/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে ভারতেশ্বরী হোমসের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভারতেশ্বরী হোমসের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কুমুদিনী হাসপাতালের ইনসেন্টিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেনে মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক মো. মজিবর রহমান।

নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মেহজাবিন সায়মা। তিনি ভারতেশ্বরী হোমসের দ্বাদশ শ্রেণী ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নড়াইল জেলার নরাগাথি থানার কালিয়া উপজেলার জোগানিয়া গ্রামের কিয়ামত আলী সিকাদারের মেয়ে বলে জানা গেছে।

নিহত ওই ছাত্রীর বাবা মো. কিয়ামত সিকদার জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হোমস থেকে তাকে যত দ্রুত সম্ভব তাকে আসতে বলা হয়। হোমস কর্তৃপক্ষ জানায় তার মেয়ে বাথরুমের ঝর্ণার সাথে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতেশ্বরী হোমস কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে বলে দাবি করেন।

তবে এ ব্যাপারে সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও হোমস কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি সোমবার দুপুরের পর থেকে ভারতেশ্বরী হোমসে প্রবেশাধিকারেও ছিলো কড়াকড়ি অবস্থান।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, সংবাদ পাওয়ার পর আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পাঠাভ্যাস উন্নয়নে শিক্ষক-উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পাঠাভ্যাস উন্নয়নে শিক্ষক-উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি’র শিক্ষক-উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইডিপি) আওতায় স্ট্রেংদেনিং রিডিং হ্যাবিট অ্যান্ড রিডিং স্কিলস অ্যামাং সেকেন্ডারি স্টুডেন্টস স্কিমের পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

এই কর্মশালায় ভুয়াপুর উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও একজন সহকারী শিক্ষক (লাইব্রেরি ও তথ্য বিজ্ঞান) ও সংগঠক অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে সামগ্রিক ধারণা প্রদান করা হয়।

ভুয়াপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোছাঃ নারগিস বেগম।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান , ইব্রাহীম খাঁ সরকারি কলেজেরের অধ্যাপক মোঃ আশরাফ হোসেন।

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির মনিটরিং অফিসার নঈম জাহাঙ্গীর পরাগ।

অনুষ্ঠানে পাঠাভ্যাস উন্নয়ণ কর্মসূচির উপর বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন টিম ম্যানেজার মোঃ আবু হুরায়রা।

পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনা করেন অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার মোঃ ইকবাল হাসান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার বিদ্যাপতি বিশ্বাস, ডেপুটি টিম লিডার ( প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, বর্তমান সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে মানিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সৃজনশীল বই পড়া উচিত।

কর্মশালায় পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় :

স্কিমভুক্ত সকল মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা;

উপজেলা পর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণ ও মূল্যায়ন কর্মশালা আয়োজন করা;

প্রতিষ্ঠানে বই পড়া ব্যবস্থাপনা তদারকি করা; বই পড়ার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে পুরস্কার প্রদান করা;

প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরির মান উন্নয়নে সহযোগিতা করা; বই পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা;

অনলাইনে বইপড়া কার্যক্রম ও ডিজিটাল লাইব্রেরি তৈরি করা।

তাদের বয়স ও মন-উপযোগী সুন্দর সুখপাঠ্য এবং উন্নত মানসম্পন্ন বাংলা ও ইংরেজি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১২:০৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, শাশুড়ি রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, শাশুড়ি রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খাদিজা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে হালিমন বেগম নামে এক শাশুড়িকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের রুপন কুমার দাস এ রায় দেন। হালিমন বেগম কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামের আমির আলীর স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাড়ে চার বছর আগে হালিমন বেগমের ছেলে সৌদি প্রবাসী আবু হানিফের সাথে পার্শ্ববর্তী বলদী গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে আড়াই বছরের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। খাদিজাকে তার শাশুড়ি বিভিন্নভাবে অত্যাচার করতেন। হত্যার দুই দিন আগে শাশুড়ির খাদিজার স্বর্ণের চেন হারানো নিয়ে নিয়ে ঝগড়া হয়। গত বছরের ২৯ মে সকালে খাদিজা আক্তার রোববার সকালে স্ট্রোক করেছে বলে খাদিজাকে হাসপাতালে নিয়ে যান তার শাশুড়ি। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হলে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরে ওই দিন কালিহাতী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর নিহত খাদিজা আক্তারের ভাই শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে কালিহাতী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় শাশুড়ি বাছিরন বেগমকে প্রধান আসামি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালিহাতী থানার এসআই আলামিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শাশুড়ি পলাতক ছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় বিশেষ গাড়ি করে রাজশাহী থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তিনি আরও বলেন, এ মামলায় খাদিজার ননদ কমলা বেগম ও প্রতিবেশি মনা বেগম গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও শ্বশুর আমির আলী ও প্রতিবেশি রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। অপর আসামি প্রতিবেশি মোন্নাব কারাগারে রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২৩ ০৬:০৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ গ্রেপ্তার ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ গ্রেপ্তার ৫

একতার কণ্ঠঃ বন রক্ষীদের কাছ থেকে কাঠ বোঝাই গাড়ি ও গুলি ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিন বনদস্যুকে আটক করেছে র‌্যাব। একইসঙ্গে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ দুই প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গত ২৫ জানুয়ারি গভীর রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের অরণখোলা এলাকায় গজারী গাছ কেটে তা পাচার করছে বলে গোপন সংবাদ পান বন কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম। এরপর বন রক্ষীদের নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে বাঁধা দিলে ২৫/৩০ জন বনদস্যু তাদের বেদম মারপিট করে। এ সময় বনকর্মকর্তার কাছে থাকা রাইফেলের চার রাউন্ড গুলি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওইদিন মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পাঁচদিন পর র‌্যাব সদস্যরা টাঙ্গাইল ও গাজিপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে ছিনতাই হওয়া গুলি এখনও উদ্ধার করা যায়নি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ভুটিয়া গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে শাহাদত আলী (৩৫), একই এলাকার ছোরহাব ভূইয়ার ছেলে মালেক (৪২) ও একই এলাকার আব্দুল কদ্দুসের ছেলে মো: সাইদুল ইসলাম (৩০)।

একই দিনে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। র‌্যাব-১৪ এবং র‌্যাব-৮ এর যৌথ অভিযানে কথিত জ্বীনের বাদশা ও তার সহযোগীকে ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানার চকঢোষ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, একই জেলার চকঢোষ গ্রামের আবুল কাশেম মাতাব্বরের ছেলে মো. আকবর আলী ও জলির মাতব্বরের ছেলে মো. মিরাজ হোসেন।

র‌্যাব -১৪ এর ৩নং সিপিসি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে কথিত জ্বিনের বাদশা আকবর আলী। ধর্মীয় নানা প্রভোলন দেখিয়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে সাত লাখ টাকার বেশী হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ওই প্রবাসীর স্ত্রী বাদি হয়ে কাালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে র‌্যাব সদস্যরা প্রতারক চক্রকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:৩১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয় (৩০) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) দিনগত রাতে মির্জাপুর ট্রেন স্টেশনের কাছে বংশাই রোড রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে স্থানীয় লোকজন খন্ডবিখন্ড মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে ট্রেন স্টেশনে খবর জানায়। কোন ট্রেনে কাটা পড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি মির্জাপুর অতিক্রম করে বলে জানা যায়।

মির্জাপুর ট্রেন স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কামরুল হাসান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ সোমবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:১৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পাহাড়ি টিলা কাটার অপরাধে গ্রেপ্তার ৮ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পাহাড়ি টিলা কাটার অপরাধে গ্রেপ্তার ৮

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই-সখিপুর সড়কের পাঁচগাও গ্রামের হোসেন মার্কেট এলাকায় রাতের আধারে ভেকু মেশিন(মাটি কাটার যন্ত্র) দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড়ি টিলার মাটিকাটার অপরাধে আট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এসময় মাটি বোঝাই পাঁচটি ড্রাম ট্রাকও জব্ধ করা হয়। শনিবার(২৭ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই গন্ধব্যপাড়া গ্রামের বিপ্লব সরকার(২৫), আজগানা গ্রামের নাহিদ সিকদার(১৫), গোড়াই সৈয়দপুর গ্রামের জালাল মিয়া(৪৫), বেলতৈল গ্রামের ফারুক মোল্লা(২৪), একই গ্রামের খাইরুল ইসলাম(২১), আলামিন(২৪), গাজীপুর জেলার টঙ্গি থানার পলাসোনা গ্রামের মামুন মিয়া(২৮) ও গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি থানার তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের মো. মাজু শেখ(২৭)।

গ্রেপ্তারকৃতরা উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের গায়রাবেতিল ও তরফপুর ইউনিয়নের টাকিয়া কদমা নয়াপড়া সাকিন্থ জনৈক শবদের মেম্বারের বাড়ির দক্ষিণ পাশের পাহাড়ি টিলা থেকে ভেকু মেশিন(মাটি কাটার যন্ত্র) দিয়ে মাটি কেটে ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করছিল।

টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর জানান, রাতের আধারে ভেকু মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড়ি টিলার মাটিকেটে তারা পরিবেশ ধবংস করছিল। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬ (খ) এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ৫ (১) ধারা লঙ্ঘন করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আটজনকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২৩ ০৫:০৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী’র আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী’র আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে হিয়া আক্তার (১২) নামে এক স্কুলছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে মির্জাপুর পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম।

হিয়া আক্তার উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের হিলরা গ্রামের ইতালী প্রবাসী মো. হাশেম মিযার মেয়ে। সে মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।

হিয়া তার মায়ের সঙ্গে মির্জাপুর কাঁচাবাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতো।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানা যায়, শুক্রবার সকালে হিয়ার মা সেলিনা আক্তার তাকে বাসয় রেখে বাজারে কেনাকাটা করতে যান। বাজার থেকে ফিরে বাসার প্রধান দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পাশের বাসার লোকজনের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখা যায় হিয়া তার নিজের কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় উড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন , স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:০১:এএম ৪ বছর আগে
সমাবেশ সফল করতে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা - Ekotar Kantho

সমাবেশ সফল করতে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৪ ফেব্রুয়ারি সমাবেশ সফল করার লক্ষে প্রস্তুতি সভা করেছে জেলা বিএনপি। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের হবিবুর রহমান প্লাজায় অবস্থিত শর্মা হাউজে ১০ দফা দাবিসহ সন্ত্রাস, দলীয় নেতাকর্মীদের দমন-নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে দেশব্যাপী সমাবেশ করার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

এসময় জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, তাঁতী দলসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:১৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নতুন বই পেল সুবিধাবঞ্চিত শিশু শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নতুন বই পেল সুবিধাবঞ্চিত শিশু শিক্ষার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ ওরা সমাজের অসহায়, ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু। নতুন বছর উপলক্ষে নতুন বই পেয়ে তারা দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। এ সময় বই হাতে পেয়েই কখনো হর্ষধ্বনি দিয়ে উঠে আবার কখনো একসঙ্গে বই উঁচু করে দেখাচ্ছিল শিশু শিক্ষার্থীরা। এ যেন এক অন্য রকম উৎসব। তাদের আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে অভিভাবকদের মাঝেও।

নতুন বছরে নতুন বই পেয়ে শিশু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের এমন আনন্দ-উল্লাসের দৃশ্যটা চোখে পড়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামের বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে শিশুদের মধ্যে বিনামূল্যে বই বিতরণের এক অনুষ্ঠানে।

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে এই বই বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পাঠাগারটি। এ সময় পাঠাগার কর্তৃপক্ষ শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ২ শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের ৪ শতাধিক শিশুতোষ বই বিতরণ করা হয়।

নতুন বই পাওয়ার অনুভূতির বিষয়ে জানতে চাইলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার বলেন, ‘আমার গল্পের বই পড়তে ভালো লাগে, মাঝে মাঝে পাঠাগারে এসে বই পড়ি। আজ স্কুলের জন্য নতুন বই উপহার পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।’

বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. কামরুজ্জামান বলেন, বই শিশুর বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি ও মনের সুপ্ত ভাবনার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে। শিশু বয়স থেকে শিক্ষামূলক বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এখন বিশেষ প্রয়োজন। এতে করে স্মার্ট ফোন থেকে দূরে থাকবে শিশুরা। সে লক্ষ্যে সমাজের অনেক দরিদ্র, অসহায়, ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বই পড়ার সুযোগ করে দিতে আমরা বিনামূল্যে বই বিতরণ করছি এবং কার্যক্রম চলমান থাকবে।

প্রসঙ্গত, “এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি” স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে ২০১০ সালে তরুণ-তরুণী ও যুবকরা মিলে গড়ে তোলে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি গ্রামের মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণু পাঠাগার স্থাপনসহ শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আর্ত-মানবতার সেবায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:১৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ক্ষমা পেলেন বিদ্রোহী নির্বাচন করা চার উপজেলা চেয়ারম্যান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ক্ষমা পেলেন বিদ্রোহী নির্বাচন করা চার উপজেলা চেয়ারম্যান

একতার কণ্ঠঃ দল থেকে অব্যহতি প্রাপ্ত টাঙ্গাইলের তিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক একজন চেয়ারম্যানকে ক্ষমা ঘোষনা করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে তাদের ক্ষমার বিষয়টি জানানো হয়। ভবিষ্যতে দলের স্বার্থ পরিপন্থি ও শৃংখলা ভঙ্গ না করার শর্তে তারা এ ক্ষমা পেয়েছেন।

ক্ষমাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলা আওয়ামী আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ, কালিহাতী উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম এবং বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন তারা। দুএকজনকে স্থানীয় সংসদ সদস্য সরাসরি মদদ ও সহয়োগিতা করেন। এরমধ্যে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ছাড়া অপর তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতাপুর্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে তারা বিজয়ী হন। এঘটনায় দলের মধ্যে তৈরী হয় ব্যাপক গ্রুপিং এবং অন্তদ্বন্দ। বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে উপজেলা থেকে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের মূলস্রোতে ধাক্কা লাগে। ফলে তাদেরকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি উঠে। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ফেব্রয়ারীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভায় ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দে সিদ্ধান্তক্রমে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শৃংখলা ভঙ্গ করায় ওই চারজনকে দলের সকল পদ ও দলীয় কাযক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

ক্ষমাপ্রাপ্তির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের স্বার্থ আদর্শ শৃংখলা, তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষনাপত্র পরিপন্থি সমপৃক্ততার জন্য ইতিপুর্বে ওই চারজনকে দল থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। তারা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছন। দোষ স্বীকার করে তারা ভবিষ্যতে এ ধরণের কর্মকান্ডে আর যুক্ত না হওয়ার লিখিত অঙ্গিকার করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরণের সংগঠন রিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

দেলদুয়ার উপজেলা পরিসদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ জানান, ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে আমার রাজনৈতিক হাতেখড়ি। প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি থেকে জেলা আওয়ামী লীগে স্থান পেয়েছিলাম। সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজনীতি করে যেতে চাই। দলের আদর্শ নীতি মেনেই ভবিষ্যতে পথ চলবো। আমাকে ক্ষমা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

কাজী অলিদ ইসলাম জানান, ক্ষমা চেয়ে দলের কাছে আবেদন করেছিলাম। অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ক্ষমা করেছে। আমি কৃতজ্ঞ ও খুশি।

অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম জানান, সারাজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। গত উপজেলা নির্বাচনে কর্মীদের অনুরোধ আর আমার আবেগে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি অনুতপ্ত। শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও দলীয় শৃংখলা বজায় রাখতে আর কখনো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাবো না।

ক্ষমাপ্রাপ্তদের অনুসারিরা বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন। যাতে তারা ভবিষতে আর কোন ধরনের বিশৃংখলা ঘটানোর সাহস না পায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের চাপায় কৃষকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের চাপায় কৃষকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ট্যাফে ট্রাক্টরের চাপায় আব্দুল হালিম (৮০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের চকদই চাকলাদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হালিম মিয়া হুগড়া ইউনিয়নের কৃষ্টনগর গ্রামের মৃত মানিক উল্লাহর ছেলে।

জানা যায়, আব্দুল হালিম সকালে তোরাপগঞ্জ বাজারে শীতকালীন সবজি কপি বিক্রি করে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি চকদই চাকলাদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছলে একটি ট্যাফে ট্রাক্টর পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা অবৈধ বালু উত্তোলন ও ট্যাফে ট্রাক্টর বন্ধ এবং চালক ও হেলপারের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।

কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, ‘আমার ইউনিয়নে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এসব বালু অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি অবৈধ ট্যাফে ট্রাক্টরের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। এসব ট্রাক্টরের চালকদেরও লাইসেন্স নেই। গত বছরও অবৈধ ট্যাফে ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে একজন মারা গেছেন। এসব বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গ্যাসের তীব্র সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গ্যাসের তীব্র সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত এক মাস যাবদ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সকালে গ্যাসের সংকট ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করছে। লাইনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় অধিকাংশ বাসাবাড়িতে সকাল বেলা চুলা জ্বলছে না। ফলে রান্না প্রায় এক প্রকার বন্ধ। সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের জন্য কর্মজীবী লোকজনকে আশপাশের হোটেলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের আর্থিক সংকট আরো বাড়ছে।

এ ছাড়া আবাসিকের পাশাপাশি গ্যাস সংকটের কারণে বিসিক শিল্পনগরীসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাস সূত্রে জানা যায়, সারাদেশে ৩ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। উৎপাদন হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে আড়াই হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ঘাটতি থেকে যাচ্ছে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০মিলিয়ন ঘনফুট। যা দেশের বিভিন্ন জেলাগুলোতে সমন্বয় করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ কম থাকে। ভোর থেকে পাইপলাইনে চাপ কমতে শুরু করে। চুলায় যে পরিমাণ চাপ থাকে তাতে রান্না করা যায় না। বেলা ১২টার পর চাপ বাড়তে থাকে। প্রতিদিনই লাইনের গ্যাস নিয়ে সমস্যার কারণে অনেকেই এলপি গ্যাস ব্যবহার শুরু করেছেন। এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে গেছে। এতে গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহার নিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

শহরের প্যাড়াডাইস পাড়া এলাকার গৃহিণী ফারজানা লিজা বলেন, সকালে গ্যাসের চাপ কম থাকে। এতে রান্না করতে অনেক সময় লাগে। এদিকে তাঁর ছেলে ও মেয়ের কলেজে যাওয়ার সময়ও হয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই না খেয়ে তাদের কলেজে যেতে হচ্ছে।

শহরের বটতলা এলাকার বাসিন্দা বিলকিস জাহান বলেন, সকালে কোনো রকম গ্যাস থাকে না। থাকলেও তখন চুলা জ্বলে মিটমিট করে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় এমন অবস্থা থাকে। ফলে সকালের রান্নাবান্নার কাজ রাতেই শেষ করে রাখতে হয়।

পৌর এলাকার কলেজ পাড়ার বাসিন্দা সরকারি চাকরিজীবী পারুল আক্তার জানান, গ্যাসের সমস্যার কারণে তিনি ঠিকমতো রান্না করতে পারছেন না। বর্তমানে প্রায় সময়ই পরিবারের সদস্যদের জন্য নাস্তা বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। এছাড়া তিনি দুপুরের খাবারও বাসা থেকে তৈরি করে অফিসে নিয়ে যেতে পারছেন না। ফলে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

টাঙ্গাইল বিসিক শিল্প নগরীর রাফা ফুড এন্ড বেভারেজের মালিক আব্দুল মালেক জানান, গ্যাস সংকটের কারণে তাদের চলমান পণ্য উৎপাদন এরই মধ্যে চার ভাগের এক ভাগ কমে গেছে। সময়মত গ্যাস সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই বিঘ্ন ঘটছে।

টাঙ্গাইল নাভানা সিএনজি যোগাযোগ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমান বলেন, “গ্যাস সংকটতো রয়েছে। আমরা শতভাগ প্রেসার পাই না। ৭০ থেকে ৮০ ভাগ প্রেসার পাওয়া যায়। এতে করে গাড়িতে গ্যাস দিতে সময় লাগে। গাড়ির লাইন পড়ে যায়।”

টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাস টান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম জানান, টাঙ্গাইলে তাদের প্রতিদিন প্রয়োজন ৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। তারা পাচ্ছেন চাহিদার অর্ধেক ৪০ মিলিয়ন ঘনফুট। তীব্র শীতের কারণে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ঘাটতি বাড়ছে। শীতের কারণে শহরে বেশিরভাগ বাসাবাড়িতে ২৪ ঘণ্টা চুলা জ্বালিয়ে রাখে। সে কারণে গ্যাসের চাহিদা বেড়ে গেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তাদের হিমশিম খেতে হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:০১:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।