/ হোম / একতার কণ্ঠ
টাঙ্গাইলে মামলার ফাঁদেই বন্দি মামলাবাজ আশরাফ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মামলার ফাঁদেই বন্দি মামলাবাজ আশরাফ

একতার কণ্ঠঃ   টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাফেজ খানের ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম (৫৫)। তিনি কারণে-অকারণে সাধারণ মানুষের নামে মামলা করেন। কেউ তার কাছে টাকা পান, সেই টাকা চাইতে গেলে মামলা, তাকে কিছু বলতে গেলে মামলা, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলেও মামলাসহ অনেকটা অকারণেই তার মামলার শিকার হয়েছেন উপজেলার অর্ধশতাধিক মানুষ।

এ কারণে আশরাফুল ইসলাম এলাকায় ‘মামলাবাজ আশরাফ’ নামে পরিচিত। সেই মামলাবাজ আশরাফ এবার মামলার জালেই আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার কাঁচা বাজার এলাকা থেকে সখীপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার(৩০ এপ্রিল) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, ২০২০ সালের ৪০৬ ও ৪২০ ধারার মামলায় মো. আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক ও মনিরুজ্জামান বলেন, সে সখীপুরের একজন চিহ্নিত মামলাবাজ লোক। তার মেয়ের জামাই, জামাই বাড়ীর লোকজন ও স্থানীয় লোকজনের নামে বিভিন্ন সময় থানায় ও আদালতে মামলা করে আসছে। সে প্রায় ৩০টি মামলার বাদী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার মামলার শিকার এক ভুক্তভোগী জানান, মামলাবাজ আশরাফ অন্যের মামলা ক্রয় করে পরিচালনা করে। টাকার বিনিময়েও অন্যের পক্ষে মামলা করে দেয়। ওই ভুক্তভোগী আরও বলেন, আমি আমার ভায়রার পাওনা টাকা ফেরত দিতে বলায় সে একটি মামলায় আমার নাম ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ওই মামলায় আমি ২১ দিন জেল খেটেছি। ওই মামলাবাজ বহু মানুষকে হয়রানি করেছে। এবার নিজেই মামলার ফাঁদে পড়েছে।

সখীপুর থানার ওসি একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মূলে মো. আশরাফুল ইসলাম নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সে একজন মামলাবাজ লোক, কম করে হলেও সে উপজেলার বিভিন্ন মানুষের বিরুদ্ধে ২০টি মামলার বাদী।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২১ ১২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শ দান কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভাটি বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল ৩ টায় শুরু হয়ে  বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড এ, এস, এম সাইফুল্লাহ। সরকারী কর্মচারী হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মোর্শেদ করোনাকালে স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহনকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এসময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সবাইকে সুষম খাবার গ্রহন এবং শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দেন।তিনি বলেন, হয়তো করোনাকে নিয়েই আমাদের দীর্ঘদিন বসবাস করতে হবে, তাই স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সুস্থ্যতা কামনা করে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

আলোচনা থেকে সকলে একমত হন যে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে পাঠদানের ব্যবস্থা থাকা উচিত। আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিষ্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন অফিসের প্রধান, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শতাধিক অংশগ্রহনকারী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্র ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা অর্জন বিষয়ক বিভিন্ন কর্মশালা ও পরামর্শ বিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। কেন্দ্রের পরিচালক জানান, এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আওরঙ্গজেব আকন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০৫:০৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফেন্সিডিল সহ আটক ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফেন্সিডিল সহ আটক ২

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ যুবককে আটক করেছে গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার  গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়া এলাকায় অবস্থিত নাসির গ্লাস অ্যান্ড ফ্যাক্টরি  সংলগ্ন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার মাশাইলডাঙ্গি গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মো. আ. গফুর (২৮) একই গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে রাকিব হোসেন (২২)।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে মহাসড়কের ওইস্থানে অভিযান পরিচালনা করে ৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জনকে আটক করা হয়।

গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।শুক্রবার( ৩০ এপ্রিল) তাদের কোর্টে হাজির করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দরিদ্র মানুষের পাশে ইফতার নিয়ে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দরিদ্র মানুষের পাশে ইফতার নিয়ে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন পবিত্র রমজানে প্রতিদিন প্রায় তিন শতাধিক  দরিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতারি বিতরণ করছে। গত ৭ বছর ধরে টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের আরও ১১ জেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে আসছে সংগঠনটি।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল)  বিকালে  টাঙ্গাইল সদরে ঘুরে ঘুরে  প্রায়  তিন শত জন দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার বিতরন করেন সংগঠনের  সেচ্ছাসেবীরা।

শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মঈদ হাসান তড়িৎ জানান, গত ৭ বছর ধরে টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের আরও ১১ জেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে আসছে সংগঠনটি। তারই ধারাবাহিকতায় নিজেরা রান্না করে টাঙ্গাইলের রাস্তায় ছিন্নমূল অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে খুঁজে খুঁজে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ১১টি জেলায় প্রায় ৯ হাজার মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলা সদর বস্তির বাসিন্দা শাহিদা বেগম (৫০)। প্রায় ৩৫ বছর আগে বিয়ে হয়। স্বামী রিকশা চালক। বিয়ের পর থেকেই সংসারে সুখের টানাটানি।

একে একে তাদের সংসারে এলো তিন মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়েদের বিয়ের পর তারা স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেন। ছেলেও বিয়ের পর পৃথক হয়েছে। এদিকে প্রায় ১৫ বছর ধরে স্বামী ভরণপোষণ দেন না।

অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনো রকমে সংসার চলে তার। টানাটানির সংসারে ভালো মানের খাবার জোটানো স্বপ্নের মতো লাগে। কোনো রকম সেহেরি ও ইফতার খেয়ে রোজা রাখেন।

এ অবস্থা দেখে তার পাশে দাঁড়িয়েছে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ সংগঠন। প্রতিদিন তাকে ভাল মানের ইফতার সামগ্রী দেওয়া হয়।

শুধু শাহিদা বেগম নয়, তার মতো প্রতিদিন টাঙ্গাইল শহরের অসহায়  তিন শতাধিক দরিদ্র মানুষকে খুঁজে খুঁজে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ নামের এই সংগঠনটি।

শাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী আমাকে দেখাশোনা করেন না। ছেলেও খোঁজ খবর নেয় না। নিজে অন্যের বাড়িতে কাজ করে চলি। ভালো মানের ইফতার কখনও তৈরি করতে পারি না। শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন আমাকে প্রতিদিন অনেক ভালো মানের ইফতার সামগ্রী দেয়। তাদের জন্য দোয়া করি। তারা যেনো আমার মতো মানুষের পাশে সবসময় এভাবেই দাঁড়াতে পারে।’

ইফতার সামগ্রী পাওয়া বস্তিবাসী রত্না বেগম বলেন, ‘রোজার শুরু থেকে তারা ইফতার সামগ্রী দিচ্ছে। এমন ইফতার সামগ্রী বানানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাদের দেওয়া ইফতার সামগ্রী দিয়ে পরিবারের সবাই মিলে আমরা ইফতার করি।’

হাসনা বেগম বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে আয় রোজগার বন্ধ। অনেকের ঘরে খাবার নেই। আবার অনেকেই খাবার পায় না। এই খাবার পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত। খাবার পেয়ে অনেকেই খুশিতে কেঁদে ফেলেছে।’

কদবানু বেগম বলেন, ‘আমি রাস্তায় ঘুরে ঘুরে টাকা তুলি। কিনে ইফতার খেতে হয়। আজ বানানো ইফতার পেয়ে খুব আনন্দিত।

রিকশা চালক হারুন মিয়া বলেন, ‘সারাদিন রিক্সা চালিয়ে শহরের শহীদ মিনারে এসে বসলে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের লোকেরা ইফতার দিয়ে যান। কোনো দিন বিরিয়ানি আবার কোনো দিন খিচুড়ি দিয়ে থাকেন। আবার কোনো দিন ছোলা, মুড়ি, খেজুর দেন।’

স্বেচ্ছাসেবক কাজী সিনথিয়া জেরিন বলেন, ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে খুব ভাল লাগছে। মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করাও মানবতা। ছিন্নমূল মানুষকে ইফতার করিয়ে নিজেদের ইফতার করার মধ্যে এক আত্মতৃপ্তি থাকে। ছিন্নমূল মানুষের জন্য কিছু করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হয়।’

অপর স্বেচ্ছাসেবক তানজিলা ইসলাম সেমন্তি বলেন, ‘এই কাজটা করতে আমাদের অনেক ভাল লাগে। মানুষের পাশে দাঁড়ালে তারাও আমাদের ভালবাসে এবং আমাদের জন্য দোয়া করেন। তারা দোয়া পাওয়াই অনেক বড় ব্যাপার।’

স্বেচ্ছাসেবক তাহমিদ সাম্য বলেন, ‘আমরা যখন ইফতার বিতরণ করি ছিন্নমূল মানুষগুলো অনেক খুশি হয়। মন থেকেই আমাদের জন্য তারা দোয়া করেন। মানুষের ভালবাসা পেয়ে আমরা অনুপ্রাণিত হচ্ছি। নিজ বাসায় ইফতার করা বাদ দিয়ে ছিন্নমূল মানুষের সাথে ইফতার করি। তাদের সাথে ইফতার করতে আমাদেরও ভাল লাগে। সারাদিন রোজা রাখার পর আমাদের ইফতার পেয়ে তারা যে হাসি দেয়। সেই হাসি দেখার জন্য বাড়ি থেকে তাদের কাছে ছুটে আসি।’

মুঈদ হাসান তড়িৎ বলেন, ‘লকডাউন উঠে গেলে মার্কাস  মসজিদ ও এতিমখানায় ইফতারের আয়োজন করা হবে। এ ছাড়াও ঈদের আগের দিন ছিন্নমূল মানুষের বাড়িতে বাড়িতে চাল, ডাল, সেমাই, মাংস, দুধ চিনিসহ ঈদ বাজার পৌঁছে দেওয়া হয়। এ বছরও দেওয়া হবে। ছিন্নমূল শিশুদের জন্য ঈদের নতুন পোশাক দেওয়া হয়। এ বছর প্রায় এক হাজার শিশুকে ঈদের নতুন পোশাক দেওয়া হবে। সবার সহযোগিতায় আগামী বছরগুলোতেও এমন আয়োজন করা হবে। এমন কাজে সামর্থ অনুযায়ী সবার সহায়তায় এই মানুষগুলির পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০২:২০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পঁচা খেজুর বিক্রির দায়ে দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পঁচা খেজুর বিক্রির দায়ে দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ পবিত্র রমজান মাসে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পঁচা খেজুর বিক্রির অপরাধে ৫ জনকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার(২৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর সহযোগীতায় ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করেন কালিহাতী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান।

এ সময় র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান সহ  আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিল।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী মাহে রমজান মাসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পঁচা খেজুর বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের দোকান ব্যবস্যায়ী সবুজকে ৩০ হাজার, ফয়সালকে ৩০ হাজার, খুশি মোহন দাসকে ৩০ হাজার, সাইফুলকে ২০ হাজার ও দ্বীপকে ৫০ হাজার টাকা সহ মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পবিত্র রমজান মাসে প্রশাসন সার্বক্ষনিকভাবে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে মনিটরিং করে থাকে। তারই অংশ হিসাবে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২১ ০৪:০২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরিবারের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরিবারের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টা 

 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬ নং ওযার্ডের দক্ষিণ কলেজ পাড়া এলাকার বিমল চৌহানের মেয়ে প্রিয়া চৌহান(১৭)  পরিবারের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।  বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে প্রিয়া চৌহান টয়লেট ক্লিনার হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে চিকিৎসার জন্য কিশোরী  প্রিয়া চৌহানের বাবা-মা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
টাঙ্গাইল জেনালের হাসাপাতালের  চিকিৎসক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রিয়া চৌহান এর বর্ণনা অনুসারে সে হারপিক পান করেছে, আমরা সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি।
 পরিবার ও  এলাকায়  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  বিমল চৌহানের মেয়ে প্রিয়া চৌহানের সাথে পাশাপাশি এলাকা  কান্দাপাড়া এলাকার প্রদীপ হরিজনের ছেলে প্রভাত হরিজনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ এপ্রিল প্রভাত হরিজনের সাথে কিশোরী  প্রিয়া চৌহান পালিয়ে যায়। পরে তারা কোর্টে হলফনামা এফিডেভিট করে এবং  শাঁখা সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করে।  ঘটনা জানাজানি হলে কিশোরী  প্রিয়া চৌহানের বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় তার বাবা-মা পুলিশের সহযোগিতায় সামাজিক ভাসব বসে মাতাব্বর নিয়ে একাধিকবার  দেন-দরবার করে  কিশোরী  পিয়া চৌহানকে পরিবারে ফিরিয়ে আনেন ।
 তবে দেন-দরবার করে ফিরিয়ে আনলেও প্রিয়া চৌহান তার বাবা-মায়ের কাছে না থেকে  আবার প্রভাত হরিজনের  সাথে পালিয়ে যায়।  এ বিষয়ে গত  মঙ্গলবার(২৭ এপ্রিল) দুপুরে, দুই পক্ষের মাতাব্বর নিয়ে সামাজিকভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয় ।  সেখানে ছেলের বাবা এবং মেয়ের বাবার মতামতের ভিত্তিতেই কিশোরীকে  প্রভাত হরিজনের বাড়িতে রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
  ঐদিন বিকেলে পিয়া চৌহানের বাবা ও মা কাজলি চৌহান একজন মানবাধিকার কর্মীর সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ উল্লেখ করে টাঙ্গাইলের সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম কে অবগত করেন৷  মেয়েটির বয়স ১৮ না হওয়ায় এক্সিকিউটিভ  ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মেয়েটিকে তার বাবা-মায়ের হাতে তুলে দিয়ে আসেন।
টাঙ্গাইল সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলামের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহর খবর পেয়ে আমরা সেখানে দ্রুত চলে যাই এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মেয়েটিকে তার বাবা মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয়।
 বাবা বিমল চৌহান বলেন, আমার মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার মত অনুসারে আমরা তাকে বিয়ে দেব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ১০:২৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গভীর রাতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গভীর রাতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) গভীর রাতে র‌্যাবের সহযোগিতায় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ১১ জন অবৈধ বালু উত্তোলন কারীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের এলেংজানী নদীর উত্তর তারটিয়া অংশে ওই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের মূলহোতা উত্তর তারটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. উজ্জ্বল মিয়াকে(৪৮) ৩ মাস, একই এলাকার পূর্ব লামছী গ্রামের মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে রায়হানকে(২৫) ৭ দিন ও বাকি ৯ জনকে ৫দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডিত অন্যরা হচ্ছেন- উত্তর তারটিয়া গ্রামের মো. হুরমুজ আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক(৪০), বররিয়া গ্রামের মৃত খন্দকার রকিবুল হকের ছেলে খন্দকার মাসুম(৪৩), উত্তর তারটিয়ার মো. সামাদ খানের ছেলে মো. নিলয় খান(২২), কালাচাদের ছেলে মো. মঞ্জুর(৩০), মো. তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ(৩৮), একই এলাকার খাবিদা গ্রামের আ. মজিদ খানের ছেলে মো. রাসেল খান(৪০), গোলড়া গ্রামের মো. সোহেল মিয়ার ছেলে মো. অভি(২০), বররিয়া গ্রামের নারায়নের ছেলে নিরঞ্জন(১৯) এবং কালিহাতী উপজেলার ছাতিহাটী গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে মনির(২০)।

সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(খ) ধারায় মূলহোতা মো. উজ্জ্বল মিয়াসহ ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত চারটি ড্রাম ট্রাক ও একটি ভেকু জব্দ করা হয়।

অভিযানকালে র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ০৯:৪২:পিএম ৫ বছর আগে
প্রজ্ঞাপন জারি,৫ মে পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন - Ekotar Kantho

প্রজ্ঞাপন জারি,৫ মে পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের বিধিনিষেধের মেয়াদ এক সপ্তাহ বাড়ল। আগামী ৫ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে ভারতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় গত ২৫ এপ্রিল দেশটির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের জন্য দেশটির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ থাকবে।

এর আগে সোমবার সর্বাত্মক লকডাউনের মেয়াদ এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেদিন আন্ত:মন্ত্রণালয়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ভারতে করোনার সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। এটা আমাদের দেশেও ছড়িয়ে যেতে পারে। সেজন্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে যে অবস্থাটা আছে সেটি আরও এক সপ্তাহ কন্টিনিউ করা। না হলে এটা আরও ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করতে পারে। সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেজন্য বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, লকডাউনে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা থাকবে। মানুষকে অবশ্যই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিংমলে যেতে হবে। তবে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। সরকারি অফিস-আদালতও যথারীতি বন্ধ থাকবে।

এছাড়া করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মসজিদে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করাসহ ১২টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রথমবার ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত গণপরিবহন চালু রেখে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। সেটি আরও দুদিন বাড়ানো হয়। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ। এটি বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। যদিও শপিং মল খোলাসহ বেশকিছু বিষয়ে বিধিনিষেধের শর্ত শিথিল করেছে সরকার।

সেই মেয়াদ আজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। আজ আরেক দফা বাড়িয়ে সর্বাত্মক লকডাউন ৫ মে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ০৮:২০:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ   টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের কাশিল পশ্চিমপাড়া থেকে কনা আক্তার (২৪) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ।

নিহত গৃহবধূর পরিবার জানায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার দুবাই প্রবাসী ছেলে কবির মিয়ার সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন গ্রামের জয়নাল মিয়ার মেয়ে কনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে যৌতুকের জন্য শাশুড়ি ও দুই ননাশের নানা নির্যাতন সহ্য করতে  হয়। এরপর তার শাশুড়ি কহিনূর বেগম ও স্বামী কবির মিয়া পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমান।

ফলে ওই গৃহবধূ তার শিশু সন্তানকে নিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শ্বশুরের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। এরমধ্যে এক ননাশের স্বামী অন্যত্র বিবাহ করায় ও আরেক ননাশের স্বামী প্রবাসে থাকায় তারা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতেই অবস্থান নেয়। সেই থেকে দুই ননাশই গৃহবধূর উপর নানা ধরনের নির্যাতন চালাতে থাকে।

সর্বশেষ সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায়ও ওই গৃহবধূ কনাকে তার দুুই ননাশ মিলে মারধর করে। পরে (মঙ্গলবার) সকালে তার বসত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত গৃহবধূর মা বলেন, ‘রাতের কোনও এক সময় তারা আমার মেয়েকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধন্নার সাথে ঝুঁলিয়ে রেখে আমাদের খবর দেয়। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগানো অবস্থায় রয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাছ মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে নিহতের লাশটি ঝুঁলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা কিছু বলা যাচ্ছে না।’

বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ ( ওসি )হারুনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় ইউডি মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ১১:০৪:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাভার্ড ভ্যান চাপায় এনজিও কর্মী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাভার্ড ভ্যান চাপায় এনজিও কর্মী নিহত

 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় পিষ্ট হয়ে মোঃমানিক মিঞা (২৮) নামে এক এনজিও কর্মী নিহত হয়েছে। সোমবার(২৬এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে ।নিহত মানিক মিঞার বাড়ি মধুপুর উপজেলার আমবাড়িয়া গ্রামে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার সহকর্মী তাহেরুল ইসলাম।আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ও পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভূঞাপুর থানার এসআই মোঃলিটন মিঞা জানান, ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ইফতারি কিনে এনজিও কর্মী মোঃমানিকমিঞা ও তার এক সহকর্মীকে নিয়ে মোটর সাইকেল যোগে অফিসের দিকে যাচ্ছিল ।ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের মোটর সাইকেলের সাথে একটি অটোভ্যানের ধাক্কা লাগে। এ সময় মোটর সাইকেল সহ চালক মানিক ও তার সহ কর্মী তাহেরুল ইসলাম রাস্তায় পড়ে যায় । এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুত গতির একটি কাভার্ড ভ্যান তাদের চাপা দিলে ঘটনা স্থলেই মানিক মিঞা মারা যায় এবং গুরুতর আহত হয় অপর আরোহী তাহেরুল ইসলাম ।কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে বলে জানান তিনি। নিহত  মানিক সেতু এনজিওর কর্মী  বলে তিনি আরো জানান ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ০৬:৪৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাপের ছোবলে মুরগী ফার্ম মালিকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাপের ছোবলে মুরগী ফার্ম মালিকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায়  মুরগির ফার্মে কাজ করার সময় সাপের ছোবলে লাভলু খন্দকার (৩০) নামের  এক মুরগী ফার্ম মালিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার(২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার জামাল হাটখুরা পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাভলু ওই এলাকার খন্দকার মোতালেব মিয়ার ছেলে।

এ প্রসঙ্গে লাভলুর চাচাতো ভাই ও ত্রিশাল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ  বলেন, লাভলুর দুই হাজার সেটের একটি লেয়ার মুরগির ফার্ম রয়েছে। সোমবার সকালে ফার্মে  লাভলূ মুরগির খাবার দিতে যায়। যাওয়ার পথে হঠাৎ তাকে একটি বিষধর সাপে ছোবল দেয়। ছোবলের সাথে সাথে লাভলুর  শরীরের  যন্ত্রণা শুরু হয়। প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে  তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে লাভলুর মৃত্যু হয়।

নিহত লাভলু বিবাহিত  ও এক সন্তানের জনক। এ ঘটনায় ওই পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৫:এএম ৫ বছর আগে
যমুনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ জনকে জরিমানা  - Ekotar Kantho

যমুনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ জনকে জরিমানা 

একতার কণ্ঠ ডেস্ক: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের  কাজীর বাজার এলাকায় যমুনা নদীতে অবৈধ ড্রেজার এর মাধ্যমে বালু উত্তোলনের দায়ে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(খ) ধারা লংঘন করায়,  হুগড়া গ্রামের  আব্দুল মান্নানের ছেলে তোফাজ্জল হোসেনকে  ৫০০০০/ ( পঞ্চাশ হাজার)  টাকা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে একই এলাকার মোঃ চান মোল্লার ছেলে মাজেদুর রহমানকে ১০০০০/-(দশ হাজার) টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার(২৬ এপ্রিল)  দুপুরে, টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি )ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে এই  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম জানান, অবৈধ ড্রেজার এর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ০২:০১:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।