একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল বাজারের দুই ফার্মেসীকে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করেছে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার(৩ আগস্ট) দুপুরে জেলা ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে ওই অভিযান চালানো হয়।
সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর ইসলাম জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার পাথরাইল ও পুটিয়াজানী বাজারে তদারকিমূলক অভিযান চালায়।
তিনি আরও জানান,অভিযানে মূল্য বিহীন ওষুধ ও সেবার মূল্য তালিকা না থাকায় চৌধুরী ডেণ্টাল কেয়ারকে তিন হাজার এবং পুটিজানি বাজারের প্রচুর পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ও মূল্য বিহীন ওষুধ রাখার দায়ে সুলতানা মেডিকেল হলকে ১৫ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।
তিনি জানান, অভিযান পরিচালনাকালে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়ীদের কেনা-বেঁচার রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের বেরীবাইদ ইউনিয়নের পঁচারচনা এলাকায় সরকারি গজারী বন থেকে অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ বছরের এক যুবকের হাত-পা বিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় এক রাখাল বনে গরু চড়াতে গিয়ে ওই মৃতদেহ দেখতে পায়।
বেরীবাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুলহাস উদ্দিন জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ক্ষুদৃ নৃগোষ্ঠি সম্প্রদায়ের এক কিশোর রাখাল পঁচারচনা গজারী বনে গরু চড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ করে বনের গভীরে হাজার হাজার মাছি ভন ভন করতে দেখেন কিশোরটি। সেখানে এগিয়ে যেতেই মৃত দেহের অংশ বিশেষ দেখতে পেয়ে গরু ফেলে ছুটে এসে এলাকাবাসীকে ঘটনার বর্ণনা করেন।
মধুপুর থানা পুলিশ জানায়, পঁচারদানা বন থেকে উদ্ধার হওয়া মৃত দেহে পচন ধরেছে। দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন মাংসহীন মাথার খুলি কয়েক হাত দূরে পরে ছিলো। হাত-পায়ের সন্ধান বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা বেশ কিছুদিন আগে এই মরদেহটি এখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। হাত-পাসহ শরীরে বিভিন্ন অংশ শিয়াল কুকুরে খেয়ে ফেলেছে। অজ্ঞাতনামা পুরুষ (৩০-৪০) মৃতদেহের পরণে জিন্সের কালো প্যান্ট ও কালো গেঞ্জি রয়েছে এবং মৃতদেহের পাশে একটি সেন্ডেল পাওয়া গেছে।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ডিএনএ টেস্টের ব্যবস্থা করে আঞ্জুমান মফিদুলের মাধ্যমে লাশ দাফন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মো. শামীম আল মামুনের পিতা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাবেক কর্মকর্তা বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ হাবিবুর রহমান বার্ধক্য জনিত কারনে মঙ্গলবার (১আগষ্ট) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বেড়াডোমায় তার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। সে ২পুত্র, এক কণ্যা ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার জানাজার নামাজ বুধবার (২ আগস্ট) সকাল ১০টায় বেড়াডোমায় অবস্থিত শহীদ জাহাঙ্গীর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল বেবীস্ট্যন্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।
বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ হাবিবুর রহমানের আকষ্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করে মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আমবাহী পিকআপ উল্টে দুই আম ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২ আগস্ট) সকালে উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের জামুর্কী আন্ডাপাসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার চর সিন্দুর গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে আরিফুল ইসলাম(২৩) ও একই জেলার শিবপুর উপজেলার লাটপুর গ্রামের স্বপন চন্দ্র বর্মণের ছেলে অর্থ চন্দ্র বর্মণ(১৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা আম বোঝাই একটি পিকআপ সকাল পৌনে ৯ টার দিকে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের জার্মুকী আন্ডাপাসের কাছে পৌঁছে একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অর্থ চন্দ্র বর্মণের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আরিফুল ইসলামকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৪৪ লিটার চোলাই মদসহ (স্থানীয়ভাবে তৈরি মদ) দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের ধোপারচালা গ্রাম থেকে পলিথিনে ভর্তি মদসহ তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওই গ্রামের মাধব চন্দ্র কোচের ছেলে নিমাই চন্দ্র কোচ (৩৩) ও মনিন্দ্র কোচের ছেলে মিন্টু কোচ (২৩)। বুধবার (২ আগস্ট) সকালে তাঁদের টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে উপজেলার ধোপারচালা গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে স্থানীয় প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত চোলাই মদ তৈরি ও তা অবাধে বিক্রি চলছিল। মাদকাসক্তদের আনাগোনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হলে ওই এলাকায় পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়। মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের নিমাই চন্দ্র কোচের বাড়ি থেকে ৪৪ লিটার মদসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বুধবার সকালে তাঁদের টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গলায় গামছা পেঁছানো অবস্থায় কাঁঠাল গাছ থেকে বাবুল (৪৫) নামে এক কাঠমিস্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের অলোয়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাবুল একই গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে। এ ঘটনায় বাবুলের স্ত্রী মরিয়ম ও মেয়ে তাবাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
বাবুলের স্ত্রী মরিয়ম বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে দেখি ঘরের সাথে কাঁঠাল গাছে গলায় গামছা পেঁছানো অবস্থায় বাবুলের মরদেহ ঝুলে আছে। এসময় ডাক-চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে পুলিশকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রতিবেশিরা জানায়, প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকতো। এনিয়ে একাধিবার গ্রাম্য সালিশ হয়েছে। প্রতিবেশিদের ধারণা, হয়তো পরকীয়ার জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় বাবুলের স্ত্রী ও তার মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পুলিশ পরিচয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর করে টাকা ছিনতাইকালে তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। এসময় তাদের সাথে থাকা আরো সাত-আটজন পালিয়ে যায়।
এই ঘটনায় আহত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলার পুংলিপাড়া গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে।
সোমবার (৩১ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরাঞ্চল গাবসারা ইউনিয়নের পুংলিপাড়া ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- ছিনতাইয়ের মূলহোতা উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খুপিপাড়া গ্রামের কায়সার মিয়া (২২), ভূঞাপুর পৌরসভার ছাব্বিশা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে রাকিব মিয়া (২৫) ও একই পৌরসভার ফসলান্দি এলাকার সিফাত মিয়া (১৯)।
স্থানীয়রা জানান, কায়সার গোবিন্দাসী বাজারে স্বর্ণের দোকানের পাশাপাশি মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করতো। ১০-১১ জন মাদকসেবীদের নিয়ে পুংলি এলাকায় মাদক সেবন শেষে রাতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে একজন কাপড় ব্যবসায়ীর পথরোধ করে।
তারা ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করার পর মুক্তিপণের জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করে। পরে নগদ টাকা ও বিকাশের মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকা লেনদেন হওয়ার পর ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয় তারা। এরপর নৌকাযোগে গোবিন্দাসী ঘাটে আসে ছিনতাইকারীরা।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদের ধরতে ধাওয়া করলে সাত-আটজন পালিয়ে গেলেও ঘটনার মূলহোতাসহ তিনজনকে আটক করে জনতা।পরে থানা পুলিশের হাতে তাদের সোপর্দ করা হয়।
কাপড় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, চট্টগ্রামে কাপড়ের ব্যবসা ভালো না হওয়ায় বাড়িতে চলে আসি। পুংলিপাড়া ঘাট থেকে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় তারা আমাকে ধরে ফেলে এবং পুলিশ পরিচয় দেয়। এসময় আমাকে তারা এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। মুক্তিপণ হিসেবে পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
পরে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা দেওয়ার পর তারা একটি পাটক্ষেতে আমাকে ফেলে রেখে যায় চলে যায়। বিষয়টি পরিবারকে জানালে তারা গোবিন্দাসী ঘাট এলাকার মানুষজনকে জানায়।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় তিনজনকে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আহত ব্যবসায়ী বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন,এখনও কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নিসন্ত্রাস নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সমাবেশ ও মিছিল করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার(১ আগষ্ট )দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিরোধ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের নেতৃত্বে প্রতিরোধ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, তানভীর হাসান ছোট মনির, খান আহমেদ শুভ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, নাহার আহমেদ, শাহজাহান আনছারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, শহর ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক শহীদ আমিনুল ইসলাম তালুকদার নিক্সন হত্যার বিচার চাইবো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। টাঙ্গাইল-২ আসনের নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে হত্যায় জড়িতের বিচার চাইবো।
সোমবার (৩১ জুলাই) বিকেলে গোপালপুর উপজেলা স্বাধীনতা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে শহীদ নিক্সন স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে এ স্মরণ সভার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ওরফে ঠান্ডু।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ।
শহীদ নিক্সন স্মৃতি সংসদের সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, গোপালপুর পৌরসভার মেয়র রকিবুল হক ছানা, গোপালপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম আক্তার মুক্তা, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুল ইসলাম তরফদার, শহীদ নিক্সনের সহধর্মিণী ও হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিলকিস জাহান, শহীদ নিক্সন স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফেরদৌস ওয়াহিদ রিপন প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা মাসুদুল হক মাসুদ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নিক্সন হত্যার বিচারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাবো আমরা গোপালপুর ও ভুঞাপুরের নেতাকর্মীরা। তার কাছে বিচার চাইবো যারা এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে যাদের নাম বিভিন্ন পত্রিকায় আসছে তাদের বিচার করার জন্য।
এ সময় বক্তারা বলেন, আমিনুল ইসলাম নিক্সন একজন শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা ছিলেন। বক্তারা নিক্সনের হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারসহ ফাঁসি দাবী করেন।
এদিকে সোমবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ আমিনুল ইসলাম তালুকদার নিক্সনের খুনিদের ফাঁসির দাবিতে উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের আজগড়াতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
স্থানীয় আজগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বন্ধ আজগড়া মোড়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শহীদ আমিনুল ইসলাম তালুকদার নিক্সনের সহধর্মিণী ও হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিলকিস জাহান, নিক্সনের ছোট ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন তালুকদার, ওই ইউপির ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ, হোসাইন মোহাম্মদ রাসেল প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নিক্সনকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিক্সনকে হত্যা করে হাদিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে দূর্বল করার নীলনকশা যারাই করে থাকেন না কেনো তাদের এ উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। এই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ঘাটি। তাই দ্রুত নিক্সন হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে খুনিদের ফাঁসি দাবি জানান এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, লায়ন নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক, আজগড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আজগড়া অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আজগড়া শেখ রাসেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আমিনুল ইসলাম তালুকদার নিক্সনকে (৪৮) কে ২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদের আগের দিবাগত রাতে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। শহীদ নিক্সনের বাড়ি হাদিরা ইউনিয়নের আজগড়া গ্রামে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পৌলী গ্রামে নির্মাণাধীন একটি পাকা সড়ক নির্মাণ শেষ না হতেই স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা সড়কটি ব্যবহার করে বালু বিক্রি করায় ভেস্তে যাচ্ছে সরকারের কোটি টাকার উন্নয়নের এ প্রকল্প।
বালু ব্যবসায়ীরা অতান্ত প্রভাবশালী হওয়ায় ও স্থানীয় কাউন্সিলর এই ব্যবসার সাথে জড়িত থাকায় কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলি হতে পৌলি দক্ষিন পাড়া পর্যন্ত পৌরসভার অর্থায়নে সড়কটি পাকা করণ করা হচ্ছে। এই সড়কের (সাবেক মেম্বার আব্দুল বারেকের বাড়ির সামনে) দুই পাশের পতিত জমিতে বলগেট দিয়ে বালু ফেলা হচ্ছে। এই বালু আনলোড করে ওই জমিতে ফেলার জন্য লোহার মোটা পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে।
ওই লোহার পাইপগুলো সড়কের উপর দিয়েই নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জমাকৃত বালু একস্থান থেকে অন্যস্থানে নেওয়ার জন্য রাস্তার উপর দুটি স্যালো মেশিন বসানো হয়েছে। স্তুপকৃত বালু বিক্রি হওয়ার পর পরিবহনের জন্য ড্রামট্রাক লাইন দিয়ে দাড়িয়ে আছে। ভেকু মেশিন দিয়ে অপেক্ষামান ট্রাকগুলোতে বালু তুলে দিচ্ছে। এই বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলের ফলে কোটি টাকার নির্মাণাধীন সড়কটি বিভিন্ন জায়গায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া দিনরাত ট্রাক চলাচলের ফলে সড়কের বালু উড়ে গিয়ে পার্শবর্তী বাড়িতে গিয়ে পড়ছে।
স্থানীয়রা জানায়, এই এলাকার কাউন্সিলর সুকুমার ঘোষের যোগসাজসে প্রভাবশালী কিছু লোক বলগেট দিয়ে বালু এনে বিক্রি করছে। এলাকায় বলগেটের বালু আনলোড করায় নদীর পাড়ে দুইটি বাড়ির কিছু অংশ নদীতে ধসে পড়েছে। এছাড়াও দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে হওয়া কোটি টাকায় নবনির্মিত এই সড়কটি ব্যবহার করে দিনে-রাতে বালুবাহী ট্রাক চলাচল করায় ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়াও বালুবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে ধুলোবালি গিয়ে বসত-বাড়িতে পড়ায় বসবাস করা অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ট্রাকের হাইড্রলিক হর্ণের বিকট শব্দে ঘুম থেকে শিশুরা আচমকা চমকে উঠছে। তারা ওই সড়কটি রক্ষার্থে বালু ব্যবসা বন্ধের জোর দাবি জানায়।
বালু ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এলাকার কিছু যুবকরা মিলে সিরাজগঞ্জ থেকে বালু কিনে এনে বিক্রি করছি। নদী থেকে বালু তুলেতো বিক্রি করছি না। তবে নির্মাণাধীন সড়ক ব্যবহার করায় সড়কের যে ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেন নি।
এলেঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর সুকুমার ঘোষ অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি কাউন্সিলর হওয়ার পর পৌলি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছেন। ফলে বিকল্প হিসেবে স্থানীয় ড্রাম ট্রাক ব্যবসায়ীরা সিরাজগঞ্জ থেকে বলগেট দিয়ে বালু এনে বিক্রি করছে। সড়কটি ব্যবহার করার জন্য বালু ব্যবসায়ীরা পৌরসভায় একটি দরখাস্ত দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, বালু আনলোড করার সময় দু-একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেটা আমি জানি। ওই ক্ষতিগ্রস্থ বাড়িগুলো মেরামত করার জন্য ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে। তবে তিনি বালু ব্যবসায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ প্রসঙ্গে এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নুর-এ আলম সিদ্দিকী জানান, নবনির্মিত সড়কটি ব্যবহারের জন্য বালু ব্যবসায়ীরা কোন দরখাস্ত পৌরসভায় দেয়নি। দক্ষিন পৌলিবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সড়কটি পাকাকরণ করা হচ্ছে। সড়কের কোন প্রকার ক্ষয়-ক্ষতি পৌর কর্তৃপক্ষ বরদাস্ত করবেনা।
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইএনও) মো.নাজমুল হুসেইন জানান, বলগেট দিয়ে বালু আনায় আইনগত কোন বাধা নেই। তবে সড়ক ব্যবহারে কোন প্রকার বেরিক্যাড দেওয়া যাবেনা। বেরিক্যাড দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে নৌকায় বাড়ি ফেরার পথে কলেজছাত্রসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের তরফপুর দক্ষিণপাড়া বিলে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার মন্দিরাপাড়া গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে রিপন (৪০), একই গ্রামের কহিনুরের মেয়ে স্নেহা (৮) এবং হাড়িয়া গ্রামের সেলিমের ছেলে আসিফ (২০)।
আসিফ মির্জাপুর সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
তরফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রেজা সন্ধ্যায় ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, তরফপুর গ্রামের মজনু মিয়ার মেয়ে লিপির সঙ্গে মন্দিরাপাড়া গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে টুটুল চৌধুুরীর বিয়ের দিন ছিল বৃহস্পতিবার। বিয়ের জন্য দুপুরে মাইক্রোবাসে বরযাত্রী কনের বাড়িতে পৌঁছে। বিকেলে বরের বাড়ির কয়েকজন শখ করে তরফপুর থেকে নৌকায় বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এসময় নৌকায় একটি সাপ দেখে একজন নারী চিৎকার করে ওঠেন। এতে নৌকার উপর হুড়োহুড়ি শুরু হলে নৌকাটি ডুবে যায়। এই ঘটনায় বরের বড় ভাই ও চাচাতো ভাইয়ের মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হয়।
মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার বেলায়েত হোসেন জানান, বিষয়টি জেনেছি। সন্ধ্যা হওয়ায় ডুবুরি দল যেতে পারেনি। শুক্রবার সকালে তারা ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করবেন।
একতার কণ্ঠঃ ২৫তম বিশ্ব স্কাউট জাম্বুরি ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস টিমে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামানগুমে যাচ্ছেন টাঙ্গাইলের মো. সোলায়মান হোসেন।
বাংলাদেশের কন্টিনজেন্টের সদস্য হিসেবে শুক্রবার (২৮ জুলাই) রাতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন সোলায়মান হোসেন।
আগামী ১ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্কাউট জাম্বুরির এই আসরে বিশ্বের ১৫৮টি দেশের ৪৩ হাজার ২৮১ জন স্কাউট এতে অংশ গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ কন্টিনজেন্ট থেকে মোট ৭১০ জন স্কাউট, রোভার স্কাউট, ইয়াং অ্যাডাল্ট ও অ্যাডাল্ট লিডার অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছেন যার মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস টিমের সদস্য রয়েছেন ২২০ জন।
জাম্বুরির ক্যাম্পের দৈর্ঘ্য ৮ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ২ কিলোমিটার।
সোলায়মান বেতার শ্রোতা সংগঠন সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক) বাংলাদেশ জেলা শাখার সভাপতি ও মধুপুর রাণী ভবানী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন স্কাউট ও টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রোভার স্কাউট গ্রুপের সাবেক সিনিয়র রোভার মেট।
মো. সোলায়মান হোসেনের সাফল্যে তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ বেতারের সাবেক পরিচালক ড. মির শাহ আলম, ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেডিও এক্টিভিস্ট দিদারুল ইকবাল, ভাইস চেয়ারম্যান তাছলিমা আক্তার লিমা, উপদেষ্টা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া এবং মহাসচিব নুর মোহাম্মদ, ক্লাবের শিশু সদস্য লাবীব ইকবাল।
ক্লাবের চেয়ারম্যান দিদারুল ইকবাল বলেন, স্কাউটের বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা অত্যন্ত সৌভাগ্যের ও গর্বের। সোলায়মানের এই সাফল্য ভবিষ্যতে ক্লাবের মুক্ত স্কাউট দলের সদস্যদের অনুপ্রাণিত করবে। ক্লাবের
প্রধান উপদেষ্টা ড. মির শাহ আলম বলেন, যারা স্কাউটিং এর সাথে জড়িত শুধু তারা নয় স্কাউটে যুক্ত নয় তারাও এতে উদ্ধুদ্ধ হয়ে স্কাইটিংয়ে সম্পৃক্ত হবে।
মো. সোলায়মান হোসেন বলেন, এ ধরনের বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের হয়ে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে চাই।
প্রসঙ্গত, মো. সোলায়মান হোসেন এই নিয়ে তৃতীয়বার বিদেশে আন্তর্জাতিক ক্যাম্পে অংশ গ্রহনের সুযোগ পেলো। আগামী ১৪ আগস্ট তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।