একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মাথার ওপর গাছ পড়ে শাওন আহমেদ (২১) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া কানু মার্কেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শাওন উপজেলার চতলবাইদ পশ্চিম পাড়া গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে। সে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও মৃত শাওনের স্বজনেরা জানান, ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করার পর কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পেরে রোজগারের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শাওন। এর মধ্যে তিনি গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবেও কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে শাওন আহমেদ নলুয়া কানু কার্কেট এলাকায় আকাশমণির বাগানে গাছ কাটতে যান। কুড়াল দিয়ে গাছ কাটার সময় আকস্মিক ভাবে গাছটি শাওনের মাথার ওপর ভেঙে পড়ে।
স্থানীয়রা গাছের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নাজমুল হাসান (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হাসান উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামের গোলাম মোস্তফা ফকিরের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির পাশে ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হন নাজমুল। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় গারোবাজার নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) পরিক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।
নিহত নাজমুলের বন্ধু আল আমিন জানান, মধুপুর শহীদ স্মৃতি স্কুল থেকে ২০২১ সালে এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয় সে। পরে বিএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে অনার্সে এডমিশন নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো নাজমুল। এমতাবস্থায় তার বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাজমুল ইসলাম জামাল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যার পরে ওদের নিজস্ব ডিজিটাল স্কেল মেশিনের ঘরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত হন নাজমুল। নাজমুলের অকাল মৃত্যুতে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তিনি।
ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে তার ভাতিজা রুবেল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের আজগানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিয়াজ হোসেন (৫০) একই এলাকার বাসিন্দা।
অভিযুক্ত ভাতিজা রুবেল একই গ্রামের সরোয়ার হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, রবিবার সকালে চাচা রিয়াজের কাছে রাস্তা বড় করার জন্য জমি ছেড়ে দিতে বলেন ভাতিজা রুবেল। কিন্তু রিয়াজ জমি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে রুবেল চাচাকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে রুবেল পালিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ভারতের মহারাষ্ট্রে বিজেপি নেতা নিতেশ রানে ও ধর্মগুরু রামগিরি মহারাজ কর্তৃক মুসলমানদের হত্যার হুমকি ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টাঙ্গাইলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদরের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভটি মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে মিছিলটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মোঃ কামরুল ইসলাম, আল-আমিন, মনিরুল ইসলাম, আকরাম, সিয়াম, মুফতি আব্দুর রহমান, মাওলানা ইসমাঈল, মুফতি মুকাব্বির প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, মহানবীকে নিয়ে যারা কটুক্তি করছে অবিলম্বে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় মহানবীর সম্মানে মার্চ টু মুম্বাই কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এই সময় বক্তারা ভারতীয় পন্য বর্জনের আহ্বান করেন সমাবেশ থেকে।
পরে মোনাজাতের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত সমাবেশটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। মোনাজাত করেন মুফতি আব্দুর রহমান।
একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে টাঙ্গাইলে গুলিতে নিহত ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ মিয়া (১৪) হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তানভীর হাসান ফেরদৌস নোমানকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে র্যাব দুপুরে নোমানকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৪ এর স্কোয়াড কমান্ডার (এএসপি) মো. আব্দুল বাসেত।
গ্রেপ্তারকৃত তানভীর হাসান ফেরদৌস নোমান টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এ হত্যা মামলার ১৬ নাম্বার আসামী।
রবিবার দুপুরে নোমানকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ আদালতে প্রেরণ করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, র্যাব গ্রেপ্তারের পর কাউন্সিলর নোমানকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। পরে নোমানকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এখনো রিমান্ড শুনানি হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট নিহত মারুফের মা মোর্শেদা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুসহ ৫৬ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় অজ্ঞাত ১৫০ জন থেকে ২০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) এক হিসাবরক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ওই সংস্থাটির পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার(২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে টাঙ্গাইল শহরের সদর সড়কের বেসরকারি সংস্থা ‘সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট থ্রু ইউনিটি’র (সেতু) প্রধান কার্যালয়ের পাশ থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
তাঁর নাম হাসান আলী (২৩)। তিনি সিরাজগঞ্জ উপজেলার উল্লাপাড়া থানার পুঠিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। হাসান ওই এনজিওর জামালপুরের পিয়ারপুর শাখার সহকারী হিসাবরক্ষক ছিলেন।
গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেনের ছেলে ও সংস্থাটির উপ-পরিচালক (মানবসম্পদ) মির্জা সাকিব হোসেন, উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. শরিফুল ইসলাম, কর্মসূচি ব্যবস্থাপক খায়রুল হাসান ও সহায়ককর্মী রাশেদুল ইসলাম।
সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংস্থাটির পিয়ারপুর শাখার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক, ব্যবস্থাপক ও সহকারী হিসাবরক্ষক তিনজন যোগসাজশ করে প্রায় ৪৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় ১৬ সেপ্টেম্বর তিনজনকে প্রধান কার্যালয় টাঙ্গাইলে আনা হয়। অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপককে ছেড়ে দেওয়া হলেও ব্যবস্থাপক ও হিসাব রক্ষক হাসান আলীকে সপ্তম তলার একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর হাসানের মা-বাবাকে কার্যালয়ে ডেকে এনে বিষয়টি জানানো হয়।
শুক্রবার গভীর রাতে টাঙ্গাইল শহরের সদর সড়কে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় সেতু টাওয়ারের পশ্চিম পাশ থেকে হাসানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, হাসানকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে।
তবে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের দাবি, শুক্রবার রাতে সাততলা থেকে লাফ দিয়ে হাসান ‘আত্মহত্যা’ করেন। ঘটনার পরপরই রাতে সংস্থাটির পাঁচ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
নিহত হাসানের বাবা আবদুল লতিফ বলেন, ‘আমার ছেলেকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। পরে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করছে। আমাকে শুক্রবার রাতে সেতু অফিস থেকে ফোন করে বলা হয়, আপনার ছেলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছে। আপনি আসেন। পরে থানা থেকে ফোন করে হাসানের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।’
শনিবার সন্ধ্যায় নিহত হাসান আলীর মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আটক পাঁচজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ পাঁচজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়।
সেতুর উপ-পরিচালক (প্রশাসন) বিমল চক্রবর্তী বলেন, পিয়ারপুর শাখার ম্যানেজার ও সহকারী হিসাবরক্ষককে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শাখায় সংযুক্ত করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেন। অফিসের সাততলায় তাঁদের থাকার জন্য একটি রুম দেওয়া হয়। সেখান থেকে লাফ দিয়ে হাসান গতকাল রাতে আত্মহত্যা করেন।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, হাসানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্ত করে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) ও জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এর আয়োজন করা হয়।
জশনে জুলুছে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা ইসলামিয়া আরোগ্যসনদের মহাব্যবস্থাপক ও বাংলাদেশ মেডিকেল (ডেন্টাল) কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল শাহ্ সুফী ড. মুহাম্মদ আমীরুল ইসলাম (পি.এইচ.ডি)।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর আল কাদেরী।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হাই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমান ছিলেন- আহমাদাবাদ শরীফ করটিয়ার পীর সাহেব আলহাজ্ব শাহ্ সুফি সাইফুল্লাহিল ক্বাতেয়ী, আহমাদাবাদ দরবার শরীফ বুহুলী টাঙ্গাইলের পীর সাহেব আলহাজ্ব শাহ্ সুিফ ক্বারী মাওলানা হাবিবুল্লাহ আল আহমাদি, মাহবুবিয়া দায়রা শরীফের পীর সাহেব আলহাজ্ব ডা. সৈয়দ শাহ্ ছাইদুল্লাহ কাদরী, দেলদুয়ার মৌলভীপাড়া শাহীবাগ দরবার শরীফের পীর সাহেব শাহ্ হারুন-অর-রশিদ।
জেলা ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন কমিটির সভাপতি ও হাজিবাগ দরবার শরীফের খাদেম আলহাজ্ব অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস খসরু সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও আহমাদাবাদ শরীফ করটিয়ার বিশিষ্ট খলিফা পীরজাদা আলহাজ্ব শাহ্ সুফি মোহাম্মদ শাহ্ জালাল।
সরকারি এম এম আলী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগি অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ খান আর গাউছিয়া কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোর্শেদ আলম মাসুদের সঞ্চালনায় বিশেষ আলোচক ছিলেন- সরকারি এম এম আলী কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর খন্দকার আরিফ মাহমুদ, সরকারি সা’দত কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ছাইফুল মালেক আনসারী, পিচুরিয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব আলহাজ্ব শাহ সুফি আহমাদ আলী, দেলদুয়ার আলালপুর ফাজিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওলানা শাহ সুফি আব্দুল ওহাব সিরাজী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোদা-ই খেদমতগার সন্তোষের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, দেলদুয়ার টেউরিয়া তাফিজিয়া দরবার শরীফের পীরজাদা মাওলানা সৈয়দ মারুফ আল হোসাইনসহ বিশিষ্ট ওলামায়েদ্বীন ও ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জশনে জুলুছ (আনন্দ র্যালি) শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সমবেত হয়ে বিশেষ মোনাজাতে অংশ গ্রহণ করেন তারা। মোনাজাত পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ঢাকা ইসলামিয়া আরোগ্যসনদের মহাব্যবস্থাপক ও বাংলাদেশ মেডিকেল (ডেন্টাল) কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল শাহ্ সুফী ড. মুহাম্মদ আমীরুল ইসলাম (পি.এইচ.ডি)।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ডোবা থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার এলেঙ্গা সুপার মার্কেটের পিছনের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ডোবা থেকে উদ্ধারকৃত মরদেহটি জিহাদ মিয়া (১৫) নামে এক কিশোরের। নিহতের পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত জিহাদ মিয়া এলেঙ্গা পৌরসভার চেঁচুয়া গ্রামের তুলা মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলো জিহাদ, রবিবার বেলা ১২ টার দিকে মার্কেটের একজন কর্মচারী পিছনে প্রস্রাব করার জন্য গেলে জিহাদের লাশটি দেখতে পান। পরে মার্কেটের অন্যান্য লোকজনকে সে বিষয়টি জানালে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কালিহাতি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পরিত্যক্ত একটি ডোবা থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ গোপালগঞ্জে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানীর গাড়ি বহরে হামলা ও কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদারকে হত্যার ঘটনায় টাঙ্গাইলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তারিকুল ইসলাম ঝলক ও সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ সাফী ইথেনের নেতৃত্বে টাঙ্গাইল পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
প্রতিবাদ মিছিলে বক্তব্য রাখেন- জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন জুয়েল, রুবেল মিয়া, জাহিদুর রহমান জাহিদ, রাশেদুল ইসলাম রিমন, সুমন খান, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের জুয়েল, তানভীর হাসান খান রুবেল, মাসুদ রানা, তুষার, শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের মামুন খান, সজীব প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন- গোপালগঞ্জে নিজ বাড়িতে বাবার কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার পথে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের হামলায় জিলানী ভাইসহ প্রায় ৬০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদারকে হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক স্থান থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘাটাইল উপজেলার কাইতকাই এলাকায় একটি বাড়ির পাশের ধানখেত থেকে কিশোর শামীম (১৪) ও কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকা থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত শামীম উপজেলার ভানিকাত্রা গ্রামের ভ্যানচালক করিমের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘাটাইল উপজেলার কাইতকাই এলাকায় ধানখেতের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। শামীম ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট-সংলগ্ন ঝড়কা বাজারের একটি মুরগির দোকানে কাজ করত। মাঝে মধ্যে মানুষের বাড়ির গাছগুলোর ফলমূল চুরি করত সে। যে বাড়ির পাশে তার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে সেই বাড়িতে কেউ ছিল না। তার মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এদিকে একই সময়ে কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে তার মৃত্যু ট্রেনে কাটা পড়ে নাকি অন্যকিছু হয়েছে সেটা জানা যায়নি।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে কেউ হত্যার পর সেখানে ফেলে গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ফারুক জানান, রেললাইনের পাশে পড়েছিল ওই বৃদ্ধের মরদেহ। যেহেতু মরদেহটি রেললাইনের পাশে পড়েছিল সেহেতু বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়। পরে তারা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাস-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ ভ্যানের চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৫ জন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার সল্লা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে কিছু সময়ের জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহত পিকআপ ভ্যান চালক আব্দুল জলিল রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ইমাদপুর গ্রামের শফিউল শেখের ছেলে ।
যমুনা সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল হামিদ জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপ ভ্যানের চালক নিহত হন
তিনি আরও জানান, মরদেহ থানায় রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শুভুল্যা ও গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা এলাকাতে দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের শুভুল্যা নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাত (৬৫) এক ব্যক্তি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যায়।
এদিকে, সকাল পৌনে ১১টার দিকে একই মহাসড়কের গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় সোনামুদ্দিন (৭০) নামে এক ব্যক্তি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান। সোনামুদ্দিনের বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কোটবহুরিয়া গ্রামে।
এ ব্যাপারে গোড়াই হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুজ্জামান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।