/ হোম / অপরাধ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আবারও বাসে ডাকাতি, নারীযাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ - Ekotar Kantho

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আবারও বাসে ডাকাতি, নারীযাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ

আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তিন মাসের মাথায় আবারও যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানীরও ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২০ মে) রাত সাড়ে ১১টা থেকে বুধবার (২১ মে) ভোর ৫টা পর্যন্ত রংপুরগামী বাসটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডাকাতদল লুটপাট চালায় বলে জানান টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক যাত্রী টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে আল ইমরান পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে মহাসড়কের বিভিন্নস্থান থেকে যাত্রী সেজে ডাকাতরা বাসে ওঠেন। সুযোগ বুঝে তারা বাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুটে নেয়।

বাসের সুপারভাইজার ও যাত্রীরা জানান, রাত ৮টার দিকে আব্দুল্লাহপুর থেকে বাসটি রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে সাভারের নরসিংহপুর, বাইপাইল, আশুলিয়া থেকে কিছু যাত্রী উঠে। প্রায় ৯ থেকে ১০ জন নারীসহ ৩৮ যাত্রী নিয়ে বাসটি রাত সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা অতিক্রম করে।

যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্তের সংযোগ সড়কের কয়েক কিলোমিটার যাওয়ার পর যাত্রীবেশী আট থেকে ১০ জন ডাকাত ছুরি, চাপাতিসহ দেশিও অস্ত্রের মুখে চালকের কাছ থেকে বাসটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এ সময় ডাকাতরা বাসটি নিয়ে বেশ কয়েকবার টাঙ্গাইল ও চন্দ্রা-আশুলিয়ায় যাওয়া-আসা করে।

পরে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের শিবপুর এলাকায় বাসটি রেখে ডাকাতদল চলে যায় বলে জানান যাত্রীরা।

বাস চালকের সহকারী ২১ বছর বয়সি আতিকুর রহমান রাঙ্গা বলেন, ডাকাতরা যাত্রীদের ও বাসের চালকসহ সকলের চোখ, মুখ বেঁধে ফেলে। যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্তের গোলচত্বর এলাকায় গিয়ে বাসটি ঘুরিয়ে আবার ঢাকার দিকে চলতে থাকে।

এ সময় প্রত্যেক যাত্রীকে তল্লাশি করে মোবাইল ফোন, টাকা, সোনারগহনা এবং অন্যান্য মালামাল লুট করে নেয়। রাতভর কয়েকবার বাসটি নিয়ে ওই এলাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত চক্কর দেয়। বাসটি নিয়ে ডাকাতরা চার থেকে পাঁচ বার টাঙ্গাইল ও চন্দ্রা-আশুলিয়া সড়কে যাওয়া-আসা করে।

ভোরে ডাকাতদল বাসটি ছেড়ে দিলে যাত্রীদের নিয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ করা হয় বলে জানান এই বাস চালকের সহকারী।

বাসের যাত্রী বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ৫২ বছর বয়সি আফাজ উদ্দিন বলেন, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য নারী যাত্রীদের তল্লাশীর সময় তাদের শ্লীলতাহানী করা হয়। আমার চোখমুখ বাঁধা ছিল। তবে ঘটনার সময় নারী যাত্রীদের কান্নাকাটি ও কাকুতি-মিনতি শুনতে পাই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ডাকাতদের ধরতে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ইউনিক রয়েলসের একটি যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৫ ০২:৫১:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা, পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা, পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ

আরমান কবীরঃ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালে ডামি নির্বাচনের আয়োজন এবং ভোট চুরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে এমপি নির্বাচিত করার অভিযোগে টাঙ্গাইলে সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ মে) টাঙ্গাইলের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভূঞাপুর থানা আমলী আদালতে কামরুল হাসান নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রুমেলিয়া সিরাজাম মামলাটি আমলে নিয়ে ভূঞাপুর থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদি কামরুল হাসান (৫৫) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে।

মামলায় আসামির তালিকায় শেখ হাসিনাসহ ১৯৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো ১৫০ থেকে ২০০ জনকে।

শেখ হাসিনা ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী আব্দুল আওয়াল, তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও টাঙ্গাইলের সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া পুলিশ ও প্রিজাইডিং অফিসারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে।

বাদি মামলায় উল্লেখ করেন, ‘আমাদের শত্রু রাষ্ট্র ভারতের নির্দেশক্রমে শেখ হাসিনা অন্য আসামিদের সাথে যোগসাজশ করে বিগত ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি একটি ডামি নির্বাচনের আয়োজন করেন। বাদি কামরুল হাসান ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের ভারই উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন। তিনি অন্য ভোটারদের সাথে ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। আসামিরা তাকে মারপিট করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। নির্বাচনে পুলিশ ও প্রিসাইডিং অফিসারের সহায়তায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখল করে জোরপূর্বক নৌকা মার্কায় সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে। এভাবে অন্যের ভোট চুরি করে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনিরকে এমপি পদে নির্বাচিত করা হয়। এতে দেশ ও জনগণের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।’

বাদিপক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইল বার সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু রায়হান খান বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মোট ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা রুজু করা হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে ভূঞাপুর থানার ওসিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সেইসাথে আগামী ১৩ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন আদালত। আশা করি আদালতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৫ ০২:১০:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল, সাবেক এমপি ছোট মনিরের শ্যালকসহ গ্রেপ্তার ১১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল, সাবেক এমপি ছোট মনিরের শ্যালকসহ গ্রেপ্তার ১১

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৭ মে) রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের শ্যালক আহসানুজ্জামান খান ইমরানকে রবিবার (১৮ মে) দুপুরে ৫ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।

রবিবার বিকেলে জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাগর আলী, দেলদুয়ার থানা যুব লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, টাঙ্গাইল সদর থানা যুবলীগের সদস্য আহসানুজ্জামান খান ইমরান, টাঙ্গাইল নির্মাণ শ্রমিক প্রকৌশলের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম খন্দকার বাবু, মেহেদী হাসান মহসিন, সজিব সরকার, নবী নূর মিয়া, সোহেল রানা টিটু ও মজিবর রহমান।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ বলেন, জেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ২০ জনকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের শ্যালক আহসানুজ্জামান খান ইমরানকে ৫ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মে ২০২৫ ০৩:০০:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় মা-মেয়ের যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় মা-মেয়ের যাবজ্জীবন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে কৃষক শামছুল হক হত্যা মামলার আসামি মা ও মেয়েকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (১৮ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ দিলারা আলো চন্দনা এ আদেশ দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী গ্রামের মৃত রাজ্জাক ওরফে রুজুর স্ত্রী রাহিমা ওরফে রহিমা (৫৫) ও তাদের মেয়ে রোজিনা আক্তার (৩২)।

স্পেশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান কবির জানান, বিগত ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে কাতুলী গ্রামের কৃষক শামছুল হক (৫৫) বাড়ির পাশে নিজের জমিতে আগাছা পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় পূর্ব বিরোধের জের ধরে একই গ্রামের রাজ্জাক ওরফে রুজু তার স্ত্রী-সন্তানদের সাথে নিয়ে শামছুল হককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে চলে যায়। বাড়ির লোকজন টের পেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শামছুল হককে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুততম সময়ে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন দিন পর শামছুল হক মৃত্যুবরণ করেন।

পরে শামছুল হকের স্ত্রী জামিরন বেগম বাদি হয়ে রাজ্জাক এবং তার স্ত্রী রাহিমা, মেয়ে রোজিনা ও ছেলে রফিকুলকে আসামি করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা করেন। মামলা চলাকালীন অবস্থায় আসামি রাজ্জাক মারা যান। এছাড়া ঘটনার সময় রফিকুলের বয়স কম থাকায় শিশু আদালতে এখনো তার মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, রবিবার দণ্ডিত আসামিদের উপস্থিতিতেই রায় পড়ে শোনান বিচারক। পরে তাদের টাঙ্গাইল কারাগারে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মে ২০২৫ ০২:৩৬:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফার্ম কর্মচারীর জবাই করা মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফার্ম কর্মচারীর জবাই করা মরদেহ উদ্ধার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এক লেয়ার মুরগির ফার্মের কর্মচারীর জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের বল্লা-রামপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে বলদকুড়া নামক স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কালিহাতী থানা পুলিশ।

নিহত কর্মচারীর নাম আখতারুল হক ওরফে আখতার হোসেন (৪৫)। সে দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে।

জানা গেছে, রবিবার সকালে উপজেলার বদলকুড়ায় ফার্মের পিছনের ড্রেনে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে ফার্মের মালিককে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে মালিক ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

পুলিশের ধারণা, শুক্রবার কিংবা শনিবার রাতের যেকোন সময় ফার্মে চুরি করতে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে জবাই করে ওই ফার্মের পিছনে ড্রেনের মধ্যে ফেলে রেখে যায়।

ফার্ম মালিক মোরশেদ আলম জানান, প্রায় ১০ মাস আগে এক লোকের মাধ্যমে তার ফার্মে কাজ নেন আখতারুল হক। তিনি একাই ওই ফার্মে থেকে কাজ করতেন। রবিবার সকালে খবর পান তার ফার্মের পিছনে মরদেহ পড়ে আছে। তিনি এসে দেখেন তার কর্মচারি। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানান তিনি।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, তাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মে ২০২৫ ০২:২৬:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাবেক এমপি ছোট মনিরের নির্দেশে মশাল মিছিল, ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাবেক এমপি ছোট মনিরের নির্দেশে মশাল মিছিল, ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সহযোগী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

শনিবার (১৭ মে) বিকালে গ্রেপ্তারকৃত ৪ জনের মধ্যে তিনজনকে টাঙ্গাইল সদর থানায় সোপর্দ করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। অপরজনকে মির্জাপুর থানায় সোপর্দ করা হয়।

শুক্রবার (১৬ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পাথাইলকান্দি এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ দুইজন আসামিকে তাদের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাগর আলী (২৭), ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মী ও আব্দুস ছাত্তার ফকিরের ছেলে সুমন ফকির (৩২) এবং অপরজন চর পাথাইলকান্দি গ্রামের শাহ আলম প্রামাণিকের ছেলে মামুন প্রামাণিক (৩০)।

অন্যদিকে, মির্জাপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলায় এজাহার ভুক্ত আসামি নিষিদ্ধ সংগঠনের যুবলীগ নেতা পাকের আলীকে একইদিন রাতে নিজ এলাকা থেকে আটক করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। পরে তাকে রাতেই সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়। তিনি উপজেলা পৌর শহরের বীরহাটি গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, গত ১৪ এপ্রিল বুধবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে মশাল মিছিলে অংশ নেয়ার জন্য গ্রেপ্তারকৃতদের নির্দেশ দেয় টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক এমপি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি তানভীর হাসান ছোট মনির। জিজ্ঞাসাবাদে এ বিষয়টি স্বীকার করে গ্রেপ্তারকৃত পাকের আলী, সাগর আলী ও সুমন। মামুন তাদের সহযোগী ছিল। পরে তাদের শনিবার বিকালে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। মিছিলে আরও যারা অংশ নেন তাদেরকেও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত রোজার ঈদে ছোট মনির টাঙ্গাইলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও মিছিল-মিটিংয়ের জন্য গ্রেপ্তারকৃত সাগরকে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা পাঠায়। সেই টাকা তিনি তার সহকর্মীদের সাথে নিয়ে কৌশলে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন সময়ে প্রদান করতেন বলেও জানায় সাগর আলী।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহাম্মেদ জানান, আমরা গ্রেপ্তারকৃত দুইজন আসামিকে বুঝে পেয়েছি। ৩ জনের মধ্যে একজন আসমিকে ভূঞাপুর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়ে টাঙ্গাইল কোর্টে চালান করে দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের গত ১৪ এপ্রিল (বুধবার) টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল করার অভিযোগে এপর্যন্ত ১২ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২৫ ০৩:১৫:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিজ ঘর থেকে নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিজ ঘর থেকে নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।

শনিবার (১৭ মে) দুপুরে উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের গোহালিয়াবাড়ী উত্তরপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আতোয়ার রহমানের স্ত্রী খোদেজা বেগমের (৫৮) হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার নিজ বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী উত্তরপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আতোয়ার রহমানের স্ত্রী খোদেজা বেগম বাড়িতে একা বসবাস করতেন। গত দু-দিন যাবত পরিবারের কোন সদস্যের ফোন না ধরায় তার ছেলে আসাদুল শনিবার সকাল ১১ টার দিকে বাড়িতে এসে ঘরের দরজা বন্ধ দেখেন এবং ঘরের সিঁধ কাটা দেখতে পান।

পরবর্তীতে ঘরের দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করলে মায়ের হাত-পা বাঁধা মরদেহ দেখতে পান তিনি। ঘরের মধ্যে কাপড়চোপড় এলোমেলো অবস্থায় ছিল।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) শরিফুল ইসলাম বলেন, গোহালিয়াবাড়ী উত্তরপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আতাউর রহমানের বাড়িতে সিধ কেটে অজ্ঞাত নামা লোক ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে হাত-পা বেধে তার স্ত্রী খোদেজা বেগমকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘরের মধ্যে কাপড়চোপড় এলোমেলো ছিল।

তিনি আরও বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২৫ ০২:৩৭:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পেটে বাচ্চাসহ গরু জবাই, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পেটে বাচ্চাসহ গরু জবাই, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আরমান কবীর: টাঙ্গাইলে পেটে বাচ্চাসহ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ মে) সকালে শহরের বটতলা সিটি বাজারে ওই মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল।

জানা গেছে,টাঙ্গাইল শহরের বটতলা সিটি বাজারে ‘সোহেল মাংসের দোকান’-এ দীর্ঘদিন ধরে গরুর মাংস বিক্রি করছেন সদর উপজেলার চিলাবাড়ির পাইকপাড়া গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. সোহেল মিয়া। শুক্রবার বটতলা সিটি বাজারে পৌরসভার কসাইখানা পরিদর্শক সিল মারতে গিয়ে গর্ভবতী গাভি শনাক্ত করেন। এর পর সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি চিকিৎসককে খবর দিলে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে পান, জবাই করা গাভিটির পেটে বাচ্চা ছিল।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডাক্তার মো. শাহিন আলম জানান, বটতলা সিটি বাজারে সোহেল মাংসের দোকানে একটি গর্ভবতী গাভি জবাই করা হয়েছে, এমন সংবাদ পেয়ে সেখানে যাই। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, গাভিটির পেটে প্রায় দুই মাসের ভ্রুণ ছিল।

জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, শুক্রবার সকালে সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বটতলা সিটি বাজারে যাই। মাংস ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো তিনি অকপটে সব দোষ স্বীকার করেন। তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা গাভির ৭০ কেজি মাংস সবার সামনে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার সেনিটারি ইন্সপেক্টর সাহিদা আক্তার, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল ও এএসআই মিলনসহ পুলিশের একটি দল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৫ ০৩:০৭:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে তরুণীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে তরুণীর আত্মহত্যা

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে ইশীকা আরাত (২০) নামের এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৯ মে) দুপুরে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পুরাতন বটতলা মুরগির বাজার এলাকার এক বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

নিহত ঈশীকা আরাত পৌরসভার বাগানবাড়ি এলাকার আমিনুল ইসলামের মেয়ে। সে বটতলা এলাকার মালেক ভূঁইয়ার বাসায় ভাড়া থাকতেন।

বাগান বাড়ি এলাকার স্থানীয়রা জানান, ঈশীকার ৩ বছর আগে হাজরাঘাট এলাকার রিয়াদ খানের সাথে বিয়ে হয়েছিল। তাদের ২ বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। তাদের সংসারে বনি-বনা না হওয়ায় এক বছর আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরে বাগান বাড়ি এলাকার একটি ছেলের সাথে তার আবারও বিয়ে হয়। সে সংসারও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। কিছুদিন পূর্বে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরিবারের সাথে তার সম্পর্ক ভাল ছিল না বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। যে কারণে সে বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেমরাজুল ইসলাম রুবেল একতার কণ্ঠ-কে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মে ২০২৫ ০১:৩৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর জঙ্গলে মিলল কাঠমিস্ত্রির মরদেহ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর জঙ্গলে মিলল কাঠমিস্ত্রির মরদেহ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে নিখোঁজের একদিন পর জঙ্গল থেকে অধীর সূত্রধর (৬৫) নামে এক কাঠমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলার শোলাকুড়ী ইউনিয়নের পীরগাছা এলাকার সেগুনবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত অধীর সূত্রধর টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার কোনাবাড়ী এলাকার গোপি সূত্রধরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।

অধীর সূত্রধরের ভাতিজা মুকুল সূত্রধর জানান, তার চাচা গত মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন। সারাদিন বাড়ি না ফেরায় তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। বুধবার বেলা ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বনের মধ্যে ঝুলন্ত একজনের মরদেহ দেখে তিনি চাচাকে শনাক্ত করেন। পরে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে মধুপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, স্থানীয় লোকজন জঙ্গলে গরু চড়াতে গিয়ে সেগুনবাগানে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২৫ ০২:২৪:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রায়হান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রায়হান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রায়হান (২৮) নামে এক যুবককে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুর তিনটার দিকে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম ইব্রাহিম (৩৫)। সে কালিহাতী উপজেলার রামপুর হাটিপাড়া গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে।

ওসি আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই মামলার ২নং আসামি ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার দিবাগত রাতে কালিহাতী উপজেলার রামপুর কুকরাইল গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে রায়হানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয় ইব্রাহিম ও তার সহযোগীরা। নিহত রায়হান মাদক সেবন ও বিক্রির সাথে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি আলোচিত রামপুরের সলিট হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মে ২০২৫ ০৩:১৪:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা 

আরমান কবীর: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর কোকরাইল গ্রামে রায়হান নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

সোমবার(৫ মে) সকালে গ্রামের একটি পুকুর থেকে নিহত রায়হানের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছ পুলিশ।

নিহত রায়হান উপজেলার কোকরাইল গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে।সে হত্যাসহ মোট পাঁচটি মামলার আসামি ছিলেন।’

নিহতের পরিবার জানায়, রায়হান সোমবার ভোররাত ২টায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে সকালে গ্রামের একটি পুকুরে তার মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা।পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

নিহতের বাবা বাদল মিয়া জানান, ভোর ৪টার দিকে মুন্না নামের একজন আমাকে ডাকতে যায় এবং বলে আপনার ছেলেকে মেরে ফেললো, আমি খবর শুনে ছুটে আসি এবং আশপাশে খোঁজ করি। খোজাখুজির একপর্যায়ে কোকরাইল গ্রামের রিপনের পুকুরে রক্তাক্ত অবস্থায় তার ছেলের মরদেহ দেখতে পান তিনি।

নিহতের স্ত্রী জানান, আমার স্বামী রাত দুইটার দিকে ফোন দিয়ে মুড়ি ভর্তা করার জন্য পেঁয়াজ মরিচ কেটে রাখতে বলে। তার কিছুক্ষণ পরে বাড়ীতে এসে কেটে রাখা পেঁয়াজ মরিচ ও মুড়ি চানাচুর নিয়ে যায়, সে সময় তিনি প্রচুর মদ্যপ অবস্থায় ছিল এবং তার সাথে আরও একজন লোক ছিলো যাকে আমি চিনতে পারিনি।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, ‘নিহত রায়হান মাদক সেবন ও বিক্রয় এবং হত্যাসহ মোট পাঁচটি মামলার আসামি।

উল্লেখ্য, নিহত রায়হান নিয়মিত মাদক সেবন এবং মাদক বিক্রির সাথে জড়িত ছিলো। এছাড়াও নিহত রায়হান বহু আলোচিত রামপুরের সলিট হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. মে ২০২৫ ০৮:২৮:পিএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।