একতার কণ্ঠঃ কোটা আন্দোলনের নামে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পদদলিত, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজপথে লাঞ্চিত-নির্যাতন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করার মহা-ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে এসে একত্রিত হন।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ সভাপতি আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, যুগ্ম সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রমসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব গোল চত্বর এলাকায় অবস্থান করে কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অবরোধে বন্ধ রয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচল। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু গোল চত্বর এলাকায় অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনের কারণে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপরসহ মহাসড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে মহাসড়কে পরিবহন চলাচল না করায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ রেখেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, কোটা পদ্ধতি সংস্কার আমাদের প্রাণের দাবি। যে পর্যন্ত সংস্কারের কোনো ব্যবস্থা না হচ্ছে সে পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো। এছাড়া নিরীহ শিক্ষার্থীদের হত্যার বিচার দাবি করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর আশরাফ জানান, শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে মহাসড়কের গোল চত্বর এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। তাদেরকে মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার বলা হচ্ছে। তবে তারা সড়ক ছাড়ছে না। এ কারণে মহাসড়কে পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ কোটা বাতিলের দাবিতে পুলিশের তৈরি করা ব্যারিকেড ভেঙে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দেড়ঘন্টা অবরোধ করে রাখে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারী এমএমআলী কলেজের ছাত্রছাত্রীদের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ সহস্রাধিক শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের নগরজলফৈ বাইপাসে অবস্থান নেয়। এ সময় মহাসড়কের দু’পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধ স্থলে এ সময় বিপুল সংখ্যক আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিল। পুলিশ বার বার শিক্ষার্থীদের অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করলেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসুচিতে অনড় থাকে। দুপুর ২টা ৩০মিনিটে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসুচি পালন করতে বেলা ১০টা ৩০মিনিটের দিকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে শহরের নিরালা মোড়ে শহীদ মিনার চত্বরে আসার সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে তিনজন ছাত্র আহত হয়। তাদেরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে পৌঁছালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এরপর আন্দোলনকারীরা টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সমবেত হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা ঘন্টাব্যাপী সমাবেশ করে।। পরে সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের দিকে আগাতে থাকলে প্রেসক্লাবের সামনে ও পুরাতন বাসষ্ট্যান্ডে পুলিশ বাঁধা প্রদান করে। পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে মহাসড়কের নগরজলফৈ বাইপাসে যাওয়ার সময় মহাসড়কের প্রবেশ পথে তিনটি বালু ভর্তি ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। সেখানে ভূয়া-ভূয়া স্লোগান দিয়ে ছাত্ররা ট্রাক ভাঙচুরের উদ্যোত হলে পুলিশ সরে যায়। ট্রাকে থাকা চালক ট্রাক তিনটি সরিয়ে নেয়। পরে হাজার-হাজার শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেয়।
অবরোধ কালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, যে পরিমাণ কোটা, তাতে দেশের মেধাবীরা চাকরি না পেয়ে দেশের বাইরে চলে যাবে, দেশে সরকারি চাকরি করারও আগ্রহও হারাবে। বৈষম্যমূলক কোটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। এ বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব আমরা। এই আন্দোলন কোনো সরকার বিরোধী আন্দোলন না, এই আন্দোলন আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আন্দোলন।
পরে দুপুর ২টা ৩০মিনিটের দিকে মঙ্গলবার দিনের অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের অবরোধ তুলে যার যার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যায়।
এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মহাসড়কে কোন প্রকার জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হলে পুলিশ ব্যবস্থা নিবে। অন্যথায় শান্তিপূর্ন ভাবে আপনারা আন্দোলন করেন রাস্তা ছেড়ে দিয়ে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ ও আন্দোলনে নেমেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সরকারি চাকরিতে কোটা-পদ্ধতি বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করেন।
বুধবার (১০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটক হয়ে টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক সড়কের কাগমারি মোড়ে অবস্থান নেয়। এরপর প্রথম ফটকের সামনে দলে দলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে।
এ সময় তারা সারা বাংলায় খবর দে-কোটা প্রথার কবর দে, আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই এর মত বিভিন্ন আগুনঝরা স্লোগানের মাধ্যমে আন্দোলনকে মুখরিত করে তোলে।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈষম্যমূলক কোটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বেও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। এ বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। আমরা কোটা চাইনা, আমার মেধা দিয়ে চাকরি চাই।
মেহেদী হাসান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এই আন্দোলন সরকার বিরোধী আন্দোলন না, এই আন্দোলন আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আন্দোলন। যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলন। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চাই।
একতার কণ্ঠঃ সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু মূর্যাল চত্ত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মূল গেইটের সামনে টাঙ্গাইল-চারাবাড়ি সড়কে গিয়ে অবরোধ করে এই আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা সেখানে অবস্থানের পর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে যায়।
বিক্ষোভ সমাবেশে- ‘মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখতে হবে। ১৮-এর পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সব গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দিতে হবে এবং কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। সেক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। যেকোনও বাধাকে উপেক্ষা করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আমাদের দাবি একটাই, ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহাল করতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা শিক্ষার্থীরা সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করতে চাই না, আমরা পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। কারণ যে পরিমাণ কোটা, তাতে দেশের মেধাবীরা চাকরি না পেয়ে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। দিনদিন দেশে সরকারি চাকরি করার আগ্রহও হারাচ্ছে। এজন্য কোটা প্রথা বাতিল করা জরুরি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্যমূলক কোটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বেও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। এ বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রাকিব বলেন, এই আন্দোলন কোনো সরকার বিরোধী আন্দোলন না, এই আন্দোলন আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আন্দোলন। যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলন। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাবো।
একতার কণ্ঠঃ বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুষম বন্টন ও বাস্তবায়নের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। বন্টন ও বাস্তবায়ন সঠিক হলে সার্বিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে।
তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্থানীয় উন্নয়নে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অপরিসীম।
রবিবার (৭ জুলাই) সকালে বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী নাগরপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ৬ষ্ট উপজেলা পরিষদের প্রথম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বন্যা কবলিত স্ব-স্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সার্বক্ষনিক মনিটরিং করার আহ্বান জানান। কোথাও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হলে তাৎক্ষণিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধানের সভাপতিত্বে উপজেলা চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার শালমান শামস (জিৎ), উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জরিনা বেগম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভার:) মো. আনিসুর রহমান আনিস, নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিনসহ ১২ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শতভাগ সফল হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সর্ম্পক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মোদি নিজে বলেছেন তিস্তার পানির ব্যবস্থাপনায় ভারত পাশে থাকবে। যে ধরনের প্রদক্ষেপ নেয়ার দরকার সে ধরনের প্রদক্ষেপে সহযোগিতা করবে। প্রথম বারের মতো আমরা ভারতের মধ্যে দিয়ে নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদুৎ আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।
শনিবার(৬ জুলাই )দুপুরে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হলরুমে আয়োজিত জেলার স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের লক্ষে মতবিনিয়ম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত তাদের উভয়ের মধ্যে সরবরাহ উন্নত করার চেষ্টা করছি। দেশীয় পণ্য ও আমদানিকৃত পণ্য সরবরাহে যেনো সংকট তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যখন যেখানে যে পণ্যের প্রয়োজন আমরা দ্রুত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সেই পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করবো। ভোক্তাদের কাছে দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেয়ার জন্য আমরা রেলওয়েকে ব্যবহার করবো। রেলওয়ে বিভাগের সাথে কথা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে পণ্যগুলো অতিদ্রুত ঢাকায় সরবাহ করা হবে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী)আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় হাসপাতালের কর্মকর্তাবৃন্দ ও ডাক্তার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষকরা অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত ‘প্রত্যয়’ পেনশন স্কিম সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অর্ন্তভুক্তি এবং শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের আহ্বানে বুধবার (৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম একাডেমিক ভবনের সামনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করেন।
কর্মবিরতি চলাকালে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মো. ইকবাল মাহমুদ, এনভায়রনমেণ্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেণ্ট বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মো. মাহবুবুল হক প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা’র নির্বাচনে ডক্টর মো. ইব্রাহীম হোসেন খান সভাপতি ও এএফএম রেজাউল কমির হিরণ সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (২৯ জুন) রাজধানীর নিকুঞ্জ সমিতি ভবণে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে ৫৭১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফলাফল ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা’র জমজমাট ওই নির্বাচনে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন- খন্দকার গোলাম ফারুক, বীর মুক্তিহযোদ্ধা মণি খন্দকার, আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন বাবলু, মো. খোরশেদুজ্জামান মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল হোসাইন, অধ্যাপক ডা. মো. শাহআলম, মোহা. শওকত আলী খান ও ডক্টর শহিদুল ইসলাম।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- এমএ মজিদ, দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বাদল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন খান রাজিব, মো. মনিরুজ্জামান মিয়া, মো. লুৎফর আজম রানা, মো. শরীফ উদ্দীন বুলবুল, মো. শামছুল আলম কমল ও মো. সাইফুল ইসলাম খান।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিতরা হচ্ছেন- মির্জা মাহবুব হোসেন, মো. আব্দুস সাত্তার, ব্যারিস্টার মো. গোলাম নবী, মো. গোলাম মোস্তফা গোলাপ, মো. মাইনুর ইসলাম খোশনবীশ, মো. রুহুল আমিন, মো. রেজাউল ইসলাম ও মো. শরিফ উদ্দিন আরজু।
অর্থ সম্পাদক পদে এসএম আল-আমীন; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল হাসান বুলবুল। শিক্ষা, সাহিত্য ও গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. কায়ছার রহমান; স্বাস্থ্য ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা. সারাহ বানু; মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সম্পাদক পদে মো. আশরাফুল আলম; পরিবেশ, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক পদে কামরুজ্জামান বাচ্চু; আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. শোয়াইব মিয়া; অভ্যন্তরীণ হিসাব নিরীক্ষা সম্পাদক পদে মো. আব্দুস সবুর তালুকদার; বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আইটি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর নুর রকিব।
নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিতরা হচ্ছেন- আবদুল মান্নান, আব্দুল্লাহ আসিফ খান শেলী, এএমইউ আহমেদ পারভেজ, একেএম আজাদ রহমান, এমএ হাদী, কাজী আশরাফুল হক জুয়েল, খন্দকার আছাব মাহমুদ, জিয়াউল হক শাহীন, নাজমুল রহমান তালুকদার সেলিম, নাজমুল ইসলাম বাপ্পী, পরিতোষ চন্দ্র তালুকদার, মাজেদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান খান, মেহেদী আলী খান, আজিজুর রহমান, মো. আবু হাসান তালুকদার, ডক্টর আবুল কাশেম, মো. জোয়াহেরুল ইসলাম তালুকদার, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম মন্টু, মো. মাঈন উদ্দিন আহমেদ সুমন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সুলতান হোসেন, মো. হাদিউর রহমান খান, মো. হাসমত আলী রেজা, মো. রেজাউল ইসলাম, মুহাম্মদ হাবিবুল আনোয়ার, রকিবুল ইসলাম তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, লুৎফুন নাহার, শাহ আলম সৈকত, সৈয়দ ইকবাল হোসেন, সৈয়দা আমেনা ইসলাম ও হেলাল উদ্দিন তালুকদার।
এছাড়া ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তারেক শামস্ খান হিমু, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. মোজাম্মেল হক মিয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে আরিফ হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে আব্দুল বাতেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক পদে সেলিনা আক্তার, ব্যবসা ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে আবুল কালাম আজাদ খোকন, ছাত্রকল্যাণ ও বৃত্তি সম্পাদক পদে মো. মেহেদী হাসান রনি, ধর্ম সম্পাদক পদে মো. আসাদুজ্জামান আসাদ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনিসুর রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রাইভেটকার ও মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত ও আটজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ জুন) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের মধুপুর পৌর এলাকার মালাউড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান।
এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান কামরুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর থানার জয়নাবাজার এলাকায়। তিনি ওই এলাকার একটি ভাতের হোটেলের কর্মচারী। অপরজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মধুপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মধুপুর পৌরশহরের মালাউড়ি এলাকায় পৌঁছালে টাঙ্গাইলগামী প্রাইভেটকারের সঙ্গে মধুপুরগামী যাত্রীবাহী মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। উভয় যান দ্রুতগতিতে থাকায় মাহিন্দ্রা ভেঙে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। প্রাইভেটকার সড়কের কয়েক গজ দূরে গিয়ে থমকে দাঁড়ায়। মাহিন্দ্রার যাত্রীরা ছিটকে সড়কে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দা মিলন হোসেন বলেন, ‘বিকট শব্দ শুনে আমরা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠাই। অপরদিকে প্রাইভেটকারের চালক দ্রুত পালিয়ে গেলেও ভেতরে আটকা পড়া এক যাত্রিকে কাচ ভেঙে উদ্ধার করা হয়।’
প্রাইভেটকার থেকে উদ্ধার করা যাত্রীর নাম চিকিৎসক আদনান আহসান চৌধুরী। তাঁকে বের করার পরপরই প্রাইভেটকারটিতে আগুন ধরে যায়। এ সময় মধুপুর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা এসে উদ্ধার তৎপরতা চালান বলে জানান মিলন হোসেন।
মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেন মানিক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই একজনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন, নেত্রকোনার ইমাম হোসেনের ছেলে আব্দুল হাশেম (৫৫), নেত্রকোনার বারহাট্টা এলাকার সুমন খানের ছেলে আব্দুল কদ্দুস, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আহাম্মদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), মাহিন্দ্রা চালক মধুপুর উপজেলার লুচিয়া নগরবাড়ী এলাকার আরফান আলীর ছেলে মো. জালাল হোসেন (৩০), ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আদনান আহসান চৌধুরী, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জয়নাতলী গ্রামের শহর আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (৪০), একই উপজেলার নগর হাওলা গ্রামের রইজ উদ্দিনের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম (৪০) ও জয়নাবাজার এলাকার মইন উদ্দিনের ছেলে মো. সেলিম মিয়া।
এ প্রসঙ্গে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেই। আহতদের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে একজন ও ময়মনসিংহে নেওয়ার পথে আরেকজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঈদের বাকি আর মাত্র একদিন। তাই ঈদের আনন্দ পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে ঝুঁকি নিয়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষজন। বাস ভাড়া বেশি হওয়ায় প্রচন্ড রোদে ট্রাক-পিকআপের যাত্রী হয়েও যাচ্ছেন শিশু, বৃদ্ধ বয়সের নারী ও পুরুষ।
সন্দেশ আলী নামের এক পিক-আপের যাত্রী বলেন, ঢাকা থেকে বাসে দুইগুণেরও বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ঝুঁকি নিয়ে ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে প্রচন্ড রোদে ট্রাকে এসেছি।
শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ও কালিহাতী উপজেলার সল্লা এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
সন্দেশ আলী সিরাজগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সন্তান ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি চাকরি করি পোশাক কারখানায়। এবার বেতন-বোনাসসহ আমি ২০ হাজার টাকা হাতে পেয়েছি। ঢাকা আব্দুল্লাহপুর থেকে ২৫০ টাকা ভাড়ায় ব্যক্তিগত কাজে আশেকপুর বাইপাস এলাকাতে নেমেছি। আমি এ ঈদে স্বজনদের জন্য কেনাকাটায় ব্যয় করেছি ১২ হাজার টাকা। বাকি ৮ হাজার টাকা দিয়ে ঈদ খরচ ও ছুটি শেষে আমাকে ঢাকায় ফিরতে হবে। এ টাকা বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে করে এসেছি।
আশেকপুর বাইপাস এলাকায় কথা হয় সুমন মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, ২৫০ টাকার বাস ভাড়া ৫০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদে বাড়ি ফিরতে হবে এ জন্য অতিরিক্ত ভাড়া নিলেও কিছু করার নেই। পরিবারের সাথে ঈদ করতেই হবে।
ট্রাকচালক সোহাগ রহমান বলেন, আমি সব সময় বালু পরিবহন করি। এবার ঈদে গরু নিয়ে গাবতলী গরুর হাটে এসেছিলাম। ট্রাকে যাত্রী নেওয়ার কোন চিন্তা ভাবনা ছিল না। ফেরার পথে দুই যাত্রী থামিয়ে তাদের দুঃখের কথা বলেন। এজন্য ফ্রিতে তাদের ট্রাকে উঠাই। পরে স্ট্যান্ডে এলাকায় আসামাত্র যাত্রীরা তাড়াহুড়ো করে ট্রাকে ওঠেন। নামতে বললে তারা আমার উপর রেগে উঠে বলেন, আমরা তো ফ্রিতে যাবো না, ভাড়া দিব। পরে ভাড়া মিটিয়ে রওনা করেছি।
নাম প্রকাশ না শর্তে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুমন পরিবহনের এক বাস চালক বলেন, ঈদের ছুটিতে যাত্রীদের চাপ ও মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। এ জন্য একটু বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে স্বীকার করেন তিনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর সাজেদুর রহমান বলেন, পিক-আপ ও খোলা ট্রাকের ছাদে করে যেন যাত্রী না নেয়া হয় সেজন্য বাঁধা দেয়া হচ্ছে। যারা কথা শুনছেন না তাদের বিরুদ্ধে মামলাও দেয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ সেনা বাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জাতির গর্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করায় সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি। এর পাশাপাশি, আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগ্রগতি অব্যাহত রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান করছি।
বুধবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে পরিদর্শন ও সেনাবাহিনী প্রধানের বিদায়ী দরবারে বক্তব্যের সময় তিনি এসব কথা বলেন।এসময় সেনা বাহিনী প্রধান বক্তব্য দেওয়ার সময় অশ্রু সিক্ত হয়ে পড়েন।
সেনাবাহিনী প্রধানকে স্বাগত জানায় ১৯ পদাতিক ডিভিশন এবং শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ মাসীহুর রহমান, এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
এরপর সেনাবাহিনী প্রধান ১৯ পদাতিক ডিভিশন এবং ঘাটাইল এরিয়ার সকল সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী দরবার নেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ সহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।