একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আরো ৬৭ট ঘর ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার(৯ আগষ্ট ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহারের নতুন ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এর পর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ৬৭ টি পরিবারের মাঝে ঘরের দলিল হস্তান্তর করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন আলী, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অতনু বড়ুয়া, বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. এসএম মতিউর রহমান মন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান মজনু চৌধুরী দাইন্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আফজাল হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেলেন টাঙ্গাইলের গর্ব, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় নারী ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়কে এ পুরস্কার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পদক পাওয়ার পর কৃষ্ণা রাণী সরকার বলেন, নারীদের জন্য সর্বোচ্চ পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেয়ে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদকের পাশাপাশি জাতীয় দলের সকল খেলোয়াড়কে ১ লাখ টাকা করে প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা নমিতা রানী জানান, আমার মেয়ে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পাওয়ায় আমি গর্বিত।
পদক পাওয়ার সংবাদে উচ্ছ্বসিত কৃষ্ণা রাণী সরকারের বাবা বাসুদেব সরকার জানান, আমার মেয়ে আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কার পেয়েছে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক মেয়ের সেরা প্রাপ্তি। কৃষ্ণা বারবার দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে, এটাই সবসময় আশির্বাদ করি।
একতার কণ্ঠঃ পুষ্পস্ববক অর্পন, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের সামনে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বীর প্রতীক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
বাদ জোহর জেলার সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও সুবিধাজনক সময়ে সকল মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। বিকেল ৪ টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।
এর আগে গত ২ থেকে ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল শিশু একাডেমিতে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর মতবিনিময় ও প্রেসক্লাব মিলনায়তনের তিনটি সাউন্ড সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৫ আগষ্ট) দুপুরে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )সাজ্জাদ হোসেন প্রমূখ।
পরে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বিশিষ্ট ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপটেন শেখ কামালের ৭৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। কেক কাটা শেষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হ্যাস বলেছেন, দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার প্রতিষ্ঠিত কুমুদিনী কমপ্লেক্সে অবস্থিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলি খুব ভাল কাজ করছে। এখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো দেখে আমি খুবই মুগ্ধ।
শনিবার(৫ আগষ্ট )সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন।
এসময় সাংবাদিকরা দেশের সাম্প্রদিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি মন্তব্য না করেই স্থান ত্যাগ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত স্ত্রী এমিকে সঙ্গে নিয়ে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল সকাল ৯টা ৫০মিনিটে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে এসে পৌছালে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা ফুল দিয়ে তাদের স্বাগত জানান।
এসময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক শ্রীমতি সাহা, সম্পা সাহা, মহবীর পতি, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আব্দুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী হাসপাতালের ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) অনিমেষ ভৌমিক লিটন।
এর আগে কুমুদিনী লাইব্রেরীতে চা চক্র শেষে রাষ্ট্রদূত কুমুদিনী মিলনায়তনে যান। সেখানে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের ওপর একটি প্রামান্য চিত্র দেখেন।
এরপর মার্কিন রাষ্ট্রদূত কুমুদিনী হাসপাতাল, কুমুদিনী নাসিং স্কুল এন্ড কলেজ, ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে সখীপুরের বাসিন্দা মোস্তফা স্থানীয় একটি সমিতি থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেন। ঋণের টাকা পরিশোধে মনোহারি ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসায়ী শাহজালালের কাছ থেকে অর্থ লুটের পরিকল্পনা করেন তিনি।
সে অনুযায়ী দোকান থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে শাহজালালের পথরোধ করে হামলা চালান মোস্তফা ও তার সহযোগী আলামিন। শাহজালালকে রড দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করা হয়।
এ সময় শাহজালালের চাচা মজনু মিয়া সঙ্গে থাকায় তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়।
১৯ জুলাই ক্লুলেস ও বহুল আলোচিত টাঙ্গাইলের সখীপুরে নৃশংসভাবে ব্যবসায়ী শাহজালাল ও তার চাচা মজনু খুনের ঘটনায় মোস্তফা মিয়া (২০) ও আলামিনকে (২৭) গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব জানায়, জোড়া খুনের ঘটনায় নিহত শাহজালালের বাবা বাদী হয়ে টাঙ্গাইলের সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১৪ এর অভিযানে ঢাকার মোহাম্মদপুর ও টাঙ্গাইলের সখীপুর এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফা মিয়াসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি জানান, ভিকটিম শাহজালাল টাঙ্গাইলের সখীপুরের হামিদপুর বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মনোহারি ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবসা করে আসছিলেন। তিনি হামিদপুর বাজারের একজন জনপ্রিয় ও অতিপরিচিত ব্যবসায়ী। শাহজালালের চাচা ভিকটিম মজনু মিয়া এলাকায় কৃষি কাজ করতেন। মজনু মিয়া কৃষি কাজের পাশাপাশি মাঝে মধ্যে শাহজালালকে ব্যবসায়িক কাজে দোকানে সহযোগিতা করতেন।
শাহজালাল ব্যবসায়িক কার্যক্রম শেষে প্রায় রাতের খাবার খেতে বাড়িতে যেতেন। তিনি মাঝে মধ্যে রাতে বাড়িতে থাকতেন আবার দোকানেও থাকতেন। যেদিন তিনি বাড়িতে থাকতেন সেদিন ব্যবসায়িক লেনদেনের টাকা বাড়িতেই রাখতেন।
ঘটনার দিন শাহজালাল দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। চাচা মজনু মিয়াকে রাস্তায় দেখতে পেয়ে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নেন। পথিমধ্যে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হন তারা।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে র্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, মোস্তফার পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মোস্তফা ও আলামিন দুজনেই স্থানীয় একটি সমিতির সদস্য ছিলেন। মোস্তফা সমিতি থেকে উচ্চ সুদে বেশ কিছু টাকা ঋণ নেন। ঋণের টাকা পরিশোধ ও পারিবারিক খরচ বহনের জন্য তার বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন ছিল। ভিকটিম শাহজালাল যেদিন বাড়িতে রাত্রি যাপন করতেন সেদিন ব্যবসায়িক লেনদেনের টাকা বাড়িতেই রাখতেন। এ বিষয়টি মোস্তফা ও আলামিন জানতেন।
শাহজালালের বাড়ি ফেরার পথে আক্রমণ করে টাকা ছিনিয়ে নিতে পরিকল্পনা করেন মোস্তফা। বিষয়টি আলামিনকে জানালে তিনি সম্মতি দেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ১৯ জুলাই রাত ১০ টার দিকে মোস্তফা ও আলামিন সখীপুরের বাঘের বাড়ি এলাকায় জামালের চালায় নির্জন জঙ্গলে ওৎ পেতে থাকেন। শাহজালাল মোটরসাইকেলে করে তার চাচা মজনু মিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মোস্তফা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। মোস্তফা ভিকটিম শাহজালালকে লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করেন।
ভিকটিম শাহজালাল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকেন। মজনু মিয়া চিৎকার করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আলামিন লোহার রড দিয়ে তার মাথা ও শরীরে আঘাত করেন।
পরে মোস্তফা ও আলামিন তাদের এলোপাতাড়ি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। আলামিন ভিকটিমদের সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলটি পাশের একটি জমিতে ফেলে দেন এবং শাহজালালের দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে নেন।
পরে তারা টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকায় আত্মগোপন করেন। মোস্তফা টাঙ্গাইল ও আলামিন ঢাকার মোহাম্মদপুরে আত্মগোপনে থাকাকালীন তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের বেরীবাইদ ইউনিয়নের পঁচারচনা এলাকায় সরকারি গজারী বন থেকে অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৪০ বছরের এক যুবকের হাত-পা বিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় এক রাখাল বনে গরু চড়াতে গিয়ে ওই মৃতদেহ দেখতে পায়।
বেরীবাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুলহাস উদ্দিন জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ক্ষুদৃ নৃগোষ্ঠি সম্প্রদায়ের এক কিশোর রাখাল পঁচারচনা গজারী বনে গরু চড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ করে বনের গভীরে হাজার হাজার মাছি ভন ভন করতে দেখেন কিশোরটি। সেখানে এগিয়ে যেতেই মৃত দেহের অংশ বিশেষ দেখতে পেয়ে গরু ফেলে ছুটে এসে এলাকাবাসীকে ঘটনার বর্ণনা করেন।
মধুপুর থানা পুলিশ জানায়, পঁচারদানা বন থেকে উদ্ধার হওয়া মৃত দেহে পচন ধরেছে। দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন মাংসহীন মাথার খুলি কয়েক হাত দূরে পরে ছিলো। হাত-পায়ের সন্ধান বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পুলিশের ধারণা বেশ কিছুদিন আগে এই মরদেহটি এখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। হাত-পাসহ শরীরে বিভিন্ন অংশ শিয়াল কুকুরে খেয়ে ফেলেছে। অজ্ঞাতনামা পুরুষ (৩০-৪০) মৃতদেহের পরণে জিন্সের কালো প্যান্ট ও কালো গেঞ্জি রয়েছে এবং মৃতদেহের পাশে একটি সেন্ডেল পাওয়া গেছে।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ডিএনএ টেস্টের ব্যবস্থা করে আঞ্জুমান মফিদুলের মাধ্যমে লাশ দাফন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নবাগত জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। বুধবার(২৬ জুলাই )বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সাবেক সভাপতি খান মোহাম্মদ খালেদ ও আতাউর রহমান আজাদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও ইফতেখারুল অনুপম প্রমুখ।
জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, দেশের মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ে এগিয়ে রয়েছে। এছাড়াও মোবাইল, ইন্টারনেটসহ বেশ কিছু বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এসব বিষয়ে কাজ করা হবে। এছাড়াও শহরের যানজট, সন্ত্রাস, মাদক ও বাল্য বিয়েসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করা হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে। প্রতিটি ভালো কাজে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এ সময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ৫৪ জন আত্মসমর্পণকৃত চরমপন্থীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার(২৪ জুলাই )দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দীন হায়দার।
স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক শামীম আরা রিনির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ র্যাব-১২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মারুফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও )মোহাম্মদ হাসান বিন আলী প্রমুখ।
এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিথিবৃন্দরা আত্মসমর্পণকৃত চরমপন্থী ৫৪ জন সদস্যের স্ত্রীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন।
একতার কণ্ঠঃ দেশের বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন বন্ধের চক্রান্তের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সাংবাদিক সমাজের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসুচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকার ষ্টাফ রির্পোটার মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, দ্যা ডেইলি নিউ এইজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. হাবিব খান, এন টিভির স্টাফ রির্পোটার মোহাব্বদ হোসেন, মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি মির্জা মাসুদ রুবল,সময় টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি কাদির তালুকদার, আমাদের কন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি বুলবুল হাসান।
বক্তারা বলেন, সরকারের উন্নয়নের সমর্থক দেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন বন্ধের চক্রান্ত করছে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী কাস্টমস কর্মকর্তা ড.তাজুল ইসলাম। একজন সরকারী আমলা হয়ে একটি গণমাধ্যম বন্ধের চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন তিনি। এছাড়াও পত্রিকাটির সম্পাদককে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন তিনি। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এই চক্রান্ত বন্ধ করে ঢাকা প্রতিদিনকে নির্বিগ্নে প্রকাশের জোর দাবি জানান তারা।
এই মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, দৈনিক যুগধারা পত্রিকার সম্পাদক হাবিব সরকার, টাঙ্গাইল প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত, আমাদের নতুন সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আরমান কবীর, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আরিফুর রহমান টগর, গাজী টিভির জেলা প্রতিনিধি মহি উদ্দিন সুমন, এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী,শোষিতের কষ্ঠ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আলমগীর হোসেন, আমাদের সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শামীম আল মামুন,বাংলাদেশ পোষ্ট পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি রিমন খান, আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী, নবচেতনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান, নিউজ মেইল পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সুমন ঘোষ, টাঙ্গাইল প্রতিদিন পত্রিকার ষ্টাফ রির্পোটার সোহেল রানা, সকালের বার্তার জেলা প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন,কালের কাগজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মুক্তার হোসেন, ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের জেলা প্রতিনিধি তারেক রহমান, নাগরিক ভাবনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সুলতান কবীর প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ইমরুল হাসান বাবু।
মানবন্ধনে ঢাকা প্রতিদিন প্রত্রিকার বিভিন্ন উপজেলা প্রতিনিধিসহ টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের জেলা ব্র্যাডিং কর্নারের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৩ জুলাই)সকালে ফিতা কেটে ব্র্যাডিং কর্নারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।
এ সময় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নাফিসা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল রানা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, এ ব্র্যাডিং কর্নারের মাধ্যমে পুরো টাঙ্গাইল জেলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনার তিনদিন পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
বুধবার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি গ্রামের বাংলাবাজার এলাকার নিভৃত পাহাড়ী এলাকায় দুর্বৃত্তদের হাতে নির্মমভাবে খুুন হন চাচা মজনু মিয়া (৫০) ও ভাতিজা শাহজালাল (৪০)। দুষ্কৃতিকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে চাচা-ভাতিজাকে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) রাতে নিহত শাহজালালের বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার (২১ জুলাই) বাদ আসর পারিবারিক কবরস্থানে নিহতদের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ জুলাই) ওই এলাকায় সরেজমিন ঘুরে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এ ধরণের নৃশংস হত্যাকান্ড তারা জীবনেও দেখেনি! পুলিশ যদি খুনীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে না পারে, পুলিশের ওপর মানুষের আস্থা থাকবেনা।
বাঘেরবাড়ি গ্রামের নূরুল ইসলাম বলেন, জোড়া খুনের ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে এলাকায় চলাফেরা করলে গা ছম ছম করে। সন্ধ্যা হলেই দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষ ঘরে ফিরে যাচ্ছে। গ্রামবাসী স্তব্ধ হয়ে গেছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া পারত পক্ষে কেউ রাতে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। গ্রামবাসী দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহতদের স্বজনদের আহাজারি এখনো থামেনি। এমন মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তারা।
স্থানীয় কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন জানান, নিহতদের পরিবারের স্বজনদের আমি বারবার খোঁজ-খবর নিচ্ছি। পুলিশের প্রতি দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি। গ্রামবাসীও এ খুনের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ঘটনাস্থল পরির্শন করেছেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )রেজাউল করিম জানান, জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটনে ও আসামী গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে রয়েছে। পুলিশের অপরাধ বিভাগ, পিবিআই, ডিবিসহ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
উল্লেখ্য, নিহত শাহজালাল সখীপুর উপজেলার হামিদ চৌরাস্তা বাজারে বিকাশ-ফেক্সিলোড ও কসমেটিক্সের ব্যবসা করতেন। ঘটনার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চাচা-ভাতিজা মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা কান্ডের শিকার হন। নিহতদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মরদেহের পাশে পড়েছিল। গত বুধবার রাতে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত মজনু মিয়া বাঘেরবাড়ি গ্রামের নবু মিয়ার ছেলে এবং শাহজালাল একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।