/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে গজারি বনে দুই অবৈধ সীসা কারখানা উচ্ছেদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গজারি বনে দুই অবৈধ সীসা কারখানা উচ্ছেদ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুটি অবৈধ সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ করে দিয়েছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের কামালপুর পাহাড়ি এলাকার গজারি বনের ভেতর এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু সাঈদ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সাঈদ বলেন, উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের কামালপুর পাহাড়ি এলাকার গজারি বনের ভেতর কারখানা স্থাপন করে একটি চক্র পুরনো ব্যাটারি আগুনে পুড়িয়ে সীসা তৈরি ও বিক্রি করে আসছিল। যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ও হুমকি স্বরূপ। একপর্যায়ে এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অবৈধ সীসা কারখানায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় কারখানা দুটি এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, বন ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই উচ্ছেদ অভিযানে সহায়তা করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সঞ্জীব কুমার ঘোষ ও পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর।

এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুলাই ২০২৫ ০২:৪৩:এএম ১১ মাস আগে
সাবেক প্রতিমন্ত্রী টিটুর কথিত দেহরক্ষী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

সাবেক প্রতিমন্ত্রী টিটুর কথিত দেহরক্ষী গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় সাবেক বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর কথিত দেহরক্ষী হিসেবে পরিচিত ইয়াকুব ওরফে সিয়ামকে গ্রেপ্তার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।

সোমবার (২৩ জুন) দিবাগত গভীর রাতে সদর উপজেলার সিলিমপুর ইউনিয়নের সিলিমপুর পেট্রোল পাম্পের কাছের একটি বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সিয়ামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

অত্যন্ত দুর্ধর্ষ ইয়াকুব ওরফে সিয়ামকে দিয়ে সাবেক বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু নির্বাচনের সময় প্রতিপক্ষের উপর সংঘঠিত হামলাগুলো পরিচালনা করাতেন।

ফ্যসিস্ট আওয়ামী লীগ শাসনামলে সিয়ামের নেতৃত্বে দেলদুয়ার উপজেলায় একটি শক্তিশালী মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল। আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার আটক হলেও সাবেক প্রতিমন্ত্রী টিটুর সুপারিশে প্রতিবারই পার পেয়ে যায় সিয়াম।

গত বছরের ৫ আগস্টের পর সে সম্ভাব্য গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিল।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেব খান বলেন, নানা অপকর্মের হোতা ইয়াকুব ওরফে সিয়ামকে গভীর রাতে সিলিমপুর ইউনিয়নের পেট্রোল পাম্পের কাছের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিয়মিত মামলায় মঙ্গলবার (২৪ জুন) সকালে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুন ২০২৫ ০১:৪৪:এএম ১১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যা, স্বর্ণালংকার লুট - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যা, স্বর্ণালংকার লুট

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হনুফা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যার পর লুট করা হয়েছে শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার।

শুক্রবার (২০ জুন) রাতে উপজেলার মানাজী শিকদার বাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার (২১ জুন) সকালে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

নিহত হনুফা বেগম ওই গ্রামের আব্দুল গফুরের স্ত্রী।

নিহতের পরিবার জানায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন হনুফা বেগম। শনিবার ভোরে ঘর থেকে বের না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ নিতে যান।

এ সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে খোলা ছিল। পরে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। হনুফার গলায় তিন ভরি স্বর্ণালংকার ছিল। সেই স্বর্ণের চেইনটি পাওয়া যায়নি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এছাড়া স্বর্ণালংকার লুটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২৫ ০২:১৩:এএম ১১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে হত্যা মামলার পলাতক ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বটতলা দিঘীরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৮ জুন) সকালে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের সুদামপাড়া গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৪৫), একই এলাকার আব্দুল মান্নানের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩৫) ও রাবেয়া বেগম (৪৫)।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, নিহত আব্দুর জব্বার মিয়ার (৭০) সাথে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের  দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (১৯ মে) জেলার নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের সুদামপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে নিহত জব্বার মিয়ার সাথে আসামিদের কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আব্দুল মান্নান, আকলিমা বেগম ও রাবেয়া বেগম নিহত জব্বার মিয়া ও তার ও পরিবারের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এঘটনায় আব্দুর জব্বার গুরুত্বর আহত হয়। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে সোমবার সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ঘটনার পর নিহতের ছেলের বউ পলী আক্তার (৩০) বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের নাগরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২৫ ০৪:০৬:এএম ১১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে আপত্তিকর অবস্থায় আ.লীগ নেত্রী জনতার হাতে আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আপত্তিকর অবস্থায় আ.লীগ নেত্রী জনতার হাতে আটক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আপত্তিকর অবস্থায় পরকীয়া প্রেমিকসহ মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী রেহানা পারভীন (৩৮) জনতার হাতে আটক হয়েছেন। বর্তমানে তার প্রেমিকসহ তিনি ভূঞাপুর থানা হেফাজতে রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভূঞাপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক আওয়ামী লীগ নেত্রী রেহানা পারভীন উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি পলশিয়া গ্রামের শাহ আলমের স্ত্রী এবং তার পরকীয়া প্রেমিকের নাম বাবলু মিয়া (৪৫)।

বাবলু একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। বাবলু মিয়া ৪ ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের বাবা এবং রেহেনা পারভীন ৩ সন্তানের মা। গত বুধবার রাতে উপজেলার সিরাজকান্দি গ্রামে ওই নারী নেত্রী রেহানার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নিকরাইল ইউনিয়ন নারী নেত্রী রেহানা পারভীন এবং বাবলুর মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। প্রায়ই বাবলু রেহানার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো।

বুধবার রাতে রেহানার বাড়িতে তারা একত্রিত হলে, অপেক্ষায় থাকা স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের আটক করে। এ সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং কিছু মানুষ উত্তেজিত হয়ে তাদের মারধরও করেন। পরে খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

রেহেনা পারভীনের ছেলে আব্দুল্লাহ জানায়, বাবলু মিয়ার সাথে তাদের পারিবারিক এবং ধারদেনা সম্পর্ক রয়েছে। এর বাইরে কোনো সম্পর্ক নেই, এটি ষড়যন্ত্র।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে আনা হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২৫ ০৩:২৩:এএম ১২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যৌনকর্মীর রহস্য জনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যৌনকর্মীর রহস্য জনক মৃত্যু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া এলাকার যৌনপল্লিতে বাসনা আক্তার (১৯) নামে এক যৌনকর্মীর রহস্য জনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে যৌনকর্মীদের অভিযোগ বাসনা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার কথিত প্রেমিক মাসুদ।

তবে পুলিশ বলছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটির বিষয়ে বর্তমানে তদন্ত চলমান রয়েছে।

জানা গেছে, বাসনা আক্তারের মা-বাবা নেই। ছোটবেলা থেকেই শহরের কান্দাপাড়া যৌনপল্লিতে বড় হয়েছে সে। পরে সেখানেই যৌনকর্মী হিসেবে যোগ দেন তিনি। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চর খিদিরপুর গ্রামের মৃত মোঃ লাল মিয়ার ছেলে মাসুদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বাসনা। মাসুদ পেশায় একজন রিকশাচালক।

ঘটনা প্রসঙ্গে কর্মরত যৌনকর্মীরা জানায়, প্রতিনিয়তই বাসনার ঘরে যাতায়াত করতেন মাসুদ। তাদের মধ্যে প্রায় সব সময়ই ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। মঙ্গলবার দুপুরে মাসুদকে বাসনা কয়েকবার ফোন‌ দিয়ে আসতে বলেন। বারবার ফোন দেওয়ার ফলে মাসুদ সেখানে আসতে বাধ্য হয়। পতিতালয়ের পাশেই বিক্রি হয় রেক্টিফাইড স্পিরিট। সেই দোকান থেকে মাসুদ রেক্টিফাইড স্পিরিট নিয়ে আসেন। তারপর তারা বেশ কিছুক্ষণ বাসনার ঘরে অবস্থান করেন। কিছুক্ষণ পরে মাসুদ ডাক চিৎকার শুরু করেন। তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের যৌনকর্মীরা বাসনার ঘরের কাছে ছুটে আসেন। তারা এসে বাসনাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা মাসুদকে ঘরের বাহিরে এনে হাত-পা বেঁধে মারধর করেন। ঘরের মালিক টাঙ্গাইল সদর থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ অভিযুক্ত মাসুদকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তানবীর আহাম্মেদ মুঠোফোনে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা একটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বর্তমানে তদন্ত চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাসনা আক্তারের কথিত প্রেমিক মাসুদকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুন ২০২৫ ০৩:৫২:এএম ১২ মাস আগে
টাঙ্গাইলের ইউপি চেয়ারম্যান বিমান বন্দরে আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ইউপি চেয়ারম্যান বিমান বন্দরে আটক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ানকে আটক করেছে হযরত শাহজাহাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ জুন ) সকালে থাইল্যান্ড যাওয়ার পথে ইমিগ্রেশন পুলিশ বিমানবন্দরে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত হেলাল দেওয়ান বাঁশতৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ৪ আগষ্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচী চলছিল। ওই সময়ে দুস্কৃতিকারীরা হাইওয়ে থানায় হামলা করে। এসময় পুলিশের গুলিতে গোড়াই লালবাড়ি এলাকার কিশোর হিমেলের দুচোখ অন্ধ হয়ে যায় । ওই ঘটনায় হিমেলের মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় উপজেলার বাঁশতৈল ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ান তালিকাভুক্ত আসামী। ওই মামলার আসামী হিসেবে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ানকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হিমেলের মায়ের করা মামলার তিনি তালিকাভুক্ত আসামী। তাকে বিমান বন্দর থেকে আনতে মির্জাপুর থানা পুলিশ রওনা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুন ২০২৫ ০৩:০৮:এএম ১২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যুতের খুঁটির নিচে চাপা পড়ে বৃদ্ধ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যুতের খুঁটির নিচে চাপা পড়ে বৃদ্ধ নিহত

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ইউক্যালিপটাস গাছ কাটার সময় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে চাপা পড়ে আসাদ মিয়া (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (১ জুন) দুপুরে মির্জাপুর পৌরসভার পাহাড়পুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আসাদ মিয়া পাহাড়পুর এলাকার নবাব আলীর ছেলে। সে পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মির্জাপুর পৌরসভার পাহাড়পুর এলাকার নুরুল হক ভূইয়ার স্ত্রী মিনু বেগম তার বাড়ির বড় ইউক্যালিপটাসসহ কয়েকটি গাছ দেওহাটা বাজারের তিনজন কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন। শ্রমিকরা গত এক সপ্তাহ ধরে গাছগুলো কাটার কাজ করছিলেন। রবিবার দুপুরে প্রায় ১০০ ফুট দীর্ঘ একটি গাছ কাটার সময় সেটি বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে যায়। এতে সঙ্গে সঙ্গে দুটি খুঁটি ভেঙে পড়ে। ঠিক সেই সময় রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আসাদ মিয়া। খুঁটির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত আসাদ মিয়া সাহাপাড়া বাবুবাজারে সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফিরছিলেন।

খবর পেয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সাবেক দুই কাউন্সিলর আজম খান ও শামীম খান বলেন, রাস্তার পাশে গাছ কাটার সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা হয়নি। বিশাল আকৃতির গাছ এভাবে কাটার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ মির্জাপুর জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. মোকলেছুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুন ২০২৫ ০২:০৩:এএম ১২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি অফিসে আড্ডা দেন আ.লীগ কর্মী, টেবিলে পা তুলে ধূমপান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি অফিসে আড্ডা দেন আ.লীগ কর্মী, টেবিলে পা তুলে ধূমপান

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপি অফিসে চেয়ারে বসে টেবিলে পা তুলে সিগারেট খাচ্ছেন হারুন আর রশিদ নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মী।

রবিবার (২৫ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ ছবি ভাইরাল হয়। ওই আ.লীগ কর্মী রাত-দিন অফিসে আড্ডা দেন।

‘জিয়ার সৈনিক’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে হারুন অর রশিদের টেবিলে পা তোলা ও হাতে জ্বলন্ত সিগারেটের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে ‘বাহ্! আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি কুখ্যাত ভূমিদস্যু একাব্বর চেয়ারম্যানের ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী হারুন বলে কথা ‘

বিএনপির অফিসে হাতে সিগারেট আর টেবিলে পা তুলে বসে থাকা সাধারণ জনগণকে মোটেও অবাক করেনি। কারণ এই এলাকায় স্বজনপ্রীতি রাজনৈতিক হালচাল। কিন্তু প্রশ্ন হলো আওয়ামী লীগের সময় এ স্বজনগুলো কোথায় ছিল?

জানা গেছে, ওই অফিসে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা বসেন। তবে এটি ২নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস। অফিসটি উপজেলার গারোবাজরে অবস্থিত।

আর হারুন ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী। তার বাড়ি সিংহচালা গ্রামে। তার বাবা একাব্বর আলী ছিলেন বৃহত্তর রসুলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে লক্ষিন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও ওই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর হারুন পালিয়ে ভারতে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ঢাকা থেকে ফেরত আসেন। পরবর্তীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে আসেন হারুন। বিএনপির নেতাদের সঙ্গে গড়ে তোলেন সখ্যতা। এর ফলেই তিনি পৌঁছে যান বিএনপির অফিস পর্যন্ত। ওই অফিসে দিন-রাত আড্ডা দেন তিনি।’

স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে বিএনপির এই অফিস উদ্বোধন করা হয়। ১৫ দিন না যেতেই হারুন ওই অফিসে যাতায়াত শুরু করেন। সঙ্গে নিয়ে যান আওয়ামী লীগের আরও অনেক নেতাকর্মী। রাত-দিন অফিসে আড্ডা দেন।

উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লক্ষিন্দর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী আকন্দ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতার দোষ কম। আমাদের নেতৃত্বে যারা আছেন, তারা এই অফিস পরিচালনা করেন। অর্থাৎ সিনিয়ররা আওয়ামী লীগদের সঙ্গে নিয়ে অফিসে বসেন। বিএনপির সিনিয়ররা আওয়ামী লীগ ছাড়া চলতে পারেন না। জুলাই বিপ্লবের পর দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন হারুন। কিন্তু আমাদের কিছু লোক অভয় দিয়ে এলাকায় রাখার ব্যবস্থা করেছে হারুনকে। মনে হয় অফিসটা আমাদের না, আওয়ামী লীগের অফিস।’

এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয় হারুন আর রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে বিএনপির অফিস না। এটা খেলাঘর। কারণে-অকারণে ওই ঘরে যাওয়া হয়। ওই ঘরটি উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ইকবাল তালুকদারের ভাই খোরশেদ তালুকদারের। সম্পর্কে ইকবাল তালুকদার আমার মামা। ছবিটি যে রাতে তোলা হয়েছে সেই রাতে ওই ঘরে আড্ডায় আমার সঙ্গে ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।’

লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। গারোবাজারের ওই অফিসটা ইউনিয়ন বিএনপির না, ওইটা ২নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস। ওইখানে বসেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইকবাল তালুকদার।’

ইকবাল তালুকদার বলেন, ‘লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা এ অফিসে বসেন। হারুন আমার বোনের দেবরের ছেলে। সম্পর্কে ভাগনে। কখন সে এই অফিসে এসে এ কাজ করেছে আমি জানি না।’

এ ব্যাপারে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে যদি কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মে ২০২৫ ০৪:১৬:এএম ১২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ঠিকাদারের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা, ফাঁকা গুলি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঠিকাদারের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা, ফাঁকা গুলি

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে রানা আহাম্মেদ নামের এক ঠিকাদারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও ফাঁকা গুলির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৬ মে) দুপুরে শহরের বেলটিয়াবাড়ী এলাকার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের বেলটিয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত রানা আহাম্মেদ (৫৫) শহরের পলাশতলী এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারী পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী হাসান সাদিক বলেন, ‘রানাসহ আমরা পাঁচজন ঠিকাদার বেলটিয়া মোড়ের একটি চায়ের দোকানে একত্রে বসে ছিলাম। এসময় সন্ত্রাসীরা রানাকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে রড দিয়ে পেটাতে শুরু করে। ভয়ে তার কাছে যেতে পারিনি। পরে আমাদের ডাক-চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে ৬ থেকে ৭ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দুইটি রিভলবার দিয়ে চার থেকে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে দ্রুত একটি অটোরিকশায় করে রাবনা বাইপাসের দিকে চলে যায়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

রানা আহাম্মেদের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি পক্ষের সাথে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, জমি সংক্রান্ত বা ঠিকাদারী কোনো দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।

হামলায় আহত রানা আহাম্মেদ বলেন, পেশাগত কাজে আমি বেলটিয়াবাড়ী মোড় বিদ্যুৎ অফিস থেকে বের হলে কয়েকজন সন্ত্রাসী আমাকে ঘিরে ধরে। তাদের মধ্যে দুইজন দুই দিক থেকে দুটি পিস্তল আমার মাথায় ঠেকায়, তারপর ২ থেকে ৩ জন আমাকে রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। পরে আমি মাটিতে লুটিয়ে পরি।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক হাশিম রেজা বলেন, তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।

এই বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ জানান, ঘটনা শোনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়ে।ছে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মে ২০২৫ ০৩:৫৫:এএম ১২ মাস আগে
মির্জা ফখরুলের নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা, টাঙ্গাইলে যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

মির্জা ফখরুলের নামে ফেসবুক আইডি খুলে প্রতারণা, টাঙ্গাইলে যুবক গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে টাঙ্গাইল থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশ।

রবিবার (২৫ মে) রাতে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম হায়দার রহমান জয় (২১)। সে টাঙ্গাইল পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সারুটিয়া এলাকার মো. নাহিদা মিয়ার ছেলে। জয় করটিয়া সাদা’ত কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র। বর্তমানে তার পরিবার টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার ছাতা মসজিদ সংলগ্ন মো. শিকদার মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানায় লিখিত অভিযোগটি করেন বিএনপি’র মহাসচিবের পক্ষে তার চাচাতো ভাই নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তানভীর আহাম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, রবিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের একটি দল হায়দার রহমান জয়কে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত জয়ের পাঁচ দিনের রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত মোবাইল ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় ল্যাবে পাঠানো হবে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের চাচাতো ভাই নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন উল্লেখ করেছেন, গত ১৭ মে ২০২৫ রাত আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি জানতে পারেন যে, ‘জয় খান’ (হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর : ০১৭০৪-৫৫৩০৫৫) নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এবং শাকিল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি (পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি তৈরি করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এই ভুয়া আইডি ব্যবহার করে প্রতারকচক্র নিজেদের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ এবং সংসদ সদস্যের মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাঁদা দাবি করছিল। অভিযুক্তরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে সাইবার স্পেসে এই প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রূপ ধারণ করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে তদবিরের কথা বলে অর্থ দাবি করছিলেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতে তার নাম ভাঙিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল।

নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই তাকে এ প্রতারণার বিষয়টি জানান। সে ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি৷

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরোয়ারে আলম খান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দার রহমান জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। সে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মে ২০২৫ ০২:১৮:এএম ১২ মাস আগে
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার সভাপতি তানজিল ৫ দিনের রিমান্ডে - Ekotar Kantho

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার সভাপতি তানজিল ৫ দিনের রিমান্ডে

আরমান কবীরঃ নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক তানজিলকে (২৬) মারুফ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে টাঙ্গাইল সদর থানা আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মাহবুব খান এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল আদালতের পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান। তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত মারুফ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক তানজিলের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। বিজ্ঞ আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর পূর্বে বুধবার (২১ মে) রাতে রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত তানজিল টাঙ্গাইল পৌরসভার থানাপাড়া এলাকার মৃত মীর নুরুল হক কামালের ছেলে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহাম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রাজধানী ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বুধবার রাত ৯ টার দিকে টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক তানজিলকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত তানজিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দায়ের করা ৬টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এর মধ্যে দুটি হত্যা মামলাও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়েরকৃত মারুফ হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে টাঙ্গাইল সদর থানা আমলি আদালতে তাকে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে তানজিলকে টাঙ্গাইল কোর্টে হাজির করার পূর্বেই কোর্ট চত্বর এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এরপরেও তানজিলকে কোর্টে হাজির করার সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার হামলার শিকার হন তিনি। এছাড়া তাকে দেখতে আসা তার মামাতো ভাই শাহেদ আল শাফি ব্যাপক মারধরের শিকার হন। একপর্যায়ে শাফি নিজের জীবন বাঁচাতে কোর্ট চত্বরের গারদ খানায় আশ্রয় নেয়। এসময় কোর্ট চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনার তৈরি হয়।

এছাড়া বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা তানজিলের ফাঁসির দাবিতে সকাল থেকে বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে কোর্ট চত্বর মুখরিত করে রাখে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৫ ০৯:৩৭:পিএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।