/ হোম / জাতীয়
নানা কর্মসূচীতে টাঙ্গাইলে “বিশ্ব নিরাপদ সড়ক দিবস” পালিত - Ekotar Kantho

নানা কর্মসূচীতে টাঙ্গাইলে “বিশ্ব নিরাপদ সড়ক দিবস” পালিত

একতার কণ্ঠঃ নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে বিশ্ব নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা হয়েছে। শুক্রবার(২২ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহমুদ হাসান। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে গিয়ে শেষ হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ‍‘গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়দেব পাল, বিআরটিএ টাঙ্গাইল সার্কেল সহকারী পরিচালক মো. আলতাব হোসেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন, মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি, নিরাপদ সড়ক চাই টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ঝান্ডা চাকলাদার প্রমুখ।

এ সময় জেলা প্রশাসন, সড়ক বিভাগ, বিআরটিএ ও নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সহ-সভাপতি,অর্থ সম্পাদক,প্রচার সম্পাদকসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২১ ০১:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ইয়াসমিন (১৯) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি টানপাহাড় এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ইয়াসমিন ওই এলাকার আব্দুল লতিফ মৃধার মেয়ে।

গৃহবধূর চাচা জুলহাস উদ্দিন জানান, কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি গ্রামের হাসু মিয়ার ছেলে নুরুন্নবীর সাথে পারিবারিকভাবে ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে ইয়াসমিনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার উপর নির্যাতন করত। এক বছর আগে ইয়াসমিন একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ধরাটি টানপাহাড় এলাকায় একটি জলপাই গাছের নিচে ইয়াসমিনকে রক্তাক্ত অচেতন অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়াসমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

গৃহবধূর শাশুড়ি নূরজাহান বেগম জানান, তাদের নতুন বাড়িতে কাজ চলছে। এ জন্য তিনি সেখানেই ছিলেন। ছেলের বউ বাড়িতে একাই ছিল। কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে তা তিনি বলতে পারছেন না।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামাল জানান, বিকেলে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা আব্দুল লতিফ মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২১ ০৪:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস খাদে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস খাদে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে এক বৃদ্ধা নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন।বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার গুণগ্রাম এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃদ্ধার নাম স্নেহালতা (৯৫)। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল গ্রামে।

ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন জানান, টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী প্রান্তিক সুপার সার্ভিসের (বগুরা-জ-১১-০১৭০) একটি বাস ঘাটাইল উপজেলার গুণগ্রাম ব্রিজের উত্তরপাশে এসে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে বাসটি সড়ক থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়।

তিনি আরো জানান, পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে স্নেহালতা নামে এক বৃদ্ধাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মধুপুরে আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিলেন। চিকিৎসার জন্য গুরুতর আহত কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৪:এএম ৫ বছর আগে
‘ভাড়াটে’ সুলতানদের সামনে আহত বাঘ - Ekotar Kantho

‘ভাড়াটে’ সুলতানদের সামনে আহত বাঘ

একতার কণ্ঠঃ জ্যান্ত বাঘের চেয়েও আহত বাঘ বেশ ভয়ঙ্কর। বাংলা সাহিত্যে এই প্রবাদের প্রচলন বেশ। মরুর বুকে পাহাড়ের শহর মাসকটে এই প্রবাদের সত্যতা প্রমাণের পালা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলের সামনে। স্কটিশদের থাবায় অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, ওমানের বিপক্ষে একটা জয় এনে দিতে পারে পাহাড়সম স্বস্তি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সুলতানাত ওমানের মুখোমুখি লাল সবুজের দল। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে এই মহারণ। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয়ে বেদনা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বাংলাদেশ। শিষ্যরা যে ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবেন সেই বিশ্বাস, আস্থা আছে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর।

‘ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে। আমিও ওদের ওপর আস্থা রাখছি। অনেক টানটান উত্তেজনার ম্যাচ ওরা জিতেছে। ছেলেরা ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বাধা পার করবে, পরের রাউন্ডে যাবে, এ ব্যাপারে আমি আত্মবিশ্বাসী।’- এই ম্যাচকে সামনে রেখে ঠিক এভাবেই বলছিলেন রাসেল ডমিঙ্গো।

অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পর এখন মাহমুদউল্লাহদের ভাবতে হচ্ছে পুচকে ওমানের বিপক্ষে জয় পাওয়া নিয়ে। অনিশ্চিয়তার খেলা ক্রিকেটে বুঝি এমনই হয়। বিশেষ করে খেলাটা যখন ২৪০ বলের তখন ফেভারিট বলতে কোনো শব্দ হয়তো নেই। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করায় এই আলোচনার জন্ম দিয়েছে বেশ জোরালোভাবেই।

ওমানকেও হালকা ভাবে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। বেশকিছু বিষয় কাজ করছে তাদের পক্ষে। একে তো স্বাগতিক দল আবার বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে পাপুয়া নিউ গিনিকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে। তাদের সমীহ করছেন বাংলাদেশ কোচও। তবে এটাও জানিয়ে রেখেছেন ভালো খেললে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

‘আমাদের আগামীকাল (আজ) ভালো করতে হবে। ওমান ভালো করছে। ওরাও পরের রাউন্ডে যেতে চাইবে। আমাদের জন্য কাজটা কঠিনই হবে। কিন্তু ছেলেরা জানে যে ওরা যদি ভালো খেলাটা খেলতে পারে, তাহলে আমাদের জেতার সম্ভাবনাই বেশি। কোচ হিসেবে আমি কোনো দলকেই ছোট করে দেখি না। এটাই কোচদের বৈশিষ্ট্য।‘

মাসকটের আল আমিরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্কটিশদের বিপক্ষে প্রবাসীদের জোয়ারে গ্যালারিতে উঠেছিল লাল সবুজের ঢেউ। একই দৃশ্য দেখা যাবে আজও। এতে কোনো সন্দেহ নেই। ওমানিদের ক্রিকেট নিয়ে খুব একটা আগ্রহ না থাকলেও এই ম্যাচে স্থানীয় দর্শকদের মাঠে দেখা যাবে। গতকাল রাতে ওমান ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দেয়, ‘সব টিকিট বিক্রি শেষ। গ্যালারি হাউজফুল।’

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা ১৬ সদস্যের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের জন্ম ভারত ও পাকিস্তানে। একমাত্র সুফিয়ান মেহমুদের জন্ম ওমানে, তিনি দেশটির বয়সভিত্তিক দলে খেলে উঠে এসেছেন জাতীয় দলে। তাই ওমান দলকে এক কথায় ‘ভাড়াটে’ দল বললেও ভুল হবে না। যদি তারা নাগরিকত্ব পেয়ে এখন ওমানের পতাকা উড়াচ্ছেন।

বাংলাদেশ একাদশে এক পরিবর্তন নিশ্চিত। ওপেনার সৌম্য সরকারের পরিবর্তে মোহাম্মদ নাঈমকে দেখা যাবে। পেস আক্রমণেও দেখা যেতে পারে ভিন্নতা। তাসকিন আহমেদের পরিবর্তে দেখা যেতে পারে শরিফুল ইসলামকে। আর বাংলাদেশ যদি এক পেসার কম খেলায় তাহলে একাদশে আসতে পারেন নাসুম আহমেদ।

এ ছাড়া ব্যাটিং অর্ডারে আসতে পারে পরিবর্তন। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী নামানো হতে পারে ব্যাটসম্যানদের। এই ইঙ্গিত দিয়েছেন খোদ ডমিঙ্গো, ‘আমি ক্রিজে বাঁহাতি ও ডানহাতির সমন্বয় দেখতে পছন্দ করি। সবসময়ই যেন ভিন্ন ভিন্ন দুজন ব্যাটসম্যান ক্রিজে থাকে, সেই চেষ্টা করি। এ নিয়ে গভীরভাবে আলোচনাও করেছি। আমরা ছোট খাটো পরিবর্তনও আনতে পারি। এক-দুই জায়গা হয়তো এদিক ওদিক হবে। শেষ দুটি সিরিজেও দেখেছেন আমরা কিভাবে ব্যাটিং অর্ডার সাজিয়েছি। আমরা এক্ষেত্রে খুবই নমনীয় থাকতে চাই। ম্যাচের অবস্থা অনুযায়ী ব্যাটসম্যান পাঠাতে চাই।’

এর আগে ওমানের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছিল। তবে এবার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে দলটি। স্বাগতিক বলেই কন্ডিশন তাদের পক্ষে। আর পাঁচ বছর আগের সেই দল আর এই দলের পার্থক্যও অনেক। দিনে দিনে তারা পরিণত হয়েছেন। আল আমিরাতে ওমান ১১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে তার মধ্যে ৭টিতেই জয় পেয়েছে।

বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের এই ম্যাচে জয় চাই-ই। না হয় মাসকট থেকেই ধরতে হবে দেশের বিমান। মাহমুদউল্লাহদের সামনে অগ্নিপরীক্ষা, সেই পরীক্ষায় পাস করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ কি পারবে সুলতানাতের মাটিতে ‘ভাড়াটে’ সুলতানদের হারাতে? বাংলাদেশকে যে পারতেই হবে!

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২১ ০১:০৫:এএম ৫ বছর আগে
আন্তর্জাতিক “শিশু শান্তি” পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলেন টাঙ্গাইলের সিয়াম - Ekotar Kantho

আন্তর্জাতিক “শিশু শান্তি” পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলেন টাঙ্গাইলের সিয়াম

একতার কণ্ঠঃ ২০০৫ সালে রোমে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের এক সম্মেলন থেকে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার চালু করা হয়।নেদারল্যান্ড ভিত্তিক শিশু অধিকার সংগঠন ‘কিডস রাইটস’ এই পুরস্কার প্রদান করে। প্রতিবছর একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী পুরস্কারটি হস্তান্তর করেন।

এ বছর ‘শিশুদের নোবেল’খ্যাত এই পুরষ্কারটির জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক ভাবে মনোনিত হয়েছেন টাঙ্গাইলের মেধাবী কিশোর ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম।

১৭ বছর বয়সী সিয়াম এ বছর বাংলাদেশ থেকে তার সংগঠন One Step For Tomorrow এর জন্য মনোনিত হয়েছেন।তিনি Education এবং Violence এই দুই ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছেন। শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে তার সংগঠন। One Step For Tomorrow সংগঠনটির সিইও হওয়ায় ‘কিডস রাইটস’ আর্ন্তজার্তিক এই সংগঠনটি সিয়ামের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মনোনিত করেছেন।

টাঙ্গাইলের কৃতি কিশোর ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম ঢাকা নটর ডেম কলেজ থেকে এ বছর এইচ এস সি পরীক্ষার্থী।তিনি ২০১৯ সালে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ফাইভ (গোল্ডেন) পেয়ে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেছেন।সিয়াম কিশোর আলো বুক ক্লাব, প্রথম আলো বন্ধুসভা, সেভ দ্যা স্টুডেন্টসহ অনেক সংগঠনের সাথে জড়িত।

দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়, সিয়ামের জন্ম কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের রৌহা গামে। বাবা মুহাম্মদ রমজান আলী , পারখী মনির উদ্দিন পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মা ফিরোজা আক্তার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকা। ছোট ভাই ফাহাদ আহম্মেদ শাফি টাঙ্গাইল প্রি ক্যাডেট স্কুলের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র। সিয়ামের পরিবার বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় থাকেন।

এ প্রসঙ্গে ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম বলেন,“ এই অনুভুতি এটা তো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আলহামদুলিল্লাহ, এরকম বিশ্বমঞ্চে নিজেকে দেখতে পেরে আমি অবশ্যই আনন্দিত। আমার বেড়ে ওঠা অজপাড়া গায়ে তাই স্বভাবতই আমার জানা বাংলাদেশের শিশুরা কত প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যায়। ছিন্নমূল শিশুরা কিভাবে দিনাতিপাত করছে। নিজের জায়গা থেকে আমার সংগঠন One Step For Tomorrow এর সকল স্টেপারদের সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করে যেতে চাই আজীবন। যদিও পুরষ্কার কিংবা সম্মাননা লক্ষ্য নয় তবুও সাদাত ভাই, গ্রেটা কিংবা মালালা ইউসুফজাইয়ের মতো আইকনদের পরবর্তী প্রজন্ম হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হয়। সবাইকে সাথে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে চাই স্বপ্নের পৃথিবী। আজীবন বুকে ধারণ করতে চাই স্টেপার মূলমন্ত্র ” Let’s make dreaming world visual together.

উল্লেখ্য, কিডস রাইটস ফাউন্ডেশন হল নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত একটি শিশুদের সহায়তা এবং অ্যাডভোকেসি সংস্থা।ফাউন্ডেশনটি ২০০৩ সালে মার্ক দুলার্ট এবং ইনেগ ইকিংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ডেসমন্ড টুটুকে উদ্ধৃত করে বলেছে, “কিডস রাইটস পুরোপুরি নির্বাককে কণ্ঠ দেওয়ার চেষ্টা করছে।”সংস্থার লক্ষ্য হ’ল বিশ্বজুড়ে দুর্বল শিশুদের সহায়তা ও ক্ষমতায়ন করা, ছোট-ছোট স্থানীয় প্রকল্পগুলির জন্য তহবিল সংগ্রহ করা এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলির মাধ্যমে শিশুদের অধিকারের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যার পর সেতুর রেলিংয়ে ঝুলাল ভ্যানচালকের লাশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যার পর সেতুর রেলিংয়ে ঝুলাল ভ্যানচালকের লাশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় চানমিয়া চানু (৬০) নামে এক ভ্যানচালক খুন হয়েছেন। তাকে হত্যা করে সেতুর রেলিংয়ে ঝুলিয়ে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা বলে জানান স্থানীয়রা। বুধবার (১৩ অক্টোবর) সকালে পলাইআটা-ধলপুর সেতুতে ঝুলন্ত অবস্থায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।কুড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী  ওই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত চান মিয়া কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামের পলাইআটার মৃত জুব্বার মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন।

কুড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী জানান, সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিনের কাছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গামছায় পা বাঁধা অবস্থায় নেটের প্লাস্টিক রশিতে ঝুলে থাকা চানুর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) তারিক কামাল জানান, দুপুর ১২টার দিকে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২১ ১২:৩০:এএম ৫ বছর আগে
আ’লীগের পালানোর ইতিহাস নেই, বিএনপি সব সময়ই পলায়নপর দলঃ কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

আ’লীগের পালানোর ইতিহাস নেই, বিএনপি সব সময়ই পলায়নপর দলঃ কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভিত্তি ও শক্তি হল এদেশের জনগণ। জনগণের কল্যাণে ও জীবনমান উন্নয়নে আওয়ামী লীগ আন্দোলন, সংগ্রাম ও কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে দীর্ঘ ২১ বছরের শত জুলুম-নির্যাতনের মধ্যেও আওয়ামী লীগের পালানোর ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগ দেশ স্বাধীন করেছে; এই দল, দলের নেতাকর্মী ও দল প্রধান কোনদিন দেশ এবং জনগণকে ছেড়ে পালাবে না।

মির্জা ফখরুলকে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সবসময়ই পলায়নপর দল। দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে ও দু:সময়ে তারা কখনই এগিয়ে আসে নি, বরং পালিয়ে পালিয়ে থেকেছে। দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বন্দুকের নলের মুখে- ক্যাণ্টনমেণ্টে। জনগণের সাথে আপনাদের কোন সম্পর্ক নেই। জনগণের কল্যাণে আপনারা কখনও কোন কাজ করেন নি। ধনী-বণিক ও সুযোগসন্ধানীদের জন্য কাজ করেছেন।

তাই আপনারা সবসময়ই জনবিচ্ছিন্ন ছিলেন- এখনও জনবিচ্ছিন্ন আছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন। মন্ত্রী বলেন, আপনাদের মুখে পালানোর কথা মানায়না, পালাবেন তো আপনারা। আপনাদের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বিদেশে পালিয়ে থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে দল চালাচ্ছে। আপনারা আর কোনদিন এদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবেন না।

বুধবার(১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় গরীব, অসহায় ও দু:স্থ ব্যক্তির মাঝে ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামছুল হুদা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার জেব-উন-নাহার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২১ ১২:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলাঃ ক্ষমা চেয়ে মুক্তি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলাঃ ক্ষমা চেয়ে মুক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় পরিবহন শ্রমিকদের হামলায় আহত হয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল রনীর নাক ফেটে রক্ত বের হতে থাকে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পরিবহন শ্রমিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার আনেহলা ইউনিয়নের যুগিহাটী গ্রামের মৃত মজিদ মণ্ডলের ছেলে হারুনুর রশিদ (৪০) ও উপজেলা কাগমারীপাড়ার ইকেন আলীর ছেলে মানিক।

জানা যায়, ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড ও উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের গেটের সামনে এলোপাতাড়িভাবে পার্কিং করে দখল করার বিষয়টি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে উঠানো হয়। উপস্থিত অনেকেই পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পরে মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে গেলে শ্রমিকরা ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা করে। এতে ম্যাজিস্ট্রেটের নাক ফেটে রক্ত বের হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এর আগে ওই ম্যাজিস্ট্রেট দুই পরিবহন শ্রমিককে জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড প্রদান করলে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে তার উপর হামলা চালায়।

এ ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও শ্রমিক পরিবহন নেতাদের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করা হয়। পরে শ্রমিক নেতারা ইউএনও ও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুক্তি পান।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব মিয়া বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ২ জন শ্রমিককে জেল-জরিমানা করলে পুলিশ সদস্যরা তাদের নিয়ে পুলিশ ভ্যানে বসে। এ সময় উত্তেজিত শ্রমিকরা ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা চালায়। পরে ইউএনও কক্ষে শ্রমিক নেতারাসহ সবাই বসে বিষয়টি সমাধান করে। এতে পরিবহন শ্রমিকরা ক্ষমা চাওয়ায় দুই শ্রমিককে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

হামলার শিকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল রনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২১ ০২:২২:এএম ৫ বছর আগে
আজ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী - Ekotar Kantho

আজ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

একতার কণ্ঠঃ আজ ১২ অক্টোবর(মঙ্গলবার) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা আর গবেষণার বদৌলতে মানুষ আজ অনেক অজানাকে জেনেছে, অসাধ্যকে সাধন করেছে এবং পৌছেছে উন্নতির স্বর্ণশিখরে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব আজ সমগ্র পৃথিবীব্যাপী সমাদৃত ও অনস্বীকার্য।

বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মােকাবেলা করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তােলার লক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ভূমিকা সর্বজনবিদিত। বর্তমানে গবেষণায় বাংলাদেশে ২য় অবস্থানকারী এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কসহ বিশ্বের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলােতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এটি বর্তমানে দেশের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পছন্দের অন্যতম তালিকায় রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমন্ডলী, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।উপমহাদেশের ইতিহাসে ১৯৫৭ সালের ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনে মাওলানা ভাসানী সন্তোষে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘােষণা দেন।

১৯৭০ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর সন্তোষে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সম্মেলনে মাওলানা ভাসানী “আমার পরিকল্পনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়” শিরোনামে একটি লিখিত বক্তব্য (নিবন্ধন) এর মাধ্যমে মাওলানা ভাসানী তার প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) এর চূড়ান্ত প্রস্তাব পেশ করেন।

প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় এর ৫টি মূলনীতি ছিল ? ক. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর জন্যে যে কোন একটি কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক থাকবে। খ. প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর জন্য নির্দিষ্ট মাত্রার দৈহিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক থাকবে। গ. প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে তার ধর্মের মূলশিক্ষা বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে দান করা হবে এবং তা অনুশীলন করা বাধ্যতামূলক থাকবে। ঘ. কেরােসিন তৈল ও লবণ ছাড়া বাকী সবকিছু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উৎপাদন করে নিতে হবে । ঙ. প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষাবর্ষগুলির মধ্যে চার-পাঁচ সপ্তাহ কাল প্রত্যন্ত গ্রামে কিংবা শিল্প এলাকায় হাতে কলমে কাজ করতে হবে।

নানা প্রতিবন্ধকতার পর ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নামে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হয় ২০০১ সালের ১২ জুলাই এবং একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে ২০০৩ সালের ২৫ অক্টোবর। যা টাঙ্গাইল শহর থেকে মাত্র ৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।

৫৭.৯৫ একর (২৩.৩২ অধিগ্রহণকৃত) আয়তনের উপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি অনুষদের অধীনে ১৮ টি বিভাগ চালু রয়েছে। সম্প্রতি ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ বিভাগ খোলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৩৩৩ জন (ছাত্র: ৩১০৩ জন ও ছাত্রী: ২২৩০ জন) শিক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে স্নাতক/ইঞ্জিনিয়ারিং পর্যায়ে ৪৩২৬ জন, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৯৬৮ জন, পিএইচডিতে ১৫ জন ও পিজিডি-ইন-আইসিটি ২৪ জন অধ্যয়নরত। সর্বমোট শিক্ষক সংখ্যা ২৪৩ জন (পুরুষ: ১৮১ জন ও নারী: ৬২ জন)। যার মধ্যে অধ্যাপক ৩০ জন, সহযোগী অধ্যাপক ৭৭, সহকারী অধ্যাপক ৯৬ জন, প্রভাষক ৪০ জন এবং পিএইচডি ডিগ্রীধারী ৬০ জন। এছাড়া ২৪৯ জন কর্মকর্তা ও ৩৬৬ জন কর্মচারী রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য মুক্তিযােদ্ধা আব্দুল মান্নান হল, আলেমা খাতুন ভাসানী হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, শহীদ জিয়াউর রহমান হল, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম হল, শেখ রাসেল হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল নামে ৭ টি হল রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং) এ ১৪২৯ জন, বিএসসি (অনার্স) এ ২৬৩৪ জন, বিবিএ তে ২৭৯ জন, বিএসএস (অনার্স) এ ১৮৩ জন, বি ফার্ম এ ২৭ জন, এমএস/এমএসসি তে ১২৯৬ জন, এমএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং)/এম ইঞ্জিনিয়ারিং এ ২০৫ জন, এমএসএস এ ২৮ জন, এমবিএ তে ১০৮ জন, পিজিডি-ইন-আইসিটিতে ২৮৭ জন শিক্ষার্থী ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে প্রায় ২০০০০ টি বই, ৯৪১ টি জার্নাল এবং সাময়িকী ও প্রায় ৩০০০০ টি ই-বুক রয়েছে। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাথে চীনের স্বনামধন্য ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্নারক রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোঃ China Three Georges University, Hubei University PR China, Chengdu Textile College (CTC) China, University of Electronics Science & Technology China ও Shenyang University of Chemical Technology (SUCT) China

বর্তমান বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার ও বাংলাদেশের ‘রূপকল্প’ এবং ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ২০৪১’ বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩শ ৪৫ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রায় সমাপ্তির পথে।বিশ্ববিদ্যালয়টি ২২ বছরে পদার্পণ করলেও ২০০৮ সাল পর্যন্ত অবকাঠামোগত উন্নয়নের চিত্র সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকারের সময়ে এসে এর অগ্রযাত্রা শুরু হয়ে বর্তমানে এর উন্নয়ন চিত্র চোখে পড়ার মতো হয়েছে।

বর্ণিত প্রকল্পে ভৌত অবকাঠামোগত সকল কম্পোনেন্টের ই-জিপি তে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে ও কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

অনুমোদিত প্রকল্পটির আওতায় বাস্তবায়নাধীন ১২.৭৪ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন, ১২-তলা বিশিষ্ট একাডেমিক-কাম-রিসার্চ ভবন নির্মাণ, ১০-তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক অ্যানেক্স উত্তর ভবন নির্মাণ, ২৫০ ছাত্রের জন্য নির্মাণাধীন জননেতা আব্দুল মান্নান হলের অবশিষ্ঠ ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম তলার উর্দ্ধমূখী সম্প্রসারণ, ৭০০ ছাত্রীর জন্য ১০ তলা বিশিষ্ট ”শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল” নির্মাণ, ৫৫০ ছাত্রের জন্য ১০-তলা ভিতে ০৫ তলা পর্যন্ত ”শেখ রাসেল হল” নির্মাণ, ১০-তলা ভিতে ০৫ তলা পর্যন্ত মাল্টিপারপাস ভবন নির্মাণ, সিনিয়র শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য  ১০ তলা ভিতে ০৫ তলা পর্যন্ত আবাসিক ভবন নির্মাণ।

এছাড়া বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্ট স্থাপন, মাটি ভরাটসহ অভ্যন্তরীণ আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কালভার্ট নির্মাণ, আরসিসি ড্রেইন এবং ঢাকনাযুক্ত ডাষ্টবিন নির্মাণ, নতুন স্থাপনাসমূহে গ্যাস লাইন সংযোগ, প্রস্তাবিত ভবনসমূহের জন্য আসবাবপত্র ক্রয়, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি/ল্যাব যন্ত্রপাতি, মেডিকেল যন্ত্রপাতি ক্রয়, ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয়, অফিস যন্ত্রপাতি ক্রয়, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের জন্য বই ও সাময়িকি ক্রয়, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ০২ টি বাস, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ০১টি মিনিবাস ও ০১টি মাইক্রোবাস ক্রয় কার্যক্রমসমূহের বাস্তবায়ন কাজ বর্তমানে সমাপ্তির পথে। আশা করা যাচ্ছে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজ সমাপ্ত হলে শিক্ষা, প্রশাসন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা নতুন ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ পাবে যা দক্ষ মানব সম্পদ গঠনে সহায়ক হবে।

ইতোপূর্বে ”মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন”-শীর্ষক প্রকল্প (জুলাই ২০১৩ হতে জুন ২০১৭ মেয়াদে) ৫১ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা (সংশোধিত ৫৬ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা) ব্যয় সম্বলিত প্রকল্পটি গত ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ছিল: ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাসভবন নির্মাণ, জননেতা আব্দুল মান্নান হল নির্মাণ, আলেমা খাতুন ভাসানী হল নির্মাণ, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের জন্য ডরমিটরী নির্মাণ (২০ ইউনিট), নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণ, বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, গ্যাস লাইন, জেনারেটর যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ক্রয়, ১টি মাইক্রোবাস ও ১টি এ্যাম্বুলেন্স ক্রয় ইত্যাদি।

এছাড়াও “পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন”-শীর্ষক গুচ্ছ প্রকল্পের আওতায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই ২০০৮ হতে জুন ২০১৬ পর্যন্ত মেয়াদে মোট ৩৭ কোটি ০৫ লক্ষ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। প্রকল্পের আওতায় ৫-তলা লাইব্রেরী কাম ক্যাফেটেরিয়া ভবন নির্মাণ, ৪০০ আসনের ছাত্র হল বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান হল নির্মাণ, ৫-তলা ৩০ ইউনিটের শিক্ষক কর্মকর্তা ডরমিটরী নির্মাণ, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পে ৪-তলা ভিতে ২-তলা একাডেমিক ভবনের ৩য় ও ৪র্থ তলার উর্দ্ধমূখী সম্প্রসারণ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

অন্যান্য উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিস্তম্ভ ও এর চত্ত্বর নির্মাণ, মুক্তমঞ্চের উন্নয়ন, বিজয় অঙ্গন চত্ত্বর নির্মাণ, ঢাকাস্ত গেস্ট হাউজ ক্রয় (শ্যামলীতে দু’টি ফ্লাট), লাইব্রেরীতে ”মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার” স্থাপন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রায় ৪০০ পুস্তক ক্রয়, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত ”প্রত্যয় ৭১” এর সম্প্রসারণ ও সংস্কার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আইপি ক্যামেরা-এর আওতায় আনয়ন।

একাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে লাইব্রেরী অটোমেশন, ই-বুক, ই-জার্নাল, আইসিটি সেল স্থাপন, ইনিস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) স্থাপন, রিসার্স সেল-এর মাধ্যমে শিক্ষকগণের গবেষণা পরিচালনা, বিডিরেন কতৃক ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহেনসমেন্ট প্রজেক্ট  (হেকেপ) বাস্তবায়ন।

বিশ্ববিদ্যালয় আইনে সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে বলে বর্ণিত আছে। মাওলানা ভাসানীর উদ্যোগে এ ক্যাম্পাসে ৪৯.১৫ একর জমির মধ্যে ১২.৯০ একর জমিতে সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় নামে একাধিক সরকারী (দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইত্যাদি), স্বায়ত্ব শাসিত বা সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত (শিশু হােস্টেল, মাদ্রাসা, ভাসানী হুজুর এর দরবার হল, মুসাফির খানা, মাজার, মসজিদ ইত্যাদি), বেসরকারীভাবে পরিচালিত (ভােকেশনাল হাইস্কুল, সাধারণ হাই স্কুল, টেকনিক্যাল কলেজ, এদের আবাসিক ছাত্র/ছাত্রী হল), মন্দির, পুরাতন ঐতিহাসিক ভবন রয়েছে এবং অত্র ক্যাম্পাসে ১৫.৪০ একর জমিতে ১টি দিঘীসহ বড় বড় ৪টি পুকুর রয়েছে। অবশিষ্ট মাত্র ২০.৮৫ একর জমিতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমুলক প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছে। বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় ক্যাম্পাস অভ্যন্তরীণ রাস্তা দিয়ে পার্শ্বস্ত এলাকার জনসাধারণ অবাধে চলাচল করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমুলক প্রকল্প নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে যার মধ্যে-কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, একাডেমিক ভবন, ছাত্র হল, ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় মসজিদ, অডিটোরিয়াম, স্টেডিয়াম, জিম্নেসিয়াম, ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন, শিক্ষক ক্লাব, কর্মকর্তা ক্লাব নির্মাণ ইত্যাদি থাকবে। তাছাড়া ক্যাম্পাস চত্বরে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানান্তর করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

করোনাকালীন পরিস্থিতি ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতার কারণে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমস্যা সেশনজট। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ স্নাতক/ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী সম্পন্ন করতে লাগছে ৫ থেকে ৬ বছর এবং স্নাতকোত্তরে লাগছে ১.৫ থেকে ২ বছর। সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ৭ থেকে ৮ বছর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মানিক শীল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের বেশিই ভালবাসে এ কারণে ছাড়তে চায় না, আমাদেরও যেতে ইচ্ছা করে না। অভিমান-ক্ষোভ যতই থাক, প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি ছাপিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সেরা তালিকায় উঠে আসুক সেই প্রত্যাশা রাখি, এগিয়ে যাক সামনের দিকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নুরে আলম মাসুম বলেন, প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয় এর কথা মনে পরলেই নস্টালজিয়ায় ভুগি। সংস্কৃতিমনা মানুষ ছিলাম বলে ক্যাম্পাসে ঘটনাবহুল সময় পার করেছি আমি। যৌবন এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়টা কাটিয়েছি সন্তোষের প্রতিটি অলি গলিতে। মাভাবিপ্রবি আমার পরিচয়, আমার এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সমগ্র বিশ্বে গবেষণা ও সৃষ্টিশীলতার এক অনন্য নাম হয়ে উঠুক মাভাবিপ্রবি। ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই আমার প্রত্যাশা।

২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে, সরকার ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ সকল কর্মসূচি পালন করা হবে।

দিনটি উপলক্ষে  মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন, ১০ টা ১০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যূরালে ও মাওলানা ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ১০ টা ২০ মিনিটে পায়রা, বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রা, কেককাটা এবং বাদ যোহর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২১ ০৬:৫২:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রথম নারী উপজেলা চেয়ারম্যান হচ্ছেন নার্গিস বেগম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রথম নারী উপজেলা চেয়ারম্যান হচ্ছেন নার্গিস বেগম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিজয়ী হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোছা. নার্গিস বেগম।টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে এবারই প্রথম কোনো নারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হচ্ছেন।

সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে যাচাই বাছাই শেষে একমাত্র প্রার্থী নার্গিস বেগমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান।

শনিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত নার্গিস বেগম ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

নার্গিস বেগম ভুঞাপুর উপজেলা পরিষদের প্রয়াত চেয়ারম্যান আব্দুল হালিমের স্ত্রী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৩০ জুলাই আব্দুল হালিম মৃত্যুবরণ করেন। পরে নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। আগামী ২ নভেম্বর নির্বাচনে ভোট গ্রহণের কথা।

নার্গিস বেগম ভুঞাপুর উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং লোকমান ফকির ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক।

রিটার্নিং কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ওই দিন একমাত্র প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে পরদিন তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৩:এএম ৫ বছর আগে
কোটি টাকার ভলভো বাস ভাঙারি দরে বিক্রি - Ekotar Kantho

কোটি টাকার ভলভো বাস ভাঙারি দরে বিক্রি

একতার কণ্ঠঃ  প্রায় ২০ বছর আগে সুইডেন থেকে চড়া দামে ৫০টি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ভলভো বাস কেনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। দৃষ্টিনন্দন বাসগুলো প্রথম সাত-আট বছর সড়কে দাপটের সঙ্গে চলাচল করে। ধীরে ধীরে সেগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হতে শুরু করে। এসব যন্ত্রাংশ মেরামতে দফায় দফায় প্রকল্প হাতে নেয় বিআরটিসি। কিন্তু যন্ত্রাংশগুলো দেশে দুষ্প্রাপ্য ও ব্যয়বহুল হওয়ায় তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি সংস্থাটি।

ফলে অকেজো বিলাসবহুল বাসগুলো বিআরটিসির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘদিন পড়ে থাকার পর ৫০টি ভলভো বাসের মধ্যে ৪৯টি বিক্রি করে দিয়েছে বিআরটিসি। রাজধানীর বিভিন্ন ডিপোতে পড়ে থাকা এসব বাস ভাঙারি হিসেবে কেজিদরের মতো বিক্রি করা হয়েছে। সচল আছে কেবল একটি। সেটি রাজধানীর মিরপুর ডিপোর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। বাসটি এখন সুপ্রিম কোর্টের স্টাফদের আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিআরটিসি সূত্র বলছে, ২০০১ সালে সুইডেন থেকে ৭০ কোটি টাকায় বাসগুলো কেনা হয়। সেই হিসাবে প্রতিটি বাসের দাম পড়ে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ টাকা। সরকারি তহবিল ও সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (সিডা) যৌথ অর্থায়নে বাসগুলো কেনা হয়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, বাসগুলোর সাধারণ মেয়াদ ১২ বছর। তবে ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে চলবে ২০-২৫ বছর, যাকে আর্থিক মেয়াদ বলা হয়।

এ বিষয়ে পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ‘সরকারি দপ্তরগুলো কেনাকাটা পছন্দ করে। রক্ষণাবেক্ষণ করে তাদের কী লাভ? দরদ দিয়ে কাজ করলে, তার নিজের তো লাভ নেই। কিন্তু প্রকিউরমেন্টে (সরকারি ক্রয়) অনেক লাভ আছে। সেই চিন্তা মাথায় রেখে গাড়িগুলোর যত্নটা তারা সেভাবে নেন না।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বাসগুলো কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারেনি। সড়কে নামানোর সাত-আট বছর পর বাসগুলোর যন্ত্রাংশ নষ্ট হতে শুরু করে। তখন নতুন যন্ত্রাংশ কেনা উচিত ছিল। তা না করে একটি বাসের যন্ত্রাংশ নষ্ট হলে, আরেকটি বাস থেকে সেই অংশ খুলে লাগানো হতো। যেটি থেকে খুলে নেওয়া হতো, সেটি অকেজো হয়ে পড়ে থাকতো। এভাবে এক-একটি করে বাস অকেজো হতে থাকে।

ফলে নির্ধারিত মেয়াদের আগেই ৪৯টি বাস অকেজো হয়ে পড়ে। দফায় দফায় রক্ষণাবেক্ষণের প্রকল্প হাতে নিলেও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। অবশেষে বোঝা হয়ে থাকা অকেজো সেই বাসগুলো বেচে দেয় বিআরটিসি।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ভলভো নয়, এ পর্যন্ত যত বাস কেনা হয়েছে; সেগুলোর কোনোটিরই যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে প্রত্যাশিত সার্ভিসও পাওয়া যায়নি। দেশে একটি বাজে সংস্কৃতি চালু রয়েছে, তা হলো রক্ষণাবেক্ষণের চেয়ে নতুন কেনায় আগ্রহ বেশি। নতুন করে কিনলে লাভ বেশি, রক্ষণাবেক্ষণে তো সেটি নেই।

এ বিষয়ে পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ‘সরকারি দপ্তরগুলো কেনাকাটা পছন্দ করে। রক্ষণাবেক্ষণ করে তাদের কী লাভ? দরদ দিয়ে কাজ করলে, তার নিজের তো লাভ নেই। কিন্তু প্রকিউরমেন্টে (সরকারি ক্রয়) অনেক লাভ আছে। সেই চিন্তা মাথায় রেখে গাড়িগুলোর যত্নটা তারা সেভাবে নেন না।’

তিনি বলেন, ‘ওই (ভলভো) গাড়িগুলোর যেহেতু মেনটেইনেন্স সেভাবে হতো না। ভলভোর একটা পার্টস (যন্ত্রাংশ) না থাকলে আরেকটা থেকে খুলে নিয়ে এসে সেটি সচল রাখতো। এসব করতে করতে কিছু বাস এমনিতেই অকেজো হয়ে গেছে।’

অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ‘বড় কথা হলো—এখানে জবাবদিহিতার সিস্টেম নেই। পাশাপাশি বিআরটিসি যেটা করে, প্রাইভেট সেক্টরের মতো তারাও লিজ দেয়। অথচ মেনটেইনেন্সটা নিজেদের ঘাড়ে রাখে। লিজ যারা নেন, তারা তো আসেন বড় লোক (ধনী) হতে। নিজের গাড়ি যেভাবে দরদ দিয়ে চালান, এটাকে তো তা করেন না। বিআরটিসির গাড়ির অপব্যবহার করে তারা ধনী হন। ফলে শুধু ভলভো নয়, কোনো বাসই টেকসই হয়নি, হচ্ছে না। এটার জন্য তাদের কোনো দর্শনও নেই। এবার পারলাম না, পরেরবার যেন পারি, তেমন চিন্তাও নেই।’

এ পরিবহন বিশেষজ্ঞ মনে করেন, পুরো বিষয়টিতে সরকারের বিরাট গাফিলতি আছে। সরকার প্রকিউরমেন্টের আগে প্রশ্ন করে না, যেটা করা উচিত। গাড়িগুলোর কমার্শিয়াল লাইফ কত দিন থাকার কথা ছিল, কত দিন গেলো- এ প্রশ্ন করার কারোই সময় নেই। সবাই কেনাকাটায় ব্যস্ত।

সামছুল হক বলেন, ‘মন্ত্রী বলবেন, আমি এতগুলো বাস কিনে দিয়েছি। অর্থাৎ বাসের সংখ্যা বলায় আগ্রহ যার, তিনি তো জবাবদিহিতার দিকে যাবেন না। মাঝে মাঝে হুঙ্কার হয়তো দেবেন যে, জিরো টলারেন্সে থাকবেন, এভাবেই চলছে।’

‘সার্বিকভাবে আমি বলবো, যে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে সম্পদকে টেকসইভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটার দর্শনের ধারেকাছেও আমরা নেই। ওই কালচারটা তৈরিই হয়ে ওঠেনি। কালচার তৈরি হয়েছে এমন, যত দ্রুত খারাপ করতে পারবো, প্রকিউরমেন্টের জন্য তাড়াতাড়ি পয়সা পাবো। তাতে তো কোনো অসুবিধা হয় না’—যোগ করেন সামছুল হক।

জানতে চাইলে বিআরটিসি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম জানান, ‘এগুলো (ভলভো বাস) তো অনেক আগের বাস। আমি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যোগ দিয়েছি। আগে থেকেই এগুলো অকেজো ছিল। অকেজো গাড়ি যত থাকবে, ততই লোকসান। কারণ দিন দিন এগুলোর ক্ষয়ক্ষতি বাড়ে, দামও কমে। এজন্য আমরা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রত্যাশিত দাম পেয়ে বিক্রি করেছি।’

তিনি বলেন, ‘শুধু ৪৯টি ভলভো বাসই নয়, অযোগ্য ঘোষণার জন্য বিইআর (প্রস্তাবিত) ১৭৮টি গাড়ি ছিল। আগেও অকেজো এ বাসগুলো টেন্ডারে দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করা যায়নি। এবার প্রত্যাশিত দাম পেয়েছি, বিক্রি করে দিয়েছি।’

সংবাদ সূত্র- জাগো নিউজ অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২১ ০৩:৪৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কবি-সাহিত্যিকদের সম্মাননা দিল সাহিত্য সংসদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কবি-সাহিত্যিকদের সম্মাননা দিল সাহিত্য সংসদ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছয়জন কবি–সাহিত্যিককে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার(৮ অক্টোবর)  সকালে সাধারণ গ্রন্থাগার  মিলনায়তনে সাহিত্য সংসদের ৩৩৩তম স্বরচিত কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতার আসরে ওই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কবিতায় ফেরদৌস সালাম ও জাহিদ মুস্তফা। তরুণ লেখক পুরস্কার পেয়েছেন তৌফিক আহমেদ, শিশু সাহিত্যে কাশীনাথ মজুমদার, প্রবন্ধে আলী রেজা এবং কথাসাহিত্যে রুদ্র মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে ক্রেস্ট, অর্থ ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তিসত্তাকে জাগ্রত করলে জাতিসত্তা এবং মানবসত্তা জাগ্রত হবে। কেউ কারও থেকে ছোট নয়, সবাই শ্রেষ্ঠ। শুধু কাজের মধ্য দিয়ে কেউ প্রকাশিত হয়। সাহিত্য সাধনা ও দর্শন সাধনার মধ্য দিয়ে মানুষ নতুন সভ্যতার আবিষ্কার করে।

তিনি আরও বলেন, ‘টাঙ্গাইল সৃষ্টিশীলতার জায়গা। এখানে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা হয়। সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে প্রতিমাসে দুবার কবিতা পাঠের আসর বসে। এ জন্যই টাঙ্গাইলকে আমরা আলাদা করে দেখি।’

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান। বক্তব্য দেন ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিন, সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সাহিত্য সংসদের উপদেষ্টা জাকিয়া পারভীন ও রতন চন্দ্র সাহা, ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান, কবি রোকেয়া ইসলাম প্রমুখ।

পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা হয়। সাহিত্য সংসদের সাবেক সভাপতি হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব। এতে অর্ধশতাধিক কবি অংশ নেন।

সাহিত্য সংসদের সভাপতি মাহমুদ কামাল জানান, ২০০৪ সালে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পর থেকেই সংগঠনটি প্রতি বছর কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখা টাঙ্গাইলের কবি–সাহিত্যিকদের পুরস্কৃত করে আসছে।

ব্যুরো বাংলাদেশ ও সাধারন গন্থাগার যৌথ ভাবে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।