/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের নৃশংস হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী মিজানুর রহমানের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থা।
সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা সাংস্কৃতিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি জাকির হোসেন, প্রধান পরামর্শক এলেন মল্লিক, কার্যকরি সভাপতি বিপ্লব দত্ত পল্টন, পরামর্শক ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু, সদস্য জহুরুল ইসলাম, মনোয়ারা বেগম, শাহনাজ সিদ্দিকী মুন্নী, ঝান্ডা চাকলাদার, কবি ডলি সিদ্দিকী প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা সম্প্রতি সিআইডি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ঘাতক স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজানের দ্রুত ফাঁসির দাবি করেন। অন্যথায় মানববন্ধন থেকে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা।

আরো পড়ুনঃস্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা

টাঙ্গাইলের আদালতের পুলিশ পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, গত ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন মিজানুর রহমান। আদালতের বিচারক বাদল কুমার চন্দ্র আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে সিআইডি পুলিশের করা আবেদনে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুইদিন শেষে পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এ আবেদনে আবার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক মো. বাবর আলী জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে আত্মসমর্পন করেন টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান। এরপর উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন তিনি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করে সিআইডি। আবেদনে আসামীর দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। দুইদিনের রিমান্ড শেষে ২৪ মার্চ তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে কন্যাসন্তান জন্ম দেন রেদওয়ানা ইসলাম। ২৭ মার্চ বিকেলে হাসপাতালের দোতলার ১১ নম্বর কেবিন থেকে মুখে বালিশচাপা ও গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রেদওয়ানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে মির্জাপুর থানা পুলিশ। দাম্পত্য কলহের জেরে সন্তান প্রসবের ৫ দিন পর ২৭ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের কেবিনে স্বামী মিজান রেদওয়ানাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে নিহতের পরিবারের দাবি।

এরপর ২৮ মার্চ নিহতের ছোট ভাই খন্দকার আরশাদুল আবিদ বাদি হয়ে রেদওয়ানার স্বামী মিজানকে আসামি করে মির্জাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান গা ঢাকা দেয়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি টাঙ্গাইলের সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার নিহত খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম রংপুর সদর থানার ইসলামপুর হনুমানতলার মৃত খন্দকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে।আসামী ও স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান পাবনা সদর থানার হেমায়েতপুর চরভাঙ্গারিয়া গ্রামের মো. এলাহী মোল্লার ছেলে। তিনি স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক ভোলা সদরের মহাজনপট্টি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
বাসাইলে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা! - Ekotar Kantho

বাসাইলে শহীদ মিনারে জুতা পায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মঞ্চ করা হয়েছিল শহীদ মিনারে।

আরো পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

শনিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছিলেন জুতা পরেই। মুক্তিযোদ্ধাদের পায়েও ছিল জুতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে। সংবর্ধনার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, শহীদ মিনারের বেদিতে তৈরি মঞ্চে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম কমান্ডারসহ বাসাইল উপজেলার বিশেষ ব্যক্তিরা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর মিয়া বীরপ্রতীকের হাতে সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। এ সময় পায়ে জুতা নিয়েই অতিথিরা মঞ্চে উঠে ক্রেস্ট দিচ্ছেন এবং সংবর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর বীরপ্রতীক নিজের পায়ে জুতা নিয়েই বেদিতে উঠেছেন এবং অতিথিদের হাত থেকে ক্রেস্ট নিচ্ছেন।

এ সংক্রান্ত ছবি বাসাইলের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এ বিষয়ে আব্দুল গফুর বীরপ্রতীক বলেন, সংবর্ধনা মঞ্চে সব অতিথিরাই জুতা পায়ে ছিলেন। আমার নাম ডাকায় আমিও তাদের সঙ্গে মঞ্চে উঠে যাই। ঘটনাটি অতি দুঃখজনক।

এ বিষয়ে বাসাইল জোবেদা রোবেয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান আপেল বলেন, শহিদ মিনার একটি সম্মানের জায়গা। এ জায়গার সম্মান রক্ষা করাটা প্রত্যেকের বিবেক ও শিক্ষা। যদি কেউ সেটি না করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে হবে।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার জহুরুল হক ডিপটি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, কষ্টদায়ক ও অপ্রত্যাশিত। দিকনির্দেশক প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে এটি অপ্রত্যাশিত। বিষয়টি নিয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীনের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ  সহ্য করতে না পেরে তোতা মিয়া  নামে অবসরপ্রাপ্ত  এক সেনা কর্মকর্তা  ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। রবিবার (২৭ মার্চ) সকালে উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের পালবাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ির গোয়াল ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি। মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

জানা যায়, তোতা মিয়া ও তার স্ত্রী জোহরা বেগম দুজনেই ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। শনিবার রাতে তারা প্রতিদিনের ন্যায় ঘুমিয়ে পড়েন। রবিবার সকালে জোহরা বেগম ঘুম থেকে জেগে দেখেন তার স্বামী তোতা মিয়া বিছানায় নেই। ঘরের দরজাও বাইরে থেকে লাগানো।এ সময় তিনি চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা এসে দরজা খুলে দেন। সবাই মিলে তোতা মিয়াকে খুঁজতে গিয়ে গোয়াল ঘরে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

এলাকাবাসী জানায়, তোতা মিয়ার স্ত্রী জোহরা বেগমের নিকট স্থানীয় এক মহিলা পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন। ওই বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথা কাটাকাটি হয়। পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে তোতা মিয়া আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তারা।

মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, তোতা মিয়ার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ উদঘাটনের জন্য স্থানীয় কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে এখনও কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:১৪:এএম ৪ বছর আগে
স্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

স্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা

একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এডভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি  শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সাথে নিয়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

এসময় তার সাথে অংশগ্রহণ করেন আইনজীবী ফোরামের নেতা এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম, এডভোকেট শাহীন মিয়া, এডভোকেট জহুরুল ইসলাম, এডভোকেট ইকবাল হোসেন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা শাহ আলম মিয়া, বাবুল খান, খন্দকার শাহ ফরিদ, আসাদুজ্জামান আদম, বায়োজিদ হোসেন, সফিকুর রহমান, লালু মিয়া, মুক্তা খান, খন্দকার আবু নাছের স্বপন, রুবেল মিয়া, বিপ্লব খান ও হীরন খানসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।

তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে কোন আপোষ নয়। আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি ও থাকবো।

প্রকাশ,  টাঙ্গাইল পৌরসভার জনপ্রিয় সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আহসান হাবীব বর্তমানে ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক সেনাবাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৬ মার্চ) গভীর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সদর উপজেলার পাঁচবিক্রমহাটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

নিহত আইয়ুব আলী নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে। তিনি সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন৷

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, রাতে মোটরসাইকেলযোগে আইয়ুব আলী ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে নাটোরে যাচ্ছিলেন। পথে তিনি মহাসড়কের পাঁচবিক্রমহাটি এলাকায় পৌঁছলে অজ্ঞাত একটি গাড়ি (বাস কিংবা ট্রাক হবে) চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আইয়ুব আলী যাত্রাবাড়িতে পোস্ট কলা ব্রিজের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি প্রায় দুই মাসের ছুটিতে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ০৫:২৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে লোটন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস চাপায় জুবায়েল ( ২৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত মোটরসাইকেল চালক শাহনেওয়াজকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার ( ২৬ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সল্লা এলাকায় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

আরো পড়ুন: টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চা‌লিত অটোরিকশা চালক নিহত

নিহত জুবায়েল (২৮) বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে।

আহত শাহনেওয়াজ গাইবান্ধা জেলার সেকান্দর আলীর ছেলে। দুজনেই ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।

বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব থানার এএসআই আব্দুল মজিদ জানান, শনিবার বিকেলে ছুটি শেষে জুবায়েল ও শাহনেওয়াজ মোটরসাইকেলযোগে ঢাকায় কর্মক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে তারা বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সল্লা এলাকায় পৌঁছালে পিছন দিক থেকে লোটন পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই জুবায়েলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত শাহনেওয়াজকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ বাসটিকে আটক করতে পারলেও চালক পলাতক রয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ০৪:০৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চা‌লিত অটোরিকশা চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চা‌লিত অটোরিকশা চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাই‌লে ভূঞাপুরে ট্রেনের সঙ্গে সিএনজি চা‌লিত অ‌টো‌রিকশার সংঘ‌র্ষে অ‌টো‌রিকশা চা‌লক নিহত হ‌য়ে‌ছেন। এ‌তে সিএন‌জি‌তে থাকা আ‌রো দুইজন আহত হ‌য়ে‌ছেন। আহত‌দের উদ্ধার ক‌রে টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠা‌নো হয়েছে। শ‌নিবার (২৬ মার্চ) বি‌কে‌লে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব-জামালপুর রেললাই‌নের বিল আমুলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘ‌টে।

আরো পড়ুন: টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

নিহত সিএন‌জি চালক জা‌হিদুল ইসলাম (২৮) উপ‌জেলার গো‌বিন্দাসী ইউ‌নিয়‌নের খানুরবা‌ড়ি গ্রা‌মের আবজা‌লের ছে‌লে। আহতরা হ‌লেন, উপ‌জেলার কাগমারীপাড়া গ্রা‌মের শামছুর ছে‌লে বাদশা (৩৫) ও ধুব‌লিয়া গ্রা‌মের র‌হিজ উ‌দ্দি‌নের ছে‌লে র‌বিউল আলম (৩৫)।

স্থানীয়রা জানান, সিএন‌জি‌ অটোরিকশাযো‌গে  চালকসহ দুইজন যাত্রী  ভূঞাপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু‌তে যা‌চ্ছিল। অটোরিকশাটি বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব-জামালপুর রেললাই‌নের বিল আমুলা এলাকার অর‌ক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় জামালপুর থে‌কে ছে‌ড়ে আসা বঙ্গবন্ধু সেতুগামী লোকাল ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুর্ঘটনায় অটোরিকশাটি খা‌দে প‌ড়ে যায়। এ‌তে সিএন‌জির চালক নিহত হয়।

এসময় গুরুত্বর আহত হয় আ‌রো দুইজন। আহত‌দের উদ্ধার করে উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কম‌প্লে‌ক্সের নেয়া হ‌লে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য দা‌য়িত্বরত চি‌কিৎসক তা‌দের টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠায়।

ভূঞাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) মো. ফরিদুল ইসলাম ব‌লেন, ট্রেন দুর্ঘটনায় সিএন‌জি চালক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গে‌ছে। এছাড়া আ‌রো দুইজন আহত হ‌য়ে‌ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ০২:১৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা, পোস্ট মাস্টার গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা, পোস্ট মাস্টার গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় মিনহাজ উদ্দিন (৫০) নামের এক পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে মামলার আইও টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। এরআগে শুক্রবার (২৫ মার্চ) তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

গ্রেপ্তারকৃত  মিনহাজ উদ্দিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এরআগে একই মামলায় গত ২৩ মার্চ করটিয়া বেপারীপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে মিরাজ (২০) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে দুইজনেই কারাগারে রয়েছে।

আহত ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢেলিকরটিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেন একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত ১৫ মার্চ প্রতিদিনের ন্যায় সকালে সাব্বির হোসেন অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঢেলিকরটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে এলাকার  একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাব্বিরের ওপর এলোপাথাড়িভাবে আঘাত করে। এসময় তার মাথায়, হাত এবং পায়ে দেশীয় অস্ত্রের কোপের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ওপর পড়ে যায়। সাব্বিরের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ওই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে সাব্বিরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বাদি হয়ে ২১ মার্চ ১৩ জনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, এ হামলার ঘটনার প্রতিবাদ ও অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে গত মঙ্গলবার (২২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির পালন করা হয়।

সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর বর্বরোচিত হামলার উপযুক্ত বিচার চাই। আমার ছেলেটি বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।’

টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়েছে। আহত সাব্বিরের মা বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

টাঙ্গাইলের ডেপুটি পোস্টমাস্টার (জেনারেল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান ‘বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতারের বিষয়টি শুনেছি। যদি কোনও কর্মচারি মামলাতেই পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়, তাহলে সরকারি আইনে তাকে সাসপেন্ড করা হয়। অফিস খুললে তথ্য সংগ্রহ করে তাকে সাসপেন্ড করা হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ১২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শনিবার(২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ  টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

কর্মসূচির মধ্যে ছিল- প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলা সদরের শহীদ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোকসজ্জা, কুচকাওয়াজ, খেলাধূলা, আলোচনা সভা, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থণা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ইত্যাদি।

শনিবার দুপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে  টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদকায়সার,পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,  সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আনছারী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সাবেক কমান্ডার খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ১২:৫৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের স্কুল ছাত্র রাহাত(১৪) হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাব।শনিবার(২৬ মার্চ) দুপুরে র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে  ওই হত্যাকান্ডের বিস্তারিত গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তুলে ধরেন।

র‌্যাব কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান জানান, বন্ধুকে এতিম বলায় জীবন দিতে হয় স্কুলছাত্র রাহাতকে (১৪)। শুক্রবার (২৫ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত রাহাতের বন্ধু বিপ্লব র‌্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়।

তিনি আরো জানান, রাহাত ও বিপ্লব দুই বন্ধু। তাদের বাড়িও পাশাপাশি। মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাতে বিপ্লব ও রাহাত কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে বসে লুডু খেলছিল। এ সময় বিপব্লকে কয়েকবার রাহাত এতিম বলে সম্বোধন করে। এ কারণে রাহাতের ওপর ক্ষিপ্ত হয় বিপ্লব এবং রাহাতকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় । পরে বিপ্লব বাজারের একটি দোকান থেকে ব্লেড ও সিগারেট কেনে। এরপর সে সিগারেট খাওয়ার কথা বলে রাহাতকে কাগুজিপাড়া এলাকার একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। সিগারেট খাওয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপ্লব ব্লেড দিয়ে রাহাতের গলায় পোচ দেয়। এসময় রাহাত চিৎকার দিলে বিপ্লব মুখ চেপে ধরে আরও কয়েকবার পোচ দেয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে কাদা-মাটির মধ্যে রাহাতের মুখ চেপে ধরে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহ পাশের পুকুরে ফেলে দিয়ে রাহাতের মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়িতে চলে যায় বিপ্লব। বাড়িতে গিয়ে সে গোসল করে এবং তার রক্তমাখা জামা-কাপড় ধুয়ে ফেলে।

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের আরো জানান, শুক্রবার (২৫ মার্চ) তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে কালিহাতী থেকে বিপ্লবকে আটক করার পর র‌্যাবের কাছে সে এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দেয়। পরে তার ঘর থেকে তার জামা-কাপড় ও নিহত রাহাতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া এলাকা থেকে রাহাতের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাহাত বানিয়ারা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। সে বল্লা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র ছিল। আটককৃত বিপ্লব বানিয়ারা গ্রামের নুবু মিয়ার ছেলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২২ ০৯:১০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের কার্ড পাঠিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের কার্ড পাঠিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের কার্ড পাঠিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, এনজিওসহ নানা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নে। তবে নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার বলছেন, সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান নিয়ে একটি সভা করে উপস্থিত সবার কাছে যথাসাধ্য সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। চাঁদা দাবির বিষয়টি তিনি অবগত নন।

আরো পড়ুনঃ চাকরিতে যোগদানের আগেই প্রীতির বুক ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো ঘাতক বুলেট!

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২৫ ও ২৬ মার্চ দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহনের অজুহাতে চাঁদা আদায়ের ঘটনাটি ঘটেছে।

গত ৬ মার্চ নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদারের নির্দেশে একটি সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভার মাধ্যমে নারান্দিয়া ইউনিয়নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চাঁদার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এ অনুসারে প্রাথমিক স্কুলের জন্য তিন হাজার, উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পাঁচ হাজার আর নারান্দিয়া বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ধার্য করা হয়। চাঁদা উত্তোলন ও আমন্ত্রণপত্র বিতরণের জন্য কর্মীও মনোনীত করা হয়। মনোনীত কর্মীদের প্রধান হিসেবে কাজ করেন ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে লুহুরিয়া বি এইচ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুলতান জাগো নিউজকে বলেন, ইউনিয়নের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের কার্ড দিয়ে পাঁচ হাজার টাকার চাওয়া হয়েছিল। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা বলে আমার স্কুলে কার্ড নিয়ে আসেন ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া। পরে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক তাকে দুই হাজার টাকা দিয়েছেন বলে আমাকে জানান।

তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এভাবে চাঁদা নেওয়াটা অসম্মানের বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সৈয়দা নুরজাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব মিটিং ডেকে আমাদের কাছে সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তবে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিতে আসা ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবি করা টাকা দেওয়া না হলেও আমরা সহযোগিতা করেছি।
জানতে চাইলে ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পালিমা গ্রামের মো. মানিক মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, আমি স্কুলে স্কুলে ইউনিয়নের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের চিঠি পৌঁছে দিয়েছি। তবে আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি।

এদিকে, নারান্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের সমিতির সদস্য সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিক। অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যয় বহনের জন্য চেয়ারম্যান সাহেব প্রতিটি দোকান থেকে চাঁদা তোলার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। আমাদের বাজার সমিতির সেক্রেটারিকে প্রতি দোকান থেকে টাকা উত্তোলন করতে বলা হয়েছিল। তবে আমরা সেটির সমর্থন দিইনি। তবে এরপরও ছাত্রলীগ নেতা সোলায়মান, সাবেক ইউপি সদস্য সামছুল ও আবু বক্কর নামে তিনজন চেয়ারম্যান সাহেবের পরিচয় দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপনের আমন্ত্রণপত্র দিয়ে কয়েকটি দোকান, ব্যাংক, এনজিও এবং স্কুল থেকে টাকা নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঢালাওভাবে সব দোকান থেকে চাঁদার টাকা উত্তোলন করতে না পারলেও ইউনিয়নের জনতা ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক, ভূমি অফিস ও কয়েকটি স্কুল থেকে ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার জাগো নিউজকে বলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও পরিষদের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ কারণে আমরা স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে নিয়ে ৬ মার্চ একটি প্রস্তুতি মিটিং করি। ওই মিটিংয়ে উপস্থিত সবাইকে সহযোগিতা করতে বলেছিলাম। তবে অনুষ্ঠানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের কেউ কারও কাছ থেকে কোনো টাকা উত্তোলন করেননি। দল কী করেছে সেটি আমার জানা নেই।

তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানের সব ব্যয়ভার বহন করছে ইউনিয়ন পরিষদ। এরপরও যদি কেউ টাকা নেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ আমার কাছে করেন, তাহলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো।

এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হুসাইন বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যয়ভার বহন করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এ ধরনের অনুষ্ঠানের নামে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২২ ০৩:০৪:এএম ৪ বছর আগে
নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত - Ekotar Kantho

নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার (২৫ মার্চ) সকালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম গণকবরে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সহ গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

আরো পড়ুনঃ ঢাকায় শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব “সেলুলয়েডে বঙ্গবন্ধু”

পুস্পস্তবক অর্পণ ও দোয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমান ফজলু সহ গ্রামবাসী।

পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে বনগ্রামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসেন,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.হুমায়ুন কবীর, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, প্রমুখ।

আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধা, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের বনগ্রাম রসুলপুরে (২৫ অক্টোবর) বর্বরোচিত হামলা করে পাক হানাদার বাহিনী। হামলায় নিরীহ গ্রামবাসী সহ ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা সহ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয় বসত বাড়ি। সেই সাথে পুড়িয়ে মারা হয় অসংখ্য অসহায় গবাদি পশু। এমন হত্যা যজ্ঞ শেষে পাক হানাদার বাহিনী চলে গেলে গ্রামবাসীদের সহায়তায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া হয় গণ কবর। সেই থেকে প্রতি বছর এই দিনে (২৫ মার্চ) শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাতে মুক্তিযোদ্ধা, উপজেলা প্রশাসন ও নিহত মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সহ গ্রামবাসীরা ছুটে যান এই গণ কবরে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২২ ০৩:৪৭:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।