/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে মহান শহিদ দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহান শহিদ দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ বিনম্ব শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্যদিয়ে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহিদ দিবস পালিত হয়েছে।

একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের পুষ্পস্তবকের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।

এসময় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

পরে জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা পরিষদ, পিবিআই, নৌ পুলিশ, পৌরসভা, সদর উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনতা শহিদদের স্মরণে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান।

এছাড়া জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তারকৃত ৬ ডাকাত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তারকৃত ৬ ডাকাত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তরকৃত ছয় ডাকাতের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার(২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর থানা আমলী আদালতের বিচারক মনিরা সুলতানা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পরিদর্শক তানবীর আহমেদ।

তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাতকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায়। আদালত শুনানী শেষে প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার ক্ষিদ্র মাটিয়া গ্রামের মোতালেবের ছেলে ইউসুব আলী (৪২), পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার ধানুয়াঘাটা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে নুরুল ইসলাম(৩৬), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কাঠুয়া যুগনী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল (৩১), একই গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. ইদুল মিয়া (২০) ও মো. সুরুত আলীর ছেলে সহিদুল ইসলাম (৩০) এবং একই উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের মো. জহর আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩০)।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় একদল লোক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত ছয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর ৪-৫ ব্যক্তি দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি সুইস গিয়ার ছুঁরি, একটি শাবল ও গাড়ি থামানোর জন্য রশিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হলুদ ও নীল রংয়ের একটি মিনিট্রাকও (ঢাকা মেট্রো-ড-১২-৩৩৮৩) জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:৩৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরে কাটা পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরে কাটা পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাচার সাথে ঘুরতে গিয়ে কৃষি কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টরে পিষ্ট হয়ে ইমন (৯) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের চাপাইদ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু মধুপুর পৌরসভার বিপ্রবাড়ী এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। সে মধুপুর মুকুল একাডেমির দ্বিতীয় শ্রেনীতে অধ্যায়নরত ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলা চাচা আলহাজ উদ্দিন প্রতিদিনের মত কৃষি হালচাষের জন্য ট্রাক্টর নিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় আদরের ভাতিজাকে সাথে নিয়ে যান। ভাতিজা ইমনকে পাশে বসিয়ে জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করছিলো। চাচার অজান্তে শিশুটি ট্রাক্টরের নিচে পড়ে পিষ্ট দেহ খণ্ড বিখণ্ড হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই শিশুটির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

এ প্রসঙ্গে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন (বিপিএম) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে রেল স্টেশনের ঘারিন্দায় ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। তার নাম সীমান্ত সরকার পরিমল (৪৭)। তার বাবার নাম মৃত পলান সরকার। তার বাড়ি টাঙ্গাইল পৌর শহরের প্যারাডাইস পাড়ায়। শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত পরিমলের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত পরিমল টাঙ্গাইল শহরের ছয়আনি বাজারে ‘সীমান্ত সুইটস’ নামের একটি দোকানের মালিক ছিলেন। অপর একটি নারীর সাথে পরিমলের পরকিয়া প্রেম চলছিল। এ কারণে তার স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। দুই সন্তানকে নিয়ে তিন বছর আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যান। আত্মহত্যার আগে পরিমল তার ফেসবুক প্রোফাইলে তার মৃত্যুর জন্য এক নারী ও এক পুরুষকে দায়ি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এছাড়াও ব্যবসার কারণে তিনি ঋণগ্রস্থ হন। অর্থনৈতিকভাবে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দু’চিন্তায় ছিলেন। কয়েকজন পাওনাদার তাকে টাকার জন্য চাপ দিয়ে ছিলেন। দাম্পত্য কলহ, পরকিয়া ও ব্যবসায়ীক ক্ষতির কারণে ঋণ গ্রস্থসহ নানা দু’চিন্তার কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের ঘারিন্দার রেল স্টেশনের সহকারী রেল মাষ্টার আব্দুল আলিম জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিত্রা এক্সেপেস ট্রেনটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে ঘারিন্দা স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ৫ মিনিটি অপেক্ষা করার পর। ট্রেনটি যখন ঢাকা অভিমুখে যাচ্ছিল। তখন স্টেশন থেকে ১০০ গজ দূরে গিয়ে সীমান্ত সরকার পরিমল ট্রেনের নিচে ঝাপ দেয়। ট্রেনের নিচে কাটা পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৫:২৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাড়ে ৩ কোটি টাকা নিয়ে এনজিও উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাড়ে ৩ কোটি টাকা নিয়ে এনজিও উধাও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সোসাইটি ফর হিউম্যান ইউনিটি অ্যান্ড রিসোর্সেস ইউটিলাইজেশন (শুরু) নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন গ্রাহকেরা। তাদের অভিযোগ, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন এনজিওটির নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাকা ফেরত পেতে সদর উপজেলার গালা গ্রামে ওই এনজিও কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন গ্রাহকেরা। মানববন্ধন চলাচলে বক্তব্য দেন ওই এনজিও-র ভুক্তভোগী সদস্য তারেক হাসান, আলী আহম্মদ, জয়নু বেগম, অঞ্জনা বেগমসহ অনেকেরা।

তাদের দাবি, গ্রাহকেরা কেউ বাড়ি বিক্রির টাকা, আবার কেউ প্রবাসী মৃত সন্তানের টাকা, দিন মজুরদের জমানো টাকাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ একটু লাভের আশায় এ এনজিওতে টাকা রেখেছিলেন। কয়েক বছর লাভ পেলেও বছর দুয়েক আগে থেকে সেই লাভ দেওয়া বন্ধ করে দেয় এনজিও কর্তৃপক্ষ।

এমনকি গত ছয় মাস ধরে গ্রাহকদের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।

গ্রাহকেরা জানান, ১২ বছর আগে গালা গ্রামের মাজেদুর রহমান, আবু সাইদ, আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন মিলে শুরু নামের এনজিওটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে গ্রামের মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিরীহ কৃষক ও দিন মজুররাও টাকা রাখেন। এমনকি অনেক প্রবাসীরাও টাকা রেখেছেন। তিন শতাধিক গ্রাহকের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে এনজিও নির্বাহী পরিচালক মাজেদুর রহমান উধাও হয়েছেন।

ফলে প্রতারণার স্বীকার হয়ে কষ্টে অর্জিত টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গ্রাহকেরা।

প্রতারণার শিকার বৃদ্ধ আলী আহম্মদ বলেন, আমার চার মেয়ে ও এক ছেলে। ১০ বছর আগে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় আমার ছেলে মারা যায়। সেখান থেকে পাওয়া দুই লাখ টাকা শুরু এনজিওতে রেখেছিলাম। সেই দুই লাখ টাকা নিয়ে মালিক পালিয়েছে। আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

শারিরীক প্রতিবন্ধী শাহজাহান মিয়া বলেন, আমি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারি না। তাই বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভিক্ষা করে জীবন যাপন করি। সেই টাকা থেকে জমিয়ে এক লাখ টাকা ১২ বছর আগে জমা করেছিলাম। সেখান থেকে আমি কোনো লাভ নেই নি। সেই টাকা নিয়েও মালিক পালিয়েছে।

৬০ বছরের বৃদ্ধা জয়নু বেগম বলেন, আমার বাড়ি বিক্রি করা চার লাখ টাকা এ এনজিওতে রেখেছিলাম। আমার টাকা নিয়ে মালিক পালিয়ে যাওয়ায় আমি এখন নিঃস্ব।

প্রতারণার অভিযোগে শুরু এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক মাজেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, একটি প্রতারক চক্র মিলে এনজিওটি করেছিল। আমরা তাদের কোনো অনুমতি দেই নি। তবে আমরা ওই কমিটি বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:১২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উত্তেজনা সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমা শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উত্তেজনা সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমা শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউয়িনের ভাতকুড়া গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে তাবলিগ জামাতের সাদপন্থীদের জেলা ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, বিশৃংখলা এড়াতে শহরে ও ইজতেমাস্থলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১৬ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে এই ইজতেমা শুরু করা হয়।

অপরদিকে জুবায়েরপন্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে আলোচানার পর বুধবার(১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতেই শহরের মারকাজ মসজিদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।

জানা যায়, তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমার আয়োজনকে ঘিরে সাদ ও জুবায়েরপন্থীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জুবায়েরপন্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এই আয়োজন বন্ধের দাবি জানায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েরপন্থীরা অভিযোগ করেন, ভাতকুড়া এলাকার ইজতেমায় নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হবে। তাই তারা ইজতেমার বন্ধের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার ভাতকুড়ায় গিয়ে দেখা যায়, বিশাল মাঠজুড়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার মুসল্লি অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

ইজতেমা আয়োজক কমিটির খাদেম মুফতি মোস্তফা খলিল চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর থেকে ইজতেমার মূল আমল শুরু করা হয়েছে। ফজর থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত তিনি প্রথমে বয়ান করেন। এরপর সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তালিমের মৌজ নিয়ে আলোচনা করেন মুফতি শহিদুল্লাহ। এরপর বিদেশি মেহমানেরা পুরো ইজতেমা মাঠকে ২০ ভাগে ভাগ করে আলাদা আলাদা তালিম করেছেন। জোহরের পর সৌদি আরবের মেহমান শেখ মোহাম্মদ আল খামিদ বয়ান করেন। আসরের নামাজের পর ঢাকার মাওলানা এহসান বয়ান করছিলেন।

তিনি আরো জানান, মাগরিবের নামাজের পর ঢাকার মুফতি ওসামা ইসলাম বয়ান করবেন। ইজতেমার প্রধান মাঠে ১২ হাজার মুসল্লি রয়েছেন। এছাড়া আশপাশের মাঠে আরও তিন হাজার মুসল্লিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। আগামিকাল শুক্রবার(১৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজে ১৫ হাজারের বেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

অপরদিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েরপন্থী ও টাঙ্গাইল জেলা কওমী ওলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শামছুল হক কাসেমী জানান, নেজামউদ্দিন অনুসারী সাদ পন্থীরা তাবলীগ জামাতের নামে ইসলামের অপব্যাখ্যা করে মুসলমানের মাঝে বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বশীল কিছু কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। এতে তাদের দাওয়াতি কাজকর্ম ব্যপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই বিষয়গুলোর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এদিকে সাদপন্থী তাবলীগ জামাতের জেলার জিম্মাদার এনামুল হক জানান, তাদের যেসব সদস্য টঙ্গী ইজতেমায় যেতে পারেনি তাদের জন্য মূলত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে তিন দিনব্যপী ইজতেমা শুরু হয়েছে। এখানে ৯টি দেশের তাবলীগ জামাতের সদস্যরা অংশ নিচ্ছে। তারা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইজতেমার আয়োজন করেছেন। মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে কওমী ওলামা পরিষদ।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, জোবায়েরপন্থী কওমী ওলামা পরিষদের লোকজন তার কাছে গিয়েছিলেন। তাদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান পালনের জন্য বলা হয়েছে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কোন ধরণের সংঘর্ষে জড়াবেন না। তারপরও বিশৃংখলা এড়াতে শহরে ও ইজতেমাস্থলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাবা আউয়ালকে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আসাদুজ্জামান মিয়াকে (৫০) আটক করেছে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪, সিপিসি-০৩ এর সদস্যরা।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন মোগরাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।

২০১৩ সালে বাবা আউয়ালকে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে তার ছেলে আসাদুজ্জামান হত্যা করিয়েছিল। সাক্ষী-প্রমাণ শেষে ২০২০ সালে আসামিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেন বিচারক।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ২০১৩ সালের টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার চাঞ্চল্যকর আউয়াল হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন মোগরাপাড়া এলাকায় আত্মগোপনে আছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামি নিজের বাবাকে হত্যার উদ্দেশে চারজন ভাড়াটিয়া খুনির সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩০ জুন রাত ১টার দিকে আসামির বসতবাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব পাশের বারান্দা চৌকির ওপর তার বাবা আউয়ালকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামল কুমার দত্ত বাদী হয়ে ১টি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরো জানান, হত্যা মামলায় বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, ২য় আদালত, টাঙ্গাইল বিচার শেষে গত ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। মামলার বিচারকাল থেকে আসামি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, ‘আসামিকে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করে মির্জাপুর থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের হরিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মধুপুর উপজেলার শামীম, ঘাটাইল উপজেলার লাউয়াগ্রাম এলাকার শহীদ হোসেনের ছেলে সোনামিয়া ও অস্টোচল্লিশা এলাকার আলমগীর হোসেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত ওই তিন জন মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে ঘাটাইলের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলটি মহাসড়কের উপজেলার হরিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীতমুখী একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়।

এবিষয়ে ঘাটাইল থানার এসআই বাবুল হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ঘাটাইল থানায় নেওয়া হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৬:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মানবপাচার চক্রের সদস্য আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মানবপাচার চক্রের সদস্য আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কর্মরত র‌্যাব সদস্যরা মো. হাফিজুর রহমান (৪৫) নামে মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার(১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত হাফিজুর রহমান টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাড়ি(নাগবাড়ি) গ্রামের আ. ছাত্তারের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র‌্যাব-১৪ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

র‌্যাব-১৪ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালায়।

অভিযানে ৮টি পাসপোর্ট, দুইটি চেক বই, একটি ডেবিট কার্ড ও নগদ ১০ হাজার ১৬০ টাকা সহ লিবিয়ায় মানবপাচার চক্রের সদস্য মো. হাফিজুর রহমানকে আটক করে।

র‌্যাব আরও জানায়, মো. হাফিজুর রহমান তার গ্রামের লিটন নামে এক যুবককে ভালো বেতন ও থাকা-খাওয়ার সুবিধার নিশ্চয়তায় লিবিয়ায় পাঠায়। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তি লিটনকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তার বাবার কাছে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। লিটনের বাবা আ. ছাত্তার ছেলের কথা ভেবে মো. হাফিজুর রহমানকে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি আ. ছাত্তারের ইমু নম্বরে লিটনকে মারপিটের ভিডিও পাঠায় এবং আরও ১৩ লাখ টাকা দিতে বলেন। অন্যথায় লিটনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় লিটনের বাবা আ. ছাত্তার ঘাটাইল থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে টাঙ্গাইলে কর্মরত র‌্যাব সদস্যরা অত্যধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অবস্থা শনাক্ত করে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. হাফিজুর রহমানকে আটক করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বেড়ি বাইদ ইউনিয়নের শালবন থেকে অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শালবনের বড় বাইদ এতিমখানার পাশের উত্তর জাঙ্গালিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশের এলাকায় স্থানীয় লোকজন কাজে গেলে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দেয়।

অরুণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অন্যস্থান থেকে এনে মরদেহটি এখানে ফেলে রেখে গেছে। উদ্ধারকৃত নারীর মুখ বিকৃত হয়ে গেছে। মরদেহে পচন ধরেছে। টাঙ্গাইল থেকে সিআইডি টিম এসে তদন্ত করবে।

তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যদি পরিচয় পাওয়া যায়, তাহলে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রী’র রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রী’র রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ( ১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সদরের ঘিওরকোল গ্রামে ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্য নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন।

নিহতের নাম হালিমা আক্তার (২৬)। তিনি উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের কোনড়া গ্রামের প্রবাসী মামুন মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলা সদরের ঘিওরকোল গ্রামের নজরুল ইসলামের বাসায় স্ত্রী নিয়ে প্রবাসী মামুন ভাড়া থাকেন। সোমবার দুপুরে স্ত্রীকে বাসায় রেখে চলে যান ওই প্রবাসী। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হালিমা রুমের দরজা আটকে দেন। পাশে রুমেই কাজ করছিলেন হালিমার মা ও মেয়ে। দরজা আটকানো দেখে হালিমার মা তার খালাতো ভাই শরিফুলকে মুঠোফোনে ফোন করে ডেকে আনেন। পরে শরিফুল আসলে রুমের দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে রাত ৯টার দিকে সিএনজি যোগে গ্রামের বাড়ি কোনড়া নিয়ে যান। পুলিশ খবর পেয়ে ওই রাতেই প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত হালিমার কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, তারা দরজা ভাঙ্গার শব্দ শুনে হালিমার বাড়ির গেটের সামনে আসলে মেয়ের মা ও তার খালাতো ভাই শরিফুল বাসার ভিতর ঢুকতে দেয়নি তাদের। পাশের আরেক ভাড়াটিয়াও জানেন না কি হয়েছে সোমবার বিকেলে। শুধু তারা তাদের বললো সে হার্ট এ্যাটাক করছে।

প্রবাসী মামুন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি কল কেটে দেন।

নিহত হালিমার মা কমলা বেগম জানান, তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি আর কিছু বলতে পারবেন না।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে সোমবার রাতেই লাশ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে পানিতে ডুবে মো. সাদ নামের সাড়ে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের গিলাবাড়ি উত্তর পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিশু সাদ উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের গিলাবাড়ি উত্তর পাড়া গ্রামের লাবু সরকারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, শিশুর মা বাড়িতে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় শিশু সাদ বাহিরে খেলা করছিল। কিছুক্ষণ পর ছেলেকে দেখতে না পেয়ে মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তাকে বাড়ির পাশে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মরিয়ম আক্তার হ্যাপি জানান, হাসপাতালে আনার পূর্বেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৮:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।