/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সিয়াম আহম্মেদ (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল খনকারচালা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল খনকারচালা গ্রামের সৌদি প্রবাসী আমিনুর রহমানের ছেলে। সিয়াম মির্জাপুরের বংশাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে খাবারের পর সিয়ামের মা ও ছোট বোন পাশের বাড়িতে যান। এ সময় সিয়াম তার কক্ষে পড়তে বসে। মা আর বোন বাড়ি এসে সিয়ামের কক্ষ আটকানো দেখতে পায়। ডাকাডাকি পারলে সিয়ামের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে সিয়াম ঘুমিয়েছে এমন ধারণা করেন তারা। তবে দীর্ঘ সময় পরেও সিয়াম না ওঠায় এলাকার লোকজন নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় সিয়ামকে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ রাতেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২৫ ০৫:৪৪:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকচাপায় আকিল মিয়া নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকালে সাগরদিঘি-ঘাটাইল আঞ্চলিক সড়কের চাম্মলকুড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আকিল মিয়া উপজেলার সাগরদিঘি ইউনিয়নের শোলাকুড়া গ্রামের জয়নাল মেম্বারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আকিল মিয়া মঙ্গলবার সকালে মোটরসাইকেল যোগে সাগরদিঘি থেকে ঘাটাইলের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় আষাড়িয়াচালার চাম্মলকুড়ি এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক তাকে ওভারটেক করার সময় মোটরসাইকেলের পিছনে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের পেছনের চাকার নিচে চলে যায় মোটরসাইকেলের আরোহী আকিল। এ সময় ঘাতক ট্রাকটি পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আরোহী আকিল মিয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ সম্পর্কে ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে রাস্তায় লোকজন না থাকায় ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা যায়নি। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২৫ ০২:৪১:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল কেড়ে নিল টিকটকারের প্রাণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল কেড়ে নিল টিকটকারের প্রাণ

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদ (১৮) নামের এক টিকটকার নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা-সখীপুর আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার দেওদীঘি বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বাবুল জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার দক্ষিণ দরিয়াবাদ এলাকার মন্তাজ শেখের ছেলে। সখীপুরে তিনি অপর টিকটকার বন্ধু রবিউলের বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে টিকটক ভিডিও করার সুবাদে বাবুল ও সখীপুরের রবিউল নামের এক যুবকের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শনিবার বাবুল ইসলামপুর থেকে সখীপুরে মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়াতে আসেন। তাঁরা কয়েকজন বন্ধু মিলে পাঁচটি মোটরসাইকেল নিয়ে উপজেলার হাতীবান্ধা তালিম ঘরে বেড়াতে যান। পরে সেখান থেকে সন্ধ্যায় তাঁরা বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে সখীপুরে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাবুলের মোটরসাইকেলটি দেওদীঘি বাজারে এসে প্রথমে একজন পথচারী এবং পরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়। তাতে ঘটনাস্থলেই বাবুল নিহত হন। এ সময় পথচারী ও এক অটোরিকশাযাত্রী গুরুতর আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, বাবুলের মরদেহ থানা হেফাজতে রেখে তাঁর পরিবারকে খবর পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও অভিভাবকেরা উঠতি বয়সী যুবকদের হাতে দ্রুতগতির মোটরসাইকেল তুলে দিচ্ছেন। ফলে দুর্ঘটনার সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। এসব দুর্ঘটনা প্রতিরোধে অভিভাবকদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৫ ০৩:৩৮:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহানবী (সাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি, যুবককে গণপিটুনি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহানবী (সাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি, যুবককে গণপিটুনি

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটুক্তি ও অশোভন কার্টুন পোষ্টের জেরে গণপিটুনির শিকার হয়েছে এক হিন্দু যুবক। বর্তমানে এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ওই যুবককে উদ্ধার করে প্রথমে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে নিরাপত্তা জনিত কারণে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে দেলদুয়ার সদর উপজেলার দেলদুয়ার দক্ষিণ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃত ওই যুবকের নাম অখিল চন্দ্র মন্ডল (৪০)। সে দেলদুয়ার সদর উপজেলার দেলদুয়ার দক্ষিণ পাড়া এলাকার গেদু চন্দ্র মন্ডলের ছেলে। সে পেশায় একজন স্বর্ণকার।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটুক্তি ও অশোভন কার্টুন পোস্ট করে উপজেলা সদর ইউনিয়নের দেলদুয়ার দক্ষিণ পাড়া এলাকার গেদু চন্দ্র মন্ডলের ছেলে অখিল চন্দ্র মন্ডল নামের এক হিন্দু যুবক। পোস্টটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ বিক্ষুব্দ হয়ে ওঠেন। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে ওই যুবকের নিজ কর্মস্থল দেলদুয়ার দক্ষিণ পাড়া বাজারের জুয়েলারী দোকানে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চায় ওই যুবকের কাছে। পরে চারপাশের অবস্থা উত্তপ্ত দেখে অভিযুক্ত অখিল পাশের আরেকটি দোকানে আশ্রয় নেয়। এসময় বিক্ষুব্ধ জনগণ তার বিচার চেয়ে দোকানটির চারপাশ ঘিরে রেখে স্লোগান দিতে থাকে।

খবর পেয়ে দেলদুয়ার থানা পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীকেও জানানো হয়। এরমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাব্বির আহমেদ ঘটনাস্থলে পৌছে সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এসময় সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা ওই যুবককে দোকানের ভিতরে ঢুকে গণপিটুনি দিতে শুরু করে।

এ সময় পুলিশ সদস্য ও উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আজাদ মিয়া জনতার হাত থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে সিএনজিতে তুলে দেন। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় ওই যুবককে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে গণপিটুনিতে আহত ওই যুবক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানায় এবং স্লোগান দিতে থাকে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাব্বির আহমে তাদের শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে যতদ্রুত সম্ভব সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক হাওলাদার জানান, অভিযুক্ত ওই যুবককে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে সে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। সোমবার (৭ এপ্রিল) সকালে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২৫ ০৩:৫৬:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধান খেতে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধান খেতে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান খেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পারখী ইউনিয়নের আউলিয়াবাদ মাঝিপাড়া গ্রামের একটি ধান খেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে।

মৃত ফজিলা বেগম উপজেলার আউলিয়াবাদ মাঝিপাড়া গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে। কিন্তু তারা কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। ওই সময় ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে বাড়ির পাশের ধান খেতে মরদেহটি দেখতে পান। ওই সময় ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কানে ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম বলেন, বৃদ্ধা ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো চিল। তার একটি কান কাটা ছিল। নাক ও মুখ থেকে রক্ত ঝরছিল। ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২৫ ০২:০১:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে স্বামীর মৃত্যু, স্ত্রী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর লাঠির আঘাতে স্বামীর মৃত্যু, স্ত্রী গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামী জুয়েল রানাকে (৩৮) লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছেন স্ত্রী তানিয়া আক্তার।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার কালিয়ানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জুয়েল রানা ওই গ্রামের মজনু সিকদারের ছেলে। এ ঘটনায় জুয়েলের বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ বছর আগে জুয়েল ভালোবেসে তানিয়াকে বিয়ে করেন। তাদের তিনটি সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর ভালোই চলছিল তাদের সংসারজীবন। সম্প্রতি জুয়েলের সঙ্গে এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। কিন্তু এতেও তাদের সম্পর্ক বাদ যায়নি। উপায়ান্তর না পেয়ে শনিবার রাতে কাঠের টুকরা দিয়ে ঘুমিয়ে থাকা স্বামী জুয়েলকে মাথায় আঘাত করেন স্ত্রী তানিয়া। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জুয়েল।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন স্ত্রী তানিয়া। এর সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছি। এ ঘটনায় জুয়েলের বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে আসামিকে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২৫ ০২:৫৭:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়া সন্দেহে স্বামীর লিঙ্গ কাটলেন স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়া সন্দেহে স্বামীর লিঙ্গ কাটলেন স্ত্রী

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পরকীয়া সন্দেহে মোবারক হোসেন খান নামের এক ব্যক্তির লিঙ্গ কেটে দিয়েছেন তার স্ত্রী মায়া খাতুন।

বুধবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের লোকেরপাড়া গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, উত্তর লোকেরপাড়া গ্রামের নুলু খানের ছেলে মোবারক হোসেন খান ও তার স্ত্রী মায়া দীর্ঘদিন ঢাকায় থেকে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। সম্প্রতি ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে আসেন তারা। কিছুদিন যাবৎ স্বামীর অন্য কোথাও অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই জেরে বুধবার দিবাগত রাতে স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুমানোর পর স্ত্রী মায়া খাতুন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী মোবারক হোসেন খানের লিঙ্গ কেটে দেয়। পরে তাকে মূমুর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্ত্রী মায়া জানান, দীর্ঘ ৫ মাস যাবৎ সে অন্য নারীর সাথে যোগাযোগ করে আসছে। আমি বার বার তাকে নিষেধ করলেও মানে না। আমি সহ্য করতে না পেরে এমনটি করেছি। তখন আমার মাথা ঠিক ছিলো না।

এদিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাটি নিয়ে কোন মামলা হয়নি। পারিবারিকভাবে মিমাংসার চেষ্টা চলছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২৫ ০৩:৪৯:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকের আত্মহত্যা

আরমান কবীর টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে(২৫) ভিডিও কলে রেখে এক কিশোর প্রেমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। পরকিয়া প্রেমের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন উত্তরপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই প্রেমিকাকে গাছে বেঁধে রাখে স্থানীয়রা । পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তানভীর আহমেদ।

নিহত ঐ কিশোরের নাম রাসেল মিয়া (১৬)। সে দরুন উত্তর পাড়া এলাকার মোঃ চাঁন মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। রাসেল পেশায় একজন অটোরিকশা মেকানিক ছিল।

স্থানীয়রা জানায়,প্রেমের সম্পর্ক ছিল রাসেল ও স্থানীয় মারিয়ার মধ্যে। মারিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে এক প্রফেসরের সঙ্গে এবং একটি ছেলেও আছে তাদের। এদিন হঠাৎ সকাল ১১টার সময় খবর পাই রাসেল আত্মহত্যা করেছে। তখন মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে দেখতে পাই মারিয়ার সঙ্গে কথোপকথন।

রাসেল ও মারিয়ার মধ্যে ঝগড়া চলছিল মনে হয়। রাসেল আত্মহত্যা করার সময় মারিয়ার সঙ্গে কথাও বলেছে। আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়। অপরদিকে, প্রেমিকা মারিয়াকে এলাকাবাসী আটক করে গাছের সঙ্গে বেধে রাখে।

নিহতের পিতা চাঁন মিয়া জানান, তিনি ঈদ উপলক্ষে তার বড় ছেলের শশুর বাড়ী ঘাটাইল বেড়াতে গিয়েছিলেন। টাঙ্গাইলের অন্য একটি বাড়িতে তার স্ত্রী ও মেঝ ছেলে ছিল । ছোট ছেলে রাসেল একাই বাড়িতে ছিল। বুধবার সকালে তার মেঝ ছেলে বাড়ি গিয়ে রাসেলের ঘর ভিতর থেকে বন্ধ দেখে, বাহির থেকে ডাকাডাকি শুরু করে। রাসেলের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে তারা ঘরের খোলা জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে রাসেলকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখে। পরে তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙে রাসেলকে সিলিং ফ্যান থেকে নামিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

তিনি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে রাসেল অভিমান করে মঙ্গলবার বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিট থেকে বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে যে কোন সময় আত্মহত্যা করেছে।আমি এই ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছি।

টাঙ্গাইল সদর থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের পিতা চাঁন মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. এপ্রিল ২০২৫ ০২:৫৭:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘গরু চুরি করতে এসে’ গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘গরু চুরি করতে এসে’ গণধোলাইয়ে যুবকের মৃত্যু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গরু চুরি করতে এসে গণধোলাইয়ের শিকার হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের বাইমাইল পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই যুবকের বাড়ি পাবনায় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, সম্প্রতি এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ খবরে গরুর মালিকরা সচেতন হয়ে গরু পাহারায় থাকেন। শুক্রবার রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনজন গরুচোর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের বাইমাইল পশ্চিমপাড়া এলাকার দেওয়ান সাহামুদ্দিনের বাড়িতে যান। হাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুজন রাস্তায় পাহারায় থাকেন এবং অন্যজন গোয়ালঘরের টিনের তারকাঁটা খুলতে থাকেন। এ সময় শব্দ পেয়ে ৮০ বছরের বৃদ্ধ সাহামুদ্দিন তার নাতিকে ডেকে তোলেন এবং চিৎকার করতে থাকেন।

পরে আশপাশের বাড়ির লোকজন ধাওয়া করে একজনকে আটক করে ধোলাই দেন। পরে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গণধোলাইয়ের শিকার হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের নাম পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২৫ ০১:৪০:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘সাপ্তাহিক সমাজচিত্র’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘সাপ্তাহিক সমাজচিত্র’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপণ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বহুল প্রচারিত পাঠক প্রিয় সাপ্তাহিক সমাজ চিত্র পত্রিকার ৩য় বর্ষে পর্দাপণ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপদযাপণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ইয়াসির আরাফাত।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজয়ান।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, মানবজমিন পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি কবি বুলবুল খান মাহবুব, নিউ এইজ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি হাবিব খান, ডেইলি স্টার পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মির্জা শাকিল ও একুশে টেলিভিশনের কাজী রিপন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সাপ্তাহিক সমাজ চিত্র পত্রিকার সম্পাদক মামুনুর রহমান মামুন।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পাঠাগার ও দপ্তর সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২৫ ০৩:২৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

আরমান কবীরঃ যথাযথ মর্যাদায় টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। ২৬ মার্চ (বুধবার) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের শুরু হয়।

এরপর ভোরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসন শরিফা হক, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক মনোজ্ঞ কুচকাওয়াচ ও শরীর চর্চা প্রর্দশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক। পরে কুচকাওয়াচে জেলা পুলিশ, আনসার-ভিডিপিসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি টাঙ্গাইল জেলা শাখা, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২৫ ০২:৫৫:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সাহান হাসানঃ ২৫ মার্চ (মঙ্গলবার) গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ (বুধবার) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন।

অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক হামিদুল হক মোহন বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যথানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। এটাই সঠিক ইতিহাস নয়। মুক্তিযুদ্ধে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ আরো অনেকের অবদানও কম ছিল না। এ সব বিষয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জানতে দেওয়া হয়নি। এ জন্য তিনি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জেনে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু এক রাতের হত্যাকান্ডই ছিলনা, এটা ছিল মূলতঃ বিশ্ব সভ্যতার জন্য এক কলংকজনক জঘন্যতম গণহত্যার সূচনা মাত্র। ২৫ মার্চ রাতেই বাংলাদেশে প্রায় ১ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, যা গণহত্যার ইতিহাসে এক জঘন্যতম ভয়াবহ ঘটনা।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, আ.ন.ম বজলুর রহমান প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রচনা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বই বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মার্চ ২০২৫ ০৪:৫০:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।