/ হোম / জাতীয়
ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল - Ekotar Kantho

ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ ধর্মীয় সংগঠন ইসকন কর্তৃক এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যার বিচারের দাবিতে ও রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবিতে টাঙ্গাইলে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করা করেছে।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বাদ জুম্মা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে টাঙ্গাইল জেলা ক্বওমী ওলামা পরিষদ ও টাঙ্গাইল জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা ক্বওমী ওলামা পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুর রহমান ও টাঙ্গাইল জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বিপুলসংখ্যক তৌহিদী জনতা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৪ ০১:২১:এএম ২ বছর আগে
দুবাই অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে খেলছে টাঙ্গাইলের ৩ ক্রিকেটার - Ekotar Kantho

দুবাই অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে খেলছে টাঙ্গাইলের ৩ ক্রিকেটার

একতার কণ্ঠঃ এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। যুব বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে ধরা হয় এই ওয়ানডে ফরমেটের টুর্নামেন্টকে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে শক্তিশালী আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এই খেলায় বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলবেন টাঙ্গাইলের ৩ যুবা ক্রিকেটার।

তারা হলেন, বাঁহাতি ওপেনার রিফাত বেগ (১৮), ডানহাতি লেগব্রেক বোলার কাম ব্যাটসম্যান দেবাশীষ সরকার দেবা (১৮) ও ডানহাতি মিডিয়াম পেসার রিজান হোসেন (১৮)।

ইতিমধ্যে রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের এই ৩ ক্রিকেটার এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মূল দলের সঙ্গে চলে গেছেন।

আসুন সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক টাঙ্গাইলের এই ৩ প্রতিভাবান ক্রিকেটার সম্পর্কে –

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার কামান্য গ্রামে জন্মগ্রহন করা বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) প্রতিভাবান ক্রিকেটার বাঁহাতি ওপেনার রিফাত বেগ।

গত ১১ ফেব্রুয়ারী রাজশাহী শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে অনুর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে অপরাজিত ট্রিপল সেঞ্চুরী (৩২০) করে ইতিহাস গড়েছেন এই ক্রিকেটার। এই পর্যায়ের ক্রিকেটে এটাই কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের সেরা ইনিংস। ৬৫০ মিনিট ক্রিজে থেকে ৪৮৩ বলে ২৯টি চার আর ৪টি ছক্কা হাঁকান রিফাত।

রিফাত বেগ জানান, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অপরিহার্য ক্রিকেটার হওয়াই তার স্বপ্ন। তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ার সময় তারই বড় ভাই বরকতের হাত ধরে ক্রিকেট খেলার প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হয় তার। তার ধ্যান-জ্ঞান ক্রিকেট আর ক্রিকেট।

টাঙ্গাইলের আরেক যুবা ক্রিকেটার দেবাশীষ সরকার দেবা। টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের আশিষ সরকারের ছেলে। ছোট বেলা থেকেই ক্রিকেট খেলার প্রতি তীব্র আকর্ষণ‌ তাকে ক্রিকেট মাঠের মনোযোগী অলরাউন্ডার বানিয়েছে।

গত বছর বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে ভারত সফর করেছেন তিনি। তার নেতৃত্বে ভারতের আঞ্চলিক দলের বিরুদ্ধে দু’টি ম্যাচেই বিশাল জয় উপহার দিয়েছেন। দেবাশীষ একজন পরিশ্রমী ও চতুর অফস্পিন বোলার কাম ব্যাটসম্যান। লক্ষ্য তার বাংলাদেশ জাতীয় দলের নিয়মিত ক্রিকেটার হওয়া।

টাঙ্গাইল শহরের প্যারাডাইস পাড়ায় জন্ম নেওয়া আবুল হোসেনের ছেলে রিজান হোসেন একজন ওপেনিং ব্যাটসম্যান ও ওপেনিং বোলার। সে প্রকৃতপক্ষে একজন জেনুইন অলরাউন্ডার।

ঢাকা বিভাগ (উত্তর) এর সহকারি ক্রিকেট কোচ ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান বলেন, টাঙ্গাইলের তিন জন মেধাবী যুবা ক্রিকেটার এবার কাতারে অনুষ্ঠিত অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে খেলছে এটা অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তারা তিনজনই আমার ছাত্র। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তারা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলার যোগ্যতা রাখে। আমি তাদের সর্বাঙ্গীন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯, ১৪ সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছে, আজিজুল হাকিম তামিম (অধিনায়ক), জাওয়াদ আবরার (সহ-অধিনায়ক), রিফাত বেগ, সামিউন বশির রাতুল, দেবাশীষ সরকার দেবা, রিজান হোসেন, আল ফাহাদ, ইকবাল হাসান ইমন, রাফিউজ্জামান রাফি, ফরিদ হাসান ফয়সাল, মারুফ মৃধা, শিহাব জেমস, আশরাফুজ্জামান বরেণ্য এবং সাদ ইসলাম রাজিন।

অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়েছে, কালাম সিদ্দিকী, শাহরিয়ার আজমীর, ইয়াসির আরাফাত এবং সানজিদ মজুমদারকে।

এবারের আসরে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৯ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে। দ্বিতীয় ম্যাচে ১ ডিসেম্বর নেপালের মুখোমুখি হবে তামিমের দল। এরপর ৩ ডিসেম্বর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে তারা লড়বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

৬ ডিসেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল। আর ৮ ডিসেম্বর দুবাইয়ে হবে ফাইনাল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. নভেম্বর ২০২৪ ০৩:৪৫:এএম ২ বছর আগে
হুগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

হুগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার(১৯ নভেম্বর )বিকেলে হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল বাজারে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী।

ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোরশেদ আলম দুলালের সভাপতিত্বে সভার প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ।

উদ্বোধক ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র-যুগ্ম সম্পাদক এড. আজিম উদ্দিন বিপ্লব।

ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পদক কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাদল, মামুন সরকার, মীর ফরহাদ আলী, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, কামরুল ইসলাম, ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান হাসান, কাতুলি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, পোড়াবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুর সরকার প্রমুখ।

সভায় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. নভেম্বর ২০২৪ ০৮:৩৬:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বেপরোয়া গতির বিনিময় পরিবহনের বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষের ৪ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের মধুপুর পৌর শহরের মালাউড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা তারা হলেন- জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের আক্তার আলীর ছেলে রবিজল সেক (২৮), একই গ্রামের শাহাজল সেক (৪২), পিকআপ চালক একই উপজেলার হেকমত আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২৫) ও হেলপার কাশেম আলীর ছেলে আমজাদ হোসেন (২৮)।

নিহতরা সবজি ব্যবসায়ী। তারা সকলেই গত সোমবার(১৮ নভেম্বর )দিবাগত রাতে ঢাকায় সবজি বিক্রি করে পিকআপযোগে বাড়ি ফিরছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ধনবাড়ী থেকে ঢাকাগামী বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা জামালপুরগামী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন। আহত হয় একজন। পরে তাকেসহ আহতদের উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় মধুপুর থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সত্যতা নিশ্চিত করে রাসেল আহমেদ জানান, মঙ্গলবার ভোরে মধুপুর পৌর শহরের মালাউড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৪ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দু’টি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২৪ ০৭:৩৯:পিএম ২ বছর আগে
এত মানুষ জীবন দিয়েছে শুধু একটি নির্বাচনের জন্য নয়: সারজিস আলম - Ekotar Kantho

এত মানুষ জীবন দিয়েছে শুধু একটি নির্বাচনের জন্য নয়: সারজিস আলম

একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, দুই হাজার মানুষ পরিবারের কথা চিন্তা না করে, মা-বাবার কথা চিন্তা না করে, সহধর্মিণীর কথা চিন্তা না করে, সন্তানের কথা চিন্তা না করে জীবন দিয়েছে শুধুমাত্র একটি নির্বাচনের জন্য না।

রবিবার (১৭ নভেম্বর)রাতে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, শুধুমাত্র একটি নির্বাচনের জন্য যদি এমন কিছু হতো, তাহলে বিগত ১৬ বছরে এই শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য সব মানুষ একসঙ্গে রাজপথে নেমে যেত। এত মানুষ একসঙ্গে নেমেছে যখন খুনি শেখ হাসিনার করাপটেড প্রত্যেকটি সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং মানুষ প্রত্যেকটি জায়গায় গিয়ে নিজের সাধারণ মৌলিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষ যখন সাধারণ একটি সেবা পেতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাচ্ছিল, মানুষকে টাকা দিতে হতো, সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হতে হতো, তখন এই সামগ্রিক সিস্টেমগুলোর বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছিল। তাহলে এই অভ্যুত্থানের একটি ন্যূনতম চাহিদা হচ্ছে ওই ধ্বংস হওয়া সিস্টেমগুলোর মিনিমাম একটি সংস্কার করা।

তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশের যেকোনো রাজনৈতিক দল যদি তাদের জায়গা থেকে মনে করে এই ধ্বংস হওয়া নির্বাচন ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থাসহ বাংলাদেশের অন্যান্য যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাগুলো রয়েছে, এগুলো ছয় মাসে সংস্কার করা সম্ভব, তাহলে আমরা আমাদের জায়গা থেকে মনে করি যে, তারা অবশ্যই এখনো তাদের যে বিবেক বোধের জায়গাটুকু, সেটুকু যতটুকু বহিঃপ্রকাশ প্রত্যাশা করি, ততটুকু তারা করছেন না। এটুকু তারা তাদের জায়গা থেকে করেনি বলেই ১৬ বছরে যে সমাধানটি রাজনৈতিকভাবে হওয়া দরকার ছিল, যে খুনি হাসিনার পতন রাজনৈতিকভাবে হওয়া দরকার ছিল, সেই খুনি হাসিনার পতন হয়েছে ছাত্র-জনতার এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।

সারজিস বলেন, আমরা আমাদের এই জায়গা থেকে মনে করি, আমরা এই অন্তর্বর্তী সরকারকে তিন, চার বা পাঁচ বছরও ক্ষমতায় থাকার কথা বলছি না। কিন্তু কেউ যদি বলে ছয় মাস—এর মতো অযৌক্তিক কোনো কথা আর হতে পারে না। একটি নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার জন্য শুধু কি একটি নির্বাচন কমিশন দরকার? এই নির্বাচনব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে একটি স্বচ্ছ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দরকার, যে তার দায়িত্বগুলো ঠিকমতো পালন করবে। সেই জায়গায় যদি কোনো অপকর্ম হয়, কেউ যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে, তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার জন্য একটি বিচারব্যবস্থা দরকার এবং এই সামগ্রিক বিষয়গুলোর জন্য… আমার দেশের মানুষ এখন দ্রব্যমূল্যর কারণে বাজারে গেলে ঠিকমতো কেনাকাটা করতে পারে না, সিন্ডিকেটগুলোর হাতবদল হয়েছে, সিন্ডিকেটের মধ্যে নিজেদের দলে দলে এখন নেগোসিয়েশন করে এই কালপ্রিটগুলোকে উত্থান না করে, মানুষের মধ্যে ঠিকমতো বাজার করার যে ক্ষমতা সেটি তৈরি না করে কীভাবে নির্বাচনের গল্প নেই।

আমরা আমাদের জায়গা থেকে মনে করি, অবশ্যই ছয় মাস যেমন সম্পূর্ণ অযৌক্তিক একটি সময়, আবার তিন, চার বা পাঁচ বছরও দীর্ঘমেয়াদি সময়। আমরা চাই নির্দিষ্ট একটি যৌক্তিক সময়ে এই সিস্টেমগুলো একেকটি আস্থাযোগ্য সংস্কার হোক। এর পরবর্তীতে অবশ্যই সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার ক্ষমতায় আসুক’, বলেন তিনি।

এসময় আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দৌহিত্র মাহমুদুল হক সানু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. মাহিম সরকার, টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক আল আমিন, মো. কামরুল ইসলাম, আল আমিন সিয়ামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. নভেম্বর ২০২৪ ০৬:৫১:পিএম ২ বছর আগে
আমরাও চাই শেখ হাসিনা আসেন, ঢুকে পড়েন: শামছুজ্জামান দুদু - Ekotar Kantho

আমরাও চাই শেখ হাসিনা আসেন, ঢুকে পড়েন: শামছুজ্জামান দুদু

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, কেউ কেউ বলছেন শেখ হাসিনা হঠাৎ করে ঢুকে পড়বেন। আমরাও চাই আসেন, ঢুকে পড়েন। বিএনপির নেতাকর্মীরা জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ভাইকে আপনি জেলে রেখেছেন তার কৈফিয়ত দিতে হবে।

রবিবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জেলা বিএনপির স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দুদু বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার কাছে শ্রদ্ধা এবং সম্মানের। তাকে চিনেছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান। তাকে চিনেছিলেন বলেই শহীদ জিয়াউর রহমান তার আদর্শ গ্রহণ করেছেন। আমাদের নেতা শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ঘোষক কৃষকদের কাছে গিয়ে কাঁদার মধ্যে কৃষকের কথা শুনতেন। যেমন শুনতে মওলানা ভাসানী।

তিনি বলেন, যারা দেশটাকে ১৬-১৭ বছর ধরে লুটেপুটে খেয়েছেন। মানুষের ওপর জুলুম করেছেন তাদের বিচারের আওতায় আনার দিন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আমরা সমর্থন দিয়েছি। আপনারা সংস্কার করেন। কিন্তু এমন সময় নিবেন না, যাতে মানুষ ধৈর্যহারা হয়। মানুষের ধৈর্য্য থাকতে থাকতে নির্বাচন দিন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি করা কী অপরাধ। আমাদের অনেক নেতাকর্মী এখনো জেলখানায়। ৬০ লাখ আসামী বিএনপির। দুই থেকে আড়াই লক্ষ মামলা। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করি। তাই আমরা অনুরোধ করবো যারা গণতন্ত্রের জন্য মামলার মুখোমুখি হয়েছে তাদের মামলা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেবেন।

এসময় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, মওলানা ভাসানীকে তার হাতে গড়া আওয়ামী লীগ কখনো সম্মান বা শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেনি। বিএনপি গুনী মানুষের সম্মান দিতে জানে। মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে অন্তর্বর্তী সরকারের কোন উপদেষ্টা না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে টুকু।

সমাবেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি হামিদুল হক মোহন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীমসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. নভেম্বর ২০২৪ ০২:৩৩:এএম ২ বছর আগে
ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পার্ক বাজারে দোয়া ও গণভোজ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পার্ক বাজারে দোয়া ও গণভোজ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও গণভোজের আয়োজন করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান চাঁদবাজার (পার্কবাজার) দোকান মালিক সাধারণ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (১৭ নভেম্বর)দুপুরে পার্ক বাজারে আয়োজিত এই দোয়া ও গণভোজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ঝলক, কৃষক দলের সদস্য সচিব শামীমুর রহমান ভিপি শামীম, জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ হাবিবুল শাতিল, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দৌহিত্র আজাদ খান ভাসানী।

অনুষ্ঠানে মাহমুদুল হাসান চাঁদবাজার (পার্কবাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী মো. বাবলু মিয়ার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, ব্যবসায়ী মো মমিন প্রামানিক, মো. শরীফুল ইসলাম শোভা, সোহেল সরকার, জয় সাহা, উজ্জল পাল, শাহজাদা, নুরুল ইসলাম, রায়হান মিয়া, হাবিবুর রহমান হবু, মজনু মিয়া, রাব্বি, ফজলুল হক, মানিক মিয়া, এম.এ করিমসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন,আমীর হামজা রুবেল ।

অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন পাড় দিঘুলিয়া জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মাওলানা নাসির উদ্দিন।

পরে বাজারের ব্যবসায়ীসহ আমন্ত্রিত সহস্রাধিক মানুষ গণভোগে অংশ গ্রহণ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. নভেম্বর ২০২৪ ১২:০২:এএম ২ বছর আগে
নভেম্বরেই চালু হচ্ছে বহুল আলোচিত বেড়াডোমা ব্রীজ - Ekotar Kantho

নভেম্বরেই চালু হচ্ছে বহুল আলোচিত বেড়াডোমা ব্রীজ

একতার কণ্ঠঃ নভেম্বরেই চালু হচ্ছে বহুল আলোচিত বেড়াডোমা ব্রীজ বলে দাবি করেছেন নির্মাণকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। নির্মাণে চার বছর কেটে গেলেও ব্রীজ উদ্বোধনের সংবাদে সীমাহীন উৎসাহে রয়েছেন এর সুবিধাভোগীরা। নির্মাণের মাঝে দেবে যাওয়ার মত দূর্ঘটনার পরও কাঙ্খিত ব্রীজ নির্মাণের সমাপ্তিতে স্বপ্নের দিন গুণছেন পশ্চিমাঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

ব্রীজটি নির্মাণের ফলে এ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন সহজ হবে, তেমননি খুলবে ব্যবসায়িক দ্বার। এর সুফল ভোগ করবে জেলার পশ্চিমাঞ্চলের চার ইউনিয়নের পাঁচ লক্ষাধিক মানুষসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জনসাধারণ।

জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (টিপিআইআইপি) আওতায় এলজিইডির অর্থায়নে টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ৪১.৭০ মিটার দীর্ঘ এই আর্চ সেতুটি নির্মাণ কাজের জন্য ব্রিকস্ অ্যান্ড ব্রিজেস লিমিটেড এন্ড দি নির্মিতি (জেভি) নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীর চুক্তিপত্র হয়।

৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার ৮৪১ টাকা ব্যয়ে এই সেতুর কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর। বর্ধিত সময় অনুযায়ী কাজ সমাপ্তির তারিখ ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর চারটি বিলের মাধ্যমে ঠিকাদারকে দুই কোটি ৮০ লাখ ৫৩ হাজার ৪৭৬ টাকা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৬ জুন রাত সাড়ে ১০টায় দেবে যায় নির্মাণাধীন সেতুটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেন্টারিং খোলাসহ ঘষা মাজা আর সাজসজ্জার অপেক্ষায় রয়েছে বেড়াডোমা ব্রীজ।
বাসাখানপুর গ্রামের গৃহিনী রোজী জানান, ব্রীজ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছি আমরা। শহরে বাচ্চার স্কুলে যাতায়াতসহ মার্কেট ও বাজারে যাতায়াতের খরচ দ্বিগুণ গুনতে হচ্ছে। বেশি সময় ব্যয় হওয়াসহ চলাচলে রয়েছে নানা ধরণের সমস্যা। ব্রীজ নির্মাণের কাজটি শেষ হওয়ায় স্বস্তি পাচ্ছি। দ্রুত উদ্বোধন হলেই আমাদের দূর্ভোগ কাটবে।

সিএনজি চালক মোস্তফা জানান, প্রায় চার বছর যাবৎ চরম কষ্টভোগ করছি আমরা। ব্রীজটি চালু হলে আমাদের সেই কষ্ট দূর হবে।

স্থানীয় হেদায়েত আলী খানসুর শোভা জানান, পশ্চিম টাঙ্গাইলবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল বেড়াডোমা ব্রীজ। ব্রীজে দ্রুত চলাচল শুরু হলে পশ্চিমের কাকুয়া, হুগড়া, বাঘিল ও দাইন্যা ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের দূর্ভোগ কাটবে। শহরতলীতে দ্রুত যাতায়াতের সুবিধার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের কৃষিপণ্য শহরের বাজারগুলোতে এনে বিক্রির সুযোগ পাবেন কৃষকরা। এতে ওই সকল কৃষক লাভবান হওয়াসহ শহরবাসীর সবজির চাহিদাপূরণ হবে। সবজিসহ কৃষিপণ্যের দাম কমবে বলেও মনে করেন তিনি।

ঠিকাদার প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম খান জামিল জানান, ব্রীজের কাঠামোগত নির্মাণ শেষ। সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যে সেন্টারিং খোলাসহ ঘষা মাজা আর সাজসজ্জার কাজও শেষ হবে। আশা করছি, নভেম্বর মাসেই ব্রীজে চলাচল শুরু করা যাবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ব্রীজের সাটার খোলা, ওয়ারিংসহ কিছু সাজ-সজ্জার কাজ বাকি রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, নভেম্বর মাসেই ব্রীজটি চালু করতে। সম্ভব না হলে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চালু করা হবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. নভেম্বর ২০২৪ ১২:১৩:এএম ২ বছর আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যাচ্ছে:আহমেদ আযম খান - Ekotar Kantho

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যাচ্ছে:আহমেদ আযম খান

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যাচ্ছে।

সরকারের এক একজন উপদেষ্টা একেক রকম কথা বলছেন। আমরা সরকারের ভেতরে সমন্বয়হীনতা দেখতে চাই না। আপনারা প্রতিটি পদে পদে বিএনপিসহ গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে আলোচনা করুন।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা বার সমিতির মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন দিন। সেই সময় আমরা দেব, জনগণও দেবে। কিন্তু নির্বাচিত সরকারের মতো যদি পাঁচ বছর থাকবার চেষ্টা করেন, সেটা ভুল হবে।

এর পূর্বে সম্মেলন উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসতিয়াক আজিজ উলফাত।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৫৩:এএম ২ বছর আগে
যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারা মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি- ফয়জুল করীম - Ekotar Kantho

যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারা মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি- ফয়জুল করীম

একতার কণ্ঠঃ ছাত্র জনতার গণবিপ্লবে ঘটিত গণহত্যার বিচার,দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার, অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও তাদেরকে নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করা,সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (PR) জাতীয় সংসদ নির্বাচন,  ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির প্রত্যাশা পূরণে ইসলামভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গণসমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিকালে নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাগরপুর উপজেলা শাখা এই গণসমাবেশের আয়োজন করে।

এ উপলক্ষে দুপুরের পর থেকে ইসলামী আন্দোলনের সমর্থকরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সভাস্থলে উপস্থিত হতে থাকে। পরে বিকালে নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠ লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

গণসমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, ১৯৭১ সালের পর থেকে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। শাসন, শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন এবং লুটতরাজের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করে রেখেছিল। তারা দুর্নীতিতে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরবর্জন দেখেছেন। অবশেষে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে এদেশের মানুষ আবার দেশ স্বাধীন করেছে।

ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির আরও বলেন, কেবলমাত্র দল ও নেতা পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের শান্তি আসতে পারে না। যতদিন পর্যন্ত ন্যায়, নীতির পরিবর্তন আসবে না, ততদিন পর্যন্ত দেশের মানুষের শান্তি শৃঙ্খলা এবং আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে না

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,নাগরপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ বাবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মুফতি আব্দুর রাজ্জাক এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম, শায়খে চরমোনাই।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আকরাম আলী, সেক্রেটারি মোহাম্মদ আখিনুর মিয়া, সদস্য হাফেজ মাওলানা রেজাউল করীম ও আলহাজ্ব মাওলানা আলী আকবর নাগরপুরী প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশে ইসলামী আন্দোলন এ ধরনের গণ সমাবেশের আয়োজন করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২৪ ০২:২৩:এএম ২ বছর আগে
মওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভায় দুই উপদেষ্টা - Ekotar Kantho

মওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভায় দুই উপদেষ্টা

একতার কন্ঠঃ যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আমলা তন্তটা সব সময় জনগণ থেকে একটা দূরত্ব বজায়রেখে চলতো। আমরা মনে করি যে তারা জনগণের সেবক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সেই সেবাটা যেন তারা জনগনকে দেন এবং জনগনের পাশে দাড়িয়ে সেটা দেন। প্রভুমূলক বা প্রভুত্ত্যমূলক জায়গায় না থেকে দূরত্বটা যেন কমিয়ে আনা যায়। মাঠ প্রশাসন সরকার, সাথে জনগনের, তার জন্য আমরা আরও কাজ করবো। সামনে যেন এই দূরত্বটা কমে আসে এই অভিযোগগুলো যাতে না থাকে, তথ্যের ঘাটতি কিংবা তাকে পাওয়া যায় না এই অভিযোগ সামনের দিনে না থাকে সেজন্য আমরা কাজ করবো।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে “মওলানা ভাসানী ও নতুন বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা আসার পর দেখলাম- যে কয়টা স্টেডিয়াম আছে এগুলোরই যথার্থ সংস্কার কিংবা যথার্থ ব্যবহার যোগ্যতা নাই। সে জায়গা থেকে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবহারে যোগ্য করে গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে বিসিবি আমাদের একটি তালিকা দিয়েছে। সারা দেশে ৯টা স্টেডিয়াম আন্তজার্তিক পর্যায়ের, যেগুলোতে কখনো কখনো আন্তজার্তিক খেলা হতো। কয়েকটা আছে যে ২৬ বছর আগে খেলা হয়েছে তারপর আর ব্যবহার করা হয়নি। সেগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে প্রথমে ব্যবহার যোগ্য করা। একই সাথে আমরা বাফুফেকে নির্দশনা দিয়েছি আপনারাও একটি তালিকা দেন ফুটবল স্টেডিয়ামকে কোনগুলো রিভাইভ করতে পারি। খেলার উপযুক্ত করতে পারি। আপনারা জানেন জেলা ক্রীড়া সংস্থা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলো বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলো পূর্ণগঠন চলছে। আমরা বলেছি- জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে একদম প্রান্তিক পর্যায়ে খেলাধুলাকে পৌছে দেয়া। আবার আগের টুর্নামেন্ট যেন আবার পরিচালিত হয় এবং তরুণরা-যুবকরা যাতে এর মধ্যে অংশগ্রহণ করতে পারে। আপনারও জানেন যে আমাদের প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে একটা ইউস ফ্যাস্টিব্যাল করতে যাচ্ছি। বিপিএল খেলার যে সময়টা কেন্দ্র করে শুধু স্টেডিয়ামে না স্টেডিয়ামের বাইরেও সারাদেশে ইউস ফ্যস্টিব্যাল করার একটা পরিকল্পনা আমাদের আছে এবং সকল যুবক-তরুনদেরকে একসাথে সংযুক্ত হওয়ার আহবান থাকবে।

মওলানা ভাসানী পাঠ চক্রের আয়োজনে জাতীয় নাগরিক কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এরআগে দুই উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেন। পরে ভাসানীর গড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে আলোচনা সভায় যোগ দেন।

মাজার জিয়ারত শেষে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, জনগনের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি আমরা। জনগণের পক্ষের এবং এই দীর্ঘ লড়াইয়ের যারা স্বপক্ষে আছে তাদেরকে নিয়েই আমাদের এই সরকার গঠন করার পরিকল্পনা এবং সরকার ঐভাবেই চলমান আছে।

নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা মনে করি যে- যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পক্ষেই থাকবেন। আপনারা এই সরকারের উপর আস্থা রাখতে পারেন। এই সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবেন এবং যারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তারাও এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্যে সামিল হবেন। কোন রকম সংশয়, সন্দেহ থাকলে আমরা মনে করি এটা কাজের মাধ্যমে প্রমান করা হবে যে তারা জনগনের পক্ষে আছেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কবি, ভাবুক ও রাষ্ট্র চিন্তক ফরহাদ মজহার।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মো: আনোয়ারুল আলম আখন্দ, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. নভেম্বর ২০২৪ ০২:১৩:এএম ২ বছর আগে
আমাদের সবার উচিত পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা:পরিবেশ উপদেষ্টা - Ekotar Kantho

আমাদের সবার উচিত পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা:পরিবেশ উপদেষ্টা

একতার কণ্ঠঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্রাকৃতিক বনে কিসের সামাজিক বনায়ন, প্রাকৃতিক বনে বন থাকবে। আপনি যদি সামাজিক বনায়ন করেন, তাহলে চুক্তি স্বাক্ষর করেন উপকারভোগীদের সঙ্গে। এরপর সামাজিক বনায়নের গাছগুলো কেটে উপকারভোগীদের মধ্যে টাকা পয়সা বিতরণ করে দেন। বনবিভাগের প্রাথমিক দায়িত্ব টাকা পয়সা বিতরণ করা না। তাদের দায়িত্ব হচ্ছে প্রাকৃতিক বনকে রক্ষা করা। প্রাকৃতিক বনে আর কোনও সামাজিক বনায়ন হবে না।

বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরে ব্যুরো বাংলাদেশ মিলনায়তনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎ অপচয় রোধে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন দিনের বেলায় সব লাইট বন্ধ করে দিয়েছি। এই বিদ্যুৎ কোথা থেকে উৎপাদন হয়, কীভাবে হয় তা জানতে হবে। আমরা কেন দিনের বেলায় বিদ্যুৎ অপচয় করব। প্রাকৃতিক আলো থাকার পরেও কেন দিনের বেলায় লাইট জ্বালিয়ে প্রোগ্রাম করব।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আরো বলেন, ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী উদ্ধার করা যাচ্ছে না। নদীর নিচে তিন থেকে চার স্তরের পলিথিন পড়ে আছে। এ কারণে সেখানে ড্রেজিং করা সম্ভব না। তাই আমাদের সবার উচিত পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা।

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা করা সবাই দায়িত্ব, কারো একার নয়। ক্ষতিকর প্লাষ্টিক বর্জনের পাশাপাশি প্লাস্ট্রিকের উৎপাদন বন্ধ করতে হবে। নতুন করে কেউ যেন প্লাস্টিক তৈরি ব্যবস্থাপনায় না যায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্লাস্ট্রিকের জীবাশ্ম পুড়িয়ে রোধ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ইটভাটার মাটি কোথা থেকে আসে তার সঠিক তথ্য জানানো এবং পোড়ানো ইট নতুন করে পোড়ানো যাবে না। এক্ষেত্রে অনিয়মকারীদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে।

ব্যুরো বাংলাদেশের এইচআরডি অ্যান্ড আইসিটি ডিরেক্টর অপারেশনস ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ফারমিনা হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শহীদুল হক, আসপাড়া পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক লায়ন এম এ রশীদ, রিভারাইন পিপলের মহাসচিব শেখ রোকন, সবুজ পৃথিবীর নির্বাহী পরিচালক সহিদ মাহমুদ প্রমুখ।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. নভেম্বর ২০২৪ ০৩:৫০:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।