/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার দাপনাজোড় রেল ক্রসিং এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

নিহত কলেজছাত্র অন্তর খান (১৮) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টি-ভাতকুড়া এলাকার মো. নজরুল খানের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল সৃষ্টি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে অন্তর খান মোটরসাইকেল নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে তিনি বাসাইল উপজেলার দাপনাজোড় এলাকার রেল ক্রসিং এলাকায় ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে কাটা পড়েন।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলটি পাশেই পার্কিং করা ছিল। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশের ঘারিন্দা ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা লাশটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। পরে শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

ঘারিন্দা রেলের স্টেশন মাস্টার সোহেল খান বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝে চাওয়ায় ভাতিজার বিরুদ্ধে মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝে চাওয়ায় ভাতিজার বিরুদ্ধে মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝে চাওয়ায় ভাতিজার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এর প্রতিবাদে ভাতিজা হিমেল রহমান নামের এক ব্যবসায়ী শনিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হিমেল রহমান জানান, তার বাবার মৃত্যুর পরে তাদের গ্রামের বাড়ি ও জমি ভাগ বন্টন করা হয়। তার চাচা লুৎফর রহমান সবকিছুর সিদ্ধান্ত নেয়। তার সকল সিদ্ধান্তই ছিলো আইন বহির্ভূত ছিল। ওই সময় তারা দুই ভাই থাকায় জমি-জমা সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিলো না। বর্তমানেও জমির কাগজপত্র তেমন বুঝে না। চাচা লুৎফর রহমান সরলতার সুযোগ নিয়ে নিম্নমানের জমিগুলো তাদেরকে দিয়ে এবং চাচা ভালো মানের জমিগুলো নিয়েছে। ঠিক তেমনভাবে তাদের শহরের বাসায় রাস্তার সাথের দামি জমি লুৎফর রহমান নিয়েছে এবং তাদেরকে পেছনের জমি দিয়েছে।

তিনি আরো জানান, সেই জমির পরিমানও কম ছিলো। শহরের পূর্ব আদালত পাড়াই তাদের বাসায় তিনিসহ তার তিন চাচার জমি। সাড়ে ১৭ শতাংশ জমিতে ডেভোলাপারের কাছে বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণের জন্য দেয়া হয়। সেখানে তার জমি রয়েছে সারে ৪ শতাংশ। আর বাকি জমি লুৎফর রহমানসহ তার তিন চাচার। ডেভোলাপার কাজ শুরু করলে তার চাচা বিভিন্ন সময় ডেভোলাপারের সাথে খারাপ আচরণ করত। তার এই খারাপ আচরণের কারণে ডেভোলাপার কাজ বন্ধ করে চলে যায়। এই ভবন নির্মাণের কাজ বিভিন্ন কারণে শুরুতেই ৪ বছর বন্ধ থাকে। এদিকে তারা অনেকবার ডেভোলাপারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বেশ কয়েকজন কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

তিনি আরও জানান, তার চাচা তাদেরকে জানান কোন ডেভোলাপারকে কাজ দেয়া যাবে না। তিনি নিজেই কাজ করবেন। তখন তিনিসহ তার আরও দুই চাচা লুৎফর রহমানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। লুৎফর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের চীপ ইঞ্জিনিয়ার। তিনি এই বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু করার পর বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে তালবাহানা করতে থাকেন। চারটি ছাদ করার পর হঠাৎ একদিন তাদের চাচা জানান, তার পক্ষে এই ভবনের আর কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। পরে তিনি ছেলে ও মেয়ের সাথে আমেরিকায় চলে যান। এই ভবনের ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ার লুৎফর রহমানের কাছে টাকা পাওনা রয়েছে। পরে তিনি ৮০ লাখ টাকা দেনা পরিশোধ করে। তারপর পুনরায় ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে পর্যায়ক্রমে ১০ তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই শেষ করে। দুই বছর পর ২০২০ সালে চাচা দেশে চলে আসে। দেশে এসে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তার চাচা মাঝে মধ্যে এসে তার কাছ হতে ফ্লাট বিক্রি করার টাকা ধাপে ধাপে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই ভবনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নানান কৌশল অবলম্বন করে চাচা। এক পর্যায়ে তিনি ভবন নির্মাণের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে ভবন নির্মাণের যাবতীয় টাকা দাবি করলে টাকা ও ফ্লাটও রেডি কওে হিমেলকে দেয়া হয়নি।

হিমেল জানান, বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর কামরুল ইসলাম মামুনকে জানানো হলে ২০২১ সালে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরের মাধ্যমে শালিসী বৈঠক করা হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ শালিসী বৈঠকে ৩ মাসের মধ্যে ৬টি ফ্লাট তাকে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়। কোনভাবেই তার চাচা মানতে রাজি হয়নি। প্রতিবাদ করলে তার চাচা ও চাচীর নির্দেশে ৬ তলার আমার ফ্লাটটি ভেঙে দেয়া হয়। বিষয়টি তার চাচার কাছে জানতে চাইলে হুমকি দেয় হিমেলকে। গত ১৪ মার্চ তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় দুই কোটির টাকার মামলা দেয়া হয়। তার চাচা প্রভাবশালী ও বিত্তশালী হওয়ার কারণে কোন প্রকার তদন্ত ছাড়া তাকে ধরার জন্য পুলিশ মরিয়া হয়ে উঠে। তিনি আইনজীবীদের পরামর্শে হাইকোর্ট থেকে জামিনে আসেন। সরকার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র‌্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সহযোগিতা কামনা করেন হিমেল।

অভিযোগ প্রসঙ্গে চাচা লুৎফর রহমান বলেন, আমরা আমেরিকায় চলে যাওয়ার পরে হিমেলকে এ ভবনটি দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তখন সে বেশ কয়েকটি ফ্লাটও বিক্রি করেছে। আমি হিমেলকে কোন প্রকার ভয়ভীতি দেখায়নি। উল্টো হিমেল আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়েছে। পরে আমি টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দিয়েছি। অপরদিকে হিমেলও আমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২২ ০৪:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে মহাষ্টমীর স্নানে পুণ্যার্থীদের ঢল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনা নদীতে মহাষ্টমীর স্নানে পুণ্যার্থীদের ঢল

একতার কণ্ঠঃ পাপ-শাপ মোচনে ভোরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে মহাষ্টমীতে স্নান করতে পূণ্যার্থীদের ঢল নেমেছে। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দেশবাসীর জন্য শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেছেন সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ ভক্ত ও পূণ্যার্থীরা।

আরো পড়ুনঃ ইউএনওর বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ

করোনার ভয়াবহতা কাটিয়ে শনিবার (৯ এপ্রিল) সকালে প্রতিবারের মতো এবারো যমুনা নদীর পাড়ে ৩০০ বছরের পুরোনো শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে পূণ্যস্নান উৎসব এবং মেলার আয়োজন করেছেন উপজেলার খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া ও গোবিন্দাসী গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

মেলায় মিষ্টি জাতীয় খাবার, বাশঁ-বেতের আসবাবপত্র, মাটির তৈরি খেলনা, পুতুল, ঘোড়া, ট্রাক গাড়ি, হাড়ি-পাতিল, মাছের দোকান, চিড়া-মুড়ি, দইসহ দোকানিরা তাদের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই পূণ্যস্নানে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ছাড়াও গোপালপুর, কালিহাতী, ঘাটাইলসহ সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার নানা বয়সী হাজারো ভক্ত ও পূণ্যার্থীরা যমুনা নদীর পাড়ে আসছেন।

এ সময় তারা সৃষ্টিকর্তার কাছে বিভিন্ন মানত ও দেশবাসীর জন্য শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতেছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

স্নান করতে আসা ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের সাবেক প্রভাষক সুহাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘যমুনায় স্নান তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। এখানে পুণ্যার্থীরা স্নান করছে তাদের মনবাসনা পুরণের জন্য।’

সাধন দাস, রঞ্জিত কর্মকর্তা, সুবীরসহ অনেকেই জানান, নদীর পাড়ে নতুন জলে পূণ্যস্নান করেছি ও পূজা দিয়েছেন। মহাষ্টমীতে এখানে স্থানীয় লোকজনসহ দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ মেলা দেখতে আসেন।

পূণ্যস্নান ও মেলার আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ ঘোষ বলেন, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পাপ মোচনের আশায় যমুনা নদীতে স্নান করতে এসেছেন। প্রশাসনের সহযোগিতায় স্নান উৎসব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২২ ০১:২১:এএম ৪ বছর আগে
ইউএনওর বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

ইউএনওর বিরুদ্ধে ক‌লেজছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপু‌রের এক ক‌লেজছাত্রী‌কে বি‌য়ের প্রলোভন দে‌খি‌য়ে ধর্ষণের অভি‌যোগ উঠেছে বাসাইলের সা‌বেক উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হো‌সে‌নের বিরু‌দ্ধে। এ ঘটনায় ওই ক‌লেজছাত্রী সং‌শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের অতি‌রিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) সোহানা নাস‌রিনের অফিস কক্ষে ডেকে ওই ক‌লেজছাত্রীর কাছে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত মো. মনজুর হোসেন বর্তমানে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, ২০২১ সালে তৎকালীন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবু‌কে পরিচয় হয় ওই কলেজছাত্রীর। একপর্যা‌য়ে তা‌দের ম‌ধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গ‌ড়ে ওঠে। প্রথমে ইউএনও সরকা‌রি বাসভব‌নে নি‌য়ে ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শা‌রীরিক সম্পর্ক স্থাপন ক‌রেন। এরপর ওই ক‌লেজছাত্রীর অন‌্যত্র বি‌য়ে ঠিক হ‌লে মনজুর সেই বি‌য়ে বন্ধ ক‌রে তাকে বা‌ড়ি থে‌কে চ‌লে আস‌তে ব‌লেন। এরপর ওই ছাত্রীকে নি‌য়ে ইউএনও টাঙ্গাইল কুমুদিনী সরকা‌রি কলেজ সংলগ্ন পাওয়ার হাউস এলাকায় প‌রিচয় গোপন ক‌রে স্বামী-স্ত্রী প‌রিচয় দি‌য়ে সেখা‌নে এক‌টি বাসা ভাড়া নি‌য়ে বসবাস শুরু ক‌রেন।

সেখানে তারা দুই মাস সংসার করেন। প‌রে ওই ছাত্রী বিয়ে করার জন‌্য চাপ প্রয়োগ করেন। ইউএনও মনজুর হো‌সেন ভার‌তে গি‌য়ে তা‌কে বি‌য়ে কর‌বে ব‌লে জানান। এরপর জোবা‌য়েত না‌মে এক ব‌্যক্তির মাধ‌্যমে ওই ছাত্রীর ভার‌তে যাওয়ার জন্য মে‌ডি‌কেল ভিসা করা‌নো হয়‌। এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১০টার দিকে বাসাইলের সহকা‌রী ক‌মিশনারের (ভূমি ) সরকা‌রি গাড়িতে জোবায়েত হোসেন ও চালক বুলবুল হোসেনসহ দুইজন আনসার সদস‌্য মি‌লে বেনাপোল গি‌য়ে সেখানকার বর্ডার পার হ‌য়ে কলকাতা এয়ার‌পোর্ট হ‌য়ে হায়দরাবা‌দ বিমানবন্দ‌রে না‌মেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধুকে গণধর্ষণের অভিযোগ

বিমানবন্দ‌রের কা‌ছে একটা বাসা ভাড়া নি‌য়ে সেখা‌নে দুইজন বসবাস ক‌রে চি‌কিৎসা নি‌তে থা‌কেন। একপর্যা‌য়ে ওই ছাত্রী ইউএনওর মোবাইলের মাধ‌্যমে বি‌য়ে হওয়া ও তার ঘ‌রে সন্তান থাকার ‌বিষয়‌টি জান‌তে পা‌রেন। প‌রে বাংলা‌দেশে আসার পর জোবায়েত ওই ছাত্রীর মোবাইল জোরপূর্বক নি‌য়ে অন্তরঙ্গ ভিডিও ও চ্যাটিং মেসেজ ডিলিট করে দেন। ইউএনও ঘটনাগু‌লো কাউকে না বল‌তে ওই ছাত্রী‌কে অনু‌রোধ ক‌রেন, অন‌্যথায় তা‌কে মে‌রে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এরপরও পরবর্তীতে ওই ছাত্রীর সঙ্গে ঢাকার ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে দেখা করে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করার কথা বলেন ইউএনও।

এদিকে প্রতারণা ক‌রে ধর্ষণ এবং স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়ায় ইউএনও মনজুর হোসেনের শা‌স্তি চে‌য়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই কলেজছাত্রী।

ওই কলেজছাত্রী বলেন, ইউএনও মনজুর হোসেনের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ‌্যমে পরিচয় হয়। প‌রে তিনি বি‌য়ের প্রলোভনে একা‌ধিকবার শা‌রীরিক সম্পর্ক করেন। তিনি শুধু আমাকে ব্যবহারই করেছেন, সামাজিকভাবে স্ত্রীর মর্যাদা দেননি। বিষয়‌টি নি‌য়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণাল‌য়ে লি‌খিত অভিযোগ দি‌য়ে‌ছি।

বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, সা‌বেক ইউএনও মনজুর হোসেন মোবাইলে ওই মে‌য়ে‌টির বিষয়ে জানান। মে‌য়ে‌টি না‌কি তার বিরু‌দ্ধে জনপ্রশাস‌নে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দি‌য়েছে। প‌রে মে‌য়ে‌টি‌র সঙ্গে একজন চেয়ারম‌্যা‌নের মাধ‌্যমে কথা ব‌লি। তখন মে‌য়ে‌টি বিষয়‌টি আইনগতভা‌বে লড়‌ছেন ব‌লে জানায়।

অভিযোগ অস্বীকার ক‌রে কি‌শোরগ‌ঞ্জের ক‌রিমগঞ্জ উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনজুর হো‌সেন ব‌লেন, অভি‌যো‌গটি সম্পন্ন ভি‌ত্তিহীন। এ ধর‌নের কোনো ঘটনা ঘ‌টে‌নি।

টাঙ্গাইলের অতি‌রিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) সোহানা নাস‌রিন জানান, ওই ইউএনওর বিষয়‌টি নি‌য়ে তদন্ত চল‌ছে। তদন্ত শে‌ষে আগামী সাত কর্মদিব‌সের ম‌ধ্যে প্রতি‌বেদন জমা দেওয়া হ‌বে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২২ ০৩:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধুকে গণধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধুকে গণধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহর গোপীনপুর বটতলী গ্রামের তিন যুবকের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে গণধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ

এ ঘটনায় টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনাল আদালতে ২৯ মার্চ তিনজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হচ্ছে, ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহরগোপীনপুরের বটতলী গ্রামের মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. রুবেল মিয়া (২৭), একই এলাকার মো. হুমায়ুন কবীরের ছেলে মো. মনির মিয়া (২২) ও মোন্নাফ আলীর ছেলে মো. সাগর মিয়া (২১)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নে এক গৃহবধুকে দীর্ঘদিন যাবৎ উল্লেখিত ব্যক্তিরা কুপ্রস্তাব দিতো। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে অপহরণ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারন করেন।

এ ঘটনা গৃহবধূ তার স্বামীকে জানালে সেই আক্রোশে মার্চ মাসের ২১ তারিখে রাতে বসতঘরে ঢুকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

পরে গৃহবধুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় গৃহবধূর মামা মো. আাব্দুল হানিফ জানান, ধর্ষণকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা করেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিভিন্ন সময় দালালদের মাধ্যমে মামলা মিমাংসার প্রস্তাবসহ হুমকি দিয়ে আসছেন।

ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম জানান, ঘটনার বিষয়টি আমি জানি। অভিযুক্তরা ইতিপুর্বেও এধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

এসময় তিনি আরো জানান, তারা এতোটাই ভয়ঙ্কর প্রকৃতির যে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২২ ০৩:৩০:এএম ৪ বছর আগে
মধুপুরে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা - Ekotar Kantho

মধুপুরে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের গাছ চুরির খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে (৭ এপ্রিল) দুপুরে মধুপুরের দুই সাংবাদিক বন এলাকার একাধিক মামলার আসামী চিহ্নিত বনদস্যুদের হামলার শিকারের ঘটনা ঘটেছে। বনদস্যুরা সাংবাদিকদের কাছে থাকা একটি ডিজিটাল ক্যামেরা ও দুটি মোবাইল ছিনতাই করেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ

জানা যায়, টাঙ্গাইল বন বিভাগের দোখলা রেঞ্জের হরিণধরা এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত চিহ্নিত বনদস্যু একাধিক বন মামলার আসামীর একটি চক্র নির্বিচারে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সাবাড় করে যাচ্ছে। এ খবর পেয়ে আকবর হোসেন ও মেহেদী হাসান বকুল নামের মধুপুরের দুই গণমাধ্যম কর্মী সংবাদ সংগ্রহের জন্য সরেজমিনে হরিণধরা এলাকায় গিয়ে সামাজিক বনায়নের চুরি হওয়া গাছের ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করে। হরিণধরা এলাকার সামাজিক বনায়নের অংশিদার রজব আলী (৭৬) এর প্লট থেকে ২০-৩০টি গাছ স্থানীয় একাধিক বন মামলার আসামী বনদস্যু একই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে দুলাল, আলেমের ছেলে সেলিম, সোহেল, হাছান, হোসেন গাছ চুরি করে। শুধু রজব আলীই নয় আব্দুর রাজ্জাক, রহমত, মহিরসহ স্থানীয়দের সামাজিক বনায়নের প্লট থেকে ১৫-২০ জনের গাছ চুরের সিন্ডিকেট বনদস্যুরা প্রকাশ্যে দিবালোকে প্রতিনিয়ত গাছ চুরি করে ওই এলাকায় রাজত্ব কায়েম করেছে। চোরের এ সিন্ডিকেট গাছ চুরি করে অরণখোলা ইউনিয়নের ভুটিয়া গ্রামের একাধিক বন মামলার আসামী গাছ চোরের হোতা অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ি আব্দুল বাছেদ ওরফে ব্লেড বাছেদের নিকট বিক্রি করে। এ তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে ফেরার পথে গতিরোধ করে দুলাল, সেলিম , সোহেল, ব্লেড বাছেদ, হাছেন হোছেনসহ দশ পনের জনের গাছ চোর ও অবৈধ চোরাই কাঠ ব্যবসায়ীর একটি দল সাংবাদিকদের উপর হামলা ও হেনস্তা করে ক্যামেরা, দুটি মোবাইল ও তথ্য সংগ্রহের নোটবুক ছিনিয়ে নেয়। হামলাকারীরা সাংবাদিকদের শাসিয়ে দেয় ভবিষ্যতে এ এলাকায় কোন সাংবাদিক প্রবেশ করলে বের হয়ে যেতে দেয়া হবে না। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদ্বয় মধুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এসব তথ্য অভিযোগ ও সাংবাদিকদ্বয়ের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে হামলার শিকার আকবর হোসেন ও মেহেদী হাসান বকুল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সামাজিক বনায়নের গাছ চুরির খবর পেয়ে হরিণধরা এলাকায় গিয়ে ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করে ফেরার পথে দুলাল, সেলিম, ব্লেড বাছেদ গং বনদস্যুদের হামলার শিকার হন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ক্যামেরা, মোবাইল ও তথ্য সংগহ নোটবুক ছিনতাই করা হয়।

এ ব্যাপারে স্থানীয় শোলাকুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন এ ন্যাক্কার জনক ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান।

মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল আজিজ ক্যামেরা মোবাইল ও নোটবুক উদ্ধার পূর্বক ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার দাবী করেন।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন মধুপুর থানার ডিউটি অফিসার আব্দুস সামাদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২২ ০২:১৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদী থেকে উত্তোলন করা বালু নম্বরবিহীন হাইড্রোলিক ড্রাম ট্রাকে ভর্তি করতে গিয়ে ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে আল-আমিন (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধুকে গণধর্ষণের অভিযোগ

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর সড়কের উপজেলার নিকরাইল সিরাজকান্দি বাজারের নূহু মেম্বারের বালুঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

আল-আমিন উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের জিগাতলা গ্রামের রহিজ উদ্দিনের ছেলে। সে ওই হাইড্রোলিক ড্রাম ট্রাকের হেলপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, নূহু মেম্বারের বালুঘাটে দুপুরে বালু ভর্তি করা হচ্ছিল। বালু ভর্তি শেষে ট্রাকটি পেছন দিকে ঘুরাতে গেলে পেছনে থাকা হেলপার আল-আমিন ওই ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যায়।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার এস.আই মাহমুদুল হাসান জানান, বালুঘাটে ট্রাক চাপায় নিহতের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আল-আমিনের মরদেহ উদ্ধার করে থানার নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নিহতের ঘটনায় ঘাতক ট্রাক চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক ও ট্রাকটি জব্দ করা যায়নি। এ ঘটনায় নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২২ ০৩:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজ নারীর লাশ মিলল জঙ্গলে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ নারীর লাশ মিলল জঙ্গলে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজের একদিন পর চায়না বেগম (৩২) নামের এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

বুধবার (০৬ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বাশতৈল ইউনিয়নের বংশিনগর জঙ্গল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

চায়না বেগম বংশিনগর পশ্চিমপাড়া গ্রামের ইয়াদ আলীর মেয়ে।

বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ইন-চার্জ (পরিদর্শক) সাখাওয়াত হোসেন জানান, সোমবার ইফতারের পর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন চায়না বেগম। বুধবার বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে তল্লাশি চালায় স্থানীয় লোকজন। এ সময় তারা সেখানে চায়না বেগমের গলাকাটা লাশ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২২ ০২:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৬ এপ্রিল) সকালে পৌর এলাকার তারা তালুকদারের বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমাইয়া (২১) ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার রুবেল হোসেনের স্ত্রী।

আটককৃত রুবেল ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বর গ্রামের শুক্কর আলীর ছেলে। সুমাইয়া গোপালপুর উপজেলার বরশিলা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, এক মাস আগে পৌর এলাকার ঘাটান্দির তারা তালুকদারের বাসা ভাড়া নেয় হোটেল শ্রমিক রুবেল হোসেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। স্ত্রী সুমাইয়া বাসা বাড়িতে কাজ করতেন এবং রুবেল শ্রমিকের কাজ করতেন। তাঁদের দেড় বছরের একটি কন্যা শিশু সন্তান রয়েছে।

নিহত সুমাইয়ার মা শারমীন বেগম জানান, রুবেল বিভিন্ন হোটেলে শ্রমিকের কাজ করতেন। তবে তিনি শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে সে টাকা দিয়ে নেশা করতেন। এটা নিয়ে প্রতিনিয়ত স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর ঝগড়া হতো। মঙ্গলবার রাতে নেশা করার টাকার জন্য সুমাইয়াকে চাপ দেন রুবেল। পরে সুমাইয়া টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

বাসার মালিক তারা তালুকদার জানান, প্রতিনিয়ত তাঁদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া লাগত। গভীর রাতে রুবেল ঘর থেকে বের হয়ে জানায় তাঁর স্ত্রী মারা গেছে। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়। সকালে পুলিশ এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২২ ০২:৫৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপভ্যান চালক রফিকুল ইসলাম রফিক (২৬) এবং মোটরসাইকেল চালক স্কুলছাত্র কাউসার আহমেদ (১৬) নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ এপ্রিল) ভোররাতে একটি পিকআপভ্যান ঢাকা- সখীপুর সড়কের বোয়ালী পেট্রোল পাম্প এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে একটি আম গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই পিকআপভ্যান চালক রফিকুল ইসলাম নিহত হন।

আরো পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা

নিহত রফিকুল ইসলাম বরিশাল জেলার আগুলজাইরা উপজেলার রাঙতা গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। এ সময় অপর আরোহী সিরাজ মিয়াকে (৪৫) গুরুতর আহত অবস্থায় সখীপুর উপজেলা স্বাস্থকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

অপরদিকে সখীপুর থেকে মোটরসাইকেলযোগে স্কুলছাত্র কাউসার আহমেদ (১৬) তার নিজ বাড়ি উপজেলার কালিয়ান দুয়ানীপাড়া ফেরার পথে কালিয়ান খানপাড়ায় বিপরীত দিক থেকে আসা মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত স্কুলছাত্র ওই গ্রামের বেলু মিয়ার ছেলে এবং কালিয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২২ ১০:১৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের মেহেদী হাসান সজীব (২২) নামের এক যুবক প্রেমিকা ভাবীর সাথে অভিমান করে সিংগাপুরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

রবিবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টার দিকে তার নিজ বাসার গোসলখানার গ্রিলের সাথে গলায় রশি বেধে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সজীবের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় সিংগাপুর পুলিশ।

নিহত মেহেদী হাসান সজীব উপজেলার বেড়বাড়ী দাখিল মাদ্রাসা এলাকার মতি মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত মেহেদী হাসান সজীবের সঙ্গে প্রতিবেশী এক ভাবীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া ছিল। রবিবার তাদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা কাটাকাটি হলে রাত ৮ টার দিকে সিংগাপুরের নিজ বাসার গোসলখানার গ্রীলের সঙ্গে গলায় রশি বেধে  আত্মহত্যা করে সজীব ।

যাদবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন ধলা সজীবের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরকারের কাছে সন্তানের লাশ দেশে আনার সহায়তা চান নিহতের বাবা- মা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৬:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। এ সময় নারীসহ আরো ৪ জন আহত হয়। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে জোকারচর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুনঃ মধুপুর বনের ১৫ হাজার ৩৮০ একর বনভূমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে

নিহত কলেজ ছাত্র ভূঞাপুর উপজেলার সিরাজকান্দি এলাকার আব্দুল কুদ্দুছ শেখের ছেলে শেখ শরিফুল ইসলাম (১৭)। সে উপজেলার যমুনা কলেজের মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ জানায়, আহত নারী তার ছেলেকে নিয়ে জোকারচর এলাকায় মহাসড়ক পার হচ্ছিলো। এ সময় তারা বঙ্গবন্ধু সেতুর দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সামনে পড়েন। পরে মোটরসাইলেটির সাথে বাড়ি খেয়ে ওই নারী, তার শিশু ছেলে ও তিন আরোহীসহ মোটরসাইকেলটি পড়ে যায়। সাথে সাথেই বঙ্গবন্ধু সেতু মুখী একটি ট্রাক তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়৷

এঘটনায় আহত পথচারী নারী হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার কদমতলী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৩৫) ও তাঁর শিশু ছেলে আব্দুল্লাহ (৪)।

আহত দুই কলেজ ছাত্রকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন চিকিৎসক।

অপরদিকে,আহত নারী ও শিশু টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২২ ০২:৪২:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।