একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একদিনের ব্যবধানে সাপের কামড়ে পৃথক স্থানে দুই গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর ও থলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বিকালে ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুর রউফ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৪ মে) ও বুধবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার ফতেপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার স্ত্রী আরিফা বেগম (২২) ও থলপাড়া গ্রামের ফারুক মিয়ার স্ত্রী রুলিয়া বেগম (৪০)।
জানা গেছে, বুধবার রাতে রুলিয়া বেগম তার বসতঘরের সোফায় বসে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। পরে বিষয়টি পরিবারের লোকজনদের জানালে তারা স্থানীয় এক ওঝাকে দিয়ে ঝাড়ফুঁক করান। এ সময় রুলিয়া বেগম অচেতন হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকালে গৃহবধূ আরিফা তার বাড়ির পাশে বসে তার বাচ্চাকে খাবার খাওয়াচ্ছিলেন। এ সময় একটি বিষধর সাপ এসে তার পায়ে কামড় দেয়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
এ প্রসঙ্গে ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুর রউফ বলেন, সাপের কামড়ে এক গৃহবধূ হাসপাতালে নেওয়ার পথে এবং অপরজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। দুই জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠঃ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলে ঋণ খেলাপির দায়ে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, একজন মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান এবং হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় একজন ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
রবিবার (১২ মে) চতুর্থ ধাপের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইকালে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন মির্জাপুর, বাসাইল এবং সখীপুর উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।
যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন- বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন লাভলু, মির্জাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম, বাসাইল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাম্মী আক্তার মুক্তি এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম খান।
রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে জয়নাল মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
দায়ের করা মিথ্যা মামলায় শিকার হয়েছেন উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পাঁচগাও গ্রামের মৃত ইব্রাহিম খাঁর ছেলে মো. শুকুর আলী ও লালু শিকদারের ছেলে আব্দুল আজিজ।
জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল রাত ৮ টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সামনে সামাদ দেওয়ানের মুদির দোকানে রাতের বেলায় রাস্তায় টর্চ জালানোকে কেন্দ্র করে মামলার বাদী জয়নাল মিয়ার ছেলে চাঁন মিয়ার সাথে স্থানীয় মো. রাব্বেস মিয়ার সাথে বাকবিতন্ডা হয়।
বাকবিতন্ডতার এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রুপ নেয়। সেখানে উপস্থিত বাদী জয়নাল মিয়ার হাতে থাকা টর্চ লাইট নিয়ে তাঁর ছেলে চাঁন মিয়ার মাথায় আঘাত করে অভিযুক্ত রাব্বেস। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিবেশ শান্ত হয়। ঘটনায় সামান্য আহত চাঁন মিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চাঁন মিয়া বাড়ী চলে যায়।
পরে শুক্রবার (১০ মে) মির্জাপুর থানায় মো. রাব্বেস মিয়া, মো. শুকুর আলী ও মো. আব্দুল আজিজকে হত্যা চেষ্টা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত করে জয়নাল মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মুদি দোকানদার সামাদ দেওয়ান বলেন, ঘটনার দিন রাতের বেলা অভিযুক্ত রাব্বেস তার মুদি দোকানের সামনে রাখা চেয়ারে বসেছিলো। হঠাৎ চাঁন মিয়া ও তার চাচাতো ভাই কালাম রাব্বেসকে বলে তুই আমার বাবার সাথে বেয়াদবি করেছিস কেন। তারপর হঠাৎ করেই রাব্বেসকে চাঁন মিয়া ও কালাম অতর্কিত কিল, ঘুষি মারতে শুরু করে। মারতে মারতে তাকে পাশের টিউবওয়েল পারে নিয়ে ফেলে দেয়। এসময় রাব্বেস আত্মরক্ষার্থে তার পাশে উপস্থিত চাঁন মিয়ার পিতা জয়নালের হাতে থাকা টর্চ নিয়ে চাঁন মিয়াকে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মারামারির সময় শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলোনা।
মামলার বাদী জয়নাল মিয়া বলেন, ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মামলায় অভিযুক্ত শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ উপস্থিত ছিলো কিনা আমি দেখি নাই। তবে আমার মনে হয়েছে পাশেই অন্ধকারে তারা দাঁড়িয়ে ছিল এবং মারামারিতে তাদের ইন্ধন ছিল। এজন্যই মামলার এজাহারে তাদের নাম দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ২নং ওয়ার্ড মেম্বার লতিফ রানা বলেন, মারামারির ঘটনা ঘটেছে এটা ঠিক। কিন্তু ঘটনাস্থলে শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ কেউ উপস্থিত ছিলোনা। তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো সঠিক হয়নি।
বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল দেওয়ান বলেন, ঘটনার দিন আমি মোটরসাইকেল নিয়ে সামাদ দেওয়ানের দোকানের সামনের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, এসময় দোকানের সামনে লোকজনের জটলা দেখতে পাই। পরে আমি বাসার দিকে রওনা হই। কিছুদূর যাওয়ার পর লোকজনের ধর ধর চিৎকারে আমি মোটরসাইকেল থামালে রাব্বেসকে দৌড়িয়ে পালিয়ে যেতে দেখি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি রাব্বেসের সাথে চাঁন মিয়া ও কালামের মারামারি হয়েছে। পরে স্থানীয়রা চাঁন মিয়াকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারি মামলার অভিযুক্ত শুকুর আলী ও আব্দুল আজিজ মারামারিতে জড়িত ছিলোনা। পূর্ব শত্রুতার জেরেই তাদেরকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাজশাহী গামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু সেতু রেল সংযোগ সড়কের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় যাত্রীরা ভয়ে ট্রেন থেকে নামার সময় অন্তত ১০ জন আহত হন বলে জানা গেছে।
গরমের কারণে ট্রেনের হাইড্রলিক ব্রেক থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ঘটনার প্রায় ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট পর রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ছেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন মহেড়া স্টেশন মাস্টার সোহেল খান।
এলাকাবাসী জানান, ওই স্থানে বিকেল পাঁচটার সময় ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্রসিংয়ের জন্য সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামানো হয়।
‘ট’ বগির কয়েকজন যাত্রী নিচে নেমে হাইড্রোলিক ব্রেকের স্থানে আগুন দেখতে পান। খবর পেয়ে স্টেশনের ও ট্রেনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে আগুন লাগার খবরে আতঙ্কিত যাত্রীরা ভয়ে ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামার চেষ্টা করলে কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
মহেড়া স্টেশন মাস্টার সোহেল খান জানান, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামানোর সময় গরমের কারণে ট্রেনের হাইড্রলিক ব্রেক থেকে আগুন লাগে। যাত্রীরা তাৎক্ষণিক জানতে পারায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। ট্রেন থেকে লাফিয়ে নিচে নামার কারণে আহত কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার কারণে সিরাজগঞ্জগামী সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস মির্জাপুর রেলস্টেশন থেকে কিছুটা দেরিতে ছাড়ে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের মির্জাপুরে ছিনতাইকালে দুই কনস্টেবলকে গ্রেপ্তারের পর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে তাদের আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এরআগে সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই তাদের দুজনকেই সাময়িক বহিষ্কার করে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।
গ্রেপ্তারকৃত দুই পুলিশ কনস্টেবল হলেন, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার কোদালিয়ার ময়নাল হকের ছেলে মো. মোহসীন মিয়া এবং টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মিরিকপুর গ্রামের কৈলা রাজবংশীর ছেলে রিপন রাজবংশী। এই দুই কনস্টেবল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় কর্মরত আছেন। ইতোমধ্যে তাদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া ফ্লাইওভার ব্রিজের দক্ষিণ পাশে একটি পিকআপকে থামার সিগন্যাল দেয় তারা। এ সময় চালক ও হেলপারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাশেই দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে চালক ও হেল্পারদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যদের ধরে ফেলে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার ২১০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ, পুলিশের পোশাক ও বেল্ট উদ্ধার করা হয়।
ওই রাতেই মধুপুর উপজেলার পিকআপ চালক রানা বাদী হয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এই ঘটনায় পিকআপ চালক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তাদেরকে আদালতে পাঠানোর পর দুই দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাটি বোঝাই ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিক্সার চালক ও এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।
শনিবার (১৬ মার্চ) রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোড়াই মিলগেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার বহুড়িয়া ইউনিয়নের শফি উদ্দিনের ছেলে অটোরিক্সার চালক তোফাজ্জল হোসেন (৩৫) এবং দেউহাটা গ্রামের রতন বাকালির ছেলে অটোরিক্সার যাত্রী সুশান্ত বাকালি (৩৫) ।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, রাতে যাত্রী নিয়ে অটোরিক্সাটি দেউহাটার দিকে যাচ্ছিল। এসময় পিছন থেকে মাটি বোঝাই একটি ড্রাম ট্রাক অটোরিক্সাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিক্সার চালক নিহত হয় ও অটোরিক্সায় থাকা ৫ জন যাত্রী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মেহেদী হাসান নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায়।
সে উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের আয়নাল মিয়ার ছেলে।
মেহেদী বেইলি রোডের বহুতল ভবনের ২য় তলায় একটি ফাস্টফুডের দোকানে চাকরি করতেন। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এই ভবনে আগুনে নিহত ৪৬ জনের মধ্যে তিনিও একজন।
নিহতের ছোট ভাই ইসরাফিল একই জায়গায় কাজ করলেও অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি একটি কাজে ভবনের অন্য একটি তলায় গিয়েছিলেন। যে কারণে তিনি প্রাণে বেঁচে আছেন।
শুক্রবার (১ মার্চ) নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। মা ও বোন বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। মেহেদীর অকালমৃত্যু এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছে না। ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগলপ্রায় বাবা আয়নাল মিয়া।
নিহত মেহেদীর ভাই ইসরাফিল বলেন, তারা দুই ভাই একই জায়গায় কাজ করতেন। অগ্নিকাণ্ডের আগেই তিনি একটি কাজে ভবনের অন্য আরেকটি ফ্লোরে ছিলেন। পরে তিনি ভবন থেকে লাফিয়ে প্রাণে বাঁচেন। সকালে ভাইয়ের মরদেহ গ্রামের বাড়ি নিয়ে এসে দাফন করেছেন। সরকারের কাছে সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বোন সুমাইয়া আক্তার বলেন, আমার ভাই বৃহস্পতিবার ফোন দিয়ে বলেছে- তুমি বাবার বাড়ি যাও, আমি আসব। আমার সেই ভাই আর এলো না। আমার ভাই রেস্টুরেন্টে চাকরি করত। আমার ভাইয়ের আয় দিয়ে সংসার চলত। মাসে ২০ হাজার টাকা বেতন পেত। শুক্রবার আসার কথা ছিল। আর এলো না আমার ভাই।
বাবা আয়নাল হক জানান, অভাব অনটনের সংসার চালাতেই দুই ভাই কাজ করতেন বেইলি রোডের ওই ভবনে। তার দুই ছেলে, এক মেয়ে। বড় ছেলে মেহেদীর বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ছিল। পাসপোর্ট করার জন্য কাগজপত্র রেডি করতেছিল। মেহেদী স্বপ্ন দেখতো, বিদেশে গিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে পরিবারের অভাব অনটন দূর করবে। কিন্তু ভাগ্য সহায় হলো না। তার স্বপ্ন পূরণ হলো না। সরকারের কাছে তিনিও সহযোগিতা কামনা করছেন।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাকিলা বিনতে মতিন জানান, মেহেদীর পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সব সময় থাকবে। এই পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় হাফেজ আবু রায়হান (১৭) নামে এক দাখিল পরীক্ষার্থীর নিহতের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের (পুরাতন সড়ক) পুষ্টকামুরী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হাফেজ আবু রায়হানের বাড়ি উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। সে এ বছর মির্জাপুর আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার বাবা স্কুলশিক্ষক হাবিবুর রহমান। তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আবু রায়হান এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে। বাবা হাবিবুর রহমান উপজেলার ছিট মামুদপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক। বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেল যোগে মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যাচ্ছিল রায়হান। ছেলেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে উপজেলার বাঁশতৈল পরীক্ষা কেন্দ্রে ডিউটিতে যাওয়ার কথা ছিল তার বাবার। পথিমধ্যে পুষ্টকামুরী এলাকায় পৌঁছালে সিএনজি চালিত অটোরিকশার সঙ্গে তাদের মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে আহত হন। এ সময় গরুভর্তি একটি পিকআপ পরীক্ষার্থী আবু রায়হানকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফজলু মিয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘাতক পিকআপ নিয়ে চালক পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রাক চালক নাজমুল ইসলাম ওরফে আজিজুল ইসলাম (৩৫) খুনের ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে সাদ্দাম হোসেন (৩৪) ও নাদিম খান (৩১) নামে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মির্জাপুর থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্য জানান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা সদরের বাইমহাটি মাস্টারপাড়ার আবু সাঈদ খানের ছেলে নাদিম (৩১), লতিফপুর ইউনিয়নের ত্রিমোহন বান্দরমারা গ্রামের পাষান খানের ছেলে সাদ্দাম (৩৪), বাইমহাটী গ্রামের মৃত সামাদ আলীর ছেলে মো. ইয়াসিন (২৩), বাগজান গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে লাভলু মিয়া (৩১), বাইমহাটী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে ফজল মিয়া (৩৯) সিংজুরী গ্রামের বোরহান মিয়ার ছেলে মো. সোহেল (৩২)।
প্রেস বিফংয়ে জানানো হয়, শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ট্রাকচালক আজিজুল ও তার শ্যালক ট্রাকের হেলপার আবু তালেব নারায়ণগঞ্জ থেকে ট্রাকে ভুট্টা ভর্তি করে বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে রাত ১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকার মা সিএনজি স্টেশনের কাছে পৌঁছালে মহাসড়কে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। এসময় ট্রাক থামিয়ে চালকের সহকারী পড়ে থাকা বস্তা সরাতে গেলে ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্রধারী এসে তাকে ঘিরে ফেলেন। অস্ত্রধারীরা তার সঙ্গে থাকা ১৮ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং মারপিট করেন। এসময় দৌড়ে সহায়তা পেতে চিৎকার করতে থাকেন। এদিকে অস্ত্রধারীরা ট্রাকে উঠে চালকের বুকে ছুরিকাঘাত করে। হেলপারের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন ও পুলিশের টহল দল এগিয়ে গেলে অস্ত্রধারী ডাকাতদল পালিয়ে যায়। পরে আহত চালককে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় মির্জাপুর থানায় শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ট্রাকের হেলপার আবু তালেব মামলা করে। মামলা নথিভূক্ত হওয়ার তিন ঘন্টার মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যে রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ও সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) পোষ্টকামুরী, বাইমহাটী, দেওহাটা ও মির্জাপুর বাজার এলাকা থেকে বাকি চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম ও নাদিম রবিার (১৮ ফেব্রয়ারী) আদালতে ট্রাকচালককে খুনের কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য চারজনকে সোমবার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরন করা হয়।
এই খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাতজনের মধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তর করা হয়েছে এবং অন্য একজনকেও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পিকআপ-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ২ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টার দিকে উপজেলার গোড়াই-সখিপুর আঞ্চলিক সড়কের বাঁশতৈল ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার ভাতগ্রাম গ্রামের বিদ্যুৎ মিয়ার ছেলে আকাশ (৩০), নয়াপাড়া গ্রামের সমেজ উদ্দিনের ছেলে নাজমুল (২৫), গাইড়া বেতিল গ্রামের মঈনউদ্দিনের ছেলে লুৎফর রহমার (৪০) এবং তেলিপাড়া গ্রামের তারা মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৫)। তারা সিএনজির যাত্রী ছিল।
মির্জাপুর বাঁশতৈল ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) হুমায়ুন কবীর এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হুমায়ূন কবীর জানান, পিকআপের সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সিএনজির তিন যাত্রী নিহত হয়। তাদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী। এতে আরও ৩ জন আহত হয়।
তিনি আরও জানান, পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আহতদের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে দুর্ঘটনায় মোট ৪ জন নিহত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সাতটি অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা সালেহা সুমী এ অভিযান পরিচালনা করেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর জানান, পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটি পার্শ্ববর্তী কালিহাতী ও ভূঞাপুর উপজেলার দুটি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
লাইসেন্সবিহীন সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালিত এসব ইটভাটা মলিকদের কাছ থেকে ৩৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি ইটভাটার মালিকের প্রত্যেককে ছয় লাখ টাকা করে এবং একজন ভাটা মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ইটভাটার কিলন ভেঙে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ভাটার কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করে বন্ধ করে দেওয়া ইটভাটাগুলো হলো ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া গ্রামের সুজন ব্রিকস, সিয়াম ব্রিকস, স্বর্ণা ব্রিকস-২, মিশাল ব্রিকস ও লোকেরপাড়া গ্রামের এমএসটি ব্রিকস। কালিহাতী উপজেলার তালতলা গ্রামের একুশে ব্রিকস ও ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের কবির ব্রিকস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপপরিচালক জমির উদ্দিন, সহকারী পরিচালক তুহিন আলম ও সহকারী পরিচালক জনাব সজীব কুমার ঘোষ প্রমুখ।
অভিযানে টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচলক পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, সোমবার সাতটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
এদিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় তিনটি ইটভাটার মালিককে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন ও জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয় ভাটাগুলোতে। এ সময় জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিনসহ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় মির্জাপুরের গোড়াই সৈয়দপুর এলাকার মেসার্স আশা ব্রিকস এন্ড কোং ও মেসার্স নূরজাহান ব্রিকসকে ছয় লাখ টাকা করে এবং রানাশাল এলাকার মেসার্স হাকিম এন্টার প্রাইজকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত)-২০১৯ অনুযায়ী ইটভাটা পরিচালনার জন্য মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে বালু (ভিটমাটি) বিক্রির দায়ে দুই বালু ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রবিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গোড়াইল ও ইচাইল এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন তিনি।
অর্থদন্ড প্রাপ্তরা হলেন উপজেলার গোড়াইল গ্রামের মৃত দীন মোহাম্মদের ছেলে আলমগীর মৃধা (৫০) ও যুগী গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে ইউসুফ মিয়া (২৭)।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান জানান, আলমগীর মৃধা বংশাই নদীর গোড়াইল এবং ইউসুফ মিয়া লৌহজং নদীর ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ইচাইল এলাকা থেকে রাতের আধারে ভেকু মেশিন দিয়ে বালু কেটে বিক্রি করে আসছিলেন।
তিনি আরও জানান, পরে স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ওই দুই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।