই পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি।

ওসি মোস্তাফিজুর বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, নাশকতা সৃষ্টির জন্য বাসটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. নভেম্বর ২০২৩ ০৬:০৪:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে খালাতো ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে খালাতো ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে । রবিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাগমারা পন্ডিত পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই এলাকার মো. ওয়াহাব মিয়ার মেয়ে ওয়াছেনা আক্তার(৫) ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে রিহান মিয়া (৪)। তারা সম্পর্কে খালাতো ভাই-বোন।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, নিহত ওই দুই শিশু সকালে উঠানে খেলা করছিল। এক পর্যায়ে তারা পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায়। তাদের বাড়ির সদস্যরা খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তাদের দেখতে পায়। পরে তাদের উদ্ধার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাদ আছর তাদের নামাজে জানাযা শেষে কাগমারা কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশফাঁড়ির ইনচার্জ আতিকুর রহমান ভূইয়া জানান, হাসাতালে ওই শিশু দুইটি নিয়ে আসলেও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই পরিবারের লোকজন মরদেহ দুটি নিয়ে গেছেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুস ছালাম মিয়া জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। এব্যপারে থানায় কেও অভিযোগ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. নভেম্বর ২০২৩ ০৩:১৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনের ৪টিতে আ’লীগের নতুন মুখ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনের ৪টিতে আ’লীগের নতুন মুখ

একতার কণ্ঠঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে নৌকার প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। এতে চারটিতে পুরাতন ও চারটি নতুন মুখ রয়েছে।

রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এবার জেলার ৮টি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বর্তমান এমপিদের কপাল পুড়েছে। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার গোপনে চূড়ান্ত জরিপ শেষে শেখ হাসিনা টাঙ্গাইলের তালিকা তৈরি করেন।

এবার যারা আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন, তারা হলেন টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বর্তমান সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি টানা পঞ্চম বারের মতো দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। বিগত ২০০১ সালে ড. আব্দুর রাজ্জাক এই আসনে বিজয়ী হওয়ার পর থেকে আসনটি আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বর্তমান এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির দ্বিতীয়বারের মতো দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খান। তিনি এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। মনোনয়ন পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের বর্তমান এমপি হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী। এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। মনোনয়ন পেয়েছেন কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বর্তমান এমপি ছানোয়ার হোসেন। তিনি এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। এবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের বর্তমান এমপি আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি তৃতীয় বারের মতো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) এ আসনের বর্তমান এমপি খান আহমেদ শুভ। তিনি দ্বিতীয় বারের মতো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) এ আসনের বর্তমান এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। তিনি এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। এ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি অনুপম শাজাহান জয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. নভেম্বর ২০২৩ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
জামিন বাতিল, সাবেক মেয়র মুক্তিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ - Ekotar Kantho

জামিন বাতিল, সাবেক মেয়র মুক্তিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে ২০ নভেম্বর দেওয়া জামিন বাতিল করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

তথ্য গোপন করে জামিন নেওয়ার বিষয়টি নজরে আসায় রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

তিনি জানান, গত ২৩ আগস্ট বিচারিক আদালতে ছয় মাসের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। এই অবস্থায় তথ্য গোপন করে ২০ নভেম্বর হাইকোর্টে জামিন পান সহিদুর রহমান। এরপর ২২ নভেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। বিষয়টি নজরে আসায় মামলাটি আবার হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় আসে। রবিবার আসামি সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে গত ২০ নভেম্বর দেওয়া জামিন বাতিল করে তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া তথ্য গোপন ও নোটিশ নিয়ে তার আইনজীবী এম এ মুস্তাকিম ও মো. জাকারিয়া হাবিবকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করেছেন আদালত।

মুক্তি এ মামলার আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তার বাবা আতাউর রহমান খান এ আসনের বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য।

দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়।

এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন।

গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তিকে জামিন দেন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল করেন।

এরপর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। গত বছরের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট মুক্তিকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরদিন ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।

পরে হাইকোর্টে রুল শুনানি হয়। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর রুল শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ হয়। এরপর টাঙ্গাইল জেলা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেন মুক্তি। একই বছরের ২৪ অক্টোবর তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। পরে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল-৫ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত খন্দকার আহসান হাবিব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল-৫ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত খন্দকার আহসান হাবিব

একতার কণ্ঠঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র তুলেছেন বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত এডভোকেট খন্দকার আহসান হাবিব।

তিনি ‘স্বতন্ত্র গণতন্ত্র মঞ্চের’ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে শহরের নিরালা মোড়ে অবস্থিত কিছুক্ষণ হোটেল এন্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টে টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, রবিবার (১৯ নভেম্বর) রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আহসান হাবিব মনোনয়নপত্র তুলেছেন। খন্দকার আহসান হাবিবসহ কয়েকজন ব্যক্তি ‘স্বতন্ত্র গণতন্ত্র মঞ্চের’ ব্যানারে বুধবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তাঁরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। ওই দিনই বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটি থেকে আহসান হাবিব ও ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার আহসান হাবিবের বাড়ি টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায়। তিনি ১৯৯৩ সালে টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর আসন থেকে বিএনপি’র মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন তিনি।

খন্দকার আহসান হাবিব মতবিনিময় সভায় বলেন, গণতন্ত্র রক্ষা করতে নির্বাচনের বিকল্প নেই। তিনিসহ বিএনপির অন্তত ১৫ জন নেতা ‘স্বতন্ত্র গণতন্ত্র মঞ্চের’ ব্যানারে একত্র হয়েছেন। ‘স্বতন্ত্র গণতন্ত্র মঞ্চ’ কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। এ ব্যানারে বিএনপি’র অনেক নেতা নির্বাচনে আসার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। সবাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

তিনি বলেন, অনেক ক্ষোভ নিয়ে দীর্ঘদিন দল করেছি। এবার স্বতন্ত্র নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের কষ্টের শেষ নেই। অবরোধ–হরতালে দেশের মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।

খন্দকার আহসান হাবিব আরও বলেন, আমি মনে করি, একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পরিবর্তন হওয়া উচিত। অন্য কোনো কিছুর মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হবে। আমি কোনো চাপে কিংবা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করি নাই। টাঙ্গাইলের সাধারণ মানুষ আমার পক্ষে আছে। ফলাফল যা–ই হোক, নির্বাচন করব।

মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকিরুল মাওলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

এছাড়া মতবিনিময় সভায় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. নভেম্বর ২০২৩ ০২:৩৯:এএম ২ বছর আগে
সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন স্থগিতের শুনানি ২৭ নভেম্বর - Ekotar Kantho

সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন স্থগিতের শুনানি ২৭ নভেম্বর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন স্থগিতের বিষয়ে শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মতি বেঞ্চে পাঠিয়েছেন চেম্বার জজ আদালত। এ বিষয়ে আগামী সোমবার (২৭ নভেম্বর) শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার জজ আদলত এই আদেশ দেন। আদালতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে তিনি জামিন পান। জামিন আদেশ কারাগারে পৌঁছালে বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

চেম্বার জজ আদালতে বৃহস্পতিবার শুনানির সময় জজ জানতে চান আসামি বের হয়ে গেছেন কি না। রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, তিনি বুধবার দুপুরে বের হয়ে গেছেন। পরে চেম্বার জজ বলেন, যেহেতু বের হয়ে গেছেন সোমবার এটি আপিল বিভাগে থাকবে।

এর আগে সহিদুর রহমান খান হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে জামিন আবেদন বিচারাধীন থাকার তথ্য গোপন করে আরেকটি বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন। গত ১৯ জুলাই করা জামিন আবেদনের ওপর শুনানির সময় বিষয়টি নজরে আনার পর আদালত জামিন আবেদন সরাসরি খারিজ করে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিলেন মুক্তি। চেম্বার আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান।

পরে আপিল বিভাগ গত ২৭ আগস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার বিচারকাজ ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন। এর মধ্যে গত ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে সহিদুর রহমান খান মুক্তি জামিন পান। ওই আদেশ কারাগারে পৌঁছালে বুধবার তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

সহিদুর রহমান এই মামলার অন্য আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তার বাবা আতাউর রহমান খান একই আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর নিহতের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অন্য তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. নভেম্বর ২০২৩ ০২:৫২:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।