একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে ট্রাক চাপায় এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জোকারচর এলাকার ১৮নম্বর ব্রিজের উপর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মরদেহ ও দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিলে যান-চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
নিহত ওই মোটরসাইকেল চালকের নাম সাজেদুল ইসলাম (৪৫)। সে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শাহাপুর এলাকার আতাতুল্লাহ ফকিরের ছেলে। তিনি গাজীপুরের ভাওয়াল গড়ে চাকরি করতেন।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে সাজেদুল মোটরসাইকেল যোগে গাজীপুর থেকে ঈশ্বরদী যাচ্ছিলেন। এসময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিলে মোটরসাইকেলটি ব্রিজের উপর পরে যায়। পরে পেছনে থাকা একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটির উপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাজেদুলের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে মরদেহ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় নিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ-ঘটনায় বাস ও ট্রাকটিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে ক্ষুদ্রঋণের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমানে দেশে সাত শতর বেশি প্রতিষ্ঠান এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। ক্ষুদ্রঋণের অগ্রযাত্রা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিশেষ আয়োজন। এ বিষয়ে বুরো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ও চেয়ার, এনজিও ফেডারেশন জাকির হোসেনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর প্রতীক বর্ধন।
প্রথম আলো: ক্ষুদ্রঋণ বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ভূমিকা পালন করেছে। গত ৫৩ বছরে এনজিওগুলোর ভূমিকা কীভাবে দেখছেন?
জাকির হোসেন: ৫৩ বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ১৯৭০ সালে দেশে মাথাপিছু আয় ছিল ১০০ মার্কিন ডলার আর বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার। উপার্জন বরাবরই উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত আর এই উৎপাদন ও উপার্জনপ্রক্রিয়ার বিকাশে শুধু সরকার নয়, সরকারের অংশীদার হিসেবে এনজিও-এমএফআই (ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান) খাত নিভৃতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এ খাত স্বাধীনতা-পরবর্তী দরিদ্র ও হতদরিদ্র-অধ্যুষিত বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে দারিদ্র্য নিরসন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে বেশি নজর দিয়েছে। পরবর্তীকালে দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যায়ে ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য নিশ্চিত করেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও এনিজওগুলোর ভূমিকা পালন করছে। আমাদের এই খাতের মাধ্যমে সাড়ে তিন কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
প্রথম আলো: কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোর কী ভূমিকা রাখতে পারে?
জাকির হোসেন: বিগত দশকগুলোয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যে উন্নয়ন ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, ২০৩৩ সাল নাগাদ আমরা বিশ্বের ২৪তম বৃহত্তম অর্থনীতির স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হব। তবে এ দুই সময়ের মধ্যবর্তী ভূরাজনৈতিক ও প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর প্রভাবের কথাও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। এ ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ কিংবা দুর্যোগ গভীরভাবে দেশীয় অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি এগুলোও দায়ী। তবে আমাদের দেশীয় অব্যবস্থাপনা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।
প্রথম আলো: কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোর কী ভূমিকা রাখতে পারে?
জাকির হোসেন: বিগত দশকগুলোয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যে উন্নয়ন ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, ২০৩৩ সাল নাগাদ আমরা বিশ্বের ২৪তম বৃহত্তম অর্থনীতির স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হব। তবে এ দুই সময়ের মধ্যবর্তী ভূরাজনৈতিক ও প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর প্রভাবের কথাও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। এ ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ কিংবা দুর্যোগ গভীরভাবে দেশীয় অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার পাশাপাশি এগুলোও দায়ী। তবে আমাদের দেশীয় অব্যবস্থাপনা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।
প্রথম আলো: শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের টেকসই উন্নয়নে এনজিওগুলো অনেক দিন ধরে কাজ করছে। এ খাতে নতুন আর কী কী করার আছে বলে মনে করেন।
জাকির হোসেন: আপনি ঠিকই বলেছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিন ধরেই এনজিও-এমএফআইগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তবে এ দুই খাতে আমাদের কাজগুলো প্রাথমিক ও মাঠপর্যায়ের। সম্প্রতি দু-একটি এনজিও বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ হাসপাতাল স্থাপন করে সাধারণ মানুষকে সেবা দিচ্ছে, যদিও এর ব্যাপকতা তেমন একটা নয়। সরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যে মান ধরে রাখতে পারেনি, আমরা তা পেরেছি। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে এনজিও-এমএফআই খাতের অনেকেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস—এগুলোর সবারই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল কিংবা মেডিকেল কলেজ আছে।
প্রথম আলো: ক্ষুদ্রঋণের সেবা ডিজিটালাইজেশনের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছেন কি?
জাকির হোসেন: বুরো বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি এনজিও-এমএফআই এ ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল যাত্রায় সংযুক্ত হওয়ার জন্য কাজ করছে। বুরো বাংলাদেশসহ দেশের শীর্ষ কয়েকটি উন্নয়ন সংস্থা শাখাগুলোয় শতভাগ অটোমেশন সম্পন্ন করে পরিপূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বুরো বাংলাদেশ গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ ও সঞ্চয় সেবা দেওয়া শুরু করে ২০১৯ সালে।
প্রথম আলো: আপনাদের প্রতিষ্ঠান এ পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষুদ্রঋণ দিয়েছে? এর কী প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন?
জাকির হোসেন: আমরা গ্রাহকদের এ পর্যন্ত ৯৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিয়েছি। এই ঋণের অর্থে অনেক মানুষ, যাঁদের অধিকাংশই নারী, নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন, কেউ উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন, কেউ তাঁর সন্তানকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন, কেউ কেউ বংশানুক্রমিক পেশা সচল রেখেছেন, কেউবা ছোট ব্যবসা বড় করেছেন। পরিবারে সচ্ছলতা এসেছে। তাঁরা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন এবং অনেক মানুষকে উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস জুগিয়েছেন। সমাজে এর প্রভাব বিপুল। ক্ষুদ্র ও মাঝারি পরিসরে তাঁরা অর্থনীতিতে যে অবদান রাখছেন, তার উৎসে আছে বুরো বাংলাদেশের ঋণসহায়তা।
জাকির হোসেন
প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, বুরো বাংলাদেশ
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে উপজেলা পরিষদে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২৫ আগস্ট) সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের দৈনন্দিন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
জানা গেছে, কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের কোন কর্মকর্তা কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি। এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে।
এ সময় কালিহাতীর ইউএনও শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থী রাসেল, আল আমিন, সাব্বির, রাশেদুল, রিফাত, আশরাফুল, কবির, হৃদয়, শাওন, হাবিব, সাজিদ প্রমুখ হ্যান্ড মাইকে নানাবিধ স্লোগান দেন ও বক্তব্য রাখেন।
তারা দাবি করেন, কালিহাতীর ইউএনও একজন কর্মমুখি-শিক্ষাবান্ধব ও ন্যায়-নীতিবান ভালো মানুষ। তার বদলির আদেশ তারা মানেন না। তার বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
কালিহাতী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শহিদুজ্জামান মাহমুদ, কৃষি অফিসার ফারহানা মামুন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিল্পী দে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সেহাব উদ্দিন, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. লিয়াকত হোসেন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। শিক্ষার্থীরা উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় তারা স্ব স্ব কার্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না। এতে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিফাত বিন সাদেক জানান, ভাগ্যক্রমে তাঁর কার্যালয়টি উপজেলা কমপ্লেক্সের বাইরে থাকায় তিনি তালাবদ্ধের আওতায় পড়েননি। তবে উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটকে তালা দেওয়ায় প্রতিদিনের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, ইউএনও’র বদলির বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। তিনি সার্বক্ষণিক কালিহাতীর উদ্ভুত পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তা যথাযথভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইনের বদলির আদেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল নিয়ে বিক্ষোভ করতে করতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরদিন শুক্রবার (২৩ আগস্ট) একই দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এদিন শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনও’র বদলির আদেশ প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারী দেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের সিনিয়র সচিব সাগুফতা হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আঁখ খেতে পেতে রাখা শিয়াল মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের হামকুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সজল খান।
নিহতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের হামকুড়া (আমতলা) গ্রামের মৃত নঈম উদ্দিনের ছেলে কৃষক মো. আরশেদ আলী (৬৫) ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম (৫২)।
রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুবুল হক মাসুদ জানান, কৃষক আরশেদ তার বাড়ির পাশেই আঁখ চাষ করতেন। খেত থেকে যেন কেউ আঁখ চুরি ও শিয়াল এসে আঁখ নষ্ট করতে না পারে সেজন্য তিনি খেতের চারপাশে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখেন। ঘটনার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ না করেই অসাবধানতাবশত খেতে গেলে প্রথমে রহিমা বেগম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এসময় স্বামী আরশেদ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে পুলিশ এসে লাশ দুটি উদ্ধার করে।
ঘাটাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সজল খান বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রী মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর মোস্তাকিম (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।
মোস্তাকিম ভূঞাপুর পৌর শহরের বামনহাটা পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকাল ৩ টার দিকে বাড়ির পাশের লৌহজং নদীতে গোসলে নামে মোস্তাকিম। শিশুটি সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে যায়। পরে স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। শনিবার সকালে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, শুক্রবার বিকালে ভূঞাপুরের লৌহজং নদীতে গোসলে নেমে এক শিশু নিখোঁজ হয়। পরে শনিবার সকালে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে কলেজছাত্র ইমনের (১৮) মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগষ্ট) দুপুরে নিহত ইমনের ভাই মো. সুমন বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
নিহত ইমন জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের নলিন উত্তরপাড়ার মৃত জুলহাস মিয়ার ছেলে।
মামলার আসামিদের মধ্যে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, হাসান ইমাম খান, ছানোয়ার হোসেন, জোয়াহেরুল ইসলাম, আমানুর রহমান খান ওরফে রানা, অনুপম শাজাহান জয় আছেন।
অন্যান্য আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান সোহেল, মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক তাহরীম হোসেন, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভর ব্যক্তিগত সহকারী মীর আসিফ অনিক, জেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক মঈন হোসেন রাজীব, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সেতাব মাহমুদ প্রমুখ।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাহ উদ্দিন জানান, ইমনের ভাই সুমন বাদী হয়ে ১৫৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া কলেজ ছাত্র ইমন ৪ আগস্ট বিকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপাড়া এলাকায় গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশের গুলিতে আহত হন । ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার ১৮ আগষ্ট তার মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ ভারতীয় আগ্রাসানের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলে আন্দোলনকারীরা মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়।
শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। এতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবি যুবায়ের ও মোসাদ্দেক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী কামরুল ইসলাম, আল আমিন, মনিরুল ইসলাম, আল আমিন সিয়াম প্রমুখ।
আন্দোলনকারীরা জানান, সম্প্রতি কোন রকম নোটিশ ছাড়াই ভারত সরকার কর্তৃক গম্বুর ও গজলডোবা বাঁধ খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যেই নোয়াখালী, ফেনী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ ১২ জেলার বিভিন্ন অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ভারতের এমন আগ্রাসন মেনে নেয়ার মতো নয়। ভারত যদি তাদের নীতি থেকে সরে না আসে ভারতীয় পণ্য বয়কটসহ তাদের সেভেন সিস্টার্সকে শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার হুশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
একতার কন্ঠঃ বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী সালাম পিন্টুসহ সকল রাজবন্দিদের মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে টাঙ্গাইলে সমাবেশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে আব্দুস সালাম পিন্টু মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বাবু শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, সাদেকুল আলম খোকা, জিয়াউল হক শাহীন, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক শফিকুল ইসলাম লিটন, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই আলহাজ্ব আজাদ, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সাধারণ সম্পাদক এজাজুল হক সবুজ, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সালেহ মোহাম্মদ সাফি ইথেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রের শিকার। একুশে গ্রেনেড হামলার সঙ্গে পিন্টু জড়িত ছিলেন না। আমরা অতিদ্রুত সালাম পিন্টুর মুক্তি দাবি করছি। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।’
সমাবেশ শুরু হওয়ার আগে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বড় বড় মিছিল গিয়ে সমাবেশে স্থলে জড়ো হয়। এতে পৌরউদ্যান ভরে গিয়ে পাশের সড়ক গুলোতে নেতাকর্মীরা অবস্থান নেয়। সমাবেশে প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ গ্রহণ করে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা লৌহজং নদী দখল ও দূষণরোধে করণীয় শীর্ষক দলীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার(২১ আগষ্ট )দুপুরে শহরের একটি রেস্তোরায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি’ (বেলা) উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বিশিষ্ট সমাজকর্মী খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সমাজকর্মী জালাল আহমেদ উজ্জল, আরপিডিও’র নির্বাহী পরিচালক রওশনারা লিলি।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র চন্দ। আলোচনা সভায় বক্তারা লৌহজং নদী দখল ও দূষণরোধে করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এসময় বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্য ও সমাজ কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেনকে অনাস্থা এবং দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেম্বাররা।
বুধবার(২১ আগষ্ট )দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের অডিটরিয়ামে দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বাররা এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাম্মদ আবু সাঈদ।
মেম্বার মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে আফজাল হোসেনকে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে উঠে। দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছেন। তার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা প্রথম থেকেই প্রতিবাদ করে আসছি। কিন্তু আমাদের কাউকে তোয়াক্কা না করে তিনি তার এইসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আয়, কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের ঢাকা উত্তোলন পারে আত্মসাৎ করেছেন। আমাদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও নিয়মিত সম্মানী ভাতা দিচ্ছেন না। পরিষদের আর্থিক বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের সাথে অসৎ আচরণ ও হুমকি দিত। এতে মেম্বারদের মাঝে বৈষম্য ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায় আমরা মেম্বারবৃন্দ সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনস্থা দিয়েছি।
এর আগে সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়।
এ সময় নারী প্যানেল চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত ১,২, ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অমলা পোদ্দার, সংরক্ষিত ৪,৫, ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুফিয়া বেগম, সংরক্ষিত ৭,৮, ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিলকিছ বেগম, ১ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. শওকত আলী, ২ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. আব্দুল আওয়াল, ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, ৫ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. লিটন মিয়া, ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. সোহরাব হোসেন ও ৯ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. আবু সাইদসহ এলাকার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শিবনাথ স্কুল থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে পৌর উদ্যানে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
এ সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তারিকুল ইসলাম ঝলকের সভাপত্বিতে ও সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ ইথেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক এড. ফরহাদ ইকবাল।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জালিম সরকারের পতন হওয়ায় আজকে স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে সাধারণ ছাত্র-জনতাকে শুভেচ্ছা জানাই। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পড়ে এই ফ্যাসিবাদি সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। সমাবেশ শেষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচী পালন করা হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিটি কর্মসূচিতে দলের সকল পর্যাযের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন টাঙ্গাইল দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে শহরের মেইন রোডে অবস্থিত দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সামনে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. সোহরাব হোসেন এবং পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কুদরত-ই-এলাহীর অপসারণের দাবি করা হয়।
মানববন্ধনে নিয়ম বর্হিভুত ভাবে দীর্ঘদিন অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্বপালনসহ নজিরবিহীন দূর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বক্তারা। দ্রুত তাদের অপসারণসহ শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশের দাবি করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীরা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার আরবী বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এনামুল্লাহ্ খান, ইংরেজি প্রভাষক তানসিনা আক্তার লিপি প্রমুখ।
মানববন্ধনে মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আনোয়ারুল হাবিব, আরবী বিভাগের সহকারি অধ্যাপক শওকত আলী, পদার্থ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানসহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।