/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
বিএনপিকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করা হবে: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিএনপিকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামী নির্বাচনও সংবিধান অনুযায়ী হবে। নির্বাচনে না এলে বিএনপির অস্তিত্ব বিলীন হবে। গত তিনটি নির্বাচনে বিএনপির চরম বিপর্যয় হয়েছে, তাদের বর্তমান কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয়- আগামী নির্বাচনে চতুর্থ বারের মতো বিএনপির বিপর্যয়ের সময় এসে গেছে। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বিএনপির শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। অস্তিত্বের স্বার্থে তাদের নেতৃবৃন্দ একটা পর্যায়ে গিয়ে নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবেন।

শনিবার (৪ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল শহরের কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন দেখে মানুষ খুবই খুখি। মানুষ উন্নয়নের প্রশংসা করছে। মহান স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল- ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত দেশ বিনির্মাণের, সে লক্ষ্যেই দেশ এগিয়ে চলেছে। কাজেই দেশের জনগণ আবার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনবে।

পোল্ট্রি মুরগির দাম নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ডক্টর রাজ্জাক বলেন, করোনার সময় থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন যাবৎ পোল্ট্রি ব্যবসায়ী, খামারি, উদ্যোক্তারা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিলেন- ক্ষতি দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে গত দুই মাস ধরে পোল্ট্রি মুরগির দাম অনেক বেশি। শোনা যাচ্ছে- তৃণমূলের প্রান্তিক খামারিরা ঠিকমতো দাম পাচ্ছেন না। এ বিষয়টি আমি সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে তুলে ধরব। এমন একটা নীতি আমাদের নির্ধারণ করতে হবে- যার মাধ্যমে পোল্ট্রি মুরগির দাম সহনশীল রাখা যাবে। যাতে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে এবং একইসঙ্গে ব্যবসায়ী, খামারি ও উদ্যোক্তারা লাভবান হয়।

কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বদরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল করিম মিঞা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. মার্চ ২০২৩ ০১:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চার খুন ও ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চার খুন ও ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলার চারটি খুনসহ ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামি মো. মজনুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সায়দাবাদ এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মো. মজনু মিয়া (৪২) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খোর্দ্দ যোগনী গ্রামের আয়নাল হক এর ছেলে।

শুক্রবার (৩ মার্চ) রাতে র‌্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর সায়দাবাদ এলাকা থেকে চারটি খুনসহ ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত এই পলাতক সন্ত্রাসিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মজনু এলাকায় বিভিন্ন সময়ে চাঁদাবাজিসহ নাশকতা, খুন, অপহরণ, ধর্ষণসহ নানাবিধ অপরাধে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিচয় লুকিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মার্চ ২০২৩ ০৫:২৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নবগঠিত কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নবগঠিত কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক-ড্রাম ট্রাক, কভারভ্যান, ট্যাংকলড়ী, মিনি ট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে বালা-মাহতাব পরিষদের কমিটিকে অবৈধভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে গোলাম-সোবহান পরিষদ।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নগর জলফৈ এলাকায় শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে প্রায় ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচির পালন করে শ্রমিক ও নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, জেলা ট্রাক-ড্রাম ট্রাক, কভারভ্যান, ট্যাংকলড়ী, মিনি ট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী গোলাম মোস্তফা, শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: সোবহান মিয়া, সাবেক সহ-সভাপতি বাদশা মিয়া, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী, সাবেক দপ্তর সম্পাদক ঝলক, সাবেক কোষাধ্যক্ষ আসাদ, সাবেক সহ-সড়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদসহ অনান্য শ্রমিক নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, আমরা সবাই আশা করেছিলাম একটি প্রতিযোগিতামূূলক সুষ্ঠ এবং সুন্দর ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু একটি চক্র টাকা নিয়ে বালা-মাহতাব পরিষদকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা চাই একটি সুষ্ঠ নির্বাচন। নির্বাচনে যে বিজয়ী হবে তাকেই আমরা মেনে নিবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে শান্তি সমাবেশ করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন।

শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শান্তি শোভাযাত্রা করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শান্তি সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি,  তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ রৌফ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

এই শান্তি সমাবেশ ও শোভাযাত্রায় আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাপার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাপার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পরিচিতি সভা ও চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপির জন্মদিন উদ্যাপন উপলক্ষে কেক কাটা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে জেলা সদর রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল রাইফেল ক্লাব মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক এড. আব্দুস ছালাম চাকলাদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জহিরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহিম সুমন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য রেজাউল করিম ও দেলোয়ার হোসেন খান মিলন, সদস্য সোহেল মিয়া প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টি প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তাহের, সৈয়দ শামসুদ্দোহা যুবরাজ, মো. ইব্রাহিম মোল্লা, আহসান খান আছু প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক।

অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, শহর, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৬:এএম ৪ বছর আগে
বিদ্যুৎ আদালতের সাজা কমানোর আশ্বাস; গাড়ী চালকের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ - Ekotar Kantho

বিদ্যুৎ আদালতের সাজা কমানোর আশ্বাস; গাড়ী চালকের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার টাকা ও সাজা কমানোর আশ্বাসে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ২ এর গাড়ী চালক সাদ্দাম এর বিরুদ্ধে।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি মানিকের দোকান ও আবাসিক বসত বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণে বেসপ্লেটহীন মিটার ও মিটারের যন্ত্রাংশ পায় বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ (বিউবো)এর সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী দলের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ অপরাধে বিবাদীর বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ আইনে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিসাধনের মামলা দায়েরসহ সমন জারি করা হয়।

মামলা নিষ্পত্তির আশ্বাসে বিবাদীর কাছ থেকে অগ্রীম তিন লাখ টাকা ঘুষ নেন গাড়ী চালক সাদ্দাম বলে জানিয়েছেন বিবাদী মানিক মানিয়ার ওরফে হোসেন।

৩২(১)/৩৩/৩৮ ধারায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ও আব্দুল আজিজের ছেলে মানিক ওরফে মানিয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের দায়েরকৃত মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিবাদীর দোকান ও আবাসিক বসত বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণে বেসপ্লেটহীন মিটার ও মিটারের যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়। এ সময় তার বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং এর বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। টেম্পারিং ও পার্শ্ব সংযোগ ব্যবহার করে বিউবোর আনুমানিক ৪ লাখ টাকা ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

ওইদিন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ বিদ্যুৎ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রেজোয়ানা রশীদ সাক্ষরিত আসামীর প্রতি জারীকৃত সমনে আগামী ২০ মার্চ বিবাদী অথবা উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবাদী মানিক ওরফে মানিয়ার হোসেন বলেন, আমার বৈদ্যুতিক দোকান আর বাড়ির সংযোগ একটি। এছাড়াও স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় বৈদ্যুতিক সমস্যায় পরে আমার স্মরণাপন্ন হন। সমস্যাগুলোর বেশির ভাগই হয় মিটারে। তবে বিকল হওয়া মিটার মেরামত করা সম্ভব নয় বলে আমি নতুন মিটার লাগিয়ে সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করি। বিকল হওয়া তিন/চারটি মিটার আমার বাড়ি ও দোকানে পান পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অপরাধে আদালতের বিচারক মামলা দায়ের করাসহ একটি সমন দেন। তার কাছে মিটার রাখা অপরাধ হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আমি ভীত থাকার সুযোগ নিয়ে অভিযানে থাকা বিদ্যুৎ অফিসের গাড়ী চালক সাদ্দাম আমাকে দেড় বছরের জেল আর ১৭ লাখ টাকা জরিমানার ভয় দেখান। এ জরিমানা আর জেল থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফোন দিলেও এ সাজা মওকুফ হবে না বলে তার ব্যক্তিগত নম্বরটি আমাকে দিয়ে যান। ওই দিন বিকেলে গাড়ী চালক সাদ্দামের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোনে কথা না বলে দ্রুত সাক্ষাত করতে বলেন। আমি বেবীস্ট্যান্ড এলাকায় গাড়ী চালক সাদ্দামের সাথে সাক্ষাৎ করি। তিনি আমাকে মামলা থেকে মুক্ত করাসহ সাজা মওকুফ করার জন্য নয় লাখ টাকা দাবি করেন। আমি বাধ্য হয়ে ওই দিন বিকেলেই একাধিক স্বাক্ষী নিয়ে তিন লাখ টাকা গাড়ী চালক সাদ্দামকে দিই। এরপর আমি আদালত থেকে মামলার নকল তুলে দেখতে পাই সেখানে চার লাখ টাকা ক্ষতিসাধনের মামলা করা হয়েছে।

দায়েরকৃত মামলার জরিমানার বিষয়টি গাড়ী চালক সাদ্দাম ও উপ-সহকারি প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ্ জিহাদকে জানাই। এ সময় তারা বলেন. এত টাকা আমি পরিশোধ করতে পারবোনা বলে তারা অনুরোধ করে মামলার ক্ষতিসাধন চার লাখ টাকা হয়েছে সেটি নির্ধারণ করতে সহায়তা করেছেন।

টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত গাড়ী চালক আসাদুজ্জামান সাদ্দাম। তিনি বলেন, আমি একজন গাড়ী চালক, আমার পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা বা জরিমানা মিমাংসার ক্ষমতা আছে কি ? তাহলে কেন আমি টাকা নিব আর টাকা নেওয়ার কোন প্রমাণ আছে কিনা সে বিষয়টিও জানতে চান তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই তার শ্বশুর আমিনুর সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে সংবাদ প্রচার নিয়ে সতর্ক করাসহ এক সংবাদকর্মীকে চাঁদাবাজ বলে উল্লেখ করেছেন।

টাঙ্গাইল বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ২ (বিউবো) এর সহকারি প্রকৌশলী মো. আব্দুল আল আজমাইন বলেন, আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনাকালে আলোকদিয়ার ইলেকট্রিক মিস্ত্রি মানিকের দোকান ও আবাসিক বসত বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণে বেসপ্লেটহীন মিটার ও মিটারের যন্ত্রাংশ পাই। একই সময় তার বিরুদ্ধে মিটার টেম্পারিং এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। টেম্পারিং ও পার্শ্ব সংযোগ ব্যবহার করে বিউবোর আনুমানিক ৪ লাখ টাকা ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। এ কারণে পরিচালিত অভিযানে আমি বাদী হয়ে মানিকের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ আইনে মামলা করি। এ ব্যাপারে ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইন ৩২(১)৩৩/৩৮ ধারায় মামলা নং ১০৯/২৩ দায়ের করাসহ সমন জারি করেছেন আদালতের বিচারক।

তিনি আরও জানান, জরিমানার টাকা নগদ গ্রহণের কোন সুযোগ নেই। নির্দেশনা অনুযায়ি ব্যাংকের মাধ্যমে জরিমানা টাকা আদায় করাসহ বিদ্যুৎ বিভাগ পরিশোধের একটি প্রত্যায়ন দেয়ার বিধান রয়েছে। পরিচালিত ওই অভিযানে থাকা গাড়ী চালক সাদ্দাম বিবাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন কিনা বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

টাঙ্গাইল বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ২ (বিউবো) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহগির হোসেন জানান, হাতে টাকা নেয়ার কোন সুযোগ নেই। যদি বিদ্যুৎ অফিসের গাড়ী চালক এ ধরণের প্রতারণা করে থাকেন, তাহলে ভুক্তভোগী গ্রাহককে ওই চালকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

টাকা পরিশোধের নিয়ম সম্পর্কে তিনি জানান, বিদ্যুৎ অফিস থেকে গ্রাহককে একটি বিল করে দেওয়া হবে। গ্রাহক সেই বিল অনুপাতে টাকা ব্যাংকে পরিশোধ করবেন। গ্রাহক ব্যাংকের ওই পরিশোধের স্লিপ আদালতে জমা দিবেন। পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিভাগ গ্রাহককে একটি প্রত্যায়ন দেবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অপহৃত উদ্ধার, ৮ অপহরণকারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অপহৃত উদ্ধার, ৮ অপহরণকারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের অকুর টাকুর পাড়ায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে অপহরণকারীদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান(২৮), গাজীপুর জেলার মৌচাক চা বাগান গ্রামের(বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলিয়ায় বসবাসরত) মো. শহীনের ছেলে রাকিব(১৯), টাঙ্গাইল শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার রমজান মন্ডলের ছেলে মহম্মদ মন্ডল(৪০), সঞ্জু মন্ডলের ছেলে নাউম মন্ডল(২০), আনোয়ার হোসেনের ছেলে রনি(১৯), আরজু মিয়ার ছেলে আলম মিয়া(১৯), জমের মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা(১৯) ও পারদিঘুলিয়ার মৃত মজিবর মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া(৪০)।

জানা যায়, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের আ. কাইয়ুম রুবেল চৌধুরীর ছেলে মো. নাহিদ চৌধুরীকে(২৫) একই গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান ১২-১৩ জন মিলে কুমিল্লা জেলা সদরের কোতওয়ারী থানা এলাকা থেকে কৌশলে অপহরণ করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়া একটি বাসায় আটকে রেখে তার মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমার কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে।

এক পর্যায়ে নাহিদ চৌধুরীর মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা বিকাশের মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা অপহরণকারীদের কাছে পাঠায়। এতে অপহরণকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে নাহিদ চৌধুরীর উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরে মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা কুমিল্লা কোতওয়ালী থানায় বিষয়টি অবগত করলে তারা টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

টাঙ্গাইল থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে অপহরণকারীদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও উল্লেখিত ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া জানান, অপহৃত নাহিদ চৌধুরীর মা নাছিমা আক্তার শিমা বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অপহৃতকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তারকৃত ৮ অপহরণকারীর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৪:০২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল কোর্ট চত্বরে ভুয়া কাজির ছড়াছড়ি, অবাধে চলছে বাল্যবিবাহ! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কোর্ট চত্বরে ভুয়া কাজির ছড়াছড়ি, অবাধে চলছে বাল্যবিবাহ!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সদরের আদালত চত্বর এলাকায় ভুয়া কাজির ছড়াছড়ি হওয়ায় অবাধে চলছে বাল্যবিবাহ। অধিক লাভের আশায় এসব ভুয়া কাজিদের পরোক্ষ মদদ দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র। তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে প্রকাশ্যে বাল্য বিয়ে পড়াতে সমর্থ হচ্ছে এসব কাজিরা।

টাঙ্গাইল জেলা রেজিষ্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান জানান, এ বিষয়ে লিখিতসহ একাধিক মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মহাদয়ের পরামর্শক্রমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এই এলাকার জন্য নির্ধারিত নিবন্ধন প্রাপ্ত কাজির ডিআর বই ব্যবহার না করে অন্য এলাকার কাজির ডিআর বই নিয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিয়ে পড়ানো হচ্ছে হরহামেশাই। তাদের দৌরাত্ব্যে বঞ্চিত হচ্ছে অত্র এলাকার জন্য নিবন্ধন প্রাপ্ত কাজি।

এ বিষয়ে তদারকির জন্য জেলা রেজিস্ট্রারের উপর দায়িত্ব থাকলেও অজ্ঞাত কারণে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যকরী পদক্ষেপ নেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সখিপুর উপজেলার নলুয়া বাছেদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীর বিয়ে পড়াচ্ছেন মো. শাহীন মিয়া নামের এক কাজি। তিনি দীর্ঘ পনের বছর যাবত কোন রকম বৈধ কাজির সনদ ও কাগজপত্র ছাড়াই কোর্ট চত্বরে বিয়ে পড়িয়ে আসছেন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের আব্দুল হাই কাজির ডি আর বইসহ মধুপুর, মির্জাপুর ও সখিপুরের ডিআর বই ব্যবহার করে অধিক টাকার বিনিময়ে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ পড়াচ্ছেন। এসব বাল্যবিয়ে পড়িয়ে টাঙ্গাইল শহরের একটি ক্লিনিকের অংশীদারসহ কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তিনি।

তার ছত্রছায়ায় একাধিক কাজি কোর্ট চত্বরে দেদারছে চালাচ্ছে বিবাহ রেজিস্ট্রি ও তালাক নিবন্ধন। অধিক মুনাফার আশায় আদালত চত্বরে কর্মরত বেশ কিছু আইনজীবী তাদের সেরেস্তা ব্যবহার করতে দিচ্ছেন এই সব ভুয়া কাজিদের। ফলে আইনজীবীদের সেরেস্তা ব্যবহার করেই এসব বাল্যবিবাহ পড়ানো হচ্ছে।

কোর্ট চত্বর এলাকা ব্যবহার করে অবাধে চলছে ভুয়া জন্মসনদ, নকল কাবিননামা আর জাল সিল-স্বাক্ষরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি।

জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে আসা অপ্রাপ্ত বয়স্কদের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেফিট করে প্রাপ্তবয়স্ক বানিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

গ্রাম অঞ্চলে এক শ্রেনীর দালালদের মাধ্যমে গুঞ্জণ আছে কোর্ট চত্বরে গেলে অভিভাক ছাড়াই বিয়ে পড়ানো যায়। এর সুযোগ নিচ্ছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর-কিশোরী ও ঘর পালানো প্রেমিক-প্রেমিকারা।

এসব কাজি তাদের প্রয়োজনে নকল কাবিননামা, তালাকনামা ও বয়স প্রমানের এফিডেফিটের ঘোষণাও দিচ্ছেন। এতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেমন আতঙ্কে রয়েছেন তেমনি পরকীয়ার বলি হচ্ছে রেমিটেন্স যোদ্ধা (প্রবাসীদের) সংসার।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. শাহিন মিয়া জানান, তার কোন বৈধ কাজির কিম্বা বিবাহ পড়ানোর অনুমোদন নেই। তিনি সাব-কাজি হিসেবে কাজ করেন। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ পড়ান তিনি,তবে বয়স প্রমানের কাগজপত্র জমা না দিলে কাবিনের সার্টিফাইড কপি দেন না তিনি।

তিনি আরো জানান, আমি ছাড়াও আরো অনেকেই কোর্ট চত্বরে বিয়ে পড়াচ্ছে, তারা হচ্ছে-মো. জয়নাল আবেদিন, মো. হামিদুল ইসলাম,আকরাম হোসেন ও কায়সার আহম্মেদ সহ আরো অনেকেই।

টাঙ্গাইল জেলা সদরের ১নং ওয়ার্ড ও কোর্ট চত্বর এলাকার ভারপ্রাপ্ত কাজি আব্দুল সামাদ জানান, এ বিষয়ে জেলা রেজিষ্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তিনি আশা করেন, জেলা রেজিষ্ট্রার যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিবেন।

টাঙ্গাইল জেলা রেজিষ্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান জানান, এ বিষয়ে লিখিতসহ একাধিক মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মহাদয়ের পরামর্শক্রমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

“একতার কণ্ঠ-এক্সক্লুসিভ”

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে টিকটক করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে টিকটক করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বন্ধুদের সাথে টিকটক করার সময় পৌলী নদীতে ডুবে অপু (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে পৌলী নদীর সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের নওগাঁ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই যুবক সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের হাতিলা থেকে ৫-৬ জন যুবক নওগাঁ এলাকার নদীর পারে টিকটক করতে যান। এ সময় টিকটক করার জন্য সবাই এক সাথে নদীতে ডুব দেয়। অন্যরা উঠলেও অপু নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ইদ্রিস মিয়া জানান, স্থানীয়রা হটলাইনে কল করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২০ মিনিট উদ্ধার কাজ চালিয়ে মরদেহ উদ্ধারে সক্ষম হই। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহান শহিদ দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহান শহিদ দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ বিনম্ব শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্যদিয়ে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহিদ দিবস পালিত হয়েছে।

একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের পুষ্পস্তবকের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।

এসময় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

পরে জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা পরিষদ, পিবিআই, নৌ পুলিশ, পৌরসভা, সদর উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনতা শহিদদের স্মরণে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান।

এছাড়া জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল বার সমিতি নির্বাচনে সভাপতি সম্পাদকসহ ৫ বিএনপিপন্থীর বিজয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বার সমিতি নির্বাচনে সভাপতি সম্পাদকসহ ৫ বিএনপিপন্থীর বিজয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা এডভোকেট বার সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সর্মথিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ গুরত্বপুর্ণ ৫টি পদে জয়লাভ করেছে।

সোমবার (২০ ফ্রেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ৯টি পদে জয় লাভ করে।

ঘোষিত ফলাফলে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত মো. মইদুল ইসলাম শিশির ৩৫৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী পন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের একেএম শামীমুল আক্তার পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল কাশেম মো. মুনসুর আহম্মেদ খান বিপন ৩৬৭ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু পেয়েছেন ৩২৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মো. জামিউল হক সুমন, নির্বাহী সদস্য পদে আতোয়ার রহমান মল্লিক ও তোফাজ্জল হোসেন (আলম) নির্বাচিত হয়েছেন।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি ইমরুল কায়েস বুলবুল, জোয়াহেরুল ইসলাম,সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ শামস, লাইব্রেরী সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক অনুপম দে অপু, নির্বাহী সদস্য মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন, মো. আল আমিন, সৈয়দ মুহাম্মদ শাহানুর আল আজাদ ও শামসুন্নাহার স্বপ্না নির্বাচিত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আতোয়ার রহমান আলো বলেন, শান্তিপুর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে বিএনপি সর্মথিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৫টি পদ ও যুুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ জয় লাভ করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তারকৃত ৬ ডাকাত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তারকৃত ৬ ডাকাত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তরকৃত ছয় ডাকাতের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার(২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর থানা আমলী আদালতের বিচারক মনিরা সুলতানা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পরিদর্শক তানবীর আহমেদ।

তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাতকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায়। আদালত শুনানী শেষে প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার ক্ষিদ্র মাটিয়া গ্রামের মোতালেবের ছেলে ইউসুব আলী (৪২), পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার ধানুয়াঘাটা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে নুরুল ইসলাম(৩৬), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কাঠুয়া যুগনী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল (৩১), একই গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. ইদুল মিয়া (২০) ও মো. সুরুত আলীর ছেলে সহিদুল ইসলাম (৩০) এবং একই উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের মো. জহর আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩০)।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় একদল লোক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত ছয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর ৪-৫ ব্যক্তি দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি সুইস গিয়ার ছুঁরি, একটি শাবল ও গাড়ি থামানোর জন্য রশিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হলুদ ও নীল রংয়ের একটি মিনিট্রাকও (ঢাকা মেট্রো-ড-১২-৩৩৮৩) জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:৩৪:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।