/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের চাপায় কৃষকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের চাপায় কৃষকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ট্যাফে ট্রাক্টরের চাপায় আব্দুল হালিম (৮০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের চকদই চাকলাদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হালিম মিয়া হুগড়া ইউনিয়নের কৃষ্টনগর গ্রামের মৃত মানিক উল্লাহর ছেলে।

জানা যায়, আব্দুল হালিম সকালে তোরাপগঞ্জ বাজারে শীতকালীন সবজি কপি বিক্রি করে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি চকদই চাকলাদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছলে একটি ট্যাফে ট্রাক্টর পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা অবৈধ বালু উত্তোলন ও ট্যাফে ট্রাক্টর বন্ধ এবং চালক ও হেলপারের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।

কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, ‘আমার ইউনিয়নে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এসব বালু অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি অবৈধ ট্যাফে ট্রাক্টরের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। এসব ট্রাক্টরের চালকদেরও লাইসেন্স নেই। গত বছরও অবৈধ ট্যাফে ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে একজন মারা গেছেন। এসব বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:২৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গ্যাসের তীব্র সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গ্যাসের তীব্র সংকট, জনদুর্ভোগ চরমে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত এক মাস যাবদ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সকালে গ্যাসের সংকট ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করছে। লাইনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় অধিকাংশ বাসাবাড়িতে সকাল বেলা চুলা জ্বলছে না। ফলে রান্না প্রায় এক প্রকার বন্ধ। সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের জন্য কর্মজীবী লোকজনকে আশপাশের হোটেলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের আর্থিক সংকট আরো বাড়ছে।

এ ছাড়া আবাসিকের পাশাপাশি গ্যাস সংকটের কারণে বিসিক শিল্পনগরীসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাস সূত্রে জানা যায়, সারাদেশে ৩ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। উৎপাদন হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে আড়াই হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ঘাটতি থেকে যাচ্ছে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০মিলিয়ন ঘনফুট। যা দেশের বিভিন্ন জেলাগুলোতে সমন্বয় করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ কম থাকে। ভোর থেকে পাইপলাইনে চাপ কমতে শুরু করে। চুলায় যে পরিমাণ চাপ থাকে তাতে রান্না করা যায় না। বেলা ১২টার পর চাপ বাড়তে থাকে। প্রতিদিনই লাইনের গ্যাস নিয়ে সমস্যার কারণে অনেকেই এলপি গ্যাস ব্যবহার শুরু করেছেন। এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে গেছে। এতে গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহার নিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

শহরের প্যাড়াডাইস পাড়া এলাকার গৃহিণী ফারজানা লিজা বলেন, সকালে গ্যাসের চাপ কম থাকে। এতে রান্না করতে অনেক সময় লাগে। এদিকে তাঁর ছেলে ও মেয়ের কলেজে যাওয়ার সময়ও হয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই না খেয়ে তাদের কলেজে যেতে হচ্ছে।

শহরের বটতলা এলাকার বাসিন্দা বিলকিস জাহান বলেন, সকালে কোনো রকম গ্যাস থাকে না। থাকলেও তখন চুলা জ্বলে মিটমিট করে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় এমন অবস্থা থাকে। ফলে সকালের রান্নাবান্নার কাজ রাতেই শেষ করে রাখতে হয়।

পৌর এলাকার কলেজ পাড়ার বাসিন্দা সরকারি চাকরিজীবী পারুল আক্তার জানান, গ্যাসের সমস্যার কারণে তিনি ঠিকমতো রান্না করতে পারছেন না। বর্তমানে প্রায় সময়ই পরিবারের সদস্যদের জন্য নাস্তা বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। এছাড়া তিনি দুপুরের খাবারও বাসা থেকে তৈরি করে অফিসে নিয়ে যেতে পারছেন না। ফলে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

টাঙ্গাইল বিসিক শিল্প নগরীর রাফা ফুড এন্ড বেভারেজের মালিক আব্দুল মালেক জানান, গ্যাস সংকটের কারণে তাদের চলমান পণ্য উৎপাদন এরই মধ্যে চার ভাগের এক ভাগ কমে গেছে। সময়মত গ্যাস সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই বিঘ্ন ঘটছে।

টাঙ্গাইল নাভানা সিএনজি যোগাযোগ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমান বলেন, “গ্যাস সংকটতো রয়েছে। আমরা শতভাগ প্রেসার পাই না। ৭০ থেকে ৮০ ভাগ প্রেসার পাওয়া যায়। এতে করে গাড়িতে গ্যাস দিতে সময় লাগে। গাড়ির লাইন পড়ে যায়।”

টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাস টান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম জানান, টাঙ্গাইলে তাদের প্রতিদিন প্রয়োজন ৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। তারা পাচ্ছেন চাহিদার অর্ধেক ৪০ মিলিয়ন ঘনফুট। তীব্র শীতের কারণে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ঘাটতি বাড়ছে। শীতের কারণে শহরে বেশিরভাগ বাসাবাড়িতে ২৪ ঘণ্টা চুলা জ্বালিয়ে রাখে। সে কারণে গ্যাসের চাহিদা বেড়ে গেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তাদের হিমশিম খেতে হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:০১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই বছরেও শেষ হয়নি “বেগুনটাল ব্রীজ”; জনদূর্ভোগ চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই বছরেও শেষ হয়নি “বেগুনটাল ব্রীজ”; জনদূর্ভোগ চরমে

একতার কণ্ঠঃ দুই বছরেও শেষ হয়নি টাঙ্গাইল আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ব্রীজ নির্মাণের কাজ। এতে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় জনসাধারণসহ ব্রীজ ব্যবহারকারীরা। চরম ভোগান্তি সত্ত্বেও প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহসও পাচ্ছেননা স্থানীয়রা।

অন্যদিকে ব্রীজ নির্মাণ কাজের সময় শেষ হলেও তিন বছর সময় নির্ধারণ রয়েছে বলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগও রয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

দীর্ঘ এ জনদূর্ভোগ সত্ত্বেও রহস্যজনক কারণে নীরব ব্রীজ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল খালে নির্মাণাধীন ওই ব্রীজের কাজটি করছেন মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের টানা দুই বারের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের সাবেক চেয়ারম্যান।

জানা যায়, বাসাখানপুর বাজার হুগড়া ইউপি ভায়া বেগুনটাল বাজারের খালের উপর বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ খান এর নামকরণে ও ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৩৫ হাজার ২৭৫ টাকা ব্যায়ে ৫০ মিটার গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ কাজের টেন্ডার দেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) টাঙ্গাইল।

ব্রীজ নির্মাণের কাজটি পান মেসার্স কোহিনুর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

২০২০ সালের ৫ জুলাই নির্মাণ কাজ শুরু আর ২০২১ সালে ৪ এপ্রিল সমাপ্তির সময়সীমাও বেঁধে দেয় এলজিইডি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বেগুনটাল ব্রীজটি নির্মাণে দীর্ঘ সময় লাগায় চরম সমস্যায় রয়েছেন তারা। এই ব্রীজ হয়ে যমুনা নদী পথে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর, টাঙ্গাইলের কাকুয়া ও কাতুলী ইউনিয়নের তোরাবগঞ্জসহ এ ইউনিয়নের পূর্ব হুগড়া, চক গোপাল, সাতানি হুগড়া, ধুলবাড়ী, কচুয়া, বারবয়লা, মহেশপুর, গইরাগাছা, মালতিপাড়া, আনাহলা, চিনাখালী, গন্ধবপুর, বইরাপাড়া, ভাঙ্গাবাড়ী, নরসিংহপুর, গোপাল কেউটিসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। ব্রীজ না থাকায় প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এ পথে যাত্রীরা।

সরেজমিন দেখা গেছে, ব্রীজটি নির্মিত না হওয়ায় রীতিমত বন্ধ রয়েছে ট্রাক,বাসসহ বিভিন্ন ধরণের বড় যানবাহন পারাপার। চলাচলে সুবিধায় ব্রীজের নিচে বিকল্প পথ হিসেবে করা হয়েছে ডাইভারশন। ওই ডাইভারশন দিয়ে সিএনজি, ব্যাটারী চালিক অটোরিক্সা, ভ্যান, মোটর সাইকেল, বাই সাইকেল আর পায়ে হেটে মানুষ চলাচল করতে পারছেন। তবে ডাইভারশনটি মূল সড়ক থেকে অনেকটা নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে পানিতে ডুবে যাওয়াসহ সুষ্ক মৌসুমে পারাপারে চরম সমস্যা পোহাতে হচ্ছে চলাচলকারীদের। ওই ডাইভারশন দিয়ে পারাপারে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন নারী, শিশু, বৃদ্ধ পথচারীসহ পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা। এ সময় ডাইভারশনে মাল বোঝাই ভ্যান নিয়ে আটকে পরা চালককে পথচারীদের সহযোগিতা করতেও দেখা গেছে।

ভুক্তভোগি ও স্থানীয় ব্যবসায়ি সাদ্দাম হোসেন জানান, এই ইউনিয়নের পশ্চিম অংশের যমুনা নদীর তীরবর্তী গ্রাম, কাকুয়া ও কাতুলীর তোরাবগঞ্জসহ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এই ব্রীজ। ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন তোফা এর নির্মাণ কাজ করছেন। এরপরও দুই বছরে শেষ হয়নি ব্রীজটির নির্মাণ কাজ। ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে ব্রীজটি এখনও চলাচলের উপযোগি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় ভুক্তভোগি শাহ জামাল হোসেন জানান, দুই বছরের বেশি সময় গেলেও ব্রীজটি নির্মাণ হয়নি। এর ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন তারা। ব্রীজের ঠিকাদার ও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গত নির্বাচনে হেরে যাওয়াসহ গ্রামে না আশায় ব্রীজটির কাজ হচ্ছেনা বলে ধারণা করছেন তিনি।

তিনি আরো জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান এলাকাবাসির আস্থাভাজন এবং তিনি যে কোন প্রক্রিয়ায় ব্রীজটির কাজ শেষ করবেন এমন বিশ্বাসেই তারা কোন দফতরে অভিযোগ বা যোগাযোগ করেননি।

ভ্যান চালক মহর আলী জানান, হুগড়া নবনির্মাণাধীন মসজিদের কাজের জন্য দশ বস্তা সিমেন্ট নিয়ে যাচ্ছি। ডাইভারশন দিয়ে অনেক কষ্ট করেও রাস্তায় উঠতে পারছিলাম না। স্থানীয় কয়েকজন যুবক আমাকে সাহায্য করে উপরে উঠিয়ে দিছে। এভাবে দুই বছর যাবৎ মালামাল আনা নেয়া করছেন তারা।

তিনি জানান, কার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো, ব্রীজের ঠিকাদার হচ্ছেন আমাদের সাবেক চেয়ারম্যান। উনাকে কাজ শেষের জন্য তাগাদা দিলে বলেন তারাতারি শেষ হয়ে যাবে। এরপর শেষ হয়না। এছাড়াও ঠিকাদাররা জানায়, ব্রীজের কাজে তিন বছর সময় নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, শুরুতে কিছু কাজ হলেও বন্যার আগে থেকে ব্রীজের কাজ একবারে বন্ধ রইছে। এ সময় ব্রীজের অনেক মালামাল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ঠিকাদারের লোকজন। তবে বর্তমান চেয়ারম্যান ব্রীজের কাজ শেষ করে মালামাল নিতে বলে বাঁধা দেন। তবে এখনও কাজ শুরু করেননি ঠিকাদার।

ব্রীজের রড মিস্ত্রির সহযোগি হৃদয় সরকার জানান, সেন্টারিংয়ের কাঠ আর রড না থাকায় ব্রীজের কাজ বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার রড পাঠাবো পাঠাবো বললেও রড আসছেনা বলে জানায় সে।

ব্রীজ নির্মাণের সময়সীমা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছেন হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড ও বেগুনটাল গ্রামের ইউপি সদস্য সানোয়ার হোসেন। তিনি জানান, ব্রীজটি নির্মাণের জন্য পাঁচ বছর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে তাকে জানানো হয়েছে।
মূল ঠিকাদার না হলেও কাজটির পার্টনার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের সাবেক চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা বলেও জানান তিনি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা এলজিইডি’র উপ-সহকারি প্রকৌশলী তোরাব আলী জানান, ব্রীজের মূল কাজের মধ্যে দুটি স্লাব বাদ রয়েছে। তবে এরই মধ্যে ব্রীজের পিলার, পাইল ও একটি স্লাবের কাজ শেষ হয়েছে। এখন থেকে কাজ শুরু এবং একটানা কাজ করলে বর্ষার আগে বা এপ্রিল মাসের মধ্যে কাজটি শেষ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, কাগজ কলমে কাজটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স কোহিনুর এন্টারপ্রাইজ হলেও ব্রীজের কাজ করছেন হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, বাপ্পি ও মাহাবুব নামের কয়েকজন ঠিকাদার।

সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা জানান, আমরা কয়েকজন মিলে বেগুনটাল ব্রীজ নির্মাণের কাজটি করছি। ব্যক্তিগত কারণে আর সময় ঠিক মত না দিতে পারায় ব্রীজের কাজটি সঠিক সময়ে শেষ করা যায়নি। ব্রীজের তিনটি স্লাবের মধ্যে একটি স্লাবের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি দুটি স্লাব দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।

ব্রীজটি নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসির চরম ভোগান্তির কথা স্বীকার করেছেন হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যন মো. নূরে আলম তুহিন।
তিনি জানান, ব্রীজের কাজ শেষ না করাসহ বিকল্প ডাইভারশনের ব্যবস্থা না করায় চলাচলরত মানুষের ভোগান্তি চরম হয়ে উঠায় ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে তিনি দুই দফায় কাঠের ব্রীজ নির্মাণ করেছেন। এছাড়াও সুষ্ক মৌসুমে ব্রীজের নিচ দিয়ে মাটি ফেলে বিকল্প ডাইভারশনটিও করেছেন তিনি।

তিনি আরো জানান, জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানানো হয়েছে। তিনি আগামী বর্ষার আগেই ব্রীজটির কাজ শেষ করার জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দিবেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এই প্রজেক্টের ফান্ড সংকট থাকায় ব্রীজ নির্মাণের কাজ সময় মত শেষ করা যায়নি। পুনরায় সময়সীমা বৃদ্ধি করাসহ ফান্ড দেয়া হয়েছে। আশা করছি, আগামী দুই মাসের মধ্যেই কাজটি শেষ হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন জানান, রড, সিমেন্টসহ কাজের প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধিসহ প্রজেক্টে ফান্ড না থাকার অজুহাত দেখাচ্ছেন ঠিকাদাররা। এ কারণে আমি চলতি অর্থ বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার তাগিদ দেয়াসহ ঠিকাদারদের কাজ শেষ করতে না পারলে অফিসকে কাজ বুঝিয়ে দিয়ে স্যালেন্ডার করতে বলে দিয়েছি। স্যালেন্ডারকারী ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে সরকার নিয়ম অনুসারে ব্যবস্থা নিবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:৫২:এএম ৩ বছর আগে
দীর্ঘ দুই যুগ পর এক ম‌ঞ্চে ল‌তিফ সিদ্দিকী-কা‌দের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

দীর্ঘ দুই যুগ পর এক ম‌ঞ্চে ল‌তিফ সিদ্দিকী-কা‌দের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ ২৪ বছর পর সা‌বেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল ল‌তিফ সি‌দ্দিকী এবং তার ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লী‌গের সভাপ‌তি বঙ্গবীর আব্দুল কা‌দের সি‌দ্দিকী একই ম‌ঞ্চে এক‌ত্রিত হ‌য়ে‌ছেন। এক‌টি অনুষ্ঠান‌কে কেন্দ্র ক‌রে দুই ভ‌াই‌য়ের এক ম‌ঞ্চে হাজির হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।

এর আগে ১৯৯৯ সা‌লের ডি‌সেম্ব‌রে কা‌লিহাতীর আউলিয়াবা‌দে এক‌টি অনুষ্ঠা‌নে দুই ভাই একই ম‌ঞ্চে উপ‌স্থিত ছি‌লেন। এরপর নানা কারণে দুই ভাইকে আর এক ম‌ঞ্চে দেখা যায়নি।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়া‌রি) বি‌কে‌ল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনা‌রে কা‌দে‌রিয়া বা‌হিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন উপল‌ক্ষে ল‌তিফ সি‌দ্দিকী ও কা‌দের সি‌দ্দিকী একই ম‌ঞ্চে উঠে বক্তব‌্য দেন।

কা‌দে‌রিয়া বা‌হিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন ক‌মি‌টির সভাপ‌তি এ এম এনা‌য়েত করিমের সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতি‌থি ছি‌লেন মু‌ক্তি‌যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজা‌ম্মেল হক। এ সময় কা‌দে‌রিয়া বা‌হিনীর বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধারা উপ‌স্থিত ছিলেন।

অন্যান্যের মধ্যে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন আওয়ামী লী‌গের কেন্দ্রীয় মু‌ক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কা‌ন্তি রায়, বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা হা‌মিদুল হক মোহন, ক‌বি বুলবুল খান মাহবুব, ক‌বি আল মুজা‌হিদী, কৃষক শ্রমিক জনতা লী‌গের সাধারণ সম্পাদক হা‌বিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, বঙ্গবীর কা‌দের সি‌দ্দিকীর সহধর্মিণী নাস‌রিন কা‌দের সি‌দ্দিকী প্রমুখ।

এই অনুষ্ঠান‌কে কেন্দ্র করে বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধারা এক‌ত্রিত হওয়ায় মিলনমেলায় প‌রিণত হয় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। জাতির বীর সন্তানরা একে অপর‌কে কা‌ছে পে‌য়ে আবেগ‌ আপ্লুত হন।

অনুষ্ঠা‌নে বঙ্গবীর কা‌দের সি‌দ্দিকী ব‌লেন, দীর্ঘ বছর পর একই ম‌ঞ্চে দুই ভাই উপ‌স্থিত হ‌য়ে‌ছি। অনুষ্ঠা‌নে সরকার থে‌কে আওয়ামী লী‌গের মৃনাল কা‌ন্তি রায়‌কে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডা‌কে তার বাসভব‌নে গি‌য়ে‌ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমা‌কে ভাই হি‌সে‌বে ডে‌কে ছি‌লেন। তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কা‌টি‌য়ে‌ছি প‌রিবার নি‌য়ে। বিভিন্ন বিষ‌য়ে কথা হ‌য়ে‌ছে আমা‌দের।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:১৮:এএম ৩ বছর আগে
পদ ফিরে পেতে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

পদ ফিরে পেতে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো .আব্দুল্লাহ আল মামুন।

বুধবার(১৮ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের পিছনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে জানান,, বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক তাঁতে বাধা প্রদান করেন।

আব্দুল্লাহ আল মামুন আরো জানান,সমিতির গঠনতন্ত্রের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তার সদস্য পদসহ সাধারণ সম্পাদকের পদ বাতিল করা হয়েছে।২০১৯ সালের ২০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের কেয়ারটেকার হিসেবে যোগদান করেন তিনি। ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

গত বছরের ১১ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশক্রমে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ‘উচ্চমান সহকারীর বিপরীতে অস্থায়ীভাবে নিম্নমান সহকারী’ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। তার প্রতিদ্বন্দি মো. জাহিদুল ইসলামের অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি কার্যকরি পরিষদের ৪১ তম সাধারণ সভায় তার সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ বাতিল করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করে জানান, সমিতির গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ৫ এর ক ধারায় নিয়োগপত্রে ‘অস্থায়ীভাবে’ উল্লেখ থাকলে সদস্যপদ বাতিল হবে এমন ব্যাখ্যা নেই। তার নিয়োগপত্র বৈধ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ বাছাই বোর্ডের সুপারিশক্রমে দেয়া হয়েছে অথচ এডহক (সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে) বা অবেক্ষাধীন (অস্থায়ী) হিসেবে চাকুরীতে কর্মরত আছে তাদের সমিতিতে সদস্য পদ বাতিল হচ্ছে না। গঠনতন্ত্রের সঠিক ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ব্যতীত সাধারন সভা ছাড়াই কোন সদস্যের সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কার্যকরী পরিষদের নেই। বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতিকে সমস্যা সমাধানের জন্য লিখিতভাবে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান জানান, যা করা হয়েছে, সবই সমিতির গঠণতন্ত্র মোতাবেক করা হয়েছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে ওই পদে নির্বাচন দেয়া হবে। তিনি যদি সাধারণ সম্পাদক পদ ব্যবহার না করে জবাবের চিঠি দিতো তাহলে তার চিঠি গ্রহণ করা হতো। তার চিঠিতে সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ থাকায় তার চিঠি গ্রহণ করা হয়নি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্যাদারিং বা সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রক্টরের অনুমতি লাগবে।
তিনি আরো জানান, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত কোন অনুমতি না নেওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জানুয়ারী ২০২৩ ১১:১৬:পিএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের শ্রদ্ধা

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

১০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপির নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সহ আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু ম্যূরালে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিকাল ৪ টায় বঙ্গবন্ধু ম্যূরাল চত্ত্বরে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং ঐ দিনের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচারের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:২৩:এএম ৩ বছর আগে
বিএনপি আন্দোলন করছে ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে: মো. শাহ্জাহান - Ekotar Kantho

বিএনপি আন্দোলন করছে ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে: মো. শাহ্জাহান

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র নির্বাহী কামিটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহ্জাহান বলেন, বিএনপি ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা ক্ষমাতায় আশার জন্য আন্দোলন করছি না। আমরা আন্দোলন করছি ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। এ দেশে দিনের ভোট রাতে হয়। রাতের ভোটের সরকার কি করতে পারে।

তিনি আরো বলেন,তারা পারে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তার করা ও গুম খুন করা। দলের মাহাসচিবকে গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে। তাতেই বোঝা যায় আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি’র আন্দোলন দেখে ভয় পায়।

রবিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের পৌর এলাকায় অবস্থিত সিলমি কমিউনিটি সেন্টারে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি ঘোষিত আন্দোলনের ১০দফা এবং রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রুপরেখা বিষয়ে ব্যাখা ও বিশ্লেষন ধর্মী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ সব কথা বলেন।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসনুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ওবায়দুল হক নাসির প্রমুখ।

আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:০০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ  কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জেলা সদর রোডে অবস্থিত ঢাকা ক্লিনিকের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও রায়ের প্রতিবাদে আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাজ্জাদ কবির সুমন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ রাকিব হোসেন, রানা আহমেদ, কায়সার রহমান লিমন সহ থানা ও শহর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

প্রকাশ,বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:০২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭১ টাকায় মিলছে মোরগ পোলাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭১ টাকায় মিলছে মোরগ পোলাও

একতার কণ্ঠঃ মাত্র ৭১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ডিমসহ মোরগ পোলাও। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বাজারে এমন উদ্যোগ অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটিই সত্য। প্রায় তিন মাস ধরে ভ্রাম্যমাণ হোটেলটি পরিচালিত হচ্ছে টাঙ্গাইল পাসপোর্ট ও নির্বাচন অফিস চত্বরে।

‘রাযীয বিরিয়ানি’ নামে ভ্রাম্যমাণ ওই হোটেলটি গড়ে তুলেছেন স্থানীয় তিন যুবক। কমমূল্যে সুস্বাদু মোরগ পোলাও বিক্রির এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রেতাসহ স্থানীয়রা।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মাহুতি আর ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ এর মূল্য ৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। ৭১ টাকায় ডিমসহ মোরগ পোলাও বিক্রির ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে ৭০ টাকা রেখে বাকি ১ টাকা জমা করে হতদরিদ্রদের মাঝে খাবার সরবরাহ করছেন উদ্যোক্তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল পাসপোর্ট ও নির্বাচন অফিস চত্বরে খোলা জায়গায় বসেছে ভ্রাম্যমাণ রাযীয বিরিয়ানি নামের হোটেলটি। ১০-১২টি প্লাস্টিকের টুল রাখা হয়েছে ক্রেতাদের জন্য। এর কয়েকটিতে বসে ক্রেতারা খাচ্ছেন। খাওয়া শেষে প্লাস্টিক জারে পানির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কোনো বাবুর্চি বা শ্রমিক নেই হোটেলটিতে।

শহর ঘুরে দেখা গেছে, হাজী বিরিয়ানি হাউজে ডিমসহ মোরগ পোলাও হাফ প্লেট ১৫০ আর ফুল প্লেট ৩০০ টাকা, নান্না বিরিয়ানিতে শাহী মোরগ পোলাও হাফ প্লেট ১৫০ আর ফুল প্লেট ২৮০ টাকা, নবাব বিরিয়ানি হাউজে মোরগ পোলাও হাফ প্লেট ১৪০ টাকা আর স্পেশাল শাহী বিরিয়ানি হাউজে মোরগ পোলাও বিক্রি হচ্ছে হাফ প্লেট ১৪০ আর ফুল প্লেট ২৮০ টাকায়।

এদিকে রাযীয বিরিয়ানির উদ্যোক্তা কালিহাতীর এলেঙ্গা শামসুল হক মহাবিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র আব্দুল্লাহ জানান, টাঙ্গাইল পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ডের হাউজিং এলাকার বাসিন্দা বড় ভাই রাজীব হোসেন, সাদিক আর আমি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছি। তবে কারও চাকরি ভালো লাগেনি। এ কারণে আমরা বাড়িতে ফিরে আসি। আমাদের উপার্জনসহ সমাজের জন্য কিছু করার কথা মাথায় আসে। ভাবনা থেকেই হোটেল করা আর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মাহুতি ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ আমাদের ভ্রাম্যমাণ হোটেলে মোরগ পোলাওয়ের দাম নির্ধারণ হয়েছে ৭১ টাকা। এর মধ্যে ১ টাকা অবহেলিত ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রতিদিনই খেতে না পারা ওই ব্যক্তিদের দেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি জমা হওয়া ১ টাকা থেকে খাবার।

তিনি আরও জানান, সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার ব্যতীত পাঁচদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে এই হোটেল। হোটেলে গড়ে প্রতিদিন তাদের ১০-১২ কেজি চালের মোরগ পোলাও বিক্রি হচ্ছে। এই পরিমাণ চালে ১০০-১২০ প্লেট মোরগ পোলাও হয়।

স্পেশাল শাহী দম বিরিয়ানি নামের মোরগ পোলাও তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে চিনিগুড়া চাল, ব্রয়লার মুরগি ও সরিষার তেল। এক প্লেট মোরগ পোলাওয়ে দেওয়া হচ্ছে পোলাওসহ এক টুকরো মুরগির মাংস, হাফ ডিম, লেবু আর শসা। নিজেরাই রান্না করাসহ সব কার্যক্রম পরিচালনা করায় এত কম টাকায় বিক্রির পরও তাদের লাভ হচ্ছে প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ বলেও জানান এ উদ্যোক্তা।

টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের গ্রাহক ও হোটেলের ক্রেতা গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল গ্রামের সুমী বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য ৭১ টাকায় বিরিয়ানি মানে অনেক কিছু। এই বিরিয়ানি যদি আমরা হোটেল বা রেস্তোরাঁয় খেতে যাই তাহলে সর্বনিম্ন বিল হবে ১৪০-১৮০ টাকা। পরিবেশসহ খাবারের মানও ভালো। সরিষার তেল দিয়ে খাবারটি রান্না করায় এটি খুবই স্বাস্থ্যসম্মত।

পাসপোর্ট অফিসে আসা আরেক গ্রাহক ও হোটেলের ক্রেতা এম রতন মিয়া বলেন, টাঙ্গাইল ফুডিস নামের একটি গ্রুপে এই হোটেলটির খোঁজ পাই। বেশ কয়েকবার এই হোটেলের মোরগ পোলাও খেয়েছি। খুবই মানসম্মত। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) পাসপোর্ট অফিসে কয়েকজন বন্ধু মিলে এসেছি। এই সুযোগে পাঁচ প্যাকেট নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, অনেকেই ভাবতে পারেন এই মোরগ পোলাওয়ের দাম কম তাই মান ভালো হবে না। তাদের বলছি, এমনটা নয়। এই হোটেলের মোরগ পোলাও খুবই মানসম্মত ও সুস্বাদু। রিকশা, ভ্যানচালকসহ সব শ্রেণির মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা হয়েছে এই মোরগ পোলাওয়ের দাম।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ এই হোটেলের মালিক রাজীব হোসেন জানান, মানুষকে কম দামে ভালো খাবার দেওয়ার জন্য আমরা এটি প্রাথমিকভাবে শুরু করি। শুরুর পর থেকেই আমরা ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাই। এরই মধ্যে ক্রেতারা এর মান ভালো বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, প্রকৃত বাবুর্চি না হওয়ায় প্রথম দিকে রান্নায় কিছুটা সমস্যা হলেও আড়াই মাসের বেশি সময় হওয়ায় এখন আমরা মানসম্মত রান্না করতে পারছি। এ খাবার প্রতিদিন দুপুরে আমরাও খাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০৩:৩১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বছরের প্রথম দিনে ১০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বছরের প্রথম দিনে ১০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে খ্রিষ্টীয় বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২৭টি নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা সদর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন হায়দার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আব্দুর রহিম সুজন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার আলম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ। পরে অতিথিরা টাঙ্গাইল কালেক্টেরট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৯ লাখ ৭ হাজার ১১৮টি এবং চার লাখ ৪০ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষার্থীর মাঝে ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩০৯ টি বই বিতরণ করা হচ্ছে।

এছাড়াও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (১লা জানুয়ারী) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন বই বিতরণ করে টাঙ্গাইল সদর থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শেখ ফরিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পর্ষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহিম বাদশা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক ইউপি সদস্য মো. আফজাল হোসেন খান, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকারসহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকবৃন্দ।
বিতরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেনীর শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জানুয়ারী ২০২৩ ১১:৪৮:পিএম ৩ বছর আগে
নাশকতা মামলায় টাঙ্গাইলের ৯ বিএনপি নেতাকর্মী কারাগারে - Ekotar Kantho

নাশকতা মামলায় টাঙ্গাইলের ৯ বিএনপি নেতাকর্মী কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নাশকতার অভিযোগে পুলিশের করা একটি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় বিএনপির ১৭ নেতাকর্মীকে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) আটকের পর পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় প্রত্যেকের ৭ দিন করে রিমান্ড চায় পুলিশ।

আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ জানান, টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুপন কুমার দাসের আদালত আগামী ২৮ ডিসেম্বর আসামিদের রিমান্ড আবেদনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন এবং ৯ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এই ৯ নেতাকর্মী হলেন-টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আশরাফুল আলম, জহিরুল ইসলাম ইরান, গোলাম সরোয়ার, বেলায়েত হোসেন খান, আশরাফ আলী, লুৎফর রহমান, রাশেদুল ইসলাম, ওমর আলী ও মারুফ সরোয়ার।

তবে মারুফ সরোয়ারের রিমান্ড আবেদনের শুনানির তারিখ বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) নির্ধারণ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, অপর ৯ বিএনপি নেতাকর্মীকে ভবঘুরে হিসেবে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

তিনি আরো জানান, বিএনপির ২৪ ডিসেম্বরের গণমিছিল কর্মসূচিকে বানচাল করতে অবৈধ সরকারের আজ্ঞাবহ পুলিশ আহেতুক কর্মীদের আটক করে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে এবং কারাগারে পাঠিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।