একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বালুবাহী ট্রাক চাপায় আরাফাত রহমান (১৪) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার এলেঙ্গার পুংলী মহেলা আদর্শ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আরাফাত ওই গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে আরাফাত মোটরসাইকেল নিয়ে মহেলা আদর্শ গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে যান। এসময় ওই গ্রামের বালুর ঘাট থেকে বালু নিয়ে ট্রাকটি যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী আরাফাত নিহত হয়।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় জনতা ট্রাকটি আটক করলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী কহিনূর মিয়া(৪৫) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সামি চৌধুরীকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন নিহতের স্বজনসহ এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ ) বিকেলে ধলাপাড়া-ঘাটাইল আঞ্চলিক সড়কের গাঞ্জানা ব্রিজ মোড় এলাকার সড়কে অবস্থান নেয় তারা। ঘন্টাব্যাপী স্থানীয় শত শত লোক সড়কে অবস্থানের পর আসামি গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়ে সড়ক অবরোধ তুলে নেয়ার অনুরোধ জানান স্থানীয় প্রশাসন।
এর আগে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী কহিনূর মিয়াকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তুলে তার পরিবার । বুধবার(৮ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের উত্তর ধলাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বাছেদের ছেলে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লাশ দাফন করা হয়নি।
এদিকে ঘটনার পর ওইদিন রাতে নিহতের ছেলে জুয়েল রানা বাদী হয়ে একই এলাকার মৃত খসরু চৌধুরীর ছেলে সামি চৌধুরী সহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, খুনের ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে । এছাড়া যারা সড়কে লাশ রেখে অবরোধ করেছেন তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে টাঙ্গাইলের চার নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছ। বুধবার (৮ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়।
সংবর্ধিত চার বীর নারী মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন- ঘাটাইল উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরা খাতুন, সখীপুর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছা. ফাতেমা খাতুন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শেফালী ও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল গ্রামের রবিজান বেওয়া।
এদেরকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের পক্ষ থেকে নতুন শাড়ি ও উত্তরীয় পরিয়ে, ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সন্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্বর্ধনা পাওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিজান বেওয়া তার অনুভূতি জানিয়ে বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এতো সম্মান পাবো সেই লোভে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেইনি। তারপরও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সময়ে আমরা অনেক সম্মান পাচ্ছি। এ জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যার শেখ হাসিনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাতেমা খাতুন বলেন, দেশকে ভালবেসে ও দেশ মাতৃকাকে রক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। বর্তমান সরকার আমাদের যে সম্মান করছে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অন্য কোন সরকার আমাদের এতো সম্মান করেনি। বর্তমান জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার প্রতিটি ভালো কাজে আমাদের সাথে রাখায় আমরা গর্বিত।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শেফালী বলেন, গত ১৪ বছরে অনেক সম্মান পেয়েছি। আমার বাড়ি ঘরের অবস্থা ভাল নয়। আমাকে সরকারিভাবে বীর নিবাস করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, টাঙ্গাইলের আট নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে দুই জন নিহত ও দুই জন অসুস্থ থাকায় বাকি চার নারী মুক্তিযোদ্ধাকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে সংবর্ধনা জানাতে পারায় জেলা প্রশাসন গর্বিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক প্রেমিকা অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় প্রেমিকসহ পরিবারের সবাই ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।
মঙ্গলবার (৭ মার্চ) পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন, উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে ইলিয়াস।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অনেক দিন ধরে ইলিয়াসের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইলিয়াস আমার সঙ্গে অনেকবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করেছে। প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে আমাদের বাড়িতে ইলিয়াসের যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি আমাকে এড়িয়ে চলায় মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিয়ের দাবিতে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছি।
ভুক্তভোগীর মা ডলি বেগম জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে ইলিয়াসের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জানি। পার্শ্ববর্তী সবাই তাদের চলাফেরা করতে দেখেছে। আমার বাড়িতেও ইলিয়াসের আসা-যাওয়া ছিল। প্রথম পর্যায়ে মেয়েকে বাধা দিয়েছি। এতে কয়েকবার গলায় ফাঁস দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
তিনি আরও জানান, ইলিয়াস বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রতারণা করায় মেয়ে বাড়িতে না জানিয়ে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছে। আমরা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও মেয়ে বাড়ি আসছে না।
অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে তালা থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে অভিযুক্ত ইলিয়াসের বাড়ি গিয়ে মেয়ের অবস্থান কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু শিশু ও নারী বিষয়ক ঘটনা মীমাংসা করার অধিকার আমাদের নেই। মেয়ের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করলে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস পালন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহসানুল বাসার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, সাবেক ডেপুটি জেলা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ। পরে এক মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এর আগে সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গাছের ডাব খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর ও মাকে অপমান করায় তা সহ্য করতে না পেরে ক্ষোভে-দুঃখে ও অপমানে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বাথরুমে ফাঁসি দিয়ে আবির (১৪) নামে এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে।
আবির ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নের কুঠিবয়ড়া গ্রামের বাদশা মন্ডলের ছেলে। সে স্থানীয় ঘাটান্দি আলহাজ্ব হায়দার আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র।
মঙ্গলবার(৭ মার্চ) দুপুর ৩ টার দিকে ভূঞাপুর পৌর এলাকার ঘাটান্দি সোনিয়া হাসপাতালের পাশে একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। সে ঘাটান্দি এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতো।
স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার রাতে মাকে নিয়ে ঘাটাইল উপজেলার যদুরপাড়া গ্রামের তার নানা সুজ্জত আলীর বাড়িতে যায়। পরে ৮-১০ জন বন্ধু মিলে ডাকনাপটল গ্রামে ওয়াজ মাহফিল শুনতে গিয়ে সিংগুরিয়া গ্রামের ডাঃ ওয়াজেদ’র বাড়ির গাছের ডাব খাওয়ার জন্য যায় এবং আবির গাছে ওঠে।
একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেলে তাদের ধাওয়া করে ও বন্ধুরা পালিয়ে যায়। সেসময় আবির গাছে থাকা অবস্থায় পালাতে না পারায় স্থানীয়রা তাকে ধরে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এরপর আবিরের মাকে ডেকে নিয়ে তাকে চুরির অপবাদ দিয়ে মাকেও অপমান করে। পরে আবিরকে বাসায় নিয়ে আসে তার মা।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে আবিরের মা ও তার বড় ভাই নিজ কর্মস্থলে চলে যায়। দুপুরের দিকে তার মা বাড়িতে এসে আবিরকে ডাকতে থাকে এবং বাথরুমের দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখতে পায় ভেতর থেকে আটকানো। পরে তার বড় ছেলেকে ফোন করলে সে বন্ধুদের নিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে আবিরের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, দুপুরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আবির নামে ওই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব আবু নাসার উদ্দিনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার দেবডাঙ্গা গ্রোয়েন বাঁধ এলাকায় ডিসি পল্লী উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে শনিবার (৪ মার্চ) তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নান।
সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আনছার আলী মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সারিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম মিন্টু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত, পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান মতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক দুলু, অফিসার ইনচার্জ রাজেশ কুমার চক্রবর্তী প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্ববধানে ছিলেন ডিসি পল্লী উন্নয়ন সংঘের সভাপতি জাঙ্গাহীর আলম নয়ন এবং দেবডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী সাকিদার। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকার সকল স্তরের মানুষ অংশ নেন।
সংবর্ধিত অতিথি আবু নাসার উদ্দিন একজন বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তিনি টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের ইউএনও এবং গাজীপুরের এডিসি জেনারেলের দায়িত্বপালন করেন। কর্মক্ষেত্রে তার জনবান্ধব এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্য একদিকে সাধারণ মানুষের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। অন্যদিকে পেয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তার পদক।
আবু নাসার উদ্দিন বলেন, নিজ এলাকায় সংবর্ধনা পাওয়ার অনুভুতি সত্যি অন্যরকম। আমি অতিথি নই, আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই মাঝে থাকতে চাই। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি যেনো ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে দেশ-জাতির কল্যাণে সরকারি দায়িত্বপালন করতে পারি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মালবাহী ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২৬) নামের এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (৬ মার্চ) রাতে সখীপুর- সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের বড়চওনা বাজারের উত্তর পাশের ব্রিজ সংলগ্ন রনির চা-স্টলের সামনে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়নের শিরিরচালা গ্রামের মোঃ সূর্যাত আলীর ছেলে।
সে স্থানীয় বড়চওনা বাজারে একজন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর ব্যবসায়ী ছিলেন।
জানা যায়, সোমবার রাত ৯ টার দিকে সখীপুর- সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের বড়চওনা বাজারের উত্তর পাশে ব্রিজ সংলগ্ন রনির চা-স্টলের সামনে মোটরসাইকেল ও মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল আরোহী জাহাঙ্গীর আলমকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আনোয়ার হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের ভুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চুরির ঘটনায় ১২ ল্যাপটপ উদ্ধারসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)। সোমবার(৬ মার্চ) বিকেলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের বিচারক ৩ জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এছাড়াও চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। চুরির ঘটনায় গত ২৬ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এপ্রিল পল মৃ বাদি হয়ে মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, মধুপুর উপজেলার ভুটিয়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মো. রেজাউল করিম (২১),শোলাকুড়ি কুড়ালিয়া গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে শরীফ ওরফে শুভ (২০),ধনবাড়ী উপজেলার উখারিয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে মুক্তার হোসেন (২৪),মমিনপুর কাউচিবাজার গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে মো. ইমরান (১৯) একই গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মো.খায়রুল ইসলাম (১৯) মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে আবু সাইদ (২২), ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর নয়াপাড়া গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে ওমর সানি (২৫)।
মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তরের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, গত ২২ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের যে কোন সময় ভুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলায় শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব থেকে ১৬ টি ল্যাপটপ চুরি হয়। ল্যাপটপ সহ যার আনুসাঙ্গিক মালামালের আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ টাকা। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করা হয়। চুরির ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নির্দেশনায় দ্রুত মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম এস আই মনির হোসেনের নেতৃত্বে নিরন্তর চেষ্টা চালায়।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে চুরির ঘটনার সাথে জড়িত মো. রেজাউল করিমকে রবিবার ভোর রাতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রেজাউলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানা এলাকার ওমর সানি ও আবু সাইদকে গ্রেফতার করা হয়। আসামীদের দেওয়া তথ্যর ভিত্তিতে মুক্তার হোসেন, মো. ইমরান, মো. খায়রুল ইসলাম ও মো. শরীফ ওরফে শুভকে জেলার মধপুর ও ধনবাড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সোমবার সকালে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও জানান, রেজাউল করিমের হেফাজতে থাকা ৬টি ,ওমর সানির কাছ থেকে ২ টি ও আবু সাইদ, ইমরান, খায়রুল মুক্তারের নিকট থেকে ১টি করে চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতের বিচারক রেজাউল, ওমর সানি ও আবু সাইদকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এছাড়াও বাকি চার জন চোরাইকৃত ল্যাপটপ ক্রেতা ১৬৪ ধারায় নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। চুরি যাওয়া অন্যান্য মালামাল উদ্ধারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে চলন্ত ট্রেনে কাটা পড়ে আলী আকবর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি ট্রেন কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে লাইনের উপর শুয়ে পড়েন।
সোমবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের হরিষা গ্রামের রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আলী আকবর বেড়াডাকুরী গ্রামের আনছার আলীর শ্বশুর।
জানা যায়, নিহত আলী আকবর জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার টিকলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। দুই যুগ আগে বেড়াডাকুরী গ্রামে আনছার আলীর সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে দেন। বিয়ের পর আলী আকবর মেয়ে ও জামাইকে সব সম্পত্তি লিখে দেন। সহায় সম্পদ বিক্রি করার পর আলী আকবর স্ত্রীকে নিয়ে দেড় যুগ ধরে মেয়ের বাড়িতেই বসবাস করতেন। দেনার দায়ে তার মেয়ে ও জামাতা ঢাকায় চাকরি নেন। জামাতার বাড়িতে শুধু আলী আকবর ও তার স্ত্রী থাকতেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান জানান, সকালে নিহত আলী আকবরকে জামাইবাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে হরিষা গ্রামের রেললাইনের ওপর শুয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় ট্রেন আসতে দেখে এক নারী তাকে সংকেত দেন। সংকেত পেয়ে শোয়া থেকে উঠে দাঁড়ান আকবর। ট্রেনটি কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় লাইনের ওপর শুয়ে পড়েন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনে কাটা পড়ে তার দেহ খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে তৃতীয় সমাবর্তন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবর্তনে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেন।
সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মনোনীত কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি সভাপতিত্ব করেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন, সেণ্টার ফর দ্যা রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালাইজডের (সিআরপি) প্রতিষ্ঠাতা ও কো-অর্ডিনেটর ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন। পদক প্রদান নীতিমালায় পরিবর্তন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ এবারের সমাবর্তন বয়কট করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, তৃতীয় সমাবর্তনে এবার এক হাজার ৭২৮ জন নিবন্ধন করেছেন। রোববার সকাল থেকেই তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হতে শুরু করেন। অনেকে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে আসেন। তারা সমাবর্তনস্থলে ছবি তুলে, আড্ডা দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগ পর্যন্ত নানা খুনসুটিতে সময় কাটান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আমিনুর রহমান তার মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে সমাবর্তনে আসেন। তিনি জানান, কৃষক মা-বাবা অনেক কষ্ট করে তাকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন। তাই এই দিনে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন।
শিক্ষার্থীরা জানায়, আগের দুটি সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনটি শ্রেণিতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর উভয় পর্যায়ে চ্যান্সেলর, ভাইস-চ্যান্সেলর ও ডিনস পদক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবারের সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন এনেছে।
পরিবর্তিত নীতিমায় স্নাতক ডিগ্রির ক্ষেত্রে ডিনস পদক দেওয়া হচ্ছে না এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিকে কোনো পদকের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে না। এর প্রতিবাদে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ সমাবর্তনে যোগ না দিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ তত্ত্ব ও পুলিশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইসতিয়াক আহমেদ তালুকদার জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ৫২ জন ছাত্র বর্তমানে শিক্ষক হিসেবে চাকুরি করছেন।
এছাড়া বেশির ভাগ শিক্ষক পদক নীতিমালার পরিবর্তনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তাদের অনেকে সমাবর্তনে অংশগ্রহন করেন নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দুইজন শিক্ষার্থী ও ভাইস চ্যান্সেলর পদক পাচ্ছেন তিন জন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের চার হাজার ৪৩৩ জন বিএসসি (অনার্স) মাস্টার্সের শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ২৪৩ জন শিক্ষার্থী সনদ নেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার ঘোষণা করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশের পরিকল্পনা এ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ এবং দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সিদ্ধান্ত।
রবিবার (৫ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমাণে আপনাদের বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শের দিকে তাকান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব এবং তাঁর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নের দিকে তাকান, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদ, অকুতভয় মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। আজ দেশ ও জাতি আপনাদের দিকেই তাকিয়ে আছে। আপনাদের মেধা, শ্রম ও গবেষণার দ্বারাই এই জাতির যাবতীয় সংকটের অবসান ঘটবে। আপনারা দেশ ও জাতির সামনে আশার আলোস্বরূপ। আপনাদের কর্মস্পৃহা এই দেশকে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদে ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। আমাদের মতো দেশে যাঁদের প্রাকৃতিক সম্পদ খুব সীমিত, সেখানে দক্ষ মানবসম্পদ বেশি গুরত্বপূর্ণ। আপনাদের মতো তরুণরাই আমাদের দেশের বিরাট শক্তি ও প্রকৃত সম্পদ। এই তারুণ্যের শক্তি কাজে লাগাতে বর্তমান সরকারও নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় আপনাদের নিজেদেরও দক্ষ করে তুলতে হবে।’

খাদ্য নিরাপত্তার প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯, রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ, অবরোধ-পাল্টা অবরোধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশ্বব্যাপী ‘খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা’ বেড়েছে। বেড়েছে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে এবং বহুমুখী দুর্যোগের মধ্যেও বিশ্বে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তব্য দেন পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র বা সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজডের (সিআরপি) পরিকল্পক ও প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরহাদ হোসেন, সহ–উপাচার্য এআরএম সোলাইমান, রেজিস্ট্রার তৌহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন ও খন্দকার মমতা হেনা, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।