একতার কন্ঠঃ দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইলে জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(৩১ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা পুলিশ সুপার ও টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জিত কুমার রায়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফুটবল এসোসিয়েশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইব্রাহীম নেসার, সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা ও তারেক মাহমুদ পুলু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল, জেলা ফুটবল রেফারীজ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী নুসরাত এদীপ লুনা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রেফারী টাইগার নজরুল ইসলাম।
সাধারন সভায় সর্বসন্মতিক্রমে আগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বেরের মধ্যে নতুন কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। ওই কমিটি গঠন ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির আহ্বায়ক হচ্ছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) কাজি নুসরাত এদিব লুনা। সদস্য হচ্ছেনঃ টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক কাজী জাকেরুল মাওলা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট আলী ইমান তপন,।
পরে মধ্যন্ন ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের গণভোজ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নাইকানীবাড়ি ঈশ্বরগঞ্জ বাজারে এ গণভোজ ও আলোচনা সভা করা হয়েছে।
বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম (সোহেল) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাসাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মতিয়ার রহমান গাউস এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মশিউর রহমান খান বিদ্যুৎ।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিঃ সহ সভাপতি একে আজাদ খানশুর, সহ- সভাপতি সাত্তার জমাদার, রতন মিয়া, কাউলজানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান চৌধুরি হবি, আওয়ামীলীগ নেতা ইয়াসিন খান,বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি জাজিদুর রহমান খান রোনু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শিবলু আহমেদ, সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক নুরুল ইসলাম সরকার প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের হামলাকারীরা এক ও অভিন্ন শক্তি।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ঘোনাবাড়ী বিলে সোমবার ( ৩০ আগস্ট) দুপুরে শাপলা তুলতে গিয়ে শিফাত(১২) নামে এক শিশুর বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তানভীর (১২) নামে আরেক শিশু আহত হয়। নাগবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান সিদ্দিকী মিল্টন ওই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত ওই শিশু ঘোনাবাড়ি গ্রামের মোঃ মোশারফের ছেলে শিফাত ও আহত তানভীর একই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।
নাগবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান সিদ্দিকী মিল্টন জানান, শিফাত ও তানভীর দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে ঘোনাবাড়ি বিলে শাপলা তুলতে যায়। ওই সময় তাদের পাশে বজ্রপাত হয়। এতে তারা আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তানভীরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল হতে তাৎক্ষণিকভাবে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি ও কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা তানজিন অন্তরার নির্দেশনা অনুযায়ী নিহত শিফাতের পরিবারকে ১০ হাজার ও আহত তানভীরের পরিবারকে ৫ হাজার টাকা নগদ অর্থসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত ডিসি লেকে ডুবে শাকিল মিয়া (১৫) নামে নবম শ্রেনীর এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত শাকিল মিয়া টাঙ্গাইল জেলা সদর এলাকার মৃত. মতিয়ার রহমান তালুকদারের ছেলে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন।
তিনি জানান, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া শাকিল জেলা সদর মাঠে ফুটবল খেলা শেষে সন্ধ্যায় ডিসি লেকে গোসল করতে আসে। এ সময় সে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দাদীর। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২৯ আগস্ট) বিকালে উপজেলা সদরের পাইশানা গ্রামে। নিহতের নাম অজিফা বেগম (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত মাহে আলমের স্ত্রী।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকালে ৫টার দিকে দাদী অজিফা বেগম ছয় বছরের নাতি আরিয়ানকে নিয়ে বাড়ীর পাশে তুর্কি বিলে গোছল করতে যায়। দাদীর গোছলের ফাঁকে নাতি আরিয়ান পানিতে ডুবে
যায়। নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে গভীর পানিতে ঝাঁপ দেয় দাদী।
এসময় আশপাশের লোকজন নাতিকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে দাদীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে দায়ীত্বরত চিকিৎসক ডা:কাবেরি রানী দাস তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
একতার কণ্ঠঃ ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ বিমানের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইউম ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে অনুমতির অপেক্ষা করছে। বিমানের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রোববার(২৯ আগস্ট) দুপুরে নওশাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিমানের বেশ কয়েকটি অসমর্থিত সূত্র তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওশাদের মৃত্যুর ঘোষণা এখনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেয়নি। তিনি এখনও লাইফ সাপোর্টে আছেন।
সূত্রে জানা গেছে, নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে কোমায় থাকা নওশাদ ক্লিনিক্যালি ডেড। পাইলট নওশাদের স্বজনরা এখনই লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে চাচ্ছেন না। তাদের দাবি, নতুন করে মেডিকেল বোর্ড বসানো হোক। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর তারাই সিদ্ধান্ত দিক। এ দাবিতে বিমান কর্তৃপক্ষেরও সায় রয়েছে।
বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানান, ক্যাপ্টেন নওশাদের মৃত্যুর খবর সঠিক নয়। এখনও তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।
এদিকে নওশাদের দুই বোন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
গত শুক্রবার মাসকাট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট বিজি ০২২ মোট ১২৪ যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। এরপর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়।
শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
এর আগে ওই হাসপাতালের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রোশান ফুলবান্ধে জানিয়েছিলেন, ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘কোমায়’আছেন। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই সন্তানসহ চাচীকে বিয়ে করার অভিযোগে বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার ও দৃন্তান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। রবিবার( ২৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ঘন্টাব্যাপি ওই ইউনিয়নের কালিদাস বাজারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে এলাকাবাসীর পক্ষে মোতালেব সরকার, সাইফুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী নেত্রী কানিজ ফাতেমা বিউটি, ছাত্রলীগ নেতা সিকদার সুজন, হৃদয় হাসান, সাব্বির আহমেদ,কাউছার আহমেদ রিগান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন থেকে শরীফুল ইসলামকে দল থেকে অবিলম্বে বহিষ্কার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক দুই বারের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত সিকদার বলেন, বিয়েতে আইনগত প্রক্রিয়ার ব্যত্যয় ঘটালে তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত: উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া গ্রামের রাইজ উদ্দিনের ছেলে ইমান আলীর সাথে নলুয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের আমির মোল্লার মেয়ে স্কুল শিক্ষক রহিমা আক্তার রুমির বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পরই ভাসুর হাজী আবদুল ছবুর মুন্সীর ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলামের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন রহিমা। পরে ২০১৯ সালে চাচীকে দিয়ে চাচাকে ডিভোর্স করান শরীফুল। চলতিমাসে ভাতিজা বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম দুই সন্তানসহ চাচী রহিমা আক্তার রুমিকে বিয়ে করেন। পরে ভাতিজা কর্তৃক চাচীকে বিয়ে করার ঘটনা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকা ও ইউনিয়বাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের অরণখোলা রেঞ্জে রোববার(২৯ আগস্ট) সকালে বন অধিদপ্তরের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য আকতার হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কুড়াগাছা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক সরকার, মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির সভাপতি বাতেন তালুকদার, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল্লাহ ফকির, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির অংশিদার রেজাউল করিম প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অরণখোলা রেঞ্জ অফিসার এসএম আব্দুর রশিদ। প্রকল্প বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন ইএসডিও’র প্রতিনিধি আহসান হাবিব নয়ন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট সিটি কমিউনিটি দরিদ্র সনাক্তকরণ কমিটি(সিআইপি) গঠন করা হয়। সভায় চাপাইদ, অরণখোলা ও পিরোজপুর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশনের পাশে রোববার(২৯ আগস্ট) ভোরে অভিযান চালিয়ে ২৪৪ গ্রাম হেরোইন সহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার খালেদপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. সেন্টু মিয়া(৫৫) ও একই গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. সাইদুর রহমান(৬৫)।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্পেশাল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার এএসপি মি. জন রানার নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকষ দল বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশনের পাশে অভিযান চালায়। অভিযানে উল্লেখিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ২৪৪ গ্রাম হেরোইন, দুইটি মোবাইল ফোন ও নগদ ২০০০ টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর সারণীর ৮(গ) ধারায় মামলা দায়ের করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে জনতা ব্যাংক লিমিটেড এর উদ্যেগে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক শ্যামল কৃষ্ণ সাহার মাধ্যমে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের অসহায়, দরিদ্র, কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংক লিমিটেড টাঙ্গাইল কর্পোরেট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নাগবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মিল্টন সিদ্দিকী, জনতা ব্যাংক টাঙ্গাইল কর্পোরেট শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউপি সদস্য আয়নাল হক ও আঃ হামিদ, স্থানীয় মন্দির কমিটিরসাধারন সম্পাদক স্বপন পাল সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জনতা ব্যাংকের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বক্তাগণ নাগবাড়ি ইউনিয়নের কৃতিসন্তান জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক শ্যামল কৃষ্ণ সাহার প্রতি কৃতজ্ঞতা সহ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বিতরণ কার্য সম্পাদিত হওয়ায় জনতা ব্যাংক লিমিটেড টাঙ্গাইল কর্পোরেট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক নাগবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপস্থিত সুধীজনকে ধন্যবাদ জানিয়ে আগামীদিনে জনতা ব্যাংকের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সহ পচাত্তরের ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন হেকমত আলী (৪৮) নামে এক ব্যবসায়ী। শনিবার (২৮ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের নবগ্রাম দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হেকমত ওই গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে। তিনি ধান ও গাছের ব্যবসার পাশাপাশি বাউল গানের আসর বসাতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টার দিকে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য হেকমত ঘুম থেকে ওঠেন। এর পর অজু করে মসজিদে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। সকালে নিজ বাড়ির আমগাছের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। স্বজনদের দাবি মানসিক সমস্যার কারণে তিনি এভাবে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ গিয়ে লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন করেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন জানান, পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন। এছাড়া তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হলে তার ঘনিষ্ট স্বজন আউট সোর্সিং হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে চাকরিরত এক ছেলেকে গলা কেটে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে সব বিচারকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বিচারক খালেদা ইয়াসমিনসহ তার পরিবারের লোকজন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) খাকি রংয়ের খামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনের নামে একটি চিঠি আসে। সেখানে প্রেরকের স্থানে জুবায়ের রহমান লেখা রয়েছে।
চিঠির লেখাটি হুবুহু তুলে ধরা হলো: ম্যাডাম- আপনাকে উদ্দেশ্য করে চিঠি দিলাম। বিস্তারিত পড়ে দেখুন।
আমরা জঙ্গি সংগঠনের লোক। তাই জীবনে চলার পথে অনেক অন্যায় কাজ করেছি। এমনকি এখনো করি। আমরা যখন যাকে ট্রার্গেট করি তখন তাকে ছলে বলে কৌশলে হত্যা করি। এটাই আমাদের পেশা। এবার আপনাকে হত্যা করার পালা। কারণ আপনি নারী ও শিশু কোর্টে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকটি বড় ধরনের মামলার রায় দিয়েছেন। তাতে আমাদের লোকজনের খুব বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তাই আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি যদি নিজের জীবনের প্রতি মায়া থাকে তাহলে টাঙ্গাইল থেকে বদলি হয়ে চলে যান। যদি কথা না শোনেন তাহলে আমরা আপনাকে হত্যা করতে বাধ্য হবো। আর আমাদের যারা সহযোগিতা করতেছে তারা কয়েকজন আইনজীবী এমনকি জজ কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের স্টাফদের সমন্বয়ে।
আপনাকে যেভাবে হত্যা করা হবে তার ২টি নমুনা:
টার্গেট-১। অফিস থেকে বাসা এর মধ্যে আসা যাওয়ার পথে আপনার গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
টার্গেট-২। অফিস চলাকালীন সময়ে লোকজনের ভিড়ের মধ্যে গিয়ে আপনার এজলাশ বা খাসকামড়ার মধ্যে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
তবে একটা কথা মনে রাখবেন আপনাকে পুলিশ যতই নিরাপত্তার মধ্যে রাখুক না কেন আপনাকে আমাদের বোমার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না। তাই প্রাণ বাঁচাতে চাইলে টাঙ্গাইল থেকে তাড়াতাড়ি বদলি হয়ে চলে যান।
যদি আপনাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হই। তাহলে আমাদের হিংস্রতার টার্গেট রয়েছে আরেকটি। সেটা হলো-আপনার নারী ও শিশু কোর্টে ‘আউট সোর্সিং’ হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে যে ছেলেটি চাকরি করে সে নাকি আপনার খুব ঘনিষ্ট আত্মীয়। তাই আমাদের লক্ষ্য ছেলেটাকে অফিসে আসা যাওয়ার পথে বা কোর্ট থেকে বাহিরে যাওয়া মাত্রই আমরা তাকে অপহরণ করবো। পরে গহীন জায়গায় নিয়ে আটকে রেখে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করবো। আর যদি টাকা না দিতে পারেন তাহলে ছেলেটাকে জবাই করে হত্যা করা হবে। পরে লাশ যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়া হবে। কথাটা মনে রাখবেন।
ইতি
জঙ্গি সংগঠন।
এদিকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন জানান, চিঠিটি পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। এছাড়া তিনি ও তার পরিবারের লোকজন বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সেইসঙ্গে বিচারক খালেদা ইয়াসমিন ও তার পরিবারের লোকজনদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল র্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, র্যাবের সব টিম বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।