/ হোম / টাঙ্গাইল
গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী দল আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে:শাকিল উজ্জামান - Ekotar Kantho

গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী দল আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে:শাকিল উজ্জামান

আরমান কবীরঃ কেন্দ্রীয় গণ অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামান বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশে গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে। অসংখ্য মানুষকে গুম, খুন করেছে। ২০০৯ সালে ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগ হত্যা করে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিল। ২০১৪ সালের ৫ মে শাপলা চত্ত্বরে অসংখ্য আলেমকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে হত্যা করা হয়েছে। যে দলের নেতৃত্বে এদেশের মানুষের উপর উপর গণহত্যা চালানো হয় সেই সন্ত্রাসী দলের এই দেশে রাজনীতি করার কোন অধিকার নেই। গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী দল আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।

বুধবার( ৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা গণ অধিকার পরিষদের আয়োজন গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। করেন।

শাকিল উজ্জামান বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অসংখ্য লুটপাট হয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে এরা ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। এই সকল লুটপাটের বিচার করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার এসিল্যান্ড অবৈধভাবে আস্তর বালুকে বিট বালু বলে বিক্রি করেছে। ১০ কোটি টাকার বালু ৫০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করেছে। এসিল্যান্ড কিভাবে ১০ কোটি টাকার বালু ৫০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে। এটা তদন্ত হওয়া দরকার। কার কাছে এসিল্যান্ড কম দামে এই বালু বিক্রি করছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রক বিষয়ক সহ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাসেল, জেলা গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক শামীমুর রহমান সাগর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, শফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ফাহাদুল ইসলাম ফাহাদ ও সাধারণ সম্পাদক নবাব আলী, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম সিয়াম আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তামান্না ইসলাম তরী প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০২:৩৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইল ‘বায়োস্কোপ চত্বরে’ পূর্ণিমা উৎসবের আয়োজন  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল ‘বায়োস্কোপ চত্বরে’ পূর্ণিমা উৎসবের আয়োজন 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পূর্ব পাশের বায়োস্কোপ চত্বরে “নাগরিক জীবনে পূর্ণিমার প্রভাব” এই থিমকে সামনে রেখে পূর্ণিমা উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার )রাত ৮ থেকে ১২ টা পর্যন্ত বায়োস্কোপ চত্বরে এই পূর্ণিমা উৎসব চলবে।

পূর্ণিমা উৎসবে থাকবে কবিতা আবৃতি, লোকগান, যন্ত্র সঙ্গত, “শহরের নাগরিক জীবনে পূর্ণিমার প্রভাব” নিয়ে মুক্ত আলোচনা।

অনুষ্ঠানে গান গাইবেন লিজু বাউলা, মাহবুবুর রহমান সুমন,জেসি আক্তার, নাসির ফকিরা, শাকিল , শিল্পী ঘোষ ,পলাশ প্রমূখ।

কবিতা আবৃতি করবেন, কবি আবু মাসুম,এডভোকেট জিনিয়া বক্স, সৈয়দ সাইফুল্লাহ, কুশল ভৌমিক, তাবাসসুম আরেফিন ছন্দা প্রমূখ।

“নাগরিক জীবনে পূর্ণিমার প্রভাব” নিয়ে আলোচনা করবেন-আবুল কালাম মোস্তফা লাবু।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন, এনটিভির স্টাফ  করসপন্ডেন্ট মহব্বত হোসেন।

অনুষ্ঠানটি সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক রিয়াজুল মওলা রিজু,প্রকৌশলী জাহিদ রানা, সাংবাদিক আরমান কবীর, বাপ্পি খান।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য পূর্ণিমা তিথিতে সেবার আয়োজন থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৩:৩৪:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৩ ইটভাটা মালিককে সাড়ে ৪লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৩ ইটভাটা মালিককে সাড়ে ৪লাখ টাকা জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩টি ইটভাটা মালিককে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার(৪ ফেব্রুয়ারি) দুুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন।

জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লাইসেন্স নবায়ণসহ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ এর বিভিন্ন ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে উপজেলার নাইকানীবাড়ী-মিরিকপুর এলাকার মেসার্স এবিএল ব্রিক ফিল্ড, মেসার্স এইচ এমবি ব্রিক ফিল্ড ও বাংড়া এলাকায় মেসার্স কিং ব্রিক ফিল্ডের মালিককে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা বলেন, ‘লাইসেন্স নবায়ণসহ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপনের বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিনটি ইটভাটার মালিককে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০১:৫৫:এএম ১ বছর আগে
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জুয়েলকে গণসংবর্ধনা - Ekotar Kantho

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জুয়েলকে গণসংবর্ধনা

আরমান কবীরঃ বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির(বিটিএ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় শামীম আল মামুন জুয়েলকে টাঙ্গাইলে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি)দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের হুগড়া হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারীবৃন্দ, ম্যানেজিং কমিটি ও ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোরশেদ আলম দুলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর এ আলম তুহিন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ গোলাম রব্বানী, জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর মনিরুজ্জামান, নাগরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস- চেয়ারম্যান মাহে আলম সাবু, শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলার শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের ছাত্র প্রতিনিধি আল-আমিন, মনিরুল ইসলাম ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক তামান্না ইসলাম তরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আল মামুন জুয়েল বলেন, আমাকে সম্বর্ধিত করায় আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমার এই বিজয় টাঙ্গাইল বাসীর বিজয়। আপনার দোওয়া করবেন আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যেন আমি যথাযথ ভাবে পালন করতে পারি। বিশেষ করে সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলার শিক্ষকদের অধিকার আদায়ে আমি আগেও যেমন সোচ্চার ছিলাম, এবার বৃহদ পরিসরে আর বেশি সোচ্চার হব। হুগরা বাসীর কাছে আমি বিশেষ ভাবে ঋণী। যে ঋণ কোনভাবে শোধ হবার নয়। আমার সব সময় চেষ্টা থাকবে কি ভাবে সেই ঋণ কিছুটা পরিশোধ করা যায়।

উল্লেখ, হুগড়া ইউনিয়নের হুগড়া হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আল মামুন জুয়েল এর আগে টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১১:৫৬:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফারুক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি রানাসহ ৪ ভাই খালাস - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফারুক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি রানাসহ ৪ ভাই খালাস

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। তবে এই মামলার প্রধান আসামি আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আমানুর রহমান খান রানা, তাঁর তিন ভাইসহ ১০ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল হাসান রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁশুলি মোহাম্মদ সাইদুর রহমান স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন মোহাম্মদ আলী ও কবির হোসেন। মোহাম্মদ আলী ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফারুক হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁর জবানবন্দিতে এই হত্যার সঙ্গে আমানুর রহমান ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তিনি পলাতক। অপর দণ্ডিত কবির হোসেন ২০১৪ সাল থেকে আত্মগোপনে আছেন।

বেকসুর খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান (রানা), তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান (মুক্তি), ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান (কাকন) ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান (বাপ্পা)। বাকি ছয় খালাসপ্রাপ্ত হলেন সানোয়ার হোসেন (সানু), নূরু, বাবু, ফরিদ হোসেন, মাসুদুর রহমান ও আলমগীর হোসেন।
মামলা চলাকালে দুই আসামি আনিসুল ইসলাম (রাজা) ও মো. সমীর কারাগারে মারা যান।

রায় ঘোষণার সময় কারাগার থেকে সহিদুর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। এ ছাড়া জামিনে থাকা আসামি বাবু ও নূরু হাজির হন।

রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইদুর রহমান বলেন, দণ্ডিত দুজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের ব্যাপারে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আনিসুল ইসলাম (রাজা) ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাঁরা আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান ও তাঁর তিন ভাইয়ের নাম আসে। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওয়াহেদ, আবদুল খালেক ও সনি আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে হত্যার বর্ণনা উঠে আসে। এরপর চার ভাই আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তিন বছর হাজতে থাকার পর জামিন পান। ৫ আগস্টের পর তিনি আবার আত্মগোপনে চলে যান।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আনিসুল ইসলাম (রাজা) ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাঁরা আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান ও তাঁর তিন ভাইয়ের নাম আসে। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওয়াহেদ, আবদুল খালেক ও সনি আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে হত্যার বর্ণনা উঠে আসে। এরপর চার ভাই আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তিন বছর হাজতে থাকার পর জামিন পান। ৫ আগস্টের পর তিনি আবার আত্মগোপনে চলে যান।
রায় ঘোষণার পর নিহত ফারুক আহমেদের ছেলে আহমেদ মজিদ মুঠোফোনে বলেন, মামলা দায়ের থেকে তদন্ত, আদালতে অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণসহ বিভিন্ন পর্যায়ে আসামিরা বিচারপ্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই মামলার আসামিদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী নেতারা। তাঁরা ৫ আগস্টের পর আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এসব আইন কর্মকর্তা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেননি। এর আগেও যাঁরা ছিলেন, তাঁরা আসামিদের ভয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১২:৪৭:এএম ১ বছর আগে
বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও এসডিএসের জায়গা নিয়ে অপপ্রচারের শিকার হচ্ছি- মোজাম্মেল হক  - Ekotar Kantho

বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও এসডিএসের জায়গা নিয়ে অপপ্রচারের শিকার হচ্ছি- মোজাম্মেল হক 

আরমান কবীরঃ জাতীয় পার্টি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়া বাড়ী ইউনিয়নের এসডিএসের সহযোগিতা প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের ৮ একর জায়গার ক্রয় সূত্র বৈধ মালিক তিনি। এই জমি ক্রয়ের সমস্ত বৈধ দলিল থাকা সত্ত্বেও একটি মহল তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য প্রতিনিয়ত অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর প্রতিবাদে ইতিমধ্যে গত মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি)টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। প্রয়োজনে এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করবেন তিনি।

 

এ প্রতিবেদকের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকার তিনি বলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়া বাড়ী ইউনিয়নের গদুরগাতি ও পোড়াবাড়ী মৌজায় ১২৫ একর জমির ওপর এসডিএসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউট(আইআর আই)এর গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। পরে তাদের মুল প্রতিষ্ঠান এসডিএস অর্থনৈতিকভাবে দেওলিয়া হয়ে গেলে এই জায়গা দীর্ঘ দিন পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। ইসলামিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক হচ্ছেন মোঃ নুরুল ইসলাম। তিনি জেলার সখীপুর উপজেলার আড়াই পাড়া গ্রামের আনসার আলী ছেলে। বর্তমানে পোড়াবাড়ী থাকেন।

তিনি আরো বলেন, এসডিএস অর্থনৈতিকভাবে দেওলিয়া হলে, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোঃ ইসমাইল হোসেন সিরাজী তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক নুরুল ইসলাম মাধ্যমে বিক্রির প্রস্তাব করেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানের ১২৫ একর জমির মধ্যে ৮ একর জায়গা আমার পছন্দ হওয়াতে আমি উক্ত ভুমি ক্রয় করিতে রাজি হই। পরে গত ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৩ তারিখে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা মূল্যে সাফ কওলা দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত ভুমি মালিক হই। যার দলিল নাম্বার – ৪৪৬। এই ১২৫ জমির মালিক ছিল ইসলামিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের এবং মহাপরিচালক হচ্ছেন মোঃ নুরুল ইসলাম। এ ছাড়াও সোশাল ডেভেলপমেন্ট সংসদ এসডিএসের গত ৪ মার্চ ২০১৩ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের এক সভায় নানা ধরনের অর্থনৈতিক অনিমের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলামকে সর্ব-সম্মতিক্রমে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের বৈধতা দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, এর মধ্যে হঠাৎ করে গত বছর ইসমাইল হোসেন সিরাজী নিজেকে ইসলামিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের মালিক দাবি করে ১১ মার্চ টাঙ্গাইল যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে মোঃ নুরুল ইসলামের সাথে সম্পাদিত উক্ত ভুমির সাব কাওলা দলিল পন্ড চাহিদা

মামলা দায়ের করে। একই সাথে আমার ক্রয়কৃত ভুমিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে ১৪৪ ধারা চাহিদা আরও একটি মামলা দায়ের করে। পরে মাননীয় আদালত কোন ধরনের ১৪৪ ধারার গ্রাউন্ড না পেয়ে মামলাটি খারিজ করে দেন। বর্তমানে দলিল পন্ডের মামলাটি চলমান। এছাড়া গাজীপুর জেলার মজুখান এলাকার মোঃ নাজমুল হুদা নামে জনৈক ব্যক্তিকে গত ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ১০ তারিখে প্রতিষ্ঠানের পুরো জমির পাওয়ার অব এটনি প্রদান করে। যা সম্পূর্ণ ভাবে অবৈধ। এই পাওয়া অব এটনি পাওয়া ব্যক্তি আমার নামে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। আমি আমার রেজিস্ট্রিকৃত জমি ভোগ দখল করে আসছি। আমার প্রয়োজনে এখান থেকে মাটি কাটছি, ইতিপূর্বে এই বিষয়ে ১৪৪ ধারায় মামলা করলেন মহামান্য আদালত সেটা খারিজ করে দেন।আমি আশা করি, মাননীয় আদালত ন্যায্য বিচার করবেন।

তিনি বলেন, আমি বিরক্ত হয়ে ইসমাইল হোসেন সিরাজীকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালে ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় মামলা দায়ের করি। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ ছাড়া সম্প্রতি ইসলামিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের/এসডিএসের বেশ কিছু জমি সাব-কাবলা দলিলের মাধ্যমে বিক্রির করেছে পরিচালক নুরুল ইসলাম। যেখানে ১ নম্বর সাক্ষী ছিলেন ইসমাইল হোসেন সিরাজী। জমির মালিক যদি সিরাজী হয় তাহলে তিনি সাক্ষী হবেন কেন? একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের বিক্রির পাওয়ার অব এটনি কিভাবে ইসমাইল হোসেন সিরাজী দেন, তিনি তো ঐ সম্পত্তির আইনগত ভাবে একক মালিক নন?

তিনি আরো বলেন,,উক্তি জমি ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র ও খাজনা পরিশোধ ও খারিজ আমার নামে হওয়া সত্বেও একটি শ্রেণী আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের লিপ্ত রয়েছে, যা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও‌ আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হয়রানি করার জন্য। আমি টাঙ্গাইল বাসীর কাছে এই অপপ্রচারে কান না দেওয়ার অনুরোধ করছি।এ বিষয়ে দ্রুতই টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সবার কাছে বিষয়টি তুলে ধরবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৬:০৮:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে জি আর চাল বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে জি আর চাল বিতরণ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে শতাধিক দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে জি আর চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(৩০ জানুয়ারি )দুপুরে সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের অয়নাপুর বাজারে জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে এ চাল বিতরণ করা হয়।

জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আইয়ুব আলী হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২৫ ০১:০৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

আরমান কবীরঃ দেশের সংবিধান এবং ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর বিধান পরিপন্থি বক্তব্য দেওয়ায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) মো. সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংস্থাটির উপসচিব মো. মাহবুব আলম শাহ নির্দেশনাটি পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৯ (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। তদনুযায়ী সঠিক ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি-২০২৫ মোতাবেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও সুপারভাইজার কর্তৃক তা যাচাই ২০ জানুয়ারি শুরু হয়েছে। শেষ হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। নিবন্ধন কার্যক্রম ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে।

ভোটার তালিকা বিধিমালা, ২০১২ এর বিধি-৪(৪) অনুসারে উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান, সরকারি বা সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্কুল বা কলেজ বা সমপর্যায়ের মাদ্রাসা, সরকারি বা সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ নং অনুচ্ছেদ বলা আছে, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৯ ধারায় বলা আছে, যদি কোনো ব্যক্তি ভোটার তালিকা প্রণয়ন, পুনঃপরীক্ষণ, সংশোধন বা হালনাগাদকরণ কার্যে কাহাকেও কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

এ অবস্থায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর বিধান পরিপন্থি বক্তব্য পেশ করায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে হবে।

জানা গেছে,মো. সাহাব উদ্দিন গত ২১ জানুয়ারি একটি স্কুল পরিদর্শনকালে বলেন, কিছু শিক্ষক ভোটার তালিকা হালনাগাদ কাজে সম্ভবত চলে গেছেন, তো এই কাজটা শিক্ষকরা এইভাবে করতে পারে না। প্রথমত, শিক্ষকদেরকে দিয়ে এই কাজটি করানোর বোধহয় বাধ্যবাধকতা নেই। কারণ, শিক্ষিত বেকার যুবকেরা এ কাজটি করার কথা, অতীতে এইভাবে হয়েছে। এরপরেও আমাদের অনেক শিক্ষক আছেন ইন্টারেস্টেড হয়ে ইলেকশন অফিসে বা পরিসংখ্যান অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। এই রকমও আছেন আবার অনেক শিক্ষক করতেও চায় না বা অনেক শিক্ষক না জেনে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়। আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর/মন্ত্রণালয় এই বছর এই ব্যাপারে তেমন কিছু বলেছেন কিনা আমার জানা নেই। তবে সাধারণত বলেন তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। সহযোগিতা মানে এই না, তারা স্কুল ছেড়ে দিয়ে ফিল্ডে গিয়ে কাজ করবে। তারা প্রচার-প্রচারণা করবে শিশুদের মাধ্যমে, কমিউনিটির মাধ্যমে, এটার নাম সহযোগিতা। যাই হোক, যাদের নাম দেয়া হয়েছে তারা প্রথমত যে কাজটি করবে সেটি হলো স্কুল আওয়ারের আগে এবং স্কুল সময়ের পরে তারা হালনাগাদ করবে। স্কুল সময়ে কখনো স্কুল ত্যাগ করতে পারবে না। এর পরেও যদি কারো এই সময়ে বাধ্যবাধকতা থাকে তাহলে অবশ্যই ছুটি নিয়ে এই কাজ করতে হবে। ছুটি ছাড়া সে স্কুল ত্যাগ করতে পারবে না।

একজন লোক শিক্ষকের বেতন নিবে আবার ওইদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে বেতন নিবে, এক সঙ্গে একই সময়ে দুইটা সুবিধা পাওয়ার ট্রেজারি রুলের ভাষায় কোনো বিধি-বিধান নাই এবং এটা সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। টিইও সাহেবরা এবং এইউইও সাহেবরা এটা কঠোরভাবে দেখেন। যদি কোনো স্কুলে এরকম পাওয়া যায়। তাহলে ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো এবং প্রমাণিত হবে আপনি আমি সবাই মিলে অসৎ কাজে আমরা সহযোগিতা করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২৫ ০২:৩২:এএম ১ বছর আগে
মধুপুরে দিনব্যাপী ব্যস্ত সময় পার করলেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক - Ekotar Kantho

মধুপুরে দিনব্যাপী ব্যস্ত সময় পার করলেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও মতবিনিময় মতো কর্মসূচিতে দিনব্যাপী ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সহকারি কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া, উপজেলা প্রকৌশলী মো. জয়নাল আবেদীন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে জেলা প্রশাসক শরীফা হক মধুপুর উপজেলা পরিষদ পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধন করেন।

এর আগে জেলা প্রশাসক শরীফা হক মধুপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ভবন উদ্বোধন, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব উদ্বোধন এবং ওই দুই সংগঠনের মাসিক ম্যাগাজিন প্রকাশ এবং স্থানীয় অনলাইন গণমাধ্যম শালবনবার্তা২৪.কম কেক কেটে উদ্বোধন করেন ।
পরে উপজেলা চত্বরে একটি বকুল গাছ রোপন করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৫ ০৪:২৪:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ

আরমান কবীরঃ স্বাধীনতার ঘোষক বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষ থেকে টাঙ্গাইলে সুবিধা বঞ্চিত শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারী) দুপুরে পৌর সভার ১১নং ওয়ার্ডের বেবিস্ট্যান্ড খাদ্য গুদামের সামনে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

এসময় ৫ শতাধিক অসহায় শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, শফিকুর রহমান শফিক, যুবদল নেতা আব্দুল্যাহেল কাফী সাহেদ, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সালেহ মোহাম্মদ সাফী ইথেন, মিজানুর রহমান উজ্জল, জেলা মৎসজীবি দলের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা, যুবদল নেতা সাব্বির আহম্মেদ রতন, ছাত্রদল নেতা আজাদ মিয়া, প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুবদল নেতা মোস্তফা কামাল।

এসময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৫ ০৩:২৩:এএম ১ বছর আগে
মার্চ থেকেই মধুপুর গড়ের শালবন উদ্ধার কার্যক্রম শুরু:পরিবেশ উপদেষ্টা - Ekotar Kantho

মার্চ থেকেই মধুপুর গড়ের শালবন উদ্ধার কার্যক্রম শুরু:পরিবেশ উপদেষ্টা

আরমান কবীরঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, হারিয়ে যাওয়া বনভূমি উদ্ধার প্রকৃতি রক্ষায় অত্যন্ত জরুরি।

তিনি জানান, আগামী মার্চ থেকে টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের শালবন পুনরুদ্ধারে সরকার মাঠে নামবে। দেশের সব বনভূমি রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শালবন উদ্ধার কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বন ভবনে “সহ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মধুপুর গড়ের শালবন পুনরুদ্ধার” বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।

পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, বন নির্ভর জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন অনুযায়ী একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। প্রয়োজন হলে কর্মপরিকল্পনা হালনাগাদ করা হবে। মার্চের মধ্যেই গেজেট নোটিফাই কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বন বিভাগের কাজ হবে বিশেষজ্ঞ ও বন নির্ভর জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতা করা। এখানে বন বিভাগ যে ১৫০ একরে বনয়ায়ন করবে। এই বন পুনরুদ্ধারে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয়দের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সহযোগিতা ছাড়া এই উদ্যোগ সফল হবে না।

কর্মশালায় প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ জেড এম মঞ্জুর রশীদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. খালেদ মিসবাহুজ্জামান এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৫ ০১:০২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহবুব আলম (২৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন।

সোমবার(২৭ জানুয়ারি ) ভোরে উপজেলার ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের কুঠিবয়ড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মাহবুব আলম জেলার গোপালপুর উপজেলার বসুবাড়ি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের সরিষাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের লাইনম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে, সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে‌ উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মাহবুব আলম তার এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ভূঞাপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। ভোর ৬টার দিকে ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কে কুঠিবয়ড়া নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বিআরটিসির একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাহবুবের মৃত্যু হয়। আহত হয় এক মোটরসাইকেল আরোহী।দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে, সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে‌ উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করে।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম রেজাউল করিম জানান, মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৫ ০১:১২:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।