/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক সড়কে ভূমি অধিগ্রহন, দুই পাশে স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক সড়কে ভূমি অধিগ্রহন, দুই পাশে স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক

একতার কণ্ঠঃ চলতি বছরের জুন মাসের আগেই আরিচা-(বরঙ্গাইল)-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়ক নির্মানে জন্য অধিগ্রহণ করা হবে সড়কের দুপাশের জমি।

এ খবর পেয়েই অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আশায় এই আঞ্চলিক সড়কের দু’পাশে রাতারাতি গড়ে উঠছে অসংখ্য স্থাপনা। কয়েকটি দালালচক্র অনুমোদনহীনভাবে নিম্নমানের কাঁচামাল এবং ব্যবহার অযোগ্য পুরান ও চিকন রড ব্যবহার করে নির্মাণ করছে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা।

এতে করে ভূমি অধিগ্রহণের মুল্য বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসব ঘটনায় ভূমি অধিগ্রহনের জন্য প্রস্তাবিত সড়কে নতুন নির্মানাধীন দালান ও অবকাঠামো নির্মানে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ করেছেন টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস করে ঢাকার কতিপয় দালালচক্র জমির মালিকদের টাকা দিয়ে বিপুল পরিমান ক্ষতিপুরণের আশায় এসব স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মান করছে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) অনুমোদন দিয়েছে আরিচা (বরঙ্গাইল) ঘিওর- দৌলতপুর -নাগরপুর -টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প। ৫৮ দশমিক ৫শ কিলোমিটরা দীর্ঘ ও ৩৩ ফুট প্রশস্ত সড়ক উন্নীতকরণের এই প্রকল্পের টাঙ্গাইল অংশে রয়েছে ৪০ কিলোমিটার এলাকা এবং মানিকগঞ্জ অংশে রয়েছে ১৮ দশমিক ৫শ কিলোমিটার ।

নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ছয়শ ৩৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে শুধু ভূমি অধিগ্রহনেই ধরা হয়েছে ছয়শ ৯৩ কোটি ৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এই মহাসড়কে দুইটি আরসিসি গার্ডার, ১৫টি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও ১৯টি নতুন কালভার্ট ও সাতটি কালভার্ট সম্প্রসারণ করা হবে।

২০২২ সালের ১ জানুয়ারী কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্ত এক বছর অতিক্রান্ত হলেও প্রকল্পটির নির্মাণ কাজই শুরু হয়নি। চলতি বছর থেকেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এই মহাসড়ক উন্নীতকরনের কাজ।
মহাসড়ক আইন অনুযায়ী সড়কের দুপাশের অন্তত ১০ মিটার দূরত্বে স্থাপনা নির্মাণের নিয়ম রয়েছে। কিন্ত কেউ নিয়মের তোয়াক্কাই করছে না।

টাঙ্গাইল-আরিচা প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের সময় সরকার থেকে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ লাভের আশায় মহাসড়কের দুপাশে স্থাপনা নির্মানের হিড়িক পড়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে বাড়ি-ঘর, মার্কেট। মহাসড়ক হওয়ার খবর শুনেই গত দুই থেকে তিনমাস যাবৎ চলছে এসব স্থাপনা তৈরির কাজ। এছাড়াও ভূমি উচ্চ মুল্যে ক্রয় বিক্রয় করে ওই মৌজার গড়মুল্য বৃদ্ধি করছে। ফলে ভূমির অধিগ্রহণ মুল্যে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অধিগ্রহণের মুল্যে বৃদ্ধি পেলে অনুমোদিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় বৃদ্ধি এবং ভূমি অধিগ্রহণ খাতে অতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন হবে। এতে করে সময়মত প্রকল্প বাস্তবায়ন আটকে যেতে পারে।

এঘটনায় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবুল হাসেম গত ১৯ জানুয়ারী আঞ্চলিক সড়কের পাশে নতুন দালান ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার পরও প্রায় শতাধিক স্থাপনার নির্মাণ কাজ চলছে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী মহল এসকল স্থাপনা নির্মাণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এছাড়াও ঢাকা থেকে একটি দালালচক্র এসে মহাসড়কের পাশে যাদের বাড়ি রয়েছে তাদের বুজিয়ে ক্ষতিপুরণের অর্ধেক টাকা দেওয়ার শর্তে স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মাণ করছে। নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে রাতারাতি গড়ে উঠা এসব স্থাপনার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। কোন প্রকার নিয়মের তোয়াক্কা না করেই এসব স্থাপনা নির্মাণের ফলে অধিগ্রহণের সময় আর্থিকভাবে সরকার ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি হওয়ার আশংকা রয়েছে।

মহাড়কের প্রায় ৩০ কিলোমিটার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কের আটিয়া ইউনিয়নের সিলিমিপুর থেকে শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনা নির্মান। সিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে মজনু মিয়া, কেজি স্কুলের পাশে বালু ও ইট ব্যবসায়ী লালচান মিয়া, আজগর আলী, লিটন মিয়া গত দুই মাসে পাকা দালান নির্মান করেছেন।
এছাড়াও সিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ড থেকে একটু এগিয়ে গেলেই চোখে পড়বে বিশাল দোতলা দালান। ওই দালানের মালিক এনজিও কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান। এলাসিন মওলানা ভাসানী ডিগ্রি কলেজের একটু আগে ঠাকইজোড়া এলাকায় রাস্তা ঘেষেই নির্মান করা হয়েছে দোতলা ও একতলা দুটি দালান। ক্ষতিপুরণের টাকার অর্ধেক দেওয়ার শর্তে জয়নাল শিকদারকে ওই দালান নির্মান করে দিয়েছেন নাটিয়াপাড়ার একজন দালাল। তার নাম মৃনাল। ওই বাড়ির এক গৃহিনী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তার শ্বশুরকে দালালচক্রটি নানাভাবে বুজিয়ে দালান করে দিয়েেেছ।

তারা বলেছে, আপনিও লাভবান হবেন আমরাও লাভবান হব। জমিতো সরকার নিয়ে যাবে। পরে তো কিছু পাবেন না। ওই দালালচক্রটি আলামিন, আনোয়ার, মিলন, বুদ্দু, লিয়াকত হাতেম, সাইফুল, মহব্বত , মজিবুর, এশাদ, নজরুল দানেজ ও আলী হোসেনের জমিতে টাকা দিয়ে পাকা দালান করে দিয়েছে।

এলাসিন ঘাটপার এলাকায় যুগল নামের এক ব্যক্তি গত কয়েকদিনে একতলা দালান উঠিয়েছেন। ছানু নামের অপর ব্যক্তি দিয়েছেন বিশাল লম্বা দেয়ালের টিনশেড ঘর। নাগরপুরে সড়কের পাশে খোরশেদ মার্কেট ও ডাঙ্গা এলাকায় আবিদ ইটভাটার মালিক শহিদ মিয়া ও কয়েকজনে মিলে অন্তত ১০ থেকে ১২টি দোতলা ও একতলা দালান নির্মাণ করেছেন।

সহবত ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ইব্রাহিম মিয়া এমপি রোডের মাথায় রাস্তার সাথে অবৈধভাবে একতলা ভবন নির্মাণ করেছেন।

নির্মাণাধীন ওই ভবনের শ্রমিক জানান, এক মাস আগে ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। এই ভবন নির্মানের টাকা মেম্বারকে ঢাকার এক ব্যক্তি দিয়েছেন। শুনেছি ক্ষতি পুরনের টাকা পেলে তিনি অর্ধেক নিবেন।

ঠাকইজোড়া গ্রামের ওবায়দুল্লাহ মিয়া বলেন, রাস্তার পাশেই আমার ২০ শতাংশ জমিতে বাড়ি। ঢাকা থেকে কয়েক ব্যক্তি প্রাইভেটকার নিয়ে এসে আমাকে তাগাদা দিচ্ছে। বলছে চাচা আপনার বাড়িতে দোতলা একটি দালান করে দেই। আপনার কোন টাকা লাগবে না। অধিগ্রহনের টাকা পেলে আপনি পাবেন অর্ধেক আর আমরা অর্ধেক। আমি তাতে রাজি হয়নি।

আটিয়া ই্উনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক বলেন, মহাসড়কের জমি অধিগ্রহণের অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের আশায় কিছুদিন ধরে রাতারাতি একতলা থেকে ৪ তলাবিশিষ্ট এসব ভবন নির্মিত হচ্ছে । এতে এই সড়কের জমি অধিগ্রহণের সময় সরকারের বাড়তি অর্থ ব্যয় হবে। প্রকৃত জমির মালিকরা একটা নির্দিষ্ট কমিশন পেলেও সরকারের মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেবে জড়িত এসব দালাল চক্রের সদস্যরা। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস রয়েছে ঢাকার কতিপয় এসব দালালচক্রের। কারণ উচ্চ পর্যায় থেকে ক্ষতিপুরণের আশা না পেলে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে টাকা বিনিয়োগ করতেন না।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবুল হাসেম বলেন, ভূমি অধিগ্রহনভুক্ত জমিতে নতুন করে কেউ যাতে অবকাঠামো নির্মাণ করতে না পারে তার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। এছাড়াও ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুরো মহাসড়কের ভিডিও রেকর্ডিং রয়েছে। নতুন করে যারা স্থাপনা করেছেন সেগুলোর ভিডিও করা হবে। যারা অধিক টাকার আশায় ভবন নির্মাণ করছেন তারা কেউ ক্ষতিপুরণ পাবেন না।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহঃ আলিউল হোসেন জানান, প্রকল্প প্রস্তাবের সময় সড়কের পাশের আগের অবস্থা ভিডিও রেকর্ডিং করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। নতুন করে সড়কের পাশে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলেই সে ক্ষতি পুরণ পাবে না। চলমান এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলা ভূমি বরাদ্ধ কমিটির সভায় সিদ্ধান্তের পরই ভূমি অধিগ্রহন শুরু হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাড়ে ৩ কোটি টাকা নিয়ে এনজিও উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাড়ে ৩ কোটি টাকা নিয়ে এনজিও উধাও

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সোসাইটি ফর হিউম্যান ইউনিটি অ্যান্ড রিসোর্সেস ইউটিলাইজেশন (শুরু) নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন গ্রাহকেরা। তাদের অভিযোগ, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন এনজিওটির নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাকা ফেরত পেতে সদর উপজেলার গালা গ্রামে ওই এনজিও কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন গ্রাহকেরা। মানববন্ধন চলাচলে বক্তব্য দেন ওই এনজিও-র ভুক্তভোগী সদস্য তারেক হাসান, আলী আহম্মদ, জয়নু বেগম, অঞ্জনা বেগমসহ অনেকেরা।

তাদের দাবি, গ্রাহকেরা কেউ বাড়ি বিক্রির টাকা, আবার কেউ প্রবাসী মৃত সন্তানের টাকা, দিন মজুরদের জমানো টাকাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ একটু লাভের আশায় এ এনজিওতে টাকা রেখেছিলেন। কয়েক বছর লাভ পেলেও বছর দুয়েক আগে থেকে সেই লাভ দেওয়া বন্ধ করে দেয় এনজিও কর্তৃপক্ষ।

এমনকি গত ছয় মাস ধরে গ্রাহকদের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।

গ্রাহকেরা জানান, ১২ বছর আগে গালা গ্রামের মাজেদুর রহমান, আবু সাইদ, আব্দুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন মিলে শুরু নামের এনজিওটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে গ্রামের মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিরীহ কৃষক ও দিন মজুররাও টাকা রাখেন। এমনকি অনেক প্রবাসীরাও টাকা রেখেছেন। তিন শতাধিক গ্রাহকের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে এনজিও নির্বাহী পরিচালক মাজেদুর রহমান উধাও হয়েছেন।

ফলে প্রতারণার স্বীকার হয়ে কষ্টে অর্জিত টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গ্রাহকেরা।

প্রতারণার শিকার বৃদ্ধ আলী আহম্মদ বলেন, আমার চার মেয়ে ও এক ছেলে। ১০ বছর আগে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় আমার ছেলে মারা যায়। সেখান থেকে পাওয়া দুই লাখ টাকা শুরু এনজিওতে রেখেছিলাম। সেই দুই লাখ টাকা নিয়ে মালিক পালিয়েছে। আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

শারিরীক প্রতিবন্ধী শাহজাহান মিয়া বলেন, আমি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারি না। তাই বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভিক্ষা করে জীবন যাপন করি। সেই টাকা থেকে জমিয়ে এক লাখ টাকা ১২ বছর আগে জমা করেছিলাম। সেখান থেকে আমি কোনো লাভ নেই নি। সেই টাকা নিয়েও মালিক পালিয়েছে।

৬০ বছরের বৃদ্ধা জয়নু বেগম বলেন, আমার বাড়ি বিক্রি করা চার লাখ টাকা এ এনজিওতে রেখেছিলাম। আমার টাকা নিয়ে মালিক পালিয়ে যাওয়ায় আমি এখন নিঃস্ব।

প্রতারণার অভিযোগে শুরু এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক মাজেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, একটি প্রতারক চক্র মিলে এনজিওটি করেছিল। আমরা তাদের কোনো অনুমতি দেই নি। তবে আমরা ওই কমিটি বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:১২:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অফিসার্স ডে’ উদযাপিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অফিসার্স ডে’ উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে প্রথম বারের মতো ‘অফিসার্স ডে’ উদযাপিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স ক্লাবের সামনে বেলুন উড়িয়ে ও কেক কেটে অফিসার্স ডের উদ্বোধন করা হয়।

একদিন নয় হাসিবি তোরা, একদিন নয় বিষাদ ভুলিয়া, সকলে মিলিয়া গাহিবো মোরা-স্লোগানকে সামনে রেখে দিনব্যাপী অফিসার্স ডেতে গল্প, নৃত্য, সংগীত, যাদু, কৌতুক, কবিতা আবৃত্তি, গীতি কাব্যের আয়োজন করা হয়। এরপর র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুল ইসলাম মজনু। সঞ্চালনা করেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আজাদ সোবহানী আল ভাসানী ও সৈয়দ সাইফুল্লাহ।

পরে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী লিজু বাওলা সংগীত পরিবেশন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উত্তেজনা সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমা শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উত্তেজনা সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমা শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউয়িনের ভাতকুড়া গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে তাবলিগ জামাতের সাদপন্থীদের জেলা ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, বিশৃংখলা এড়াতে শহরে ও ইজতেমাস্থলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১৬ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে এই ইজতেমা শুরু করা হয়।

অপরদিকে জুবায়েরপন্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে আলোচানার পর বুধবার(১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতেই শহরের মারকাজ মসজিদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।

জানা যায়, তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমার আয়োজনকে ঘিরে সাদ ও জুবায়েরপন্থীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জুবায়েরপন্থীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এই আয়োজন বন্ধের দাবি জানায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েরপন্থীরা অভিযোগ করেন, ভাতকুড়া এলাকার ইজতেমায় নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হবে। তাই তারা ইজতেমার বন্ধের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার ভাতকুড়ায় গিয়ে দেখা যায়, বিশাল মাঠজুড়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার মুসল্লি অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

ইজতেমা আয়োজক কমিটির খাদেম মুফতি মোস্তফা খলিল চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর থেকে ইজতেমার মূল আমল শুরু করা হয়েছে। ফজর থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত তিনি প্রথমে বয়ান করেন। এরপর সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তালিমের মৌজ নিয়ে আলোচনা করেন মুফতি শহিদুল্লাহ। এরপর বিদেশি মেহমানেরা পুরো ইজতেমা মাঠকে ২০ ভাগে ভাগ করে আলাদা আলাদা তালিম করেছেন। জোহরের পর সৌদি আরবের মেহমান শেখ মোহাম্মদ আল খামিদ বয়ান করেন। আসরের নামাজের পর ঢাকার মাওলানা এহসান বয়ান করছিলেন।

তিনি আরো জানান, মাগরিবের নামাজের পর ঢাকার মুফতি ওসামা ইসলাম বয়ান করবেন। ইজতেমার প্রধান মাঠে ১২ হাজার মুসল্লি রয়েছেন। এছাড়া আশপাশের মাঠে আরও তিন হাজার মুসল্লিকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। আগামিকাল শুক্রবার(১৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজে ১৫ হাজারের বেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

অপরদিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েরপন্থী ও টাঙ্গাইল জেলা কওমী ওলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শামছুল হক কাসেমী জানান, নেজামউদ্দিন অনুসারী সাদ পন্থীরা তাবলীগ জামাতের নামে ইসলামের অপব্যাখ্যা করে মুসলমানের মাঝে বিশৃংখলা সৃষ্টি করছে। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বশীল কিছু কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। এতে তাদের দাওয়াতি কাজকর্ম ব্যপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই বিষয়গুলোর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এদিকে সাদপন্থী তাবলীগ জামাতের জেলার জিম্মাদার এনামুল হক জানান, তাদের যেসব সদস্য টঙ্গী ইজতেমায় যেতে পারেনি তাদের জন্য মূলত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে তিন দিনব্যপী ইজতেমা শুরু হয়েছে। এখানে ৯টি দেশের তাবলীগ জামাতের সদস্যরা অংশ নিচ্ছে। তারা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইজতেমার আয়োজন করেছেন। মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে কওমী ওলামা পরিষদ।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, জোবায়েরপন্থী কওমী ওলামা পরিষদের লোকজন তার কাছে গিয়েছিলেন। তাদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান পালনের জন্য বলা হয়েছে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কোন ধরণের সংঘর্ষে জড়াবেন না। তারপরও বিশৃংখলা এড়াতে শহরে ও ইজতেমাস্থলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক ভবনের সামনে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী উদ্যাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।

পরে একটি বার্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এই র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ডিন ও বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার সাহা ও বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।

এছাড়া ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে খেলাধুলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৩:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছেলে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাবা আউয়ালকে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আসাদুজ্জামান মিয়াকে (৫০) আটক করেছে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪, সিপিসি-০৩ এর সদস্যরা।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন মোগরাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।

২০১৩ সালে বাবা আউয়ালকে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে তার ছেলে আসাদুজ্জামান হত্যা করিয়েছিল। সাক্ষী-প্রমাণ শেষে ২০২০ সালে আসামিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেন বিচারক।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ২০১৩ সালের টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার চাঞ্চল্যকর আউয়াল হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন মোগরাপাড়া এলাকায় আত্মগোপনে আছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামি নিজের বাবাকে হত্যার উদ্দেশে চারজন ভাড়াটিয়া খুনির সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৩০ জুন রাত ১টার দিকে আসামির বসতবাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব পাশের বারান্দা চৌকির ওপর তার বাবা আউয়ালকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরদিন মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামল কুমার দত্ত বাদী হয়ে ১টি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরো জানান, হত্যা মামলায় বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, ২য় আদালত, টাঙ্গাইল বিচার শেষে গত ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। মামলার বিচারকাল থেকে আসামি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, ‘আসামিকে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করে মির্জাপুর থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির পদযাত্রায় হামলা, আটক ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির পদযাত্রায় হামলা, আটক ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির নেতা–কর্মীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা হামলার সঙ্গে জড়িত। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি )দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের ছোট বাসালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে সদর উপজেলার করটিয়া মসজিদ রোড এলাকায় বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি থেকে সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাদিদুল ইসলাম ও যুবদল কর্মী মাকসুদকে আটক করেছে পুলিশ।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল জানান, শনিবার দুপুরে মগড়া ইউনিয়নের ছোট বাসালিয়া এলাকায় বিএনপির নেতা–কর্মীরা পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলার করেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবদল কর্মী জীবন ও ছাত্রদল কর্মী সিদ্দিক হোসেন আহত হন। তাঁদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির দুই কর্মী আটক প্রসঙ্গে ফরহাদ ইকবাল আরো জানান, সদর উপজেলার করটিয়া মসজিদ রোড থেকে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি উপলক্ষে মিছিল বের করার চেষ্টা করেন। পাশেই শহীদ মিনারে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ চলছিল। বিএনপির মিছিলটি বের হওয়ার পরই পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরে ওই মিছিল থেকে সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাদিদুল ইসলাম এবং যুবদল কর্মী মাকসুদকে পুলিশকে আটক করে। এর আগে শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি ) রাতে সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদুল মান্নানকে পুলিশ আটক করে।

বিএনপির নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে মগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ফরহাদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম মিয়া জানান, করটিয়া থেকে শুক্রবার রাতে আটক একজন ও শনিবার দুপুরে আটক দুজনকে পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পূর্বেই নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে মামলা ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৫:৪১:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং: ৬ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং: ৬ শিক্ষার্থী বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এ র‍্যাগিং এ জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১৩ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্ষদ রিজেন্ট বোর্ডের ২৩ জানুয়ারির ২২৯তম সভায় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০১৯- ২০২০ শিক্ষাবর্ষের নাফিসুজ্জামানকে (শিক্ষার্থী আইডি -সিই ২০০৩৮) পরবর্তী ৪ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া মিসাইল হোসেন আসিফকে (শিক্ষার্থী আইডি সিই- ২০০৩৯) ২ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। মো. ফাহিম আল হাসানকে (শিক্ষার্থী আইডি সিই -২০০৩০) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার, রাফিয়া জামান মুক্তিকে (আইডি সিই ২০০১৭) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার, মাহবুবা আক্তারকে (শিক্ষার্থী আইডি সিই ২০০১১) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার, রূপা রানীকে (শিক্ষার্থী আইডি-সিই ২০০২৫) ১ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

উপরোক্ত ছয়জনের বাইরেও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের আরো সাত শিক্ষার্থীকে মুচলেকা দিতে বলা হয়েছে। তারা হলেন, আশিকুর রহমান আকিব (সিই-২০০০৯), হুসনে বানু বৃষ্টি (সিই- ২০০১৪), সৈয়দ মাহিদ ফয়সাল (সিই-২০০০৫), সিফাইত সারোয়ার (সিই-২০০৪২), নাইমুর রহমান (সিই-২০০০৬), ওয়াসিফ বিন জহির (সিই ২০০২২) ও মনির হোসাইন (সিই-২০০০২)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্ষদ রিজেন্ট বোর্ড থেকে উপরোক্ত সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, শাস্তিপ্রাপ্ত ১৩ জন শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০১৯- ২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:৫২:এএম ৩ বছর আগে
নানা আয়োজনে টাঙ্গাইলে “ঐতিহাসিক কাগমারী” সম্মেলনের ৬৬ বছর উদযাপিত - Ekotar Kantho

নানা আয়োজনে টাঙ্গাইলে “ঐতিহাসিক কাগমারী” সম্মেলনের ৬৬ বছর উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ নানা আয়োজনে টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর “ঐতিহাসিক কাগমারী” সম্মেলনের ৬৬ বছর উদযাপন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডস্থ টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব।

মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রাবন্ধিক, কবি ও সমাজ বিশ্লেষক অধ্যাপক শংকর দাস, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হারুন অর রশিদ, টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল প্রমুখ।

সভায় ভাসানী ছাত্র, যুব ও সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করে । পরে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এছাড়া ঐতিহাসিক এই দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে।

উল্লেখ্য,১৯৫৭ সালের ৬, ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারীতে মওলানা ভাসানী ৫৪টি তোরণের মধ্য দিয়ে ‘ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন’ উদ্বোধন করেন। কাগমারী সম্মলনে পশ্চিম পাকিস্তানিদের ‘ওয়ালাইকুম আসসালাম’ বলে পূর্ব পাকিস্তানের (বাংলাদেশ) স্বায়ত্তশাসনের দাবি উত্থাপন করেন তিনি। সম্মেলনে মওলানা ভাসানী স্বায়ত্তশাসনের যে দাবি জানিয়েছিলেন তারই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে স্বাধীনতার আন্দোলন দানা বাঁধে।

কাগমারী সম্মেলনেই মওলানা ভাসানী সর্বপ্রথম বিশ্ববাসীর মনে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের স্বাধিকার আন্দোলন সম্পর্কে ধারণা দেন। কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর দাবিকৃত স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনই পর্যায়ক্রমে স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:৪০:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রীকে উত্যক্ত, জবি ছাত্র কেডি আটক - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রীকে উত্যক্ত, জবি ছাত্র কেডি আটক

একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে বহিরাগত কালীচরন দাস ওরফে কেডি (২৫) নামে এক উত্যক্তকারীকে আটক করা হয়ছে।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়। এর আগে ওই ছাত্রীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে কেডি ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

আটককৃত কালীচরণ দাস (২৫) সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার আনন্দ কুমার দাসের বড় ছেলে। সে এবছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেশনাল এমবিএ কোর্সে ভর্তি হয়ে অধ্যয়নরত রয়েছেন।

জানা যায়, কালীচরন দাস (২৫) বিগত ৩ বছর ধরে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোন কলে, মেসেজে নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিলেন। এর প্রেক্ষিতে মেয়েটি ওই ছেলের ৯০টিরো অধিক নাম্বার ব্লক করে রাখে। তবুও সে মেয়েটিকে বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে হুমকি দেয় যে সে তার ক্যাম্পাসে এসে মেয়েটিকে দেখে নেবে।

এরই ধারাবাহিকতায় আটকের দুইদিন আগে কালীচরণ দাস ওরফে কেডি ভাসানী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। ক্যাম্পাসে তার এলাকার পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৪১৪-(গ) সিটে সুজন কুমার দাস নামে এক শিক্ষার্থীর নামে বরাদ্দকৃত সিটে বহিরাগত এই কালীচরণ দাস অবস্থান করে আসছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানা যায়, ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র দাসসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়ের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য আদান প্রদান করে। পরে মেয়েটির সাথে তার নানারকম সম্পর্ক আছে বলে অপবাদ ছড়ায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানকালে বিভিন্নভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের ওই ছাত্রীকে ফলো করে উক্ত্যক্ত করার চেষ্টা করে। কালী চরণ দাসের ক্যাম্পাসে অবস্থান এবং মেয়েটির ব্যাপারে নানারকম অপবাদ ছড়ানোর বিষয় আইসিটি বিভাগের ওই মেয়ে জানতে পেরে তার সহপাঠীদের জানায়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানতে পেরে উত্ত্যক্তকারীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বক্তব্য শুনে সত্যতাও পাওয়া যায়। সেই সাথে তদন্ত সাপেক্ষে জানা গেছে বিভিন্ন অবৈধ হোটেল ব্যবসার সাথে কালী চরন দাসের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার পিতা আনন্দ কুমার দাস তার পুত্র কালীচরন দাস ভবিষ্যতে এই ধরনের কোন কাজ করবে না এই মর্মে মোবাইল কোর্টকে মুচলেকা দিয়েছেন। আনন্দ দাসের মুচলেকায় আমরা তার ছেলেকে ছেড়ে দিয়েছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীম আল মামুন জানান, হল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কাউকে হলে রাখা হলের আইনের পরিপন্থি।

তিনি আরো জানান, হল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে কোন বহিরাগত হলে রাখলে তার সিট তৎক্ষনাৎ বাতিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৩:১৯:এএম ৩ বছর আগে
বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দেওয়া সানজিদার জিপিএ ৪.৭৫ অর্জন - Ekotar Kantho

বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দেওয়া সানজিদার জিপিএ ৪.৭৫ অর্জন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া সানজিদা আক্তার উত্তীর্ণ হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি জিপিএ ৪.৭৫ পেয়েছেন।

তার বাবা শামীম আল মামুন গত ১২ নভেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পর দিন রোববার (১৩ নভেম্বর) ইংরেজি দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা দেন তিনি।

সানজিদা আক্তারের বাড়ি সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাইমাইল গ্রামে।

সানজিদা টাঙ্গাইল শহরের সরকারি কুমুদিনী কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি শহরের সরকারি শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব মহিলা মহাবিদ্যালয়ের কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।

সানজিদা আক্তারের বড় ভাই ইমরান হোসেন জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাবা পাকস্থলীর সমস্যা নিয়ে টাঙ্গাইল শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চার দিন চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১২ নভেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি আরও জানান, সকালে বাবার লাশ বাড়িতে আনা হয়। বাবার লাশ রেখে ছোট বোন সানজিদা এইচএসসি পরীক্ষা দিতে যায়। পরে বাইমাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে তার বাবাকে দাফন করা হয়।

সানজিদা আক্তার জানান, ‘আমি বাবাকে খুব ভালোবাসতাম’। তার নির্দেশনা মোতাবেক মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতাম। আমার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’

তিনি আরো জানান, বড় হয়ে ডাক্তার হতে চান সানজিদা। সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:১৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সুন্দরী খাল পূনঃখনন বন্ধ ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সুন্দরী খাল পূনঃখনন বন্ধ ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ দেশের ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরে প্রবাহমান ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকায় সুন্দরী খাল পূনঃখনন কাজ বন্ধ এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ছয়শত ও সোনালীয়া গ্রামের ভুক্তভোগীরা এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নিজ নামে রেকর্ডের জমিতে খাল খনন করা যাবে না। আমরা এই জমিতে আবাদ করি। আমরা যদি ফসল আবাদ করতে না পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। আমাদের জমিতে সরিষা রোপন করেছি। এই রেকর্ডের জমি কেটে ফসলের উপর মাটি ফেলে ফসল নষ্ট করছে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ চাই। এই খাল খনন বন্ধ করা হোক।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- হাবলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান নাদু, ইউপি সদস্য সুজন, ফজলুল হক, জমির মালিক বিমলা রানী সরকার, সূর্য বানু, সুরেশ চন্দ্র মন্ডল, মো: আলী আযমসহ অনান্য ভুক্তভোগী জমির মালিকরা।

উল্লেখ্য, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আত্ততাধীন ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরে প্রবাহমান ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকায় সুন্দরী খাল ও সুন্দরী শাখা খাল পূনঃখনন চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি শুরু হয়। এ কাজের প্রাক্কালিত মূল্য ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ, ৯৩ হাজার ৩৪০ টাকা। মের্সাস এম রহমান নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খাল পূনঃখননের কাজটি পেয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৩:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।