/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে মায়ের সাথে অভিমান করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মায়ের সাথে অভিমান করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মায়ের সাথে অভিমান করে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (৩০ জুন) সকালে পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের প্যাড়াড়াইস পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পরীক্ষার্থীর নাম শুভ ঘোষ(১৭)। সে দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের নয়ার চর গ্রামের লিটন ঘোষের ছেলে। লিটন ঘোষ প্যাড়াড়াইস পাড়া এলাকার প্রবাসী আব্দুল করিমের বাসায় ভাড়া থাকেন।
শুভ ঘোষ এ বছর সন্তোষ মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে শুভ তার মা আলো ঘোষের কাছে পরীক্ষার খরচ বাবদ ১৫ শত টাকা চায়। এই নিয়ে মা ও ছেলের মধ্যে মনোমালিন্যের তৈরি হয়। পরে আলো ঘোষ সকালের নাস্তা তৈরি করতে রান্না ঘরে চলে যায়। আর শুভ গোসল করতে বাথরুমে ঢুকে। প্রায় আধা ঘন্টা পর শুভ মা আলো ঘোষ রান্না ঘর থেকে এসে শুভর শোবার ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে, বাইরে থেকে ডাক-চিৎকার শুরু করে। এ সময় শুভর কোন রকম সাড়া-শব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শুভকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। স্থানীয়দের সহায়তায় গামছা কেটে নামিয়ে দ্রুত শুভকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
রবিবার সন্ধ্যায় কাগমারী রানী দীনমনি মহাশ্মশানে শুভর মরদেহ দাহ করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের অনুরোধে ও কোন অভিযোগ না থাকায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী শুভ ঘোষের মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুভ ঘোষ এর অকাল মৃত্যুতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব ও ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন জামান সজল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জুলাই ২০২৪ ০৩:২৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা চাপায় শিশু নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা চাপায় শিশু নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মো. পরান (৪) নামে এক শিশুর অটোরিক্সা চাপায় নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকালে উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অটোরিক্সায় থাকা দুই যাত্রি গুরুত্বর আহত হয়েছেন।

নিহত শিশু পরান উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পোড়াবাড়ি পুর্বপাড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকালে কয়েকজন শিশু মিলে পোড়াবাড়ি-ছোনখোলা আঞ্চলিক সড়কের পাশে বাড়ির উঠানে ফুটবল খেলছিলো । খেলার এক পর্যায়ে বলটি পাকা সড়কে চলে যায়। পরান বলটি দৌড়ে আনতে যেয়ে ফেরার সময় হঠাৎ অটোরিক্সার সাথে ধাক্কা লেগে সড়কে ছিটকে পড়ে যায়।

এ সময় অটোরিক্সার চাকা পরানের বুকের উপর দিয়ে যায়। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ ঘটনায় অটোরিক্সায় থাকা দুইজন যাত্রী আহত হন। আহত যাত্রিদের মধ্যে উপজেলার শান্তানগর গ্রামের সোহরাব হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। অপর আহত অজ্ঞাত মহিলা যাত্রিকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুন ২০২৪ ০৩:২৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত গাড়ি চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত গাড়ি চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অজ্ঞাত গাড়ী চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হওয়ার ঘটনা হয়েছেন।

বুধবার (২৬ জুন) বিকালে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সাতুটিয়া ব্রিজের উপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর নাম দুলাল হোসেন (৬৫)। সে সখিপুর উপজেলার সাপিয়াচালা গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি কালিহাতীতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির‌ এসআই সাইরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত দুলাল হোসেন মোটরসাইকেলযোগে সখিপুর থেকে কালিহাতীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার সাতুটিয়া ব্রিজের উপর পৌঁছালে পেছন থেকে একটি অজ্ঞাত গাড়ি মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, পরে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। মরদেহটি আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনার পর অজ্ঞাত গাড়ীর চালক গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২৪ ০৩:০২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র বাইসাইকেল পেল ৬০ জন নারী শিক্ষার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র বাইসাইকেল পেল ৬০ জন নারী শিক্ষার্থী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬০ জন নারী শিক্ষার্থী’র মাঝে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বাইসাইলে বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কায়ছারুল ইসলাম।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরুখ খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা, বাসাইল পৌর মেয়র রাহাত হাসান টিপু ও উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলার কাউলজানী লুৎফা শান্তা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার সাইকেল পেয়ে খুশি। তিনি বলেন, আমি হেঁটে স্কুলে যাইতাম। এখন আর হেঁটে স্কুলে যেতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

কাউলজানী নওশেরীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেহা আক্তার বলেন, আমার স্কুলে আসা-যাওয়া সমস্যা ছিল। এখন সাইকেল পেলাম আর সমস্যা থাকবে না। আমাদের লেখাপড়ার আগ্রহ আরও বেড়ে যাবে।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, সামাজিক এই উন্নয়নে পাশে থাকার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের ধন্যবাদ জানাই।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র অংশ হিসেবে তোমাদের সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। তোমরা সামনাসামনি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে না পারলেও তার এই উপহার, তার স্নেহ তোমাদের সাথে থাকবে। তোমরা ভালো থাকলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভালো থাকবেন।

উল্লেখ্য, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৬০ জন দরিদ্র, মেধাবী শিক্ষার্থীকে বাছাই করে তাদের মাঝে সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুন ২০২৪ ০২:২০:এএম ২ বছর আগে
বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইলে আ’লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইলে আ’লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রবিবার (২৩ জুন) আওয়ামীলীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ, গাছের চারা রোপণ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে রবিবার সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের পর বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।

পরে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের মুক্তমঞ্চে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

এছাড়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগেও পৃথক আনন্দশোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খান আহমেদ শুভ এমপি, সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, শাহজাহান আনছারী, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।

আওয়ামীলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম।

কর্মসূচিতে জেলা আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৪ ০২:২৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিয়ে না করায় প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ে না করায় প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে চারদিন অবস্থানের পর প্রেমিকা শান্তা আক্তার (২৩) নামে এক সন্তানের জননী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলা খালুয়াবাড়ী গ্রামে প্রেমিক সোহাগের ঘরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগীর প্রেমিক সোহাগ পলাতক রয়েছেন।

প্রেমিক সোহাগের মা ছোবুরা বেগম ও বাবা নুরুল ইসলামকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে বলে কালিহাতী থানার এসআই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন।

মৃত শান্তা আক্তার কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অলুয়া গ্রামের মোখলেছুর রহমানের মেয়ে। তার একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।

প্রেমিক সোহাগ (২৪) কালিহাতী উপজেলা খালুয়াবাড়ী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

জানা গেছে, প্রায় বছর খানিক আগে মোবাইলে ফোনে সোহাগের সঙ্গে পরিচয় হয়। এর পর থেকে তাদের দুজনের মোবাইল ফোনে কথা হয়। কথা বলার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান তারা। এ সময় বিয়ের আশ্বাসে তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরে বিয়ের জন্য ওই নারী সোহাগকে চাপ দিতে থাকেন। তখন নানা তালবাহানা শুরু করেন সোহাগ। এছাড়াও তার কাছ থেকে সোহাগ দুই লাখ টাকাসহ তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিষয়টি স্থানীয় মাতাব্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালেও কোনো প্রতিকার পাননি শান্তা আক্তার। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে শনিবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে প্রেমিক সোহাগের টিনসেড বাড়ির একটি ঘরে প্রবেশ করেন শান্তা। পরে ওই ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে।

কালিহাতী থানার এসআই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে । ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে। নিহতের স্বজনদের জানানো হয়েছে। স্বজনরা আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুন ২০২৪ ০৫:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়ে মাঠে বজ্রপাতে বুলবুল আহমেদ (৫০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার সুন্যা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বুলবুল আহমেদ ওই গ্রামের ইসমাঈল হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, বুলবুল সকালে সুন্যা উত্তরকোড় চকে ধানক্ষেত পরিস্কার করতে যায়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হলে বুলবুল বাড়িতে ফেরার জন্য রওনা দেন। এসময় রাস্তায় ওঠার আগেই বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিহতের পরিবার।

নিহতের চাচাতো ভাই স্কুলশিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, সকালে আমার ভাই ধানক্ষেত পরিস্কার করতে গিয়েছিলেন। পরে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি বাড়িতে ফেরার জন্য রওনা দেয়। এসময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রায় এক ঘণ্টা পর খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচাতো ভাই নাইকানীবাড়ী আলহাজ্ব হায়দার হামিদ মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তার পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তিনি কৃষি জমি আবাদ করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। এখন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে অসহায় হয়ে পড়লেন। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুন ২০২৪ ০৩:১৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়শীপের জার্সি উম্মোচন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়শীপের জার্সি উম্মোচন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের প্রাচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের (ভিএফসি) জার্সি উম্মোচন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ইসতিয়াক আহমেদ রাজীব, বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের সদস্য আকরাম হোসেন কিসলু।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, ভিএফসির উপদেষ্টা মীর নাসিমুল ইসলাম। এ সময় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বর্ষের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে বিবেকানন্দ চ্যাম্পিয়নশীপ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পৌরউদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

প্রসঙ্গত, বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি ব্যাচ ২০১০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৫ টি টিম খেলায় অংশগ্রহণ করবে। আগামী ২৩ জুন থেকে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে এ খেলা শুরু হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২৪ ০৪:৫৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রাইভেটকার ও মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত ও আটজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ জুন) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের মধুপুর পৌর এলাকার মালাউড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান।

এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান কামরুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর থানার জয়নাবাজার এলাকায়। তিনি ওই এলাকার একটি ভাতের হোটেলের কর্মচারী। অপরজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মধুপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মধুপুর পৌরশহরের মালাউড়ি এলাকায় পৌঁছালে টাঙ্গাইলগামী প্রাইভেটকারের সঙ্গে মধুপুরগামী যাত্রীবাহী মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। উভয় যান দ্রুতগতিতে থাকায় মাহিন্দ্রা ভেঙে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। প্রাইভেটকার সড়কের কয়েক গজ দূরে গিয়ে থমকে দাঁড়ায়। মাহিন্দ্রার যাত্রীরা ছিটকে সড়কে পড়েন।

স্থানীয় বাসিন্দা মিলন হোসেন বলেন, ‘বিকট শব্দ শুনে আমরা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠাই। অপরদিকে প্রাইভেটকারের চালক দ্রুত পালিয়ে গেলেও ভেতরে আটকা পড়া এক যাত্রিকে কাচ ভেঙে উদ্ধার করা হয়।’

প্রাইভেটকার থেকে উদ্ধার করা যাত্রীর নাম চিকিৎসক আদনান আহসান চৌধুরী। তাঁকে বের করার পরপরই প্রাইভেটকারটিতে আগুন ধরে যায়। এ সময় মধুপুর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা এসে উদ্ধার তৎপরতা চালান বলে জানান মিলন হোসেন।

মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেন মানিক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন, নেত্রকোনার ইমাম হোসেনের ছেলে আব্দুল হাশেম (৫৫), নেত্রকোনার বারহাট্টা এলাকার সুমন খানের ছেলে আব্দুল কদ্দুস, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আহাম্মদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), মাহিন্দ্রা চালক মধুপুর উপজেলার লুচিয়া নগরবাড়ী এলাকার আরফান আলীর ছেলে মো. জালাল হোসেন (৩০), ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আদনান আহসান চৌধুরী, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জয়নাতলী গ্রামের শহর আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (৪০), একই উপজেলার নগর হাওলা গ্রামের রইজ উদ্দিনের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম (৪০) ও জয়নাবাজার এলাকার মইন উদ্দিনের ছেলে মো. সেলিম মিয়া।

এ প্রসঙ্গে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেই। আহতদের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে একজন ও ময়মনসিংহে নেওয়ার পথে আরেকজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২৪ ০৮:৫৫:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন বহুল প্রচারিত দৈনিক কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক মো. ইলিয়াস হোসেন। বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে বাসাইল উপজেলার বাসুলিয়াতে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মো.আবু জুবায়ের উজ্জল জেলার বিভিন্ন সংবাদের বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা তুলে ধরেন। এরপর সকল উপজেলার প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে দৈনিক কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক মো. ইলিয়াস হোসেন জেলার দৈনিক কালবেলায় কর্মরত সকল সংবাদকর্মীদের বলেন, জ্ঞান গরিমা ও দক্ষতার দিক থেকে কালবেলার সাংবাদিকরা এগিয়ে যাবে। সাংবাদিকরা তাদের লেখনির মাধ্যমে সঠিক তথ্য তুলে ধরে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নে অগ্রণী ভুমিকা পালন করবে। তাই সঠিক তথ্য প্রচারে আরো সচেষ্ট থাকতে হবে। এতে সঠিক তথ্য প্রচারের মাধ্যমে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সকল উপজেলার সংবাদকর্মীদের নিয়ে ঈদ আনন্দে বাসুলিয়া বিলে নৌকা ভ্রমনে শামিল হন তিনি। এসময় জেলার সকল সংবাদকর্মীরা যুগ্ম-সম্পাদকের কাছ থেকে ঈদ শুভেচ্ছাও গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার মির্জাপুর উপজেলা প্রতিনিধি মো.মোজাম্মেল হক, সখীপুর প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান রিমন, ভূঞাপুর প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, গোপালপুর প্রতিনিধি নুর আলম প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২৪ ০১:১৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর পুকুর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৭ জুন) রাতে উপজেলার কালিয়ানপাড়া তেঁতুলিয়াচালা এলাকায় বাড়ির পাশে পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূর নাম বিউটি আক্তার (৪০)। তিনি একই গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

নিহত গৃহবধূর ভাইয়ের দাবি, তাঁর বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলা হয়েছে।

নিহত গৃহবধূর বড় ভাই মাসুদ করিম দাবি করেন, ‘আমার বোনকে তার স্বামী বছরখানেক আগেও বেদম মারপিট করেছিল। ওই সময় বোনকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। আমার ধারণা, বোনকে তারা পরিকল্পিতভাবে মেরে লাশ গুম করার জন্য পুকুরে ফেলে।’

নিহতের স্বজন, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৬ জুন) সকালে গৃহবধূ বিউটি আক্তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। ওই দিন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার সন্ধ্যার দিকে কালিয়ানপাড়া তেঁতুলিয়াচালা এলাকায় বাড়ির পাশে পুকুরে মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। রাতে পুলিশ এসে গৃহবধূ বিউটির লাশ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত গৃহবধূর স্বামী মিজানুর রহমানের দাবি, তাঁর স্ত্রী বিউটি আক্তার মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। নিখোঁজের পর সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তাঁর স্ত্রীর মরদেহ পাওয়া গেছে। তাঁদের দুই মেয়ে আছে।

সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রভাষ কুমার বসু বলেন, এ ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে এটা হত্যা না অপমৃত্যু, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২৪ ০২:৩৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রবাসী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রবাসী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাহিন্দ্রা (পিকআপ) ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী প্রবাসী হেলাল উদ্দিন (৩৫) নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে সখীপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার নলুয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হেলাল উদ্দিন উপজেলার কালিদাস গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার নলুয়া বাজার এলাকায় মাহিন্দ্রা (পিকআপ) ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুত্বর আহত হন সিঙ্গাপুর প্রবাসী হেলাল উদ্দিন। পরে স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহতের আত্মীয় জাহিদুল ইসলাম দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত হেলাল উদ্দিন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। তার মৃত্যুতে ওই পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুন ২০২৪ ০৩:৪০:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।