একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আমির হামজা (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কালিয়া পশ্চিম ঘোনারচালা এলাকায় নিজ ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি ওই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হামজা মাদকসেবী ছিলেন। তিনি মাদকের জন্য নিয়মিত তাঁর মায়ের কাছে টাকা দাবি করত। মঙ্গলবার সকালেও টাকা চাইলে মা তাঁকে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
পরে হামজা অভিমান করে ঘরের দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়েন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে ডাকলে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁকে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানান, পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ছেলেটি মাদকসেবী ছিল।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস বলেছেন, নিশিরাতের সরকারের সহযোগী বর্তমান ইসির অধিনে আর কোন নির্বাচন হবে না। গাইবান্ধা মার্কা নির্বাচন বাংলাদেশে আর হতে দেয়া হবে না। একটি নিরপেক্ষ সরকার ও ইলেকশন কমিশনের অধিনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে, এর বাইরে কোন বিকল্প নেই। মঙ্গলবার(১ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়া্ ঈদগাহ মাঠে জেলা বিএনপির ক্রি-বার্ষিক সম্মেলেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি লুটেরা সরকার, দুর্ভিক্ষের সকরকার, ডাকাত সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ২০২৩ সালে দুর্ভিক্ষ হবে। দুর্ভিক্ষ মোকাবিলার আগেই দেশের জনগন এই সরকারের পতন ঘটাবে।।মির্জা আব্বাস আরো বলেন, গণতন্ত্র দিয়েছিলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউরর রহমান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। আর গণতন্ত্র হত্যা করেছেন শেখ হাসিনা।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস ছালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী,কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ওবাইদুল হক নাসির প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ প্রায় ১৩ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে সরসরি ভোটের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের কথা রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গভীর রাতে ফিল্মি কায়দায় বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রশ্ন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। শনিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহীম, শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, মহিউদ্দিন ওরফে মনির এবং ওই ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বান্ধবী ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীসহ আরও দুই ছেলে বন্ধুর সহায়তায় এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র চুরি করার জন্য শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। সে আগে থেকে বানানো তালার চাবি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করে একেক করে কয়েকটি আলমারির তালা ভাঙতে থাকে। এ সময় পাশের রুমে থাকা নাইটগার্ড ফজলু তালা ভাঙার শব্দ শুনে ভেতরে গিয়ে ওই ছাত্রীর হাতে ছুরি দেখতে পান। এ সময় ওই ছাত্রী নাইটগার্ডকে ফাঁসানোর ভয় দেখায়। একপর্যায়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাসে নাইটগার্ড বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাল মাহমুদের বাসায় নিয়ে যান। পরে সেখানে মেয়েটি ঘটনার বিস্তারিত বলে। পরে মানবিক বিবেচনায় রাতেই প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীর মা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনকে বিষয়টি জানালে তারা বিদ্যালয়ে এসে মেয়েটিকে নিয়ে যান।
ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লাল মাহমুদ জানান, প্রশ্নপত্র চুরি করে বিক্রির জন্য ছেলেদের পোশাক পড়ে গভীর রাতে বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে ওই ছাত্রী। তবে পূর্বেই ফিল্মি স্টাইলে বিদ্যালয়ের তালা-চাবির ছবি তুলে তালা খোলার জন্য আলাদা চাবি বানিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে সে। পরে কক্ষের ভেতরে কয়েকটি আলমারির তালা নষ্ট করে। পরে নাইটগার্ড শব্দ পেয়ে ভেতরে গিয়ে তাকে ছুরিসহ হাতেনাতে আটক করে। সে আমাদের জানিয়েছে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন চুরি করে বন্ধুদের কাছে বিক্রি করবে। পরে মানবিক কারণে তাকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও তার মাকে জানানো হলে তারা বিদ্যালয়ের এসে মেয়েকে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, এই কাজে জড়িত থাকার দায়ে আমাদের বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহীউদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে প্রশ্ন চুরির ঘটনা জানি না। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোছা. ইশরাত জাহান বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতৃত্ব এবার নির্বাচন করে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা বিএনপির একাধিক সূত্র। এরই মধ্যে সভাপতি পদে তিনজন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।দীর্ঘ ১৩ বছর পর মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) পৌর এলাকার পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার ঈদ গাঁ মাঠে জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিপনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিশনের অপর দুই সদস্য হচ্ছেন আইনজীবী মোয়াজ্জেম হোসেন ও জহিরুল ইসলাম।
জানা যায়, ২০০৯ সালে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে সভাপতি হয়েছিলেন আহমেদ আযম খান, সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন কৃষিবিদ শামছুল আলম তোফা।
এরপর কয়েক দফায় কেন্দ্র থেকে আহবায়ক কমিটি গঠস করে দেয়া হয়।এরপর গত বছরের ৪ নভেম্বর তারিখে আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক এবং মাহমুদুল হক সানুকে সদস্য সচিব করে জেলা বিএনপির ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
এই কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে দুটি ধারার সৃষ্টি হয়। পরে সর্বশেষ চলতি বছরের ৩ আগস্ট পুরোনো আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে নতুন আহ্বায়ক কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষনা করা হয়।
সেখানে আগের কমিটির আহ্বায়ক আহমেদ আযম খানকে পুণরায় আহ্বায়ক করা হয়। কিন্তু আগের কমিটির সদস্য সচিবসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা কমিটি থেকে বাদ পড়েন। এ নিয়ে আবারও দলে বিরোধ শুরু হয়। আহমেদ আযম খান বিরোধীরা সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু এবং সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর নেতৃত্বে পৃথকভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে থাকেন।
এদিকে আসন্ন সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খান গ্রুপের সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
অপরদিকে, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু গ্রুপের সভাপতি প্রার্থী আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু ও সাধারণ সম্পাদক পদে আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতার ঘোষণা দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বিএনপির কাউন্সিলের প্রধান নির্বাচন কমিশনার শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, সভাপতি পদে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী ইমাম তপন ও যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন প্রার্থী হয়েছেন । এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল এবং সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, জেলার প্রত্যেকটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও পৌর বিএনপির কমিটির নেতারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মোট ভোটার রয়েছে ২৩২৩ জন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো জানান, তিনজন সভাপতি প্রার্থী ও দুইজন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে খাওয়ার ওষুধ মনে করে বিষ পানে শতবছর বয়সী চান মাহমুদ নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
তার বাড়ি উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের গিলারচালা গ্রামে। এ ঘটনায় সখীপুর থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৯ অক্টোবর) বৃদ্ধ চান মাহমুদ দুপুরের খাবারের পর নিজের খাওয়ার ওষুধ মনে করে ভুলক্রমে ঘরে রাখা ঘাস মারার বিষ পান করে ফেলেন। পরে তিনি অসুস্থবোধ করলে মেয়েকে ডেকে বলে ‘ দেখত মা ইডা আমি কি খাইলাম ।’ প্রথমে তাকে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে তার মৃত্য হয়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এঘটনায় সখীপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ওই বৃদ্ধের লাশ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি (দক্ষিণ)। রবিবার (৩০ অক্টোবর) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শহিদুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের বিদেশী মোল্লার ছেলে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি (দক্ষিন)ওসি হেলাল উদ্দিন জানান , টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইল সদর থানাধীন আলোকদিয়া এলাকা হতে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত ওয়ারেন্ট ভুক্ত জিআর মূলে ১ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান,গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিচারর্থে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ সহিনুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি’র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ।
টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলার উপজেলা সমূহ থেকে আগত বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম টাঙ্গাইল এসে পৌঁছুলে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে তাঁকে বরণকরে নেন টাঙ্গাইলের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে এমপির সামনেই দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহতও হয় বলে জানিয়েছেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা স্থগিত করেছে জেলা থেকে আসা নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভায় এ ঘটনা ঘটে। এ খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অন্যদিকে, দলীয় কার্যালয় বন্ধসহ পৌর শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। একইসাথে দু’পক্ষের নেতাকর্মীরা সভাস্থল ত্যাগ করে। এমপি ও মেয়র দুই পক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী জানান, আগামী ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বর্ধিত সভা করে আসছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভার আয়োজন করে ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ।
এ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদহ তার অনুসারী এবং বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা শুরু করেন। সভা চলাকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সভায় প্রবেশ করলে তার সামনে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এমপি ও মেয়র পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ ও মিছিল প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ জানান, আমরা আগামী ৭ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা শুরু করি। সভা শুরুকালে এমপি মহোদয় সভাস্থলে প্রবেশ করলে আমি তাকে বসতে আহ্বান জানাই।
তিনি আরও জানান, সে সময় তিনি না বসে আমাকে পাশ কাটিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করাকালে তার সাথে আসা কিছু নেতাকর্মী হঠাৎ করে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। পরে আমরা সভাস্থল ত্যাগ করে চলে আসি।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রবেশ করলে বসার জায়গা না থাকায় সভাস্থলে কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ থেকে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে জেলার নেতৃবৃন্দ বর্ধিত সভা স্থগিত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। এছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌলি ঘোষপাড়ায় নানা বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে গোসল করতে নেমে দ্বীপ ঘোষ(১৪) নামে এক ভারতীয় কিশোরের পানিতে ডুবে করুন মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পৌলি নদীতে পৌলি ঘোষপাড়া শ্মশান ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কিশোর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের জলপাইগুড়ি জেলার ফাটাকাটা গ্রামের প্রকাশ ঘোষের একমাত্র ছেলে ও কালিহাতী উপজেলার পৌলি ঘোষপাড়া এলাকার যতীন ঘোষের নাতি।
স্থানীয় সুবল ঘোষ জানান, দীর্ঘদিন পর মায়ের সাথে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে সমবয়সী ছেলেদের সাথে পৌলি নদীতে গোসলে নামে দ্বীপ। একপর্যায়ে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার খাদে তলিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে দায়িত্বরত ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবরী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪০ মিনিট উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে দিপকে উদ্ধার করে। স্থানীয়রা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ডিফেন্সের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ দ্বীপকে উদ্ধার করা হয়। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রাইভেট পড়তে এসে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে গিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মো. লিটন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের ফলদা ঘোনাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালকসহ তার দুই বন্ধু ও এক পথচারী গুরুতর আহত হয়েছে।
নিহত লিটন গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের জোতআতাউল্ল্যা গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে ও ফলদা রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
আহত দুই বন্ধু একই গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে মারুফ (১৫), খলিলুর রহমানের ছেলে শাওন (১৫) ও পথচারী ফলদা ঘোনাপাড়া হাজী আবুল হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৪৫)।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, সকালে বাড়ি থেকে তিনবন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে ওই এলাকায় একই স্কুল শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে আসে। তারা কোচিংয়ে বই রেখে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। পথিমধ্যে রাস্তায় এক পথচারীর সাথে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে চারজনই গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আহত চার জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মোটরসাইকেল আরোহী স্কুল ছাত্র লিটনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
তিনি আরো জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার বন্ধু মারুফ ও পথচারীকে জয়নাল আবেদীনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর সহপাঠী শাওন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন। নিহত লিটনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটে পরাজিত হয়ে বিতরণকৃত টাকা ফেরত চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় জেলায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়ে ভোট না দেওয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে যান বাসাইল উপজেলার সদস্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। তবে ভোট সংগ্রহ করতে ভোটারদের টাকা বিতরণের ঘটনা জানেনা জেলা নির্বাচন অফিস। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর তারা বিষয়টি জেনেছেন।
টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচ কামরুল হাসান জানান, নির্বাচনের দুইদিন পরে একজন পরাজিত প্রার্থী টাকা ফেরত চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনকে অবগত করি। রবিবার (২৩ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন ঘটনাটি তদন্তের জন্য জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলেছেন। বর্তমানে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছেন।
এ দিকে রফিকুল ইসলাম পরাজিত হয়ে ফেসবুকে লিখেছিলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন (বাসাইল) সদস্য-১১। আমরা চারজন প্রার্থী ছিলাম। ভোটার দিল ৯৪ জন। দিন শেষে জানা গেল, প্রত্যেক প্রার্থী ৫০ থেকে ৬০ জন ভোটারকে টাকা দিয়েছে।
তার মধ্যে আমাকে ৬০ জন ভোটার কথা দিলেও এর মধ্যে কম বেশি ৫৫ জন ভোটার আমার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করলো।
ভোট দিল মাত্র ৭ জনে। এই হলো ভোটারদের আসল চরিত্র। পৃথিবীর সব কিছুই একবার দেখলে চেনা যায়, শুরু মানুষ বাদে। আমাকে যারা ভোট দেননি মনে হয় আপনাদের নামের তালিকা হওয়ার আগে আমার টাকা ফেরত দেওয়া উচিত।
আপনারা না জনপ্রতিনিধি? ভোট আপনি যাকে খুশি তাকে দেন, এটা আপনাদের অধিকার, তাই বলে টাকা নিবেন চার জনের কাছ থেকে ভোট দিবেন একজনকে। এটা কেমন চরিত্র আপনাদের? আপনাদের কাছ থেকে আপনার এলাকার জনগণ কি সেবা পেতে পারে।
আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করো “মানুষ হওয়ার তৌফিক দান করো”। তার এই স্ট্যাটাস মহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।
যারা টাকা নিয়েছিলন সেই ভোটাররা তাদের নাম প্রকাশ না করার জন্য তাকে অনুরোধ করতে থাকেন। প্রায় বেশির ভাগ ভোটার তাদের গ্রহণহণকৃত টাকা ফেরত দিয়েছে বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম উপজেলার ফুলকি ইউপির ৮জন, হাবলা ইউপির ৫, পৌরসভার ৫, সদর ইউপির ১১, কাউলজানী ইউপির ৯, কাঞ্চনপুর ইউপির ৫ ও কাশিল ইউপির ৭ জনের প্রত্যেকজনকে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১০ লাখ টাকা বিতরণ করেছিলেন।
এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জানান, ভোটাররাই একা দেখা করার কথা বলে বিভিন্ন পরিমাণের টাকা দাবি করে আসছিলেন। তাই নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার লোভে পরে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করেছিলাম।
তিনি আরো জানান, ভোটে হেরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে খুব ঝামেলার মধ্যে রয়েছি। ঘটনা জানতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সোমবার (২৪ অক্টোবর) তার অফিসে ডেকেছিলেন। যা সত্য আমি তাই বলে দিয়েছি।
এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম জানান, নির্বাচন কমিশন অন্ধ। কারণ তাদের কিছুই করার ক্ষমতা নেই।
তিনি আরো জানান, জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য একজন প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য সভা সমাবেশ করেছেন। অভিযোগ দেওয়া হলেও নির্বাচন অফিস কোন ব্যবস্থা নেয়নি। নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি বহু পুরনো ব্যাপার। সে হয়ত আবেগের বশে স্ট্যাটাস দিয়েছে।
বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিউর রহমান গাউস জানান, রফিকুল ইসলাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। সে এখন দলের কেউ না।
এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনি শংকর রায় জানান, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এ বিষয়টি তদন্ত করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, ভোটারদের সাথে কথা বলেছি। পরাজিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম কেউ ডেকেছি। তদন্ত শেষের দিকে। বুধবার (২৬ অক্টোবর) তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছে দিবো।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি জানান, যে কোন নির্বাচনে অবৈধভাবে টাকার ছড়াছড়ি হলে নির্বাচনী আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি ভোট সংগ্রহ করতে গিয়ে এক প্রার্থী ভোটারদের টাকা দিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, ফলাফল ঘোষণার দুই দিন পর বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। তবে নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলেনি বা কেউ কোন অভিযাগও করেনি। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি জানতে পেরে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি চিঠি দিয়েছেন। যেহেতু ঘটনাটি বাসাইল উপজেলার। তাই বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ঝিনাই নদীর ভাঙন থেকে শতবর্ষী গোরস্থান রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার(২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার কুরমুশি-সাইটাপাড়া এলাকায় ঝিনাই নদীর তীরে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার দিগলকান্দি ইউনিয়নের কুরমুশি-সাইটাপাড়া এলাকার সামাজিক গোরস্থানটি শত বছরের পুরনো। অসময়ে পানি বেড়ে ঝিনাই নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় গোরস্থানটি ভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভাঙন থেকে রক্ষায় গ্রামবাসী ইতোমধ্যে বাঁশ ও গাছ দিয়ে গোরস্থানটি রক্ষার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বার বার জানিয়েও কোন প্রতিকার হয়নি। অবশেষে স্থানীয় তিন শতাধিক নারী-পুরুষ ঝিনাই নদীর তীরে ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দিগলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মটো, গোরস্থান কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইকবাল হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবুল মনসুর আহমেদ প্রমুখ।