/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইলে ভাসানীর ছোট ছেলে আবু বকর খান ভাসানীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাসানীর ছোট ছেলে আবু বকর খান ভাসানীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

একতার কন্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ছোট ছেলে আবুবকর খান ভাসানীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আবুবকর ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে।

শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানী ও আবুবকর খান ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল, ওরশ মোবারক, স্মরণসভা ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

টাঙ্গাইলের সন্তোষস্থ ঐতিহাসিক দরবার হলে দিনব্যাপী ওরশ মোবারক ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভায় ন্যাপ-ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী সভাপতিত্ব করেন।

প্রকাশ, আবুবকর খান ভাসানী ১৯৪৭ সালের ২৪ এপ্রিল আসামের ধুবড়ী জেলার দক্ষিণ শালমারা থানার আমতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ও হামিদা খানম ভাসানীর কণিষ্ঠ পুত্র।

১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর পিতা মওলানা ভাসানীর মৃত্যুর পর তিনি তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী সুফী জীবনযাপনের দিকে ঝুঁঁকে পরেন। তিনি টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলে ‘চোরমারা আন্দোলন’ করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

২০১২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সন্তোষে পিতার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষকদের প্রথম তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষকদের প্রথম তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে প্রথম অধ্যয়নরত পিএইচডি গবেষকদের প্রথম তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগের তিনজন পিএইচডি গবেষকের তত্ত্বীয় পরীক্ষার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

পরীক্ষা পরিদর্শন করেন- পরীক্ষা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. রোকেয়া বেগম, বিভাগীয় সভাপতি ফারহানা আক্তার, ওই তিন পিএইচডি গবেষকদের তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর ড. একে ওবায়দুল হক, রেজিস্ট্রার ড. ইঞ্জি. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

উল্লেখ্য, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে লাইফ সায়েন্স অনুষদের অধীনে ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগে তিনজন শিক্ষার্থী নিয়ে পিএইচডি কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এ বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রামে পরবর্তীতে আরও তিনজন শিক্ষার্থী ভর্তি হন। এছাড়া অন্যান্য অনুষদের অধীনে বিভিন্ন বিভাগে আরও ৯জন সহ মোট ১৫ জন পিএইচডি শিক্ষার্থী এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনস্ স্কুলের কৃতি ছাত্রী নৈঋতা হালদারকে সম্মাননা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনস্ স্কুলের কৃতি ছাত্রী নৈঋতা হালদারকে সম্মাননা

একতার কণ্ঠঃ অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, মাত্র ১০ বছরের শিক্ষা জীবনে ১১টি জাতীয় পুরষ্কার অর্জন করেছেন নৈঋতা হালদার নামে এক স্কুল ছাত্রী। নৈঋতা হালদার টাঙ্গাইলের পুলিশ লাইনস্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তিনি এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবেন।বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই কৃতি ছাত্রীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

পুলিশ লাইনস্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সঞ্চিত কুমার রায়।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মীর মনির হোসেন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাছির উদ্দিন, কৃতিছাত্রী নৈঋতার মাতা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য সহকারী অধ্যাপক চিনু রানী বিশ্বাস।

বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল শহরের একটি স্কুল থেকে ধারাবাহিকভাবে ১১টি জাতীয় পুরষ্কার অর্জন একটি বিরল ঘটনা। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এতোগুলো পুরষ্কার অর্জনকারী ছাত্রী দেশে আরও আছে কি না আমাদের জানা নেই।

সম্মাননা পেয়ে নৈঋতা হালদার আবেগময় অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যত জীবনের জন্য সবার কাছে আশীর্বাদ চান। পরে নৈঋতা হালদারের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:২১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর

একতার কন্ঠঃ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর হয়েছে। এ নিয়ে ১৪তম বারের মতো তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পাবলিক প্রসিকিউটর) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) মুক্তির আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন।

তারা যে কোনো শর্তে মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। তবে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট সকালে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে সহিদুর রহমান খান মুক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুকের ব্যথায় মুক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তার হৃদযন্ত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে থাইরয়েড ও কিডনিতে কিছু সমস্যা আছে।

হাসপাতালে থাকতেই তিনি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। তিন দিন আগে তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে কোমরের ব্যথার জন্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক ছিলেন মুক্তি।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর দফায় দফায় তার পক্ষে আইনজীবীরা ১৪ বার জামিনের আবেদন করেছেন। তবে প্রতিবারই ওই আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

ফারুক হত্যাকান্ডে আমানুর রহমান খান রানা, সহিদুর রহমান খান মুক্তি সহ তদের অপর দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পারও জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

এরপর তারা সবাই আত্মগোপনে চলে যান। এর মধ্যে আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। অপর দুই ভাই কাকন ও বাপ্পা এখনও পলাতক রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৭:এএম ৫ বছর আগে
মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর - Ekotar Kantho

মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর

একতার কণ্ঠঃ ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ছাত্রদের মারধরসহ কলেজে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় টাঙ্গাইল শহরের অবস্থিত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে বহিরাগতরা।বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হামলায় ভবনের জানালার কাঁচ, চেয়ার-টেবিল ভাংচুর ও প্রহরীকে মারধর করে তারা।

শিক্ষকদের অভিযোগ, করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন কলেজ বন্ধ ছিলো। ১২ সেপ্টেম্বর চালু হওয়ার পর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কলেজ ড্রেস ব্যতিত চলছে শিক্ষাকার্যক্রম। এর ফলে ড্রেস ছাড়াই কলেজে আসছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এই সুযোগ নিয়ে কলেজে বহিরাগতদের উপদ্রব বেড়েছে। তারা কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, এমনকি ছাত্রদের মারধরও করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক কলেজ শিক্ষক জানান,  সকালে কলেজের বাণিজ্য বিভাগ প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে মারধর করে বহিরাগতরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে মারধরের শিকার ওই ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে আনা হয়। ওই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় জড়িত কলেজের প্রাক্তন ছাত্র বায়েজিদ বোস্তামী উপস্থিত হয় অধ্যক্ষের কক্ষে। তিনি বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে জানান। ফলে তাকে অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বাইরে যাওয়ার অনুরোধ করেন শিক্ষকরা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বহিরাগতদের নিয়ে হামলা-ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কলেজ অধ্যক্ষ পুলিশে খবর দেন। এরই মধ্যে কলেজ ত্যাগ করে হামলাকারীরা।

উপাধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, হামলার বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ড. আতাউল গণিকে জানানো হয়েছে।

কলেজ অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন ছাত্র বায়েজিতের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:২৫:এএম ৫ বছর আগে
করটিয়ায় ইউটার্নের দাবীতে সড়ক অবরোধ - Ekotar Kantho

করটিয়ায় ইউটার্নের দাবীতে সড়ক অবরোধ

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের মাদারজানী এলাকায় ইউটার্নের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী।বুধবার(১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই অবরোধ কর্মসুচী পালন করা হয়।  একই দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন মাদারজানী এলাকার বিপুল সংখ্যাক নারী-পুরুষ।

পরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী ও করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু  বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কতৃপক্ষের সাথে কথা বলার আশ্বাসের  প্রেক্ষিতে কর্মসুচী প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

অবরোধ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শফি, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল , স্থানীয় মাদারজানী মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, মোস্তফা মুরাদ, আব্দুল গনি, বাবুল প্রমুখ।

অবরোধ চলাকালে বক্তারা বলেন, ঐতিহ্যবাহী করটিয়া কাপড়ের হাটের পাশ্ববর্তী এলাকা মাদারজানী । এখান দিয়ে শত-শত ব্যবসায়ী কাপড়ের গাড়ি নিয়ে এই রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে।  মহাসড়কের এই অংশে ইউটার্ন না থাকায় বিপাকে হাজার-হাজার কাপড়ের মহাজন।

বক্তারা আরো বলেন,মাদারজানী গ্রামের মাঝখান দিয়ে মহাসড়ক হওয়ায় গ্রামটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে। ইউটার্ন না থাকায় মসজিদে নামাজ পড়া এবং মরদেহ সৎকার করা সম্ভব হচ্ছে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:০৯:এএম ৫ বছর আগে
ইবি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ইন্তেকাল - Ekotar Kantho

ইবি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ইন্তেকাল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনীজনিত রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

মরহুমের মরদেহ সোমবার বিকাল ৪ টার দিকে তার পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি গ্রামে আনা হয়। পরে বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা নামাজ শেষে চারাবাড়ি সামাজিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের মৃত্যুতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তিনি মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন শীর্ষক কর্মশালা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন (সামাজিক ও অবকাঠামো) শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল পৌরসভার মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনলাইনে অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক রাকিব আহসান, নগর পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক শাকিল আক্তার, সহকারী অধ্যাপক শেমন্তী আজিজ, নগর পরিকল্পনা বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া আফরোজ।

এছাড়া পৌরসভা মিলনায়নে ১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর উল্কা বেগমসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তরা বলেন, ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ দেশ। তবে দুর্যোগের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া, এগুলোর প্রভাব বা ক্ষয়ক্ষতি থেকে সর্বোচ্চ মাত্রায় রক্ষা পাওয়া, ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা এবং তা পুষিয়ে নিয়ে পুনরায় জনগণকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সে লক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের মোকাবেলায় সবাইক কাজ করতে হবে। একই সাথে সকলের সহযোগিতায় ভূমিকম্পের বড় ধরনের ক্ষতিক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দায়িত্ব অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দায়িত্ব অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রিনা বেগম (২৬) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।  শুক্রবার( ১০ সেপ্টেম্বর)  টাঙ্গাইল জেনারেল হাসাপাতালের দক্ষিন পার্শ্বে(সাবালিয়া) অবস্থিত নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিক্যাল সেন্টারে সকাল ১০ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। রিনা বেগম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের রাঙাচিরা গ্রামের ইসরাইল মিয়ার স্ত্রী।

নিহতের স্বামী ইসরাইল মিয়া জানান, প্রসব ব্যাথা শুরু হলে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস সেন্টারে রিনা বেগমকে ভর্তি করা হয়। পরে গাইনী ডাক্তার ডা. সাদিয়া আফরিনের নেতৃত্বে অস্ত্রপাচারের (সিজার) মাধ্যমে রিনা বেগম কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। পরে তাকে কেবিনে আনার পর রাত থেকে প্রচুর পরিমাণ রক্ত পড়তে থাকে। বিষয়টি ক্লিনিকের নার্সকে জানানো হয়। পরে সেই নার্স ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারকে অবগত করে। তাদের একাধিকবার ফোন করার পরও তারা রোগীকে দেখতে আসেনি। পরে শুক্রবার সকালে রিনা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে ক্লিনিকের পক্ষ থেকে রিনা বেগমকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

ক্লিনিকের দায়িত্ব প্রাপ্ত নার্স অনামিকা সরকার বলেন, আমি সকাল থেকে দায়িত্ব পালন করছি। রাতে ও বৃহস্পতিবার কি হয়েছে আমি তা জানি না।

রিনা বেগমের মা চায়না বেগম বলেন, সিজার ভালভাবে করা হয়নি। সিজার করার পরপরই পেট ফুলতে থাকে। পেটের দুই পাশ দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমার মেয়ে বারবার ডাক্তারের কথা বলেছে। কিন্তু ডাক্তার দেখতে আসেনি। ডাক্তারের অবহেলায় আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আমাকে যারা সন্তানহারা করলো আমি তাদের কঠিন শাস্তি দাবি করছি।

নিহতের স্বামী ইসরাইল মিয়া আরও বলেন, ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আমার মেয়ে এতিম হয়েছে। আমার মেয়েকে যে এতিম করলো আমি ওই ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের শাস্তি দাবি করছি।

নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিক্যাল সেন্টারের মালিক সরোয়ার হোসেন খান বলেন, আমি খবর পেয়ে ক্লিনিকে এসে জানতে পারি ডা. সাজিয়া আফরিন রোগিকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড দিয়েছে। রোগির আত্মীয় স্বজন গাড়ীর সাথে যেতে রাজি না হওয়ায় আমার ক্লিনিকের ৩ জন স্টাফ দিয়ে মির্জাপুর পাঠানোর ব্যবস্থা করি।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডাক্তারই ভালো জানেন রোগিকে কোথায় রেফার্ড করবেন। এবিষয়ে ক্লিনিক মালিক কিছু বলতে অধিকার রাখে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৯:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানীর মাজারে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

ভাসানীর মাজারে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের শ্রদ্ধা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি।বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এসময় ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান হাসরত খান ভাসানী, যুগ্ম-মহাসচিব মো. আলাউদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম, প্রধান শিক্ষক (অব.) নুরু, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন, বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক মো. শামীম আল মামুন ও সদস্য সচিব শফিকুল ইসলামসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:২৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহিলা দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহিলা দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে  জেলা সদর রোডস্থ ‘সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে’ এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নিলুফা ইয়াসমিন খানের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাদেকুল আলম খোকা, আলী ইমাম তপন, মাহমুদুল হক সানু, জিয়াউল হক শাহীন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম,সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী সহ অনান্য নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এড.মমতাজ করিম। আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:১৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিবন্দি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা নিয়ে সংশয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিবন্দি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা নিয়ে সংশয়

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে যমুনাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ, শ্রেনীকক্ষ আর রাস্তাঘাট পানির নীচে সেসব শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ফলে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পর তা খোলার সিদ্ধান্ত হলেও স্কুলে যাবার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারে পানিবন্দি এসব বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের অয়নাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গিয়ে দেখা যায় স্কুলের মাঠে এখনো পানি প্রবাহিত হচ্ছে। স্কুলে যাতায়াতের রাস্তাটি পানির নীচে। আর বিদ্যালয়ের তিনটি ভবনের মধ্যে দুটির শ্রেনীকক্ষে পানি ঢুকেছে। ব্রেঞ্চগুলো বলতে গেলে পানির নীচে রয়েছে। সদর উপজেলার চর গালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা একই অবস্থা। এ বিদ্যালয়ের মাঠে এখনো হাটু পানি রয়েছে। পশ্চিম দিকে একটি ভবনের প্রায় অর্ধেকটা রয়েছে পানির নীচে।

এ সময় স্থানীয় বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা হয়। তারা জানান, বন্যার পানি নেমে না গেলে ছোট ছোট শিশুদের স্কুলে পাঠানো ঠিক হবেনা। কারন মাঠে এখনো পানি রয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পানি নেমে যাবে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই।

সদর উপজেলার ১৩ নং মগড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠেও পানি জমে রয়েছে। সেখানে অবস্থিত মগড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের মুল ভবনের সামনে জাল দিয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত দেখা যায় স্থানীয়দের। বিদ্যালয়ের পুরো মাঠটি পানির নিচে রয়েছে।

এদিকে কালিহাতি উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ১৪ নং সরকারী হাতিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের মাঠ থেকে পানি নেমে গেলেও কাদায় পরিপুর্ন হয়ে রয়েছে।

এ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন বলেন, স্কুলের মাঠ থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। কিন্ত এখানকার বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা নদী পার হয়ে স্কুলে আসে। এছাড়াও স্কুলে আসার যে রাস্তাটি রয়েছে তা এখনো পানি নিচে রয়েছে। তার পরেও স্কুল খোলার সকল প্রস্তুতি নিয়ে তারা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও শতভাগ আশা করছে স্কুল কতৃপক্ষ।

এসব স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, পানির মধ্যেই ক্লাসে ফিরতে আগ্রহী। এতদিন পর স্কুলে যাবার জন্যে পুরো প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র রাজন জানায়, অনেকদিন ধরে স্কুলের বন্ধুদের সাথে দেখা হয়না। তাই যত কষ্ট হোক ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তা স্কুলে যাবে। জানা গেছে, জেলার চরাঞ্চল ও নীচু এলাকার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র প্রায় একই রকম।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, জেলার তিনশ’ ৬৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এরমধ্যে ৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেনীকক্ষে এখনো পানি রয়েছে। অপরদিকে ৮৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। কিছু কিছু বিদ্যালয়ের পানি নেমে গেলেও রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে এখনো পানি থাকার কারনে শিক্ষার্থীদের একটা অংশ ক্লাসে না ফেরার শংশয় রয়েছে।

এ ব্যাপারে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান জানান, সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। বন্যা কবলিত স্কুলগুলো নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও স্থানীয় ব্যাক্তিদের নিয়ে সমস্যা সমধানের চেষ্টা করা হবে। অর্থাৎ যে কোন উপায়ে ১২ সেপ্টেম্বর শতভাগ স্কুল খোলার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারী জানান, বন্যা কবলিত স্কুলগুলোর পানি নামতে শুরু করেছে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে যাতে সবগুলো স্কুল খোলা যায় তার জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:১৮:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।