/ হোম / জাতীয়
নাগরপুরে আলোচিত কিশোরগ্যাং ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান বুলেট মাদকসহ গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

নাগরপুরে আলোচিত কিশোরগ্যাং ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান বুলেট মাদকসহ গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরের বহুল আলোচিত কিশোরগ্যাং “বেজী গ্রুপের” প্রধান ও মাদক ব্যবসায়ী মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে (৩২) ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। রবিবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত বুলেট উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের আগত গয়হাটা গ্রামের মৃত. ইসমাইল হোসেন মন্টু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাহাত হোসেন বুলেট দীর্ঘদিন ধরে গোপনে নাগরপুর উপজেলাসহ আশপাশের উপজেলায় ইয়াবা ও গাজাঁসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রি করে আসছিল। সে কিশোরদের দিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় মাদকের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সন্ধ্যায় এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া অভিযান চালিয়ে উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকার বাবুল মিয়ার দোকানের সামনে থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় বুলেটের সাথে থাকা সুমন নামে এক কিশোর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইলে বিজ্ঞ আদালতে মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে প্রেরণ করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২৪ ০১:৫০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ বধ্যভূমিতে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে পৌর শহরের জেলা সদর পানির ট্যাংকের পাশে অবস্থিত বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম।

এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ, সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়াসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউল রহমান চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তি যোদ্ধা সংসদ টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি জেলা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ (বীরবিক্রম), টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মার্চ ২০২৪ ০৬:০৪:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাপা নেতার বিরুদ্ধে এসডিএসের ভূমি দখলে নিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাপা নেতার বিরুদ্ধে এসডিএসের ভূমি দখলে নিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭শত ১২ শতাংশ ভূমি নকল দলিল সৃষ্টি করে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ও গদুরগাতি মৌজার ৫১৪ ও ১৯৮ শতাংশ মোট ৭১২ শতাংশ ভূমি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট(আইআরআই) ও সোস্যাল ডেভেলপমেণ্ট সংসদ(এসডিএস) এর মালিকানাধীন। জমিগুলো ব্যাংকে মর্টগেজ রেখে ঋণ নেওয়া হয়। নানাবিধ কারণে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান দুটির সভাপতি ও চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী ২০০২ সালে গ্রেপ্তার হন। ওই সময় দু’টি প্রতিষ্ঠানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের উপর টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

চেয়ারম্যান হাজতে থাকার সুযোগে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলামের যোগসাজসে সত্য গোপন করে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক নিজ নামে উল্লেখিত ৭১২ শতাংশ ভূমির দলিল রেজিস্ট্রি করে নেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউট ও এসডিএসের ৭১২ শতাংশ ভূমির মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ভেকু মেশিন(খননযন্ত্র) দিয়ে দিনরাত মাটি কাটা হচ্ছে এবং ড্রামট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রাক দিয়ে সেই মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। দিনরাত ট্রাক দিয়ে মাটি আনা-নেওয়া করায় স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠছে।

আইআরআই ও এসডিএসের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী অভিযোগ করে জানান, আইআরআই ও এসডিএসের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরে জেলা প্রশাসকের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও তার প্রতিষ্ঠানের অসাধু কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম নিজে দাতা সেজে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হককে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। ওই জমি নিজের দাবি করে হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক মাটি কেটে বিক্রি করে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের পাশাপাশি অবৈধভাবে দখল করছেন।

এ বিষয়ে জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, এসডিএসের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজীর নামে সারাদেশে ১৩৫টি মামলা দায়ের হলে ২০০২ সালে তিনি গ্রেপ্তার হন। ওইসব মামলার মধ্যে তিনটিতে তার সাজা হয়। ফলে এসডিএসের ৪২জন কর্মকর্তা রেজুলেশন করে মো. নুরুল ইসলামকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। নুরুল ইসলাম ২০১৫ ও ২০১৭ সালে তাকে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এ সময় ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রতিষ্ঠানের কেউ না হয়েও তার কাছ থেকে জমি বিক্রি বাবদ টাকা গ্রহণ করেন। পরে তিনি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে তিনি ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মার্চ ২০২৪ ০৩:২৬:এএম ২ বছর আগে
৩ দিনের মধ্যে ভারত থেকে ট্রেনে পেঁয়াজ আসবে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

৩ দিনের মধ্যে ভারত থেকে ট্রেনে পেঁয়াজ আসবে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আগামী ৩ দিনের মধ্যে ট্রেনে ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

শনিবার (২৩ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের সংবর্ধনা এবং প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্যদের পরিচিতি সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আজ কিংবা আগামীকাল ট্রেনে উঠবে। আগামী ৩ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে ভারতীয় পেঁয়াজ। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা নিয়ে কোনো রকম সমস্যা আছে বলে আমার জানা নেই।

তিনি বলেন, বাজার তার আপন গতিতেই চলবে। ৫-১০ টাকা বাড়লে সেটা নিয়ে কিছু না করা হলেও কেউ যদি মজুতদারি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাজারে স্বাভাবিক বেচাকেনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো রকম পুলিশি তৎপরতা বা ম্যাজিস্ট্রেটি তৎপরতার প্রয়োজন নেই। বাজারে যথেষ্ট পরিমাণ পণ্যের সরবরাহ আছে এবং দামও যৌক্তিক পর্যায়ে আছে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, চাল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। এ কারণে আরেক মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে কোনো কিছু বলা ঠিক হবে না।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মার্চ ২০২৪ ০৩:০৮:এএম ২ বছর আগে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশের কোন মানুষ খাদ্য সংকটে নেই: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশের কোন মানুষ খাদ্য সংকটে নেই: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশের কোন মানুষ খাদ্য সংকটে নেই। সরকার টিসিবি’র মাধ্যমে সারাদেশে এক কোটি নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে সল্প মূল্যে খাদ্য পণ্য বিক্রি করছে। এছাড়াও সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় খাদ্য পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া বাজারেও কোন পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে কাব স্কাউটিং সম্প্রসারণ (৪র্থ) প্রকল্পের অর্থায়নে ৭০টি বিদ্যালয়ের মাঝে ড্রামসেট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চেষ্টা করছি বর্তমান বাজার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর। একদিকে যেমন আমরা পণ্যের সরবরাহ বাড়াবো এতে দেশীয় উৎপাদন বাড়াবে। তেমনি যে শস্য আমদানি করতে হয় সেগুলোরো উৎপাদন বাড়াবো।যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হতে পারতেছি ডাল ও তেল আমরা আমদানি করি এটারও টিসিবি’র মাধ্যমে আমদানি করায় ন্যায্য মূল্যে দিতে পারছি। সাধারণ মানুষ ও যারা শিক্ষক আছে তারাও যেন ভর্তুকি মূল্যে না, ন্যায্য মূল্যে কিনতে পারে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা ব্যবস্থা করবো। আমাদের সেই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষি পণ্য যেন কৃষক সমবায়ের মাধ্যমে সরাসরি ঢাকায় বাজারজাত করতে পারে সেই ব্যাপারে একটা কর্পোরেট তৈরি করে নিতে আমরা পরিবহনের ব্যবস্থা করে নিবো। যাতে তারা মধ্যস্বত্বার মধ্যে না পরে সরাসরি অধিক দামে বিক্রি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সু-স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যে প্রকল্পগুলো হাতে নেবো তা যেন জনকল্যাণে হয়। আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমরা যে কাজ গুলো করবো তা যেন জনস্বার্থে হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাকিলা পারভীন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান এস.এম এহসানুল হক সুমন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম. শিবলী সাদিক প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মার্চ ২০২৪ ০২:০৮:এএম ২ বছর আগে
আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানজট নিরসনে সভা - Ekotar Kantho

আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানজট নিরসনে সভা

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানজট নিরসন কল্পে গৃহিত ট্রাফিক পুলিশিং ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে এ সভার আয়োজন করা হয়।

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সিনথিয়া খান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম সরকার ও মো. দেলোয়ার হোসেন, জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি প্রমুখ।

সভায় ঈদের আগে ও পরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গণপরিবহন এবং যাত্রীদের ভোগান্তি ছাড়া নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, ফায়ার সার্ভিস, বিবিএ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মার্চ ২০২৪ ০৩:২৯:এএম ২ বছর আগে
বাজারে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী রাখা হবে না: বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বাজারে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী রাখা হবে না: বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি বলেছেন, উৎপাদক থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য অ্যাপস দেওয়া হচ্ছে। কোন মধ্যস্বত্ব ভোগী রাখা হবেনা। যাতে করে সাধারণ ক্রেতারা হয়রানি না হয়। কে মাল হোলসেল করলো আর কে কিনলো, শিগগিরই এ জন্য অ্যাপস দেওয়া হবে ।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে মন্ত্রী টাঙ্গাইল শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার ‘পার্ক বাজারে’ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মনিটরিং শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সারাদেশে যে মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছি, সে অনুযায়ী বাজারের ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছে। কয়েকটা জায়গায় কম মূল্যও বিক্রি করা হচ্ছে। চিনি ১৪০ টাকার জায়গায় ১৩৮ টাকাও বিক্রি করছে। তৈলও আমরা ১৬৩ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছি। কিন্তু খুচরা তারা ১৫৮ টাকা বিক্রি করছে। রমজান মাস উপলক্ষে সব কিছুর ঘাটতি থাকার কথা থাকলেও এখন কিন্তু বাজারে কোন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি নাই। রমজানে বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে পণ্যের সরবরাহ রয়েছে। লেবুসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সব কিছুই বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে রয়েছে ৷ টাঙ্গাইলে লোকাল প্রশাসন যথাযথভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে ৷

তিনি বলেন, আমাদের কাজ হলো সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ নিশ্চিত করা ৷

এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃদন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৪ ০১:৩৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান খান ওরফে ঝলককে (২৬) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের সলিমাবাদ মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনার পর নিহতের পিতা সোমবার রাতেই বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে রানা মিয়া (২২), তার ভাই জিয়াদ (১৯) ও একই গ্রামের জয়ের উদ্দিনের ছেলে ইমন (১৯)।

নিহত জাহিদ সলিমাবাদ গ্রামের ছামিনুর রহমান খানের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল শহরের কাগমারীতে অবস্থিত সরকারি এম এম আলী কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, সোমবার রাতে জাহিদ তারাবিহর নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় মাঠের কাছে ফাঁকা একটি জায়গায় এলে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান জাহিদ জানান, রাতেই নিহত জাহিদের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই মামলার আসামি জিয়াদ, ইমন ও রানাকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহত জাহিদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিম হোসেন বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মার্চ ২০২৪ ০৮:০৭:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেড়েছে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, যুক্ত হচ্ছে মাদক সেবনের সাথেও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেড়েছে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, যুক্ত হচ্ছে মাদক সেবনের সাথেও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরে ইদানিং বেড়েছে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা। একই সাথে তারা যুক্ত হচ্ছে মাদক সেবনের সাথেও। ফলে দিন দিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে এইসব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা।

বিশেষ করে শহরের ক্যাপসুল মার্কেট, সবুর খান টাওয়ারের সামনের রাস্তা, ছয়আনি পুকুর পার, মাঝি পাড়া, আদালত পাড়া পুকুর পার, টাঙ্গাইল সরকারি বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনের বড় পুকুর পার, শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যান, শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের পেছনের নজরুল সেনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তাসহ পুরো গলি, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানের বাঁশ বাজার, পরিত্যক্ত ভাসানী হল চত্বর সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে এরা দলবেঁধে মিলিত হয়। পরে শহর জুড়ে বিকট শব্দে হর্ন বাজিয়ে চালায় মোটরসাইকেল মহড়া।

এইসব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন নামে গ্রুপ খুলে নিজেদের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখে । কোন ঘটনা ঘটলেই এইসব গ্রুপের মধ্যেমে মুহূর্তেই সদস্যদের কাছে পৌঁছে যায় সেই খবর। এইসব ফেসবুক গ্রুপের মধ্যেমে কোথায় মিলিত হতে হবে, অপারেশন করতে হবে- এমন নির্দেশনাও পেয়ে থাকে সংশ্লিষ্ট গ্রুপের সদস্যরা।

সম্প্রতি পৌর শহরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেড়েছে কিশোর গ্যাংয়ের এক গ্রুপের সাথে অন্য গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা। ফলে প্রায় প্রতিদিনই কিশোর গ্যাংয়ের বিভিন্ন গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। যে কোন সময় বেঁধে যেতে পারে বড় ধরনের সংঘর্ষ। ঘটতে পারে প্রাণহানির মতো ঘটনাও।

এছাড়া এইসব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদক সেবনের সাথেও যুক্ত রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা জেলা সদরের সৌখিন মৎস্য শিকারি সমিতির আশপাশ এলাকা, পৌর এলাকার শামসুল হক মার্কেটের ২য় তলার খালি অংশ, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানের বাঁশ বাজার, মালঞ্চ সিনেমা হলের আশপাশের এলাকা, শহরের শামসুল হক তোরণ, সরকারি গ্রন্থাগার, কোদালিয়া, নতুন বাস টার্মিনালের পিছনের লেকপার, বেড়াডোমা, মাঝি পাড়া, কাগমারা এলাকাসহ শহরের বিভিন্ন চিহ্নিত স্পট থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে প্রকাশ্যেই সেবন করছে কিশোর গ্যাংয়ের এইসব বেপরোয়া সদস্যরা।

এছাড়া শহরে মাদকের সংকট হলেই তারা মাদক সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেল যোগে চলে যাচ্ছে, শহরতলীর গালা ইউনিয়নের মনতলা, মগড়া ইউনিয়নের ছোট বাসালিয়া, দাইন্যা ইউনিয়নের ছোট বিন্যাফৈর, বড় বিন্যাফৈর , চর ফতেপুর, শ্যামার ঘাট এলাকা, ঘারিন্দা রেল স্টেশন, সন্তোষ, অলোয়া জমিদার বাড়ির আশপাশের এলাকাসহ রাবনা বাইপাস ও নগরজলফৈ বাইপাস এলাকায়।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) পৌর শহরের কলেজ গেট এলাকার হাতেম আলীর ছেলে মামুনকে বিশ্বাস বেতকা এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য পিয়াসের নেতৃত্বে গ্যাংয়ের সদস্যরা তুলে নিয়ে গিয়ে বেদম প্রহার করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠায়। পরে সেখান থেকে চিকিৎসা শেষে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। এবিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় আহতের মা মালেকা বেগম বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) রাতে টাঙ্গাইল আউটার স্টেডিয়ামে অবস্থিত টাঙ্গাইল ফুটবল একাডেমির ছাত্র তরুণ ফুটবলার মো. সজিব হোসেন (১৮) পৌর শহরের সাবালিয়া এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য নুরু ও তার গ্যাংয়ের সদস্যদের হাতে বেদম প্রহারের শিকার হন। তার বাম হাত, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় বর্তমানে‌ সে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল ফুটবল একাডেমির কোষাধাক্ষ ও ইনচার্জ, রণজিৎ রায় জানান, ইতিমধ্যে বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

সম্প্রতি ডিসি লেকে বেড়াতে আসা বাসাইলের এক কলেজ ছাত্র কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দ্বারা শারীরিকভাবে লাঞ্চিত হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কলেজ ছাত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) সকালে সে ও তার এক বান্ধবী ডিসি লেকে বেড়াতে আসে। ডিসি লেকের শিশু পার্ক চত্বর থেকে একদল কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য তাদের আটক করে পাশের একটি ফাস্টফুডের দোকানে নিয়ে যায়। সে ও তার বান্ধবীকে তারা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে‌। পরে তাদের সাথে থাকা টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

সে আরও বলেন, ডিসি লেকের পাশে অবস্থিত বেশ কয়েকটি ফাস্টফুডের দোকানদারদের সাথে এইসব কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের যোগসাজশ রয়েছে। ফলে প্রায় প্রতিদিনই ডিসি লেকে বেড়াতে আসা নিরীহ ছাত্র-ছাত্রীরা এই ধরনের ঘটনার শিকার হচ্ছে।

টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ এর কয়েকজন দোকানদার জানান, প্রায় প্রতিদিনই ঈদগাহ্য়ের পশ্চিম পাশের বকুল গাছের নিচে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্কুল-কলেজের ছাত্রদের ধরে এনে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা অত্যাচার চালায়। এসময় রেখে দেওয়া হয় তাদের টাকা-পয়সাসহ মোবাইল ফোন। প্রায় ক্ষেত্রেই এইসব ঘটনার পেছনে প্রেম সংক্রান্ত বিষয় জড়িত থাকে বলেও তারা জানায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিশোর গ্যাঙের দুই সদস্য জানান, টাঙ্গাইলের এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক বড় ভাইয়ের আশীর্বাদে তাদের গ্যাংয়ে প্রায় ২৫ জন সদস্য রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁরা সেই ভাইয়ের পক্ষ হয়ে নিয়মিত মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে। তার পরিবর্তে তাদের সেই বড় ভাই বিভিন্ন ঘটনায় তাদের শেল্টার দিয়ে থাকে।

সরকারি সৈয়দ মহব্বত আলী ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, কিশোর গ্যাং তৈরি হয় সাধারণত সামাজিক অবক্ষয় ও রাজনৈতিক বড় ভাইদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে। বর্তমানে আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় সামাজিক অবক্ষয় বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাও এই অক্ষয়ের অন্যতম কারণ। ফলে পরিবারে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানদের এক ধরনের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে বাবা-মায়ের আদর-স্নেহ ও শাসন থেকে বঞ্চিত হয়ে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে তাদের সন্তানেরা। এরই ধারাবাহিকতায় তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং।

টাঙ্গাইল অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি মইদুল ইসলাম শিশির বলেন, টাঙ্গাইল শহরে ইদানিং কিশোর গ্যাংয়ের বিচরণ লক্ষ করা যাচ্ছে। সাধারণত নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান ও উচ্চবৃত্ত পরিবারের সন্তানরা কিশোর গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত হচ্ছে। নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানেরা রুজি-রোজগারের আশায় কিশোর গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত হয়। আর উচ্চবৃত্ত পরিবারের বখে যাওয়া সন্তানেরা থ্রিলারের আশায় কিশোর গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত হয়।

তিনি আরও বলেন, এই কিশোর গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত সদস্যদের পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে বুঝিয়ে শুনিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে। আর যারা ইতিমধ্যেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে তাদের দ্রুত শাস্তির আওতায় এনে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে হবে। যেন ভবিষ্যতে কেও আর কিশোর গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত হতে সাহস না পায়।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব সারা বাংলাদেশেই আছে, একই অবস্থা টাঙ্গাইল শহরেও। বিষয়টি আমাদের জানা আছে। যখনই তারা কোন অপরাধমূলক ঘটনা ঘটাচ্ছে সাথে সাথেই সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। আর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদকের সাথে যুক্ত হচ্ছে এটাও সত্য। এ কারণে তাদের দ্বারা অপরাধও বেশি সংঘটিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কিশোর গ্যাং সৃষ্টির পিছনে রাজনৈতিক বড় ভাইদের হাত থাকে। এই কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা কমাতে শুধুমাত্র প্রশাসনই নয়, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে এগিয়ে এলে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা কমিয়ে আনা যাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

প্রতিবেদক: মো. আরমান কবীর

সার্বিক সহযোগিতায়: সাহান হাসান

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মার্চ ২০২৪ ০৩:৩৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ মার্চ) এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, দোয়া ও মোনাজাত ইত্যাদি কর্মসূচি পালন করা হয়।

রবিবার সকালে জেলা সদরের জনসেবা চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, সার্কিট হাউজ সংলগ্ন শেখ রাসেলের ম্যুরাল এবং শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় জেলা পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রবিবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে মিলিত হয়। পরে এখানে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হাসান বিন মুহাম্মদ আলী।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক বীর প্রতীক, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

আলোচনা শেষে এ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, র‌্যালি, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের সামনে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।

এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) প্রফেসর ডক্টর এআরএম সোলাইমান, ট্রেজারার প্রফেসর ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২৪ ০২:১৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আত্মসাত করা টাকা ফেরত পাচ্ছে সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আত্মসাত করা টাকা ফেরত পাচ্ছে সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকরা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখার গ্রাহকের ম্যানেজার কর্তৃক সঞ্চয়পত্রের আত্মসাত করা টাকা ফেরত পাচ্ছেন গ্রাহকরা।

বুধবার (১৩ মার্চ) সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখা কার্যালয় থেকে এই টাকাগুলো ফেরত দেওয়া হয়। এতে ৮৪ জন গ্রাহকের মধ্যে ৫৭ জন গ্রাহককে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

গ্রাহক মর্জিনা বেগম বলেন, সোনালী ব্যাংকে ২১ লাখ টাকা রেখেছিলাম। টাকাগুলো কৌশলে সোনালী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম আত্মসাত করেছিল। পরে অনেক আন্দোলনের পর টাকাগুলো ফেরত পেয়েছি।

আরেক গ্রাহক ববিতা রানী বলেন, ভাবছিলাম টাকা ফেরত পাব না। কিন্তু অবশেষে আমার জমাকৃত ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছি। আত্মসাতের টাকা ফেরত পেয়ে ভালো লাগছে।

গোবিন্দাসী ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার বলেন, গ্রাহকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যাংকের উর্ধ্বধন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখার ম্যানেজার ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, গ্রাহকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আত্মসাতের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। ৫৭ জন গ্রাহকের ২ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৮৪ জন গ্রাহককে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ফেরত প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, সোনালী ব্যাংকের গোবিন্দাসী শাখা’র সাবেক ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। এনিয়ে গ্রাহকদের মাঝে অসন্তোষ ও হতাশা দেখা দেয়। পরে গ্রাহকরা একাধিকবার ব্যাংক ঘেরাও, মানববন্ধন ও রাস্তা অবরোধ কর্মসূচিসহ ইউএনও বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হলে তদন্তপূর্বক প্রায় ৯ মাস পর গ্রাহকদের মাঝে টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

শহিদুল ইসলাম ম্যানেজার হিসেবে সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখায় ২০২০ সালে যোগদান করে। এরপর দীর্ঘ ৩ বছর ২ মাস কাজ করেন সেখানে। এই দীর্ঘ সময়ে তথ্য প্রযুক্তিতে মেধা সম্পন্ন শহিদুল ইসলাম কৌশলে ব্যাংকের ১৩০ জনের সঞ্চয়পত্রের টাকা লুজ চেকের (জরুরি উত্তোলণের জন্য একক পাতা) মাধ্যমে অন্য একাউন্টে ৫ কোটি ১১ লাখ টাকা সরিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে। এছাড়া উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের ভাতার ৬ লাখ ৮১ টাকাও গায়েব করা হয়েছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম তার বড় ভাই ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামের মহির উদ্দিনের তালুকদার এগ্রো ফার্ম ও কালিহাতী উপজেলার আদাবাড়ি গ্রামের খালেদা বেগম নামে পলাশ এগ্রো ফার্মের অ্যাকাউন্টসহ তার বন্ধু বান্ধবদের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা আত্মসাত করেন।

এছাড়া খালেদা বেগমের মেয়ের জামাই পটুয়াখালী জেলায় দুদকের উপ-পরিচালক মামুন চৌধুরীর সাথে শহিদুল ইসলামের বন্ধুত্বের কারণে ওই হিসাব নম্বর ব্যবহার করে টাকা সরানোর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সোনালী ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে গোবিন্দাসী শাখা হতে ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন শহিদুল ইসলাম। এসব অভিযোগের পর কিছুদিন শহিদুল ইসলাম আত্মগোপনে থাকেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মার্চ ২০২৪ ০২:২৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সাব্বির জলদস্যুদের হাতে জিম্মি, পরিবারের আহাজারি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সাব্বির জলদস্যুদের হাতে জিম্মি, পরিবারের আহাজারি

একতার কণ্ঠঃ একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলের জিম্মির খবর শুনে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন তার প্যারাইলাইজড বাবা হারুন অর রশিদ। পাশেই বিলাপ করে কাঁদছেন মা সালেহা বেগম। একমাত্র বোন মিতু আক্তার বুকে পাথর বেঁধে ভাইয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে বেড়াচ্ছেন।

তাদের আহাজারি দেখে প্রতিবেশী-আত্বীয়স্বজনরা ছুটে এসেছেন। যে যার মতো করে সান্ত্বনা দিয়ে যাচ্ছেন। পরিবারের একমাত্র ছেলের এমন দশায় সান্ত্বনা কি আর তাদের আশ্বস্ত করতে পারে? তাদের মুখে শুধু একটাই দাবি, সরকার যেন দ্রুত সাব্বিরসহ সব জিম্মিকে মুক্ত করে আনে।

জানা গেছে, ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর ২৩ জন নাবিকের একজন টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গা ধলাপাড়া গ্রামের সাব্বির হোসেন।

সাব্বির উপজেলার সহবতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে এসএসসি পাস করেন। এরপর টাঙ্গাইলের সরকারি এম এম আলী কলেজ (কাগমারি) থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে ২০২২ সালের জুন মাসে এমভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্যবাহী জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।

সাব্বিরের চাচাতো ভাই আহম্মেদ হোসেন রানা জানান, সাব্বিররা এক ভাই এক বোন। বোনের বিয়ে হয়েছে। সাব্বির অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে। তার বাবা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে প্যারাইলাইজড হয়ে শয্যাশায়ী। সাব্বিরের চাকরি হওয়ার পর তার মা শয্যাশায়ী স্বামীকে নিয়ে সহবপুর তার বাবার বাড়িতে থাকেন। সংসার চলে সাব্বিরের উপার্জনে। সরকারের কাছে দাবি জানাই সাব্বিরসহ সবাইকে যেন জিম্মি দশা থেকে দ্রুত মুক্ত করা হয়।

সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার বলেন, এক মাস আগে বাড়ি এসেছিল আমার ভাই। একদিন থেকেই চলে গেছে। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সকাল থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটি জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর পেয়ে আমরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। বাবা মা খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তারা শুধু কেঁদেই চলছে আর বলছে আমার ছেলেকে এনে দাও। আমার একমাত্র ভাইয়ের কিছু হলে বাবা মাকে বাঁচানো যাবে না। অতি দ্রুত আমার ভাইকে মুক্ত করে আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২৪ ০২:১৭:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।