/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে সৌদি প্রবাসী রুবেল ( ২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে । মঙ্গলবার(২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়েনর নয়াপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে লাশটি উদ্ধার করে কালিহাতী থানা পুলিশ।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী।

রুবেল ওই এলাকার সৌদি প্রবাসি সোলায়মানের বড় ছেলে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে দখল ও দূষনে মৃত প্রায় লৌহজং নদী

ইউপি চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, তাঁরা পিতা-পুত্র একই সাথে সৌদি থাকেন। গত তিন মাস আগে দুজনই ছুটিতে আসেন। ছেলেকে বিয়ে করিয়ে সৌদি চলে যান বাবা সোলায়মান। দাম্পত্য জীবনে দুর্বলতা নিয়ে স্ত্রীর সাথে কলহে এক পর্যায়ে সোমবার রাতে আলাদা ঘরে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মারা যায় সে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত শেষ পরিবারের নিকট মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৩:৩২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দখল ও দূষনে মৃত প্রায় লৌহজং নদী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দখল ও দূষনে মৃত প্রায় লৌহজং নদী

একতার কণ্ঠঃ এক কালের খরস্রোতা লৌহজং নদী এখন মৃতপ্রায়। পলি জমার পাশাপাশি পানির অভাবে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা হারিয়ে গেছে।এমন বৈরী পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অবৈধ দখল ও শহরের ফেলা বর্জ্য । মারাত্মক দূষণ বর্তমানে এই নদীটিকে মরা নোংরা খালে পরিণত করেছে। এসবই ঘটেছে মাত্র কয়েক দশকের ব্যবধানে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাশিনগর এলাকায় ধলেশ্বরী থেকে উৎপত্তি হয়ে ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ লৌহজং নদী জেলা শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জেলার মির্জাপুর উপজেলার বংশাই নদীতে গিয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, লৌহজং নদীর উৎসমুখ বালিতে ভরাট হয়ে গেছে। যোগিনী সুইস গেট এলাকাসহ নদীর অধিকাংশ স্থানই প্রায় পানিশূন্য। শহর এলাকায় নর্দমার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে নদীটি। দিনের পর দিন ফেলা নোংরা আবর্জনার গন্ধে টেকা দুষ্কর হয়ে পড়েছে নদীপারের বাসিন্দাদের।


শহরের বেশ কয়েকজন প্রবীণ জানান, টাঙ্গাইল শহরের বুক চিরে বয়ে গেছে এই নদী ।১৯৮০-র দশক পর্যন্ত এই নদীতে লঞ্চ ও পণ্যবোঝাই বড় বড় নৌকা চলাচল করেছে। নদীপথে রাজশাহী থেকে আম বোঝাই নৌকা এসে শহরে ভিড়তো। এ জন্য শহরের কলেজ পাড়ার একটি সড়কের নাম করন হয়েছে “আমঘাট রোড”। এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের ক্ষেত্রে লৌহজং নদীর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।ঢাকা এবং আশেপাশের জেলাগুলো থেকে খুব সহজে এ নদীর মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা শহরে প্রবেশ করা যেত। যার ফলে যাত্রী পরিবহন এবং মালামাল স্থানান্তরে আরামদায়ক পথ ছিল এ নদী। অর্থনৈতিক ও সামজিক উন্নয়নে নদীর ভূমিকা অনস্বীকার্য ছিল।

উজানে যমুনা ও এর শাখা ধলেশ্বরীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ে লৌহজংয়ের প্রবাহেও। নাব্যতা হারাতে থাকে নদীটি। বন্ধ হয়ে যেতে থাকে বড় বড় নৌকার চলাচল।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত

পরে পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা কর্ম পরিকল্পনার (ফ্লাড অ্যাকশন প্ল্যান/ ফ্যাপ-২০) অধীনে ১৯৯১ সালে সদর উপজেলার যোগিনীতে লৌহজং ও ধলেশ্বরীর সঙ্গমস্থলের কাছে সুইস গেট নির্মাণ করায় মরে যেতে শুরু করে নদীটি।পরে নদীর তীর দ্রুত দখল হয়ে যেতে শুরু করে। শুরু হয় বাড়ী-ঘর নির্মাণ ও ধান ও সবজি চাষ।

পাশাপাশি,পৌর এলাকার বসতবাড়ী থেকে নির্গত ময়লা পানি ও আবর্জনা, বিসিক শিল্প এলাকার কয়েকটি কারখানা ও সদর উপজেলার ক্ষুদিরামপুরে টেক্সটাইল মিল থেকে নির্গত বর্জ্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীটিকে মারাত্মকভাবে দূষিত করতে থাকে। লৌহজংয়ের পানি মানুষ ও গবাদি পশুর ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পরে। এই নদীতে থাকা জলজ প্রানী বিলুপ্তর মুখে পরে।তা ছাড়া, দূষিত পানির দুর্গন্ধে নদীর ধারে মানুষের বসবাস কঠিন হয়ে পড়ে।

এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে বছরের পর বছর ধরে সংশ্লিষ্ট নাগরিক ও স্থানীয় পরিবেশ কর্মীরা নদীটির নাব্যতা ফিরিয়ে আনাসহ দখল ও দূষণমুক্ত করার দাবিতে নানান কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

২০১৬ সালের ২৯ নভেম্বর তৎকালীন জেলা প্রশাসন মোট ৭৬ কিলোমিটার নদীর মধ্যে পৌর এলাকার হাজরা ঘাট থেকে বেড়াডোমা পর্যন্ত মাত্র দেড় কিলোমিটার এলাকার নদীর জায়গা দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়।

প্রাথমিক ভাবে কিছু অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হলেও পরে অজ্ঞাত কারনে উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রয়ারী তৎকালীন জেলা প্রশাসন একইস্থানে পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে।

সেসময় শুধু সদর উপজেলাতেই সাড়ে চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে পৌর এলাকায় নদীর তীরে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে ২৬০টির বেশি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে।

কয়েকটি স্থাপনা ভেঙে ফেলার পর, নদীর সীমানা নির্ধারণ ও দখলদারদের চিহ্নিত করা নিয়ে বির্তকের মুখে পরে এই অভিযানটিও স্থগিত করা হয়।

পৌর এলাকার স্টেডিয়াম সংলগ্ন নদীপাড়ের বাসিন্দা মজিবুর রহমান বলেন, ‘সরকার নদীটি খনন করতে চাচ্ছে, পরিবেশ সুন্দর করতে চাচ্ছে এর সঙ্গে আমরা একমত। কথা হলো, ১৯৬২ সালে জমিগুলো আমাদের নামে রেকর্ড করে দেওয়ায় ডিসি অফিস খারিজ দিয়েছে, ভূমি অফিস খাজনা নিয়েছে ও পৌরসভা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনার অনুমোদন করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ঘর করেছি।’

‘এখন যদি এই জমি থেকে আমাদের সরিয়ে দেওয়া হয় তবে আমাদের জমির ন্যায্য মূল্য দিতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
টাঙ্গাইলের নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষা আন্দোলন কমিটির সাধারণ সম্পাদক রতন আহমেদ সিদ্দিক বলেন, ‘নদীর জমি দখলের পাশাপাশি সেখানে এখনও আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।শহরের প্রধান কাঁচাবাজার পার্ক বাজারের সব বর্জ্য ড্রেনের মাধ্যমে নদীতে ফেলা হচ্ছে।

কবি ও গীতিকার মাসুম ফেরদৌস বলেন, ‘কয়েক বছর আগে স্থানীয় প্রশাসন অনেক ঢাক-ঢোল পিটিয়ে নদীর ৭৬ কিলোমিটারের মধ্যে পৌর এলাকার মাত্র দেড় কিলোমিটার দখল ও দূষণমুক্ত করার চেষ্টা করেছিল। নদীতে যদি পানিই না থাকে তাহলে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এর পাড় বাঁধাই বা অন্য কার্যক্রম করে লাভ নেই। নদীর প্রান হচ্ছে পানি।’
আমরা চাই, দখল-দূষণ মুক্ত করার পাশাপাশি উৎসমুখ থেকে পুরো নদীতে কিভাবে প্রবাহ ফিরিয়ে আনা যায় সেই উদ্যোগ নেওয়া হোক।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) টাঙ্গাইলের বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র চন্দ বলেন, ‘দখল-দূষণে লৌহজং মৃতপ্রায় আজ । শুধু দেড় বা ৩ কিলোমিটার উদ্ধার করে নদীর পাড়ে রাস্তা বা অন্য কিছু নির্মাণ করে কাজের কাজ কিছু হবে না। মানুষ নদী সৃষ্টি করতে পারে না। এটি প্রাকৃতিক সম্পদ। নদী বাঁচলে মানুষ বাঁচবে, দেশ বাঁচবে। কাজেই নদীটিকে সচল করতে হবে।’

‘নদীর উৎস মুখ থেকে প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘নদীকে নদীর গতিতে চলতে দিতে হবে। এর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।’

সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম জানান, ‘নদীটির বেহাল দশা দেখেছি। যে অংশটুকুতে অভিযান চালানো হয়েছিল তা আবার দখলের প্রক্রিয়া চলছে।’

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিবেদকঃ মো. আরমান কবীর সৈকত

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৬:০৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে জুয়েল (২৬) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর শহরের আশেকপুর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুনঃ কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

নিহত জুয়েল টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যুগির বয়ড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।নিহতের নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) লুৎফর রহমান।

স্থানীয়রা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোটরসাইকেল চালক আশেকপুর বাইপাস এলাকার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রাক ওই মোটরসাইকেল চালকে চাপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থলে নিহতের সুজুকি মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেলেও ঘাতক ট্রাক ও চালক পালিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ১০:১৬:পিএম ৪ বছর আগে
কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ অছাত্র, বিবাহিত ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা,পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে ছাত্রদলের একাংশ।

জানা যায়, রবিবার ( ২৭ মার্চ) রাত ৮টায় জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ ও সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন স্বাক্ষরিত কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদল, পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে ।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

আর এই কমিটি বাতিলের দাবিতে সোমবার ( ২৮ মার্চ) বিকেলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড চত্ত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।

 

বিক্ষোভ মিছিলটি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শেখ মোঃ আমিনুর ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ মোল্লা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মমিন মিয়া, এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ রকিব মোল্লা প্রমুখ।

এসময় বাংড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাওন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সায়েম, দশকিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সবুজ, বীরবাসীন্দা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস, সল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক তানভীর, এলেঙ্গা পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নিয়ামুল দারো, ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাকিব, ছাত্রদল নেতা মোহাব্বত সহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তারা বলেন, অছাত্র, বিবাহিত, অযোগ্য, ছাত্রলীগের কর্মী ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে নবগঠিত এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্রদলের যে আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে জেলা কমিটি তা সাংগঠনিক বিধিমালা না মেনে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করতে হবে। তা না হলে আরও কঠিন কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।

এছাড়া সমাবেশ থেকে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০৩:২২:এএম ৪ বছর আগে
কালিহাতীতে প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে কালিহাতী থানা জয়ী - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে কালিহাতী থানা জয়ী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এক প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(২৮ মার্চ) দুপুরে কালিহাতী আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ওই প্রীতি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহন করে কালিহাতী থানা দল ও কালিহাতী প্রেস ক্লাব দল।

আরো পড়ুনঃ সংসদে ‘গণমাধ্যম কর্মী (চাকরির শর্তাবলি) বিল-২০২২’ উত্থাপন

খেলায় টসে জিতে কালিহাতী থানা দল ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। কালিহাতী থানা খেলায় নির্ধারিত ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান তুলতে সমর্থ হয়।

জবাবে কালিহাতী প্রেস ক্লাব ১১৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রান করে। ফলে ম্যাচে কালিহাতী থানা দল ২৯ রানে জয় লাভ করে।

খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান। খেলা শেষে ম্যান অব দি ম্যাচ এর হাতে ট্রফি তুলে দেন কালিহাতী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন।

বিজয়ী কালিহাতী থানা পুলিশ দলকে জয়ের ট্রফি তুলে দেন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকা ও বিজয় টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জ্বল।

এ ছাড়া টুর্নামেন্টে রানার-আপ কালিহাতী প্রেসক্লাবকে ট্রফি তুলে দেন দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ইমরুল হাসান বাবু

উল্লেখ্য, মাঠে শত-শত ক্রিকেট প্রেমী উপস্থিত থেকে খেলাটি উপভোগ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০২:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) টাঙ্গাইল সার্কেলের আয়োজনে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল শিশু একাডেমি মিলনায়তনে সোমবার (২৮ মার্চ) দিন ব্যাপী  ওই প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এর প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

বিআরটিএ টাঙ্গাইল সার্কেলের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. আলতাব হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুল ইসলাম ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আহসান হাবিব চৌধুরি (বিপিএম)।

প্রশিক্ষনে প্রথম পর্বে পরিবেশ সংরক্ষণ, শব্দদূষণ, যানবাহনের ধূমপান সংশ্লিষ্ট বিধি নিষেধ সম্পর্কে আলোচনা ওপরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে আলোচনা করেন সিভিল সার্জন এর প্রতিনিধি ডাঃ শিমু দেবনাথ।

এর পর,  ট্রাফিক সাইন সিগন্যাল ও রোড মার্কিং সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও গাড়ি চালানোর নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করেন বিআরটিএ টাঙ্গাইলের মোটরযান পরিদর্শক বশির উদ্দিন আহমেদ ও নাফিজা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক নাদিম আহমেদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন লৌহজং ট্রেনিং স্কুলের পরিচালক মাসুদুল হক। এরপর অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল)।

প্রশিক্ষন কর্মশালায় বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস’সহ বিভিন্ন যানবাহনের ১৬১ জন পেশাদর চালক অংশ নেয়। চালকদের ট্রাফিক আইন, দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা, সচেতনতা, দায়িত্ব কর্তব্য ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সেইসাথে নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন এবং গাড়ির ফিটনেস নবায়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী পেশাদার গাড়িচালকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০১:০৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জমকালো আয়োজনের মধ্যেদিয়ে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়ার প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন সংযোগ কর্মকর্তা শামসুল আলম শিবলী, জেলা তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ছাত্তার উকিল, র‌্যাব-১২-এর পুলিশ পরিদর্শক মো. সবুজ মিয়া, প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান, প্রথম আলোর প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর,এনটিভির প্রতিনিধি মহব্বত হোসেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দফতর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান, যমুনা টিভির প্রতিনিধি শামীম আল মামুন, দৈনিক আমাদের সময়ের সখীপুর প্রতিনিধি ফজলুল হক বাপ্পা, ভূঞাপুর প্রতিনিধি কিসলু, নাগরপুর প্রতিনিধি রাম কৃষ্ণ সাহা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আমাদের সময়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।

বক্তারা বলেন, দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকাটি জন্মলগ্ন থেকেই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। পাঠকদের মনও জয় করেছে। আমরা চাই পত্রিকাটি তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০১:১২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল জেলায় গতবারের তুলনায় এবছর ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগী সংখ্যা বেশি হওয়ায় সিট পূর্ণ হয়ে অনেকে হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শিশু ও মহিলা রোগীর সংখ্যাই বেশি। অবশ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে সরেজমিনে দেখা যায় সিট পূর্ণ হয়ে ভর্তি রোগীরা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দূরদুরান্ত থেকে আসা মহিলা ও শিশু রোগীই বেশি।তবে এখন পর্যন্ত কোন রোগী মৃত্যুবরণ করেনি।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

ডায়রিয়া ওয়ার্ডে দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স সালমা ইয়াসমিন বলেন, অন্য বছর এ সময়ে হাসপাতালে ডায়রিয়ার রোগী কম ছিল। কিন্তু এবার অনেক বেশি। রোগীদের মধ্যে শিশুই বেশি। এখানে একদিনে সবোর্চ্চ ৮২ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। চলতি মাসের ২৩ মার্চ ৫২ জন, ২৪ মার্চ ৫০ জন এবং ২৫ মার্চ ৪৩ জন রোগী ভর্তি হয়।

কালিহাতী উপজেলার সল্লা থেকে আসা জুলিয়া বেগম বলেন, আমার ছোট্র ছেলে জুনায়েদকে নিয়ে হাসপাতালে ৫ দিন যাবত ভর্তি আছি। আগের থেকে ওর অবস্থা অনেক ভাল। বাসাইল থেকে আসা শাহনাজ বেগমের শিশু কন্যা হাবিবা ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ২ দিন ধরে চিকিৎসাধীন আছে।
কয়েকজন রোগী ও রোগীর স্বজন ডায়রিয়া ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, এখানকার পরিবেশ তেমনটা ভাল নয়। আরো পরিষ্কার থাকা দরকার।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহাকরি পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক ডা: খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগী কমে আসছে। কোন মৃত্যু নেই। তবে গত বছরের তুলনায় এবার রোগী সংখ্যা বেশি। আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।
তিনি আরো বলেন, আশাকরি সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ১০:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের নৃশংস হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী মিজানুর রহমানের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থা।
সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা সাংস্কৃতিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি জাকির হোসেন, প্রধান পরামর্শক এলেন মল্লিক, কার্যকরি সভাপতি বিপ্লব দত্ত পল্টন, পরামর্শক ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু, সদস্য জহুরুল ইসলাম, মনোয়ারা বেগম, শাহনাজ সিদ্দিকী মুন্নী, ঝান্ডা চাকলাদার, কবি ডলি সিদ্দিকী প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা সম্প্রতি সিআইডি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ঘাতক স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজানের দ্রুত ফাঁসির দাবি করেন। অন্যথায় মানববন্ধন থেকে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা।

আরো পড়ুনঃস্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা

টাঙ্গাইলের আদালতের পুলিশ পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, গত ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন মিজানুর রহমান। আদালতের বিচারক বাদল কুমার চন্দ্র আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে সিআইডি পুলিশের করা আবেদনে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুইদিন শেষে পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এ আবেদনে আবার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক মো. বাবর আলী জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে আত্মসমর্পন করেন টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান। এরপর উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন তিনি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করে সিআইডি। আবেদনে আসামীর দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। দুইদিনের রিমান্ড শেষে ২৪ মার্চ তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে কন্যাসন্তান জন্ম দেন রেদওয়ানা ইসলাম। ২৭ মার্চ বিকেলে হাসপাতালের দোতলার ১১ নম্বর কেবিন থেকে মুখে বালিশচাপা ও গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রেদওয়ানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে মির্জাপুর থানা পুলিশ। দাম্পত্য কলহের জেরে সন্তান প্রসবের ৫ দিন পর ২৭ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের কেবিনে স্বামী মিজান রেদওয়ানাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে নিহতের পরিবারের দাবি।

এরপর ২৮ মার্চ নিহতের ছোট ভাই খন্দকার আরশাদুল আবিদ বাদি হয়ে রেদওয়ানার স্বামী মিজানকে আসামি করে মির্জাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান গা ঢাকা দেয়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি টাঙ্গাইলের সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার নিহত খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম রংপুর সদর থানার ইসলামপুর হনুমানতলার মৃত খন্দকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে।আসামী ও স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান পাবনা সদর থানার হেমায়েতপুর চরভাঙ্গারিয়া গ্রামের মো. এলাহী মোল্লার ছেলে। তিনি স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক ভোলা সদরের মহাজনপট্টি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
বাসাইলে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা! - Ekotar Kantho

বাসাইলে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মঞ্চ করা হয়েছিল শহীদ মিনারে।

আরো পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

শনিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছিলেন জুতা পরেই। মুক্তিযোদ্ধাদের পায়েও ছিল জুতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে। সংবর্ধনার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, শহীদ মিনারের বেদিতে তৈরি মঞ্চে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম কমান্ডারসহ বাসাইল উপজেলার বিশেষ ব্যক্তিরা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর মিয়া বীরপ্রতীকের হাতে সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। এ সময় পায়ে জুতা নিয়েই অতিথিরা মঞ্চে উঠে ক্রেস্ট দিচ্ছেন এবং সংবর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর বীরপ্রতীক নিজের পায়ে জুতা নিয়েই বেদিতে উঠেছেন এবং অতিথিদের হাত থেকে ক্রেস্ট নিচ্ছেন।

এ সংক্রান্ত ছবি বাসাইলের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এ বিষয়ে আব্দুল গফুর বীরপ্রতীক বলেন, সংবর্ধনা মঞ্চে সব অতিথিরাই জুতা পায়ে ছিলেন। আমার নাম ডাকায় আমিও তাদের সঙ্গে মঞ্চে উঠে যাই। ঘটনাটি অতি দুঃখজনক।

এ বিষয়ে বাসাইল জোবেদা রোবেয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান আপেল বলেন, শহিদ মিনার একটি সম্মানের জায়গা। এ জায়গার সম্মান রক্ষা করাটা প্রত্যেকের বিবেক ও শিক্ষা। যদি কেউ সেটি না করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে হবে।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার জহুরুল হক ডিপটি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, কষ্টদায়ক ও অপ্রত্যাশিত। দিকনির্দেশক প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে এটি অপ্রত্যাশিত। বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীনের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ  সহ্য করতে না পেরে তোতা মিয়া  নামে অবসরপ্রাপ্ত  এক সেনা কর্মকর্তা  ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। রবিবার (২৭ মার্চ) সকালে উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের পালবাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়াল ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি। মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

জানা যায়, তোতা মিয়া ও তার স্ত্রী জোহরা বেগম দুজনেই ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। শনিবার রাতে তারা প্রতিদিনের ন্যায় ঘুমিয়ে পড়েন। রবিবার সকালে জোহরা বেগম ঘুম থেকে জেগে দেখেন তার স্বামী তোতা মিয়া বিছানায় নেই। ঘরের দরজাও বাইরে থেকে লাগানো।এ সময় তিনি চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা এসে দরজা খুলে দেন। সবাই মিলে তোতা মিয়াকে খুঁজতে গিয়ে গোয়াল ঘরে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

এলাকাবাসী জানায়, তোতা মিয়ার স্ত্রী জোহরা বেগমের নিকট স্থানীয় এক মহিলা পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন। ওই বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা কাটাকাটি হয়। পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে তোতা মিয়া আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তারা।

মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, তোতা মিয়ার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ উদঘাটনের জন্য স্থানীয় কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে এখনও কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:১৪:এএম ৪ বছর আগে
স্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

স্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা

একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এডভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি  শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সাথে নিয়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

এসময় তার সাথে অংশগ্রহণ করেন আইনজীবী ফোরামের নেতা এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম, এডভোকেট শাহীন মিয়া, এডভোকেট জহুরুল ইসলাম, এডভোকেট ইকবাল হোসেন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা শাহ আলম মিয়া, বাবুল খান, খন্দকার শাহ ফরিদ, আসাদুজ্জামান আদম, বায়োজিদ হোসেন, সফিকুর রহমান, লালু মিয়া, মুক্তা খান, খন্দকার আবু নাছের স্বপন, রুবেল মিয়া, বিপ্লব খান ও হীরন খানসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।

তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে কোন আপোষ নয়। আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি ও থাকবো।

প্রকাশ,  টাঙ্গাইল পৌরসভার জনপ্রিয় সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আহসান হাবীব বর্তমানে ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।