একতার কণ্ঠঃ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শতভাগ সফল হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সর্ম্পক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মোদি নিজে বলেছেন তিস্তার পানির ব্যবস্থাপনায় ভারত পাশে থাকবে। যে ধরনের প্রদক্ষেপ নেয়ার দরকার সে ধরনের প্রদক্ষেপে সহযোগিতা করবে। প্রথম বারের মতো আমরা ভারতের মধ্যে দিয়ে নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদুৎ আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।
শনিবার(৬ জুলাই )দুপুরে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হলরুমে আয়োজিত জেলার স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের লক্ষে মতবিনিয়ম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত তাদের উভয়ের মধ্যে সরবরাহ উন্নত করার চেষ্টা করছি। দেশীয় পণ্য ও আমদানিকৃত পণ্য সরবরাহে যেনো সংকট তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করছি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যখন যেখানে যে পণ্যের প্রয়োজন আমরা দ্রুত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সেই পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করবো। ভোক্তাদের কাছে দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেয়ার জন্য আমরা রেলওয়েকে ব্যবহার করবো। রেলওয়ে বিভাগের সাথে কথা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে পণ্যগুলো অতিদ্রুত ঢাকায় সরবাহ করা হবে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী)আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় হাসপাতালের কর্মকর্তাবৃন্দ ও ডাক্তার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিলের দাবিতে মহাসড়ক প্রায় দেড়ঘন্টা অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (৬ জুলাই) সকালে এই দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের জেলার নগরজলফৈ বাইপাস দেড়ঘন্টা অবরোধ করে রাখে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
প্রায় দেড় ঘন্টা অবরোধের পর দুপুর ১২টার দিকে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা। এর আগে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে কোটা প্রথা বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ঢাকা- টাঙ্গাইল- বঙ্গবন্ধু মহাসড়কে নগরজলফৈ বাইপাস এলাকায় অবস্থান নেয়।
সেখানে তারা কোটা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়। অবরোধের ফলে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পুর্ব ঘোষনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা অবরোধ করলে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নেয় মহাসড়কে। প্রায় দেড় ঘন্টা অবস্থানের পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়। দাবি মানা না হলে আরো কঠোর কর্মসুচির দেওয়ার ঘোষনা দেয়া হয় সমাবেশ থেকে।
সমাবেশে শিক্ষার্থী জানায়, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারী চাকুরীর সুযোগ পাবে শিক্ষার্থী। কোটা প্রথা থাকলে সেখানে মেধাবীরা পিছিয়ে পড়বে। সে কারনে কোটা প্রথা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে তারা।
এর আগে শুক্রবার (৫ জুলাই )সকালে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে কোটা বাতিলের দাবিতে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টানা বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলে যমুনা ও ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার তিন উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার, ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য থেকে আরও জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ৪১ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ি পয়েন্টে ৩৮ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েন্টে ৪১ সেন্টিমিটার, ফটিকজানি নদীর পানি নলচাপা ব্রীজ পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার, বংশাই নদীর পানি কাউলজানী পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার, মির্জাপুর পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার, এবং মধুপুর পয়েন্টে ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

এরফলে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের নিচু এলাকার ফসলি জমির পাট, তিলসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ভুঞাপুর ও কালিহাতী এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমরা সব সময় শুকনো মৌসুমে কাজ করে থাকি, তবে এ সময়ে যে সব উপজেলায় পানি বেড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে সে এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হবে বলে জানান তিনি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম বলেন, উজানের পানি নেমে আসায় ভাটিতে পানি বাড়ছে। ভূঞাপুরের অর্জুনা ইউনিয়নের কিছু ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পার্শ্ববর্তী নিকরাইল ও গাবসারা ইউনিয়ন আজকালের মধ্যে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বন্যার্তদের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রস্তুত আছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) কোটা বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ ও আন্দোলনে নেমেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোটা বাতিলের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ আশে-পাশে এলাকা। এ সময় একই দাবিতে শনিবার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের হুমকি দেওয়া হয়।
সরকারি চাকরিতে কোটা-পদ্ধতি বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহন করেন।
শুক্রবার( ৫ জুলাই )সকাল ১০ টায় তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটক হয়ে প্রথম ফটকে অবস্থান নেয়।
পরে প্রথম ফটকের সামনে দলে দলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। এ সময় তারা সারা বাংলায় খবর দে-কোটা প্রথার কবর দে, আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই এর মতো বিভিন্ন আগুনঝরা স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা শিক্ষার্থীরা কখনও সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করতে চাই না, আমরা পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। কারণ যে পরিমাণ কোটা, তাতে দেশের মেধাবীরা চাকুরি না পেয়ে দেশের বাইরে চলে যাবে, দেশে সরকারি চাকুরিতে করার আগ্রহও হারাবে।
সমাবেশে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তৌকির আহমেদ বলেন, বৈষম্যমূলক কোটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বেও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। এ বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।
টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রাকিব বলেন, এই আন্দোলন কোনো সরকার বিরোধী আন্দোলন না, এই আন্দোলন আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আন্দোলন। যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলন। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চাই।
সমাবেশে বক্তারা দাবি না মানলে শনিবার(৬ জুলাই) ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন পরিচালনা করার হুশিয়ারি দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষকরা অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত ‘প্রত্যয়’ পেনশন স্কিম সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অর্ন্তভুক্তি এবং শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের আহ্বানে বুধবার (৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম একাডেমিক ভবনের সামনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করেন।
কর্মবিরতি চলাকালে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মো. ইকবাল মাহমুদ, এনভায়রনমেণ্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেণ্ট বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মো. মাহবুবুল হক প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের খরিপ-২/২০২৪-২৫ মৌসুমের উফশী আমন আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার ১ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।
এই বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান-বিন-মুহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুমানা আকতার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু, মাহমুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসলাম হোসেন শিকদার, ছিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজায়েত হোসেন প্রমুখ।
প্রকাশ, প্রণোদনা কর্মসূচিতে সদর উপজেলার ১ হাজার কৃষককের মধ্যে রোপা আমন ধানের বীজ ৫ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি মোট ২৫ কেজি করে বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা’র নির্বাচনে ডক্টর মো. ইব্রাহীম হোসেন খান সভাপতি ও এএফএম রেজাউল কমির হিরণ সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (২৯ জুন) রাজধানীর নিকুঞ্জ সমিতি ভবণে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে ৫৭১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফলাফল ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল জেলা সমিতি ঢাকা’র জমজমাট ওই নির্বাচনে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন- খন্দকার গোলাম ফারুক, বীর মুক্তিহযোদ্ধা মণি খন্দকার, আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন বাবলু, মো. খোরশেদুজ্জামান মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল হোসাইন, অধ্যাপক ডা. মো. শাহআলম, মোহা. শওকত আলী খান ও ডক্টর শহিদুল ইসলাম।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- এমএ মজিদ, দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বাদল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন খান রাজিব, মো. মনিরুজ্জামান মিয়া, মো. লুৎফর আজম রানা, মো. শরীফ উদ্দীন বুলবুল, মো. শামছুল আলম কমল ও মো. সাইফুল ইসলাম খান।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিতরা হচ্ছেন- মির্জা মাহবুব হোসেন, মো. আব্দুস সাত্তার, ব্যারিস্টার মো. গোলাম নবী, মো. গোলাম মোস্তফা গোলাপ, মো. মাইনুর ইসলাম খোশনবীশ, মো. রুহুল আমিন, মো. রেজাউল ইসলাম ও মো. শরিফ উদ্দিন আরজু।
অর্থ সম্পাদক পদে এসএম আল-আমীন; প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল হাসান বুলবুল। শিক্ষা, সাহিত্য ও গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. কায়ছার রহমান; স্বাস্থ্য ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা. সারাহ বানু; মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সম্পাদক পদে মো. আশরাফুল আলম; পরিবেশ, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক পদে কামরুজ্জামান বাচ্চু; আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. শোয়াইব মিয়া; অভ্যন্তরীণ হিসাব নিরীক্ষা সম্পাদক পদে মো. আব্দুস সবুর তালুকদার; বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আইটি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর নুর রকিব।
নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিতরা হচ্ছেন- আবদুল মান্নান, আব্দুল্লাহ আসিফ খান শেলী, এএমইউ আহমেদ পারভেজ, একেএম আজাদ রহমান, এমএ হাদী, কাজী আশরাফুল হক জুয়েল, খন্দকার আছাব মাহমুদ, জিয়াউল হক শাহীন, নাজমুল রহমান তালুকদার সেলিম, নাজমুল ইসলাম বাপ্পী, পরিতোষ চন্দ্র তালুকদার, মাজেদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান খান, মেহেদী আলী খান, আজিজুর রহমান, মো. আবু হাসান তালুকদার, ডক্টর আবুল কাশেম, মো. জোয়াহেরুল ইসলাম তালুকদার, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম মন্টু, মো. মাঈন উদ্দিন আহমেদ সুমন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. সুলতান হোসেন, মো. হাদিউর রহমান খান, মো. হাসমত আলী রেজা, মো. রেজাউল ইসলাম, মুহাম্মদ হাবিবুল আনোয়ার, রকিবুল ইসলাম তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, লুৎফুন নাহার, শাহ আলম সৈকত, সৈয়দ ইকবাল হোসেন, সৈয়দা আমেনা ইসলাম ও হেলাল উদ্দিন তালুকদার।
এছাড়া ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে তারেক শামস্ খান হিমু, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. মোজাম্মেল হক মিয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে আরিফ হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে আব্দুল বাতেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক পদে সেলিনা আক্তার, ব্যবসা ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে আবুল কালাম আজাদ খোকন, ছাত্রকল্যাণ ও বৃত্তি সম্পাদক পদে মো. মেহেদী হাসান রনি, ধর্ম সম্পাদক পদে মো. আসাদুজ্জামান আসাদ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনিসুর রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৪ দিন পর এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ জুলাই )দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সন্তোষ রথখোলা শান্তিনগর মডেল টাউন পুকুরের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের নাম সোহেল রানা (৩২)। সে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের অলোয়া ভবানি আমতলা এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে। সোহেল সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছিল।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানায়, শুক্রবার (২৮ জুন) রাত ১১ টার দিকে বাসা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বাহিরে যায় সোহেল। এরপরে সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে থানায় একটি জিডি করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার একটি পুকুরের পাশ থেকে সোহেলের মরদেহ পাওয়া যায়। সোহেল আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আবার সিঙ্গাপুর যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
এ প্রসঙ্গে সাবেক কাউন্সির মোহাম্মদ আলী জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আমার বাড়ির কাছেই একটি পুকুরের পাশ থেকে অজ্ঞাত একজনের মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে অবহিত করলে তারা এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকান্ড। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এর রহস্য উদঘাটন করতে করা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বেড়াডোমায় লৌহজং নদীর ওপর নির্মাণাধীন ব্রিজ ভেঙে হেলে পরার ঘটনায় পৌরসভার মেয়রসহ ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহকারী পরিচালক বিপ্লব হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামিরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিক্সস অ্যান্ড ব্রিজেজ লি. এবং দ্য নির্মাতা (জেভি) স্বত্বাধিকারী মোস্তফা মোহাম্মদ মাসুদ, প্রকল্প পরিচালক এ কে এম রশীদ আহমেদ, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশরী শিব্বির আহম্মেদ আজমী, সহকারী প্রকৌশলী রাজীব কুমার গুহ এবং উপসহকারী প্রকৌশলী এ কে এম জিন্নাতুল হক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বেড়াডোমা লৌহজং নদীর ওপর এলজিইডির অর্থায়নে নির্মাণাধীন এ সেতুটি বাস্তবায়ন করছিল টাঙ্গাইল পৌরসভা। ব্রিজের নির্মাণ ব্যায় ধরা হয় ৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ৪০ মিটার দৈর্ঘ্য আর ৮ মিটার প্রস্থের ব্রিজটি সেতুটি ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের চুক্তি অনুযায়ী সেতুটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ১১ মে।কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ওই বছর ১৬ জুন রাতে পানির স্রোতে নির্মাণাধীন সেতুর পশ্চিমপাশের বাঁশ ও কাঠের খুঁটিগুলো সরে গিয়ে একাংশ ডেবে যায়। পরে দুদকসহ বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত শুরু করে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ও কতৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই ৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার টাকা ব্যায়ে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি ডেবে যায় বলে দুদকের মামলায় উল্লেখ করা হয়।
টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর দেশের বাহিরে (অস্ট্রেলিয়ায়) থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ব্রিজ এলেঙ্গা রিসোর্টে অনৈতিক কার্যক্রম চলছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন খদ্দেরসহ সাত নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (৩০ জুন) গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে রিসোর্টের বিভিন্ন রুম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
সোমবার (১ জুলাই) সকালে এ ঘটনায় মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করে আটককৃতদের আদালতে পাঠিয়েছে কালিহাতী থানা পুলিশ।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃত পুরুষরা হলো, পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুর গ্রামের মৃত আ. করিমের ছেলে মো. মোজাম্মেল (৫৮), টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ব্রাহ্মণশাসন গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আফজাল হোসেন (৩৫) ও বগুড়া সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে কনক ইসলাম(৩০)।

আটককৃত নারীরা হলো, টাঙ্গাইল শহরের বোয়ালী মধ্যপাড়ার মৃত আবু সাঈদের মেয়ে হাফিজা ওরফে হাবিবা (২৫), একই শহরের অলোয়াভবানী এলাকার আ. করিমের মেয়ে শিউলী (২৪), একই জেলার গোপালপুর উপজেলার নরিল্যা গ্রামের আ. কাদেরের মেয়ে কুলসুম (১৯), টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা (সৃষ্টিস্কুল রোড) এলাকার মো. সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে সারিয়া রহমান জাকিয়া(২১), শহরের বটতলা এলাকার মরহুম ফজলুর রহমানের (ব্রিগেডিয়ার) মেয়ে ফারজানা (৩২), একই জেলার মির্জাপুর উপজেলার কুরণী গ্রামের মৃত কদ্দুছ খানের মেয়ে ঈশা ওরফে শাহনাজ (২৭) ও যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার বাঙালিপুর গ্রামের আশরাফ গাজীর মেয়ে মুক্তা(৩০)।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পাশেই এলেঙ্গা রিসোর্টে রেস্টুরেন্টের আড়ালে যৌন ব্যবসা পরিচালনা করা হয়। রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ খদ্দের সংগ্রহ করে যৌনকর্মীদের ভাড়া করে আনে। যৌন ব্যবসা ছাড়াও রিসোর্টে মাদকের ব্যবসা করা হয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে। এর আগেও কয়েকবার খদ্দেরসহ যৌনকর্মীদের আটক করেছিল পুলিশ। তবে রিসোর্টের কাউক আইনের আওতায় আনা হয় না। প্রতিবারই তাদের ছাড় দেওয়া হয়।
কালিহাতী থানার এসআই সাজ্জাদ হোসেন জানান, রবিবার গভীর রাতে গোপণে অসামাজিক কার্যকলাপের সংবাদ পেয়ে এলেঙ্গাস্থ বঙ্গবন্ধু ব্রিজ এলেঙ্গা রিসোর্টে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় রিসোর্টের মোসলেম উদ্দিন(৫৫), ফাহাদ (৩৫) ও সিরাজুল(৩৫) সহ আরও ৩ থেকে ৪ জন দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে এসআই সাজ্জাদ হোসেন অভিযান পরিচালনা করে তিন খদ্দেরসহ সাত নারীকে আটক করে। পরে পুলিশ বাদি হয়ে ১৩ জনের নামে মানবপাচার আইনের ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা দায়ের করে। গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতকদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মায়ের সাথে অভিমান করে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৩০ জুন) সকালে পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের প্যাড়াড়াইস পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পরীক্ষার্থীর নাম শুভ ঘোষ(১৭)। সে দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের নয়ার চর গ্রামের লিটন ঘোষের ছেলে। লিটন ঘোষ প্যাড়াড়াইস পাড়া এলাকার প্রবাসী আব্দুল করিমের বাসায় ভাড়া থাকেন।
শুভ ঘোষ এ বছর সন্তোষ মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে শুভ তার মা আলো ঘোষের কাছে পরীক্ষার খরচ বাবদ ১৫ শত টাকা চায়। এই নিয়ে মা ও ছেলের মধ্যে মনোমালিন্যের তৈরি হয়। পরে আলো ঘোষ সকালের নাস্তা তৈরি করতে রান্না ঘরে চলে যায়। আর শুভ গোসল করতে বাথরুমে ঢুকে। প্রায় আধা ঘন্টা পর শুভ মা আলো ঘোষ রান্না ঘর থেকে এসে শুভর শোবার ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে, বাইরে থেকে ডাক-চিৎকার শুরু করে। এ সময় শুভর কোন রকম সাড়া-শব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শুভকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। স্থানীয়দের সহায়তায় গামছা কেটে নামিয়ে দ্রুত শুভকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
রবিবার সন্ধ্যায় কাগমারী রানী দীনমনি মহাশ্মশানে শুভর মরদেহ দাহ করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের অনুরোধে ও কোন অভিযোগ না থাকায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী শুভ ঘোষের মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুভ ঘোষ এর অকাল মৃত্যুতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব ও ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন জামান সজল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ডাস্টবিন স্থাপনের দাবি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ফেলো-২৪ তম ব্যাচ টাঙ্গাইল।
বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবির কথা জানায় সংগঠনটি।
সম্মেলনে জানানো হয়, টাঙ্গাইল পৌরসভা অনেক প্রাচীন এবং গৌরবান্বিত একটি স্থান। পৌর কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট আন্তরিকতা স্বত্বেও পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাব এবং সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে স্থানীয় জনসাধারণ ও এসব এলাকার বাসিন্দারা নিয়মিত বিভিন্ন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সেই সাথে গৃহস্থালীর নিয়মিত বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে নানা রোগের জীবাণু ছড়াচ্ছে এবং ড্রেন বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিতকরণের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিকল্পিত বর্জ্যমুক্ত আধুনিক শহর ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে শহরে জনগণকে সচেতনতার পাশাপাশি গণস্বাক্ষর গ্রহন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সংগঠনটি। একই সাথে গেলো চলতি বছরের ৩১ মে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক বরাবর সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে গণস্বাক্ষর সমন্বিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডের সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে গৃহিত উদ্যোগ সম্বন্ধে উপস্থিত সকলকে অবহিত করা হয়।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ফেলো-২৪ তম ব্যাচের তিনজন ফেলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী ইমতিয়াজ সোহান, টাঙ্গাইল শহর যুবদলের সাবেক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিমেল খান বাঙ্গালী এবং জাতীয় তরুণ পার্টি সদস্য সচিব আল আমিন হোসেন, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব কে এম. তৌহিদুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।