/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলে উপহারের ঘর দেওয়ার নামে যৌন নির্যাতন, ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উপহারের ঘর দেওয়ার নামে যৌন নির্যাতন, ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ওই নারী টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার(২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ধনবাড়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ওই তথ্য জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের নাম ওসমান গণি। তিনি উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও ভুক্তভোগী অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর বক্তব্য ও মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেতে ইউপি সদস্য ওসমান গণির কাছে ধর্ণা দেন ওই নারী। ঘর পাইয়ে দিতে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন ওসমান। পরে মৌখিক চুক্তির পর ২৭ হাজার টাকা দেন ভুক্তভোগী। কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে গেলে ঘর না পাওয়ায় ইউপি সদস্যকে চাপ দেন ওই নারী। এ সময় ওই ইউপি সদস্য নতুন শর্ত জুড়ে দেন। তিনি ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দেন।

কু-প্রস্তাবে রাজি না হয়ে ওই নারী ঘর পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে নিজের টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি ওসমান গণির কাছ থেকে টাকা ফেরত চান। অবশেষে গত ২৭ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ওসমান টাকা ফেরত নিতে তার বাড়িতে আসতে বলেন। কথা অনুযায়ী সেখানে গেলে ওই নারীকে যৌন নির্যাতন করেন ওসমান গণি। ঘটনাস্থলে তার স্ত্রী ফাহিমা উপস্থিত হয়ে উল্টো ওই নারীর ওপর পড়াও হন। তারা ওই নারীকে বেধড়ক মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য ওসমান গণি। তিনি বলেন, ‘একটি মহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা অভিযোগ ও আদালতে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।’

এ ব্যাপারে মুশুদ্দি ইউনিয়নের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘর প্রদানে টাকা লেদদেনের কথা তিনি শুনেছেন।  ইউপি সদস্য ওসমান গণি দুই নারীসহ আরও কয়েকজনের কাছ থেকে ঘর দেওয়ার কথা বলে অর্থ নিয়েছেন বলেও অভিযোগও রয়েছে।  এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:২৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কোয়ার্টার রনি’ রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কোয়ার্টার রনি’ রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের শীর্ষ সন্ত্রাসী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ওরফে কোয়ার্টার রনিকে গ্রেপ্তারের পর এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। একটি ছিনতাই মামলায় রবিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁকে ঢাকার মোহম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আতিকুর রহমান টাঙ্গাইল শহরের দেওলা মিল্ক ভিটা সড়কের সি অ্যান্ড বি কলোনির বাসিন্দা। পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। টাঙ্গাইলের অপরাধ জগতে তিনি কোয়ার্টার রনি নামে পরিচিত। গত সেপ্টেম্বরে পুলিশ তালিকাভুক্ত অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী পৌরসভার কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর রনি আত্মগোপনে চলে যান।

রবিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকার মোহম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রনিকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, চারটি অস্ত্র মামলাসহ নয়টি মামলা আছে। শহরের তালিকাভুক্ত অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

ওসি মীর মোশারফ হোসেন বলেন, সদর থানার একটি ছিনতাই মামলায় আতিকুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে রবিবার টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক ফারজানা হাসানাত শুনানি শেষে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে কোয়াটার রনি ও তার সহযোগীরা টাঙ্গাইলের পিচুরিয়া এলাকা থেকে শামীম ও মামুন নামের দুইজনকে অপহরণের পর খুন করে লাশ গুম করার ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় রনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়। কোয়াটার রনির বিরুদ্ধে দুইটি খুন, ৪টি অস্ত্র মামলাসহ আরো তিনটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও সে সদর থানায় দায়ের হওয়া ছিনতাই মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৬:এএম ৫ বছর আগে
বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায় :: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায় :: কৃষিমন্ত্রী

একতার কন্ঠঃ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নির্বাচনে আসে না- বরং নির্বাচনকে ভয় পায়। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে চোরাগলি পথে ক্ষমতায় আসতে নানা পায়তারা করছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসতে হলে তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের ভোটে জয়ী হয়েই আসতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে কোন নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। সেটি সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। বাংলাদেশে কোন নিরপেক্ষ সরকার হবে না। কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। বাংলাদেশে হবে সাংবিধানিক সরকার। সংবিধানের আলোকে আগামী দিনের নির্বাচন হবে।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। যে নির্বাচন কমিশনের উপরে কোন সরকার, কোন প্রধানমন্ত্রী, কোন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নাই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সামরিক বাহিনী স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। এর ফলে সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের এখনও আড়াই বছর সময় রয়েছে। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারো বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে।

বিএনপির প্রতি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ভয় আপনারা দেখাবেন না। কারণ আন্দোলন দেখে আমরা ভয় পাই না।

আপনাদের আন্দোলন ২০১৩ সালে মোকাবিলা করেছি, ২০১৬ সালেও করেছি। হেফাজতকে মোকাবিলা করেছি। ইনশাল্লাহ আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এখন অনেক সক্ষমতা। তারা অনেক সুশৃঙ্খল, তারা অনেক বড় বড় দায়িত্ব পালন করেছে। জঙ্গীদের মোকাবিলা করে সারা পৃথিবীতে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রশংসা অর্জন করেছে।

শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মধুপুর পৌরসভা মিলনায়তন, দুপুরে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ ও টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিনিটি পৃথক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপির দুঃশাসন, অপশাসন, সন্ত্রাস ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করার কারণে তাদের পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে গেছে। তাদের সাথে জনগণ নেই। তারা আন্দোলনের ডাক দিলে জনগণ সাড়া দেয় না।

বিএনপি ২০১৫ সালে ৯০ দিনের হরতাল-অবরোধের নামে ৫০০ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। এর চেয়ে বর্বরতা ও সহিংসতা কি হতে পারে? শ’ শ’ গাড়ি পুড়িয়েছে। ৯০ দিন দেশকে অচল করে রেখেছিল। সে সকল সন্ত্রাস মোকাবেলা করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের জন্য সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশ প্রশংসিত হচ্ছে। সারা পৃথিবী আমাদেরকে স্যালুট করে।

আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড. রাজ্জাক বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি- রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ সহায়তা করা এবং সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেওয়া। রাজনৈতিকভাবে যদি কোনো আন্দোলন আসে, তাহলে আমরা সেই আন্দোলকে মোকাবিলা করব।

সংসদ ভবন এলাকায় জিয়াউর রহমানের কবরের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জিয়ার কবর নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। আমরা শুনেছি, অনেক বিএনপি নেতা বলেছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদও বলেছে- যে লাশটি এসেছিল সে লাশটি নাকি একজন সেনা কর্মকর্তার। তবে সেটি জিয়ার কি না, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে অভুতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশে আজ খাদ্যের কষ্ট ও হাহাকার নেই। করোনা মহামারীর মধ্যেও উন্নত দেশের মানুষ হিমশিম খাচ্ছে।

জীবন ও জীবিকাকে সমন্বয় করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে একটি সুন্দর অবস্থানে রেখেছে- যে কারণে দেশে বিপর্যয় নেমে আসেনি।

পরে তিনি টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সবুর খান বীর বিক্রমের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

জেলা শ্রমিক ফেডারেশনর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বালা মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, জেলা আ’লীগের

সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, বিশিষ্ট কবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, ৭১’- এ কাদেরিয়া বাহিনীর বেসামরিক প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মো. এনায়েত করিম প্রমুখ। সভায় শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে শনিবার সকালে মন্ত্রী মধুপুর পৌরসভা মিলনায়তনে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:১০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অন্তসত্ত্বা স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অন্তসত্ত্বা স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্বামীর হাতে অন্তসত্ত্বা স্ত্রী খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের নয়াচর গ্রামে। নিহতের নাম দীপালী দাস (২৩)।এ ঘটনায় রাতেই নিহতের স্বামী রামু চন্দ্র মনি দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।নিহতের লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত দিপালী দাস কালিহাতি উপজেলার সালেঙ্গা গ্রামের দুলু চন্দ্র মনি দাসের মেয়ে।

নিহতের বাবা দুলু চন্দ্র মনি দাস জানান, প্রায় ৫ বছর আগে নয়াচর গ্রামের রামু চন্দ্র দাসের সাথে দিপালী দাসের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ৪ বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে। বর্তমানে দিপালী দাস ২ মাসের অন্তসত্ত্বা। পারিবারিক কলহের কারণে দিপালী দাসকে তার স্বামী মারপিটের পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান,  তিনি প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন পারিবারিক কলহের কারণে দিপালী দাসকে তার স্বামী শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করেছে। বুধবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে তিনি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। নিহতের বাবা দুলু চন্দ্র মনি দাস বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের স্বামী রামু চন্দ্র মনি দাস পালানোর চেষ্টা করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:২১:এএম ৫ বছর আগে
সুযোগ সন্ধানীদের কোনভাবেই দলীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া যাবেনা :: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সুযোগ সন্ধানীদের কোনভাবেই দলীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া যাবেনা :: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দীর্ঘ দেড় বছরে ধরে চলা মহামারী করোনার প্রকোপে আওয়ামী লীগের অনেক জেলা, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির সম্মেলন শেষ করা যায়নি।

বর্তমানে অনেক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। এখন করোনার সংক্রমণ অনেকটা কমে এসেছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ শুরু করার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করে দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। একইসাথে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগসহ দলের সহযোগী সংগঠনকেও আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দলের নতুন কমিটিতে তৃণমূলের পরীক্ষিত-নিবেদিত ও দু:সময়ে যারা পাশে ছিল- সেসব ত্যাগী কর্মীদেরকে দলে জায়গা করে দিতে হবে। অসৎ, সুযোগ সন্ধানী ও সুদিনের মৌমাছির মতো যারা দলে ভিড়েছে- তাদেরকে কোনভাবেই নতুন কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে না।

এছাড়াও কমিটিতে স্থান দিতে পারিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক আদর্শ বিবেচনায় আনতে হবে। বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ড. রাজ্জাক বলেন, সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা যাতে বিজয়ী হতে পারে- সেলক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সবাইকে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। যারা আওয়ামী লীগ করেও নৌকার প্রার্থীদের হারানোর চেষ্টায় বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক দেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল। আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জাতীয় স্বার্থে যে কোন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। আওয়ামী লীগ জাতীয় স্বার্থে কখনও কোনদিন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে না।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের নামে গাড়িতে, বাড়িতে, রাস্তায় নিরপরাধ মানুষকে পুড়িয়ে মারার আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যমূলক কর্মকান্ড থেকে আপনারা বিরত থাকুন।

আগামী ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। দেশের জনগণ আপনাদেরকে ভোটে বিজয়ী করলে আমরা আপনাদেরকে স্বাগত জানাব।

কিন্তু আন্দোলন-সংগ্রামের নামে সন্ত্রাস-নৈরাজ্যমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানোর দিবাস্বপ্ন ভুলে যান, বিএনপির সে শক্তি নেই।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ। বিশেষ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর

একতার কন্ঠঃ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর হয়েছে। এ নিয়ে ১৪তম বারের মতো তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পাবলিক প্রসিকিউটর) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) মুক্তির আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন।

তারা যে কোনো শর্তে মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। তবে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট সকালে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে সহিদুর রহমান খান মুক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুকের ব্যথায় মুক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তার হৃদযন্ত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে থাইরয়েড ও কিডনিতে কিছু সমস্যা আছে।

হাসপাতালে থাকতেই তিনি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। তিন দিন আগে তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে কোমরের ব্যথার জন্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক ছিলেন মুক্তি।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর দফায় দফায় তার পক্ষে আইনজীবীরা ১৪ বার জামিনের আবেদন করেছেন। তবে প্রতিবারই ওই আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

ফারুক হত্যাকান্ডে আমানুর রহমান খান রানা, সহিদুর রহমান খান মুক্তি সহ তদের অপর দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পারও জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

এরপর তারা সবাই আত্মগোপনে চলে যান। এর মধ্যে আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। অপর দুই ভাই কাকন ও বাপ্পা এখনও পলাতক রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৭:এএম ৫ বছর আগে
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী হাসপাতালে ভর্তি - Ekotar Kantho

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী হাসপাতালে ভর্তি

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সাবেক সাংসদ ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দলটির যুগ্ম-সম্পাদক প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকী এ তথ্য জানান।

ইকবাল সিদ্দিকী বলেন, গত মঙ্গলবার পেটে ব্যথা শুরু হলে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দকী বীরউত্তমকে অধ্যাপক এমএস আরাফাতের তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। তাঁর আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর গল-ব্লাডারে পাথর ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি জেনারেল সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক এএইচএম তৌহিদুল আলমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এ বিষয়ে যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুন্নবী সোহেল মুঠো ফোনে বলেন, বঙ্গবীরের চিকিৎসা নিয়ে আগামীকাল(বৃহস্পতিবার) মেডিকেল বোর্ড বসার কথা রয়েছে। সেখানেই তাঁর অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমানে তিনি মোটামুটি সুস্থ রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত এক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত এক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছে। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘাটাইল  উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের জোড়দীঘি হাজীগঞ্জ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মোটরসাইকেল রাস্তার পাশে দাড়ানো একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত এক জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহত ব্যক্তি উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের হাতিঁমারা গ্রামের সিদ্দীক আলীর ছেলে মুহাম্মদ আলী রাজু(২২) ও আহত আসাদুল ইসলাম (২০) সাগরদীঘি বেতুয়াপাড়া এলাকার বাহার উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর)রাতে মুহাম্মদ আলী রাজু ও আসাদুল ইসলাম মোটরসাইকেল যোগে সাগরদীঘি থেকে সখীপুর যাওয়ার পথে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুহাম্মদ আলী রাজুকে মৃত ঘোষনা করেন।  গুরুত্বর আহত আসাদুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে সাগরদীঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মনিরুজ্জামান মনির জানান, দূর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত মুহম্মদ আলী রাজূ( ২২) নামে  এক যুবকের ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্য হয়েছে।ঘাতক ট্রাকটি পালিয়েছে। তবে ট্রাকটি চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী - Ekotar Kantho

পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ ২০২৩ সাল থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা থাকবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সোমবার( ১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপনের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

দীপু মনি বলেন, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল মিলে হবে এইচএসসির ফল। এছাড়া দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাজন থাকবে না। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষাও হবে না।

পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষাও থাকবে না বলে জানান মন্ত্রী।

এছাড়া শুধু ১০ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে হবে পাবলিক পরীক্ষা হবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দায়িত্ব অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দায়িত্ব অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রিনা বেগম (২৬) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।  শুক্রবার( ১০ সেপ্টেম্বর)  টাঙ্গাইল জেনারেল হাসাপাতালের দক্ষিন পার্শ্বে(সাবালিয়া) অবস্থিত নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিক্যাল সেন্টারে সকাল ১০ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। রিনা বেগম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের রাঙাচিরা গ্রামের ইসরাইল মিয়ার স্ত্রী।

নিহতের স্বামী ইসরাইল মিয়া জানান, প্রসব ব্যাথা শুরু হলে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস সেন্টারে রিনা বেগমকে ভর্তি করা হয়। পরে গাইনী ডাক্তার ডা. সাদিয়া আফরিনের নেতৃত্বে অস্ত্রপাচারের (সিজার) মাধ্যমে রিনা বেগম কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। পরে তাকে কেবিনে আনার পর রাত থেকে প্রচুর পরিমাণ রক্ত পড়তে থাকে। বিষয়টি ক্লিনিকের নার্সকে জানানো হয়। পরে সেই নার্স ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারকে অবগত করে। তাদের একাধিকবার ফোন করার পরও তারা রোগীকে দেখতে আসেনি। পরে শুক্রবার সকালে রিনা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে ক্লিনিকের পক্ষ থেকে রিনা বেগমকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

ক্লিনিকের দায়িত্ব প্রাপ্ত নার্স অনামিকা সরকার বলেন, আমি সকাল থেকে দায়িত্ব পালন করছি। রাতে ও বৃহস্পতিবার কি হয়েছে আমি তা জানি না।

রিনা বেগমের মা চায়না বেগম বলেন, সিজার ভালভাবে করা হয়নি। সিজার করার পরপরই পেট ফুলতে থাকে। পেটের দুই পাশ দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমার মেয়ে বারবার ডাক্তারের কথা বলেছে। কিন্তু ডাক্তার দেখতে আসেনি। ডাক্তারের অবহেলায় আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আমাকে যারা সন্তানহারা করলো আমি তাদের কঠিন শাস্তি দাবি করছি।

নিহতের স্বামী ইসরাইল মিয়া আরও বলেন, ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আমার মেয়ে এতিম হয়েছে। আমার মেয়েকে যে এতিম করলো আমি ওই ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের শাস্তি দাবি করছি।

নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিক্যাল সেন্টারের মালিক সরোয়ার হোসেন খান বলেন, আমি খবর পেয়ে ক্লিনিকে এসে জানতে পারি ডা. সাজিয়া আফরিন রোগিকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড দিয়েছে। রোগির আত্মীয় স্বজন গাড়ীর সাথে যেতে রাজি না হওয়ায় আমার ক্লিনিকের ৩ জন স্টাফ দিয়ে মির্জাপুর পাঠানোর ব্যবস্থা করি।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডাক্তারই ভালো জানেন রোগিকে কোথায় রেফার্ড করবেন। এবিষয়ে ক্লিনিক মালিক কিছু বলতে অধিকার রাখে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৯:এএম ৫ বছর আগে
প্রশস্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল-কালামপুর সড়ক,ঢাকার সাথে দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার - Ekotar Kantho

প্রশস্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল-কালামপুর সড়ক,ঢাকার সাথে দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার

একতার কণ্ঠঃ প্রশস্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল-কালামপুর সড়ক। এ জন্য ‘টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালীপাড়া-কালামপুর বাসস্ট্যান্ড সড়ক আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে, এক হাজার ৪৩৫ কোটি ৮৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হবে। তাই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি) সভা। ওই সভায় দেওয়া সুপারিশগুলো প্রতিপালন করায় প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতর।

প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া (বালিয়াটি) সড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা মহাসড়ক। যেটি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা থেকে শুরু হয়ে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি নামক স্থানে সমাপ্ত হয়েছে। জেলা মহাসড়কটির ঢাকা-টাঙ্গাইল জাতীয় মহাসড়ক এবং ঢাকা আরিচা জাতীয় মহাসড়কের মধ্যে ন্যূনতম সময়ে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে। উল্লিখিত মহাসড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় নির্মাণ করা হলে নাগপুরসহ টাঙ্গাইল অঞ্চলের মানুষ প্রায় ৪০ কিলোমিটার কম দূরত্ব অতিক্রম করে সহজে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবে।

এছাড়া টাঙ্গাইল জেলার সঙ্গে মানিকগঞ্জ জেলার মধ্যে ন্যূনতম সময়ে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব হবে। ২৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কটির সঙ্গে মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন গোলড়া-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কের ২ দশমিক ২৬ কিলোমিটার কাওয়ালিপাড়া-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কের ৪ দশমিক ২৪ কিলোমিটার, কালামপুর বাসস্ট্যান্ড-কাওয়ালিপাড়া-বালিয়া-ওয়ার্শি-মিজৃাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার, নতুন সড়ক নির্মাণ, বাঁকসরলীকরণ ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার ও টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগাধীন টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার জেলা মহাসড়ক ১১ কিলোমিটারসহ মোট ৫টি মহাসড়কের ৬১ দশমিক ৫২ কিলোমিটার অংশকে একীভূত করে কালামপুর থেকে কাওয়ালীপাড়া, সাটুরিয়া, লাউহাটি, দেলদুয়ার হয়ে টাঙ্গাইল পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক মানে উন্নীতকরণ করা হলে নিরাপদ ও উন্নত সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালীপাড়া-কালামপুর বাসস্ট্যান্ড সড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথমানে উন্নীত করার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ৬১ দশমিক ৫২ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তশরণ ও মজবুতিকরণ, দূর্ঘটনা প্রবণ ঝুকিপূর্ণ স্থানে সড়ক বাঁক সরলীকরণ, বাজার এলাকায় রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ, ঝুকিপূর্ণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও সরু সেতু কালভার্টের স্থলে ৪৪৬ মিটার ৩১টি কালভার্ট এবং ৩৮১ দশমিক ১৪ মিটার ৫টি সেতু পুনঃনির্মাণ করা হবে। এছাড়া পানি নির্গমনের জন্য ড্রেন ও সড়ক বাধ রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় রক্ষাপ্রদ কাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জের বিশাল জনপদে যোগাযোগের জন্য এটিই হবে মূল সড়ক এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মূলত এই সড়কটিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার অধিকাংশ মানুষ পেশায় কৃষক এবং ব্যবসায়ী। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য এবং অন্যান্য দ্রব্যাদিও দ্রুত ও সহজে পরিবহনের জন্য প্রস্তাবিত সড়কটি ব্যবহৃত হবে।

প্রকল্পের আওতায় মূল কার্যক্রমগুলো হচ্ছে, পেভমেন্ট প্রশস্তশরণ ও মজবুতিকরণ, ওভারলে সার্ফেসিং, সার্ফেসিং, গ্রেড সেপারেটেড ইন্টারসেকশন নির্মাণ, ইউ লুপ, আন্ডারপাস, আরসিসি রিজিড পেভমেন্ট, সসার ড্রেন এবং আরসিসি রিটেননিং ওয়াল নির্মাণ করা হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশীদ বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হবে। তাই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:২৯:এএম ৫ বছর আগে
বাসাইলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত , দুর্ভোগে মানুষ - Ekotar Kantho

বাসাইলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত , দুর্ভোগে মানুষ

একতার কণ্ঠঃ যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাই নদীর পানি কমায় টাঙ্গাইলের কয়েকটি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে নিন্মাঞ্চল হওয়ায় বাসাইল উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। এ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। এদিকে,পানি কমতে থাকায় এ উপজেলায় নদী ভাঙ্গন আবারো তীব্র আকার ধারন করেছে। বন্যা কবলিত এলাকার গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বানভাসি মানুষগুলো গবাদিপশু নিয়ে পড়েছেন মহাবিপাকে।

পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে বীজতলা, রোপা আমন ধান ও সবজি খেত। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট। ভেঙ্গে গেছে রাস্তা-ঘাট। বানভাসিদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পারাপারের জন্য নৌকা কিংবা কলাগাছের ভেলাই একমাত্র ভরসা। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে বেশ কিছু এলাকায়।

উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মধ্যে বেশি দুর্ভোগের শিকার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান, কোদালিয়াপাড়া, যৌতুকি,জিকাতলী পাড়া, মটেশ্বর, তারাবাড়ি, সৈদামপুর পুর্বপৌলী, সিঙ্গারডাক, কালাচান পাড়াসহ ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রাম। হাবলা ইউনিয়নের টেংগুরিয়াপাড়া, ছয়শত, জীবনেশ্বর, থুপিয়া, গুল্লা, বয়রা। ফুলকী ইউনিয়নের ফুলকী দক্ষিণপাড়া, বালিয়া, খাটরা, নিড়াইল, করোটিয়াপাড়া, ময়থা। কাশিল ইউনিয়নের ফুলবাড়ি, বাঘিল, স্থলবল্লা। কাউলজানী ইউনিয়নের বাদিয়াজান, সুন্না, বার্থা, গিলাবাড়ি, ডুমনীবাড়ি, কাঙ্গগাগলীছেও, এবং বাসাইল সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর, রাশড়া, ইশ্বরগঞ্জ, হান্দুলী। এসব এলাকার মানুষের নৌকা ছাড়া যাতায়াতের কোন উপায় নেই।

বন্যা দুর্গত এলাকার কমলা রানী বলেন, গরু-বাছুর, হাস-মুরগী নিয়ে আমরা অনেক কষ্টে আছি। সবচেয়ে বেশি চিন্তা শিশু বাচ্চাদের নিয়ে। সব সময়ই আতংকে দিন কাটছে।

অসহায় ভূক্তভোগীরা জানান, করোনার ধকল না কাটতেই বন্যার জলে বন্ধি আমরা। কামাই-রোজি একবারে বন্ধ। অনেকেরই ঘরে চুলা জ্বলছে না। করোনার লকডাউন, আবার বন্যার পানি । জীবন আর চলে না।

কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ জানান আমার ইউনিয়নে প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। পাকা কাঁচা রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। কালর্ভাট ভেঙ্গে গেছে। রাস্তা ভেঙ্গে অনেকে জায়গায় বড়বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। নৌকা ছাড়া চলাই যায় না।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ হতে আমরা বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে ত্রান পৌছে দিচ্ছি। ৩৩৩ নম্বরে কল দিলেও আমাদের পক্ষ হতে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।ত্রাণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসনের রয়েছে।

বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, ভৌগলিক ভাবে বাসাইল একটি নীচু এলাকা। তাই প্রতি বছরই বন্যার সঙ্গে যুদ্ধ করেই বাঁচতে হয়। এবারও উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে গ্রামীণ অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পানি-বন্ধি সহায়তার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। এলাকায় আরও পর্যাপ্ত ত্রাণসহযোগিতার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:৪৩:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।