একতার কণ্ঠঃ রাত পোহালে ঈদ আজহা। নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল- বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে গাড়ির চাপ বাড়ায় মহাসড়কের ২৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই ২৫ কিলোমিটারজুড়ে থেমে থেমে গাড়ি চলছে।
বুধবার (২৮ জুন) ভোর রাত ৪ টা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপার থেকে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার ঘারিন্দা পর্যন্ত এই যানজটের সৃষ্টি হয়।
মহাসড়কে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহাসড়কে পরিবহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, সেতুর উপরে পরপর দুর্ঘটনা, গাড়ি বিকল হওয়া, দফায় দফায় টোল আদায় বন্ধ এবং চালকদের বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারনে এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
মহাসড়কে যানজটের কারণে বিপাকে পড়েছে ঘরমুখো মানুষ। বিশেষ করে যারা বাস না পেয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপযোগে বাড়ি ফিরছেন বৃষ্টির কারণে তারা বেশি বিপাকে পড়েছেন।
জানা যায়, বুধবার ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর সংঘর্ষ ও এক পিকআপ গাড়ি বিকল হয়। পিকআপটি সরাতে এক ঘন্টার উপরে সময় লাগে। এতে ভোর রাত ৪ টা ১৫ থেকে ৪ টা ৫৩ পর্যন্ত টোল আদায় বন্ধ রাখে সেতু কর্তৃপক্ষ। এর আগেও কয়েক বার টোল আদায় বন্ধ রাখা হয়। এতে যানজট শুরু হয় মহাসড়কে।
খোলা ট্রাকে পরিবার নিয়ে যাওয়া গন্তব্যে যাওয়া জাহিদ হোসেন জানান, বাস না পেয়ে ট্রাকে উঠেছি কিন্তু বৃষ্টি বিপাকে ফেলেছে। এই বৃষ্টি হচ্ছে এই হচ্ছে না। রাতে গাড়িতে উঠেছি কোনাবাড়ি থেকে এখন সকাল ৭টা বাজে এলেঙ্গাতে আছি।
বাসের চালকরা জানান, ঢাকা থেকে যানজট ঠেলে আসতেছি। মহাসড়কের চারলেন হলেও এলেঙ্গার যানজট মহাসড়কে গিয়ে ঠেকেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি জাহিদ হাসান জানান, সেতুর উপর ও মহাসড়কে দুর্ঘটনার কারণে যানজট শুরু হয়। গাড়ির টান শুরু হয়েছে আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে মহাসড়কে কখনো যানজট, ধীরগতি ও স্বস্তি ভোগ করছে ঘরমুখো মানুষ।
এনিয়ে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি ২৫ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। এর বিপরীতে ৪২ হাজার ৫৬০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৬ জুন) সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি ২৫ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। এর বিপরীতে ৪২ হাজার ৫৬০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
তারমধ্যে সেতু পূর্ব টাঙ্গাইল অংশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ৮১৭টি যানবাহন পারাপার হয়। তার বিপরীতে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৯৪ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে এবং সেতু পশ্চিম সিরাজগঞ্জ অংশে ১৭ হাজার ৭৪৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫৬ হাজার ৫৫০ টাকা।
মঙ্গলবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ঈদের সময় স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ যানবাহন বেশি পারাপার হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি ২৫ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এর বিপরীতে ৪২ হাজার ৫৬০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। যানজট এড়াতে উভয়পাড়ে অতিরিক্ত টোল বুথও বসানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সিজারিয়ান ছাড়াই একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান জন্ম দিয়েছেন শিউলি আক্তার (২৬) নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী।
বুধবার(২১ জুন) বিকেলে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার ইছাপুর নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্সে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে তার কোলজুড়ে ফুটফুটে তিনটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।
শিউলি আক্তার কালিহাতী পৌরসভার থানা পাড়া এলাকার সৌদি প্রবাসী দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী। একসঙ্গে তিন তিনটি কন্যা সন্তানের বাবা-মা হতে পেরে খুব খুশি দেলোয়ার-শিউলি দম্পতি। এই দম্পত্তির আগের ৮ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
গৃহবধু শিউলি আক্তারের ছোট বোন মুক্তি আক্তার শিল্পী জানান, শিউলি প্রসব বেদনায় অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে ঐদিন বিকেলেই সেখানে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। পরে আরও দুইটি বাচ্চা পেটে থাকায় ডাক্তারের পরামর্শ ক্রমে শিউলিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেয়ার টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের পথে ইছাপুর নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্সেই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে দুইটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।
তিনি আরও জানান, গৃহবধু শিউলি আক্তারসহ তিন নবজাতক মোটামুটি সুস্থ রয়েছেন।
কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সাহেদুর রহমান জানান, মাসহ তিন নবজাতকের চিকিৎসা সংক্রান্ত কোন বিষয় প্রয়োজন হলে স্বাস্থ কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি বলছে এ সরকারের প্রতি বিদেশিদের সমর্থন নেই, দেশের মানুষের সমর্থন নেই। বিদেশিদের সমর্থন দরকার নেই আমাদের। আমরা চাই দেশের জনগণের সমর্থন। জনগণ এদেশের মালিক। জনগণ নির্ধারণ করবে আমাদের প্রতি তাদের সমর্থন আছে কি না। সেটা নির্বাচনে প্রমাণ হবে।
শনিবার(২৪ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর অডিটোরিয়ামে শিক্ষক ফেডারেশনের আত্মপ্রকাশ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগামী ডিসেম্বরের শেষে বা জানুয়ারির শুরুতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা আবার দেশটাকে উত্তাল করতে চায়। সংবিধানের আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যারা বিদেশিদের কাছে হাত পাতছেন, তাদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন, তাদের কাছে ভিক্ষা চাচ্ছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধের সময়ও অনেক বিদেশি শক্তি আমাদের বিরুদ্ধে ছিল। সেই সময় দেশের জনগণ আমাদের পক্ষে ছিল। সরকার নির্বাচিত সরকার। এ সরকার জনগণের সরকার। জনগণের জানমাল, সম্পদ ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ১৪ ও ১৫ সালের মতো আর তাণ্ডব চালাতে দেব না বিএনপিকে। মানুষকে জীবন্ত হত্যা করবেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেবেন তা হবে না এখন। বর্তমান সরকার এগুলোকে প্রতিহত করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি তারা আবার দেশটাকে উত্তাল করতে চাচ্ছে। তারা ১৪ সালে যে তাণ্ডব চালিয়েছে সে রকম আর তাণ্ডব চালাতে পারবে না। পুলিশকে হত্যা করবেন, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেবেন তা হবে না। বর্তমান সরকার দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে, উন্নয়ন করেছে, জনগণ সরকারের সঙ্গে রয়েছে, জনগণকে নিয়ে আমরা প্রতিরোধ করবো।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক বেশি সুশৃঙ্খল, অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে, অনেক বেশি সংগঠিত। তাদের দায়িত্ব বর্তমান সরকারকে নির্বাচনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তারা সে সক্ষমতা রাখে। তারা কোনো রাজনৈতিক অশ্লীলতা সৃষ্টি করতে পারবে না।
এ সময় মধুপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুশীল কুমার দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষা গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. আবু হাদী নুর আলী খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ,মধুপুর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ইয়াকুব আলী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে অন্তত ২০জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টিয়ার গ্যাস ও গুলি ছুড়েন।
এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ী, অন্তত ২০টি মটরসাইকেল, কাজী ডিজিটাল হাসাপাতাল, উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয় ভাঙ্গচুর করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার(১৩ জুন ) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মধুপুর শহরে পৃথক সমাবেশ পালনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা হয়।

বিবাদমান দুই গ্রুপের এক পক্ষ স্থানীয় এমপি ও কৃষিমন্ত্রীর অনুসারী এবং আরেক পক্ষ মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবুর সমর্থক।
জানা যায়, মধুপুর পৌর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে যৌথভাবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আয়োজন করা হয়।
অপর দিকে, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি ও সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবু থানা মোড়ের দক্ষিণে পৃথকভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে।
এ সভায় যোগদান করতে আসা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পথিমধ্যে হামলার শিকার হন। এই ঘটনাকে ঘিরে মধুপুরে উত্তেজনা দেখা দেয়।
আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও লাউফুলা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে খলিলুর রহমান (৩২), দামপাড়া গ্রামের মোর্শেদের ছেলে মাসরাফি (২৩), ইদিলপুর গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬০), ভবানটেকী গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে সোয়াইফ (২০), গাংগাইর গ্রামের খালেদ আহমেদের ছেলে মাসরুর আহমেদ প্রিতম (৩০), দানবাবান্দা গ্রামের আহসান আলীর ছেলে চাঁন মিয়া (৬৫)।

আহতদের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে । এ ছাড়া ইদিলপুর গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬০) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
মধুপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান জানান, আলোকদিয়া ইউনিয়নের সভাপতি দুলাল হোসেনের নেতৃত্বে মটরসাইকেল ও অটোরিক্সা যোগে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের সমাবেশে আসার সময় থানা মোড়ে কতিপয় ছাত্র ও শ্রমিক নেতা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তার নিকটে থাকা ৬০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। হামলাকারীরা সকলেই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর নেতৃত্বাধীন কর্মী বলে দাবি করেন তিনি।
এই ঘটনার পর মধুপুর পৌরসভার মেয়র সমর্থিত নেতাকর্মীরা লাঠি-শোঠা নিয়ে এগিয়ে থানা মোড়ের দিকে এগিয়ে আসে। এরই মধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও সভা শেষে ছরোয়ার আলম খান আবুর নেতৃত্বাধীন মিছিলটি ফিরছিল। থানা মোড়ে মিছিল আসা মাত্রই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে । এ সময় সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ভাঙ্গচুর করা হয় উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়, তার ব্যবহৃত সরকারি গাড়ি, অন্তত ২০টি মোটর সাইকেল, কাজী ডিজিটাল হসপিটাল। দুই গ্রুপের ইট পাটকেল নিক্ষেপ, পুলিশের গ্যাস গান ব্যবহারে থানা মোড় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পার্শ্ববর্তী বাসা বাড়ির লোকজন আতংকিত হয়ে পড়ে। মধুপুরের দোকান পাট মুহুর্তের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পাশ্ববর্তী থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত পৌনে আটটা পর্যন্তও বিক্ষিপ্তভাবে ককটেল বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়।
রাত আটটায় মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু তার বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ করা সম্পূর্ণ সংগঠন বিরোধী। তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করার এখতিয়ার নেই। তারপরও মেয়রের নেতৃত্বে গাড়ী, মটরসাইকেল, দোকান, হাসপাতাল ভাঙ্গচুর নেতাকর্মীদের পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটিয়েছে। সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের উপরে হামলা করে অন্তত ৫০ জনকে তারা আহত করেছে। তারা নিরাপত্তার কথা ভেবে বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবু আরো বলেন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান কৃষি মন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি ড. আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারী। এ ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ দিবো।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি, সহসভাপতি কাজী আব্দুল মালেকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান সাংবাদিকদের জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে সংগঠন বিরোধী কার্যক্রম করার অপরাধে কেন বহিষ্কার করা হবে না মর্মে শোকজ করা হয়েছে। বর্তমানে দলীয় কার্যক্রম করার এখতিয়ার তিনি হারিয়েছেন। তাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের থানা মোড়ে আবুর কর্মীরা হামলা করে আহত করে। পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত করে ফিরিয়ে নিয়ে আসি।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি হয়েছে। কোন পক্ষই এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)। তার হেফাজত থেকে দুটি পুলিশ পোষাক, একটি পুলিশ বেল্ট, একটি পুলিশ রিফ্ল্যাক্টিং বেল্ট ও পাঁচটি ছোরা জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (২৩ জুন)বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মো. সোনাব আলী (৫০)। সে সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার চরকুরকী গ্রামের মৃত জিলানীর ছেলে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি উত্তর) অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. মোশারফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি প্রতিরোধ, অবৈধ মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান করা হয়। রাত সোয়া ১০ টার দিকে খবর আসে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাগমারী কলেজ মোড়ে কিছু ডাকাত পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে পুলিশের নকল পোষাক ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র, অন্যান্য মালামালসহ অবস্থান করছে। পরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কাগমারী কলেজ মোড় থেকে মো. সোনাব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান,শুক্রবার এসআই মনির বাদি হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে সোনাব আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়।পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি প্রস্তুতির সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মামার হাতে ভাগ্নি খুন হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জুন) ভোর রাতে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ঘাতক মামা সুমন মিয়া সহ আরও দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত তুলিন (৫) ঘাটাইল উপজেলার একই গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে। নিহত তুলিনের বাড়ি এবং নানার বাড়ি পাশাপাশি। মাঝে মাধ্যেই তুলিন তার নানার বাড়িতে মামা মামীর কাছে থাকতো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তুলিন তার মামা মামীর কাছে থাকতে যায়। রাত গভীর হলে তুলিনের মামা সুমন তার দুলাভাইকে ( শিশু তুলির বাবাকে) ফোন করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে তার মেয়েকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। শুক্রবার সকালে তুলিনকে খুজতে তার বাবা-মা তুলিনের মামার বাড়ি যায়। এসময় তুলিনের মামা ও পরিবারের অন্যান্য লোকজন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় এলাকাবাসী তুলিনের মামা সুমন মিয়া, স্ত্রী সুমাইয়া ও নানী মরিয়মকে আটক করে। পরে স্বজন ও এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে সুমনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পানির ট্যাংকি থেকে তুলির লাশ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান,সুমন তার ভাগ্নিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় সুমন, তার মা মরিয়ম বেগম এবং স্ত্রী সুমাইয়া বেগমকে আটক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি । থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হাইওয়ে পুলিশের প্রধান মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, এবারের ঈদে একটু ভিন্নমাত্রা আছে। এ ঈদে পশুবাহী গাড়ির বেশি চলাচল করে। মহাসড়কের সংলগ্ন ও অদূরেই হাট থাকে। এই চ্যালেঞ্জগুলো আমরা চিহ্নিত করেছি, এর সমাধানের পথ জানি, সেগুলো সমাধানের পথও আমরা চিহ্নিত করেছি। ইজারাদারসহ স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন সকলে মিলে এবারও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা হবে। আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও অঙ্গীকারবদ্ধ। সেভাবে আমরা মাঠে আছি ও কাজ করছি।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক পরিদর্শনকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজা চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদউত্তীর্ণ যানবাহন নিয়ে যে আমরা শুধু ঈদের আগে কাজ করি তা না। প্রতিনিয়ত এসব যানবাহন নিয়ে আমরা কাজ করে থাকি। প্রতিনিয়ত ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদউত্তীর্ন যানবাহন ডাম্পিং করা হচ্ছে। গত মে মাসে এ রকম যানবাহনের বিরুদ্ধে ২৫ হাজার মামলা দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এছাড়াও অনেক গাড়ি আটক করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থার কারনে কিন্তু গত ঈদ এ যাবতকালের স্বস্তি দায়ক ঈদ যাত্রা হয়েছে। যানজট ও নিরাপদ ঈদ আমরা উপহার দিতে পেরেছি। ফিটনেসবিহীন, রেজিষ্ট্রেশনবিহীন ও লাইসেন্সসহ নানা অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা বর্তমানেও অব্যাহত আছে, আশা করছি এর সুফল এবারও পাবো।
অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হাইওয়ে পুলিশের প্রধান মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, তারপরও ভাল গাড়ি যদি তাৎক্ষনিক বিকল হয় সে গুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সব মহাসড়কের যানবাহন মেরামতের ওয়ার্কশপের মালিকদের নম্বর আমরা রেখেছি। বিকল হওয়া গাড়ি যাতে তাৎক্ষনিক চালু করা যায় সে বিষয় জোরদার করা হয়েছে। যে সব যানবাহন চালু করা যাবে না সেগুলো রেকার দিয়ে অপসারণ করবো।
তিনি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশের হেড কোয়ার্টার ,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ আমরা সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিয়ে থাকি। আমাদের গুরু দায়িত্ব মনে করি ঈদের সময়ে জন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদে স্বাধচ্ছন্দে স্বজনদের কাছে যাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকি। যখন এলেঙ্গা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ির চাপ বেশি থাকবে তখন বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ের গোলচত্বর হয়ে ভূঞাপুর দিয়ে এলেঙ্গা দিয়ে ঢাকায় যাবে। গাড়ির চাপ কম বেশির উপর ভিত্তি করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর রিজিওনের পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল, কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান, বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম, এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হাসান প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নে ২৩৬০টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঈদ উপহার ‘ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন)সকালে স্থানীয় এইচ এম ইনিস্টিটিউট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এই চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন করটিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার ট্যাগ অফিসার আখি আক্তার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. ফারুক হাসান, ইউপি সদস্য মো.শাহীন মিয়া, আব্দুল লতিফ, মো. ফারুক হোসেন খান মানিক প্রমুখ।
বিতরণকালে করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, ঈদের আনন্দকে সকলের মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়ার প্রয়াসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, চাউল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুশৃংখলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এসময় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ২৩৬০ টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. তারা মিয়া (২৮) নামের এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
বুধবার (২১ জুন) বিকালে নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরকাঠুরী এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত তারা মিয়া উপজেলার কাঁচপাই গ্রামের আফছার শেখের ছেলে।
জানা যায়, বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে পল্লী বিদ্যুতের লাইন চালু থাকা অবস্থায় কাঠ ব্যবসায়ী রফিক চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক দিয়ে গাছ কাটতে ছিলেন। হঠাৎ করেই বিদ্যুৎদের তারের ওপর গাছের ঢাল পড়ে সাথে সাথেই শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনা স্থলেই মারা যায় তারা মিয়া। গাছের সাথে ঝুলে থাকে তার লাশ। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে নিহতের লাশ নিচে নামিয়ে আনেন। আহত অপর দুইজনকে নাগরপুর হাসপাতালে চিৎকিসার জন্য পাঠানো হয়। আহত ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।
টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নাগরপুর জোনাল অফিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মেশবাহুল হক জানান, গাছ কাটার বিষয়ে আমাদের অবহিত করা হয়নি।
নাগরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. মেহেদী হাসান বলেন, বিকেল ৫টার দিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে নিহতের লাশ গাছ থেকে নিচে নামিয়ে আনা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌর নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মনোনীত গামছা প্রতীকের প্রার্থী রাহাত হাসান টিপু ৪ হাজার ৭শ’ ৪২ ভোট পেয়ে তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রহিম আহমেদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৬শ’ ২১ ভোট।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল করিম অটল নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৩শ’ ৫৪ ভোট পেয়েছেন ।
বুধবার(২১ জুন) সন্ধ্যায় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বাসাইল উপজেলা হলরুম থেকে বেসরকারিভাবে পৌরসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
বাসাইল পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে তিন জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ফসলের মাঠ (চক) থেকে গরু আনতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে ফজলুল হক (৫০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এতে ফজলুল হকের শরীরের বিভিন্ন অংশ ভষ্মিভুত হয়ে যায়।
বুধবার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফজলুল হক ওই গ্রামের জহুর আলীর ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন।
তিনি জানান, ফজলুল হক দুপুরে মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ বজ্রপাতের কবলে পড়েন তিনি। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে তার মরদেহ স্বজনরা বাড়ি নিয়ে গেছে।