/ হোম / আমাদের
টাঙ্গাইলে স্বামীর পরকীয়া ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে স্ত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর পরকীয়া ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে স্ত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত। স্বামীকে ওই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে নানাভাবে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ক্ষুব্ধ গৃহবধূ বিষপান করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাতে বিষপান করার পর রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। উপজেলার কালমেঘার ইন্দ্রাচালা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

ওই গৃহবধূর নাম নুরুন্নাহার (২৮)। তিনি ওই এলাকার আকাশ মিয়ার স্ত্রী। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে।

পুলিশ ও গৃহবধূর প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বামী আকাশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নুরুন্নাহারের কলহ চলছিল। বিশেষ করে স্বামীর পরকীয়ায় আসক্তি নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এসব নিয়ে কলহের একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নুরুন্নাহার বিষপান করেন। তাঁকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু রোববার হঠাৎ ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

ওই গৃহবধূর ভাই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আফজাল হোসেন জানান, স্বামীর সঙ্গে তার বোনের পারিবারিক কলহ চলছিল। তার স্বামীর পরকীয়ার বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। কিন্তু এসব বিষয়ে প্রমাণ ছাড়া তো কিছু বলা যায় না।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে গৃহবধূর স্বামী আকাশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ জানান, গৃহবধূ নুরুন্নাহারের লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আপাতত অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৩ ০২:০২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন পরিচয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে মানিক মনি দাস (২১) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে পৌর শহরের কোনাবাড়ী বাজারের তামাক পট্রি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

সে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চর ধোপাকান্দি গ্রামের শ্রী অনিল মনি দাসের ছেলে।

পুলিশ জানায়, পৌর শহরের তামাক পট্রি এলাকায় একটি ব্যাংকের সামনে সেনাবাহিনীর লোগো সম্বলিত টি শার্ট পড়ে মানিক মনি দাস নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরিচয় দিচ্ছে।

মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য সে মোবাইলে রাখা সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি দেখিয়ে প্রতারণার উদ্দেশে কতিপয় লোকজনের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করিতেছে। তার কথা বার্তা ও আচার-আচরণ লোকজনের নিকট সন্দেহ সৃষ্টি হলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, আসামি নিজেকে ভুয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসার (ক্যাপ্টেন) পরিচয়, অসৎ উদ্দেশে সেনাবাহিনীর চিহ্ন বহন ও প্রতারণাপূর্বক অর্থ আত্মসাৎ করে অপরাধ করেছে। এজন্য তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৩ ০১:০৫:এএম ৩ বছর আগে
করটিয়া সা’দত বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ইউসুফ সম্পাদক রাজীব - Ekotar Kantho

করটিয়া সা’দত বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ইউসুফ সম্পাদক রাজীব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়া ঐতিহ্যবাহী সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. ইউসুফ আলী ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সায়মন তালুকদার রাজীব।

শনিবার(১৮ মার্চ) গভীর রাতে প্রকাশিত ফলাফলে সভাপতি পদে মো. ইউসুফ আলী(চেয়ার) ১৪৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রিপন(গরুরগাড়ী) পেয়েছেন ১২৫৩ ভোট।

অপরদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে সায়মন তালুকদার রাজীব( দেয়ালঘড়ী) পেয়েছেন ১৮১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আব্দুর রশীদ হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪৫ ভোট।

এছাড়া সমিতির নির্বাচিতরা হচ্ছেন,সহ-সভাপতি পদে আজাদ সিদ্দিকী (মোরগ), মো. জামিল আক্তার খান(মই),সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন রাজু(হাতি), নাজমুল ইসলাম মনির(আনারস),আইন বিচার ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহ্ শাহীন(মোমবাতি), কোষাধ্যক্ষ মো. শাজাহান সিরাজ শাহীন(দোয়াত কলম), দপ্তর সম্পাদক খন্দকার হাসান জোহেব(সিএনজি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. সজীব মিয়া (ফুটবল), ধর্ম সম্পাদক(ইসলাম) মো. জামাল মিয়া (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়),ধর্ম সম্পাদক(হিন্দু) মলয় চন্দ্র পাল( বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়)।

কার্যকরি পরিষদের সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তাইফুর রহমান শান্ত(১৪৭২)। এছাড়া মো. মোজাম্মেল হক তালুকদার(১৩৮৩) ও মো. রাকিব সিদ্দিকী(১২৬৮) কার্যকরি সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন করটিয়া এইচ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. সহিদুল ইসলাম। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈম। এই নির্বাচনে ১৩ টি পদে ২৮ জন প্রার্থী অংশ গ্রহনের মাধ্যমে উৎসবমুখোর পরিবেশে শান্তিপুর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। সমিতির ২ হাজার ৯’শ ৪০ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ৭’শ ৫৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মার্চ ২০২৩ ১০:৩০:পিএম ৩ বছর আগে
গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সম্পাদক সন্তোষ কুমার - Ekotar Kantho

গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সম্পাদক সন্তোষ কুমার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর প্রেসক্লাবের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সন্তোষ কুমার দত্ত।

সম্মেলনে দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদদাতা অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনকে সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের সন্তোষ কুমার দত্তকে সম্পাদক করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি কমিটি গঠিত হয়।

নির্বাচিত অন্য কর্মকর্তারা হলেন সহসভাপতি খন্দকার আব্দুস সাত্তার (দৈনিক জনতা), কে এম মিঠু (দৈনিক ভোরের কাগজ), মো. আব্দুস সালাম (দৈনিক দিনকাল), যুগ্ম সম্পাদক কায়ছার মিয়া (আমাদের বার্তা), সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (দৈনিক সকালের সময়), কোষাধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র রায় (দৈনিক ভোরের ডাক), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সেলিম হোসেন (দৈনিক যুগান্তর), দপ্তর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. নূর আলম (দৈনিক ভোরের সময়)। নির্বাহী সদস্য মাহদী হাসান শিবলী (টি টিভি), মো. রুবেল আহমেদ (গোপালপুর বার্তা)।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মার্চ ২০২৩ ০১:৩০:এএম ৩ বছর আগে
গণহত্যার আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতির দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

গণহত্যার আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতির দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ একাত্তুরে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আলবদর কর্তৃক বাঙালি গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পাঠ্য বইয়ে গণহত্যার ইতিহাস অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ টাঙ্গাইল জেলা কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ পরিষদ।

শনিবার(১৮ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ টাঙ্গাইল জেলা কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ পরিষদ এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুছ আলী’র সভাপতিত্বে ও তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মুঈদ হাসান তড়িৎ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলীমউদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, অধ্যাপক এ এম রাজ্জাক, নাঈম উদ্দিন প্রমুখ।

এসময় সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ টাঙ্গাইল জেলা কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ পরিষদ এর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, স্বাধীনতার ৫২ বছর পর হলেও বাংলাদেশের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতিসংঘকে দিতে হবে। টাঙ্গাইলে চিহ্নিত ১’শত ৯৫ পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর বিচার অবিলম্বে শুরু করা ও পাঠ্য বইয়ে গণহত্যার ইতিহাস অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মার্চ ২০২৩ ০১:১৮:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ মার্চ) বিকালে একাডেমিক ভবনের পরিসংখ্যান বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নবীনবরণ ও ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সায়েন্স অনুষদের ডিন ও পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ধনেশ্বর চন্দ্র সরকার ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ মহিবুল হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মার্চ ২০২৩ ০১:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
দৈনিক যুগধারা’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

দৈনিক যুগধারা’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ ‘সত্যের সন্ধানে অবিরাম’ শ্লোগানে টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগধারা পত্রিকার ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ১১তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসকাবের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে দৈনিক যুগধারা’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়।

দৈনিক যুগধারা প্রত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এইচ.এম হাবিবুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন মোল্লা, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, টাঙ্গাইল এডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. গোলাম মোস্তফা, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসাদুল আক্তার শামীম, মওলানা ভাষানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুল ইসলাম মজনু, এনটিভি’র স্টাফ কররসপেনডেন্ট মহাব্বত হোসেন, এটিএন নিউজ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন, দৈনিক সমকালের জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রহিম, কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি কাজল আর্য্য, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আনোয়ার হোসেন বকুল, দৈনিক টাঙ্গাইল প্রতিদিনের সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মনির সিকদার, দৈনিক নয়া দিগন্তের জেলা প্রতিনিধি মালেক আদনান, দৈনিক আমার সংবাদের জেলা প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম লিটন, দৈনিক ভোরের পাতা’র জেলা প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, আনন্দ টিভি’র উত্তর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী, দৈনিক যুগধারা’র স্টাফ রিপোর্টার ও নিউজ জি এর জেলা প্রতিনিধি অন্তু দাস হৃদয়, দৈনিক কালের কাগজের জেলা প্রতিনিধি মুক্তার হাসান, দৈনিক যুগধারা’র স্টাফ রিপোর্টার সুলতান কবির, দৈনিক টাঙ্গাইল প্রতিদিনের কালিহাতী প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলমসহ যুগধারা প্রত্রিকার বিভিন্ন উপজেলা প্রতিনিধি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা দৈনিক যুগধারা’র ১০ম বর্ষ পূর্তি ও ১১তম বর্ষে পদার্পণকে একটি ইতিহাস আখ্যা দিয়ে বলেন, গত ১০ বছরে যুগধারা লেখনির মাধ্যমে সাহসী সাংবাদিকতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়ে পাঠকদের আস্থা সৃষ্টি করেছে।

তারা আরো বলেন, আগামী দিনে যুগধারা সাংবাদিকতায় আরো গতিশীল সংবাদ পরিবেশন করে তার বৈশিষ্ট ‘সত্যের সন্ধানে অবিরাম’ শ্লোগানকে স্বার্থক করে তুলবেন এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দৈনিক যুগধারা পত্রিকাকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে সুনামের সাথে আরো এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনা সভা ও কেক কাটার মাধ্যমে শেষ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২৩ ০২:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
বাঙালী-অবাঙালী সকলে সম্মিলিতভাবে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বাঙালী-অবাঙালী সকলে সম্মিলিতভাবে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

তিনি শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধুর মতো দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। দেশের কল্যাণে নিবেদিত থাকতে হবে। প্রতিটি মুহুর্ত সমাজের জন্য দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যেতে হবে।

ড. রাজ্জাক আরো বলেন, বাঙালী-অবাঙালী সকলে সম্মিলিতভাবে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করতে হবে। মুসলমান-হিন্দু- বৌদ্ধ-খৃষ্টান সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু সকলকে নিয়ে দেশকে উন্নত রাষ্ট্র করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার গ্রাম আমার শহর বাস্তবায়নে নিবেদিত রয়েছেন। সকলের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করতে হবে।

মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শিশু দিবসের আলোচনা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, মধুপুর পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন, ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক ও শরীফ আহমেদ নাসিরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

এর আগে মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে জন্মদিনের কেক কাটা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাতে অংশ নেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২৩ ০১:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে

একতার কণ্ঠঃ কম খরচে অধিক ফলন হয় সূর্যমুখীর। তেল জাতীয় এ বীজ চাষ ভালো হওয়ায় সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে টাঙ্গাইলের কৃষক এবং গ্রাম-বাংলার ফসলি জমি। ভোর হলেই মিষ্টি সোনা রোদে ঝলমল করে উঠে সূর্যমুখী ফুলগুলো। দেখে মনে হয় সবুজ পাতার আড়াল থেকে মুখ উঁচু করে হাসছে সূর্যমুখী। সূর্যমুখী দেখতে কিছুটা সূর্যের মতো। সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে বলে এ ফুলের নাম সূর্যমুখী ফুল। সূর্যমুখীর বাগানে প্রায় প্রতিদিন চলে প্রজাপতি আর মৌ-মাছির মেলা। নয়ন জুড়ানো এ দৃশ্যে খুশি কৃষক, তেমনি মোহিত করছে ফুলপ্রেমী মানুষকে।

সূর্যমুখী শুধু দেখতেই সুন্দর নয়, এর রয়েছে অনেক গুণাগুণ। বাজারেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। কৃষি প্রণোদনার আওতায় টাঙ্গাইলে চাষ হয়েছে তেলজাতীয় ফসল এই সূর্যমুখী। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় গতবারের ন্যায় এবারও সূর্যমুখীর ফলন ভালো হয়েছে এ জেলায়। এতে খুশি চাষিরাও। তা ছাড়া বর্তমানে আকাঁশ ছোয়া তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভোজ্য তেলের চাহিদাও পূরণ করবে এ হাইব্রিড জাতের সূর্যমুখী। তাই কম খরচে ভালো ফলন হওয়ায় দিন দিন সূর্যমুখী চাষে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে সূর্যমুখী। এনিয়ে জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। ১২টি উপজেলার মধ্যে- টাঙ্গাইল সদরে ৪৫, বাসাইলে ৩৫, কালিহাতী ২০, ঘাটাইলে ১৫, নাগরপুরে ১৫, মির্জাপুরে ১৫, মধুপুরে ২০, ভূঞাপুরে ২০, গোপালপুরে ১২, সখীপুরে ১২, দেলদুয়ারে ১৫ ও ধনবাড়ীতে ১৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়।

গোপালপুর পৌরসভার ভূয়ারপাড়া এলাকার বয়োবৃদ্ধ নূরুল ইসলাম, তুলা মিয়া, হাসমত আলী, রাশিদা, জমিলা, রত্নাসহ অনেকেই জানান, জবরদখল হওয়া ১০ একর জমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। সেখানে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। আরও দখলে খাকা জমিগুলো স্থানীয় প্রভাবশালীদের জবরদখলে থাকায় উদ্ধার করতে পারেনি।

ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ি এলাকার চাষি মুশফিকুর রহমান বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ১০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছি। প্রতিদিন বিকেল বেলায় আমার জমিতে ফোটা সূর্যমুখী ফুল দেখার জন্য দূর-দূরান্ত হতে অনেক দর্শনার্থীরা দেখতে আসত। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে ছবি তুলে সময় কাটান বিনোদনপ্রেমীরা। তা দেখে আমার আনন্দ লাগে। তা ছাড়া আমাকে দেখে এলাকার অনেক কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বছর সূর্যমুখী চাষে ভালো সফলতা আসবে এবং অনেক লাভবান হতে পারব বলে আশা করছি।

সূর্যমুখীর মাঠে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও বিনোদনপ্রেমীরা ভিড় করেছেন সূর্যমুখীর মাঠে। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছে। স্থানীয় কৃষকরা চাষিদের সঙ্গে কথা বলে সূর্যমুখী চাষের জন্য নানা ধরনের পরামর্শ নিচ্ছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কৃষি বিভাগ কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছে।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আহ্সানুল হক বাশার বলেন, চলতি মৌসুমে জেলার ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমি বেশি হওয়ায় জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমূখীর চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১৪ হেক্টর বেশি। প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে সূর্যমুখীর বীজ ও সার দেওয়া হয়েছিল। গত বছর ৪৩৫ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পেলেও এ বছর ২৪২ হেক্টর জমি থেকে ৪৪২ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পাব বলে আশা করছি।

তিনি আরও জানান, এ বছর জেলায় সূর্যমুখী বেশিরভাগই চাষ করা হাইব্রিড জাতের এবং বাংলাদেশ গবেষণাগার থেকে বারি-১৪ সূর্যমুখীর উৎপাদন বেশি হয়। আর তেলের পরিমাণও বেশি থাকে। সব দিক বিবেচনা করে তেলের চাহিদা পূরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ডাক দিয়েছেন যে, আমাদের দেশীয় তেল স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। সে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় আমরা টাঙ্গাইলে কাজ করে যাচ্ছি এবং সরিষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত তেল জাতীয় সূর্যমুখীর চাষ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২৩ ০১:১০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস চাপায় ট্রাক চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস চাপায় ট্রাক চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে অজ্ঞাত বাস চাপায় ইরফান মিয়া (৫০) নামে এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছে।

শুক্রবার(১৭ মার্চ) বিকেলে মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার পৌলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইরফান মিয়া পৌলি এলাকার মৃত বাবর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, নিহত ইরফান মহাসড়কের পূর্ব পাশ থেকে হেঁটে পশ্চিম পাশে ছোট ভাইকে টাকা দিতে যাচ্ছিল ছিলো। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী অজ্ঞাত একটি বাস ইফরানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ইরফানের মৃত্যু হয়।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট শিবু নাথ সরকার জানান, সংবাদ পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করেছি। আইনী পক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহত ইরফান পেশায় ট্রাক চালক ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২৩ ১২:৩০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এলেঙ্গা পৌরসভায় নৌকা ও দুই ইউপিতে স্বতন্ত্র জয়ী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এলেঙ্গা পৌরসভায় নৌকা ও দুই ইউপিতে স্বতন্ত্র জয়ী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তবে ঘাটাইলের সাগরদীঘি ইউনিয়ন ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) এলেঙ্গা পৌরসভা ও ওই দুই ইউনিয়নে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়।

এলেঙ্গা পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র নুর এ আলম সিদ্দিকী নৌকা প্রতীকে ১৩ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাফী খান জগ প্রতীকে পেয়েছে ৮ হাজার ৮০৫ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজিনা আখতার নারিকেল গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৪৯ ভোট।

শাফী খান উপজেলা বিএনপির সদস্য। দল নির্বাচনে অংশ না নিলেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। অপরদিকে রেজিনা আখতারও আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন।

ঘাটাইলের সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বাহার মোটরসাইকেল প্রতীকে চার হাজার ৪১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচন হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম চশমা প্রতীকে চশমা প্রতীকে ৩ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়েছেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হেকমত সিকদার ৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহাদৎ হোসেন সিকদার আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৩৯২ ভোট।

নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুবকর ছিদ্দিক আনারস প্রতীক নিয়ে ৫ হাজার ৯৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৯৯৬ ভোট পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ নভেম্বর ২০২২ ভারড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আ. কুদ্দুস মিয়া মৃত্যুবরণ করায় এ ইউনিয়নে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মার্চ ২০২৩ ০৬:৪৩:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঋণের দায়ে এনজিও’র মামলায় কারাগারে হতদরিদ্র গৃহবধূ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঋণের দায়ে এনজিও’র মামলায় কারাগারে হতদরিদ্র গৃহবধূ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঋণের টাকা পরিশোধের পরও এনজিও সংস্থা টিএমএসএস (ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ) -এর মামলায় রুমা নামের এক অসহায় গৃহবধূকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার(১৪ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার প্রতিমা বংকী দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে সখীপুর থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার(১৫ মার্চ) তাঁকে টাঙ্গাইল পাঠানো হয়েছে।

গৃহবধূ রুমা ওই এলাকার আবু আহম্মেদের স্ত্রী। তবে এনজিও সংস্থা টিএমএসএস এর এক কর্মকর্তার দাবি- ওই গৃহবধূ সব টাকা পরিশোধ করেননি।

গৃহবধূ রুমার পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রুমা নামের ওই গৃহবধূ ২০১৯ সালের শুরুর দিকে এনজিও সংস্থা টিএমএসএস (ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ) -এর নলুয়া শাখা থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নেন। এরপর তিনি ওই ঋণের চারটি কিস্তিও পরিশোধ করেন। পরে করোনাকালীন মন্দা পরিস্থিতিতে একসময় ঋণের কিস্তি পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করেন রুমা। ফলে ২০২২ সালের ২০ এপ্রিল টিএমএসএস কর্তৃপক্ষ ৫০ হাজার টাকা ঋণ খেলাপি দাবি করে রুমার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা করে।
পরে ওই মামলাটি তুলে নেওয়ার শর্তে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি অসহায় রুমা ও তাঁর পরিবার ২৫ হাজার টাকা টিএমএসএস নলুয়া শাখার কর্মকর্তা শাহীনের কাছে পরিশোধ করেন। এনজিও কর্মকর্তা শাহীন সাদা একটি কাগজের টুকরোতে সাক্ষর করে ২৫ হাজার টাকা বুঝিয়া পাইলাম মর্মে লিখিত দেন। কিন্তু তাঁদের এই সমঝোতা/লেনদেনের বিষয়টি টিএমএসএস কর্তৃপক্ষ আদালতকে অবহিত না করায় আদালত গত ১২ ফেব্রুয়ারি গৃহবধূ রুমার বিরুদ্ধে একমাস কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেন।
এদিকে সাজা ঘোষণার পরও বিষয়টি গোপন করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টিএমএসএস-এর ওই কর্মকর্তা খেলাপি ঋণের আরও সাত হাজার টাকা কিস্তি গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে সাজা হওয়ার ভিত্তিতে আদালত রুমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে সখীপুর থানা পুলিশ গৃহবধূ রুমাকে গ্রেপ্তার করে।

থানা কাস্টরিতে গৃহবধূ রুমা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, আমার স্বামী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন, কিন্তু করোনার সময় আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। তবুও জেল-জরিমানার ভয়ে ধার-দেনা করে এনজিও’র টাকা পরিশোধ করতেছি। ৬০ হাজার টাকা ঋণের মধ্যে চারটা কিস্তি দিছি, মামলার পর দুই কিস্তিতে ৩২ হাজার টাকা নিছে আর ওই সমিতিতে আমার কিছু সঞ্চয়ের টাকা আছে, সব বাদ দিলে আমার কাছে আর তিন-চার হাজার টাকা পাবে।

এ বিষয়ে জানতে টিএমএসএস —এর কিস্তি গ্রহণকারী ওই কর্মকর্তা শাহীনের মোবাইল ফোনে বারবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে টিএমএসএস -এর নলুয়া শাখার আইন বিভাগের কর্মকর্তা মশিউর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেদের দায় এড়িয়ে বলেন, এক্ষেত্রে টিএমএসএস কর্তৃপক্ষের কোনো ভুল নেই। মূলত গৃহবধূ রুমা তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন নাই। সম্ভবত কোনো হাজিরার তারিখে তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। এই কারণে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এছাড়া তিনি ঋণের সব টাকা পরিশোধও করেননি।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে রুমা নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করে বুধবার সকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। থানা পুলিশ আদালতের আদেশ পালন করেছে মাত্র।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মার্চ ২০২৩ ০৩:৫০:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।