মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে স্ত্রী খুন হওয়ার তিন দিন পর স্বামীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রী খুন হওয়ার তিন দিন পর স্বামীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্ত্রী খুন হওয়ার তিন দিন পর প্রধান আসামি স্বামী আলফাজ মিয়া (৪৫) আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।সোমবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার এলাসিন গ্রামে নিজ বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আলফাজ মিয়া উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের আগ-এলাসিন গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে উপজেলার এলাসিন গ্রামের বানিছ মিয়ার স্ত্রী ও ছয় সন্তানের জননী ভানু বেগমকে বিয়ে করেন একই এলাকার আফাজ উদ্দিন। পরে স্বামী-স্ত্রী মিলে আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে কেয়ারটেকারের কাজ নেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তাদের মধ্যে কলহ বাঁধে। পরে আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমের পুকুর থেকে ভানু বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ের জামাই আল আমিন বাদি হয়ে দেলদুয়ার থানায় আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত ২০ আগস্ট আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমের পুকুর থেকে স্ত্রী ভানু বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান আসামি ছিলেন স্বামী আলফাজ মিয়া।সোমবার(২৩ আগস্ট) সকালে আফাজ উদ্দিনের নিজ বাড়ির কাঁঠাল গাছ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২১ ০১:১০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুধের শিশু রেখে অটোচালকের সঙ্গে পালালো প্রবাসীর স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুধের শিশু রেখে অটোচালকের সঙ্গে পালালো প্রবাসীর স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ছয়মাস বয়সী শিশু সাইমনকে ফেলে নগদ ৮ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোচালকের সঙ্গে পালিয়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী।এ ঘটনায় অটোচালক মো. আতিক মিয়াকে প্রধান আসামি করে আরো চারজনের নামে মামলা দায়ের করেছেন শিশু সাইমনের বড় চাচা মো. আনোয়ার হোসেন।

আতিক উপজেলার কাশীল ইউনিয়নের কাশীল উত্তর পাড়ার আজম মিয়ার ছেলে এবং প্রবাসীর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার একই গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মো. শফি মিয়ার মেয়ে। দুধের শিশুকে ফেলে প্রবাসী স্বামীর মোটা অংকের টাকা নিয়ে অটোচালকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে উপজেলার হাবলা  ইউনিয়নের জিবনশ্বর উত্তর পাড়ার ঠান্ডু মিয়ার ছেলে প্রবাসী সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে হয়। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে সাদ্দাম ও সুমাইয়া দম্পতি’র ঘরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। পূর্ব পরিচিত আতিকের অটোতে চলাচলের সুবাদে সুমাইয়ার সঙ্গে আতিকের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। প্রায়ই অটোচালক সুমাইয়ার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। সাইমনের জন্মের পর সাদ্দাম তার এলাকায় জমি ক্রয়ের জন্য ব্যাংকে গচ্ছিত টাকাগুলো স্ত্রী সুমাইয়ার কাছে রাখার বিষয়টি জানতে পারেন অতিক। তিনি সুমাইয়াকে বিয়ের প্রলোভন দেখান। ১৮ জুলাই আতিকের হাতধরে শিশু সাইমনকে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় সুমাইয়া। কয়েকদিন পর সুমাইয়ার পরিবার তাকে উদ্ধার করে এবং গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফিরিয়ে দেয়ার শর্তে সাদ্দামের পরিবার সুমাইয়াকে গ্রহণ করে। এরপর টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত চাইলে আবারো তিনি আতিকের সঙ্গে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় সাদ্দামের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমানের আমলী আদালতে ১৮ আগস্ট একটি মামলা দায়ের করেন।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ৬ মাস বয়সী ভাতিজাকে ফেলে চলে যাওয়ার পর শুধুমাত্র এই দুধের শিশুর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দ্বিতীয়বার সুমাইয়াকে মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও সে চলে গেলো। সে তার গর্ভের সন্তানের কথাও ভাবলো না।

সুমাইয়ার মা হেনা বেগম বলেন, ‘ওকে আমার মেয়ে বলতে চাইনা। দুধের বাচ্চাটার কথা ভেবেওতো সে ফিরে আসতে পারতো।

বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, পালিয়ে যাওযা বিষয়ে  একটি মামলা হয়েছে এবং এটি তদন্তাধীন রয়েছে। আসামিরা পলাতক। তাদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২১ ০৩:৫৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে রাস্তা কেটে ফেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রাতের আঁধারে রাস্তা কেটে ফেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

একতার কন্ঠঃ  টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নে রাতের আঁধারে একটি সরকারি রাস্তা কেটে ফেলায় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেই সাথে  প্রবল পানির স্রোতে   ভাঙ্গনের শংকায়  পড়েছে  অন্তত ২০ টি পরিবার।

জানা যায়, উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা-টেপরি রাস্তার (পাতিলা পাড়া-বাদ বেহালী) সীমানায় পাতিলা পাড়া মসজিদ সংলগ্ন স্থানে কে বা কারা রাতের আঁধারে রাস্তাটি কেটে দেওয়ায় শেওলাইদ, বাদবেহালী, পাতিলা পাড়াসহ কয়েকেটি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙ্গনের হুমকিতে পড়েছে।

গ্রামবাসী জানায়, রবিবার (২২ আগস্ট) ভোরের দিকে একদল দুষ্কৃতিকারী সরকারি রাস্তাটি কেটে দিয়েছে। তারা ভোর রাতের দিকে অবৈধভাবে সরকারি রাস্তা কেটে দিয়ে পানির প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের অপচেষ্টা চালিয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ স্থানীয় এক ইউপি সদস্যর দিকে।স্থানীয়রা আরও দা‌বি ক‌রে, ওই  ইউ‌পি সদস‌্য ক‌য়েক মাস পূ‌র্বে খাল আট‌কে এক‌টি বাধ নির্মাণ ক‌রে, সেই বাধকে রক্ষা কর‌তে এই রাস্তা রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাদ্রা ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, গতরাতে তিনি বাড়িতেই ছিলেন না। এ ঘটনাটি শুনেছেন, তবে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি তিনি।

ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব জানায়, রাতের আঁধারে কে বা কারা সরকারী রাস্তাটি কেটে ফেলেছে তাদেরকে সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে । এখন যেহেতু বর্ষাকাল চলছে তাই পানি নেমে না যাওয়া পর্যন্ত রাস্তটি মেরামত করা যাচ্ছে না। পানি নেমে গেলে খুব দ্রুতই রাস্তাটি মেরামত করা হবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২১ ০২:৫২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর যুবলীগ নেতার দুধ দিয়ে গোসল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর যুবলীগ নেতার দুধ দিয়ে গোসল

একতার কণ্ঠঃ স্ত্রী ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করলেন আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন অমিত রাজ নামে এক আওয়ামী যুবলীগ নেতা। দাম্পত্য কলহের জের ধরে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। ডিভোর্সের পর যুবলীগ নেতার দাদী মোনোয়ারা বেগম অমিত রাজকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে দেন। স্ত্রীকে ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করার ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার(২১ আগস্ট) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে। অমিত রাজ ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।

অমিত রাজ মুঠোফোনে জানান, তার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে তিন মাস আগে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেছিলেন। কিছুদিন পর তার পালিয়ে যাওয়া স্ত্রী ফিরে এসে তার পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেন। শনিবার(২১ আগস্ট) ডিবি কার্যালয়ে বসে দেনমোহরের ৩ লাখ টাকার পরিশোধের বিনিময়ে তাদের ডিভোর্স হয়। এরপর তিনি তিন বছরের ছেলেকে বুঝে নিয়ে বাড়ি ফিরে এসে দুধ দিয়ে গোসল করেন।

তিনি আরও জানান, প্রেম করার পর প্রেমিকাকে বিয়ে করেও সুখী হতে না পারার ব্যর্থতায় তিনি ডিভোর্স করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২১ ০১:৩০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাড়ী নামকস্থানে রোববার(২২ আগস্ট) সকালে বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে শামীম(৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। ঘাটাইল থানার এসআই রাজিব হোসেন তালুকদার এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শামীম ভূঞাপুর উপজেলার সিরাজকান্দি গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে ও ওই অটোরিকশার চালক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘাটাইলের পোড়াবাড়ী নামকস্থানে ধনবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা বিনিময় পরিবহনের একটি বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশা চালক শামীম ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় অটোরিকশার এক যাত্রী আনারস ব্যবসায়ী আহত হন। আহত ওই আনারস ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) রাজিব হোসেন তালুকদার জানান, নিহত অটোরিকশা চালক শামীমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২১ ০১:১৯:এএম ৫ বছর আগে
অস্ত্র মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে কাউন্সিলর মোর্শেদ - Ekotar Kantho

অস্ত্র মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে কাউন্সিলর মোর্শেদ

একতার কণ্ঠঃ অস্ত্র মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সাবেক যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমান মোর্শেদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।শুক্রবার (২০ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসানাত এই  রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) একটি চাঁদাবাজির মামলায় আতিকুর রহমানকে জেলা সদর রোডে অবস্থিত পৌর ভবনের সামনে থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি কালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার শয়ন কক্ষ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও দু’টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়। এদিন রাতে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদ-ইবনে-রাজীব বাদী হয়ে আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন।

শুক্রবার(২০ আগস্ট) বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম হোসেন মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, কাউন্সিলর আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের এক ডজন মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আতিকুর রহমান টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন।

মোর্শেদের বিরুদ্ধে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে শহরের বেশ কয়েকটি এলাকা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা মামলা ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২১ ০২:৩৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ উঠেছে।শুক্রবার (২০ আগস্ট) উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের কসবা আটিয়া গ্রামের আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী মো. আফাজ উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে।

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে এলাসিন ইউনিয়নের এলাসিন গ্রামের বানিছ মিয়ার স্ত্রী ছয় সন্তানের জননী ভানু বেগমকে (৫৫) ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন একই এলাকার মৃত রজব আলীর ছেলে মো. আফাজ উদ্দিন।

পরে স্বামী-স্ত্রী আটিয়া বৃদ্ধাশ্রমে এসে কেয়ারটেকারের কাজ নেন। অভিযোগ রয়েছে, পালিয়ে আসার সময় ভানু বেগম প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো মোটা অংকের টাকা ও মেয়েদের স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে আসেন।এ ঘটনার ১৫ দিন পর ভানুর সাবেক স্বামী মো. বানিছ মিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভানুর বড় ছেলে মো. শরিফ মিয়ার অভিযোগ, রাতে আফাজ তার মাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে খুন করে লাশ বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে ফেলে পালিয়ে গেছে।

বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা শুক্রবার সকালে ভাসমান অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।এ ব্যাপারে ভানুর বড় মেয়ের জামাতা আল আমিন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২১ ০২:২৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামে বিষাক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) রাত দেড়টায় ওই তিন যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হচ্ছেন উপজেলার পাছ এলাসিন গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাসির মিয়া (২২), বাবুল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ পারভেজ মিয়া (৩৪) ও কাশেম মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আক্কাস মিয়া (২৩)।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে, তিন বন্ধু মিলে তাদের এক বন্ধু, নাসিরের মনোহারি দোকানে বসে মদপান করেন। এসময় মদের বিষক্রিয়ায় তিনজনই অচেতন হয়ে গেলে স্থানীয়রা পরিবারকে খবর দেয়। পরে পরিবার তাদের টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসির এবং পারভেজকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর চিকিৎসারত অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে আক্কাসও মারা যায়।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, রাতে তিন বন্ধু মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০৫:০০:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল কারাগারে বসে সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করার অভিযোগে তদন্ত কমিটি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কারাগারে বসে সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করার অভিযোগে তদন্ত কমিটি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ায় বুধবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে তাকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে সাবেক মেয়র মুক্তির বিরুদ্ধে জেলে বসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন লোকদের সাথে যোগাযোগ ও সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানাগেছে, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির অভিযোগ করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগার থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাইরের বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন এলাকার সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করছেন।

শহরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পরে এ বিষয়টি তদন্ত করার জন্য টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান এবং একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জেল সুপারের সমন্বয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর সহিদুর রহমান খান মুক্তি দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক ছিলেন। পরে গত বছরের ২ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে বন্দি থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে থাকেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট) ১১তম বারও তার জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত।

টাঙ্গাইলের জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সহিদুর রহমান খান মুক্তি মঙ্গলবার সকালে বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পরে কারাগারের চিকিৎসক আবিবুর রহমান পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিলে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটি গঠন ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি জানান, কারা বিভাগের একটি বিষয়ের তদন্তে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। সুবিধাজনক সময়ে কমিটির সবাই বসে কর্মপন্থা নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনা করে তদন্ত কাজ শুরু করা হবে।

হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডা. প্রণব কুমার কর্মকার জানান, সহিদুর রহমান খান মুক্তির বুকের ব্যথা পিঠেও ছড়িয়ে পড়ছে। শুয়ে থাকতে গেলে তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। এছাড়া রক্তচাপও বেড়েছে। তাকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এছাড়া কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর তার চিকিৎসার ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রকাশ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজ পাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে এ হত্যাকা-ে জড়িত সন্দেহে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে ওই দু’জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এ হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। এর পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আদালতে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।

সহিদুর রহমান খান মুক্তি চাঞ্চল্যকর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে কিশোরের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে কিশোরের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে সোহেল (১৬) নামে এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার আগত গয়হাটা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।সোহেল ওই গ্রামের মুক্তার ফকিরের ছেলে।নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল-মামুন মৃত্যুর বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে দেওআকুটিয়া গ্রামের হাশেম মিয়ার ছেলে নবীন ট্রাক্টর নিয়ে আগত গয়হাটার চাঁন মিয়ার জমিতে হাল চাষ করতে যান। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে হালচাষ দেখছিল সোহেল। ট্রাক্টরচালক নবীন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সোহেলকে ডাক দেন। সোহেল চলন্ত ট্রাক্টরে উঠতে গিয়ে লাঙলের ফলায় আটকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, ঘটনাস্থল থেকে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করে  ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে উজ্জ্বল মিয়া (১৮) নামের এক কিশোরের বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আড়াইপাড়া দামিয়া এলাকায়  এই ঘটনাটি ঘটেছে।

অভিযুক্ত উজ্জ্বল মিয়া ওই গ্রামের ফজলুল হক ওরফে ফজল মিয়ার ছেলে। শিশুটির উপর এমন অমানবিক ঘটনা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ওই যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।

শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী উজ্জ্বল মিয়া গত সোমবার(১৬ আগস্ট) দুপুরে উজ্জ্বল ওই শিশুকে তাঁর বাড়িতে ডেকে নেন। বাড়িতে লোক না থাকায় শিশুকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। পরে চিৎকারে এক প্রতিবেশী এগিয়ে আসলে উজ্জ্বল দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিশুকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে শিশুটির বাবা জানান, শিশুটির পায়ু পথে এক থেকে দেড় ইঞ্চি পরিমান ক্ষত হওয়ায় একাধিক সেলাই দেওয়া হয়েছে। ছেলেটির পায়খানা করতে  কষ্ট হচ্ছে। ডাক্তার বলছে, সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে। হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। এখান থেকে ফিরেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৪১:এএম ৫ বছর আগে
একাধিক মামলার আসামি টাঙ্গাইল পৌর কাউন্সিলর মোর্শেদ গ্রেফতার - Ekotar Kantho

একাধিক মামলার আসামি টাঙ্গাইল পৌর কাউন্সিলর মোর্শেদ গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে যুবলীগ নেতা হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলায় বৃহস্পতিবার(১৯ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃত কাউন্সিলর মোর্শেদ ওই ওয়ার্ডের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মরহুম আব্দুর রহিমের ছেলে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, পৌরসভার ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার পাঁচ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে এক যুবক মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর টাঙ্গাইল পৌরসভার সামনে থেকে সদর থানা এবং ডিবি পুলিশের একটি দল ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান মোর্শেদকে গ্রেপ্তার করে।

পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তার বাসার দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে একটি নাইন এমএম ও একটি ৬.৬২ পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি এবং দুইটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১০-১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে যুবলীগের দুই নেতাসহ বেশ কয়েকজনকে হত্যা, পৌরসভার মেয়রকে মারধর, ধর্ষণ চেষ্টা, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র রাখা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৩২:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।