একতার কণ্ঠঃ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে আগামী বুধবার (২৯ মে) অনুষ্ঠিতব্য টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজ এলাকার নিরঙ্কুশ সমর্থন পেলেন ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ মার্কা প্রতীকের প্রার্থী ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব।
তার উড়োজাহাজ প্রতীকের সমর্থনে শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের পানির ট্যাংক মাঠে একত্রিত হয়েছিলেন সহস্রাধিক এলাকাবাসী।
এসময় ৭০ বছরের বৃদ্ধ রহিম আলী, ১৮ বছরের যুবক সজল আহমেদ, গৃহিণী রহিমা বেগম, রবি হরিজনসহ সমবেত কণ্ঠে, “উড়োজাহাজ-উড়োজাহাজ” স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। তাদের একটিই দাবি- রাজীব আমাদের এলাকার ছেলে তাকে যেকোনো মূল্য এই নির্বাচনে পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ প্রতীকে বিজয়ী করে নিয়ে আসতেই হবে।

তাদের এই উচ্ছ্বসিত স্লোগানের জবাবে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব বলেন, আমি আপনাদের এলাকার ছেলে। আমি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি ও কাগমারী সরকারি এম এম আলী কলেজের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনদিন কোন অবস্থাতেই এলাকাবাসীর সাথে খারাপ ব্যবহার করিনি। এলাকার কারো বিপদে যখন ডেকেছে তখনই ঝাঁপিয়ে পড়েছি। আমি আপনাদের কাছে ভোট চাইবো না, আপনারাই আমার হয়ে জনগণের কাছে উড়োজাহাজ প্রতীকের ভোট চাইবেন এটাই আমার দাবি। আমার বিজয় মানে আপনাদের বিজয়, এলাকাবাসীরও বিজয়। ইনশাআল্লাহ আগামী বুধবার (২৯ মে) বিজয়ী বেশে আপনাদের মাঝে ফিরবো।
শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে ৬নং ওয়ার্ডের কলেজপাড়া পানির ট্যাংক মাঠে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীবের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় কাউন্সিলর মামুন জামান সজল।
উদয় লাল গোড়ের সঞ্চালনায় এই নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক ডি জি এম মির্জা রেজানুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. বালা মিয়া, সমবায় সুপার মার্কেটের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক সচিব মো. ইসমাইল হোসেন সেলিম, ব্যাংকার মো. শাহীন রেজা, ব্যবসায়ী মো. আব্দুল আলিম প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্য টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান বলেন, অতীতে ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা তাদের এলাকার কেউ নির্বাচনে দাঁড়ালে সবাই দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাকে বিজয়ী করে নিয়ে এসেছে। এবারও আমরা টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ মার্কা প্রতীকে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীবকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এই জনসভায় দলমত নির্বিশেষে এই বিশাল উপস্থিতি তার প্রমাণ। আশাকরি, ২৯ তারিখে আমরা বিজয়ী বেশে রাজীবকে দেখতে পারবো। রাজীবের বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মাসুদুর রহমান মাসুদ, যুগ্ন আহবায়ক রফিকুল ইসলাম খান জামিল, স্থানীয় মো. জন মিয়া, মো. সুরুব আলী, মোহাম্মদ লোটাস, বাইজিদ আহমেদ শুভ, স্বাধীন জামানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
একতার কণ্ঠঃ শিল্প প্রতিষ্ঠান হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন টাঙ্গাইলের আদালত।
বৃহষ্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে চেক ডিসঅনারের দুটি মামলায় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল মোহসীন আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, আদম তমিজি হকের স্ত্রী হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুসরাত আক্তার হক, তার আরেক স্ত্রী হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক লিজা আক্তার হক, হক ফুডের জিএম (ফিন্যান্স এন্ড একাউন্টস) মো. রেজাউল করিম ও সিনিয়র জিএম (বিডি এন্ড লজিস্টিকস) মুশফাকুর রহমান।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এ মালেক আদনান জানান, ঢাকার মাহবুব গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কে.বি.সি এগ্রো প্রোডাক্টস (প্রা:) লিমিটেডের সাথে হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবসা ছিল। ব্যবসায়িক লেনদেনে হক ফুড ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৩’শত টাকা বকেয়া করেন। আসামিরা এই বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য কে.বি.সি কোম্পানীকে দু’টি চেক প্রদান করেন। কিন্তু চেক দু’টি ‘এডভাইস নট রিসিভ্ড’ মন্তব্যে ব্যাংক কর্তৃক ডিসঅনার হয়। পরে কে.বি.সি কোম্পানীর পক্ষে ইমরান হোসেন (ম্যানেজার রিকোভারী) বাদি হয়ে ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর হক ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনকে আসামি করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে মামলা করেন।
তিনি আরও জানান, বিচারক মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমনের আদেশ দেন। বৃহষ্পতিবার (২৩ মে) ছিল মামলার ধার্য তারিখ। কিন্তু আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন এবং আগামী ২১ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এলাকায় ছাত্রীদের একটি মেসে ভিডিও ধারণের অভিযোগের যথাযথ বিচার না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুক্তমঞ্চে অবস্থা করছিলেন শিক্ষার্থীরা।
ছাত্রীদের অভিযোগ, সন্তোষ ঘোষপাড়া এলাকার সরকার বাড়ির মেস মালিকের ছেলে কৌশলে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাথরুমের ভেতর মোবাইল ক্যামেরা স্থাপন করেন। এক পর্যায়ে তা দেখে ফেলেন চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রী। ক্যামেরা দেখে তিনি চিৎকার করেন। বাইরে এসে মেসের অন্য মেয়েদের নিয়ে ক্যামেরা আসলো কী ভাবে তা দেখতে তারা ছাদে যান। সেখানেই দেখতে পান মেস মালিকের ছেলে তুহিন সরকারকে। ছাত্রীরা দিশেহারা ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত নিজ বিভাগের চেয়ারম্যানকে ঘটনাটি জানান। চেয়ারম্যান বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানাতে বলেন। পরে গত ৮ মে প্রক্টরিয়াল বডিকে লিখিত অভিযোগ দেন ওই ভুক্তভোগী ছাত্রী।

প্রক্টর অফিসে দেওয়া অভিযোগ পত্রে তিনি জানান, আমি সন্তোষ ঘোষপাড়ার হানিফ সরকারের ছাত্রী মেসের পঞ্চম তলায় ছিলাম, গত ৭ মে জরুরি প্রয়োজনে মেসে আসার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোসলে ঢুকি। গোসলরত অবস্থায় বাথরুমের জানালায় আমি লাঠি জাতীয় কিছুর সাথে একটি ফোনের ক্যামেরার দিকটা বাধা অবস্থায় দেখতে পাই। তাৎক্ষণিক আমি মেসে যারা ছিল তাদের সবাইকে একসাথে চিৎকার করে ডেকে খুঁজে দেখতে বলি যে ছাদে কেউ আছে কি না, যখন সবাই ছাদে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে তখন তারা বুঝতে পারে কেউ লুকানোর চেষ্টা করছে, সিঁড়িঘরে ট্যাংকের পিছনে। যখন সবাই বুঝতে পারে এবং তাকে বের হয়ে আসতে বলে তখন সে কোনো শব্দ ছাড়া শুয়ে পড়ে, অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর সেখান থেকে বাড়িওয়ালার ছেলে তুহিন সরকার বের হয়ে আসে এবং পুরো বিষয়টিকে অস্বীকার করে। তখন তার পরিবারকে জানানো হলেও তারা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা চলে যাওয়ার পর পুনরায় খোঁজাখুজি করলে একটি লাঠি দড়ি বাঁধাসহ ট্যাংকের পাশে খুঁজে পাওয়া যায়। বর্তমানে মেসে অবস্থানরত মেয়েরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে রয়েছে এই ভয়ে যে, এই লোক এই ধরনের ভিডিওগ্রাফি কতদিন যাবত করছে? কত মেয়ের অপ্রীতিকর ভিডিও এর আগে করা হয়েছে। এই মেসে অবস্থানরত মেয়েরা সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ জানান মেসে অবস্থানরত মেয়ে শিক্ষার্থীরা।
এই ঘটনা জানাজানির পর ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গত ১৯ মে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপর্যুক্ত শাস্তির দাবিতে ভিসি কার্যালয়ে অবস্থান নেন। তারপরেও সুষ্ঠু বিচার না পেয়ে বৃহস্পতিবার মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। বৃহস্পতিবার সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত মেসে থাকা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের মালামালসহ তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে প্রক্টর অফিসে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর (দায়িত্বরত প্রক্টর) শাকিল মাহমুদ শাওনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি)।
বুধবার (২২ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইডিইবি’র জেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম জাহাংগীর আলম খান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ৪র্থ শিল্পবিল্পপ আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রত্যেকটি চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে সুবিধাগুলো পেতে হলে আমাদের দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। এসব কার্যক্রমের জন্য আমাদের ৩ দফা দাবি অতি গুরুত্বপূর্ণ। দাবিগুলো হলো- কারিগরি ও বৃত্তিমূলক এ শিক্ষাকে জনপ্রিয় করার স্বার্থে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিএসসি (পাস) কোর্সের সমমান মর্যাদা প্রদানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে; জাতীয় মেধার অপচয় রোধ ও প্রশাসনে শ্রেণি স্বার্থ দ্বন্দ্ব নিরসনে এবং রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় রোধে প্রশাসনিক ক্যাডারে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীদের প্রবেশ রোধে পেশা পরিবর্তনের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বন্ধ করতে হবে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের পদোন্নতির কোটা ৫০ শতাংশে উন্নীতকরণ, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাথমিক নিযুক্তিতে অন্যান্য পেশাজীবীদের ন্যায় একটি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট, পরিকল্পনা ও নকশা বিভাগে কর্মরত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলীদেরকে সহকারী প্রকৌশলীদের ন্যায় ৩টি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট প্রদান ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং উত্তীর্ণদের ক্রেডিট ওয়েভার দিয়ে ২ বছরে ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করার যুযোগ প্রদানসহ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের ৩ দফা দাবী অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইডিইবি’র জেলা শাখার সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সাধারণ সম্পাদক মীর মহাম্মদ হোসেন চুন্নু, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক রিতা সাহা, টাঙ্গাইল পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী জাবেদুল ইসলাম, আইডিইবি’র জেলা শাখার নির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল হাসান সোমবার (২০ মে) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওই নারীর নাম, তাসলিমা (৪৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মঈন নগরের রাজু আহমেদের স্ত্রী।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, দণ্ডিত তাসলিমাকে মির্জাপুর থানা পুলিশ ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ওই দিনই মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাসলিমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন ২০১৭ সালের ২৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় তাসলিমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন বাংলা টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়ছ।
রবিবার (১৯ মে) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানর আয়োজন করা হয়।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলন, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ।
বাংলা টিভিকে শুভেচ্ছা জানান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি খন্দকার হাবিবুল্লাহ কামাল। এ সময় দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, ডিবিসি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সোহেল তালুকদার, বাংলা টিভির বাসাইল প্রতিনিধি রুবল মিয়া, সাংবাদিক আবু সাঈদসহ টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি টাঙ্গাইলের নাবিক সাব্বিরের বাড়িতে যেন ঈদের আনন্দ। জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁকে কাছে পাওয়ার অপেক্ষা করছিল সাব্বিরের বৃদ্ধ মা-বাবা, বোন বন্ধুসহ স্বজনরা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে টাঙ্গাইল শহরের আদালত পাড়া তার বোনের বাড়িতে পৌঁছালে সাব্বিরকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলে নেন তাঁর মাসহ পরিবারের সদস্যরা।
সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার ৬৫ দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফিরেন সাব্বির।
সাব্বির বলেন, যখন জলদস্যুরা আমাদের জাহাজ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়, তখন থেকে আমরা তাদের কাছে বন্দি ছিলাম। তবে জাহাজে আমরা যে যার কাজ ঠিকঠাক মতো করেছি, রোজা রেখেছি, নামাজও পড়েছি।
সাব্বির আরও বলেন, ‘ছাড়া পেয়ে সেই ঈদের আনন্দটাই আল্লাহ যেন এখন দিয়েছে। আমাদের ফিরিয়ে আনতে সিও স্যারসহ যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমকিা রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
পরিবারে সাব্বিরকে ফিরে পেয়ে তাদের মধ্যে ঈদের আমেজ বিরাজ করছে। তাঁর ফিরে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাঁকে এক নজর দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় জমায়।
সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার বলেন, এখন আমার ভাই ফিরে এসেছে, আমরা অনেক খুশি।
প্রকাশ, গত (১৪ এপ্রিল) ভোরে জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হয় এম ভি আব্দুল্লাহ জাহাজসহ ২৩ নাবিক। এরপর জাহাজটি পৌঁছে দুবাই এর আল হামরিয়া বন্দরে। সেখান থেকে মিনা সাকার নামের আরেকটি বন্দরে চুনা পাথর ভর্তি করার পর চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সব মিলিয়ে ৬৫ দিন পর মুক্ত হয়ে নাবিকরা বাংলাদেশে এসে স্বজনদের কাছে ফিরলেন।
সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে ভারত মহাসাগর থেকে জিম্মি হন বাংলাদেশি জাহাজ এম ভি আব্দুল্লাহর ২৩ নাবিক। এদের মধ্যে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজলোর সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে সাব্বিরও ছিলেন। শহরের কাগমারি সরকারি এম এম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে সর্বশেষ ২০২২ সালের জুন মাসে এম ভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্য বহনকারী একটি জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি নেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
শনিবার (১১ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের নাম এসেছে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার দরিদ্র ছেলে-মেয়েরা পড়ালেখা করেন। সর্বজনীন পেনশনে শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিতে আর আগ্রহী হবে না। এতে দেশ মেধাশূন্য হবে।
তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে সুকৌশলে জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।
দ্রুত সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সরিয়ে স্বতন্ত্র রাখার দাবি জানান শিক্ষকরা। দাবি না মানলে আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, অধ্যাপক ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক, সহযোগী অধ্যাপক ড. শিমুল রায়, সহকারী অধ্যাপক শাকিল মাহমুদ শাওনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।
একতার কণ্ঠঃ সবুজ পাতা ছাপিয়ে সোনালি রঙের ফুলে সেজেছে সোনালু গাছ। প্রতিটি গাছের গা থেকে যেনো হলুদ ঝরনা নেমে এসেছে। বাতাসে কিশোরীর কানের দুলের মতো দুলতে থাকে এ ফুল, আকৃষ্ট করে
পথচারীদের।
টাঙ্গাইল পৌর শহরের ধুলের চর মাদ্রাসার সামনের ডিসি লেকের পশ্চিম দিকের পাকা সিঁড়ির পাশে একটি, লেকের পাড়ের রাস্তার ধারে আরও দুটি ও উদ্যান তত্ত্ব অফিসের আঙিনায় আরও তিনটি সোনালু গাছ ফুলে শোভিত হয়ে আছে।
এই সড়কে চলাচলকারী পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী, প্রাইভেট কার আরোহীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্যের ভান্ডার এই সোনালু ফুল গাছগুলো।
জানা গেছে, সোনালু গাছ পাতা ঝরা মাঝারি আকৃতির বৃক্ষ। এটি আট থেকে ৯ মিটার উঁচু হয়। হলুদ বরণ এ ফুল দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি আছে তার বাহারি নামও।
পরিচিত নামগুলো হলো- সোনালু, সোনাইল, সোঁদাল, বান্দরলাঠি ইত্যাদি। বৈজ্ঞানিক নাম,ক্যাসিয়া ফিস্টুলা, ইংরেজি নাম গোল্ডেন শাওয়ার ট্রি।

হাজার বছর আগেও এ গাছ আমাদের উপমহাদেশে ছিল। এ গাছের বৈশিষ্ট্য হলো ঝাড় লণ্ঠনের মতো দীর্ঘ মঞ্জরি এবং উজ্জ্বল হলুদ ফুল। এ গাছের আদি নিবাস হলো ভারত, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ। এর ফুল, ফল ও পাতা বানরের খুব প্রিয়। সোনালু কাঠের রং ইটের মতো লাল। ঢেঁকি ও সাঁকো বানানোর কাজেও এ গাছের কাঠ ব্যবহার করা হয়।
এই ফুলের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে পথচারী মাহবুব চৌধুরী মনি বলেন, এই সময়ে আমি যতবার মোটরসাইকেল নিয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি, কিছুটা সময় হলেও মোটরসাইকেল থামিয়ে এই ফুলের শোভা উপভোগ করি। এই লেকের পাড়ে আরও আছে কৃষ্ণচূড়া, পলাশসহ বেশ কিছু গাছ, যেগুলো সব সময়ই আমাকে কাছে টানে। ইট-কাঠ-কড়ি-বরগার এই শহরে আরও কিছু এই ধরনের গাছ লাগানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্টের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র শৈবাল চৌধুরী বলেন, আমি জন্মসূত্রে কক্সবাজার জেলার হলেও পড়ালেখার কারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার ধুলেরচর এলাকায় থাকি। যখনই আমি সময় পাই ডিসি লেকের এই ঘাটলায় বসে সোনালু ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। পড়ালেখা করতে করতে যখন একঘেয়েমি পেয়ে বসে তখনই আমি এই গাছগুলোর সামনে এসে দাঁড়াই। নিমিষেই আমার সেই একঘেয়েমি ও ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।
হাকিম মো. ইকবাল হোসেন বিইউএমএস( ঢাবি) জানান, সোনালু গাছের বাকল এবং পাতায় ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে। ব্লাডপ্রেসারে নাক দিয়ে রক্ত পরলে সোনালুর ফলমজ্জা আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে তা ছেঁকে চিনি বা মধু দিয়ে পান করলে এই সমস্যার সমাধান হয়। অন্ত্রের সমস্যায় চার-পাঁচ গ্রাম ফলমজ্জা চার কাপ পানিতে সেদ্ধ করে ছেঁকে সকালে ও বিকালে পান করলে সুবিধা পাওয়া যায়। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যও দূর হয়। এটি খুবই ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। ইউনানী চিকিৎসায় এখনো এই গাছের ব্যবহার রয়েছে।
টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাজাদুজ্জামান জানান, সোনালু গাছ একটি বনজ শোভা বর্ধনকারী গাছ। এই গাছটি ভারত উপমহাদেশের একটি গাছ। এই শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ, পাখিদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। গাছের উজ্জ্বল হলুদ ফুল মৌমাছি ও প্রজাপতিদের আকর্ষণ করে পরাগায়নের সহযোগিতা করে থাকে। এই গাছ মূলতঃ সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য লাগানো হয়ে থাকে । সোনালু গাছের সাথে কৃষ্ণচূড়া, পলাশ প্রভৃতি গাছ লাগালে আরও বেশি সৌন্দর্য বর্ধন করে থাকে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী।
শুক্রবার (১০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান জিন্নাহ, সাদেকুল আলম খোকা, জিয়াউল হক শাহীন, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সাধারণ সম্পাদক ইজাজুল হক সবুজ প্রমুখ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সদর উপজেলায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইতিপূর্বে দুইবার জনগণ আমাকে অনেক ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু এই সরকার আমার প্রাপ্ত ভোট ছিনিয়ে নিয়েছে। যে কারণে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সুপারিশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলাম। শুক্রবারের মধ্যে আমি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করবো।
জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসির তথ্যমতে প্রায় ৩৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই ইসি ও সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা নেই।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, এ সরকারের অধীনে জাতীয় ও স্থানীয় কোনো নির্বাচনই অবাধ সুষ্ঠু হয়নি। তাই আমরা এ নির্বাচনে যাচ্ছি না। যে কারণে সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য দলের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুধীজনদের সমন্বয়ে রাজনৈতিক-সৌহার্দ্য-সংস্কৃতি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ইউকেএইড’র অর্থায়নে এ কর্মশালার আয়োজন করে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশলান, বাংলাদেশ চ্যাপ্টার।
কর্মশালায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের ধারণা, রাজনৈতিক পরিসরের ধারণা, রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা সমুন্নত রাখার গুরুত্ব ও কৌশল এবং রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সমস্যাগুলি হলো- শহরের যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থা ও জলাবদ্ধতা।
নাগরিক প্রত্যাশা বিষয়ক কর্মশালা হতে উঠে আসা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমূহ উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপনা করা হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সকলের পরিকল্পনা উপস্থাপনের বিষয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোকপাত করেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ময়মনসিংহ অঞ্চলের সিনিয়র রিজিওলান ম্যানেজার নার্গিস আক্তার।
এতে অংশ নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল জেলা মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপিত নাজমুল হুদা নবীন, জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি নাছিমা বাছিদ, সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের (বিএনপি) সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রক্সি মেহেদী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম একটি বহুদলীয় স্বেচ্ছাসেবী রাজনৈতিক ফোরাম। যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।
একতার কণ্ঠঃ দেশজুড়ে চলছে তীব্র তাপদাহ। তীব্র গরম হতে দেশবাসীকে রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ওই ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত, ছাত্রলীগ নেতা আসিফ হোসেন, রাকিব, নিরব, রিপন, রামিম, নাসিম, স্বাধীন, আবির প্রমুখ।
টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নির্দেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এই বৃক্ষরোপণ করা হয়। এসময় বিভিন্ন ধরনের ২০টি চারা রোপণ করা হয়।